Leaderboard


Popular Content

Showing most liked content on 03/13/2018 in all areas

  1. 5 likes
    সকল ট্রেডারের জন্য প্রচলিত(Common) এবং জরুরী কিছু নির্দেশাবলী একটি সম্মানজনক ও সঠিক ব্রোকারঃ একটি ব্রোকার এ কার্যকরভাবে ট্রেড করার ক্ষমতা নির্ভর করে সে ব্রোকারের যাবতীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ স্প্রেড/কমিশন ও প্রশস্ত তারল্যের উপর। ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো ব্রোকারই একটি অবস্থান তৈরি করতে পারে।তার মানে এই নয় যে, সে ব্রোকার ভাল। সঠিক সময়ে একটি ট্রেড থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ব্রোকার এর (ঐই পেয়ার এর) ন্যায্য বাজার মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ অন্য ব্রোকার এর সাথে বাজার মুল্যের পিপ্স পরিবর্তন রূপ। ব্রোকার এর সাথে গ্রাহকদের যোগাযোগের নিয়ম/ক্ষমতা, সময়ের ব্যবধান ও কোনো সমস্যা হলে তার দ্রুত সমাধান দেয়ার সুষ্ঠ গুনাবলী থাকা অবশ্যই বাঞ্জনীয়। যে ব্রোকার সঠিকভাবে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সহজ ও আইনীভাবে গ্রাহক তার অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলন করতে পারে।এবং যে ব্রোকার আইনীভাবে বৈধ। যখন লাইভ ট্রেড করবেনঃ সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করা।অধিক পরিমাণ লিভারেজ/লোন (যা ব্রোকার দিয়ে থাকে) ব্যবহার করবেন না, যা আপনার বিনিয়োগকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাবে।নিজের সফল স্টেটেজিতে ট্রেড করা। আর যদি অন্যের স্টেটেজিতে ট্রেড করে থাকেন তাহলে সেটা আগে তিন মাস ডেমোতে পরীক্ষা করে দেখুন যে ফলাফলটা কেমন। কারণ অন্যের স্টেটেজিতে হয়তো এক সপ্তাহ প্রফিট হয়ে পরের দিন বিশাল লস হতেই পারে কারণ এটা আপনার যাচাই করা স্টেটেজি নয়। অধিক সাহসই ফরেক্স মার্কেট এ অনেক ট্রেডারকে নিঃস্ব করে ছাড়ে, মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো সময় বাজার মূল্য যেকোনো দিকে যেতে পারে তাই সর্বদা স্টপ লস ব্যবহার করুন। কখনো আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করবেন না, আর ট্রেড করার সময় আপনার পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখুনঃ একটি ট্রেড শুরু করার আগে একটি ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করুন।যুক্তিসঙ্গত ঝুঁকি ও রিওয়ার্ড প্যারামিটার সেট করুন।আবেগপ্রবণ হয়ে আপনার স্টপ লস কে অগ্রাহ্য করবেন না।বাজারমুল্যের উপর কখনো প্রতিক্রিয়া করবেন না – এর অর্থ হল কখনো এই ভেবে বাই করবেন না যে বাজারমূল্য এখন অনেক নিচে আবার কখনো এটা ভেবেও সেল করবেন যে বাজারমুল্য অনেক উপরে। কারণ আপনার ট্রেড যে ওখান থেকে প্রফিটের দিকে আসবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমান বা নিয়ম নেই। মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেটে যে কোনো দামের ব্যবধান হতেই পারে। ট্রেন্ড লাইন এর সঙ্গে এবং বিপরীতে ট্রেডঃ যখন ট্রেন্ডলাইন এর দিকে ট্রেড করবেন তখন ট্রায়ালিং স্টপ ব্যবহার করুন, তাহলে সরবোচ্চ প্রফিট নিতে পারবেন।আর যখন ট্রেন্ডলাইন এর বিপরীতে ট্রেড করবেন তখন শেষ পিপ বা সরবোচ্চ লাভের আশা না করে কতটুকু কারেকশন করতে পারে তা এনালাইসিস করে যতটুকু প্রফিট নেয়া যায় তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। মনে রখবেন মার্কেট ট্রেন্ড হলো ট্রেড এবং ট্রেডারের বন্ধু, অর্থাৎ ট্রেন্ড যেদিকে আপনার ট্রেড সেদিকে হওয়া উচিৎ। একটি কন্টিনাম (Continuum) হিসেবে ট্রেড এর আচরনঃ একটি সফল ট্রেডের স্টেটেজির উপর Base/ভিত্তি করে ট্রেড করবেন না। কারণ একটি ট্রেডে সফলতা এসেছে বলে প্রত্যেক ট্রেডে সফলতা আসবে এমন কোনো নিয়ম নেই, হ্যাঁ তবে যদি ঐই স্টেটেজিতে যদি ৭০% সফলতা আসে তাহলে ঠিক আছে। প্রত্যেকটি ট্রেড এ আবেগপ্রবণ হাই অথবা লো এড়িয়ে চলুন। অর্থাৎ আপনার ইচ্ছামত হাই লো পয়েন্ট নির্বাচন করবেন না।সমন্বয়ের/ঐক্যের মাধ্যমে একটি উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। ফরেক্স/বৈদেশিক মুদ্রা ট্রেডিং হল মাল্টি কারেন্সিরঃ ক্রস কারেন্সিগুলো দেখুন কারণ তারা হল স্পট/মেজর ট্রেডিং এ প্রভাব পড়ার চাবি। একই ক্রস কারেন্সি বনাম অন্যান্য কারেন্সি। যেমনঃ EUR/JPY (EUR Vs. JPY) অথবা EUR/GBP (EUR Vs. GBP)।স্পট/মেজর ট্রেড করার ক্ষেত্রে ক্রস কারেন্সিগুলো আপনাকে ভালো ডিরেকশান দিবে যদিও আপনি সেগুলোতে ট্রেড না করে থাকেন। যেমনঃ আপনি যদি EUR/JPY (EUR Vs. JPY) পেয়ারটি দেখেন তাহলে এখানে EUR ও JPY এর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া হয়ে যাবে যে এখানে কোন কারেন্সিটি স্ট্রং এবং মেজর পেয়ারে এ দুটির একটি কারেন্সি আছে এমন পেয়ারে ট্রেড করতে গেলে আপনি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নিউজ এ চোখ রাখুনঃ অন্ধের মত শুধুমাত্র টেকনিক্যাল এনালাইসিস এ ট্রেড না করে প্রতিদিন ট্রেড এ বসার আগে কি কি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে সেগুলো দেখে নিন ও সে সময়গুলো মনে রেখে ট্রেড করুন। মনে রাখবেন হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর ট্রেড করা ভাল।নিউজ ট্রেড এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংখ্যার নিউজগুলো কতটুকু এগিয়েছে বা পিছিয়েছে তা দেখুন এবং নিউজ এর ফলাফল বুঝে সতর্কভাবে ট্রেড করুন। মার্কেট তারল্যের বিষয়ে সতর্ক থাকুনঃ সফল ট্রেড এর ক্ষেত্রে মার্কেট তারল্যের প্রতিও নজর রাখা জরুরী। অনেক সময় দেখা যায় যে তারল্যহীন মার্কেটে ট্রেড করে ঐই ট্রেড এর ফলাফলের জন্য কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়।কোনো দেশের সরকারি ছুটির দিন বা অর্ধ-ছুটির দিনে ঐই কারেন্সির তারল্য কম হয়।মার্কেট তারল্যের ব্যপারে যে কোনো কারেন্সির/দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। যেকোনো দেশের ব্যাংক ছুটির দিনে সে দেশের কারেন্সিতে তারল্য কম থাকে তা মনে রাখবেন। পরিশেষে একটি কথা বলবো, ফরেক্স ব্যবসা অশিক্ষিত এবং ধৈর্যহীন ব্যাক্তির জন্য নয়, কারণ এ ব্যবসা জানতে হলে বা করতে হলে আপনাকে প্রচুর স্টাডি, শ্রম, ধৈর্য ও মনোবল ব্যয় করতে হবে। তবেই আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে পারবেন। ভুল হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন আর ভালো লাগলে অনুপ্রেরনা যোগাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  2. 1 like
    আমি আজ আপনাদেরকে এমন একটা বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাই যাকে ঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট বলা চলেনা । চাইলে ট্রেড ম্যানেজমেন্ট বলা যায় । সম্পূর্ন ট্রেড ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারনা না থাকলে আপনি কখনোই একজন সফল ট্রেডার হতে পারবনেনা । প্রথমে আপনি যতই লাভ করেননা কেন শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে আপনি লসের মুখে পড়েছেন । আমি আজ ট্রেড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যে কথাগুলো বলতে চাচ্ছি সেগুলো হচ্ছে মূলত ট্রেড করার সময় আমি যে বিষয়গুলো মেনে চলি তারই প্রতিরুপ । আমি আশা করবো আপনারাও নিজেরা ট্রেড করার সময় বিষয়গুলো মেনে চলবেন । ট্রেড ম্যানেজমেন্ট মূলত কি : ট্রেড ম্যানেজমেন্ট এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে আপনি আপনার ষ্টপ লসকে কখনোই এমনভাবে এ্যাডজাষ্ট করবেননা যা আপনাকে বড় ধরনের রিস্কে ফেলে দেয় এবং টার্গেট প্রফিট অর্জন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে । এই বিষয়টা মেনে চললে আপনি একটা লোরিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও মেইনটেন করে চলতে পারবেন । এটা লং রানে আপনাকে একটা সুবিধাজনক স্হানে নিয়ে যাবে । একটি উদাহারন : ধরুন আপনি একটা সর্ট ট্রেন্ডে অর্ডার নিয়েছেন । ষ্টপ লস ধরুন 30 পিপস আছে প্রাইস ধীর গতিতে আপনার ষ্টপ লসের দিকে মুভ করছে অাপনি আশা করছেন যে মার্কেট আপনার অনুকুলে মুখ করবে তাই ঠিক করলেন যে ষ্টপ লস 50 পিপস ধরবেন । এ ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় যেটা দেখা যায় যে প্রাইস ঠিকই 50 পিপস এ ষ্টপ অাউট হওয়ার পরে আপনাকে বড় লসের মুখে পড়তে হয় । এই ক্ষেত্রে যা করা উচিৎ তা হলো -যখনই দেখব প্রাইস ষ্টপ লসের দিকে এগোচ্ছে ট্রেডার হিসাবে আমাদের গ্রহন করে নিতে হবে যে আমরা ভূল ট্রেডে আছি ভূলটাকে শুদ্ধ করার জন্য ষ্টপ লস শিফট করব না কারন এত করে আরো বড় লস হতে পারে । সাধারনত নতুন ট্রেডাররা এই মিসটেক ভূলটা বেশি করে ফেলে কারন তারা ট্রেডিং এ লসটাকে গ্রহন করে নিতে পারেনা । আমি আমার নিজের কিছু ট্রেডিং আইডিয়া শেয়ার করব যা এই ক্ষেত্রে বিশেষ কাজে দিবে । যখনই প্রাইস আমার পজিশনের বিপরীতে মুভ করবে আমি আমার ষ্টপ লস ধরে রাখবো যদি প্রাইস আমার ষ্টপ লস ধরে ফেলে তাহলে এটি আমি গ্রহন করে নিব এবং লস রিকভারের জন্য নতুন ট্রেডের অপেক্ষা করব । অপরদিকে প্রাইস যদি আমার অনুকূলে মুভ করে তখন আমি আমার ষ্টপ লসকে ব্রেক ইভেন পয়েন্টে নিয়ে যাব । অপেক্ষা করব কখন প্রাইস আমার টার্গেটকে হিট করবে যদি এই ক্ষেত্রে প্রাইস রিভার্স হয়ে এসে ষ্টপ আউট করে তাতেও আমি একটা সিঙ্গেল পিপ লস খাবনা ।এভাবেই আমি আমার ক্যাপিটালকে সুরক্ষিত করে রাখি । আমি বলছিনা আপনি এইভাবে আমাকে ফলো করেন কিন্তু আপনি চাইলে চিন্তা করে এমন কিছু পদ্বতি তৈরী করে নিয়ে আসতে পারেন ্ ট্রেড ম্যানেজমেন্ট কেন দরকার : এখন ট্রেডার হিসাবে আপনাকে একটা ব্যাপার বুঝা খুব দরকার আপনাকে অবশ্যই আপনার ক্যাপিটাল সেভ করে চলতে হবে ।একজন প্রফেশনাল ট্রেডারের কাছে নিজের ক্যাপিটাল সেভ করাটা নতুন ট্রেডে বিজয় হওয়ার চেয়েও বেশি দরকারি । আপনি যদি প্রফিটেবল ট্রেডার হতে চান তাহলে আপনার নিজের ট্রেড ম্যানেজমেন্ট এর দক্ষতাকে ট্রেডে Apply করতে জানতে হবে । ট্রেড ম্যানেজমেন্ট এর একটা সুন্দর উপায় : ট্রেড ম্যানেজমেন্ট এর আরেকটা উপায় দেখাতে পারি এখানে একটা ট্রেডের বদলে দুইটা ট্রেড ওপেন করবেন এবং উভয় ক্ষেত্রেই ষ্টপলস ও Entry price সেইম হবে । পার্থক্যটি হলো আপনি যে পরিমান টাকা রিস্ক নিতে রাজী আছেন তা দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়ে গেল ধরুন আপনি 200 ডলার রিস্ক নিতে চান এ ক্ষেত্রে আপনি 100 ডলার করে দুটো আলাদা টেডে রিস্ক নিলেন । একটা ট্রেডের জন্য আপনার রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও ধরেন= 1:1 অন্য ট্রেডে টার্গেট সেট যখন 1:1 টার্গেট হিট খাবে আপনি পাবেন 100 ডলার । এখন এই 100 ডলার কিন্তু আপনার অন্য ট্রেডের রিস্কটি কভার করবে যেটা এখনও ওপেন আছে । এর ফলে আপনার 2য় ট্রেডটি একটা ফ্রী ট্রেডে পরিনত হয়েছে । কারন 2য় ট্রেডের ষ্টপলস পয়েন্ট চলে এলেও আপনি লস খাবেননা । কারন প্রথম ট্রেডে 100 ডলার লাভ 2য় ট্রেডে 100 ডলার লস আপনার ক্যাপিটাল কিন্তু রয়েই গেল । শুধু মাত্র একটা উপায় আছে যার ফলে আপনি এইখানে লস খেতে পারেন তাহলো যদি আপনার 1:1 রেশিওর ট্রেডটি যদি টার্গেটে হিট না করে আপনি ওইখানে লস খেয়ে যান তাই ঐ ট্রেডটা আপনাকে অনেক বুঝে শুনে করতে হবে । উপরি উক্ত আলোচনা শুধু আমার একটা আইডিয়া এই ট্রেড ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে আপনাদের আরো ভালো কিছু জানা থাকলে শেয়ার করুন । কারন আমরা সবাই মিলে যদি একটা ব্যাপার নিয়ে ডিসকাস আলোচনা করি তাহলে একদিন প্রকৃতপক্ষে ফাইনালি একটা ভালো অনেক উন্নত ভালো একটা ফরেক্স এ সফলতার চাবিকাঠি তৈরী করতে সক্ষম হব ।
  3. 1 like
    পরিচিত হন প্রাইস অ্যাকশান এর সাথেপ্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং খুবই সাধারণ সিস্টেম যা প্রফেশনাল ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং মূলত বর্তমান প্রাইস ডাটা এবং পরিস্কার চার্ট নিয়ে গঠিত। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডারদের আছে কিছু প্যাটার্ন যা তারা দেখে মার্কেট এর যুক্তিযুক্ত লেভেল গুলোতে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিস্টেম কি?প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যা প্রফেশনাল ফরেক্স ট্রাডাররা ব্যাবহার করে। বেশি ভাগ প্রফেশনাল ট্রাডার লজিকাল পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা খুবই সহজ। অন্য দিকে নতুন ফরেক্স ট্রাডাররা ঝুলে থাকে হলি গ্রাইল এর জন্য যা তাদের রাতারাতি বড়লোক বানায় দিবে।প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং খুবই লজিকাল এবং পরিস্কার নিয়ম কানুন ট্রেড প্যালেস করার জন্য।অন্য দিকে ইন্ডিকেটর মানিয়ে নিতে পারেনা মার্কেট এর পরিবর্তন এর সময় গুলোকে। আর প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিগন্যাল গঠন করে বর্তমান মার্কেটের পরিস্থিতির উপর।প্রাইস অ্যাকশান কি?খুবই সহজ এবং সাধারণ : প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং হল এমন একটি দক্ষতা যা প্রাইস পড়তে এবং ট্রেড করতে সাহায্য যে কোন চার্ট এ, যে কোন মার্কেটে, যে কোন টাইমফ্রেমে এবং কোন ইন্ডিকেটর ছারাই। খুবই মৌলিক শর্তাবলী যে প্রাইস অ্যাকশান প্রকাশ করে একটি উপায় যার মাধ্যমে ট্রাডাররা দেখতে পায় মার্কেটে বর্তমানে কি ঘটছে। নির্ধারিত কিছু পেয়ার কি করছে বিশেষ কিছু টাইমফ্রেমে। উধারন, একটি ক্যান্ডলস্টিক বা বার আমাদের দেখাবে কত তুকু উপরে পেয়ার টি গিয়ে ছিল, কতটুকু নিচে পেয়ার গিয়েছিল এবং ওপেনিং ও ক্লসিং প্রাইস। বেশিভাগ প্লাটফর্ম এ আছে ক্যান্ডলস্টিক ও বার এর জন্য বিভিন্ন টাইমফ্রেম যা ১মিনিট থেকে ১মাস পর্যন্ত।অন্যভাবে যদি চিন্তা করি এর সম্বন্ধে, তবে প্রাইস অ্যাকশান হল যা ট্রাডাররা কি করতেছে এবং কিভাবে তারা ট্রেড করছে, তাই প্রকাশ করে থাকে চার্ট এর মাধ্যমে।আমরা কি দেখছি চার্টে এবং অন্যরা কি দেকছে তাদের চার্টে, এবং সবাই কি একি ধরণের চিন্তা করছে একি রকম উপকরণ ব্যাবহার এর মাধমে।নিচে ২টি চার্ট আছে পাশাপাশি, বাম পাশেরটি হচ্ছে পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস বা প্রাইস অ্যাকশান শো করছে। এটি প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে তাদের ট্রাডিং এর জন্য। ডান পাশের চার্ট ইন্ডিকেটর দিয়ে ভর্তি, এই চার্ট সম্পূর্ণরুপে এলোমেলো এবং কনফিউসিং। প্রাইস অ্যাকশান এর জন্য আমাদের প্রয়োজন পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস ছারা অন্য কিছু শো করবেনা,এমনকি কোন ইন্ডিকেটর ও না।কিভাবে ট্রেডাররা প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করবে প্রফিট করার জন্য?প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা প্রাইস অ্যাকশান চার্ট হতে সঠিক তথ্য গ্রহণ করা অর্জন করতে পারবে এবং তাদেরতার উপর নির্ভর করে ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের আছে key সিগন্যাল যা তারা লক্ষ্য করবে বর্তমান মার্কেটে ট্রেড করার জন্য।প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে, যা তারা প্রাইস দেখার মাধ্যমে পাবে।পেয়ারটি কি ট্রেন্ডে আছে?পেয়ারটি কি রেঞ্জে আছে?প্রাইস কি কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স লেভেলের কাছে আসে?প্রাইসে এমন কোন key সিগন্যাল গঠন করছে যা ইঙ্গিত করছে মার্কেট কথায় যেতে পারে?প্রাইস ডাটা ব্যাবহারের মাধ্যমে প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা কৌশল রপ্ত করে কিভাবে সাপ্লাই এবং ডিমান্ড তৈরি করতে হয় তাদের চার্টে, এছারাও তারা জানতে পারে প্রাইস কোন দিকে ব্রেক করবে নাকি রিভার্স করবে, এই তথ্য গুলো ব্যাবহারের মাধ্যমে ট্রেড লাভ করার সম্ভাবনা বেরে যায়।প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ধারাবাহিক ভাবে পরিমাপ করতে পারে প্রাইসকে এবং যে কোন সিগন্যাল তারা ব্যাবহার করতে পারে ট্রেড করার জন্য বা ওপেন ট্রেড মেনেজ করার জন্য। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডার ব্যাবহার করে key কেন্ডলস্টিক প্যাটার্ন key এরিয়াতে তাদের চার্টে ট্রেড এন্টার করার জন্য। যেমন; প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল হচ্ছে পিনবার।একটি পিনবারে যা থাকতে হবে;ওপেন এবং ক্লোজ আগের ক্যান্ডলের মধ্যে হতে হবে,ক্যান্ডলের লওয়ার শেড ৩গুন বড় হবে ক্যান্ডলের বডী থেকে,দীর্ঘ শেড থাকবে যা অন্যান্য বার গুলোকে ছারিয়ে যাবে, আমি প্রাইস অ্যাকশান সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি মাত্র তাই আশাকরি কিছু উপকার হবে যারা প্রাইস অ্যাকশান সম্পর্কে জানেননা । বিন্দু মাত্র কারো উপকার হলে আমার লেখা সার্থক হবে ।
  4. 1 like
    বলিঙ্গার বেন্ড (Bollinger Band) A-Z ফরেক্স এক্সপার্ট ট্রেডিং – ( পোস্ট পর্ব - ১ )বলিঙ্গার বাউন্স - নিশ্চিত প্রফিট (Bolinger Bounce) A-Z ফরেক্স এক্সপার্ট ট্রেডিং – ( পোস্ট পর্ব ২ ) আবারো বলে নিচ্ছি, যারা বলিঙ্গার এক্সপার্ট হতে চান, আপনাদের উদ্দেশে বলছি অনুগ্রহ করে ধারাবাহিক পোস্ট ১ থেকে শুরু করুন তাতে করে একটি সঠিক গাইড লাইন এবং সুফল প্রয়োগ পাবেন। যাহোক আজকে আলোচনা করব, বলিঙ্গার ব্রেক ট্রেডিং নিয়ে, যদি ও খন্ড খন্ড আলোচনায় বলিঙ্গার ব্রেক ট্রেডিং নিয়ে আগেও আলোচনা করেছি, তারপর ও ধারাবাহিক পোস্ট এর স্বার্থে আবারো আরো বিস্তারিতভাবে কাভার করার চেস্টা করছি। বলিঙ্গার ব্রেক স্ট্রেটিজিটি মোটামুটি যারা ট্রেড শুরু করেন তারা প্রত্যেকই প্রথম দিকেই জেনে যান কারন এই স্ট্রেটিজিটি একটি বহুল প্রচলিত সফল একটি স্ট্রেটিজি। তাই আজকের এই আলোচনায় চেস্টা করবো বলিঙ্গার ব্রেক ট্রেডিং কে আরো মজবুত এবং শক্তিশালি রুপে উপহার দিতে। যখন একটি স্কুইজ, নেরো, ফ্ল্যাট, সমতল ট্রেন্ড থেকে মার্কেট নতুন রুপে যে কোন একটি দিকে বাক নিয়ে যেতে থাকে তাকেই বলিঙ্গার ব্রেক বলে। তাই কখন মার্কেট বাক/ব্রেক নিবে, বা কতখন স্কুইজ অবস্থানে অটল থাকবে ইত্যাদি জেনে বুঝে ট্রেডে পা দিতে হবে। মনে রাখবেন বলিঙ্গার বেন্ড এর প্রতিটি অবস্থান থেকে ট্রেড করা সম্ভব তাই যখন যে অবস্থানে বলিঙ্গার বেন্ড দেখবেন সেখান থেকে ট্রেড তৈরি করতে হবে স্ব-স্ব স্ট্রটিজিতে। বলিঙ্গার যখন রেঞ্জ বাউন্ড করে তখন ট্রেড করলেন আবার যখন স্কুইক হয়ে নতুন ট্রেন্ডে বাক নেই তখন ও ট্রেড করতে পারেন। RSI ও ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন বলিঙ্গার ব্রেকআউটঃ স্বাভাবিকভাবে যখন বলিঙ্গার স্কুইজ থেকে ক্যান্ডেলস্টিক মিডল বলিঙ্গার এর উপর থেকে আপার বলিঙ্গারকে ক্রস করে বাক তৈরি করে তখন বায় ব্রেকআউট ট্রেড করা হয়, আবার বিপরীতভাবে মিডল বলিঙ্গার এর নিচে লাওয়ার বলিঙ্গারকে ক্রস করে বাক তৈরি করলে সেল ব্রেকআউট ট্রেড হয়। তবে এই পদ্ধতিতে কিছুটা মিসগাইড হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় অনেক ক্ষেত্রে, তাই কিছু ইন্ডিকেটর এর সাহায্য ব্রেকআউটকে আরো নিশ্চিত করে ট্রেডে ঢুকতে পারেন। Bullish Bollinger break: একটি সংকচিত মার্কেট এর পরে যখন প্রাইস ব্রেক করে আপার বলিঙ্গারকে পয়েন্ট করে উপরের দিকে প্রসারিত হয় আবার লাওয়ার বলিঙ্গার নিচের দিকে প্রসারিত হয় তখন তাকে বুলিশ বলিঙ্গার ব্রেকআউট বলে। বুলিশ বলিঙ্গার ট্রেডে এন্টার করতে নিচের পলিসিগুলো ব্যাবহার করতে পারেন। Buy Entry Conditions: কারেন্সি আপট্রেন্ডে অবস্থান করছে বা রয়েছে।মার্কেট স্কুইক পজিশনে রয়েছে।প্রাইস আপার বেন্ডকে টাচ করেছেব্রেকআউট বায় ক্যন্ডেল্টি আগের ক্যান্ডেল এর চেয়ে হাই প্রাইস পজিশনে রয়েছে। RSI লেভেল ৩০-৫০ বা রাইজিং রয়েছে। Buy Trade Exit Conditions: বলিঙ্গার মিডল বেন্ড এর ২০ পিপস নিচে বা ৫০-৭০ পিপস নিচে Stop Loss সেট করুন;১০০-১৫০ পিপস Take Profit সেট করে দিন; উপরের চিত্রে খেয়াল করুন, ৫ টি ক্যান্ডেল এর একটি স্কুইজ পজিশন থেকে একটি বায় ক্যান্ডেল এর মাধ্যমে প্রাইস আপার বলিঙ্গারকে টাচ করে বলিঙ্গার স্কুইজ থেকে আপার বলিঙ্গার আপ পয়েন্টিং এবং লাওয়ার বলিঙ্গার ডাউন পয়েন্টিং এর মাধ্যমে প্রসারিত হয়েছে। RSI লেভেল ৫০ এর উপরে অবস্থান তাই এই ডিরেকশনে বায় ট্রেড করে নিয়ে নিতে পারেন অনেক প্রফিট; Bearish Bollinger break: ঠিক বুলিশ ব্রেকআউটের বিপরীত, একটি সংকচিত মার্কেট এর পরে যখন প্রাইস ব্রেক করে লওয়ার বলিঙ্গারকে পয়েন্ট করে নিচের দিকে প্রসারিত হয় আবার আপার বলিঙ্গার উপরের দিকে প্রসারিত হয় তখন তাকে বেয়ারিশ বলিঙ্গার ব্রেকআউট বলে। বেয়ারিশ বলিঙ্গার ট্রেডে এন্টার করতে নিচের পলিসিগুলো ব্যাবহার করতে পারেন। Sale Entry Conditions: কারেন্সি ডাউনট্রেন্ডে অবস্থান করছে।মার্কেট স্কুইক পজিশনে রয়েছে।প্রাইস লওয়ার বেন্ডকে টাচ করেছে।ব্রেকআউট সেল ক্যান্ডেল্টি আগের ক্যান্ডেল এর চেয়ে লাওয়ার পজিশনে রয়েছে। RSI লেভেল ৫০-৮০ বা ফলিং রয়েছে। Sale Trade Exit Conditions: বলিঙ্গার মিডল বেন্ড এর ২০ পিপস উপরে বা ৫০-৭০ পিপস Stop Loss সেট করুন;১০০-১৫০ পিপস Take Profit সেট করে দিন; View the full article View the full article