Leaderboard


Popular Content

Showing most liked content since 10/26/2012 in all areas

  1. 16 likes

    Version - এম.হাফিজ জয়

    3,324 downloads

    ফরেক্স বিগেনার টু প্রো’ হল বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অধ্যায় ভিত্তিক ফরেক্স শিক্ষার সেরা এবং সম্পূর্ণ একটি বই। সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় ফরেক্স নিয়ে লিখিত এই বইটি নূতন থেকে শুরু করে প্রফেশনাল ট্রেডার রুপে গড়ে উঠতে স্টেপ বাই স্টেপ ফর্মুলা অনুসারে সাজানো হয়েছে। প্রত্যেকটি অধ্যায় সাজানো হয়েছে উপযুক্ত টপিক নিয়ে, ফরেক্স সম্পর্কে যারা একেবারেই অজ্ঞ তাদের জন্য বইটি হতে পারে সেরা পছন্দ। বেসিক টার্মস, চার্ট প্যাটার্ন, টেকনিক্যাল এনালাইসিস, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস ও ট্রেডিং টার্মস এবং প্ল্যান সহ নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বইটি আপনার ফরেক্স শিক্ষার একটি শক্তিশালী পছন্দ হবে আশা করছি। ৮০ পৃষ্ঠার সেরা এই বইটি ফরেক্স শিক্ষার জন্য একটি পুর্নাঙ্গ গাইডলাইন হবে আপনার। যে সকল মুল অধ্যায় দিয়ে সাজানো হয়েছে বইটিঃ বই সম্পর্কে আরো তথ্যঃ নামঃ ফরেক্স বিগেনার টু প্রফেশনাল ট্রেডিং লেখকঃ এম.হাফিজ জয় পৃষ্ঠাঃ ৮০ ভাষাঃ বাংলা
  2. 12 likes
    ফরেক্স কি, শিখতে কোথায় যাব? কতদিন লাগবে? কত টাকা আয়ের গ্যারান্টি? কত ইনভেস্ট করতে হয়? ইনভেস্ট ছাড়া কি ট্রেড করা সম্ভব? প্রফেশন হিসেবে কেমন, সবাই কি পারবে? এই সবকিছু একটু বুঝিয়ে বলেন।– ট্রেডার , নন-ট্রেডার সবার জন্য। মুল আলোচনায় যাওয়ার আগে হালকা একটু জেনে নেয় ফরেক্স কি এর কি কি সুবিধা আছে এবং প্রফেশন হিসেবে এটা কেমন হতে পারে। বিষয়টা আসলে শেয়ার করছি অনেকজানার ভেতর সামান্য অজানার তাগিতে, বেশ কদিন ধরে একটা প্রশ্ন ফেইস করছি অনেকে ফরেক্স, ফরেক্স শব্দটা শুনতে শুনতে বিরক্ত, যে ফরেক্স শিখতে কোথায় যাব? অনেকে অনেক ধরনের সুবিধার কথা বলছে, কেউ কেউ বলছে ট্রেনিং করলে নিশ্চিত আয়, আবার এটাও অনেকে বলছে মাসে ৫০,০০০-৭০,০০০ টাকা সহ আনলিমিটেড আয়ের ব্যবস্থা ,আবার এমন কাউকে শো করছে যারা নাকি প্রতিমাসে ১,০০,০০০(এক লক্ষ) টাকার চেয়ে বেশী ইনকাম করে ফরেক্স ট্রেডিং এর মাধ্যমে। সব মিলিয়ে বিষয়টা অনেকের কাছে এখনো অস্পষ্ট। তাই আমার ফরেক্স ট্রেডিং এর অভিজ্ঞতা এবং উপরোক্ত সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোর যথাযথ সমাধানের চেষ্টায় এই অভিপ্রায়। আশা করছি আপনাদের ফরেক্স ট্রেডিং অভিজ্ঞতা ও শেয়ার করবেন। তাতে করে মিনিমাম একটা লাভ যে নতুনরা মিসগাইড হবে না। ফরেক্স কিঃ নতুন ভাবে মনে হয় কাউকে বোঝানোর দরকার নেই যে ফরেক্স কি তারপরও আলোচনার স্বার্থে এবং একেবারে নভিস যারা তাদেরকে বলছি; ফরেক্স হল এমন একটি ট্রেডিং মার্কেট যেখানে একটি মুদ্রার বিপরিতে আরেকটি মুদ্রা কেনাবেচা করে প্রফিট করা যায়। আর এই মার্কেটে ট্রেডিং সুবিধাগুলোও নতুনরা একবার জেনে নিতে পারেন। ফরেক্স শিখতে কোথায় যাব? খুব সহজ উত্তর হল কোন ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টারে চলে যান অথবা আপনার পরিচিত কেউ ফরেক্স জানলে তারকাছ থেকে যেকোনভাবে শিখতে শুরু করুন। আসুন এইবার একটু গভীরে যায়। ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে ফরেক্স শিখলে কেমন হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে মোটামুটি সব ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টারের সাধারণ ফরেক্স ট্রেডিং এর ট্রেনিং ফি ৮,০০০-১০,০০০ টাকার মধ্যে। সময় ২-৪ সপ্তাহ। ভালো। কোন বিষয় সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হলে ট্রেনিং আর কোন বিকল্প নেই। নিজে নিজে সবাই সব কিছু পারে না। ট্রেনিং সেন্টারের এই এক মাসের ট্রেনিং এ আপনি ফরেক্স ট্রেডিং রাজ্য একটু পা দিলেন এখন বাকি কাজ আপনার, নিয়মিত অধ্যায়ন এবং চেষ্টায় আপনাকে একজন ট্রেডার রুপে গড়ে তুলতে পারে। সে জন্য দরকার লম্বা একটা সময় নিয়ে অনুশীলন শুরু করা। আর এই কাজটি করতে আপনি ট্রেনিং সেন্টারে জেতে বাধ্য নন, আপনি চাইলে নিজে নিজে বিষয়টা আয়ত্তে আনতে পারেন। তবে রেডিমেইড হলে সময়টা কম লাগে। খেয়াল করুন প্রথমত ফরেক্স কোন ডাক্তার দ্বারা বানানো কোন বড়ি নয় যে এক নিমিষে গুলিয়ে গেয়ে নিলেন অথবা এমন কোন প্যাকেজ নয় যে এক মাসের মধ্যে সব বুঝে গেলেন। ফরেক্স হল একটা “ লং টাইম লার্নিং প্রসেস ফর লাইফ টাইম এন্ড লাইভ আর্নিং ”। অল্প বিদ্যা যেমন ভয়ংকর তেমনি সামান্য কদিনের প্রচেষ্টায় বিষয়টি আয়ত্তে আনার চিন্তাও তেমনি ভয়ংকর। তাহলে আপনি কিভাবে শুরু করবেন? স্টেপ ১ # আপনি প্রথমে দেশি-বিদেশি (বাংলাভাষায় ফরেক্স ট্রেনিং এর লেসন পেতে ফরেক্স ক্যাম্পাস অথবা বাংলা ভাষায় ফরেক্স শিখার সম্পূর্ণ লেসন ভিত্তিক বইটি এবং ইংরেজি লেসন এর জন্য www.babypips.com ) যেকোন একটা সাইট মার্ক করেন তারপর প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময় বের করেন আপনার রেগুলার রুটিন থেকে তারপর একটু একটু করে স্টাডি শুরু করেন মনে রাখবেন তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে লোড নিবেন না। জোর পূর্বক কিছু আয়ত্তে আনার চেস্টা করবেন না। আপনি যদি সময় কে সময় দেন তাহলে সময় আপনাকে সময় দিবে। আপনার স্টাডি কে তিনটি ভাগে ভাগ করে নিন নয়ত তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারেন (বিগেনিং, প্রফেশনাল এবং এডভান্সড এই তিনটি লেভেলে). স্টেপ ২ # স্টাডি চালিয়ে যেতে অনেক বিষয় অনেক সময় অস্পষ্ট থাকতে পারে সেই ক্ষেত্রে ফোরামে (www.bdforexpro.com) আপনার সমস্যাটি বা যে বিষয়টি বুঝতে পারছেন না তা জিজ্ঞেস করুন। অনেক অভিজ্ঞ ট্রেডার আছে যারা আপনার সমসাটির ভালো সমাধান দিতে পারবেন। স্টাডির যখনি ডেমো ট্রেডিং অধ্যায় শেষ করে ফেলবেন তখন থেকেই ডেমো প্র্যাকটিস শুরু করেন। আর পাশাপাশি চালিয়ে যেতে থাকুন আপনার নিয়মিত স্টাডি। নিয়মিত স্টাডি যেভাবে ফিক্সড করেছেন সেভাবে ডেমো ট্রেডিং প্র্যাকটিসটা ফিক্সড করবেন। স্টেপ ৩ # ধরে নিলাম আপনার ব্যাসিক স্টাডি কোর্স শেষ এখন আপনি মোটামুটি ট্রেড বোঝেন এবং ট্রেড করতে পারেন। তাহলে এখন কি করবেন। আসলে এখনি আপনি ডিসিশন নিবেন আপনার দ্বারা কি আসলেই ট্রেড সম্ভব? এতদিনের ফরেক্স শেখার অভিপ্রায় কতটা আপনাকে আনন্দ দিতে পেরেছে কিংবা যতটুকু ফরেক্স করেছেন তাতে আপনি কতটুকু হ্যাপি? নিজে নিজে এই প্রশ্নের উত্তরটা নিয়ে নিন, যদি আপনার উত্তরটা হয় আপনি বেশ উপভোগ করছেন এবং এই প্রকার আর্নিং কনসেপ্টটা আপনাকে বেশ আনন্দ দিচ্ছে তাহলে আমি বলব আপনি ফরেক্স করবেন বলে ডিসিশন নিতে পারেন। এবং আপনার পরবর্তী স্টেপ শুরু করুন। আর যদি এতোদিনের প্রচেষ্টায় আপনি নিজেকে এই প্রকার আরনিং সিস্টেম এর সাথে কোপ করাতে পারছেন না, কিংবা বিশয়টা আপনার ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না, আপনি ঠিক আনন্দ পাচ্ছেন না তাহলে আমি বলব আপনি জোর করে কিছু করতে যাবেননা, আপনাকে বুঝতে হবে এই প্রকার আর্নিং আপনার জন্য সুইটেবল না, আপনি আর জোর করে বেশিদুর চেষ্টা না করে আপনার পছন্দের অন্য কোন ব্যবসা করুন। কারন প্রথম অবস্থায় যতটুকু বুঝেছেন অন্তত আশা করি অতটুকু বুঝে গেছেন যে এটা একটা আর্ট আপনি যত ভালো-ভাবে আনন্দের সাথে সময় দিতে পারবেন আপনি তত তাড়াতাড়ি সফল হতে পারবেন। তাই আপনার এসেসমেন্ট পিরিয়ড যেহেতু পজিটিভ না তাহলে আপনি এই প্রকার ব্যবসার চিন্তা বাদ দিন। কারন সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয় না এটা আপনি ভালো ভাবে জানেন। স্টেপ - ৪ # ঠিক আছে ধরে নিলাম আপনি ডিসিশন নিয়েছেন আপনি ট্রেড করবেন। তাহলে এখন সময় এসেছে নিজেকে মুল ট্রেডার রুপে তোলার। আপনি স্টুডেন্ট কিংবা, চাকুরীজীবী। আপনার স্বাভাবিক কাজকর্মের বাইরে প্রতিদিন ১-২ ঘন্টা সময় বের করে নিন যেহেতু বিষয়টাতে আপনি বেশ আগ্রহি এবং ইনজয় করছেন। এইবার হল আপনার দ্বিতীয় এসেসমেন্ট:- আমি খুব করে ভালো লাগার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছি, কারন জোর করে করা কাজের ফলাফল ভালো হয় না। এইবার আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম ঠিক রেখে সম্পূর্ণ অপশনাল একটি বিষয় হিসেবে ফরেক্স প্র্যাকটিস করুন, অতিদ্রুত এই মার্কেট থেকে রিটার্ন আশা করতে যাবেন না। অতিরিক্ত একটি বিষয় হিসেবে এগুতে থাকেন এক পর্যায়ে আপনি যখন আবিষ্কার করবেন না আপনি ভালো ট্রেড করছেন এবং আপনার ৪-৬ মাসের রেগুলার অনুশীলন যদি আপনাকে সার্বিকভাবে পজেটিভ রেজাল্ট দেয় তাহলে আপনি ইনভেস্ট আর কথা চিন্তা করতে পারেন। স্টেপ - ৫ # মুলত আপনি এখন জেনে গেলেন যে ফরেক্স ট্রেডিং এর অনেক গুলো ফর্মুলা এবং অনেক স্ট্রেটিজি আছে। তেমনি আপনি আরো জানলেন যে একেকটি বিষয় দিয়ে একেকভাবে স্ট্রেটিজি তৈরি করা যায়। কিন্তু সবগুলো বিষয় দিয়ে একসাথে আবার ট্রেড করা সম্ভব নয়। তাই এখন আপনার কাজ হল ডিসিশন নেওয়া যে কোন স্টাইলে রেগুলার ট্রেড করবেন। আপনি জানেন যে মুলত ট্রেড করার ফর্মুলা তিনটাঃ টেকনিক্যাল এনালাইসিসফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসএবং ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস ।মুলত বেশিরভাগ ট্রেড হয়ে থাকে টেকনিক্যাল এনালাইসিস স্ট্রেটিজিতে এবং এই স্ট্রেটিজিই সবচেয়ে বড় এবং সময় সাপেক্ষ। স্টেপ - ৬ # ধরে নিলাম আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিস স্ট্রেটিজিতে ট্রেড করবেন বলে স্থির করলেন তাহলে এইবারকার লক্ষ্য হল টেকনিক্যাল টার্মস গুলো শেখা। আপনি ইতিমধ্য জেনে গেছেন যে ট্রেন্ড পাওয়ার ট্রেডিং এর জন্য বিশেষ পদ্ধতি হল ট্রেন্ড সনাক্ত করে ট্রেড করা সেই জন্য অনেক অনেক টুল এবং স্টাডি করতে হবে আপনাকে। আর তাই শুরু করে দিন বিভিন্ন প্যাটার্ন ড্রয়িং, অ্যান্ডস্ট্যান্ডিং এবং এক্সিকিউশন । এতে করে প্যাটার্ন সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা চলে আসবে তারপর এডভান্স পিভট পয়েন্ট এবং ফিভনাসি রিট্রেসমেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করে দিন স্টেপ - ৭ # এই স্টেপে আপনি আরো একধাপ এগুবেন চার্ট নিয়ে, এতক্ষণ পর্যন্ত আপনি জেনে গেলেন প্যাটার্ন ড্রয়িং পূর্বক তাকে নিশ্চিত করতে হয় কিভাবে ফিভনাসি দিয়ে। এখন মুলত সেই কাজটি আবার করবেন আগের চেয়ে বেশী স্ট্রেনথ নিয়ে। চলে আসুন Trading Classic Chart Patterns ধরে, মুলত বইটী ফলো করার মাধ্যমে আপনি পরিষ্কার হয়ে যাবেন যে চার্ট প্যাটার্ন গুলো কতদুর কাজ করে কতটা ইফেক্টিভলি বিভিন্ন মার্কেট সিচুয়েশনে। আপনার রেফারেন্সে ভালো কোন চার্ট প্যাটার্ন বই থাকলেও সেটা ফলো করতে পারেন। মুলত উদ্দেশ্য একটাই। চার্ট প্যাটার্ন শেখার সাথে সাথে সবগুলো প্যাটার্ন একসাথে মাথায় নিতে যাবেন না এতো করে ভয়ংকর অবস্থা হতে পারে। তাই সামান্য কয়েকটা প্যাটার্ন আয়ত্তে আসার পর এগুলো দিয়ে নিজে নিজে ৪-৫ টা স্ট্রেটিজি দাড় করান এবং ডেমো ট্রেডিং এর মাধ্যমে এদের ট্রেডিং সাকসেস মার্ক করুন। এইভাবে এগুতে থাকুন। স্টেপ – ৮ # এইবার একটু সহজ স্বচ্ছ পথে এগুই , ইনডিকেটর MACD নিশ্চয়ই পেয়েছেন, একেবারে মামুলি ভাবার দরকার নাই এই ইনডিকেটরটাকে, কারন আপনি হয়ত জানেন না এই ইন্ডিকেটরের কত পাওয়ার, আপনি জেনে খুশি হবেন অনেক অনেক এক্সপার্ট ট্রেডার যারা ফরেক্স থেকে অনেক বেশি টপ ইনকাম করছেন তাদের প্রিয় ট্রেডিং স্ট্রেটিজি কিন্তু MACD কে নিয়ে। তাই প্যাটার্ন যখন বুঝে নিয়েছেন এইবার MACD এর সাথে একটু মাথা খাটিয়ে স্ট্রেটিজির সুচনা করুন এবং নিয়মিত ট্রেড করুন। মনে রাখবেন আপনি ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য হাজার হাজার স্ট্রেটিজি পাবেন সবগুলোর রশাতলে যদি নিজেকে ফেলেন তাহলে আপনার আর ট্রেড করতে হবে না, তাই এতো স্ট্রেটিজি এক্সপার্ট হওয়ার দরকার নেই। স্টেপ - ৯ # আপনি অনেকদুর চলে এসেছেন এখন এতদূর পর্যন্ত যখন এসেছেন তাহলে নিশ্চয় ট্রেডও ভালো করছেন। তাহলে আপনি জেনে রাখুন যে আপনি দ্বিতীয় এসেসমেন্টেও পাশ করেছেন সো ফরেক্স আপনি করতে পারেন। এটা ফাইনাল। এখন সময় এসেছে এক্সপার্ট হওয়ার। সেটা কিভাবে সম্ভব? আসলে বিষয়টা খুব বেশী কঠিন নয় আপনার জন্য। এক্সপার্ট ট্রেডিং মানে কি? এটা কি কোন পদক বা কোন স্বীকৃতি? এক্সপার্ট ট্রেডিং হল আপনি ভালো ট্রেড করেন আপনার ম্যাক্সিমাম ট্রেডই প্রফিট করে এবং আপনি মার্কেট সম্পর্কে খুব ভালো জ্ঞান রাখেন এবং মার্কেট ভলাটিলিটি বুঝেন এবং সেই মতে ট্রেড করতে পারেন। এখন এই সব গুলো বিষয় কিন্তু আপনি এক রকম এনালাইসিসে পাবেন না, আপনাকে সেইজন্য জ্ঞান রাখতে হবে কারেন্সি ফলিং এবং রাইসিং ইস্যু সম্পর্কে যা আপনি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসে অনেকটুকু পেয়ে যাবেন, মনে রাখবেন ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস মানে কিন্তু শুধু ইকোনমিক ক্যালেন্ডার রিড করতে পারা নয় বরং কি কি কারনে কারেন্সি ফ্লাকচুয়েট হয় তা ও জানা অর্থাৎ ইকোনমিক ডাটা পয়েন্ট সম্পর্কে জ্ঞান রাখাকে বুঝায়। তাই বুঝতে পারছেন আপনার টেকনিক্যাল এনালাইসিসের সাথে সাথে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস কতটা জুরুরি। আসুন এইবার আরেকটা কমন এনালাইসিস সম্পর্কে জানতে হবে আপনাকে, নিজেকে যদি ফরেক্স এক্সপার্ট রুপে গড়ে তুলতে চান। সেটি হল ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস । একেবারে মামুলি ভাবার দরকার নেই ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিসকে কারন অনেক ভিন্ন নেগেটিভ মতামত আছে ক্যান্ডেলস্টিক ভিবিন্ন প্যাটার্ন সম্পর্কে আমি নিজেও অস্বীকার করছি না, তবে কিছু ফর্মুলা দিতে পারি যাতে করে আপনার ট্রেড সাকসেস হতে পারে, খেয়াল করুন যখন আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে ট্রেডে ঢুকতে জান তখন যদি সাথে সাথে আপনার ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নটা ও একটু মিলিয়ে নিতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার ট্রেডটা নেগেটিভ হওয়ার কথা নয়। এখন হয়ত মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে বা ভাবছেন এতো এনালাইসিস করতে করতেতো আর ট্রেড ই করা হবে না, প্রারতপক্ষে এখন এমন মনে হলেও আসলে ব্যাপারটা তা নয়। কারন আপনি বিভিন্ন এনালাইসিস সম্পর্কে যখন ভালো ধারনা নিয়ে আসবেন তখন একটা অর্ডারে বিভিন্ন এনানলাইসিস দিয়ে অর্ডারকে পজেটিভ করা কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার মাত্র তাই খাবড়াবেন না বস। স্টেপ - ১০ # হ্যাঁ, আপনি অনেক কিছুই জেনে গেছেন ফরেক্সে। তো এখন কি আর তাহলে শেখার কিছু নাই? শুধুই ট্রেড করবেন আর বেশী বেশী ডলার কামাতে থাকবেন? আমি আপনার স্বাদটাকে গুড়িয়ে দিচ্ছি না, তবে একটু মনে করিয়ে দিতে চাইছি যে ফরেক্স ট্রেডিং মার্কেট সারা বছর এক রকম থাকে না, আপনি যে স্ট্রেটিজিতে এখন ট্রেড করে প্রফিট নিচ্ছেন সেই একই স্ট্রেটিজি কিন্তু আরেকটি সময় অর্থাৎ বছরের অন্য আরেকটি মাসে সেই কাজ নাও দিতে পারে বা পুরোপুরি আপনার টার্গেট ফিল নাও করতে পারে কিংবা ট্রেড আপনার অর্ডারের বিপরীতে চলে যেতে পারে। তাহলে সারা বছর ট্রেড কিভাবে করবেন? নো-টেনশন বস ! আমি এমন বললে ও সব সময় এমন ঘটে না তবে একেবারে যে ঘটেনা তা কিন্তু নয় তাই একটু সাবধান করে দিলাম। এই ক্ষেত্রে সিমপ্লি আপনি সারা বছরকে তিনটা ভাগে ভাগ করে ফেলুন। যেমনঃ অক্টোবর-জানুয়ারি,ফেব্রুয়ারি-মেএবং জুন-সেপ্টেম্বার।খেয়াল করলে কিংবা ভালো ট্রেডিং এক্সপিরিয়েন্স হয়ে গেলে নিজেও ধরে ফেলতে পারবেন যে সারা বছরে মার্কেট যতই ভালো বা খারাপ থাকুক না কেন ৩-৪ টি টাইম সার্কেল আর বাইরে রিয়াক্ট করে না। তাই বাৎসরিক চার্ট ধরে আইডিয়াটা নিয়ে ফেলুন। হাঁপিয়ে উঠেছেন এতো সব স্টেপ ক্লিয়ার করতে করতে, আসলে আপনি তো বস একদিনে এগুলো করতে যাবেন না এবং পারবেনও না। তাই শেখার মাঝখানে যদি কিছুটা হলেও ক্লান্তি এসে যায় কিংবা একটু করে বিরক্তি কাজ করে তাহলে একটা শর্ট ব্রেক নিয়ে নেন, কারন বিরক্তির শিক্ষা আপনাকে আরো বিরক্ত করে ফেলবে তাই, রিফ্রেশ হয়েই আবার শুরু করেন তবে প্রতিদিন সামান্য করে এগিয়ে গেলে বিরক্ত হওয়ার কথা নয় বরং কিউরিসিটি আরো বেড়ে যাবে। কারন ফরেক্স হচ্ছে একটা টোটাল আর্ট যেখানে আপনার মেধার একটা চরম মূল্য পাওয়া যায়। অবশ্য এতদূর আশার আগেই আপনি আপনার সাধ্যমত এমাউন্ট ইনভেস্ট করে অনেক অনেক ট্রেড করে ফেলেছেন আশা করি, তারপর ও রিকমন্ডিশন হিসেবে বলতে চাই, ভালো রিটার্ন চাইলে ভালো ইনপুট দিতে হবে। আমি বলছি না আপনি ৫০০,১০০০,২০০০ বা ৫০০০ ডলার দিয়ে ট্রেড শুরু করতে হবে শুধু বলতে চাই আপনি ট্রেড বুঝে গেছেন তাই আপনার সব দিক চিন্তা করে আপনার মত করে ইনভেস্ট করুন, হতে পারে সেটা $১০০০০ বা তারও বেশী। আপনার সব এনালাইসিস আর পাশাপাশি ইনভেস্টটা একটা বিরাট ফেক্টর, হ্যাঁ, আপনার কাছে হিউজ এমাউন্ট থাকতে পারে ইনভেস্ট করার মত কিন্তু আপনাকে ব্যাবহার করতে জানতে হবে রিস্কফ্রী ভাবে। আর আপনি যখন আমার আলোচনার এই পর্যায় পর্যন্ত শেখা শেষ করে ফেলতে পারবেন তাহলে আমি সিউর আপনাকে আর বলে দিতে হবে না আপনাকে কত ইনভেস্ট করতে হবে। ইনভেস্ট ছাড়া কি ট্রেড করা সম্ভব? উত্তরটা আমি খুব সিমপ্লি দিতে চাই, ইনভেস্ট ছাড়া ট্রেড করা সম্ভব নয় বস ! যখন এই মার্কেটে আছেন তখন শুনে থাকতে পারেন যে ফরেক্সের বিভিন্ন সাইট আছে যেখানে পোস্ট করলে বোনাস ডলার দেয় যা দিয়ে ট্রেড করতে পারা যায় কিংবা কোন কোন ব্রোকার তাদের ব্র্যান্ড প্রোমোশনের জন্য ৫-১০ ডলার বোনাস দিয়ে থাকে। বিষয়টা সত্যি, এই সুযোগটা অনেকেই নিয়ে থাকে কিন্তু আপনি একজন প্রফেশনাল ট্রেডার কিংবা ভালো ডিসিপ্লিন এবং আনকন্ডিশনাল ট্রেডিং এর জন্য এমন চিন্তা করার দরকার নেই। বিষয়গুলো অনেকের কাছে অনেক পছন্দের হলে ও প্রকৃতপক্ষে এই উপায়ে ট্রেডিং মানি কালেকশন করতে গেলে মুল ট্রেডিং এর প্রতি আপনার ভালো লাগাটা হারিয়ে ফেলতে পারেন এবং আপনার বিজনেস সেন্টিমেন্টটা হারিয়ে যাবে আর কন্ডিশন অব্লাইজড করতে করতে আপনি বিরক্তই হবেন তাই এই সকল বিষয়ের প্রতি আসক্তি না রেখে সরাসরি ট্রেডে আসুন। এটাকে একটা বিজনেস হিসেবে চিন্তা করুন, সুযোগ সন্ধানী হওয়ার দরকার নেই। আর যেহেতু ব্যবসা-ই করতে বসছেন সো ইনভেস্ট ছাড়া প্রফিট হয় না সেটাতো জানেন, তা-ই মাথায় রাখুন। যারা এখনো ফরেক্স এর কিছুই জানেন না কিন্তু আমার এই লিখাটা পড়েছেন তাদেরকেও বলছি আশা করছি আপনারা নতুন একটা ব্যবসার কনসেপ্ট পেয়েছেন এখন এই নতুন ব্যবসার জন্য আপনি কিভাবে এগুতে চান আপনার সব কিছু চিন্তা-ভাবনা মাথায় রেখে একটা প্ল্যান করুন ঠিক কিভাবে শুরু করতে চান। নিশ্চয়ই জানেন কোন কিছুর সুন্দর একটা শুরুই হল ঐ বিষয়ের অর্ধেক সমাপ্ত। এখন পর্যন্ত যারা ফরেক্স ট্রেড করে হয়রান, বিরক্ত, লুসার তাদের হিস্টোরি একটু রিসার্চ করুন দেখবেন তারা এলোমেলো ট্রেড করেছে কিংবা রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কিংবা মুল বিষয়গুলোর পর্যাপ্ত অনুশীলন ছাড়াই ট্রেড শুরু করেছেন। তাই আপনাদের বলছি স্বাভাবিক আর কয়টা ব্যাবসার মতই এটা চিন্তা করুন, ব্যবসার সফলতার মূলে যেমন রয়েছে কঠিন পরিশ্রম এবং অদ্ধাবসায়। হাঁ ফরেক্স যেহেতু একটি ভিন্ন ধারার ব্যবসা এখানে পরিশ্রম হল আপনার মেধার পরিশ্রম। তাই ব্যবসাটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সবাই পারে না। অতিমাত্রায় উৎসাহিত হয়ে এক্সিডেন্ট করতে জাবেন না, কিংবা কারো কাছে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার মেথড হিসেবে এই ব্যবসাকে চিন্তা করবেন না। ফরেক্স কি ফুল-টাইম না পার্টটাইম, প্রফেশন হিসেবে কেমনঃ বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ফুল-টাইম ফরেক্স ট্রেডাররা সারাদিন সময় দিয়ে যে পরিমান ইনকাম করেন পার্টটাইম ট্রেডাররাও তা করতে পারেন। তাছাড়া ফরেক্সের টোটাল ট্রেডারদের ৬৫%+ হল পার্টটাইম ট্রেডার। তাছাড়া ফুল-টাইম ট্রেডাররা খুব ভালো মেন্টাল প্রেসার নিয়ে থাকেন যে কারণে তারা কিছুটা অলস প্রকৃতির হয়ে থাকে। অন্য কিছু খুব একটা তাদের ধারা হয় না হয়ে উঠেনা । শুরুর দিকে ফুল-টাইম হিসেবে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। মুলত ফুল-টাইম এবং পার্টটাইম ট্রেডিং এর মুল পার্থক্য হল প্রেসার, আপনি কত বেশী প্রেসার নিতে পারছেন। তাই বিষয়টাকে খুব বেশী জটিল করে না দেখে নিজের সেন্টিমেন্ট অনুসারে এগুতে থাকুন। আপনি ফরেক্স তিন ধরনের ক্যারিয়ারে বেশ ভালো সুবিধা করতে পারেন। প্রফেশনাল ট্রেডার বা ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডার।ফরেক্স এনালিস্ট বা কারেন্সি রিসার্চারE.A ডেভেলপারএছাড়া ও রেগুলেটর এবং এক্সচেঞ্জ ম্যানেজার সহ নানা রকম আকর্ষণীয় পোস্টে অনেক হাই লেভেল জব করতে পারেন। আপনি দক্ষ ট্রেডিং এ যদি একজন ভালো এনালিস্ট হতে পারেন তাহলে ট্রেডিং ছাড়াও আপনার জন্য আরেকটি বিশাল সম্ভাবনা আছে তা এনালিস্ট হিসেবে কাজ করা। সব ব্রোকারের, ভিবিন্ন ফরেক্স সার্ভিস প্রোভাইডারদের একটি বিশাল সেক্টর হচ্ছে কারেন্সি এনালাইসিস মুলত যে যত বেশী এবং যত ভালো ইফেক্টিভ এনালাইসিস গ্রাহকদের উপহার দিতে পারবে সেই তত ভালো মার্কেট দখল করতে পারবে আর সকল ফরেক্স প্রতিষ্ঠানের লং-জাম্প কিন্তু এই এক বিষয়তে হয়। তাই যদি নিজেকে একজন দক্ষ এনালিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন তাহলে ফরেক্স প্রতিষ্ঠান গুলো আপনাকে লুফে নিবে এবং হাই রাইজ সেলারি দিবে যা হতে পারেন মাসিক ৩-৫ লক্ষ টাকা। আপনি আপনার ঘরে বসেই কাজটি চালিয়ে যাবেন আপনার দায়িত্ব অনুসারে যেভাবে আপনি আপনার ঘরে বসে ট্রেড করেন। তাই এই সেক্টরে সম্ভাবনা অনেক। ফরেক্স মার্কেটে সফলতার মূল হল আপনার বিষয় হলঃ ধ্যর্য + বিনম্রতা + শিক্ষা = সফলতা তাই অনেকে অনেক সময় নিয়ে ট্রেড করছেন এবং ভিবিন্ন উপায়ে এনালিস্ট স্কিল তৈরি করছেন যেমনঃ চার্ট প্যাটার্ন, পিভট পয়েন্ট, ভিফনাসি রিট্রেস্মেন্ট, এলিয়ট ওয়েভ সহ নানা বিষয়ের গাণিতিক ব্যাখ্যাগুলো নিয়ে রিসার্চ করছেন এবং প্রাইস মুভমেন্ট বোঝার ক্ষমতা অর্জন করছেন। তাই যদি টার্গেট থাকে এনালিস্ট হবেন তাহলে তাহলে প্রথম থেকেই নিজের ট্রেডের ফর্মুলা গুলো নোট ডাউন করে রাখুন আপডেট করুন এবং প্রত্যেকটি স্ট্রেটেজির লজিক গুলোর একটি রুপ দাড় করান এইভাবে এগুতে পারেন। আসলে আপনি কিন্তু এনালিস্ট কারন আপনার প্রত্যেকটা ট্রেডে কিন্তু এনালাইসিস দরকার হচ্ছে যেভাবে আপনি ট্রেডে ঢুকেন। তাই বিষয়টার প্রতি সব সময় জোর দিন । অনুশীলন করতে করতে এক পর্যায়ে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার টার্গেটেড এরিয়া। তবে ঐ অবস্থানে পৌছাঁতে আপনাকে ৩-৫ বছর বা তার ও বেশী সময়ের একটা মাইল ফলক অতিক্রান্ত করতে হবে নিয়মিত অধ্যায়নের সাথে । তাই স্বাভাবিক ভাবেই কয়েকবছর ট্রেড করতে থাকুন ঐ সব বিষয়গুলো’র মাধ্যমে। কিছু স্ট্রেইট কথাঃ মানলে সুফল পাবেন না মানলে দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে। ১। লোন করে ট্রেড করবেন না। ২। টার্গেট ফিল করার জন্য ফোর্স ট্রেড করবেন না। ৩। লাইভ ট্রেডে যত টাকা ইনভেস্ট করবেন ঠিক তত দিয়েই ডেমো ট্রেড করুন। ৪। Yes বা No ফাংশনে ট্রেড অর্ডার করবেন না। ৫। মাঝে মাঝে ট্রেড থেকে বিরতি নিন। ৬। কম্পিটিশন করবেন না। ৭। সবগুলো ট্রেডের রেকর্ড রাখুন, পজেটিভ এবং নেগেটিভ ট্রেড কম্পেয়ার করুন। নেগেটিভ ট্রেড পর্যালোচনা করে শুধরে নিন। ৮। পরপর দুটি ট্রেডে পজেটিভ রেসাল্ট পেয়ে ৩ নাম্বার ট্রেডে ভলিয়ম বাড়িয়ে দিবেন না। ৯। মনে না চাইলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে ট্রেড করবেন না। ১০। ট্রেড ওপেন করার আগে মিনিমাম ৫ মিনিট চার্ট এনালাইসিস করুন।
  3. 11 likes
    ১। বেসিক থেকে শুরু করুন। খুব সহজে বলতে হয় যে একজন ট্রেডার হতে হলে প্রথমে আপনাকে ফরেক্স মারকেট বেসিক টার্মগুলো জানতে হবে। রেগুলার অর্থাৎ ডেইলি বেসিসে আপনি আস্তে আস্তে বিষয় গুলো শিখবেন কোন রকম তাড়াহুড়ো ছাড়া। একদিনে একসাথে সব গুলো বিষয় শিখে বিশাল জ্ঞানী হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। সময় নিন , খুব বেশি এক্সসাইটেড হবেন না। ২। দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন। আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ফরেক্স হল শর্টকাটে এবং কম সময়ে ধনী হওয়ার একমাত্র পথ তাহলে আপনি ভুল করছেন। প্রথমে বিষয়টা ভালো ভাবে আয়ত্তে আনুন অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। শুধু মাত্র ফরেক্স নয় যেকোন ক্যারিয়ারে আপনি যত সময় ব্যয় করবেন আপনি তত বেশি লাভবান হবেন। আপনার বন্ধু যে সময়ে ১০০ পিপস অর্জন করে ঠিক একই সময়ে আপনি মাত্র কয়েক পিপস মেইক করেন, পার্থক্যটা কি? পার্থক্যটা হল অভিজ্ঞতা ! আপনার বন্ধু গত ৫ বছর ধরে ট্রেড করে আর আপনি সেই কয়েকদিন হল শুরু করেছেন। মনে রাখবেন ফরেক্স হল একটি ক্যারিয়ার , রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন স্কিম নয়। ৩। এক্সপার্ট হউন। শিখার শুরুতে অনেকে প্রথমেই খুজে বেড়ান এক্সপার্টদের, ভাবেন একজন এক্সপার্ট এর ছায়া পেলে বুঝি অল্প সময়ে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন, বিষয়টা পুরোপুরি অস্বীকার করছি না। তবে এক্সপার্ট হওয়ার সুপ্ত বাসনায় আপনার এক্সপার্ট হওয়ার পথে একধাপ। দিনে দিনে আপনার স্বাভাবিক শিখার ফলাফলই হচ্ছে এক্সপার্ট এর আরেক রুপ। কারন অভিজ্ঞতার আলোকেই এক্সপার্ট হওয়া যায় তাই নিজ অভিজ্ঞতা গুনে আপনার স্বপ্ন সফল করুন। এক্সপার্ট এর অভিজ্ঞতা তার সম্পূর্ণ নিজের আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে ঐ পথ পাড়ি দিবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত তা কেবল আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে। ৪। নিজের এনালাইসিস ব্যাবহার করুন। অন্ধের মত আরেকজনকে ফলো করা আপনাকে অন্ধই করে তুলবে। আপনার লক্ষ্য হল একজন সফল ট্রেডার হওয়া তাই এনালাইসিস মেথডগুলো ভালো ভাবে রপ্ত করে নিজেই নিজের ট্রেড এনালাইসিস করুন। নিজের আনালাইসিসে ট্রেড করতে সমর্থ হলে আপনার এনালাইসিসই আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার করে তুলবে। স্ব – ঘোষিত কোন গুরুকে অন্ধের মত ফলো করলে গুরু যখন তার টিপস প্রদান বন্ধ করে দিবে তখন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। তাই নিজেই নিজের গুরু হুউন। ৫। ডেমো সব কথার শ্রেষ্ঠ কথা হল ডেমো ট্রেডিং। ডেমো ট্রেডিং আপনাকে আপনার নতুন ট্রেডিং এর ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং ট্রেডিং এ খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। ডেমো ট্রেড ভিবিন্ন ব্রোকারের লাইভ ট্রেড থেকে সুপার যেমন ভালো আক্সিকিউশন স্পীড। প্রত্যেক ট্রেডিং মেথড এর টেস্ট হল ডেমো। ডেমো সাকসেস রেইট ভালো হলে তা লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। আপনার যত স্টাইল আছে তা সর্বপ্রথম ডেমোতে ব্যাবহার করুন। যেমন ইচ্ছে ট্রেড গুলো ডেমোতে ফলান। তারপর সিলেক্ট করুন কোন স্ট্রেটিজি গুলো রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন। ৬। ভুল থেকে শিখুন প্রতিবারের টেস্ট ট্রেড গুলোর সাকসেস এবং ফেইলার নোট নিন। পরপর তিনটি ব্যর্থ ট্রেডে কিছু সময়ের জন্য (আরো বেশি হতে পারে) ট্রেড থেকে অবসর নিন। এবং ব্রেকের পরে ঠান্ডা মাথায় আবার সময় দিন। তিনবার লস ট্রেডিং মেথড এ চতুর্থ বারের সাকসেস চিন্তা করে লাইভ করতে জাবেন না। লস ট্রেডগুলো নিয়ে এনালাইসিস শুরু করেন, ভুলটা কোথায় ছিল বা কেনো ঠিক কাজ করেনি। যথাঝথ কারন বের করে ভুল গুলো শুদ্রে পরবর্তী ট্রেডে অগ্রসর হউন। ৭। ভালো মেথড তৈরি করুন। নতুন বেশিরভাগ ট্রেডাররা প্রথমে লস করে। কারন হল অধিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রপার সময়ের আগে ট্রেড করা। তাই বলছি, অধিক পরিমানে উত্তেজিত হয়ে ট্রেড না করে, আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন, অভিজ্ঞতা নিন এবং মিনিমাম রিস্কে ট্রেড শুরু করুন। প্রতিবার ট্রেড করার পূর্বে ঠিক করুন এবং চেক করে নিন ট্রেডিং হাতিয়ার(স্ট্রেটিজি) ঠিক আছে কিনা। ট্রেডটি থেকে কত আশা করেন ইত্যাদি সবকিছু। ৮। নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন। প্রত্তেক ট্রেডিং মেথডের ভালো এবং খারাপ আছে। কোন ট্রেডিং মেথডই ১০০% প্রফিটেবল নয়। আপনার ট্রেডিং মেথডের ১০টি ট্রেডের মধ্যে ৭টি প্রফিট এবং ৩ টি লস আছে, আপনি সাকসেস। কখনো আপনার ট্রেডিং সাকসেস রেইট আরো কমে জেতে পারে সেই ক্ষেত্রে নিরাশ বা উত্তেজিত না হয়ে মারকেট চেঞ্জ বুঝে স্ট্রেটিজি আপডেট করুন এবং নিজের স্ট্রেটিজিতে স্ট্রিক থাকুন কারন আপনার স্ট্রেটিজি কতটুকু ফলফ্রুস তা কেবল আপনিই জানেন। ৯। সবকিছু সহজভাবে চিন্তা করুন। আপনার ট্রেডিং কে কোনভাবেই খুব বেশি কঠিন ভাবার কোন কারন নেই। সহজ ভাবে শুরু করুন দেখবেন আসলেই সহজ, মনে অঝথা কোন ভিতি সৃষ্টি দরকার নেই। নিজের সুবিধামত সময় নির্ধারণ করে ট্রেডে সময় দিন। সময় কম দিন কিন্তু তা জেনো ইফেক্টিভ হয়। অর্থাৎ যদি সময় বেশি দিতে না পারেন তাহলে যতটুকু দিবেন তা শুধু ট্রেডিং আর জন্য ব্যায় করুন। নতুন কোন স্ট্রেটিজির সূচনা করতে চাইলে আগে তা সময় নিয়ে সহজভাবে চিন্তা করুন, এনালাইসিস করে ঠিক করুন, ডেমোতে ফলাফল নিশ্চিত হউন। এবং সিদ্ধান্ত নিন। ১০। একটি পেয়ারে ট্রেড করুন। অনেকগুলো ট্রেড একসঙ্গে শুরু করে নিজের রিস্ক লেভেল এবং মাথায় অতিরিক্ত চাপ নিবেন না। তাই শুধুমাত্র একটি পেয়ার পছন্দ করুন ট্রেডিং আর জন্য। অনেক গুলো কারেন্সিই একসাথে ট্রেডের উপযোগী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ঐ কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করুন যার সম্পর্কে আপনার ধারনা ভাল। একসাথে যদি ৪-৫টি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করেন তাহলে আপনি ভালভাবে কোন পেয়ারের ক্যারেক্টার বুঝতে পারবেন না। এবং মিসগাইড হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রেড লস করবেন। ১১। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড প্রাকটিস করবেন , কারন সিঙ্গেল টাইমফ্রেমে ট্রেডের অনেকগুলো সুবিধা আছে যেমন, একক টাইমফ্রেমে ট্রেডিং এ আপনি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন যেখানে অনেকগুলো টাইমফ্রেম আপনাকে কিছুটা হলে কনফিউসড করতে পারে। একটি টাইমফ্রেম আপনাকে এনালাইসিসে ও হেল্প করবে প্রপার ডিসিশন নিতে, কারন একই চার্ট ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ভিন্ন ভিন্ন এনালাইসিস আর সূচনা করবে, তাই বিশেষ করে নতুনদের জন্য একটি টাইমফ্রেমে ট্রেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । ১২। ট্রেডিং চার্ট পরিষ্কার রাখুন। অনেক নতুন ট্রেডাররা মনে করে চার্টে যত বেশি ইনডিকেটর রাখা যায় তত ভালো, আসলে বিষয়টা এমন নয়, চার্টে ২-৩টির বেশি ইন্ডিকেটর রেখে চার্টকে এলোমেলো করে ট্রেডিং করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং অনেকগুলো ইনডিকেটর আপনাকে মিসগাইড করবে, আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন না, তাই ২-৩ টি ইন্ডিকেটর আর ক্যারেক্টার বুঝে অভিজ্ঞতার আলোকে ফাইনাল করুন। মুলত ট্রেডে ইন্ডিকেটর ব্যবহার আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটা শুধুমাত্র ব্যবহার হয় আপনার ট্রেডিং ডিসিশনকে স্মুথ করার জন্য। কারন অনেক অনেক ট্রেডার আছে যারা কোন ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করেই ট্রেডিং সাকসেস রেইট ৮০% এ ট্রেড করছে। আপনাকে বলছি না যে আপনি সব ইন্ডিকেটর রিমুভ করে ট্রেড করুন, ভালো ট্রেডার হতে হলে প্রথম পর্যায়ে আপনাকেও ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। ভালো ট্রেডিং আর জন্য সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লাইন গুলো ভালোভাবে বুঝুন।
  4. 11 likes
    ফরেক্স ট্রেডিং হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কেনা বেচা। সেসব দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক কর্তৃক তাদের মুদ্রার একটা ইন্টারেস্ট রেট থাকে। আপনি ফরেক্স ট্রেড করলে সেই ইন্টারেস্ট রেট আপনার বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। এই ইন্টারেস্ট মুসলিমদের জন্য হারাম। এই ঝামেলা দূর করার জন্য প্রায় সব ব্রোকার আজকাল ইন্টারেস্ট ফ্রি একাউন্ট / ইসলামিক একাউন্ট / মুসলিম ফ্রেন্ডলি একাউন্ট সাপোর্ট করে যেখানে ঐ ইন্টারেস্ট হিসাব হয় না। তাহলে সেন্ট্রাল ব্যাংক ইন্টারেস্ট যেটা হারাম সেটা থেকে আমরা মুক্ত। এরপর আসি লেভারেজ এর ব্যাপারে। লেভারেজ হচ্ছে ব্রোকার আপনাকে ট্রেড করার জন্য বিভিন্ন অনুপাতে সুদবিহীন এবং শর্তব্যাতীত ধার দিবে। যদি ব্রোকার ধার দেয়ার সময় কোন সুদ / শর্ত দিত তাহলে সেটা হারামের পর্যায়ে পড়ত। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটেও ১:২ অনুপাতে লোন দেয়া হয়। এখন আসি প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে। ফরেক্স এ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কেনাবেচা করা হয়। এরকম একদেশের মুদ্রা অন্যদেশের মুদ্রার সাথে কেনা বেচায় হারাম কিছু নেই। আপনি আমেরিকা যেতে চাইলে আপনাকে বাংলাদেশী টাকা চেঞ্জ করে মার্কিন ডলার নিতে হবে। ধরুন আপনি আমেরিকা যাবেন। ভিসা টিকেট খাবার খরচ বাদে আপনি এক্সট্রা দশ হাজার মার্কিন ডলার নিলেন হাতখরচের জন্য। ধরি এই পরিমাণ ডলার নিতে আপনার খরচ হয়েছে ৭০.০০ টাকা করে ৭ লক্ষ টাকা। এরপর আমেরিকা গিয়ে আপনাকে জরুরী কাজে পরদিনই চলে আসতে হল। কিছু কিনতে পারলেন না। দেশে এসে দশ হাজার ডলার গুলো ভাঙিয়ে বাংলাদেশী টাকা নিতে গেলেন। দেখলেন আজকের রেট ৭০.১০ টাকা। আপনি পেলেন ৭ লক্ষ দশ হাজার টাকা। এখানে আপনি ১০ হাজার টাকা এক্সট্রা পেলেন। কিন্তু যদি আজকের রেট ৬৯.৯০ থাকত তবে আপনি পেতেন ৬ লক্ষ ৯০ হাজার মানে আপনার ১০ হাজার টাকা লস হত। এখানে হালাল হারাম প্রশ্ন অবান্তর। ফরেক্সে এক মুদ্রার বিপরীতে অন্য মুদ্রা ক্রয় বিক্রয় হয় তাই এতে হারাম কিছু নেই। যদি ডলারের বিপরীতে ডলার কিংবা ইউরোর বিপরীতে ইউরো কেনাবেচা হত তবে হারাম হত কারণ ১ ডলার এর ভ্যালু সবসময় ১ ডলার, কেউ যদি ১ ডলার কে ২ ডলার দিয়ে কিনে সেটা সুদ হবে। এই প্রসংগে একটা বিখ্যাত হাদীস আছে - কোটেশন From 'Ubada ibn al-Samit: The Prophet, peace be on him, said: "Gold for gold, silver for silver, wheat for wheat, barley for barley dates for dates, and salt for salt - like for like, equal for equal, and hand-to-hand; if the commodities differ, then you may sell as you wish, provided that the exchange is hand-to-hand." (Muslim, Kitab al-Musaqat, Bab al-sarfi wa bay'i al-dhahabi bi al-waraqi naqdan; also in Tirmidhi). গোল্ড এর বিনিময়ে গোল্ড কেনা যাবে না বা সিলভারের বিনিময়ে সিলভার। যদি এর ব্যতিক্রম হয় তবে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কেনাবেচা করা যাবে। শুধুমাত্র মনে রাখতে হবে এক্সচেঞ্জ হতে হবে হ্যান্ড টু হ্যান্ড । যদি দেরী হয় তবে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। এখন ফরেক্স ট্রেড মানে স্পট ফরেক্স ট্রেড। এখানে আপনি বর্তমান প্রাইসেই কেনা বেচা করতে পারবেন, তাই এখানে দেরী হওয়ার চান্স নেই। হ্যান্ড টু হ্যান্ড কথাটা নিয়ে অনেকে বিতর্ক তুলতে পারে। যেমন আমরা যদি মুদ্রা কেনাবেচা করি তবে আমাদের হাতে হাতে মুদ্রা নিয়ে ঘুরতে হবে এবং কেনাবেচা করতে হবে। এটা অমূলক। ইন্টারনেটের যুগে ঘরে বসে লেনদেন সহজ হয়ে যাওয়ার ফলে কোন কিছু কিনতে বা বিক্রি করতে ঐ প্রোডাক্ট নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে হয় না। এই যুগে হাতে না রেখে আমরা একাউন্ট খুলে রাখি। ব্যাংকে একাউন্ট / শেয়ার মার্কেটে একাউন্ট এরকম। ব্যাংকে আপনি কাউকে চেক দিলে ব্যাংক কি করে? আপনার একাউন্ট থেকে টাকাটা ঐ ব্যক্তির একাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। শেয়ার মার্কেটেও এরকম। সেলারের একাউন্ট থেকে শেয়ার গুলো বায়ার এর একাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। এরকম ফরেক্সেও একই। আরেকজনের একাউন্ট থেকে আপনার একাউন্টে টান্সফার করে দেয়। এটাকে একাউন্ট টু একাউন্ট ট্রান্সফার বলা যায়। একনজরে দেখি ফরেক্সে কি ঘটে - ১. আপনি দেখলেন ইউরো / ইউএসডি দাম ১.৪০০০। আপনি এনালাইসিস করে দেখলেন ইউরো বাড়ার সম্ভাবনা প্রচুর, আপনি কিছু ইউরো / ইউএসডি কিনবেন বলে মনস্থির করলেন। ২. আপনি একটা ব্রোকার সিলেক্ট করলেন যে আপনার হয়ে কোন সেলার থেকে ইউরো /ইউএসডি কিনে দিবে। ঐ ব্রোকারে আপনি একটা ইসলামিক একাউন্ট খুললেন। ৩. ঐ ব্রোকার আপনাকে একটা প্রাইস দিল যে এখন ইউরো / ইউরো ইউএসডি ১.৪০৫০ রেটে আছে। আপনি ঠিক করলেন এই রেটেই কিনবেন। আপনি BUY এ ক্লিক করলেন ৪. আপনার বাই অর্ডার ব্রোকার রিসিভ করল এবং সাথে সাথে ১.৪০৫০ রেটে আপনার জন্য ইউরো / ইউএসডি কিনে আপনার জন্য নির্দিষ্ট একাউন্টে রেখে দিল। ৫. এরপর কিছুদিন পর ইউরো ইউএসডি দাম বাড়ল এবং আপনি সেল করে দিলেন। এখানে আপনি হারাম কিছু করেন নি। ইউএসডির বিপরীতে ইউরো কিনেছেন, ইন্টারেস্ট ফ্রি ইসলামিক একাউন্টে ট্রেড করছেন এবং আপনার অর্ডার হ্যান্ড টু হ্যান্ড ট্রান্সফার হয়েছে (সেলারের একাউন্ট থেকে আপনার একাউন্টে) । আশা করি বুঝতে পেরেছেন। সংগ্রহীত
  5. 8 likes

    Version 1.0.0

    1,278 downloads

    বিডিফরেক্সপ্রো'র আরেকটি নতুন সংযোজন সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় লিখিত 'পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন'। ফরেক্স ট্রেডিং এর একটি কার্যকারী এবং জনপ্রিয় স্ট্রেটিজি হচ্ছে ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস, আর ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন রয়েছে শত শত। সব গুলো প্যাটার্ন একজন ট্রেডারের পক্ষে মনে রেখে ট্রেড করাটা অসম্ভব ব্যাপার। আর এই বিষয়টি নজরে নিয়ে উক্ত বইটি সাজানো হয়েছে বিশেষ কিছু প্যাটার্ন এর মাধ্যমে যা ভালো ট্রেডিং এর জন্য অনেক বেশি সহায়ক। আশা করছি ক্যান্ডেলস্টিক ট্রেডিং এ আপনার ট্রেড কে আরো সাবলীল করতে বইটি একটি দারুন ভুমিকা রাখবে সেই কামনায় ... ... ... বিডিফরেক্সপ্রো.
  6. 7 likes
    কারেন্সি ইনডেক্স কিঃ একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে সর্বচ্চ পরিমানে অন্যান্য দেশের মুদ্রার যে ট্রেডিং ভলিয়ম কিংবা ট্রেডিং ওয়েট ভেলু তাই হল একটি কারেন্সির ইনডেক্স। যা ১৯৭৩ সাল থেকে অফিশিয়ালি ফরেক্স বেস কারেন্সির কে টার্গেট করে হিসাব করা হয়ে থাকে। তাই সবচেয়ে হায়েস্ট বেস কারেন্সি হল USD যার ইনডেক্সিং হিসার বের করতে পারলে অনন্যা কারেন্সির দোর পরিমাপ পারবেন। তাই আজকের কারেন্সি ইনডেক্স আলোচনায় ইনডেক্স কারেন্সি হল USD অর্থাৎ USD ইনডেক্স USDX. ৬ টি মুল কারেন্সি কে ধরে মোট ২২ টি দেশের কারেন্সির USD এর বিপরীতে ট্রেডিং ভেলু কে নিয়ে USDX হিসাব করা হয়। কারেন্সি গুলো হলঃ Euro (EUR)Yen (JPY)Pound (GBP)Canadian dollar (CAD)Krona (SEK)Franc (CHF)এখন প্রশ্ন হল ৬টি কারেন্সিতে ২২ টি দেশের অন্তর্ভুক্তি কিভাবে? হ্যাঁ, বলছি আমারা জানি ইউরোপিয়ান জোনের মোট দেশ ১৭ টি যাদের সবার একক কারেন্সি হল EUR এবং জাপান, ব্রিটেন, কানাডা, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড এর একক কারেন্সির বিপরীতে USD এর ট্রেন্ডিং ভেলু আছে বলে এই ২২ টি দেশের মুল কারেন্সিকে ধরে USD ইনডেক্স করা করা হয়। সহজ কথা হল ভিবিন্ন কারেন্সির বিপরিতে USD এর দোড় কতটুকু তাই বের করার একটি উপায় যাকে Indexing বলা হয়ে থাকে, যেহেতু USD এর ইনডেক্স বের করব তাই একে বলা হয় USDX. USDX কারেন্সি কান্ট্রিঃ আসুন এইবার জেনে নেই USDX এর জন্য কোন কোন কারেন্সি বেশি পরিমানে জড়িত অর্থাৎ কোন কারেন্সির কতভাগ ট্রেডিং এর জন্য USDX হয়। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুনঃ চিত্রমতে EUR একটি বিরাট অংশ USDX এর জন্য। দ্বিতীয় স্থানে আছে জাপান তারপর আছে গ্রেট ব্রিটেন এইভাবে দেশ ভিত্তিক কারেন্সির একটি রেশিও দেখতে পাচ্ছেন, অর্থাৎ USD কারেন্সি ট্রেডিং এর ৫০% এর ও বেশি ট্রেডিং হয় EUR’র বিপরীতে। চার্টের বাইরে বাকি ৩০% ট্রেড হয় অনন্য কারেন্সির সাথে। USDX ডলার এর জন্য EUR’র ভুমিকা সবচেয়ে বেশি এবং EUR’র কারনে USD বেশি প্রভাবিত হয়। তাই USDX কে "Anti-Euro Index" বলা হয়। USDX যে কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে হিসাব করা হয় তা কিন্তু নয় বরং বড়বড় যেসব আর্থিক সংগঠন আছে তারা নিজেদের প্রয়োজনে তাদের ট্রেড বা ইকোনমি ব্যালেন্স করার জন্য USDX হিসাব করে থাকে। যেহেতু USDX একটি গ্লোবাল কনসেপ্ট তাই মোটামুটি অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ফর্মুলা ব্যাবহার করে তাদের ইকোনমি ঠিক রাখার জন্য বা সেই অনুযায়ী ব্যবসা ধরে রাখার জন্য। সেই রকম একটি প্রতিষ্ঠান হল Federal Reserve. USDX হিসার করার জন্য তারা "trade-weighted U.S. dollar index" নামে হিসাব করে থাকে। আশা করি USDX সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা পেয়ে গেছেন। USDX Formula: USDX = EUR * 0.576 x JPY * 0.136 x GBP * 0.119 x CAD * 0.091 x SEK * 0.042 x CHF * 0.036 · যখন USDX নামতে শুরু করে তারমানে হল এক্সচেঞ্জ ট্রেডাররা USD সেল করে দিচ্ছে· বিপরীতভাবে USDX যখন উঠতে শুরু করে তখন এক্সচেঞ্জ ট্রেডাররা USD বায় করতে শুরু করে।কিভাবে USDX চার্ট পড়বেনঃ USDX চার্ট অনন্য কারেন্সি চার্ট এর মত এক প্রকার চার্ট যার Index প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। এই ক্ষেত্রে INDEX General ভেলু 100.00 কে Base ধরে হিসাব করা হয়ে থাকে। যেমনঃ যখন USDX উপরের দিকে যায় তখন USD ভেলু বাড়ে। যদি USDX 110 হয় তখন USD ভেলু বাড়ে 10%. আবার যখন USDX কমে 90 হয় তখন USD ভেলু কমে 10%. মনে রাখবেন যেহেতু আমরা USDX নিয়ে কথা বলছি তাই এর প্রতিফলন কিন্তু USD কারেন্সিকে ঘিরে হবে, যার কারনে জখনি USDX বাড়ছে বা কমছে তার প্রতিফলন কিন্তু আমার USD কারেন্সিতেই দেখছি। এখন পর্যন্ত USDX লেভেল সর্বচ্চ 160 এবং সর্বনিম্ন 78 পর্যন্ত পোঁছছে। কেন ব্যাবহার করবেনঃ আগেই বলেছি USD ইনডেক্স এর মাধ্যমে অনন্য কারেন্সির সাথে USD এর ট্রেডিং ওয়েট মাপা যায়। যেহেতু অনেকগুলো কারেন্সির Combination ই হল USDX. তাই USDX এর মাধ্যমে ঐসব কারেন্সির Forecast ও করা সম্ভব। USDX চার্ট এর শক্তিশালি বা দুর্বল আচরণ এর প্রভাব অনন্য কারেন্সির Forecast এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। আমরা যেভাবে Support and Resistance, Candlestick pattern , technical analysis বা আরো বিভিন্ন স্ট্রেটিজি ব্যাবহার করি ট্রেন্ড লাইন তথা প্রাইস ফোরকাস্ট এর ক্ষেত্রে, তেমনি USDX এর প্রভাব বা এই চার্ট এর ফ্লো’ মাধ্যমেও ওই সব কারেন্সির ট্রেন্ডিং ট্রেন্ড বুঝতে পারা যায়। কিভাবে ব্যাবহার করবেনঃ যেহেতু USDX এর ইনডেক্স চার্ট হয় EUR/USD,GBP/USD, USD/CHF,USD/JPY, USD/CAD এর সাথে ট্রেডিং ভলিয়ম ভিত্তিতে। USD এর বিপরিতে এই সব কারেন্সি এর ট্রেডিং স্ট্রেন্থ হল USDX. তাই লক্ষ্য করবেন যখন EUR/USD দৈনিক চার্টে ট্রেন্ড ডাউন থাকে তখন USDX চার্টে ট্রেন্ড বিপরীত থাকে। এইবার দেখুন EUR/USD Daily Chart উপরের দুটি চার্টকে বিবেচনা করলে দেখবেন একটু আরেকটির মোটামুটি বিপরীত। কারন আমরা পুরবেই জেনেছি USDX চার্ট এর মুল ট্রেডেড কারেন্সি হল EUR তাই এই কারেন্সিই বেশী হিট করে USDX চার্টকে। এইভাবে দেশ ভিত্তিক এবং তাদের কারেন্সির সাথে USD এর ট্রেডেড ভলিয়ম অনুযায়ী চার্ট গুলোর পরবর্তী মুভমেন্ট আন্দাজ করা হয়ে থাকে। এই বিষয়টা পরিষ্কার করতে আলোচনা করতে হবে কারেন্সি কো-রিলেশন নিয়ে। এবং USDX এর সাথে অনন্য কারেন্সির সমন্বয় পূর্বক তাদের Forecast পাওয়ার জন্য ভিবিন্ন Currency Strength Indicator ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। কারন্সি কো-রিলেশন বুঝলে ম্যাজিক পেয়ে যাবেন কিভাবে USDX এর একটি চার্টের বিপরীতে ৪-৫ টা কারন্সি চার্ট বিপরীত ট্রেন্ড তৈরি করে। আজ USDX সম্পর্কে চেষ্টা করেছি একটা ভালো ধারনা দেওয়ার জন্য। আগামিতে কারন্সি কো-রিলেশন সম্পর্কে বৃহৎ আলোচনা করব। ------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- USDX চার্ট আপনি আপনার Meta Trader এ দেখতে পারবেন, সেই ক্ষেত্রে আপনাকে দুটি ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করতে হবে। প্রথমে ইনডিকেটর গুলো ডাউনলোড করে নিনঃ USDX.zip ১. আপনার Meta trader\experts\indicators এ কপি করে নিন। ২. এইবার Meta Trader ওপেন করে EUR/USD চার্টে Create$$USDX ইনডিকেটরটি এনে Input variable থেকে যে টাইম ফ্রেমে USDX চার্ট দেখতে চান সেই টাইমফ্রেম ভেলু দিয়ে দিন, 15M, 30M, 45M 1H ইচ্ছে মত। ৩. File মেনু থেকে Open offline এ গিয়ে আপনার বানানো চার্টটি নিয়ে আসুন। (মুলত offline chart লিখা থাকলে ও এটা কিন্তু live চার্ট) ----------------------------- ধন্যবাদ।
  7. 7 likes
    পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -১] ক্যান্ডেলস্টিক কিঃ ফরেক্স ট্রেডিং চার্টের এক প্রকার চার্ট হল ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট। যা জাপানিজ ফরমুলায় তৈরি ফরেক্স টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘ফরেক্স মার্কেটের প্রাইস পরিবর্তনের বিভিন্ন পদ্ধতিকে ক্যান্ডেলস্টিক এর বিভিন্ন ফর্মের সাথে সংজ্ঞায়িত করে ট্রেডিং এর যে একটি পদ্ধতি তা-ই ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস’। যেখানে আপনি ক্যান্ডেলস্টিক বিভিন্ন প্যাটার্ন দেখে পরবর্তী মার্কেট প্রাইস সিগনাল পেয়ে যাবেন। আপনার আমার মুল টার্গেট হচ্চে পিপস অর্জন করা, মুলত এই পিপস অর্জনের জন্য ফরেক্স ট্রেডিং সারা পৃথিবী জুড়ে ভিবিন্ন ট্রেডাররা বিভিন্ন রকম স্ট্রেটিজি এবং ফর্মুলা ব্যাবহার করে থাকে। যে যত বেশি ফর্মুলা, টেকনিক এপ্লাই করছে সে তত বেশি পিপস মেকিং এ এগিয়ে আছে, ফরেক্স ট্রেডিং এর অনেক স্ট্রেটিজি অনেক বস কাজ দেয় আবার কিছু কিছু স্ট্রেটিজি খুবই নিরাশ করা। এটা আপনাকে মেনে নিতে হবে কারণ মানুষ কতৃক সব সৃষ্টির এটাই স্বাক্ষর। আবার অনেক ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক রকম চমক দেখাচ্ছে। তাই নিরাশ হওয়ার কারণ নাই। তবে সেই ক্ষেত্রে আপনার যা করনীয় তা হল ভালোভাবে অনুশীলন করে তারপর ফাইনালি ব্যাবহার করা। যেহেতু ফরেক্স ট্রেডিং এর স্ট্রেটিজির কোন সীমারেখা নাই তাই এখানে শেখার ও কোন শেষ নেয়। তাই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম জাপানিজ ট্রেডিং থিওরি ‘ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন ট্রেডিং’ । আপনারা জেনে খুশি হবেন যে বিশের অনেক এক্সপার্ট ট্রেডার রয়েছে যারা শুধুমাত্র ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড করে। তাই এই পদ্ধতিটাকে ও আপনার আমার ছোট করে দেখার কোন কারণ নাই। যাহোক, এবার শুরু করা যাক । ক্যান্ডেলস্টিক শত শত প্যাটার্ন রয়েছে সব গুলো প্যাটার্ন আপনার পক্ষে মনে রেখে ট্রেড করা সম্ভব নয়। এবং সব গুলো ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন এর কাজে আপনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট থাকবেন না। তাই মুলত যেসব ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন গুলোর ভালো ট্রেডিং সাকসেস রেইট রয়েছে আমি মুলত সেই প্যাটার্ন গুলো নিয়ে আলোচনা করব। পরিচিতিঃ ক্যান্ডেলস্টিক চার্টে আপনি দু’ধরনের ক্যান্ডেল পাবেন, একটি হল বায় ক্যান্ডেল এবং আরেকটি হল সেল ক্যান্ডেল। বায় ক্যান্ডেল সাধারণত(Green or May be Hollow) এবং সেল ক্যান্ডেল (Red or May be Filled) কালার হয়ে থাকে। অবশ্য আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত কালারে সাজাতে পারেন। ক্যান্ডেল এর মুল বডি’র উপরে-নিচে যে দুটি রেখা থাকে সেগুলোকে Shadow বলা হয়, উপরেরটিকে আপার শেডো এবং নিচের টিকে লওয়ার শেডো বলা হয়। প্রাইস যদি ক্যান্ডেল এর নিচ থেকে শুরু(Open) করে উপর দিকে শেষ(Close) হয় তখন তাকে বায় ক্যান্ডেল বলা হয় এবং প্রাইস উপর থেকে শুরু(Open) হয়ে নিচের দেকে শেষ(Close) হয় তাকে সেল ক্যান্ডেল বলা হয়। অর্থাৎ একটি ক্যান্ডেলে আপনি চারটি প্রাইস ভেলু পাবেন, Open, Close, High and Low. এবং আপনি যে টাইম ফ্রেমে থাকবেন এক একটি ক্যান্ডেল এর ব্যাপ্তি হবে সেই সময় পর্যন্ত। ধরি আপনি ১৫ মিনিট টাইম ফ্রেমে আছেন তাহলে প্রতিটি ক্যান্ডেল তৈরি বা শেষ হবে ১৫ মিনিট পরপর। এই ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে আপনার কম্পিউটারের ঘড়ির সাথে মিলিয়ে নিতে ক্যান্ডেল শুরু এবং শেষ টা নিশ্চিত হতে পারেন। ধন্যবাদ, পরবর্তী পর্ব নিয়ে খুব শিগ্রই আসবো।
  8. 6 likes
    আজকের আলোচনাটা খুব গুররুপুর্ন , ট্রেডিং তো কম বেশী করছেন, ভালো করছেন বা খারাপ সব মিলিয়ে ধরে নিলাম ট্রেডিং চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু মানসিক প্রস্তুতি যা ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে চরম প্রভাব ফেলে তা হয়ত না জেনেই ট্রেডিং এ প্রতিনিয়ত ভুল করছেন যা আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছেন না। হ্যাঁ আজকে আলোচনা করব সেই রকম কিছু সাইকোলজি নিয়ে যা আশা করছি আপনার ট্রেডিং এর প্রভাব আরো পজেটিভ করবে এবং ট্রেডিং হবে আরো উন্নত। ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে কেউ ই ১০০% পারফেক্ট নয়, এমন কি বিশ্বের যত নামীদামী ট্রেডার আছে তাদেরকে নিয়েই বলছি, কেউ তাদের ট্রেডকে ১০০% নিশ্চিত করতে পারে না। কারন মার্কেট বিসয়টি আপেক্ষিক। যে যত বেশী অভিজ্ঞ , যার ট্রেডিং অভিজ্ঞতা যত ভালো, যত বেশী সেই ততটা বেশী সুবিধার সাথে ট্রেড করতে পারেন, এটাই সত্যি। তাই বলছি সত্যি যদি ফরেক্স ট্রেডার হতে চান, নিয়মিত ভাবে ট্রেড করতে চান তাহলে প্লিজ অল্প বিদ্যা নিয়ে শুরু করবেন না, জানুন, বুঝুন, অনুশীলন করুন তারপর শুরু করুন। রুলস – ১ঃ ট্রেড করতে নিজেকে খুব বেশী স্মার্ট ভাবা বা খুব বেশী স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না; আপনি অনেক জ্ঞানী কিংবা অনেক বুদ্ধিমান সম্পুর্ন কিন্তু তাই বলে ফরেক্স ট্রেডিং এ শুরু করেই আপনি পেয়ে যাবেন সফলতা এমনটি ভাবার দরকার নেই। কারন বুদ্ধিমত্তা এবং ফরেক্স ট্রেডিং এই দুটি বিষয়ের পারস্পরিক কোন সম্পর্ক নেই। একজন অসম্পূর্ণ অতিরিক্ত স্মার্ট ট্রেডার যেমন ট্রেডের ক্ষেত্রে ঝুকিপুর্ন তেমনি একজন স্বাভাবিক মানের ট্রেডার তার চেয়ে অনেক প্রগতিশীল। আপনার ফরেক্স ট্রেডিং পারফর্মেন্স এর জন্য ইন্টেলিজেন্সি’র প্রভাব সামান্য কারন ফরেক্স মার্কেট পরিচালিত হয় স্বাভাবিক দিনের মানুষের উপর ভিত্তি করে। তাই ট্রেডার যদি হতেই হয় স্বাভাবিক, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলন দিয়েই শুরু করুন। রুলস -২ঃ ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস জেনে বুঝে ট্রেড করুন; ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বলতে আপনি কি বোঝেন, ইকোনোমিক ক্যালেন্ডার ডাটা দেখে প্রাইস আপ/ডাউন পয়েন্টে ট্রেড ওপেন করা ? তাহলে আমি বলব আপনি সম্পূর্ণই ভুল। আর ইনস্ট্যান্ট পয়েন্ট পাবলিশে সত্যি ট্রেড করতে পারেন? ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসে যদি ট্রেড করতে চান তাহলে নিউজ এনালাইসিস করুন, কোন কারেন্সির নিউজ, নিউজটি কি, বর্তমান ইকোনোমিক কন্ডিশন অনুসারে এই নিউজটির প্রভাব কি হতে পারে , এইভাবে স্টাডি করে তারপর নিউজ ইফেক্ট নিজেই আগে অবগত হয়ে যান এবং সময় মত সেই অনুসারে ট্রেড ওপেন করুন, এটাই ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর সঠিক নিয়ম। রুলস -৩ঃ সব সময় নিজেকে সঠিক রাখতে জোর করবেন না; আপনি যখন ট্রেড করেন তখন সব গুলো ট্রেড আপনার টার্গেট হিট করে না, আপনি তো সময় নিয়ে, সঠিকভাবে এনালাইসিস করেই ট্রেড ওপেন করেছেন যেখানে আপনার সবগুলো ট্রেড পজেটিভ হওয়ার কথা ছিল আপনার সাইকোলজি অনুসারে। ঠিক তখন মনে মার্কেট আপনার সাথে বেঈমানি করেছে, এমনটি তো হওয়ার কথা ছিল না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে একটা টেকনিক এপ্লাই করতে পারেন, কখনো নির্দিষ্ট একটি ট্রেডকে এক্সট্রা জোর দিবেন না, যেমন একটি ট্রেডকে হাই সাইজে ওপেন করে অনেক বেশী কনফিডেন্ট থেকে নির্দিষ্টভাবে একটি ট্রেডকে গাইড করা ইত্যাদি। বরং সবগুলো ট্রেডকে এভারেজ সেইম ভলিয়মে রেখে ট্রেড চালিয়ে যাওয়া এতে করে আপনার এভারেজ ট্রেড পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। রুলস – ৪ঃ ট্রেডিং এর জন্য মুল লার্নিং পিরিয়ডেই দক্ষতা অর্জন করে নিন; বেশীরভাগ ট্রেডার ট্রেড শুরু করে, তারপর লার্ন করে। বুঝতে পারে না যে ট্রেড শুরু করার আগে যে দক্ষতা দরকার তা ট্রেড শুরু করার পর ক্ষতি ছাড়া আসে না। লার্নিং এর ক্ষেত্রে যখন দু’তিনটি টুলস এর মাধ্যমে বায়/সেল সিগন্যাল পেয়ে যায় তখন ই লার্নিং বন্ধ করে দেয়। বডি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যেমন , মাসল, শোল্ডার, চেস্ট, থাই সব নানা অঙ্গের সঠিক অনুশীলন জরুরি, মাসল বড় করতে কার্লিং মারার সময় উভয় হাতের ব্যাল্যান্স যেমন জরুরি নচেৎ একটা মাসল বড় আরেকটা ছোট হয়ে যাবে, এবং ব্যায়ামটাই অনর্থক মনে হবে। ঠিক তেমনি ট্রেডিং লার্নিং এর সময় মৌলিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা নিয়েই ট্রেড শুরু করতে হবে; রুলস – ৫ঃ যেকোন কিছুই ঘটতে পারে সবসময় এই মানসিক প্রস্তুতি রাখা। যেহেতু এটা একটা বর্ডারলেস মার্কেট, এখানেই বৃত্তই দেখবেন সীমারেখা দেখবেন না। অর্থাৎ মার্কেটটি যেহেতু সম্পূর্ণ এনালাইসিস এবং অর্থনৈতিক নির্ভর তাই এইখানে মুদ্রার প্রভাবে অনেক সময় অনেক কিছুই ঘটতে পারে। তাই ট্রেডের ক্ষেত্রে সব সময় নিজের লিমিট/রিস্ক ঠিক রেখে ট্রেড করুন। আপনার ক্ষমতার বাইরে থেকে কিছুই চিন্তা করবেন না বা করবেন না। রুলস -৬ঃ দৌড়ানোর আগে হাটার অভ্যাস করুন; হেডলাইন দেখেই অনেক কিছু বুঝে নিয়েছেন আসা করছি, হ্যাঁ আমি তাই বলছি শুরুতেই কখনো এক লাফে গাছের গোড়া থেকে আগায় উঠতে চেষ্টা করবেন না। আস্তে আস্তে ছোট ছোট ট্রেড থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের ট্রেডিং স্ট্রেটিজি সফলতা, অভিজ্ঞতা কে এক সুতোই বেঁধে আস্তে আস্তে সব গুলো সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকুন। এতে করে আপনার কিছু বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবে না, আর যার সুফল আপনি এখনকার চেয়ে পরে আরো ভালো পাবেন। উপরের পয়েন্টস গুলো খুব কার্যকরীভাবে নিজের ভেতর চিন্তা করুন এবং যদি মনে হয় যে আপানার মাঝে এমন কিছু আছে তাহলে ভুল থেকে শিখে সঠিক নিয়মে এগুতে থাকুন অবশ্যই সফল হবেন।
  9. 6 likes
    MACD মুভিং এভারেজ ডাইভারজন্স অ্যান্ড কনভারজন্স MACD কিঃ হল Moving Average Convergence Divergence। এটি টেকনিক্যাল এনালাইসিসের খুবই জনপ্রিয় এবং স্ট্রুং একটি ইনডিকেটর। সারা পৃথিবী জুড়ে বিপুল পরিমানে ফরেক্স ট্রেডারদের অন্যতম জনপ্রিয় একটি টুল। MACD হল মূলত Exponential Moving Average 12 এবং 26 পিরিয়ড এর মধ্যকার পার্থক্য। এই ক্ষেত্রে MACD 12EMA থেকে 26EMAমাইনাস করে যা পায় তাই হল মেইন MACD লাইন। MACD এর সাথে আরো একটি সিগনাল লাইন থাকে যা বায় এবং সেল সিগনাল দেয়। MACD কেন? মার্কেট ট্রেন্ড সনাক্ত করার জন্য এই ইনডিকেটরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকে ভালো ট্রেড করি কিন্তু শুধুমাত্র সঠিক ট্রেন্ডে ট্রেড করতে না পারার কারনে ট্রেন্ড চেইঞ্জ এর কারনে অনেকে আবার বিরাট লসে পড়ে যায়। এই দিক থেকে MACD আপনাকে রাইট ট্রেন্ডে থাকতে সাহায্য করবে। MACD হল মুভিং এভারেজ SMA এবং EMA এর সাথে সম্পৃক্ত একটি ইনডিকেটর। তবে অনেক ট্রেডাররা শুধুমাত্র EMA (Exponential Moving Average) মেথ ব্যাবহারের মাধ্যমে ট্রেড করতে পছন্দ করে এবং সেই ক্ষেত্রে SMA SIGNAL LINE ভেলু নাল করে ট্রেড করতে হয়। যাদের SMA (Simple Moving Average) এবং EMA (Exponential Moving Average) ডেপিরিয়ড সম্পর্কে ধারণা নাই তারা ভালো হয় আগে SMA এবং EMA বুঝে নিলে। MACD পরিচিতি এবং প্রস্তুতিঃ MACD কে MAC-D (ম্যাক-ডি ) বলে থাকে অনেকে। এই ইনডিকেটর এর মূল কম্পোনেন্ট হল MACD Main Line এবং MACD Signal Line. তবে মেইন লাইনটি সরাসরি লাইন হিসেবে না থেকে (হিস্টোগ্রাম) অর্থাৎ বার গ্রাফ হিসেবে একটি হরাইজেন্টাল লাইন এর উপরে এবং নিচে করে বায় অ্যান্ড সিগনাল ট্রেন্ড হিসেবে থাকে। MACD 26 Day Period এবং 12 Day Period এর মধ্যকার পার্থক্য বুঝতে হলে Insert>Indicators > Trend > Moving Average 26 Period EMA এবং 12 Period EMA সেট করে আপনার ট্রেডিং চার্টে নিয়ে আসুন। চিত্রটি লক্ষ্য করুন, চার্ট এর নিচের অংশে UP এবং DOWN বার জুড়ে যে লাল রেখাটি দেখা যাচ্ছে তা হল সিগনাল লাইন এবং বার বা হিস্টোগ্রাম মিলিয়ে হল MACD। ডিফল্টভাবে MACD Parameter 12 For Fast or Shorter EMA and 26 For Slow or Longer EMA হিসেবে সেট করা থাকে। এবং সিগনাল লাইন ভেলু SMA 9 Period সেট করা থাকে। কারণ MACD Formula ই হলঃ MACD Formula: MACD = shorter term moving average - longer term moving average. অর্থাৎঃ MACD = EMA for 12 periods – EMA of 26 periods. আর অনেক EA প্রোগ্রামাররা নিজেদের মত করে MACD এডিট করে নানা রকম সাজসজ্জয় রুপ দিয়ে বিভিন্ন রকম Parameters সেট করে থাকে। কিন্তু MACD যেমন সাজে দেখতে পাননা কেন মূল কনসেপ্ট এটাই। MACD Buy and Sell Signal: সাধারণভাবে মুভিং এভারেজ ক্রস ওভারেই বায় বা সেল সিগনাল পাওয়া যায়। যদি MACD লাইন 0 level এর উপরে থেকে 12 Period Faster EMA লাইন 26 Period Slower EMA কে ক্রস করে মার্কেট তখন বুলিশ। বিপরীতভাবে যদি MACD লাইন 0 Level এর নিচে থেকে 26 Period Slower EMA লাইন 12 Period Faster EMA ক্রস করে মার্কেট তখন বেয়ারিশ। এটা সাধারণ ফরমুলা যা অন্য ইনডিকেটর দিয়ে ও বুঝতে পারা যায়। তাহলে MACD কেন ব্যাবহার করবো? হ্যাঁ মজাটা এখানেই , পর্বেই বলেছিলাম MACD আপনাকে ট্রেডে মজবুত থাকতে সাহায্য করবে। আসুন কিভাবে দেখি... নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন......... মার্কেট আপ ট্রেন্ড এবং নিখুঁত সাপোর্ট লাইন দেখা যাচ্ছে আপনি হয়ত অপেক্ষা করছেন যে কখন সাপোর্ট লাইন ব্রেক করবে এবং আপনি শর্ট অর্ডার করবেন। কিন্তু আবার ভয় ও আছে ব্রেক হওয়ার পরে যদি আবার সাপোর্ট লাইনকে টাচ করে তাহলে ট্রেন্ড বাউন্স হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেল ট্রেন্ড নিশ্চিত হওয়ার জন্য দেখবেন ট্রেন্ড ব্রেক হওয়ার আগেই MACD কয়েকটা রিভারসেল বার তৈরি করে ফেলেছে। যখন ক্যান্ডেলস্টিক সাপোর্ট লাইন এর নিচে ক্লোজ হয় ঠিক একই সময়ে MACD লাইন নিচের দিকে নামতে থাকে। যদিও MACD এখনো 0 লেভেলের উপরে কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে আপনি সেল অর্ডার দিতে পারেন এবং প্রফিট নিবেন পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল পর্যন্ত। MACD ডাইভারজন্স: হল একটি আপট্রেন্ড মার্কেট এর শক্তিশালী ব্রেক পয়েন্ট ধরে ট্রেড করে নেওয়ার জনপ্রিয় একটি টেকনিক্যাল স্ট্রেটিজি। ট্রেন্ড ব্রেক আউট ট্রেন্ডে ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশি প্রফিট করে থাকে। আপনিও এই পদ্ধতিতে অনেক প্রফিট নিতে পারেন যদি সঠিক সময়ে ট্রেডে প্রবেশ করতে পারেন এবং ট্রেন্ড ব্রেক নিশ্চিত হতে পারেন। আর এই ট্রেন্ড ব্রেকঅউট নিশ্চিত হওয়ার জন্য একেক ট্রেডার একেক ধরণের স্ট্রেটিজি ব্যাবহার করে থাকে, তবে অনেক ট্রেডারদের কাছে MACD Divergance ট্রেড ব্রেকঅউট স্ট্রেটিজিটি খুবি জনপ্রিয় কারণ এর ট্রেন্ড সিগনাল অনেক বেশি কার্যকর। এটি MACD বারের সমন্বয়ে তৈরি একটি জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ট্রেন্ড সিগনাল। যা আমরা MACD Divergance নামে জানি। চিত্রটি লক্ষ্য করুন ... আপ মার্কেট যখন ট্রেন্ড উঁচু থেকে উচ্চতর (Higher High) ব্যাবধান করেছে ঠিক সেসময়ে MACD বার নিম্ন উচ্চতর (Lower High) বারের মাধ্যমে নিচে নামতে শুরু করে রিভার্সেল ট্রেন্ডের সিগনাল দিচ্ছে। এখন ট্রেন্ড নিশ্চিত হওয়ার পালা, যখন MACD বার নিম্নমুখী এবং ট্রেন্ড লাস্ট সাপোর্টকে ক্রস করল, এই মুহূর্তে মার্কেট রিভারসেল ট্রেন্ড নিশ্চিত হয়ে MACD Divergance ফর্ম ধরে নিশ্চিত সেল ট্রেড করা হয়। অর্থাৎ MACD Divargance স্ট্রেটিজিতে থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে বর্তমান আপট্রেন্ড মার্কেট এখনকার মত এখানেই শেষ সুতরাং আপনি বর্তমান ট্রেন্ডের ফ্রেন্ড হয়ে রিভার্সেল অর্ডার (সেল) ট্রেড করে ভালো প্রফিট করে নিতে পারেন। MACD কনভারজন্স: MACD কনভারজন্স হল ডাউনট্রেন্ড মার্কেটে এর ব্রেক পয়েন্ট ধরে ট্রেন্ডে চেঞ্জে রিভার্সেল অর্থাৎ বায় ট্রেড করা। এই ক্ষেত্রে MACD বার উপরের দিকে তৈরি হতে শুরু করে ট্রেন্ড চেঞ্জ করতে থাকবে। এটা আর বিস্তারিত না-ই বললাম। MACD Divergance অনুসারে বিপরীত মুখী ট্রেন্ড ধরে আশা করি বুঝে নিতে পারবেন। MACD Divergance এর বিপরীত ফর্মুলা ধরে স্ট্রেটিজিটা নিজেরাই বুঝে নিন। আশা করি পারবেন।
  10. 6 likes
    ফরেক্স ট্রেডিং এবং বাইনারি বা অপশন ট্রেডিং দুটিই আর্থিক বাজারের লাভ এবং লসের সাথে সম্পৃক্ত দুটি পদ্ধতি। তবে উভয় প্রকার ট্রেডিং এর মধ্যকার ব্যবস্থাপনা দুরকম এবং ভিন্ন। বাইনারি ট্রেডিং হচ্ছে এমন এক প্রকার ট্রেডিং পদ্ধতি যেখানে আপনার লাভ/লস নির্ভর সম্পূর্ণভাবে আপনার হ্যাঁ এবং না প্রস্তাব এর উপর। যেখানে আপনার লাভ অথবা লস একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, ফরেক্স ট্রেডিং হল একটি সেশনে ওপেন বা ক্লোজ নির্ভর ট্রেডিং পদ্ধতি। যেখানে আপনার লাভ/লস নির্ভর করে অনেকগুলো বিষয়ের উপর যেমন অর্ডার প্রাইস, ক্লোজ প্রাইস, কত শেয়ার, কন্ট্রাক্ট, সাইজ ইত্যাদির উপর।
  11. 6 likes
    ফরেক্স মার্কেটে যত ধরনের স্ট্র্যাটেজী আছে, তার মাঝে বুলিঙ্গার ব্যান্ড অন্যতম নির্ভরশীল এক স্ট্র্যাটেজীর মাধ্যম। অত্যন্ত কার্যকরী এই ইন্ডিকেটর দিয়ে অনেক ধরনেরই স্ট্র্যাটেজী বানানো যায়। আমার নিজেরই প্রায় কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজী আছে এই বুলিঙ্গার ব্যান্ড নিয়ে। সে যাই হোক, আপনাকে ফরেক্স মার্কেটে ভালো কিছু করতে হলে, সবার আগে আপনার ধৈর্য্য নিয়ে মনোঃ সংযোগ তৈরী করতে হবে। আমি আমার আগের পোস্টগুলোর ফিডব্যাকে অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমি দেখেছি সবাই কেমন যেন অস্থির একটা ভাব নিয়ে থাকেন। ফরেক্স আপনার অস্থিরতাকে কানা কড়িও মুল্য দেয়না। সুতরাং আপনাকে ফরেক্স এর ভাব বুঝে নিয়ে ট্রেড করতে হবে। আজ আমি আপনাদের অত্যন্ত কার্যকরী একটা স্ট্র্যাটেজী শিখাতে যাচ্ছি, আশা করছি যারা নতুন আছেন, বা অনেক দিন ধরে ট্রেড করছেন কিন্তু ভালো প্রফিট করতে পারছেন না, তারা খুব ভালো উপকার পাবেন। তবে একটা কথা আগেই বলে রাখি, সকল স্ট্র্যাটেজীই ভালো, এটা আপনি যত নিজের মতো করে ভালোভাবে আয়ত্ব করতে পারবেন। ফরেক্স ততোই আপনার কথা শুনবে। আপনার ঝুলিতে এসে জমা হবে ফরেক্স সাফল্য। এবার স্ট্র্যাটেজীর কথায় আসিঃ বুলিঙ্গার ব্যান্ডের সেট আপঃ প্রথমে আপনার MT4 চার্ট হতে ইন্ডিকেটর অপশনে যেয়ে বুলিঙ্গার ব্যান্ড খুজে বের করুন। ডেভিয়েশানঃ ২ পিরিয়ডঃ ২০ দিবেন, তবে ১৪ তেও মোটামুটি ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়। স্ট্র্যাটেজী ফলো করবার নিয়মঃ যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইনের নিচে থাকে তবে মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে আছে বুঝতে হবে। যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইনের উপরে থাকে তবে মার্কেট আপ ট্রেন্ডে আছে বুঝতে হবে। যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইন টাচ করে তবে ট্রেড নেবার পজিশান এসে গেছে বুঝতে হবে। এবার অপেক্ষা শুধু পারফেক্ট সেট আপ নেবার। কখন সেল নিবেনঃ যখন মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে থাকবে আর প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইন টাচ করবে নিচে থেকে, তখন আপনি রেডী হয়ে যাবেন এন্ট্রী নেবার জন্য। মাঝের লাইন টাচ করার সঙ্গে সঙ্গে আপনি টাচ করা ক্যান্ডেলের ৩-৫ পিপ্স নিচে একটা সেল স্টপ দিয়ে রাখুন, অথবা অপেক্ষা করুন মারকেট প্রাইসের রিভার্স করা ক্যান্ডেলের জন্য যা আগের ক্যান্ডেলের ৩-৫ পিপ্স নিচে ঘুরে নামবে। তখন একটা সেল এন্ট্রি নিন।বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝ লাইন টাচ করা ক্যান্ডেলের ৫-১০ পিপ্স উপরে স্টপ লস দিয়ে রাখুন। আর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে বুলিঙ্গার ব্যান্ডের নিচের লাইন বরাবর দিয়ে রাখুন। নিচের ছবিটা দেখে নিন। কখন বাই এন্ট্রি নিবেনঃ বাই এন্ট্রি সেল এন্ট্রির ঠিক উল্টোটা হবে। এখানে মারকেট উপর থেকে নিচে নেমে মাঝের লাইন টাচ করবে। আর একই ভাবে স্টপ লস আর টেক প্রফিট ব্যবহার করবেন। আর এ সংক্রান্ত এনালাইসিস দিয়ে ট্রেড করতে বা পুরোপুরি বুঝতে কারও কোন সমস্যা হলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনঃ ফেসবুকে আমিঃ https://www.facebook.com/otonu.shagor স্কাইপীতে আমিঃ otonu.shagor আমার নিজস্ব এনালাইটিক্যাল পেজঃ https://www.facebook.com/bestforexxm সবাই ভালো থাকুন, সবাই ভালো ট্রেড করুন। আর পরিশেষে আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।
  12. 6 likes
    মানি ম্যানেজমেন্ট প্রকারভেদঃ Forex Money Management Types: ফরেক্স জনপ্রিয় দুটি মানি ম্যানেজমেন্ট ফর্মুলা হলঃ মারটিঙ্গেল মানি ম্যানেজমেন্ট – Martingale Money Management এন্টি- মারটিঙ্গেল মানি ম্যানেজমেন্ট – Anti-martingale Money Management মারটিঙ্গেল মানি ম্যানেজমেন্ট – Martingale Money Management: এই পদ্ধতিতে ট্রেড করার নিয়ম হল লস ট্রেডে যখন একাউন্ট ব্যাল্যান্স কমতে থাকে তখন ট্রেড সাইজ বাড়িয়ে দিতে হয়। তাই এই টেকনিকের মুল ইথিক্স ট্রেড লসে গেলে তা রিকাভার এর চান্স বাড়তে থাকা অথবা ট্রেড ফ্ল্যাট করা বা লাভ ও নয় লস ও নয় এই পদ্ধতিতে ট্রেড করা। এই পদ্ধতিতে ট্রেডাররা নেগেটিভ ট্রেডকে পজেটিভ ট্রেডে রুপ দিতে সক্ষম হয়। বিষয়টা একটা ছোট্ট উদহারনের মাধ্যমে বলি যেমন, আপনি যদি একটি কয়েন এর এক সাইড পছন্দ করে ১০টি বেট করেন, প্রথমবারে দেখা গেল আপনার পছন্দের সাইড উঠল না, দ্বিতীয় বার ও উঠল না এবং তৃতীয়বারেও না উঠে যদি চতুর্থ বারে গিয়ে আপনার সাইড উঠে এবং আপনি প্রতি বেট এ দ্বিগুণ পরিমান করে বেট রেইট বাড়ালেন, যেমন আপনার বেটগুলো ট্রেডিং এ হিসাব করলে...... এইভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রেড আপনার পক্ষে না যায় ততক্ষণ আপনাকে ডাবল লটে ট্রেড চালিয়ে যেতে হবে। ঠিক এই রকম একটা টেকনিকে আপনি মারটিঙ্গেল মানি ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে আপনার ট্রেড চালিয়ে যাবেন এবং লস কাভার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে ট্রেড করার একটি বড় অসুবিধা হল যদি এইভাবে কন্টিনিউ ট্রেড ই লস এ যায় তখন প্রশ্ন চলে আসে আপনার ট্রেডিং ব্যাল্যান্সের উপর। তাই বিষয়টি আপনার প্রথম মাথায় রাখতে হবে যে আপনার ট্রেডিং লিমিট মানি কত। যাহোক এইখানে আমি শুদুমাত্র একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিলাম এই পদ্ধতি ট্রেডিং এর উপর, আস্তে আস্তে বিষয়গুলো আরো বিস্তারিত করব। এন্টিমারটিঙ্গেল মানি ম্যানেজমেন্ট – Anti-martingale Money Management: নাম পড়েই বোঝা যাচ্ছে যে এটি মারটিঙ্গেল এর সম্পূর্ণ বিপরীত ফর্মুলা। এই পদ্ধতিতে ট্রেডিং এর নিয়ম হল আপনার একাউন্ট ভেলু বাড়ার সাথে সাথে ট্রেড সাইজ ও বাড়াতে থাকবেন আবার একাউন্ট ভেলু কমার সাথে সাথে ট্রেড সাইজ ও কমতে থাকবেন। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার বর্তমান ট্রেড নিয়ে কনফিডেন্ট থাকেন তাহলে আপনি ট্রেড সাইজ বাড়াতে পারেন আর যদি তা মনে না হয় তাহলে কমাতে থাকবেন। যেমনঃ এই হল মানি ম্যানেজমেন্টের দুটি বেসিক কনসেপ্ট, আজ এই পর্যন্ত থাকুক আগামি আলোচনায় দুটি টাইপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাবো।
  13. 6 likes
    ফরেক্স মার্কেটে টিকে থাকতে হলে তিনটি বিষয়ে অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। প্রথমটি হল কনটেণ্ট। অর্থাৎ আপনাকে ফরেক্স মার্কেটের ভিতর এবং বাইরের সব তথ্য জানতে হবে। যেমনঃ লট,স্প্রেড,এক কারেন্সির উপর আরেক কারেন্সির প্রভাব। আমাদের অবশ্যই আভ্যন্তরীণ তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। যেহেতু আমরা আমাদের ট্রেডিং সিদ্ধান্ত বর্তমান কালে নিব তাই মার্কেটের সময় এবং কারেন্সি রেট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। প্রতিদিন ট্রেড করার জন্য প্রতিমুহূর্তের খবর আমাদের ট্রেডিং প্লাটফর্ম বা অন্য কোন ভাবে জানতে হবে। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল মেকানিক্স। অর্থাৎ আপনাকে একটা ট্রেডিং পদ্ধতি তৈরি করতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ট্রেড বসাবেন এবং ট্রেড বন্ধ করবেন। ট্রেডিং পদ্ধতির সামান্য ভুলে আপনার হাজার ডলার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।নেটে অনেক ট্রেডিং সিস্টেম পাবেন। ট্রেডিং সিস্টেমে ট্রেড বসানো বা বন্ধ করার সাথে সাথে মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকতে হবে। তৃতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা(discipline) । প্রতিটি ট্রেডে আপনাকে ১০০ ভাগ ডিসিপ্লিন মেনে চলতে হবে। আপনার ডিসিপ্লিনের উপর আপনার লাভ/ ক্ষতি নির্ভর করবে। কিছু ট্রেডিং নিয়ম যা আপনাকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারেঃ ১। মার্কেটে আপনাকে ডিসিপ্লিন মেনে চলতে হবে। ডিসিপ্লিন আপনাকে বেশি লাভ দিবে এবং আপনার পকেট থেকে কম টাকা যেতে সাহায্য করবে। ফরেক্স মার্কেটে সাফল্যের সূত্রঃ ডিসিপ্লিন= অতিরিক্ত লাভ। ২। প্রতি ট্রেডে আপনাকে ডিসিপ্লিন মেনে চলতে হবে। কোন ট্রেডে আপনি ১০০ ভাগ নিশ্চিত না হয়ে ট্রেড বসাবেন না। ৩। যদি আপনার একাউণ্টে ডলার কম থাকে সে ক্ষেত্রে লট কমিয়ে দেবেন। যেমনঃ আপনার ৫০০$ ব্যালেন্স নেমে ১০০$ হয়েছে ,তখন অবশ্যই ০.০৫ লট ট্রেড করবেন না ,০.১ ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার মার্জিন কল খাবার সম্ভাবনা কমে যাবে। ৪। আপনার ট্রেডে ১০০ পিপ প্রফিট আছে । এখন অতি লোভে ট্রেড ধরে রাখলেন। যা আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের সাথে যায় না। সেক্ষেত্রে মার্কেট বিপরীত দিকে যাওয়া শুরু করলে আপনার লাভের ট্রেড লস হয়ে যাবে। এই অবস্থায় আমরা সবাই কোন না কোন সময়ে পরি। এই ধরনের অবস্থা থেকে মুক্তির চেষ্টা করতে হবে। কম প্রফিট ধরে রাখলে পরবর্তী ট্রেডে আপনি লাভ করতে পারবেন। ৫। ধরুন আপনি এক ট্রেডে ৫০ পিপ প্রফিট করলেন। এখন আবার ট্রেড ওপেন করলে আপনার লস অবশ্যই ৫০ পিপের নিচে যাতে না যায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। দুটি ট্রেডের গড় যদি লস হয় তবে ঐদিনের ট্রেড খুবই খারাপ হয়েছে ধরে নিতে হবে। এক্ষেত্রে স্টপ লস ব্যবহার করতে পারেন।প্রতিদিনের প্রফিট প্রতিদিন ধরে রাখতে হবে। ৬। সহজ ট্রেডিং সিস্টেম তৈরি করুন এবং কোনভাবেই ট্রেডিং সিস্টেম পরিবর্তন করবেন না। আপনার সিস্টেম যদি বলে ১০ পিপ প্রফিট তবে তাই ধরতে হবে ,যদিও ঐদিন আপনি ধরে রাখলে ৫০ পিপ প্রফিট হত।সঠিক সময়ে ট্রেড বন্ধ করলে লসের পরিমান কমে যাবে। ৭। আপনি অবশ্যই আপনার উপর আস্থা রাখবেন। আপনি যে সিদ্ধান্ত নিবেন তাই ঠিক মনে করবেন। আমরা ট্রেড করার সময় আরেকজনের সিগনাল অনুসরন করি। এতে হয়ত কিছু ট্রেড লাভ করবেন কিন্তু আপনি দ্রুত পঙ্গুত্ব বরন করবেন। কারন ট্রেডিং আপনাকেই করতে হবে।আরেকজনের ট্রেড অনুসরন করলে লস খাউয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ৮। যদি আপনি একদিনে দুইটি বা তিনটি ট্রেড লস করেন তবে ঐ দিন আর মার্কেটে না বসাই ভালো। ধরুন আপনার ১০,০০০$ আছে, সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিদিনের লস কোন ভাবেই ৫০০$ নিচে নামানো যাবে না।ট্রেড লস খেলে হতাশ না হয়ে পরের দিন আবার বসেন। তাহলে প্রফিট করবেন। আমাদের ট্রেডারদের বড় সমস্যা হচ্ছে তারা প্রতিদিনকার লস প্রতিদিন তুলতে চায়।এতে অনেক লস হয়ে যায়। আমার মতে, প্রতিদিন দুইটি ট্রেড লস খেলে সাথে সাথে পিসি অফ করে দিবেন, পরের দিন বসবেন। ৯। লস নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হবে। আপনার কিছু ট্রেড লস হবেই। তাই লস যতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন ততই আপনি মার্কেটে টিকে থাকতে পারবেন। ১০। অনুমানের উপর নির্ভর করে ট্রেড করবেন না। আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি যখন অনুমানের উপর নির্ভর করে ট্রেড ওপেন করেছি তখন প্রতি ট্রেডে ৫০ পিপ প্রফিট হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পর দেখি আর ৫০ পিপ যায় না। স্টপ লস ব্যবহার না করার ফলে লস অনেক বেশি হয়ে যায়।বেশিরভাগ ট্রেডারদের ক্ষেত্রে এরকম ঘটে। আপনি আপনার ট্রেডিং সিস্টেম যা বলে তাই করবেন। ১১। টাকা খোয়ানোর জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবেন। কারন আপনার কিছু ট্রেড লস হবেই। কিন্তু টাকা খোয়ানোর জন্য প্রস্তুত থাকলে মানসিক শান্তি আসবে। ১২।প্রতিদিন অল্প অল্প করে প্রফিট করবেন।একবারে সব খেতে চাইলে সব হারাবেন। ফরেক্স মার্কেটে মানুষ টিকতে পারে না অতিলোভের কারনে। লোভ সংবরণ করুন কোটিপতি হন। ১৩। একই ধরনের ট্রেড প্রতিদিন করুন। মানে হচ্ছে আপনি যে সব নিয়ম মেনে ট্রেড করেন সেইগুলো অনুসরন করুন প্রতি ট্রেডে। প্রতিটি নিয়ম প্রতিদিন অনুশীলন করুন। আমার ৮ নাম্বার নিয়ম শিখতে ৪ মাস লেগেছে। ১৪। কখনও অতিরিক্ত এনালাইসিস করবেন না।দ্বিধা করবেন না।আপনি ট্রেড বসাতে একটু দেরী করলে দেখবেন আপনার প্রফিট অনেক কমে গেছে। অনেকেই আছেন মার্কেট দেখছেন উপরে উঠছে কিন্তু অপেক্ষা করছেন কখন তার ইপ্সিত রেট আসবে তখন ট্রেড বসাবেন। কিন্তু এতে অনেক দেরী হয়ে যাবে। যেমনঃ আপনার হেইকেন আসি বার সবুজ দেখাচ্ছে ,কিন্তু আপনি অপেক্ষা করছেন আরেকটা বার উঠুক ।কিন্তু এতে আপনার অনেক দেরী হয়ে যেতে পারে ।আপনি যেই বারে বসাতে চাইছেন সেই বার থেকে মার্কেট উল্টাদিকে বাক নিতে পারে। তাই দ্বিধা করবেন না। ১৫। স্টপ লস ব্যবহার করবেন। আমার মতে, ২৫ বা ৩০ পিপ। ১৬। মার্কেট আপনার আমার জন্য বসে থাকবে না। সে তার আপন গতিতে চলবে এবং যে দিকে যাবে সেটাই সঠিক দিক । মার্কেট কে সম্মান করতে হবে। আশা করছি, এই নিয়মগুলো অনুসরন করলে ট্রেড লস খাওয়ার পরিমান কমে যাবে। এই নিয়মগুলো আমি আমার প্রতি ট্রেডে অনুসরন করার চেষ্টা করি। সবগুলো এখনো তুলতে পারিনাই। চেষ্টা করছি। সবশেষে ওয়ারেন বাফেটের ট্রেডিং নিয়ম দিয়ে শেষ করছি, আমার মতে স্টক মার্কেটে টিকে থাকার সবচেয়ে সহজ সূত্র। "Rule No.1 is never lose money. Rule No.2 is never forget rule number one."
  14. 6 likes
    স্বাধীন যেকোন পেশা যে কারো জন্য উন্মক্ত। তবে বিশেষভাবে অনেকে ঘরোয়া পেশাগুলো কে অধিক মুল্য্যয়ন করে থাকেন যার যার সুবিধা, বিবেচনায় এবং ইচ্ছায়। এই ধরনের পেশা সারা পৃথিবীতে অনেক আছে, বিশেষ করে ফ্রী-ল্যান্সিং এর দুয়ার খুলে দিয়েছে অনেকখানি। ঘরে বসে বাইরের প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করা বিষয়টি সত্যি অনেক মজার। আর এই মজাটা আমাদের দেশের তরুন প্রজন্ম খুব ভালো ভাবেই নিচ্ছেন। এবং সফলতার সাথেই নিচ্ছেন। প্রযুক্তির আশীর্বাদে মানুষ এর জীবন এখন অনেক সহজ, অনেক গতিসম্পূর্ণ এবং অনেক সুন্দর। মানুষের অনেক কল্পনা এখন বাস্তবে রুপ নিচ্ছে প্রযুক্তির কল্যাণে। প্রযুক্তির এইরকম একটি আশীর্বাদ হল ঘরে বসে অনলাইনে আয়। ঘরোয়া অনেক পেশার মধো আজ আমি আলোচনা করব, ফরেন এক্সচেঞ্জ (ফরেক্স) ট্রেডিং বিষয়ে। মুলত আমার আরেকটি আলোচনায় আমি এই পেশা সম্পর্কে বিস্তারিত গাইডলাইন দিয়েছিলাম। যারা আগের আলোচনাটা মিস করেছিলেন তারা চাইলে পড়ে নিতে পারেন। ()। প্রথমেই বলতে চাই বর্তমান সময়ের সিডিউল বেসড বাইরের অনেক পেশার চেয়ে ঘরে বসে ফরেক্স ট্রেডিং এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন তার অনেক অনেক বেশি। হ্যাঁ , সত্যিই তাই। হতভাগ করার মত কিছু বলছি না। ফরেক্স ট্রেডিং ট্রেডিশনাল শেয়ার মার্কেট এর মত এক ধরনের মার্কেট যেখানে মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যমে প্রফিট করে থাকেন। এই পেশাটি উম্মক্ত। আপনি বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে শুধুমাত্র নেট কানেকশন এবং ল্যাপটপ পিসি ব্যাবহার করে আপনার ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন, ওপেন একটি ব্যবসা তাই আপনি কারো কাছে বাঁধা নন কিংবা কেউ আপনার কাছে। আপনি সম্পূর্ণ প্রসেসটা করতে পারেন নিজে নিজেই। ট্রেডিশনাল একটি ব্যবসা আপনি যদি ক্ষুদ্র মূলধন ২০ লাখ দিয়ে শুরু করেন সেট আপ থেকে শুরু করে যে প্রকার ব্যবসা করেননা কেন প্রতি মাসে আপনি সব খরচ বাদ কত প্রফিট আসা করতে পারেন? এভারেজ ৩০০০০-৫০০০০ সর্বচ্চ, কোন কোন ক্ষেত্রে সেটাও সম্ভব হয় না। সিম্পলভাবে আমি যদি এই ইনভেস্টমেন্টকে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড এর অনুপাতে হিসাব করি তাহলে শারীরিক অস্তিত্বহীন সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই ব্যবসা থেকে আপনি মাসিক ২-৩ লাখ টাকা প্রফিট নিতে পারেন অনাসয়ে। এই হিসাবটা আমার একটা অন-ইন এভারেজ, আপনি দক্ষতার বদৈলতে প্রফিট করে নিতে পারেন তার ও অনেক বেশি আনলিমিটেড মানি। যার জন্য আপনার প্রয়োজন নেই কোন বিশেষ ব্যবসা পজিশনের। নেই কোন স্টাপ কিংবা ব্যবসায়িক ইউটিলিটিজের। আপনার পিসি এবং ইন্টারনেট কানেকশনই হচ্ছে আপনার ব্যবসার মুল সেট আপ। তাই ঘরে বসে এই ব্যবসাটি আপনার ভাগ্যর পরিবর্তন আনতে পারে অনেক সহজে এবং অনেক কম সময়ে। কিভাবে আপনি ঘরে বসেও এই ব্যবসাটা করতে পারেনঃ নিজের সুবিধা মত সময়ে ট্রেড করতে পারবেন।ফরেক্স মার্কেট ২৪ ঘন্টা সপ্তাহের সোমবার থেকে শুক্রবার এক টানা ওপেন থাকে তাই অন্য চাকরির মত নির্ধারিত সময় মাপিক চলতে আপনি বাধ্য নন, আপনার ইচ্ছে হলে আপনি মধ্য রাতে বসে ট্রেড করুন।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মার্কেট হল ফরেক্স যেখানে দৈনিক টার্ন-অভার ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এর মত তাই সবার অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে এই মার্কেট সম্পৃক্ত হওয়ার।সর্বনিম্ন মূলধন $১ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মূলধনে আপনি নিজের ক্ষমতা মাপিক ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।একক কারো প্রতিনিধিত্ব এই বাজারে কোন রুপ প্রতিফলন তৈরি করতে পারে না। স্বয়ং বিল গেটস এর পুরো অর্থের সামর্থ্য নাই এই বাজারকে পরিবর্তন করার।দামের উর্ধগতি এবং নিম্নগতি উভয় ট্রেন্ডে ট্রেড করতে পারবেন।এটি স্পট ট্রেডিং মার্কেট তাই ইনস্ট্যান্ট বায়-সেল করতে পারেন, কোন রকম মেচিউরিটির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।আপনার লেনদেনগুলো সম্পূর্ণ সিকিউর আপনার নিজের তৈরি আকাউন্ট পাসওয়ার্ড এর মাধ্যমে যেখানে কারো এক্সেস এর কোন সুযোগ নেই।ব্রোকার দ্বারা ভিবিন্ন রকম মানি মিডিয়ার মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন নিজের পছন্দ মত।লোন সুবিধান কারনে নিজের পুজির চেয়ে বেশি ক্ষমতায় ট্রেড চালিয়ে যেতে পারবেন।ডেমো একাউন্ট নামক ফ্রী এবং প্রি-ইনভেস্টমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে নিতে পারেন মুল ইনভেস্টমেন্টে যাওয়ার আগে।কোন কাজে বাইরে যেতে হলে নিজের মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ ট্রেড কনট্রোল করার সুবিধা।ফুল অথবা পার্ট টাইম বেসিস নিজের পছন্দ মাপিক করতে পারেন।গ্র্যাজুয়েট-ননগ্র্যাজুয়েট সবার জন্য উন্মত অর্থাৎ শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল। উপরের যে সুবিধার কথা গুলো বললাম তার সবকটি আপনি পেতে পারেন কোন রকম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছাড়ায় সম্পূর্ণ ঘরে বসে। প্রতিটি ব্যবসার মুল হল আগে সেই ব্যবসাটা সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনা, ভালোভাবে শিখে নেওয়া। তাই মুল ইনভেস্টমেন্টে যাওয়ার আগে অবশ্যই ,অবশ্যই, অবশ্যই সম্পূর্ণ বিষয়টি পরিষ্কার এবং দক্ষ হয়ে তারপর শুরু করুন। এইবার আসুন জেনে নেই এই ব্যবসাটিতে কি ধরনের সীমাবদ্ধতা আপনার থাকবে কিংবা কোন ধরনের ঝুঁকি আপনার থাকতে পারে। নিমক্ত বিষয়গুলোর প্রতি সচেতন থাকুন ব্যবসাটি আরম্ভ করার পূর্বে। ইনভেস্টমেন্ট এর সময় লজিক এর চেয়ে ইমোশনকে প্রাধান্য দেওয়া।নিজের সম্পূর্ণ মূলধন তথা লিভিং সিকিউর মানি নিয়ে ব্যবসায় নেমে পড়া।পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন না করেই ব্যবসায় নেমে পড়া।ব্যবসার সম্পূর্ণ কনসেপ্ট রীতিনীতি গুলো খামখেয়ালীর সাথে পরিচালনা করা।প্রতিটি ট্রেড থেকে প্রফিট আসা করা।নিজের দক্ষতার চেয়ে বেশি রিস্ক নিয়ে নেওয়া। এই রকম ভিবিন্ন ব্যতিক্রম ধর্মী সুবিধার জন্য সারা বিশ্বে ঘরোয়া পেশা হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ফরেক্স ট্রেডিং, বিশেষ করে মহিলারা যারা বাইরে বেরিয়ে চাকুরি কিংবা ব্যবসায় নিজেদের অন্তুভুক্ত করতে চায় না সম্ভব হয় না, ঘরে বসে আয় করার জন্য ফরেক্স হতে পারে তাদের প্রথম পছন্দ। এবং আপনি হতে পারেন আপনার পরিবারের একজন বড় আর্নার, পরিবর্তন করতে পারেন নিজের ভাগ্যকে, স্বাবলম্বী হতে পারেন আর্থিকভাবে। আপনার সামনের অনেক অনেক পেশায় আপনার জীবনকে সুন্দর এবং পরিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে ফরেক্স ট্রেডিং ও হতে পারে আপনার একটি সফল পেশা সফল পছন্দ। সেই প্রয়াসে bdforexpro.com || Bangladesh forex professional community. আপনার পাশে, আপনার ফরেক্স ট্রেডিং সহযোগিতায় সব সময়।
  15. 5 likes
    প্রিয় ট্রেডার বন্ধুর, আপনারা লক্ষ করেছেন যে ফরেক্স মার্কেট এ বেশীর ভাগ দিনেই ৩০-৬০পিপিস এর বেশী মুভমেন্ট হয়না, এতে করে অনেক ট্রেডারই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা। তাই আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে আপনাদের সাথে (আমার পরীক্ষিত) এমন একটি ট্রেড স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা প্রতিদিনই ট্রেড করে সফল হতে পারবেন। আজকের ট্রেড স্ট্যাটিজির কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বোকা বলতে/ভাবতে পারেন। কারণ, আজকে আমি আপনাদের সাথে পাঁচ মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড করার একটা স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো, যার দ্বারা আপনার হয়তো অনেক লাভ হবেনা কিন্তু মার্কেট যখন মুভমেন্ট কম থাকবে তখনও আপনি ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। এটা হলো একধরনের স্কেল্পিং ট্রেড স্ট্যাটিজি, মার্কেটের মুভমেন্ট যখন কম থাকে আমি নিজেও এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করি এবং ৭৫-৮০% সফলতা পেয়ে থাকি। নিম্নে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলঃ আপনারা উপরে যে চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন তা হলো ৫মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র। আসুন ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর নিয়মগুলো জেনে নেইঃ পাঁচ মিনিটের ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র ব্যবহার করুন। এবং লক্ষ করুন যে পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) কিনা। আর হলে ক্যান্ডেলগুলো নুন্যতম ৫-৭পিপস এর কিনা। তাহলেই আপনি ৫মিনিট এর টাইমফ্রেমে ট্রেড ওপেন করতে পারেন। কিভাবে ট্রেড ওপেন করবেনঃ যখন দেখবেন পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) গিয়ে তৃতীয় ক্যান্ডেলটি শেষ হবে এবং চতুর্থ ক্যান্ডেলটি শুরু হয়ে ২-৪পিপস অফোসিট দিকে যাবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডটি (তিনটি ক্যান্ডেল যে দিকে ছিল সে দিকে) ওপেন করুন। এবং ১০পিপস টেক প্রফিট ও ১৫পিপস স্টপ লস ব্যবহার করুন। যদিও টেক প্রফিট এর চেয়ে স্টপ লস বেশী তাতে কি ৭৫-৮০% সময়ই তো আপনার টেক প্রফিট এ ট্রেড ক্লোজ হচ্ছে। ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর সতর্কতাঃ মার্কেট ট্রেন্ড (১ঘন্টায়) যে দিকে বিশেষ করে সে দিকে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন। নিউজ আওয়ার এ ধরনের ট্রেড করবেন না। মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং টাইম এ ধরনের ট্রেড করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে কোন কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ এক কথায় যে পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট ভালো সেগুলোতে যেমনঃ GBP/USD, GBP/JPY, EUR/USD, EUR/JPY, USD/CHF ও USD/CAD । এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার জন্য কখনো স্লো মুভমেন্টের এবং মেজর ক্রস পেয়ার বাচাই করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার আগে প্রয়োজনে ডেমোতে ট্রাই করুন, ডেমোতে ট্রাই করার পর আপনি যদি মনে করেন যে এ পদ্ধতিতে ভাল লাভ করা সম্ভব তখন আপনি মিনি ও মাইক্রো লাইভ একাউন্ট এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। ধন্যবাদ।
  16. 5 likes
    US Non-firm payroll হল U.S. Bureau of Labor Statistics হতে প্রস্তুতকৃৎ নির্দিষ্ট একটি মেয়াদে USA এর মোট কর্মসংস্থান বা কর্মচ্যুত’র একটি সম্পূর্ণ রেকর্ড যেখানে মোট বেকারত্বের হার, প্রতি ঘন্টার পারিশ্রমিক কিংবা কোন সেক্টরে কর্মসংস্থান বা কর্মচ্যুতদের অবস্থার একটি মাসিক রিপোর্ট । Non-firm payroll মুলত এটা স্পষ্ট করে যে আসলে লেবার মার্কেট এর অবস্থা কি , এটা কি সংকোচিত হচ্ছে নাকি বড় হচ্ছে। Non-firm payroll যদি জব ইনক্রিস দেখায় তাহলে বুঝতে হয় দেশের আর্থিক অবস্থা ভালো, কোম্পানিরা ভালো করছে এবং নতুন রিক্রুট হচ্ছে ভালো সেলারিতে এবং সার্ভিসে। আর জব সংক্রান্ত এই সব বিস্তারিত তথ্যর অনুসারি আর্থিক ফ্লো কেমন হতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে Non-firm payroll মুলত যে সব কর্ম ক্ষেত্রকে বাইরে রেখে রিপোর্টটি সাজায় সেগুলো হলঃ General government employees Private household employees Employees of nonprofit organizations that provide assistance to individuals Farm employees এই রিপোর্টটি মাসিক ভিত্তিকে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবারে est 8.30Am প্রকাশ করা হয়ে থাকে যা প্রকাশে ফরেক্স মার্কেটে একটি ধারাবাহিক এবং বড় মুভমেন্ট তৈরি করে। ফলে অনেক এনালিস্ট, ট্রেডার, ফান্ডার, ইনভেস্টর সহ অনেকের দূরদৃষ্টি থাকে রিপোর্টটির উপর। এই নিউজ রিপোর্ট প্রকাশে অনেক প্রফিটেবল ট্রেড করার সুযোগ সৃষ্টি হয় আবার বিপরীতভাবে মুভমেন্টের বিপরীতে পড়ে গেলে বিপদে পড়ার ও সম্ভাবনা থাকে। Non-firm payroll রিপোর্ট ভালো হলে USD ভালো করে অর্থাৎ মার্কেট আপ ট্রেন্ড করে। Non-firm payroll ট্রেডিং স্ট্রেটিজিঃ রিপোর্টটি মোটামুটিভাবে সব গুলো মেজর কারেন্সিকেই হিট করে, তবে এই রিপোর্টে ট্রেডিং এর জন্য অনেকের কাছে EUR, GBP এবং USD হল সেরা কারেন্সি পেয়ার। কারন United states federal reserve রিপোর্টটিকে খুবই গুরুত্তপুর্ন মনে করে তাদের আর্থিক রিপোর্টি প্রকাশের পূর্বে ট্রেডাররা তৈরি থাকে নিজ নিজ স্ট্রেটিজিতে এবং রিপোর্টটি হাতে পাওয়া মাত্রই ট্রেডে নেমে পড়ে এবং চলতে থাকে মুভমেন্টের সাথে সাথে। কিভাবে Non-firm payroll ট্রেডিং করবেনঃ যেহেতু নিউজটি টপ সব নিউজের মধ্যে অন্যতম তাই সরাসরি নিউজ পাবলিশিং এ ট্রেড করা টা ঝুঁকিপূর্ণ । এই ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করে ট্রেড করলে ভালো ফলাফল পেতে পারেন। যেমনঃ ১। NFP পাবলিশ এর প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যে ট্রেডে ঢুকবেন না। এই ১৫ মিনিটের মধ্যে 8:30 to 8:45 AM EST একটি বড় ক্যান্ডেল বার তৈরি হয়। ২। প্রথম ১৫ মিনিটের পরে ২য় যে ক্যান্ডেল্টি তৈরি হয় তা ইনসাইড বার যা পূর্বের ক্যান্ডেল এর সম্পূর্ণ ভেতরে একটা হাই অ্যান্ড লো তৈরি করে। ৩। ইনসাইড ক্যান্ডেল এর হাই এবং লো হচ্ছে মুলত ট্রেডের টিগার বার। এই ক্ষেত্রে প্রাইস যদি ইনসাইড বারের হাই ক্রস করে তাহলে বায় ট্রেড করতে পারেন আর যদি লো ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করতে পারেন। ৪। প্রাথমিক ভাবে ৩০ পিপস এর একটি স্টপ লস সেট করুন অথবা লাস্ট হাই এবং লো অনুসারে স্টপ লস সেট করুন। চিত্রে লক্ষ্য করুন, প্রথম ইনসাইড বারের পরে ট্রেন্ড ফলোয়ার হিসাবে আরো দুটি বার একটি রেঞ্জ তৈরি করেছে, এই ক্ষেত্রে এখুনি অর্ডার না দিয়ে একটু অপেক্ষা করুন ব্রেক আউটের জন্য। ৫। NFP ট্রেডে ঢুকার ৪ ঘন্টার ভেতর ট্রেড থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করুন। বি.দ্রঃ উপরের স্ট্রেটিজিটি ট্রেডিং অভিজ্ঞতার আলোকে একটি স্ট্রেটিজি মাত্র, তাই ব্যাবহার ক্ষেত্রে জেনে বুঝে অভিজ্ঞা নিয়ে লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। এই স্ট্রেটিজিতে ট্রেডের যেকোন রুপ পরিবর্তন দায়ভার শুধুমাত্র ঐ ট্রেডার নিবেন।
  17. 5 likes
    সকল ট্রেডারের জন্য প্রচলিত(Common) এবং জরুরী কিছু নির্দেশাবলী একটি সম্মানজনক ও সঠিক ব্রোকারঃ একটি ব্রোকার এ কার্যকরভাবে ট্রেড করার ক্ষমতা নির্ভর করে সে ব্রোকারের যাবতীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ স্প্রেড/কমিশন ও প্রশস্ত তারল্যের উপর। ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো ব্রোকারই একটি অবস্থান তৈরি করতে পারে।তার মানে এই নয় যে, সে ব্রোকার ভাল। সঠিক সময়ে একটি ট্রেড থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ব্রোকার এর (ঐই পেয়ার এর) ন্যায্য বাজার মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ অন্য ব্রোকার এর সাথে বাজার মুল্যের পিপ্স পরিবর্তন রূপ। ব্রোকার এর সাথে গ্রাহকদের যোগাযোগের নিয়ম/ক্ষমতা, সময়ের ব্যবধান ও কোনো সমস্যা হলে তার দ্রুত সমাধান দেয়ার সুষ্ঠ গুনাবলী থাকা অবশ্যই বাঞ্জনীয়। যে ব্রোকার সঠিকভাবে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সহজ ও আইনীভাবে গ্রাহক তার অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলন করতে পারে।এবং যে ব্রোকার আইনীভাবে বৈধ। যখন লাইভ ট্রেড করবেনঃ সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করা।অধিক পরিমাণ লিভারেজ/লোন (যা ব্রোকার দিয়ে থাকে) ব্যবহার করবেন না, যা আপনার বিনিয়োগকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাবে।নিজের সফল স্টেটেজিতে ট্রেড করা। আর যদি অন্যের স্টেটেজিতে ট্রেড করে থাকেন তাহলে সেটা আগে তিন মাস ডেমোতে পরীক্ষা করে দেখুন যে ফলাফলটা কেমন। কারণ অন্যের স্টেটেজিতে হয়তো এক সপ্তাহ প্রফিট হয়ে পরের দিন বিশাল লস হতেই পারে কারণ এটা আপনার যাচাই করা স্টেটেজি নয়। অধিক সাহসই ফরেক্স মার্কেট এ অনেক ট্রেডারকে নিঃস্ব করে ছাড়ে, মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো সময় বাজার মূল্য যেকোনো দিকে যেতে পারে তাই সর্বদা স্টপ লস ব্যবহার করুন। কখনো আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করবেন না, আর ট্রেড করার সময় আপনার পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখুনঃ একটি ট্রেড শুরু করার আগে একটি ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করুন।যুক্তিসঙ্গত ঝুঁকি ও রিওয়ার্ড প্যারামিটার সেট করুন।আবেগপ্রবণ হয়ে আপনার স্টপ লস কে অগ্রাহ্য করবেন না।বাজারমুল্যের উপর কখনো প্রতিক্রিয়া করবেন না – এর অর্থ হল কখনো এই ভেবে বাই করবেন না যে বাজারমূল্য এখন অনেক নিচে আবার কখনো এটা ভেবেও সেল করবেন যে বাজারমুল্য অনেক উপরে। কারণ আপনার ট্রেড যে ওখান থেকে প্রফিটের দিকে আসবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমান বা নিয়ম নেই। মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেটে যে কোনো দামের ব্যবধান হতেই পারে। ট্রেন্ড লাইন এর সঙ্গে এবং বিপরীতে ট্রেডঃ যখন ট্রেন্ডলাইন এর দিকে ট্রেড করবেন তখন ট্রায়ালিং স্টপ ব্যবহার করুন, তাহলে সরবোচ্চ প্রফিট নিতে পারবেন।আর যখন ট্রেন্ডলাইন এর বিপরীতে ট্রেড করবেন তখন শেষ পিপ বা সরবোচ্চ লাভের আশা না করে কতটুকু কারেকশন করতে পারে তা এনালাইসিস করে যতটুকু প্রফিট নেয়া যায় তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। মনে রখবেন মার্কেট ট্রেন্ড হলো ট্রেড এবং ট্রেডারের বন্ধু, অর্থাৎ ট্রেন্ড যেদিকে আপনার ট্রেড সেদিকে হওয়া উচিৎ। একটি কন্টিনাম (Continuum) হিসেবে ট্রেড এর আচরনঃ একটি সফল ট্রেডের স্টেটেজির উপর Base/ভিত্তি করে ট্রেড করবেন না। কারণ একটি ট্রেডে সফলতা এসেছে বলে প্রত্যেক ট্রেডে সফলতা আসবে এমন কোনো নিয়ম নেই, হ্যাঁ তবে যদি ঐই স্টেটেজিতে যদি ৭০% সফলতা আসে তাহলে ঠিক আছে। প্রত্যেকটি ট্রেড এ আবেগপ্রবণ হাই অথবা লো এড়িয়ে চলুন। অর্থাৎ আপনার ইচ্ছামত হাই লো পয়েন্ট নির্বাচন করবেন না।সমন্বয়ের/ঐক্যের মাধ্যমে একটি উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। ফরেক্স/বৈদেশিক মুদ্রা ট্রেডিং হল মাল্টি কারেন্সিরঃ ক্রস কারেন্সিগুলো দেখুন কারণ তারা হল স্পট/মেজর ট্রেডিং এ প্রভাব পড়ার চাবি। একই ক্রস কারেন্সি বনাম অন্যান্য কারেন্সি। যেমনঃ EUR/JPY (EUR Vs. JPY) অথবা EUR/GBP (EUR Vs. GBP)।স্পট/মেজর ট্রেড করার ক্ষেত্রে ক্রস কারেন্সিগুলো আপনাকে ভালো ডিরেকশান দিবে যদিও আপনি সেগুলোতে ট্রেড না করে থাকেন। যেমনঃ আপনি যদি EUR/JPY (EUR Vs. JPY) পেয়ারটি দেখেন তাহলে এখানে EUR ও JPY এর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া হয়ে যাবে যে এখানে কোন কারেন্সিটি স্ট্রং এবং মেজর পেয়ারে এ দুটির একটি কারেন্সি আছে এমন পেয়ারে ট্রেড করতে গেলে আপনি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নিউজ এ চোখ রাখুনঃ অন্ধের মত শুধুমাত্র টেকনিক্যাল এনালাইসিস এ ট্রেড না করে প্রতিদিন ট্রেড এ বসার আগে কি কি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে সেগুলো দেখে নিন ও সে সময়গুলো মনে রেখে ট্রেড করুন। মনে রাখবেন হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর ট্রেড করা ভাল।নিউজ ট্রেড এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংখ্যার নিউজগুলো কতটুকু এগিয়েছে বা পিছিয়েছে তা দেখুন এবং নিউজ এর ফলাফল বুঝে সতর্কভাবে ট্রেড করুন। মার্কেট তারল্যের বিষয়ে সতর্ক থাকুনঃ সফল ট্রেড এর ক্ষেত্রে মার্কেট তারল্যের প্রতিও নজর রাখা জরুরী। অনেক সময় দেখা যায় যে তারল্যহীন মার্কেটে ট্রেড করে ঐই ট্রেড এর ফলাফলের জন্য কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়।কোনো দেশের সরকারি ছুটির দিন বা অর্ধ-ছুটির দিনে ঐই কারেন্সির তারল্য কম হয়।মার্কেট তারল্যের ব্যপারে যে কোনো কারেন্সির/দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। যেকোনো দেশের ব্যাংক ছুটির দিনে সে দেশের কারেন্সিতে তারল্য কম থাকে তা মনে রাখবেন। পরিশেষে একটি কথা বলবো, ফরেক্স ব্যবসা অশিক্ষিত এবং ধৈর্যহীন ব্যাক্তির জন্য নয়, কারণ এ ব্যবসা জানতে হলে বা করতে হলে আপনাকে প্রচুর স্টাডি, শ্রম, ধৈর্য ও মনোবল ব্যয় করতে হবে। তবেই আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে পারবেন। ভুল হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন আর ভালো লাগলে অনুপ্রেরনা যোগাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  18. 5 likes
    হ্যাঁ , হেডলাইন দেখে বুঝে নিয়েছেন আমি আসলে কি বলতে চাইছি, সুযোগ পেলেই ট্রেড করবেন, কিংবা স্ট্রেটিজির সাথে মিলে গেলেই অর্ডার দিয়ে দিবেন এটা সাধারণ ট্রেডিং চিত্র, এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই বাস্তব। তবে কিছু সময় আসতে পারে এবং আসে যখন স্ট্রেটিজি কিংবা ট্রেডিং সুযোগ পাওয়া সত্তে ও তখন ট্রেডে ঢুকা অনেক অনিরাপদ। এইসব ক্ষেত্রে তাহলে কি করবেন, সোজা কথা তখন মার্কেট থেকে একটু দূরে থাকতে হবে নিজের রিস্ক বাড়াতে না চাইলে কিংবা কনফিউসড ট্রেড করতে না চাইলে, চলুন তাহলে একটু জেনে আসি কোন সময় গুলোতে ট্রেড অনেক রিস্কি হয়ে পড়ে কিংবা ট্রেড করা উচিৎ বলে মনে করছি না............... নিচের চিত্রটি ভালো ভাবে খেয়াল করুন। কি বুঝলেন? হ্যাঁ নিশ্চয় আইডিয়া করতে পারছেন , ক্যালেন্ডার অনুসারে এই ২-৩ দিন সব হাই ইমপ্যাক্ট নিউজে ভরা, মার্কেট খুবই ভোলাটাইল , কোন দিকে কোন নিউজের প্রভাবে বেপরোয়া হয়ে যায় বলাটা কঠিন, পালটাপালটি নিউজ আছে ভিন্ন ভিন্ন কারেন্সির। তাই এখনকার নিউজে লং অথবা আরেকটু পরে শর্ট মুভমেন্ট পড়ে গেলেনতো গ্যাঁড়াকলে। তাহলে বলছি ৪-৫ দিন ট্রেড না করলে কি হবে। এটাতো গেল ফান্ডামেন্টাল, এইবার আসি টেকনিক্যাল এনালাইসিসে, উপরোক্ত নিউজ ইভেন্টের আলোকে টেকনিক্যাল আনালাইসি ট্রেড কতটা কার্যকারী? টেকনিক্যাল এনালাইসিসঃ আগেই বলেছি এই ধরনের অবস্থায়, আসলে কোন ট্রেডই নিরাপদ নয়, মার্কেট কন্ডিশন স্পষ্ট নয়। তাই টেকনিক্যাল এনালাইসি করেও আপনি কতটা সুবিধা করতে পারবেন তার বিবেচনা আপনার কাছে। কারনঃ কোন পরিষ্কার সুয়িং পজিশন নাই অনেক বেশি S & R কনফিউসড লেভেলে ট্রেডিং রেঞ্জ অস্পষ্ট আসলে কেন মার্কেট এমন, স্বভাবতই যখন অনেক গুলো নিউজ থাকে তখন আপনার স্টেটিজি গুলো কিংবা মার্কেট মুভমেন্ট এলোমেলো মনে হতে পারে, প্রকৃতপক্ষে আসলে তা নয়, ধরন একটি USD নিউজ বায় পজেটিভ হল আবার একই টাইমে বা তার খুব কাছাকাছি সময়ে আরো একটি নিউজ আছে GBP সেল পজেটিভ তাহলে কি দাড়াল মার্কেট মুভমেন্ট, অনেকটাই প্যারালাল। খুব সম্প্রীতি মার্কেট পরিবর্তন হবে আপনার স্টেটিজি গুলো এপ্লাই করার আগেই। তাই অনেকবেসি অভিজ্ঞ না হলে এই সব মার্কেট কন্ডিশনে ট্রেডে না ঢুকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম, তাই এই ধরনের মার্কেট সিচুয়েশনে বিষয়গুলো মাথায় রেখে ট্রেড করবেন বা সিদ্ধান্ত নিবেন।
  19. 5 likes
    প্রত্যেক কাজের সফলতার মুল হল একটি ভালো প্ল্যানিং। ফরেক্স মার্কেটে ও ভালো ট্রেডার যারা তাদের সফলতার মুলে রয়েছে একটা প্রপার ট্রেডিং প্ল্যান। আপনি অনেক কিছুই জানেন এবং ভালো ট্রেড করেন কিন্তু আপনার ট্রেডগুলো যদি কোন পরিকল্পনা মাপিক না হয় তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই আপনাকে বেগ পেতে হয়। একটি সঠিক ট্রেডিং প্ল্যান আপনাকে আপনার লক্ষ্য পৌছাতে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্দেশনা প্রদান করে। এবং আপনার ট্রেডগুলো এলোমেলো হয় না। আমাদের অনেক ট্রেডারদের একটি বড় সমস্যা হল ইচ্ছেমত ট্রেড করা, আমরা যখন মার্কেটে প্রবেশ করি তখন অনেকেই ভুলে যায় মিনিমাম এনালাইসিসের কথা, চিন্তা করি না বর্তমান মার্কেট অনুযায়ী এখন কোন স্ট্রেটিজি এপ্লাই করা উচিত এবং পরিশেষে ট্রেডিং লস করি। কিন্তু আপনি যদি প্ল্যান মোতাবেক ট্রেড শুরু করেন তাহলে আপনার ট্রেডিং এ এইসব এলোমেলো ভাব থাকবে না এবং লস ট্রেডিং এর সুযোগ থাকবে না। লক্ষ্য > টার্গেট কারেন্সি > প্রিপারেশন > টাইমফ্রেম > স্ট্রেটিজি > মেজর ইভেন্ট এবং সতর্কতা । লক্ষ্যঃ ট্রেডে প্রবেশ করার আগে আপনাকে ডিসিশন নিতে হবে আপনি দৈনিক কত পিপ এভারেজ প্রফিট করতে চান। যেমন আপনি ঠিক করলেন আপনি দৈনিক ১৫ পিপস প্রফিট করবেন। তাহলে আপনার লক্ষ্য হল আপনি দৈনিক ৫০ পিপস প্রফিট করবেন। টার্গেট কারেন্সিঃ আপনি যখন স্থির করলেন যে আপনি দৈনিক ১৫ পিপস প্রফিট চান, এখন আপনার দ্বিতীয় কাজ হল, আপনি কোন কারেন্সিতে ট্রেড করবেন তা ঠিক করা। কারেন্সি সিলেকশন করার ক্ষেত্রে কো-রিলেটেড কারেন্সি বাদ দিয়ে কারেন্সি সিলেক্ট করুন। যেমনঃ আপনি ঠিক করলেন আপনি আপনার লক্ষ্য পুরনের জন্য তিনটি কারেন্সিতে ট্রেড করবেন। EUR/USD, GBP/CHF, AUD/JPY। মার্কেটঃ কারেন্সি সিলেক্ট করার পর আপনি ঘুরে আসুন কোন কারেন্সি মার্কেটটি আপনার ট্রেডিং উপযোগী । অর্থাৎ আপনাকে আপনার পছন্দ করা কারেন্সি চার্ট ঘুরে আসতে হবে এবং দেখতে হবে ঐ নির্দিষ্ট কারেন্সি মার্কেট সেশন কতক্ষণ একটিভ এবং ঐ সময়ের মধ্যে আপনি ট্রেডে প্রবেশ করে আপনার ট্রেড শেষ করতে পারবেন কিনা। প্রিপারেশনঃ আপনি লক্ষ্য এবং টার্গেট কারেন্সি ঠিক করলেন এখন আপনার কাজ হল ট্রেডিং এ প্রবেশ করার জন্য প্রিপারেশন নেওয়া। ফাইনালি ট্রেডে প্রবেশ করার ইকোনমিক ক্যালেন্ডার দেখুন আপনার পছন্দ করা কারেন্সিতে আজকে কোন নিউজ আছে কিনা যা ঐ কারেন্সিকে ইফেক্ট করতে পারে। এবং সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লেভেল নির্ধারণ করে নিন। টাইমফ্রেমঃ এই স্টেজে আপনি কোন ধরনের ট্রেড করবেন তার উপর ভিত্তি করে টাইম সিলেক্ট করতে হবে। যেমন আপনি যদি শর্ট ট্রেড করেন তাহলে ১৫ মিনিট এবং ১ ঘন্টার চার্ট ট্রেন্ড মোতাবেক মুভ করুন। দৈনিক ১৫ পিপস এর টার্গেটে আপনি প্রতি ট্রেড থেকে ৫ পিপস আশা করে শর্ট ট্রেড করতে পারেন। আবারো বলছি টাইমফ্রেম সিলেকশন হবে আপনার টার্গেট পিপস এর উপরে। স্ট্রেটিজিঃ এইবার ট্রেডে প্রবেশ করার পালা। সব কিছুই মোটামুটি ঠিক করে নিলেন, এইবার একটু এনালাইসিস করতে হবে। মার্কেট ট্রেন্ড ডিরেকশন যদি আপনার কাছে স্পষ্ট না হয় তাহলে অপেক্ষা করুন মার্কেট নতুন একটি ফরমেশন তৈরি করা পর্যন্ত এবং মার্কেট মুভিং এভারেজ সহ সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লেভেল ভালোভাবে দেখে ট্রেডে প্রবেশ করুন। এরপর পূর্বে যা যা শিখলেন যেমন, টেক প্রফিট, স্টপ লস সহ আনুষঙ্গিক সব কিছু করুন। মেজর ইভেন্ট এবং সতর্কতাঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বক্তৃতার সময় ট্রেড করবেন না। যেমনঃ ব্যাংক অব ইংল্যান্ড,ফেডারাল রিসার্ভ, সাক্সো ব্যাংক ব্রোকার রিভিউ রিলিসে ট্রেড করার দরকার নেই। কারন ঐসব সময়ে মার্কেট ভলাটিলিটি খুব বেশি থাকে তাই আপনি যদি ট্রেন্ডের বিপরীতে থাকেন তাহলে বিশাল ক্ষতির সম্ভাবনা আছে। কোনদিন যদি আপনার টার্গেট কারেন্সিতে মার্কেট মুভমেন্ট ভালো না দেখেন জোর করে ট্রেড করতে যাবেন না, ঐ দিনের মত ট্রেড সমাপ্তি ঘোষণা করুন। জোর করে টার্গেট ফিলাপ করতে যাবেন না। ধন্যবাদ, আশা করি নতুন এবং পুরাতন সব ট্রেডারের কাজে লাগবে !
  20. 4 likes
    অনেকদিন ধরেই স্ট্রেটিজিটি নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলাম, কারন আমি নিজে পরিক্ষিত না হয়ে কোন স্ট্রেটিজি সম্পর্কে ভালো রিভিউ দেয় না। তাই আজকে শেয়ার করব ৮৫% কার্যকারী, কোন-কোন ক্ষেত্রে ১০০% কার্যকারী এই স্ট্রেটিজিটি সম্পর্কে। স্ট্রেটিজিটিতে দৈনিক ১-২ টার বেশি সিগনাল পাওয়া যায় না, অনেক সময় দিনে একটাও পাবেন না। তবে ৬-৮ কারেন্সিতে সেট করে নিলে সপ্তাহে কম না হলেও ৮+ টা সিগনাল নিশ্চিত পাবেন। আর ৮ টাও যদি পান নিশ্চিত ৬ টা প্রফিটে যাবে এবং তাতে করে আপনি যে পিপস গেইন করবেন আশা করছি সুপার হ্যাপি থাকবেন। যাহোক বেশি কথা নয়। চলে যায় আলোচনায়। হ্যাঁ স্ট্রেটিজিটি আর অন্য কোনটা নয় তা হল রেঙ্কো চার্ট স্ট্রেটিজি ট্রেডিং সিগনাল। আমি রেঙ্কো মামা বলছি কারন ভাগিনার আবদার তো মামারাই রাখে । হয়ত এর আগেও কোথাও পড়ে থাকতে পারেন কিংবা এখনো প্রয়োগ করেননি রেঙ্কো মামা স্ট্রেটিজি। স্ট্রেটিজিটি সেলার ৫০$ এর বেশি বিক্রি করছে, আপনাদের জন্য ফ্রী আছে। তাই বলছি সারাদিন ট্রেডে ব্যাস্ত হয়ে মাথা খারাপ করে চিন্তা না করে শেষে আন্দাজে অর্ডার দিয়ে লস ট্রেড থেকে বের হয়ে আসুন, স্ট্রেটিজিকেল ট্রেড করুন , বেশি ট্রেড করার দরকার নেই পজিশন পেলে ট্রেডে ঢুকবেন না পেলে ট্রেডে যাবার দরকার নেই, আপানার টাকা আপনার থাকুক, অযথা না বুঝে কিংবা রিস্কে গিয়ে ট্রেড না করে কম ট্রেড করে নিশ্চিত প্রফিট ট্রেড কি ভালো নয় ? স্ট্রেটিজিটি নিয়ে এতো বেসিক আলোচনা করছি কারন অনেক বছর পরীক্ষার পর এই স্ট্রেটিজিটি আক্টি সফল অবস্থানে এসেছে এবং ট্রেডারগন ৮৫-১০০% প্রফিট নিয়ে সক্ষম হচ্ছে। যেভাবে কাজ করেঃ রেঙ্কো চার্ট টাইম নয় মুলত প্রাইস উপর ভিত্তি করে কাজ করে থাকে। মার্কেট ট্রেন্ড, রিভার্সেল, S & R লেভেল এবং আকচুয়াল ভলিয়াম এর উপর ভিত্তি করে এই স্ট্রেটিজিটি মুলত কাজ করে। আমার দেখা মতে মার্কেট ট্রেন্ড সিগনাল এর চেয়ে রিভার্সেল ট্রেডের ক্ষেত্রে এই চার্টটি বেশি সফল। EUR/USD, GBP/USD, AUD/USD, USD/JPY, USD/CHF, USD/CAD, EUR/AUD, EUR/CAD, EUR/CHF, EUR/GBP, EUR/JPY, GBP/JPY, GBP/CHF, NZD/USD, AUD/CAD, AUD/JPY, CHF/JPY, AUD/NZD, NZD/JPY, EUR/NZD, CAD/CHF, CAD/JPY, NZD/CHF উপরের সবগুলো কারেন্সিতে এই স্ট্রেটিজিটি কাজ করে তবে তবে আমি বলব আপনার সবগুলো নেওয়ার দরকার নেই, আপনারা মেজর কারেন্সি সহ GBP/JPY, EUR/CHF, EUR/GBP, NZD/JPY নিয়ে করবেন। স্টেপ # ১ – ইন্ডিকেটর, রোবট, টেমপ্লেট, কালেশন এবং ইনস্টল; মুল ৩ টি ইন্ডিকেটর লাগবে; STF - Currency Strength Meter Indicator Channel Indicator Trend Confirmation Indicator এবং ১ টি এলার্ট ইন্ডিকেটর ১টি রেঙ্কো চার্ট - অটো অ্যাডভাইজর লাগবে; আর কিছু টেমপ্লেট দেওয়া আছে চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন অথবা নিজেও ইন্ডিকেটর ইমপোর্ট করে শুরু করতে পারেন। তবে সাজেশন করব টেমপ্লেট ব্যাবহার করুন এতে করে কিছু মিসিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পোস্টের সাথে সংযুক্ত ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন, তারপর ইন্ডিকেটর, EA, সহ স-স্ব ফাইল গুলো নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেইস্ট করে দিন। অর্থাৎ আমি ধরে নিচ্ছে আপনারা মেটা ট্রেডারে ইনডিকেটর ইনস্টল করতে পারেন। একদম নতুন যারা ইনডিকেটর ইনস্টল করতে পারেন না তারা (কিভাবে MT4 ইনডিকেটর ইন্সটাল করবেন) এই পোস্টটি দেখে নিতে পারেন। স্টেপ # ২ যে পেয়ারে রেঙ্কো সেট করবেন সেই চার্ট ফোকাস টুলবার থেকে টাইম মিনিট ১ করে, সম্পূর্ণ জুম আউট করে কীবোর্ডের HOME বাটন চেপে ধরে রাখার মাধ্যমে চার্ট হিস্ট্রি ডাটা লোড করে নিন। এইবার Renko Chart – EA ইনসার্ট করুন। তারপর ফাইল মেনু থেকে Open Offline – অপশনে যান এবং ঐ উইন্ডোতে History Data List থেকে আপনার চার্টটির মিনিট ২ অফলাইন চার্টটি সিলেক্ট করে Open করে নিন। তারপর যেকোন রেঙ্কো চার্ট টেমপ্লেট সিলেক্ট করে সেট করে দিন, আমি RenkoStreetV2 সিলেক্ট করেছি। স্টেপ # ১ এবং ২ সফল হলে নিচের চিত্রের মত ২ মিনিটের একটি অফ লাইন চার্ট তৈরি হবে; মুলত একটি অফলাইন চার্ট তৈরির মাধ্যমে এই চার্টটি ছোট ছোট ফলস ব্রেকাআউট, ট্রেন্ড চেঞ্জ, রিভার্সেলকে গুরুত্ত না দিয়ে রিয়েল মার্কেট চেঞ্জকে বুঝে নিয়ে ট্রেড করাতে সাহায্য করে, উক্ত অফলাইন চার্টটি ব্যাবহার হবে শুধুমাত্র ট্রেড সিগনাল নিতে, আপনি অর্ডার করবেন আপনার লাইভ চার্টে। প্রতিটি পজিশন তৈরিতে আপনাকে অটোমেটিক ভাবে এলার্ট দেওয়া হবে কারেন্সির নাম এবং অর্ডার অনুসারে। তাই উক্ত পদ্ধতিতে আপনার মার্কেট এনালাইসিস করার দরকার নাই যা করার স্ট্রেটিজির ভিবিন্ন ইন্ডিকেটর করে দিবে আপনি শুধু সিগনাল পেয়ে নিজে অর্ডারটা মেইক করে দিবেন। চলুন এইবার দেখে নিন কিভাবে বায় এবং সেল সিগনাল পাবেন। বায় সিগনালঃ ট্রেন্ড ব্রেকআউট, রিভার্সেলের সময়ে এই সিগনালটা পাওয়া যায়, সেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে ইন্ডিকেটর গুলো ফলোয়াপে রাখতে হবে যেমন ১# Currency Strength Meter Indicator – ভেলু যখন + ৫০ থাকবে , ২# চ্যানেল ইনডিকেটর লাইম কালার ৩# ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর ন্যূনত্বম ৩ টি লাইম বার তৈরি হবে। তখন বায় সিগনাল এলার্ট এর জন্য অপেক্ষা করবেন। উপরের ছবিতে লক্ষ্য করুন, তিনটি ইন্ডিকেটরের সমন্বয়ে পাওয়া সিগনাল এর ভিত্তিতে বায় পজিশন ওপেন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আপনি চ্যানেল লাইনের টপ পর্যন্ত প্রফিট নিতে পারবেন। তাই পারফেক্ট ট্রেডের জন্য টপ চ্যানেল লাইনের ১৫-২০ পিপস আগে টেইক প্রফিট সেট করুন এবং চ্যানেল বটম লাইনের ১৫-২০ পিপস নিচে স্টপ লস সেট করে দিন। সেল সিগনালঃ ঠিক লং ট্রেডের বিপরীত নিয়মে সেল টেইক প্রফিট এবং স্টপ লস সেট করে সেল এলার্ট ট্রেড করতে পারবেন। নিচের চিত্রটি দেখুন আশা করছি নিজেরাই সেট করে নিতে পারবেন। তাও যদি সমসসা হয় কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ট্রেইলিং স্টপঃ যখন ব্রেইকাউট পজিশনে ট্রেড এলার্ট পাবেন তখন টেইক প্রফিট হিট করলে ও ট্রেন্ড কন্টিনিউশনে আরো ব্যাপক ট্রেডের বা প্রফিটের সুযোগ থাকে সেই ক্ষেত্রে ট্রেইলিং স্টপের মাধ্যমে নিজের প্রফিটকে বাড়াতে পারেন। এই পদ্ধতিটি একটু সময় সাপেক্ষ কিন্তু যদি ভলাটাইল মার্কেট হয় তাহলে ট্রেডের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে আর আলটিমেটলি লাভের পরিমান ও, তাই যারা লং এবং ভালো ট্রেড করতে চান তারা স্ট্রেটিজিটি ফলো করতে পারেন। রেঙ্কো মামা স্ট্রেটিজিতে বিশেষ নোটঃ # কোন পজিশন ওপেন করলে ক্লোজ হওয়ার পুর্বেই যদি নিউজ এসে পড়ে তাহলে নিউজের আগেই একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন, সেই ক্ষেত্রে নির্ধারিত টেইক প্রফিট বা স্টপ লসের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। কারন নিউজ আওয়ারে মার্কেট সেন্টিমেন্টলি চেঞ্জ হয় তখন অনেক ক্ষেত্রে স্ট্রেটিজি কাজ করে না। তাই ব্যাপারটি খেয়াল রাখবেন। Step # 2 - বুঝতে সমস্যা হলে এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেনঃ স্ট্রেটিজিটি সম্পর্কে আরো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিডিফরেক্সপ্রো’র সাথে থাকুন, প্রফিট ট্রেড করুন। Renko-mama-by-bdforexpro.com.zip
  21. 4 likes
    বন্ধুরা, আপনারা অনেকেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে জানেন আর অনেকে হয়তো জানেন না। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে অনেকেই ট্রেড করেন আর অনেকে হয়তো ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত না। মূলত ফিবনাচ্চি (Fibonacci) হলো লং টাইম ট্রেড করার জন্য, বিশেষ করে যারা সাপ্তাহিক বা মাসিক ট্রেড করে থাকে তারাই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ব্যবহার করে থাকেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে পৃথিবীর অনেক ট্রেডারই তাদের সাকসেস ট্রেড পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছে এটা অস্বীকার করা অসম্ভব তেমনিই অনেক ট্রেডার আবার ফিবনাচ্চিকে(Fibonacci) তাদের ট্রেডের মূল উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুতারাং আজকে আমি আপনাদের সাথে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে কিভাবে ট্রেড করবেন তাই শেয়ার করবো। তাহলে আসুন জেনে নেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং পদ্ধতি। যে ভাবে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় ইন্ডিকেটর সেটাপ করবেনঃ টাইম ফ্রেম – ৪ঘন্টা। পেয়ার – যে কোনো। ইন্ডিকেটর সেটাপঃ মনে রাখবেন ফিবনাচ্চি-ই(Fibonacci) আমাদের প্রধান উপকরণ। বাকী ইন্ডিকেটরগুলো শুধুমাত্র আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। EMA100 – Green (আপট্রেন্ড এর জন্য)। SMA150 – Red (ডাউনট্রেন্ড এর জন্য)। RSI (14) – ডে চার্ট এ। আমারা ফিবনাচ্চি’র (Fibonacci) যে Retracement Levels গুলো ব্যবহার করবো সেগুলো হলো – ২৩.৬, ৩৮.২, ৬১.৮, ও ৭৫ এ। স্টপ লস যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে আমারা প্রায় ১০০পিপস স্টপ লস দিব। অথবা বাই এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল ০.২৩ এর নিচে আর সেল এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল .৭৫ এ দিতে পারেন। টেক প্রফিট যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে টেক প্রফিট না দিয়ে দেখে শুনে ট্রেড ক্লোজ করলে ভালো হয়। তবে উক্ত কারেন্সির মার্কেট ট্রেন্ড দেখে ১৫০-২০০ পিপস দিতে পারেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার নিয়ম – বর্তমান মার্কেট এর কাছাকাছি (Price Wave) তরঙ্গ থেকে ৫০ পিপস উপরে ও ৫০পিপস নিচের (সর্বমোট ১০০পিপস) হাই/লো রেট বাছাই করুন। এবং ঐ ১০০ পিপস রেট এর মধ্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) লেভেল যখন .৩৮ ও .৬১ এর মধ্যে মার্কেট (Price Wave) তরঙ্গের সৃষ্টি হয় তখন আমরা সেটাকে Must Channel Area বলি। ট্রেড এ এন্ট্রি করার নিয়ম – ট্রেড এ এন্ট্রি করার জন্য সবসময় নিচের ইন্ডিকেটর গুলোর নিয়ম অনুস্মরণ করুন। EMA এবং SMA যে নির্দেশনা দিবে সেটা অনুস্মরণ করুন। যেমনঃ EMA এবং SMA এর দুটি লাইনের মধ্যে যখন দেখবেন সবুজ( EMA) লাইনটি উপরে তখন বুঝে নিবেন যে মার্কেট আপট্রেন্ড আর লাল ( SMA) লাইনটি উপরে থাকলে ডাউনট্রেন্ড। RSI নির্দেশনা – RSI লেভেল ৫০ এর নিচে হলে সেল ট্রেড করুন আর RSI লেভেল ৫০ এর উপরে হলে বাই ট্রেড করুন। আমরা একটি তরঙ্গে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর মার্কেট রেট ১০০পিপস উপরে/নিচে গিয়ে যখন আরেকটি মার্কেট তরঙ্গের সৃষ্টি হবে (যেটাকে Must Channel Area বলে) শুধুমাত্র সে তরঙ্গেই এ পদ্ধতিতে ট্রেড ওপেন করবেন। যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .২৩ লেভেল এর নিচে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা সেল ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার বাই ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। আর যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .৭৫ লেভেল এর উপরে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা বাই ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার সেল ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। নিচে চিত্রের সাহায্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেড দেখানো হলঃ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার বিধি-নিষেধঃ মার্কেট ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিন।স্টপ লস ব্যবহার করুন।মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং ডে তে এ পদ্ধতিতে ট্রেড থেকে বিরত থাকুন।অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করবেন যেহেতূ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করতে হলে স্টপলস এর পরিমান বেশী ব্যবহার করতে হয়। এজন্য আমি বলবো ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করুন। জরুরীঃ ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর যখন একবার ১০০পিপস এর বেশী একটা তরঙ্গ হয়ে যাবে তখন আবার নতুন করে পরবর্তী তরঙ্গে নতুন ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ধন্যবাদ।
  22. 4 likes
    কিঃ যে পদ্ধতিতে আপনার ট্রেডটি সয়ংক্রিয় ভাবে অর্থাৎ নিজে নিজে ওপেন হবে এবং ক্লোজ হবে এবং সব কিছু নিজে নিজেই পরিচালিত হবে ট্রেডিং ব্যাল্যান্স অনুসারে , যেখানে আপনাকে কিছুই করতে হবে না তাই হল অটো ট্রেডিং। এই পদ্ধতিটি হল প্রোগ্রামার এর কোড ভিত্তিক একটি সাজানো পদ্ধতি(রোবট) যেখানে বলে দেওয়া থাকে মার্কেট মুভমেন্ট কি রকম হলে পদ্ধতিটি কিভাবে কাজ করবে, কত পিপ প্রফিট করবে , কত পিপ লস করবে এবং কত ডলার ব্যাল্যান্স থাকলে কত ভলিয়মে ট্রেড ওপেন হবে, সর্বোচ্চ কত ডলার পর্যন্ত রিস্ক নিবে ইত্যাদি ইত্যাদি ট্রেডিং করতে যা যা লাগে সবকিছু। রোবট এর সুবিধাঃ নিজে নিজেই ২৪ ঘণ্টা ট্রেড করবে।এটি একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে কাজ করে থাকে ফলে কখনো রুলস ব্রেক হয় না।অসংখ্য সেটিং থাকে যেগুলো নিজের মত সেটিং এর মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়।ডাটা এনালাইসিস খুব সল্প সময়ে ইফেক্টিভ্লি করে থাকে।বেসিক নলেজ দিয়ে যে কোন নতুন ট্রেডার এই পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারেন।নির্দিষ্ট একটি কারেন্সি নিয়ে কাজ করে ফলে ট্রেডিং লস খুব কম হয়ে থাকে।রোবট এর অসুবিধাঃ ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে এমন পিসিতে সেট করতে হবে। তাই আলাদা ভাবে VPS সার্ভিস এর মাধ্যমে করতে হয়।সব ব্রোকারে সাপোর্ট পাওয়া যায় না, ফলে আপনার টার্গেট ইনকাম নাও হতে পারে।একটি রোবট সাধারণত একটির বেশি কারেন্সিতে কাজ করতে পারে না। তাই একাধিক কারেন্সি তে রোবট সেট করতে হলে প্রতি কারেন্সির জন্য রোবট ক্রয় করতে হবে।রোবট ট্রেডিং এর ভেতর আপনার ট্রেড করার সুজোগ নেই এতে করে রোবট ফর্মুলা ভুল করে ট্রেড লস করবে।বেশীরভাগ রোবট মার্কেট হাই ভোলাটিলিটিতে ট্রেড করতে পারে না।অনেক নতুন ট্রেডার নিজে না শিখে সরাসরি রোবট এর আশ্রয় নেয় ফলে প্রকৃত পক্ষে ফরেক্স শিখতে পারে না।কি কি প্রয়োজন হয়? যেহেতু এটি একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং পদ্ধতি তাই আপনাকে ট্রেডের সামনে বসে না থাকলেও চলবে তবে এই পদ্ধতিতে ট্রেড করার জন্য কিছু বিষয় লাগে । ১। VPS- Virtual Private Server ২। EA – Expert Advisor আপনার পিসি যদি ২৪ ঘন্টা অন রাখতে না পারেন তাহলে আপনাকে ২৪ ঘন্টা অন থাকে এমন পিসিতে কিছু স্পেস নিতে হবে যা VPS নামে পরিচিত অর্থাৎ কিছু কোম্পানি আছে যারা তাদের কম্পিটার আপনার জন্য ২৪ ঘন্টা চালু রাখবে সে জন্য আপনাকে প্রতি মাসে $১০-$৫০ পরিশোধ করতে হবে। তবে কিছু কিছু ব্রোকার তাদের প্লাটফর্মের ট্রেডারদের ফ্রি এই সুবিধা দিয়ে থাকে সামান্য কিছু শর্তের মাধ্যমে। দ্বিতীয় , আপনার রোবট সফটওয়্যার থাকতে হবে, এই ক্ষেত্রে এটি আপনাকে ক্রয় করে নিতে হবে, যেহেতু এটি স্পেশাল একটি সফটওয়্যার সিস্টেম তাই এটি ফ্রী নয়। ভিন্ন ভিন্ন ফরেক্স রোবট প্রভাইডাররা তাদের রোবট এর কাজের প্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন দাম নিয়ে থাকে। আপনি $৮০-$২৫০ এর মধ্যে রোবট ক্রয় করতে পারবেন। তবে অনেক রোবট আছে যেগুলো আরো অনেক দামি $১০০০ পর্যন্ত হতে পারে। রোবট ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়ঃ আপনি যে অটো ট্রেডিং সিস্টেম (রোবট) ক্রয় করতে চাইছেন তা কতটুকু স্টং, প্রফিটেবল কিংবা কতটুকু রিলায়েবল কিংবা এই অটো সিস্টেম এর কার্যকারিতা আসলে কতটুকু তা বোঝার জন্য আপনাকে কিছু বিসয় দেখে নিতে হবে যা আপনি ওই নির্দিষ্ট রোবটের বিস্তারিত অংশে পেয়ে যাবেন। নিচের পয়েন্টগুলোর আলোকে আপনি একটি ভালো রোবট ক্রয়ের করতে পারেন। Back-testHistoryProfit FactorDrawdownRisk Reword RatioMonth Returnকিভাবে EA ইন্সটল করতে হয়? সাধারণত EA এর জন্য ১-২ টি ফাইল থাকে। মুল EA ফাইলটি আপনার কম্পিটারের Meta Trader এর রুট ফোল্ডার থেকে Experts ফোল্ডারের ভেতরে কপি করে দিতে হবে এবং যদি আরো ফাইল থাকে তাহলে নির্দেশনা অনুযায়ী যে ফোল্ডারে দিতে বলা হবে সেই ফোল্ডারে কপি করে দিবেন। এবং Meta Trader এর Expert Advisors অপশন Enable করে দিতে হবে। এবং ভিবিন্ন ধরনের EA প্যারামিটার সেটিং এর মাধ্যমে আপনি নিজের মত করে রোবট সেট করে দিতে পারবেন। ইতিকথাঃ ফরেক্স রোবট আপনার অনুপস্থিতে ২৪ ঘন্টায় ট্রেড চালিয়ে যাবে সত্যি তবে আবারো বলছি যেহেতু এটি একটি প্রোগ্রামেবল পদ্ধতি তাই মার্কেট কত ভালো বুঝে কত ভালো ভাবে সিস্টেমটি সাজানো হয়েছে তা যদি যাচাই না করে রোবট সেট করে প্রফিট এর আশা করে তাহলে আপনার সেই স্বপ্ন সত্যি নাও হতে পারে। তাই যেকোন রোবট ব্যাবহার এর পূর্বে উপরোক্ত বিষয়গুলোর সাথে সাথে উক্ত রোবট কে অন্তত পক্ষে ৩ মাস ডেমো আকাউন্টে সেট করে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হউন তারপর ফাইনালি লাইভ ট্রেডে সেট করবেন। নচেত আপনার আশা নিরাশায় পরিণত হতে খুব বেশি সময় নিবে না। প্যারামিটারের তথা আপনার রোবট এর সব গুলো সেটিং বুঝে শুনে তারপর শুরু করেন।
  23. 4 likes
    Payza হল মানি ডিপোজিট এবং ইউথড্র এর জন্য একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন পেইমেন্ট প্লাটফর্ম । যা ব্যাবহার করে আপনি আপনার অনলাইন কেনা-বেচা থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক এবং ব্যাক্তিগত সকল লেনদেন করতে পারেন বেশ সহজে নিশ্চিন্তে। বর্তমানে সারা পৃথিবীজুড়ে ১৯৭ টি দেশে ২১ টি ভিন্ন ভিন্ন কারেন্সিতে প্রায় এক কোটি গ্রাহক সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই প্লাটফর্মটি। ইউ.কে ভিত্তিক এই পেইমেন্ট মিডিয়াটি ব্যবসায়িক লেনদেন এর জন্য মার্চেন্ট একাউন্ট এবং ব্যাক্তিগত লেনদেনের সকল সুবিধা প্রধান করে ব্যাপক জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত যেসব দেশে ভিবিন্ন মিডিয়ায় টাকা নিজেদের লোকাল ব্যাংকে ক্যাশ করাটা একটা দুর্লভ কাজ ছিল সেইখানে পেইজা সহজে আপনার অনলাইনে রোজগারের টাকাটা আপনার হতে আপনার কারেন্সিতে পৌছে দিচ্ছে খুব কম সময় ২৪ ঘণ্টার ভেতর। তাই অন্য সব পেইমেন্ট প্রসেসর থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে নিরাপদে এবং তুলনামূলক ঝামেলাহীন ভাবে টাকা ইউথড্র করার জন্য এই মেথডটি ব্যাবহার হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। পেইজার মাধ্যমে আপনি আপনার যেকোন ব্যাংকে টাকা ক্যাশ করতে পারবেন। এক নজরে দেখে নেই পেইজা দিয়ে আপনি কি কি করতে পারবেনঃ জনপ্রিয় সব পেইমেন্ট মিডিয়া থেকে ফান্ড অ্যাড এবং ইউথড্র করতে পারবেন। আপনার ব্যবসায়িক পেইমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন। আপনার স্টাফ সেলারি, কমিশন , পেইমেন্ট ইত্যাদি পেই করতে পারবেন। ইনভয়েস এর মাধ্যমে আপনার পেইমেন্ট রিকোয়েস্ট করতে পারবেন। ট্রান্সেকশন ক্রুটি হলে সরাসরি অথোরেটি সাপোর্ট পাবেন। জনপ্রিয় সব ই-কমার্স শপিং কার্ট যেমন PrestaShop, OpenCart, osCommerce, VirtueMart থেকে পেইমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন। আপনার লোকাল ব্যাংক থেকে টাকা ক্যাশ করতে পারবেন। ২১ টি ভিন্ন ভিন্ন কারেন্সির যেকোন মাধ্যমে বিল পেই, শপিং , কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। পেইজা প্রি-পেইড কার্ড দিয়ে বিশ্বের যেকোন বুথ থেকে সেই দেশের লোকাল কারেন্সিতে ক্যাশ করতে পারবেন। কম খরচে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন। মাস্টার কার্ড সম্পৃক্ত করে লেনদেন করতে পারবেন। সব সুবিধাতো জেনে গেলেন এইবার চুলন একটি পেইজা একাউন্ট ওপেন করি তারপর কিভাবে একাউন্ট ভেরিফাইড করে লোকাল ব্যাংক থেকে টাকা উঠাবেন তা দেখবো। উপরের ব্যানারে ক্লিক করে অথবা Sign up Payza for Payza Account ক্লিক করার মাধ্যমে পেইজা সাইটে প্রবেশ করে উপরে ডানপাশ থেকে Signup এ ক্লিক করুণ। Select your country থেকে Bangladesh সিলেক্ট করে দিন। তারপর তিনটি একাউন্ট টাইপ অপশন থেকে আপনার দরকার মত Business বা Personal বা Starter Select করুণ। তাপর তিন স্টেপে ফর্মের ভিবিন্ন রকম তথ্য অর্থাৎ Step 1 এ Personal Information, Step 2 এ Account Information দিয়ে Step 3 এ Validate Account করুণ। আপনার দেওয়া ইমেইল এড্রেসে payza হতে প্রাপ্ত একটি ইমেইল লিংক ক্লিকের মাধ্যমে Registration সম্পূর্ণ করুন, যা আপনি ভিবিন্ন সাইটে রেজিস্ট্রেশনের সময় যথারীতি করে থাকেন। আপনার Payza একাউন্ট তৈরি সম্পূর্ণ । এইবার দেখবো কিভাবে একাউন্ট Verified করতে হয়। প্রথমে আপনার তৈরিকৃত Payza একাউন্টে আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Log in করুণ। লগ ইন করার পর নিচের মত উইন্ডো আসবে...... উপরে ডানপাশে দেখুন আপনার একাউন্ট টাইপ Unverified. অর্থাৎ আপনার একাউন্টটি সফলভাবে তৈরি হয়েছে যা এখনো ভেরিফাইড হয় নি। তাই আমরা এখন একাউন্ট ভেরিফাইড করবো। একাউন্ট ভেরিফাইড করতে ঐ Unverified লিংকটিতে ক্লিক করুণ। অথবা My Profile থেকে Account verification এ ক্লিক করুণ। নিচের চিত্রমতে একাউন্ট ভেলেডেশনের জন্য আপনি দুটি অপশন পাবেন। Option A- Document Validation: এই অপশনে ভেলিডেশন করতে আপনাকে মোট দুটি ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। ১। আপনার National ID Card বা Passport বা Driving License ২। Bank Statement – আপনার যে ব্যাংক একাউন্টে টাকা ক্যাশ করতে চান। Option B – Photo ID Validation : এই অপশনেও ভেলিডেশন করতে আপনাকে মোট দুটি ডকুমেন্ট অর্থাৎ আপনার National ID Card বা Passport বা Driving License এই তিনটি ডকুমেন্টের যেকোন দুটি আপলোড করতে হবে। আপনার কাছে যদি শুধু National ID ছাড়া Passport বা Driving License না থাকে তাহলে Option A- Document Validation নির্বাচন করুণ এইখানে আপনার Bank Statement এবং National ID Card এর কপি হলে ভেরিফাইড করে নিতে পারেন। আমরা Option A- Document Validation তে Payza একাউন্ট ভেরিফাইড করব। তাই Option A- Document Validation ক্লিক করুণ... নিচের ছবির মত আসবে। উপরের ছবিতে রেড হাইলেটেড অপশনগুলো চেক দিয়ে প্রথম আপলোড বক্সে আপনার National ID এবং দ্বিতীয় আপলোড বক্সে আপনার Bank Statement ব্রাউস করে সিলেক্ট করে দিন। মনে রাখবেন আপনার ডকুমেন্ট গুলোর সাইজ 3 MB বেশী হতে পারবে না এবং ফরমেট হবে .jpeg Image ফাইল। তারপর নিজের সবুজ Next বাটনে ক্লিক করুন। আপলোড আর জন্য কয়েক মুহূর্ত সময় অপেক্ষা করুন, আপলোড হয়ে গেলে আপনি যে দুটি ডকুমেন্ট দিয়েছেন সেগুলো আপনাকে প্রিভিউ করে দেখাবে। নিশ্চিত হয়ে Send বাটনে ক্লিক করুন... নিচের ছবির মত একটি পেইজ আসবে... ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করনঃ ডকুমেন্টগুলো আপলোড এর পরে আপনার কাজ হচ্ছে আপনার ব্যাংক একাউন্টটা আপনার Payza একাউন্টের সাথে যুক্ত করে নেওয়া, যদি ও তা ডকুমেন্ট আপলোড এর আগে করলে ও চলে, যা হোক ব্যাংক সংযুক্ত করতে My Payza Account- Main Menu তে নিচের চিত্র মতে ক্লিক করুন... এইখানে নিচের চিত্রমতে, Country বাংলাদেশ সিলেক্ট করে Bank Transfer (for withdrawal only) সিলেক্ট করে আপনার ব্যাংক, Account Type, Account Number, Bank Name, Branch সহ বিস্তারিত ব্যাংক তত্থ্য দিয়ে Next ক্লিক করুন , আপনার দেওয়া তথ্য গুলো প্রিভিউ দেখাবে আরেক বার নিশ্চিত হওয়ার জন্য, তারপর I Accept, Add Bank Account বাটনে ক্লিক করুন । You have successfully added your bank account - সাকসেস মেসেজ আসবে। এবং আপনার ইমেইলে একটি সাকসেস মেসেজ যাবে যে আপনি কোন ব্যাংক আকাউন্টটি পেইজার সাথে সংযুক্ত করেছেন তার নাম্বার সহ। আপনার ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্তি ও সম্পূর্ণ। এবং আপনার ডকুমেন্ট গুলো ভেরিফাইং প্রসেস বাবদ ৪-৫ কর্ম দিবস আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। তারপর আপনাকে একটি মেইল পাঠানো হবে যে আপনার একাউন্টটি ভেরিফাইড হয়েছে। এবং আপনার একাউন্ট ভেরিফাইড দেখাবে। নিচের চিত্রের মত... এবং আপনি এইবার সব ধরণের লেনদেনের জন্য বৈধ।
  24. 4 likes
    PAMM - হল Personal Allocation Management Module বা Personal Allocation Money Management. এটা হল এমন একটি পদ্ধতি যে পদ্ধতিতে ব্রোকার আপনার হয়ে ট্রেড করবে অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আপনি থাকবেন ইনভেস্টর আপনার ফান্ডটা আরেকজন ম্যানেজ করবে এবং আপনার সাথে একটি চুক্তি হবে যেখানে বলা থাকবে কি হারে আপনাকে প্রফিট দিবে। এবং লস হলে তা কেমন হবে ইত্যাদি বিস্তারিত। সোজা কথা এটা একটা ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান, যারা ট্রেড করতে পারে না কিংবা নিজেরা ট্রেড করে প্রফিট নিতে উদাসীন তাদের জন্য এই পদ্ধতি, এই ক্ষেত্রে ব্রোকার কর্তক নির্দিষ্ট কিছু এক্সপার্ট ট্রেডার থাকে মুলত যারা আপনার ফান্ডটা ম্যানেজ এর দায়িত্ত নেন। এই পদ্ধতিতে মুলত ক্ষতির সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে না, কারন যারা ফান্ডটা ম্যানেজ করবে বা আপনার ফান্ড এর দায়িত্ত নিবেন তারা নিঃসন্দেহে এক্সপার্ট এবং বড় ট্রেডার। সাধারনভাবে আপনি যখন PAMM এর জন্য ইনভেস্ট করবেন তখন আর আপনার নিজের ট্রেড করার সুযোগ থাকে না। এই সব চার্জ আর বাইরে অন্য কোন চার্জ থাকার কথা না, তবে যে ব্রোকার এর সাথে PAMM একাউন্ট শুরু করবেন সেই ব্রোকার যদি কোন কন্ডিশন রাখে তা আলাদা বিষয়। ধন্যবাদ;
  25. 4 likes
    আমরা সবাই ফরেক্স মার্কেটে আসি প্রফিট করবার অদম্য ইচ্ছা থেকে। কিন্তু গুটি কতক ট্রেডার ছাড়া বাকী সবাই যেন ঝুরঝুর করেই ঝরে যায়। তারা টিকে থাকতেই পারেনা। অনেকে আবার এবার ভালো হবে, এবার ভালো হবে করতে করতে নিজের ভিটেমাটিও বিলীন করে দেব্র উপক্রম করে ফেলে। কিন্তু ভালো আর তারা দেখতেই পারে না। ট্রেড কোথায় ওপেন করব, কিভাবে ওপেন করব, আচ্ছা ট্রেড ওপেন করলাম ঠিক আছে, এখন স্টপ লস আর টেক প্রফিট কোথায় দিব। এসব নিয়ে যখন আপনার মাথার অবস্থা ঝালাপালা, ঠিক তখনই আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম এমন এক ইন্ডিকেটর, যা আপনার এট্রি পয়েন্ট থেকে শুরু করে টেক প্রফিট, স্টপ লস সব দেখিয়ে দেবে প্রাইস সহ একদম উপরের চিত্রটির মত! এবার যেন সত্যি কারেই ঘুচতে চলেছে ট্রেডারদের এমন সকল আক্ষেপ। এটি আমি একটি রাশান ওয়েব সাইট (http://forex-men.ru/strategiya-foreks-rubikon.html) থেকে পেয়েছি। যদিও তারা ৫০ডলারের বিনিময়ে এটি বিক্রি করছে। আমি তা আপনার জন্যই এখানে দিলাম একদম বিনামুল্য্যে। যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসি। যে যে পেয়ারে ভালো কাজ করেঃ এটি সকল পেয়ারে ভালো কাজ করলেও সাধারনত EURUSD, EURJPY, GBPJPY, ও GBPUSD তে বেশ ভালো কাজ করে। কোন টাইম ফ্রেমে ভালো কাজ করেঃ এটি 5min থেকে d1, সকল টাইম ফ্রেমে ভালো কাজ করে। তবে আধিক্যের দিক থেকে এটি H1 ও H4 এ বেশ ভালো কাজ করে বলে পরীক্ষা করে দেখেছি। সারাদিনে ৪-৫ টি সিগনাল আপনি পাবেন । অনায়াসে এসব সিগনাল ফলো করুন। এটি ট্রেন্ড লাইনের উপর ভিত্তি করে এন্ট্রি সিগনাল দেয়। ট্রেন্ড লাইনের বাইরে আমি যেতে দেখিনি কখনও। সতর্কতাঃ কোন ইন্ডিকেটরই ১০০% প্রফিট দিতে পারেনা। নিজে নিজে ট্রেড করতে পারাই সর্বোত্তোম। তারপরও এটি নতুন পুরোতন সকল ট্রেডার ভাই বোনদের উপকারে আসবে বলে আমি মনে করি। তবে ট্রেড করবার সময় আপনি অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট ফলো করবেন। তার আগে মার্কেট বুঝতে কিছুদিন ডেমোতে প্র্যাকটিস করে নিন। আপনার সাফল্য কামনায়। বিঃদ্রঃ এর বাইরেও ফরেক্স ট্রেডিং কোর্স, আমার এনালাইসিস, স্ট্র্যাটেজী , সিগনাল, এসব পেতে আমায় মেসেজ করুন। ফেসবুকে আমিঃ https://www.facebook.com/otonu.shagor আমার ফেসবুক এনালাইসিসের পেজঃ https://www.facebook.com/bestforexxm স্কাইপীতে আমিঃ otonu.shagor এবার এখান থেকে ইন্ডিকেটরটি ডাউনলোড করে শুরু করুন আপনার কাঙ্খিত ট্রেডিংঃ- Rubicon Indicator by Otonu Shagor.zip
  26. 4 likes
    হলি গ্রেইল স্ট্র্যাটেজী কি? এটি এমন এক স্ট্র্যাটেজী, যেখানে আপনি নিশ্চিন্তে বেশ ভালো ভালো প্রফিটেবল এন্ট্রি নিতে পারবেন। ফরেক্স মার্কেটে আমরা শুধু লসই করি ভালো ভালো এন্ট্রি না দেবার কারনে। হলি গ্রেইল আপনাকে এমন সকল এন্ট্রি পেতে সাহায্য করবে। বর্তমানে ফরেক্স বিশ্বে এটি একটি অন্যতম স্ট্র্যাটেজী হয়ে দাড়িয়েছে। এই স্ট্র্যাটেজীর প্রতিষ্ঠাতা এমন নিশ্চয়তাও দিয়েছেন যে, আপনি চাইলে আপনার বাসার পোষা কুকুরও যদি এই পদ্ধতিতে ট্রেড করে তবে সেও প্রফিট পেতে থাকবে। সুতরাং এটির গুরুত্ব আপনি ঠিকই বুঝতে পারছেন আশা করছি। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই স্ট্র্যাটেজীর আদ্যপান্ত। যেভাবে কাজ করে এই স্ট্র্যাটেজীঃ টাইমফ্রেমঃ আমার মতে মিনিমাম ১৫ মিনিটের টাইমফ্রেম ব্যবহার করা উচিত। তবে এর বেশি টাইমফ্রেম ব্যবহার করা ভালো। কোন কোন পেয়ারঃ আমি সাধারনত EUR/USD, USD/CHF, GBP/USD এবং USDJPY পেয়ারে খুব ভালো রেজাল্ট লক্ষ্য করেছি। অন্যান্য পেয়ারেও কাজ হতে পারে তবে তা কেমন প্রফিট আনতে পারে এটা আমার জানা নেই। আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। সিস্টেমঃ যখন সবুজ রঙের বাই চিহ্ন আসবে তখন বাই দিবেন। আর লাল রঙের সেল চিহ্ন সলে সেল মারবেন। স্টপলসঃ স্টপলস ১০-১৫ পিপ্স দিবেন, তবে এখানে সাপোর্ট-রেসিস্ট্যান্স ভালোভাবে ফলো করার চেষ্ঠা করবেন। টেকপ্রফিটঃ এখানে নির্দিষ্ট টেক প্রফিটের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একবার বাই এন্ট্রি দিলে, পরবর্তী আরেকটা এন্ট্রি এলে তবেই আগের ট্রেড ক্লোজ করে পরের ট্রেড ওপেন করতে পারেন। তবে এটাও একান্তই আপনার উপর নির্ভর করবে। আপনি চাইলে ৩০, ৪০ বা ৫০ পিপসেও টেক প্রফিট সেট করে দিতে পারেন। এখানেও সাপোর্ট রেসিস্ট্যান্স একটু বেশিই লক্ষ্যনীয়।ডাউনলোড করুন হলি গ্রেইলের বিখ্যাত ও কার্যকরী দুইটি টুলস এখান থেকেঃ Billah_Holy_Grail_templets.tpl, Billah_grail_indicator__ex4.d1579aeb0c3e1ad9b3354433edfbe9bd আর দেখুন ক্যামনে কি হয়......... উপরের ছবিটা দেখলেই আশা করি বুঝতে পারবেন সব কিছু। তবে এর পরও কারও বুঝতে অসুবিধা হলে আমার সংগে যোগাযোগ করতে পারেন। আমার ফেসবুক আইডীঃ https://www.facebook.com/otonu.shagor আমার ফেসবুক গ্রুপ আইডীঃ https://www.facebook.com/groups/321449841392778/ ধন্যবাদ সবাইকে। ভালো থাকবেন এই কামনায় আজ এ পর্যন্তই......
  27. 4 likes
    আসলে ছাত্র কিংবা যারা স্টাডিতে এ আছেন, তাদের জন্য খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন হল, যে তারা এই অবস্থায় ফরেক্স ট্রেড করতে পারবেন কিনা, এক কথায় উত্তর দিলে অবশ্যই পারবেন, তবে কিছু বিষয় নিশ্চিত হয়ে সিদ্ধান্তটা নিলে আপনি ভালো করবেন। আমরা জানি ফরেক্স একটা ব্যবসা, তাই স্বভাবতই আপনার প্রয়োজন মূলধন। তবে মূলধনের আগে যে বিষয়টি আপনি আয়ত্তে আনতে হবে তা হল ট্রেডিং সিস্টেম টা ভালো ভাবে জেনে নেওয়া। নিজেকে কোপ করে তোলা। এখন তাহলে আপনার পক্ষে আপনার অবস্থান থেকে সম্ভব কিনা, আমি বলব আপনি যদি ও লেভেল এর স্টুডেন্ট হউন তাহলে আরেকটু পরে শুরু করার চিন্তা করেন, আর যদি এ লেভেল কিংবা তার ও বেশি হায়ার লেভেল এর স্টুডেন্ট হউন তাহলে এখনি চিন্তা করতে পারেন। খুব সোজা শাপটা উত্তর দিয়ে ফেললাম এই তো। আসুন এইবার মুল কথায়, ফরেক্স ট্রেডিং কনসেপ্টটা হয়ত আপনার মেধার বিকাশে অনেক তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করতে পারবেন অনেকে, কিন্তু তার চেয়ে বিবেচ্য বিষয় হল, আপনার যথেষ্ট সেনটিমেন্ট তৈরি হয়েছে কিনা ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য, কারন ব্যবসাটা খুবই সেনসিটিভ এবং সময় সাপেক্ষ, হুট হাট করে এইখানে কিছুই করা যাবে না, প্রয়োজন একটা সময় সাপেক্ষ শিক্ষা এবং অনুশীলন। তাই এই ব্যবসায় বয়সের বিষয়টাকে আমি একটু বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে অবজারভ করেছি, যে কম বয়সি মানুষ এই ব্যবসায় লস বেশি করে থাকে, তার একটাই মুল কারন হল ধ্যার্য নাই, কারন ফরেক্স ব্যবসার সাথে ধ্যার্য শব্দটার প্রভাব অনেক বেশি। আর বয়সের সাথে সাথে মানুষ নিজেকে অনেক বেশি স্ট্যাবল করে তৈরি করতে পারে, তাই তখন আর এক্সিডেন্ট হওয়ার ভয় থাকেনা। আর এই ব্যবসাটা অনেকটুকুই মানসিক চাপ তৈরি করে যা প্রথম দিকের হলে আস্তে আস্তে রিমুভ হয়, তাই একটা স্ট্যাপ মেইন্টেইন করে না শুরু করলে আপনি হয়ত এর প্রভাবে লস গুনতে হতে পারে। তাই যারা এখনো ছাত্র আছেন, ফরেক্স ট্রেডিং এর বিষয়ে অনেক আগ্রহি, আপনারা ফরেক্সকে আপনাদের শিক্ষার একটি সাবজেক্ট হিসেবে নিয়ে স্টাডি শুরু করতে পারেন, নিজের মত করে একটি কার্যকারী পরিকল্পনা মাপিকভাবে। আস্তে আস্তে সুনির্দিষ্ট পথ চলার মাধ্যমে বিষয়টি আয়ত্ত করতে থাকুন, অনেক সময় নিয়ে শিখুন, শিখাটা মুজবুত হবে, তারপর যখন আপনি আবিষ্কার করবেন আপনি যথেস্ট কনফিডেন্ট তাহলে সব কিছু ঠিক রেখে প্রাথমিক ভাবে সল্প আয়ের রাস্তা হিসেবে পার্টটাইম বেসিস করতে পারেন। এইভাবে চালিয়ে জান অনেকদিন, তারপর যখন আরো অনেক এক্সপার্ট হয়ে যাবেন, যখন আপনার সুযোগ হবে বিশাল পরিসরে করার তখন ভালো ভাবে ভাল মুলধন নিয়ে প্রফেশনালি চিন্তা করতে পারেন। মুলত এই সকল আলোচনার একটাই উদ্দেশ্য, যাতে করি আপনার শুরুটা হয় সুন্দর এবং স্থায়ী। অনেকে আছেন খুব দুমদাম করে নেমে পড়েন এই ব্যবসায় তারপর লস করে ফিরে যায় নিজের আগের গন্তব্য এবং একটা নেগেটিভ আটিচিউড কাজ করে এই শিল্পের প্রতি। আমাদের দেশে নতুন কোন কনসেপ্ট এলে তাকে হেলে-দুলে জ্বলে ডোবানোর মাধ্যমে এর ইতি ঘটে। কারন হল আমাদের যেভাবে শুরু করা দরকার আমরা সেইভাবে শুরু করিনা। তাই আমাদের কাছে তা স্থায়ী হয়না। এই পর্যায়ে এর কোন অস্তিত্বও থাকে না। অথচ উন্নত বিশ্বে অনেক অনেক হাই প্রফেশন এর মধ্যে ফরেক্স হল একটা। তাই যদি চিন্তা হয় সুদর প্রসারি তাহলে অর্জনটাও হতে হবে সময় প্রসারি।
  28. 4 likes
    ভাই, এই প্রথম আপনার বইটি পড়ে আকৃষ্ট হলাম। বুঝতে চেষ্টা করলাম ফরেক্স কি ? এত প্রাঞ্চল ভাষায় বইটি লিখা খুব সহজে বুঝা যায়। বিগিনার হিসেবে অবশ্যই বইটি সবার পড়া উচিৎ। আবারো লিখককে ধন্যবাদ.
  29. 4 likes
    ফরেক্স মার্কেট এর অন্যতম ট্রেডিং রেঞ্জ তৈরি হয় ভিবিন্ন রকম ফান্ডামেন্টাল নিউজ পাবলিশিং এর মাধ্যমে। এক এক নিউজে মার্কেটে একেক রকম ভলাটিলিটি লক্ষ্য করা যায়। কিছু হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে যেগুলো এক নিমিশে মার্কেট ১০০+ পিপস চেঞ্জ করে ফেলে, আবার কিছু নিউজ আছে যেগুলো ৫০-৭০ পিপস চেঞ্জ করে, যদিও এই বিষয়টি নির্ভর করে হাই নিউজ এবং এর কার্যকারী প্রভাব এর উপর। যা পূর্ব থেকে নিশ্চিত থাকা সম্ভব না, যার কেলকুলেশন করতে হয় ঐ নিদিষ্ট নিউজ এর প্রিভিয়াস এবং একচুয়েল ভেলুর ভিত্তিতে। তারপর ও মার্কেট এনালিস্ট এবং দীর্ঘ সময় ধরে ভিবিন্ন নিউজ এর প্রভাবে চেঞ্জ হওয়া মার্কেট এর অভিজ্ঞতার আলোকে এবং বিশেষ নিউজে মার্কেট কতটুকু চেঞ্জ হতে পারে তার একটি রেঞ্জ ধরে ট্রেড করলে অনেক ভালো সুফল পাওয়া যায়। তাই আজকে আলোচনা করবো কোন নিউজে মার্কেট মোটামুটি কতটুকু চেঞ্জ হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। মুলত ৫ টি দেশের বিশেষ রিপোর্টের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত নিউজ গুলো ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব তৈরি করে থাকে, রিপোর্টগুলো হলঃ US ReportsCanada ReportsUnited Kingdom ReportsAustralia ReportsNew Zealand Reports এইবার দেখে নেই, কোন দেশের রিপোর্ট অনুসারে কারেন্সি কতটুকু রেঞ্জ তৈরি করতে পারে এবং তা গড় সুচক এর কত পারসেন্ট পর্যন্ত হয়; US Reports Canada Reports United Kingdom Reports Australia Reports New Zealand Reports বিঃদ্রঃ উপরের ভিবিন্ন নিউজের ট্রেডাবল রিপোর্টটি একেবারে ১০০% সঠিক পয়েন্টে মিলে যাওয়ার কোন ইঙ্গিত নেই, নিউজ রেঞ্জটি প্রায় সময়ের রেঞ্জ এর একটি বিশেষ অভিজ্ঞতার আলোকে সেট করা হয়েছে। তাই নিউজে ট্রেডিং এ সতর্ক থেকে ট্রেড করার জন্য অনুরোধ করা গেল।
  30. 4 likes
    প্রথম পর্বে আমি আলোচনা করেছিলাম, বলিঙ্গার বেন্ড পরিচিত, মুভিং এভারেজ এবং ডিভিয়েশন সম্পর্কে। তারই ধারাবাহিক আলোচনা হিসেবে আজ শিখবো বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডিং স্ট্রেটিজি, মনে রাখবেন বলিঙ্গার বেন্ড ভালোভাবে বুঝে গেলে অনেক ভালো ভাবে ট্রেড করতে পারবেন এই টুলসটি দিয়ে। বলিঙ্গার বাউন্সঃ বলিঙ্গার বেন্ড দিয়ে আপনি যখন ট্রেড করবেন তখন দেখবেন প্রাইস মেক্সিমাম টাইম বলিঙ্গার বেন্ড ডিবিয়েশন ২ এর মধ্যে থাকে, হ্যাঁ কারন ১৫-২০% সময় বলিঙ্গার বেন্ড পেনিট্রেশন বা অনুপ্রবেশ হয় অর্থাৎ বেন্ড এর বাইরে প্রাইস চলে যায়। বাকি সময়টা প্রাইস বলিঙ্গার বেন্ডের মধ্যই আপ/ডাউন করে থাকে। যেহেতু মেক্সিমাম সময়ে প্রাইস বলিঙ্গার বেন্ড সীমানার মধ্যই অবস্থান করে, তাই বেন্ড ট্রেডিং এর একটি সফল স্ট্রেটিজি হল, প্রাইস যখন লাওয়ার বলিঙ্গারকে টাচ করে তখন মার্কেট বায় করুন এবং সেল করুন প্রাইস যখন আপার বলিঙ্গারকে টাচ করে। উপরের চিত্রটি দেখুন তার অনেকগুলো উদহারন আছে, লক্ষ্য করুন, প্রাইস যখন আউটার বেন্ড টাচ করে তখন তা আবার রিট্রেস করে বা বাউন্স করে আপজিট ডিরেকশনে চলে যাচ্ছে, এটাই কিন্তু মেক্সিমাম সময় ঘটে থাকে। যাহোক এইখানেই শেষ নয়, এই আমরা দেখবো আরো ২-১টি টুলস কে কাজে লাগিয়ে কিভাবে বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডকে আরো শক্তিশালী এবং সফল করা যায়। RSI এবং Candlestick দিয়ে বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডিং স্ট্রেটিজিঃ উপরে আমি একটি কথা বলেছি যে আপনার বলিঙ্গার টাচ করলে সেল ট্রেড এবং লাওয়ার বলিঙ্গার টাচ করলে বায় ট্রেড , হ্যাঁ মিথ্যা নয় তবে সময় সময় এই পদ্ধিতিতে ট্রেড সুফল নয়, কারন স্ট্রং ট্রেন্ড অনেক্ষন একটা বেন্ডে রাইড করে বা কন্টিনিউ করে তখন আপনার সেল/বায় ট্রেড কিন্তু আপনার ট্রেডিং গতিতে উল্টো বিহেইব করতে পারে। তখন প্রাইস মুভিং এর মাধ্যমে বলিঙ্গার বেন্ড টাচ বা এক্সিড করার মাধ্যমে একটার পর একটি হাই এবং একটার পর একটা লো তৈরি করে। তাই এই স্ট্রং ট্রেন্ড ট্রেডিং হলে আমরা আমাদের ট্রেড কনফার্ম এর জন্য RSI এবং কিছু ক্যান্ডেল ব্যাবহার করব। আপনি যদি বাউন্স ট্রেড করতে চান, আপনার ট্রেডকে নিশ্চিত করার জন্য RSI এর ব্যাবহার গুরুত্তপুর্ন। অনেক ক্ষেত্রে বাউন্স ট্রেডে আমরা RSI’র দিকে খেয়াল করি না যে RSI কি অভারবট/অভারসল্ড। যার কারন আপনার ট্রেডটি নেগেটিভ হয়ে যায়। ট্রেড অর্ডার এর আগে অবশ্যই খেয়াল করতে হবে বর্তমান ট্রেন্ডে প্রাইস কতটা স্টং বা উইক। কার্যকারী অপশন ১ তাই সেল/বায় ট্রেডের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করবেন প্রাইস যদি আপার বলিঙ্গার কে টাচ/ছেদ করে এবং RSI প্রাইস উইকনেস লেভেল ৫০-৮০ তে ফলিং থাকে সেই ক্ষেত্রে সেল ট্রেড করতে পারেন, আবার বিপরীতভাবে, প্রাইস যদি লাওয়ার বলিঙ্গারকে টাচ/ছেদ করে এবং RSI স্ট্রেনথ যদি ৩০-৫০ তে রাইজিং থাকে তাহলে বায়/লং ট্রেড করতে পারেন। কার্যকারী অপশন ২ আরো অপেক্ষা করে ক্যান্ডেলস্টিক রিভার্সেল কনফার্ম এর মাধ্যমে বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডকে করতে পারেন আরো শক্তিশালী । এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন ক্যান্ডেল যদি আপার বেন্ড ছেদ করে এবং ক্যান্ডেলটি বেয়ারিশ কিনা, আবার লাওয়ার বেন্ড ছেদ করলে ক্যান্ডেল্টি বুলিশ কিনা। এর যদি মার্কেট নতুন হাই/লো তৈরি করে তাহলে ঐ সময়ে ট্রেডে এন্টার না করাই উত্তম। ক্যান্ডেলস্টিক যখন বেয়ারিশ/বুলিশ ফরমেশন পাবেন তখনি ট্রেডে এন্টার করবেন। ক্যান্ডেলটি যদি LONG FILL বডি হয় বা LONG UPPER SHADOW হয় তাহলে শর্ট/সেল ট্রেড করবেন। আর যদি ক্যান্ডেলটি লং EMPTY বডি হয় এবং LONG LOWER SHADOW হয় তাহলে লং/বায় ট্রেড করবেন। বলিঙ্গার বাউন্স টাইম ফ্রেইমঃ বলিঙ্গার বাউন্স যে কোন টাইম ফ্রেমেই করতে পারেন। চার্টে আপনি এই ধরনের অনেক সুযোগ পাবেন ট্রেড করার জন্য। বেন্ড যত বেশী স্ট্রং হবে আপনার ট্রেডটি ততবেশি সফল হবে। শর্ট টাইম ফ্রেইম বুলিঙ্গার বাউন্স থেকে লং টাইম ফ্রেইম বলিঙ্গার বাউন্স অনেক বেশী কার্যকারী। এই ক্ষেত্রে ৪ ঘন্টার টাইম ফ্রেম হতে পারে সবচেয়ে সন্তোষজনক। এই চুলুন দেখা যাক উপরোক্ত আলোচনার আলোকে কিভাবে বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডে এন্টার এবং ইক্সিট করবেন তার একটা সারাংশ দেখা যাক। বুলিশ বাউন্স ট্রেড এন্টারঃ কারেন্সিটি আপট্রেন্ড হতে হবে।কারেন্সি লাওয়ার বলিঙ্গার এর খুব নিকটে বা টাচ করেছে।RSI লেভেল ৩০-৫০ এর নিচে এবং উর্ধমুখী।ক্যান্ডেল প্যাটার্ন বুলিশ রিভার্সেল।বুলিশ বাউন্স ট্রেড এক্সিট লাওয়ার বলিঙ্গার এর ২০ পিপস নিচে স্টপ লস সেট করবেন, যা আনুমানি ৫০-৮০ পিপস হতে পারে।১০০-১৫০ পিপস পর্যন্ত ট্রেইক প্রফিট সেট করবেন তবে অবশ্যই আরেকটি বলিঙ্গার রিভার্স তৈরি হওয়ার আগে।বেয়ারিশ বাউন্স ট্রেড এন্টারঃ কারেন্সিটি ডাউনট্রেন্ড হতে হবে।কারেন্সি আপার বলিঙ্গার এর খুব নিকটে বা টাচ করেছে।RSI লেভেল ৫০-৮০ এর উপরে এবং নিম্নমুখী।ক্যান্ডেল প্যাটার্ন বেয়ারিশ রিভার্সেল।বেয়ারিশ বাউন্স ট্রেড এক্সিটঃ আপার বলিঙ্গার এর ২০ পিপস উপরে স্টপ লস সেট করবেন, যা আনুমানি ৫০-৮০ পিপস।১০০-১৫০ পিপস পর্যন্ত ট্রেইক প্রফিট সেট করবেন তবে অবশ্যই আরেকটি বলিঙ্গার রিভার্স তৈরি হওয়ার আগে। বি.দ্রঃ উক্ত স্ট্রেটেজিতে বলিঙ্গার বাউন্স ট্রেডিং দৈনিক ১-২ টির বেশী ট্রেড করবেন না।
  31. 4 likes
    Forex Pips হ্যাক করতে চান? Indicator দিয়ে ট্রেড করতে আর ভালো লাগে না? বোর হয়ে গেছেন ইন্ডিকেটরে এটা-সেটা ভিবিন্ন উপায়ে। ঝমেলাহীন স্মুথ ট্রেডের জন্য ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন নিয়ে ‘পিপস হ্যাকার’ এর স্পেশাল হট সিরিজ টিউন ‘পিপস হ্যাকিং ইউথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন’ জনপ্রিয় সব মাস্টারিং ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড করুন আরো সুপার এবং ভুলে জান ইন্ডিকেটরের কথা। পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -১] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -২] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -৩] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -৪] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -৫] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব ৬] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব ৭] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব ৮] পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব ৮]- Bearish/Bullish Engulfing , Bullish/Bearish Matching Lowপিপস হ্যাকিং উইথ ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন – [পর্ব – ৯] পিপস হ্যাকিং উইথ ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন – [পর্ব – ৯] Bearish Deliberation, Two black gapping/Upside two gap বিশেষ ধন্যবাদ; পিপস এক্সপার্ট - পিপস হ্যাকার
  32. 4 likes
    ব্যাংক একাউন্ট যাচাই মানিবুকারস থেকে আপনার ব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে হলে My Account থেকে প্রথমে একটি ব্যাংক যোগ করে নিন। এক্ষত্রে আপনারব্যাংকের SWIFT কোড, আপনার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে। মানিবুকারসে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করার সাথে সাথে আপনিব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে মানিবুকারস আপনার ব্যাংক একাউন্টটি যাচাই করতে বলবে। ব্যাংক একাউন্ট যাচাই করারজন্য ব্যবহারকারীর ব্যাংক থেকে মানিবুকরসের একাউন্টে সামান্য পরিমাণ অর্থ (৫ থেকে ১০ ডলার) প্রেরণ করতে হয়। তবে বাংলাদেশেরআইনের জন্য কোন ব্যাংক থেকেই মানিবুকারসে কোন টাকা পাঠাতে পারবেন না। এক্ষত্রে নিচের পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন - ০১. মানিবুকার্স এ আপনার Bank account এ add a click করুন ০২. নিজের Bank এর SWIFT code টি লিখেন এবং Bank account টি ঠিক মত লিখেন। ০৩. মানিবুকার্সে এ প্রথমে আপনি ১৫ $ এর নিচে ১৩ $ এর উপরে পাঠান( এটা আপানার ব্যাংক একাউন্ট এ আসতে ৪/৫ দিন লাগতে পারে ) ০৪. আসার পর ব্যাংক থেকে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে স্ক্যানিং করে নিন ০৫. এরপর merchantservices@moneybookers.com ঠিকানায় ইমেইল এটাচমেন্ট করে এগুলো পাঠিয়ে দিন। Email : merchantservices@moneybookers.com Subject : Manual Bank Account Verification ই-মেইল এর Body এমন হতে পারে...... Sir, Hope every thing is fine. Sir it is not possible to uplode fund from Bangladesh due to Bangladesh Bank policy, that's why I attached my bank statement (withdraw prove from MoneyBookers) with this email to verify my moneybooker account manually and also increase my limit. My E-mail: ------------- Customer Id : --------------- Name : .......... Regards যাদের Online Banking আছে তারা নিচের bank statement ‍ এর মত Scene short পাঠালেও হবে। তখন ব্যাংক থেকে bank statement আনতে হবে না Attach bank statement Doc. ইমেইল পাঠানোর ১ থেকে ২ দিন এর মধ্যে আপনি মানিবুকারস থেকে ইমেইল পাবেন। সবকিছু উপরে উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী করতে পারলে মানিবুকারস কর্তৃপক্ষ আপনার ব্যাংক একাউন্টটি নিশ্চিত করে নিবে। এরপর আপনি মানিবুকারসের সকল সুবিধা নিরবিচ্ছিন্নভাবে উপভোগ করতে পারবেন। Need Help : Mobile: 01671850548 Skype: Forextrader0183
  33. 4 likes
    Instant Pip Profit - বিশ্ব বিখ্যাত ফরেক্স ট্রেইনার এবং এক্সপার্ট Kishor M এর ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রেটিজি -১ Instant Pip Profit কিশোর.এম সম্পর্কে জানেন না ফরেক্সে এই ধরনের ট্রেডার কম আছে। তিনি ফরেক্স গুরু এবং একজন আন্তর্জাতিক ফরেক্স ট্রেইনার এবং এক্সপার্ট। আন্তর্জাতিকভাবে বেশ খ্যাতি আছে তার। যাহোক তার এই স্ট্রেটিজিতে খুব সহজে ট্রেড করে প্রফিট নেওয়া সম্ভব, তার এই পদ্ধতিতে বলা হয়েছে সব টাইম ফ্রেমেই ট্রেড করা যাবে। তারপর ও আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি শর্ট টাইম থেকে লং টাইম ফ্রেমে এই পদ্ধতিতে ভালো এবং স্ট্রং ফলাফল পাবেন। সেট আপঃ যা লাগবেঃ ১। Bolinger Bands ২। Relative strength index(RSI) ৩। Commodity channel index(CCI) ৪। Stochastic Oscilators ৫। Parabolic SAR উপরের ইন্ডিকেটরগুলো আপনার চার্টে তাদের ডিফল্ট ভেলুতে সেট আপ করে নিন। RSI, CCI এবং Stochastic এর মধ্য যেকোন দুটা থাকলে চলবে। চাইলে তিনটিই রাখতে পারেন। বায় ট্রেড অর্ডারঃ মুলত এই সিস্টেমে ট্রেড করার জন্য আপনাকে টার্গেট পয়েন্ট ভিজিবল পর্যন্ত চার্টের দিকে চোখ রাখতে হবে। অর্থাৎ সেট পয়েন্টে অর্ডার করার মাধ্যমে আপনি প্রতি ট্রেড থেকে ১০০+ পিপ প্রফিট নিতে পারবেন। বায় সেট পয়েন্টঃ প্রথমে চার্টটি ন্যূনতম ১ ঘন্টার টাইমফ্রেমে সেট করুন। পদ্ধতিটির ফুল ফোকাস হচ্ছে Bollinger Bands এবং SAR । প্রথম শর্তঃ মার্কেট সেল ট্রেন্ড হতে হবে। বলিঙ্গার বেন্ডস এর তিনটি লাইন এর মধ্যে ক্যান্ডেলস্টিক লাওয়ার বলিঙ্গারকে স্পর্শ করবে অথবা লাওয়ার বলিঙ্গার এর খুব কাছাকাছি থাকবে। দ্বিতীয় শর্তঃ মার্কেট সেল ট্রেন্ড এর শেষ ক্যান্ডল সেল ক্যান্ডেল (প্রথম) হতে হবে এবং পরবর্তী ক্যান্ডেল্টি (দ্বিতীয়) বায় ক্যান্ডেল হতে হবে তার পরের ক্যান্ডেল্টিও বায় ক্যান্ডেল হতে হবে এবং Parabolic SAR তৃতীয় ক্যান্ডেল এর নিচে ভিজিবল হতে হবে। নিচের চিত্র অনুসারে খেয়াল করুন। তৃতীয় শর্তঃ Stochastic, RSI বা CCI 20 লেভেল থেকে উপরে উঠা শুরু করবে। উপরের এই তিনটি কন্ডিশন পজেটিভ করে তৃতীয় ক্যান্ডলের শুরুতে বায় অর্ডার ট্রেড ওপেন করার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিতভাবে সেল মার্কেট থেকে বায় ট্রেড করে প্রফিট নিতে পারেন। প্রফিট এবং স্টপঃ যখনি এই পদ্ধতিতে ট্রেড ওপেন করে ফেললেন সাথে সাথে স্টপ এবং প্রফিট এরিয়াও সেট করে দিন। আপনার প্রফিট পয়েন্ট হবে ক্যান্ডেলস্টিক যতক্ষণ পর্যন্ত না আপার বলিঙ্গারকে স্পর্শ করে। অর্থাৎ মার্কেট বায় মুভমেন্ট করে আপার বলিঙ্গার লাইন এর হিট পয়েন্টে প্রফিট সেট করে দিন। রিস্ক ফ্রি থাকার জন্য প্রয়োজনে আপার বলিঙ্গার এরিয়ার ৫-১০ পিপস আগেই প্রফিট সেট করে নিন। এইবার স্টপ সেট করুন প্রথম ক্যান্ডেল এর শুরুর ভেলুতে। চিত্রের প্রথম ক্যান্ডেল এর স্টার্ট ভেলুতে স্টপ লস সেট করুন। সেল ট্রেডঃ যদি বায় স্ট্রেটিজিটা বুঝতে পারেন তাহলে ঠিক তার বিপরীত চিন্তা করে সেল ট্রেড করতে পারেন। আশা করি সেল ট্রেডটি এর বর্ণনা করতে হবে না। তারপর ও যদি সেল ট্রেড নিয়ে প্রশ্ন থাকে কিংবা বুঝতে অসুবিধা হয় কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ।
  34. 4 likes
    সাধারনভাবে আমরা জানি যে অর্থনীতির চাকার সাথে টাকার ভেলুর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। যখন অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয় তখন একটি প্রতিষ্ঠান লাভ করে সাথে সাথে উন্নতি হয় ঐ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের। ফরেক্স ট্রেডাররা এই ধরনের কিছু অর্থনৈতিক অবস্থার উপর তাদের ট্রেডকে সাজিয়ে সুন্দর প্রফিটেবল ট্রেড করে থাকে। ইন্টারেস্ট রেইট বাড়ার বা কমার সাথে সাথে ঐ কারেন্সির ও পরিবর্তন হয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভিন্ন ভিন্ন কারেন্সির ইন্টারেস্ট রেইট এর উঠানামার সাথে সাথে ঐ কারেন্সির ভেলু ও পরিবর্তন করে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি হলে consumer price index (CPI) এবং producers price index (PPI) এর মাধ্যমে কারেন্সি ইন্টারেস্ট রেইট বাড়িয়ে থাকে। মুদ্রাস্ফীতি হলে কি হয়? অর্থনীতি যত শক্ত হবে কর্মচারীদের ডিমান্ড তত হাই হবে। তাদের ডিমান্ড যত বেড়ে যাবে মজুরীও তত বেড়ে যাবে। মজুরী বেড়ে গেলে সাথে সাথে খরচ ও বেড়ে যায় ফলে ভিবিন্ন পন্যর বিক্রয় ও বেড়ে যায় এবং ঐ পণ্যটির দাম ও বেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো (CPI) এবং (PPI) এর উপর ভিত্তি করে তাদের ডিসিশন তৈরি করে আর (CPI) এবং (PPI) এর জন্য তারা মুল চারটি ইন্ডিকেটর নিউজ কে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তাই জেনে নেই কিভাবে একটি কারেন্সির ভেলু বাড়ে অথবা কমে এবং সেই কারেন্সিকে আপনার মূল্যয়ন কেমন হবে। Gross domestic product (GDP) Payroll Employment Durable goods orders Retail sales Gross domestic product (GDP): হল সমষ্টিগত অর্থনৈতিক কার্যকলাপ এর বিস্তৃত পরিমাপ। অর্থাৎ একটি সময়ে সারা দেশের সার্বিক GDP বৃদ্ধিই হল অর্থনীতির মুল শক্তি। GDP একটি নির্দিষ্ট সময়ের একটি দেশের ব্যাক্তিগত, ব্যবসায়িক কিংবা সরকারি সকল প্রকার আভ্যন্তরীণ উৎপাদন এবং ক্রয়ের মোট মূল্যর হার প্রকাশ করে থাকে প্রতি চার মাস অন্তর অন্তর। তাই প্রতি রিপোর্টে পূর্বের ভলাটিলিটি এবং হার বছরের পর বছর পর্যালোচনা করা হয় পরিবর্তনের ট্রেন্ড বা গতি বোঝার জন্য এবং অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা বা অর্থ শক্তির মাত্রা বোঝার জন্য। ক্রমানগতিক High GDP এর ফলে ইনটারেস্ট রেইট ও বাড়তে থাকে। Payroll Employment: কর্মসংস্থান পরিসংখ্যান ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যারা ব্যাক্তিগতভাবে ট্রেড করে। এটি একটি দেশের অর্থনীতির বিশেষ ইনডিকেটর হিসেবে কাজ করে যার প্রভাব ফরেক্স মার্কেটে খুব ভালো ভাবে দেখা জায়। এই ক্ষেত্রে Nonfarm Payroll নামক একটি নিউজ ফরেক্স মার্কেটে বেশ ভালো ইমপ্যাক্ট এনে দেয়। যা United States Bureau of Labor Statistics এর মাধ্যমে হিসাব করা হয়ে থাকে। এটি সরকারি, ব্যাক্তিগত এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এর কর্মচারী ছাড়া বাকি সব কর্মসংস্থান এর কর্মচারীদের মোট বেতনের হাররের উপর ভিত্তি করে হিসেবে করা হয়ে থাকে। প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবারে প্রকাশিত এই রিপোর্টে ঐ মাসের মোট অর্জিত আয় এবং কাজের ঘণ্টা অনুসারে সার্বিক পরিস্থিতি বোঝায় এবং প্রতি পূর্বের সূক্ষ্মতম পরিবর্তনে মার্কেট একটা ভালো ফ্লাকচুয়েশন ঘটে। এই নিউজ এর মুল যে সব কারেন্সিগুলোর ভালো পরিবর্তন হয় সেগুলো হলঃ EUR, GBP এবং JPY. Durable goods orders: এটি হল অর্ডার এর ভিত্তিতে মোট উৎপাদিত পণ্য। যেখানে নির্দিষ্ট মাসের মোট উৎপাদিত পণ্যর USD রেইট নির্ণয় করে ভবিষ্যৎ বাজারে এর ভেলু তথা ঐ কারেন্সির একটি অবস্থা বা কার্যকলাপ এর একটি বিশেষ নির্দেশক। এই রিপোর্টটি প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহে (২৬ তারিখে) প্রকাশিত হয় এবং মোট উৎপাদিত পণ্যর হিসাব করা হয়ে থাকে যে উৎপাদনের তুলনায় এর বিক্রির হার কেমন, কিংবা যে হারে উৎপাদন হচ্ছে তা ভোক্তার চাহিদা মেটাতে সক্ষম কিনা, কিংবা আদো বাজারে পণ্যর চাহিদা বেড়েছে কিনা ইত্তাদির ভিত্তিতে USD কারেন্সির একটি ভেলু কমার বা বাড়ার একটি প্রবনতা দেখা দেয় এবং শেষে যা ফরেক্স মারেক্টে USD কারেন্সি গুলোর একটি পরিবর্তন আনে। সাধারন ভাবে যদি পূর্বের তুলনায় বর্তমান অর্ডার রেইট কম থাকে তাহলে বুঝতে হয় যে ভোক্তার চাহিদার পরিবর্তন ঘটেছে বা পণ্যর প্রতি ভোক্তার নেগেটিভ কোন প্রভাব পড়েছে যার ভিত্তিতে US কারেন্সির সমসাময়িক পরিবর্তন আসে। Retail sales: US. Census Bureau and the Department of Commerce এর মাধ্যমে এই ডাটা রিপোর্টটি মাসিক ভিত্তিকে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হয়ে থাকে, যেখানে উল্লেখ থাকে যে বিগত মাসের মোট আনুমানিক বিক্রিত পণ্যর পরিমান কিংবা এর বাজার অবস্থা। মুলত এই ডাটাটি তৈরি করা হয়ে থাকে সকল রিটেইলারদের সার্বিক বিক্রিত পণ্যর রিসিট এর মাধ্যমে। যেখানে শুদু বিগত মাসের হিসাবি নয় বরং বাৎসরিক ভিত্তিতে প্রতি মাসের মোট বিক্রির হারের একটি তুনলামুলক চার্ট বা গ্রাফ করা থাকে যা দেখে খুব ভালো ভাবেই বোঝা যায় যে আসলে বাজার এর অবস্থা কি এবং সেই অনুসারে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বিক্রি বাড়ানো কিংবা ভোক্তার চাহিদা মেটানোর। এই ডাটা রিপোর্টটি Gross domestic product (GDP) সাথে সম্পর্কিত একটি টোটাল সেলস রিপোর্ট যার প্রভাব ফরেক্স মার্কেটে খুবই পরিবর্তন সাধিত হয়। তাই ট্রেডারদের সতর্ক থাকতে হয় এই সকল ডাটা নিউজ প্রকাশের সময়। যেমন USD এর নেগেটিভ পরিবরতনের সময় কেমন মুভমেন্ট কিংবা পজেটিভ পরিবর্তনের সময় মভমেন্ট কেমন ইত্যাদি বুঝে ট্রেড চালিয়ে যেতে হয় খুব সতর্কতার সহিত।
  35. 4 likes
    বন্ধুরা, মভিং এভারেজ (MA) সম্পর্কে আশা করি সবাই জানেন, এবং অনেকে ব্যবহারও করে থাকেন। যারা ব্যবহার করে থাকেন তারা এটা ব্যবহারের নিয়ম আর সুফল আশা করি অবশ্যই জানেন। আর যারা মভিং এভারেজ সম্পর্কে তেমন একটা ভালো জানেন না বা ভুলে গেছেন আজকের এই লিখা তাদের জন্য। মভিং এভারেজ হল একটি সহজ প্রযুক্তিগত বিশ্লেষন ইন্ডিকেটর, যা মসৃণভাবে প্রতি মুহূর্তের দামের তথ্য দ্বারা একটি ক্রমাগত গড়মুল্যের আপডেট তৈরি করে থাকে। এটি ট্রেডারের পছন্দমত যে কোনো টাইমফ্রেমে (যেমনঃ ৩০মিনিট, ১০দিন, ৩০সপ্তাহ) ব্যবহার করা যায়। ট্রেডিং এ মভিং এভারেজ ব্যবহারের সুফল অবশ্যই আছে, তবে সেটা নির্ভর করবে আপনার মূলধনের পরিমানের সাথে ব্যবহৃত টাইম ফ্রেম সামঞ্জস্যতার উপর বা আপনি কি ধরনের মভিং এভারেজ ব্যবহার করছেন। মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজি সব সময়ই জনপ্রিয় এবং এটা যে কোনো টাইমফ্রেমে সেট করা যায়, সেজন্যই মভিং এভারেজ দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারী এবং স্বল্পমেয়াদী ব্যবসায়ীদের উভয়ের সাথেই মানায়। লং টাইম ট্রেডাররা ৫০দিন থেকে ২০০দিন বা তার বেশী আর শর্ট টাইম ট্রেডাররা ৪ঘন্টা থেকে ১সপ্তাহ টাইমফ্রেম পছন্দ করেন। কেন মভিং এভারেজ ব্যবহার করবেন : মভিং এভারেজ প্রাইস চার্টের “গোলমাল” মুল্য চিত্র বাদ দিয়ে চার্ট দেখাতে সাহায্য করতে পারে। এক্ষণই মভিং এভারেজ এর ডিরেকশনের দিকে তাকিয়ে দেখুন তাহলেই বেসিক আইডিয়াটি পেয়ে যাবেন যে মার্কেট মুল্য কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। কি দেখলেন! প্রাইচ ও উপরের দিকে আর মভিং এভারেজ ও উপরের দিকে বা এর আগে উপরের দিকে ছিল। মভিং এভারেজ যদি নিচের দিকে দেখায় তাহলে মার্কেট প্রাইসও নিচের দিকে নামবে আর মভিং এভারেজ যদি সাইডওয়েতে থাকে/চলে তাহলে মার্কেট মুল্য এখন একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আছে। মভিং এভারেজ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স এর কাজও করে থাকে তবে সেটা লং টাইমের ট্রেডাররা বেশী বুঝবেন, যেমন একটি ঊর্ধ্বমুখী চিত্রে ৫০, ১০০, ২০০দিন এর চার্টে নিচের যে সাপোর্ট দামগুলো দেখা যায় এটা মভিং এভারেজ এর সাপোর্টের চিত্র। তেমনি নিম্নমুখী মার্কেট এ দেখা যাবে রেসিস্টেন্স চিত্র। মার্কেট মুল্য মবিং এভারেজকে উক্ত চিত্রের ন্যায় সবসময় সম্মান করে না অর্থাৎ মার্কেট মুল্য মাঝে মাঝে সাইডওয়ে বা রিভার্স করে থাকে। মভিং এভারেজ এর সাধারন গাইডলাইন মতে, মার্কেট মুল্য যদি মভিং এভারেজ এর উপরে থাকে তাহলে বর্তমানে মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী আর মার্কেট মুল্য যদি মভিং এভারেজ কে ক্রস করে বা নিচের দিকে থাকে তাহলে বর্তমানে মার্কেট নিম্নমুখী। মভিং এভারেজ বিভিন্ন টাইম ফ্রেমে বিভিন্ন রকম দেখায়, যেমন ৪ঘন্টার চার্টে আপনি মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী দেখলে ৫০দিনের চার্টে নিম্নমুখী দেখতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যত সময়ের চার্ট তার কাছে দেখতে চাইবেন সে ঐই সময়ের চার্টের মুবমেন্টই আপনাকে দেখাবে। মভিং এভারেজ এর ধরণ : একটি মভিং এভারেজ বিভিন্ন উপায়ে হিসেব করতে পারে। ৫দিনের একটি (SMA) Simple Moving Average পাঁচটি সাম্প্রতিক দৈনিক ক্লোজিং দামকে পাঁচ দ্বারা ভাগ করে প্রতিদিনের নতুন এভারেজ মুল্য বের করে থাকে। একবচন বহমান দ্বারা তৈরিতে প্রতিটি গড় পরের দামের সাথে আবার সংযুক্ত করা হয়। মভিং এভারেজ এর আরেকটি জনপ্রিয় ইন্ডিকেটর হলঃ Exponential Moving Average(EMA)। এটির হিসাব আরেকটু জটিল কিন্তু এটাও মুলত সাম্প্রতিক মুল্য দ্বারাই প্রভাবিত হয়। ধরুন- আপনি একটি চার্টে ৫০দিনের SMA ও EMA আনলেন, তখন দেখবেন যে SMA থেকে EMA অনেক দ্রুত আপনাকে রিপ্লাই দেবে বা রিয়েক্ট করবে। মুভিং এভারেজ লেন্থ : মভিং এভারেজ এর ক্ষেত্রে কমন কিছু লেন্থ হলো ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ২০০। এই লেন্থগুলো যেকোনো চার্টের টাইম ফ্রেমে প্রযোজ্য। তবে এ সব নির্ভর করে ট্রেডারের ট্রেড দিগন্তের উপর। আপনি যে টাইম ফ্রেম বা লেন্থ সিলেক্ট করেছেন, এটাকে এক কথায় পিছনে ফিরে দেখা বলা যেতে পারে এবং এটার চিত্রের ফলাফল দেখেই আপনি আপনার কার্যকারী ট্রেড সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন। একটি মভিং এভারেজ এ কম সময়ের টাইমফ্রেমে দামের উঠা-নামা হলে খুব তাড়াতাড়ি রিয়েক্ট করে যা আপনি সাথে সাথে অধিক সময়ের টাইমফ্রেম ব্যবহার করলেই বুঝবেন। ২০দিনের মভিং এভারেজ থেকে ১০০দিনের মুভিং এভারেজ অনেক ভালো। শর্ট টাইম ট্রেডারদের জন্য ২০দিনের মভিং এভারেজ বেনিফিট দিবে। তবে যারা লং টাইম ট্রেড করে থাকেন তারা ৫০-২০০ দিনের টাইমফ্রেম ব্যবহার করে থাকে। যখন মার্কেটের গড় মুল্য মভিং এভারেজ এর উপরে থাকে তখন ট্রেন্ড আপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় আর যখন মার্কেটের গড় মুল্য মভিং এভারেজ এর নিচে দেখা যায় তখন ট্রেন্ড নিচের দিকে বলে বিবেচিত হয়। একটি ২০দিনের মভিং এভারেজ ১০০দিনের মভিং এভারেজ থেকে বেশী পরিমানে সিভারসেল দেখায়। একটি মভিং এভারেজ ১৫, ২৮, ৮৯ ইত্যাদি দৈর্ঘ্যের হতে পারে। আপনি আপনার মত করে অর্থাৎ আপনার ট্রেডের চাহিদার উপর নির্ভর করে মভিং এভারেজ এর লেন্থ সেটিং করুন যাতে এটি ভবিষ্যতে আপনাকে সঠিক ট্রেড সিগনাল দিতে সাহায্য করে। ধন্যবাদ।
  36. 4 likes
    গত পর্বটি ঃ Three stars in the South(Bear Reversal Pattern) - বায় অর্ডারঃ টাইপঃ রিভার্সেল অর্ডারঃ লং (বায়) ক্যান্ডেলঃ ৩টি সাকসেস রেইটঃ ৮৯ % ডাউনট্রেন্ড মার্কেটের পরপর তিনটি ক্রমগতিক ক্যান্ডেলের মাধ্যমে Three stars in the South ক্যান্ডেল প্যাটার্ন তৈরি হয়। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে প্রথম ক্যান্ডেল থেকে দ্বিতীয় ক্যান্ডেল একটু ছোট এবং তৃতীয় ক্যান্ডেল আরো ছোট হয়ে আসার মানে হল সেল ফোর্স আস্তে আস্তে কমে আসছে এবং মার্কেটে বায়ার উপস্থিতি বাড়ছে এবং বায় ট্রেন্ডে মোড় নিচ্ছে। এই প্যাটার্ন এর মুল শর্তগুলো হলঃ মার্কেট ডাউনট্রেন্ড হতে হবে।তিনটি ক্যান্ডেলের প্রথম ক্যান্ডেলটি অনেকটা হ্যামার ক্যান্ডেল এর মত হবে।দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ক্যান্ডেল গুলো মারবুজি(যে সব ক্যান্ডেল এর শেডো নাই) বা লো শেডোযুক্ত হবে।দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি প্রথম ক্যান্ডেল এর চেয়ে লো প্রাইস লেভেল হবে এবং তৃতীয় ক্যান্ডেল দ্বিতীয় ক্যান্ডেল এর চেয়ে আরো লো প্রাইস লেভেল হবে। অর্থাৎ তিনটি ক্যান্ডেল দেখতে একটি সিঁড়ির নিম্নমুখী ধাপ এর মত হবে। Bullish Three stars in the South প্যাটার্ন এর ক্যান্ডেল গুলো খুব আস্তে আস্তে নিম্নমুখী একটি ট্রেন্ডে পরপর একটি হায়ার লো লেভেলে এগুতে থাকবে। প্রথম ক্যান্ডেল এর লং লাওয়ার শেডো যত বড় হবে ট্রেন্ড রিভার্সেল তত বেশি স্পষ্ট হবে। প্রথম ক্যান্ডেলটির Long Lower Shadow এবং Short Upper Shadow অথবা No upper Shadow, যা দেখতে হ্যামার ক্যান্ডেল এর মত হবে। যদি প্রথম ক্যান্ডেল এর চেয়ে দ্বিতীয় ক্যান্ডেল লাওয়ার না হয় তাহলে প্যাটার্নটি স্পষ্ট হবে না, ঠিক একই কথা তৃতীয় ক্যান্ডেল এর বেলায় ও। বটমিং মার্কেটের সেল ক্যান্ডেল পূর্ববর্তী ক্যান্ডেল এর কম সেলে যাওয়ার মানে হল বর্তমান সেল ট্রেন্ডটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে আসছে এবং সেল ভলিয়াম কমতে শুরু করছে, তাই এই ধরনের প্যাটার্নে আপনি সেল রিভার্স ট্রেন্ড করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে মার্কেট প্রাইস রেঞ্জ তথা ক্যান্ডেলগুলো দেখতে একটি সাইমেট্রিকেল ট্রাইএঙ্গেল চার্ট প্যাটার্ন এর মত হতে পারে। ট্রেন্ড এর অবস্থা এবং ক্যান্ডেল এর সাইজ দেখে কতক্ষণ ট্রেড কন্টিউনিউ করবেন তা নিজে নিজেই ঠিক করুন। বেশির ভাগ ফলাফলে এই Three stars in the South প্যাটার্ন গুলো ডে-ক্যান্ডেল এনালাইসিসে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। Three black Crows (Bullish Reversal Pattern) - সেল অর্ডারঃ টাইপঃ রিভার্সেল অর্ডারঃ শর্ট (সেল) ক্যান্ডেলঃ ৩টি সাকসেস রেইটঃ ৯১ % এই প্যাটার্নটি Three stars in the South এর বিপরিত অনেকটা। Up Trend মার্কেটে পরপর তিনটি সেল ক্যান্ডেল এ এই প্যাটার্ন তৈরি হয় যেখানে ক্যান্ডেলগুলো একটি আরেকটির কম সেল না করে বরং সমান বা তার চেয়ে বেশি সেলের মাদ্ধমে সেল ট্রেন্ডকে শক্তিশালি করতে থাকে। Up Trend মার্কেটের পরে এই ধরনের ক্যান্ডেল তৈরি হয়ে বায় ট্রেন্ডকে দুর্বল করতে থাকে। এবং প্যাটার্ন নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে Bullish Reversal অর্থাৎ সেল ট্রেড করা যায়। এই প্যাটার্নটি নিয়ে আর বিস্তারিত বললাম না, Three stars in the South প্যাটার্নটি টি ভালোভাবে পড়লে এবং বুঝলে এই প্যাটার্নটি ও একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।
  37. 4 likes
    ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে ফরেক্স ট্রেড এর যে পদ্ধতিটি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো আপনাদের অনেকেরই জানা। কিন্তু কখনো চেষ্টা করে দেখেননি বা মাথায় আসেনি, যাই হোক আমি শুধুই আমার জানা অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, তার মানে এই নয় যে আমি আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি, কারণ পৃথিবীতে এমন কোনো ট্রেড পদ্ধতি নেই যাতে শতভাগ লাভ করা সম্ভব তবে আপনি আমার ট্রেড পদ্ধতিগুলো লাইভ একাউন্ট এ করার আগে প্রয়োজনে নুন্যতম এক সপ্তাহ ডেমো একাউন্ট এ প্র্যাকটিস করুন এবং ফলাফল বিবরণী দেখে তারপর লাইভ একাউন্ট এ করুন। আমি পদ্ধটিতে ভালো ফলাফল পেয়েছি বলেই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। দৈনিক ৯৫পিপস লাভের এই পেন্ডিং পদ্ধতিটি আপনি প্রত্যেক দিনই করতে পারেন, যখন মার্কেট ডে ক্যান্ডেল শুরু হয়। যা সত্যিই লাভজনক একটি পদ্ধতি। আর এ পদ্ধতিটি সারা জীবন-ই কার্যকর থাকবে। আসুন পদ্ধতিটি জেনে নেইঃ এই ট্রেডিং পদ্ধতিটি ট্রেড করার সহজ ও লাভজনক একটি পদ্ধতি, এর জন্য কোনো ট্রেডিং এনালাইসিস এর প্রয়োজন হয়না, আপনি শুধুমাত্র আপনার মেটা ট্রেডারটি খুলুন আর এস এল ও টি পি সহ অর্ডার দিয়ে মেটা ট্রেডার বন্ধ করে দিন। এই পদ্ধতিটি শুধুমাত্র প্রতিদিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার পর পরই করতে হয়। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি অবলম্বন করবেন কেননা আপনি যে রকম লাভজনক পদ্ধতিতেই ট্রেড করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়ম মেনে ট্রেড করতে হবে। এ পদ্ধতিতে আপনি ৩০পিপস স্টপলস ব্যবহার করবেন এবং সপ্তাহের সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এ পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। যে ভাবে ট্রেড করবোঃ আমি আগেই বলেছি এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি অনেক সহজ – বিগত দিনের ডে ক্যান্ডল এর উপরের/হাই প্রাইজ এর ৫পিপস উপরে এবং ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ এর ৫পিপস নিচে এ পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে হয়। আসলেই এটি অনেক সহজ আর দৈনিক ব্রেকআউট একটি পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে সিক্রেট বলে কিছু নেই। শুধুমাত্র মানি ম্যানেজমেন্ট এর কথাটি মনে রাখবেন যেটা আমি আগেও বলেছি। এ পদ্ধতিতে আপনি দৈনিক ৫০পিপস উপরে বা নিচে গেলেই ৯৫পিপস নিতে পারবেন। চিন্তা করবেন না আমি পদ্ধতিটি দেখিয়ে দিচ্ছি। কখন এবং কিভাবে পেন্ডিং অর্ডারগুলো দিবেনঃ প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে যে কখন আপনার ব্রোকার এর দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়, কারণ বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হবার পর পরই আপনাকে এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি প্রয়োগ করতে হবে এবং প্রতিদিন একই সময়ে এই পদ্ধতিতে অবলম্বন করবেন। বিগত দিনের দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়ে নতুন দিনের ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ৬টি পেন্ডিং অর্ডার দিতে হবে। ৩টি বাইস্টপ এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং। ৩টি বাইস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। এভাবেই আপনি প্রতিদিন এই ছয়টি পেন্ডিং অর্ডার দিয়ে নিশিন্তে আপনার কাজ করতে পারেন। কারণ এই পদ্ধতিতে ট্রেড করলে মনিটরিং এর প্রয়োজন হয়না। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করলে আপনার ট্রেড এর ফলাফল হবে নিম্নরুপঃ [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৫০পিপস মুব করে ৩টি-ই টেক প্রফিট এ ক্লোজ হয় তাহলে আপনার ৯৫পিপস লাভ হবে। [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৩টির মধ্যে ২টি টি পি (১৫+৩০) হিট করে এবং একটি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফলঃ ৪৫পিপস প্রফিট - ৩০পিপস লস =১৫পিপস লাভ। [*]আর যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলোর ১টি টি পি হিট করে আর বাকী ২টি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফল – ১ম টি পি ১৫পিপস আর ২টির স্টপলস ৬০পিপস= মোট ৪৫পিপস লস। [*] [*]আর যদি ৩টি ট্রেড ই স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার লস ৯০পিপস। এ পদ্ধতিতে মার্কেট যখন বিগত দিনের ক্যান্ডেল কে ছাড়িয়ে বাই/সেল এর দিকে মুব করে তখনই ফলাফল আসে। তবে এ পদ্ধিতিতে যখন আপনার যে কোনো এক দিকের ট্রেড ওপেন হবে তখন যদি লাভ/টি পি হিট করে তাহলে তো খুবই ভালো আর যদি স্টপলস এর দিকে যায় সে সময়ে আপনি ট্রেড এ উপস্থিত থাকলে স্টপলস হিট করার আগেই ট্রেড ক্লোজ করতে পারবেন। এতে করে আপনার লস অনেক কম হবে। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার কিছু নিয়ম নিম্নরূপঃ [*]এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় আপনার ট্রেড এমাউন্ট এর ৩% এর বেশী ব্যবহার করবেন না। [*]প্রতিটি ট্রেডই সমান ভলিউম এ করবেন। তবে আপনি চাইলে ১ম ট্রেড এর ভলিউম বেশী করে টি পি কমিয়ে দিতে পারেন তবে এস এল প্রত্যেকটি ট্রেড এর ৩০পিপস ই রাখবেন। এভাবে ১ম ট্রেড থেকে ২য় ট্রেড এর ভলিউম আরেকটু কমিয়ে টি পি বাড়িয়ে অর্থাৎ ৩০পিপস দিবেন। আর ৩য় ট্রেড এ ভলিউম আরো কমিয়ে দিতে পারেন। আপনি চাইলে এ পদ্ধতিটাকে আপনার মতো সাজিয়ে ও করতে পারেন তবে স্টপলস ৩০পিপস এর কম দিবেন না। সবার জন্য শুভ কামনা রইলো। ধন্যবাদ।
  38. 4 likes
    গ্যাপ/উইন্ডো গ্যাপ হলো চার্ট এর মধ্যে স্টক/কারেন্সি পেয়ার এর দাম (মার্কেট প্রাইচ) হঠাৎ করেই (কোনো ট্রেড না হয়ে)পরিস্কারভাবে উপরে বা নিচে চলে আসে। এতে করে চার্টের ঐই স্থানে একটি শূন্যস্থানের তৈরি হয়, যাকে আমরা গ্যাপ/উইন্ডো গ্যাপ বলে থাকি। এ ধরণের গ্যাপ বেশীরভাগ সময় মার্কেট ওপেনিং ডে তে হয়ে থাকে। উইন্ডো গ্যাপেকে অনেক ট্রেডারই সফলভাবে কাজে লাগিয়ে থাকেন। কিভাবে উইন্ডো গ্যাপ হয় এবং কিভাবে উইন্ডো গ্যাপ ব্যবহার করে সফল/প্রফিট ট্রেড করবেন, আজকের লিখাটি থেকে আপনারা আশা করি সে আইডিয়াটি পেয়ে যাবেন। তাহলে আর দেরি না করে আজকের বিষয়ের আলোচনা শুরু করিঃ গ্যাপ বেসিকঃ মৌলিক বা প্রযুক্তিগত কারণে গ্যাপ/উইন্ডো গ্যাপ হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপঃ যদি একটি কোম্পানির/কারেন্সির অধিক আয়ের আশা করা হয়, তাহলে পরের দিন (বা ঐই দিনই) ঐই কোম্পানির স্টকের দামে উপরের দিকে দামের গ্যাপ হয়। এটার মানে হল স্টক এ যে উচ্চতর মূল্যের গ্যাপ হলো, ঐই কোম্পানিতে সেটা আগের দিনই হয়ে গেছে, তাই মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে সে পরিমাণ গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ফরেক্স মার্কেটে ও ঠিক তেমনি একটি কারেন্সির বিভিন্ন ধরণের রিপোর্টের ফলে মার্কেট ওপেন অবস্থায় বা ওপেন হওয়ার পর বাই/সেল এ গ্যাপ তৈরি হয়ে থাকে, যা আপনারা সবাই জানেন। গ্যাপকে চার দলের মধ্যে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে: Breakaway Gaps: একটি মূল্য প্যাটার্ন শেষে ঘটবে এবং একটি নতুন প্রবণতা (ট্রেন্ড) শুরুর সংকেত দিবে। Exhaustion Gaps: একটি মূল্য প্যাটার্ন শেষ হওয়ার কাছাকাছি ঘটবে এবং নতুন হাই বা লো এ আঘাতের একটি চূড়ান্ত প্রয়াসের সংকেত দিবে। Common Gaps: এই গ্যাপকে কোনো মূল্য প্যাটার্ন এর মধ্যে ধরা যাবে না কারণ এ ধরণের গ্যাপ একটি নিদ্দিষ্ট মুল্যের এরিয়া তে তৈরি হয়ে থাকে। Runaway/Continuation Gaps: এ ধরণের গ্যাপ একটি মূল্য প্যাটার্ন এর মাঝামাঝি অবস্থানে তৈরি হয়ে ক্রেতা/বিক্রেতাদেরকে ব্যস্ত রেখে অন্তর্নিহিত ভবিষ্যৎ মুল্যের দিকে যেতে থাকে। গ্যাপ পূরণ করুক বা না করুকঃ কেউ যখন বলে যে গ্যাপটি পূরণ হয়েছে, এটার মানে হল স্টক মূল্য যে মুল্যে ছিল সে গ্যাপটি পূরণ করে তার আগের মুল্যে ফিরে এসেছে বা গ্যাপ পূরণ করেছে। এই গ্যাপ পূরণ করা স্বাভাবিক এবং যেসব কারনে গ্যাপ পূরণ করবে তা নিম্নলিখিতঃ Irrational Exuberance: সবকিছু মিলিয়ে প্রাথমিক ক্যান্ডেলটি হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আশাবাদী বা হতাশাপূর্ণ হয়েছে, সে জন্য গ্যাপটি পূরণ করেছে। Technical Resistance: যখন একটি পেয়ার এর মূল্য নিখুঁতভাবে বাই/সেল এর দিকে আসে তখন ঐই পেয়ারটির মার্কেট মূল্য তার পেছনে কোনো Support ও Resistance তৈরি করেনা বা রেখে আসেনা। Price Pattern: Price patterns এ গ্যাপ শ্রেণীভুক্ত করা হয় এবং একটি গ্যাপ ভরাট করা বা না করা হলে আপনি বলতে পারেন। ধারাবাহিক এবং বিচ্ছিন্নতাকামী গ্যাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম সেগুলো বর্তমান প্রবণতার দিককে নিশ্চিত করতে ব্যবহার হয়, যেহেতু তারা একটি মূল্য প্রবণতার শেষে সংকেত দেয় যে গ্যাপ পূরণ হতে পারে,কারণ অবসাদ গ্যাপ বুঝা সাধারণত সবচেয়ে সহজ। একটি গ্যাপ হওয়ার পর যখন একই ট্রেডিং দিনে তা পূরণ হয় তখন তাকে Fading হিসেবে উল্লেখ করা হয়। উদাহরণস্বরূপঃ ধরুন একটি কোম্পানি এনাউন্স করলো যে তাদের শেয়ার এ এই মাসে সবচেয়ে বেশী আয় হয়েছে, এতে তাদের শেয়ারটি বাই এ গ্যাপ দিয়ে মার্কেট ওপেন হয়েছে (অর্থাৎ এটা তার পূর্ববর্তী ক্লোজ এর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশী বাই এ)।দাম বাড়ার ফলে তাদের অনেক শেয়ার হোল্ডারই শেয়ারটি ক্যাশ ফ্লো দেখে বিব্রত হয়ে শেয়ারটি সেল করা শুরু করে এতে করে মার্কেট গত দিনের গ্যাপটি পূরণ করার সুযোগ পায়। অনেক ট্রেডার-ই গ্যাপ এ ভাল ট্রেড করে থাকেন। এই আলোচনাটি আকারে বড় হওয়ায় এর দ্বিতীয় অংশ আগামী কাল দেয়া হবে। দ্বিতীয় অংশে থাকবে - কিভাবে গ্যাপ এ ট্রেড করবেন।
  39. 4 likes
    প্রিয় ট্রেডার বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সামনে আরেকটি চমৎকার ট্রেড স্ট্রাটেজি নিয়ে হাজির হয়েছি যার নাম কারেন্সি রিং এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষনীয় একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। অনেকেই এ পদ্ধতিতে ট্রেড করে ভালো সাফল্য পেয়েছে, তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছুক হলাম। এ পদ্ধতিতে আপনি একই সময়ে ৩টি পেয়ার/জোড়ায় একই সাথে ট্রেড করতে পারেন, এই ৩পেয়ার/জোড়াকে কারেন্সি রিং বলে। কারেন্সি রিং এর ৩টি পেয়ার/জোড়ার ২টি ৯০-৯৫ভাগ সময় এক দিকে এবং আরেকটি অর্থাৎ ক্রস কারেন্সিটি তাদের বিপরীত দিকে মুব করে থাকে। এতে করে কারেন্সি রিং এর পেয়ারগুলোতে ট্রেড করে ভালো লাভ/প্রফিট করা সম্ভব। কারেন্সি রিং এ ক্রস কারেন্সি বা পেয়ার কিভাবে চিনবেন? কারেন্সি রিং এর ৩টি পেয়ার এ ২য় কারেন্সি হিসেবে যে কারেন্সিগুলো থাকে তাদের পেয়ার/জোড়ই হলো ক্রস কারেন্সি বা ক্রস পেয়ার। যেমনঃ AUD/JPY AUD/USD USD/JPY এই কারেন্সি রিংটির প্রতিটি পেয়ার এ ২য় কারেন্সি হিসেবে আছে JPY, USD এই ২য় কারেন্সি ২টি মিলে যে পেয়ারটি হয় তাই হলো এই কারেন্সি রিং এর ক্রস কারেন্সি বা ক্রস পেয়ার/জোড়। আসুন কারেন্সি রিং গুলো জেনে নিইঃ AUD/JPY AUD/USD USD/JPY CHF/JPY CHF/USD USD/JPY EUR/JPY EUR/AUD AUD/JPY EUR/USD EUR/AUD AUD/USD GBP/JPY GBP/USD USD/JPY EUR/CAD EUR/USD USD/CAD EUR/CHF EUR/GBP GBP/CHF EUR/CHF EUR/USD USD/CHF NZD/JPY NZD/USD USD/JPY EUR/JPY EUR/GBP GBP/JPY EUR/USD EUR/GBP GBP/USD EUR/JPY EUR/USD USD/JPY GBP/CHF GBP/USD USD/CHF GBP/JPY GBP/CHF CHF/JPY আপনি উপরে দেখতে পাচ্ছেন যে প্রতিটি রিং ই ৩পেয়ার/জোড়ায় গঠিত এবং আপনি এ ও মনে রাখবেন যে প্রতিটি রিং এ ৩টি কারেন্সি থাকে। আর ৩টি পেয়ার এর একটি হলো ক্রস কারেন্সি। উক্ত রিং এর ক্রস কারেন্সিটির মার্কেট বেশীরভাগ সময়ই বিপরীত দিকে মুব করে থাকে। যা চিত্রের মাধ্যমে নিম্নরূপঃ এই রিং এর পেয়ার/জোড় এ EUR/USD EUR/AUD AUD/USD আসুন আমরা একটি উদাহরণ এর সাহায্যে দেখে নিইঃ আমরা যদি নিচের কারেন্সি রিংটাকে লক্ষ করি তাহলে আমরা এখানে ৩টি কারেন্সি দেখতে পাচ্ছি GBP/JPY GBP/CHF CHF/JPY এগুলো হল GBP, CHF এবং JPY. যখন আমরা GBP/CHF এবং GBP/JPY পেয়ার/জোড়া ২টি তে বাই করবো তখন আমরা এই কারেন্সি রিং এর ক্রস পেয়ার/জোড়া CHF/JPY তে সেল করবো। উদাহরণ স্বরূপঃ আপনি GBP/JPY তে ১ভলিউম বাই করলেন।আপনি GBP/CHF তে ১ভলিউম বাই করলেন।এবং আপনি আপনার একাউন্টটিকে স্থির রাখার জন্য CHF/JPY তে ও ০.৮ভলিউম এ সেল করবেন। এভাবে যে কোনো একটি রিং এ আমরা ট্রেড করে অপেক্ষা করবো যে, কখন পেয়ারগুলো মুব করে আমাদের ট্রেডগুলো প্রফিট এর দিকে যায়, আর যখনই আমাদের ট্রেডগুলো (যে কোনো একটি রিং এ) মোটামুটি ভালো প্রফিট এর দিকে যাবে তখনই আমরা আমাদের ট্রেডগুলো একসাথে ক্লোজ করে দিবো। এ ধরনের (কারেন্সি রিং) ট্রেড করার পূর্বে আপনি ১ঘন্টা বা ৪ঘন্টার টাইম চার্ট এ ADR, Average Daily Range indicator দ্বারা উক্ত রিং এর পেয়ারগুলোর মুবমেন্ট দেখে নিন। Average Daily Range indicator এ যদি দেখেন যে উক্ত (আপনি যে রিং এ ট্রেড করতে চান) রিং এর পেয়ারগুলোর দৈনিক মুবমেন্ট ২৫-৩০% এ তখনই আপনি উক্ত রিং এর পেয়ারগুলোতে ট্রেড ওপেন করবেন আর যদি Average Daily Range indicator এ দেখেন যে উক্ত রিং এর পেয়ারগুলোতে ৭০-৭৫% মুবমেন্ট হয়ে গেছে তখন এ পদ্ধতিতে ট্রেড থেকে বিরত থাকবেন। আপনি যখন Average Daily Range indicator এ ২৫-৩০% এ ট্রেড ওপেন করার পর Average Daily Range indicator ৫০-৭০% এ মুব হবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডগুলো ক্লোজ করে প্রফিট নিয়ে বেরিয়ে যাবেন। এ পদ্ধতির ট্রেড এ আপনি কখনো ফিক্সড প্রফিট এর জন্য অপেক্ষা করবেন না। আপনি অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করে আপনার ভলিউম এ ট্রেড করবেন। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার জন্য আপনি যে সকল রিং এ দৈনিক মার্কেট বেশী মুব করে সেগুলোকেই বাচাই করুন। যেমনঃ GBP/USD, USD/JPY এবং GBP/JPY. বিশেষ করে মেজর কারেন্সির রিংগুলো বাচাই করুন। এ পদ্ধতিতে আপনি একটি একাউন্টে একসাথে একাধিক রিং এ ট্রেড করবেন না এতে করে আপনার একাউন্ট ঝুঁকির দিকে যেতে পারে। সবসময় যে কোনো ১টি রিং (৩পেয়ার) এ ট্রেড করার জন্য চেষ্টা করবেন । আর যদিও করতে চান তার আগে দেখে নিবেন যে ২টি রিং ই একই দিকে মুব করছে কিনা, একই দিকে মুব করলে একাধিক রিং এ ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতিতে ট্রেড এর সময় আপনার ভলিউম অবশ্যই কমিয়ে করুন, কেননা ১টি রিং এ ৩টি পেয়ার আর ৩টি পেয়ার এ আপনি যদি .৫০ভলিউম করে ট্রেড করেন তাহলে আপনার মোট ভলিউম দাড়াবে ১.৫০। আমার মতে আপনার যদি ১০০০$ থাকে তাহলে আপনি .১০ভলিউম থেকে শুরু করুন(.১০*৩=.৩০)। আগে ভলিউম কমিয়ে ট্রেড করে আপনার ব্যালেন্স ও ইকুইটি বাড়িয়ে নিন। আপনার ব্যালেন্স বাড়ার সাথে সাথে ভলিউম বাড়াতে পারেন। আমি মনে করি আপনি এ পদ্ধতি গ্রহন করলে লাভবান হবেন। সুতরাং পোস্টটি ভালোভাবে সময় নিয়ে পড়ুন অতঃপর আগে ডেমোতে পরীক্ষা করুন। কোনো অংশে না বুঝলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  40. 4 likes
    বইটির ডাউনলোড ক্রুটি গুলো সমাধান করে পুনরায় আপলোড করা হয়েছে এবং এখন সফল ভাবে ডাউনলোড করার জন্য তৈরি আছে। ডাউনলোড এর জন্য দুটি লিঙ্ক দেওয়া আছে, একটি সরাসরি বিডিফরেক্সপ্রো' সার্ভার এবং অন্যটি মিরর। তাই আশা করছি ডাউনলোড সংক্রান্ত আর কোন জটিলতায় পড়তে হবে না। ধন্যবাদ; 
  41. 4 likes
    Instaforex: টপিকটি ওপেন করার উদ্দেশ্যঃ আমরা চাই Instaforex লিবার্টি রিসার্ভ দিয়ে করা কোন ডেপোজিট Deduct না করুক এবং অন্যকোন মিডিয়াতে ইউথড্র পদ্ধতি চালু করুক খুব তাড়াতাড়ি। বিস্তারিতঃ Liberty Reserve এর সমস্যার সমাধান সব ব্রোকার তাদের গ্রাহকের ক্ষতি না হয় এমন ভাবেই দিয়েছেন। কিন্তু আপসোস এবং শকট ব্যাপার হল Liberty Reserve নিয়ে Instaforex এর আপডেট বা তাদের পদক্ষেপটা দেখে। উপরের ছবিটিতে তাদের ৩০.০৫.২০১৩ Cooperation with Liberty Reserve terminated নিউজে তারা বলছে Liberty Reserve শাট ডাউন এর কারনে তাদের Public Offer Agreement 7.7.1 অনুসারে যেসকল গ্রাহক Liberty Reserve দিয়ে ডিপোজিট করেছেন তারা তাদের পুরো টাকা লস করবেন অর্থাৎ Instaforex তাদের ফুল ফান্ডটা কেটে নিবে। কিন্তু Liberty Reserve দিয়ে ডেপোজিট করা বিপুল সংখ্যক ট্রেডারদের কথা চিন্তা করে তারা তাদের অর্ধেক ফান্ড কেটে নেওয়ার কথা জানিয়েছে এবং আগামি ৬ মাস(৩০ মে ২০১৩- ৩০ নভেম্বার ২০১৩) Liberty Reserve দিয়ে করা ডিপোজিট একাউন্ট তাদের ডলার ইউথড্র দিতে পারবেন না। ৬ মাস পরে উইথড্র দেওয়ার সময় উইথড্রল এমাউন্টের ৫০% কেটে নিবে। এবং আপনি ঐ একাউন্টে ৬ মাস ট্রেড করে যা প্রফিট করবেন এবং সোজা কথা আপনি যা ডেপোজিট করেছেন এবং যা প্রফিট করেছেন তার ৫০ ভাগ কেটে নিবে, যা পুরোপুরি অবিচার এবং অন্যায়। একাউন্ট কে ৬ মাসের জন্য ব্লক করে বাগে ফেলে ট্রেডারদেরকে জিম্মি করে সুবিধা আদায় করছে Instaforex. তাদের পাবলিক এগ্রিমেন্ট হিসেবে হয়ত আমরা কিছুই করতে পারবনা যেহেতু Public Offer Agreement 7.7.1 তারা Account opening আর সময় করে কনফার্ম করে নিয়েছে। তারপরও আমরা শুধু এইটুকু বলতে চাই এটা Instaforex এর টোটাল একটা ঠকবাজি একটা সিস্টেম করে গ্রাহকের টাকা মেরে খাওয়ার এবং চরম অন্যায় ট্রেডারদের উপর। আমাদের পয়েন্ট হচ্ছে যদি Liberty Reserve কে আপনারা Safe মনে না করেন তাহলে Liberty Reserve মেথড কেন রেখেছেন? তাছাড়া অন্য ব্রোকার যেমন FBS, Xe market, Exness সহ অন্য ব্রোকাররা যদি Liberty Reserve দিয়ে ডেপোজিট করা এমাউন্ট Safe করে সাথে সাথে অন্য মিডিয়াতে উইথড্র চালু করে দিতে পারে গ্রাহকদের বিন্দু মাত্র ক্ষতি না করে তাহলে Instaforex এর এই ধরণের নিতিমালা Scamming ছাড়া আর কিছু নয়। এবং এইখানে Instaforex গ্রাহকের ডলার কেটে নিবে কেন? তাদের তো কোন লস নাই তাহলে কেন এই জোর জবর সিদ্ধান্ত ? তাই আমরা যারা Instaforex এ Liberty Reserve দিয়ে ডেপোজিট করেছি তারা এর প্রতিবাদ করতে চাই এবং instaforex কে বলতে চাই আপনারা আপনাদের নিয়ম পরিবর্তন করেন । যদি তা না হয় তাহলে Instaforex কে Scam Broker হিসেবে ঘোষণা করব। তাই সকল ট্রেডারদের পক্ষে বিডিফরেক্সপ্রো একটি রিট আবেদন এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে Instaforex বরাবর, যেখানে আমরা ট্রেডাররা আমাদের প্রস্তাবটি তুলে ধরবো সুন্দর সাবলীল ভাষায় এবং আশা করব প্রচুর সংখ্যক কমেন্ট দিয়ে সকল ট্রেডারা তাদের প্রস্তাবের পজেটিভ ভুমিকা আদায় করে আনবো। এবং বাংলাদেশে যারা Instaforex এর প্রতিনিধি আছেন তাদের কাছে অনুরোধ আপনারা আপনাদের ট্রেডারদের কথা চিন্তা করে অন্তত Instaforex এর কাছে এই রিটের পক্ষে ভোট করুন। তাই সকল ট্রেডারদের অনুরোধ করছি Instaforex কে করা letter টিতে অনুগ্রহ করে প্রচুর কমেন্ট করুন আপনাদের বিপুল সংখ্যক কমেন্ট এবং আলোচনায় আমরা আমাদের দাবীটি Instaforex কে প্রেস করবো। তাই আর দেরি না করে সকল ট্রেডারদের অনুরোধ করছি আমাদের এই চেস্টায় সঙ্ঘি হয়ে সাহায্য করুন অনেক ট্রেডারদের তাদের শেষ সম্ভল টুকু ফিরে পেতে। (তাই শুধুমাত্র এই টপিকটিতে ইংরেজি ভাষায় কমেন্ট করতে অনুরোধ করা গেল।) রিট ভয়েসঃ
  42. 4 likes
    ৩) মার্কেট ট্রেন্ড বুঝা ও ট্রেন্ডলাইন আঁকার শেষ পর্বে আজ আমি আলোচনা করবো বাই/বুলিশ ট্রেন্ডলাইন এবং সেল/ব্যারিশ ট্রেন্ডলাইন নিয়ে। ট্রেন্ড হচ্ছে প্রত্যেক ট্রেডারের ট্রেড এর প্রকৃত বন্ধু। ফরেক্স মার্কেট এ ট্রেড এর সঠিক পথ প্রদর্শক হলো ট্রেন্ডলাইন। ট্রেন্ড না বুঝে ট্রেড করলে যে কোনো সময় আপনার লস হওয়াটা স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি। অভিজ্ঞ ট্রেডাররা তখনই বাই করে যখন ট্রেন্ড বাই/বুলিশ এর দিকে থাকে আর সেল করে ট্রেন্ড যখন সেল/ব্যারিশ এর দিকে থাকে। আসুন আমরা চিত্রের সাহায্যে বাই/বুলিশ ট্রেন্ড দেখে নেইঃ উপরের চিত্রটিতে আপনি পরিস্কারভাবে দেখতে পাচ্ছেন যে উক্ত কারেন্সির ট্রেন্ড বাই এর দিকে, তাহলে এখানে সেল এ ট্রেড করা আপনার অবশ্যই বোকামিই হবে। তবে এ ও নয় যে আপনি উপরোক্ত চিত্রের ন্যায় ট্রেন্ড দেখে সাথে সাথে বাই এ ট্রেড ওপেন করবেন। উক্ত ট্রেন্ড এ তখনই বাই ট্রেড ওপেন করবেন যখন মার্কেট একটা নুন্যতম সাপোর্ট তৈরি করবে। সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স বোঝার জন্য আপনি যে কোনো সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স ইন্ডিকেটর (জিকজাক) ব্যাবহার করতে পারেন। সাপোর্ট এ বাই ট্রেড ওপেন করার পর যখন একটা রেজিস্টেন্স তৈরি হবে তখনই আপনার ট্রেডটি ক্লোজ করে প্রফিট নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যাবেন। সেল/ব্যারিশ ট্রেন্ডঃ আপনি যখন একটা পেয়ার এ ট্রেন্ডলাইন আঁকার পর উপরের ন্যায় ট্রেন্ড দেখতে পাবেন তখনই বুঝে নিবেন যে উক্ত পেয়ার এর ট্রেন্ড সেল/ব্যারিশ, এখানে আপনি সেল ট্রেড করার জন্য অবশ্যই একটা রেজিস্টেন্স এর জন্য অপেক্ষা করবেন, আর রেজিস্টেন্স পয়েন্ট এ সেল ট্রেড ওপেন করার পর মার্কেট রেট সাপোর্ট এ আসলেই লাভ নিয়ে আপনার সেল ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেন্ডলাইন আঁকার নিয়মঃ ট্রেন্ডলাইন আঁকার জন্য আপনার মেটা ট্রেডারের ভিউ - টুলবার - লাইন স্টাডিস এ ক্লিক করুন, এরপর দেখুন আপনার মেটা ট্রেডারের উপরের বার এর যে কোনো যায়গায় লাইন স্টাডিস টুলবারটি চলে এসেছে, উক্ত টুলবার এর ৫নং/আইকনগুলোর উপর মাউস নিয়ে চেক করলেই পেয়ে যাবেন ট্রেন্ডলাইন (ট্রেন্ডলাইন আঁকার টুলস)। যে কোনো পেয়ার এ ট্রেন্ডলাইন আঁকার জন্য ( সর্বনিম্ন ১ঘন্টা টাইম ফ্রেমে) দুই বা ততোধিক সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স রেট বাছাই করুন এবং উক্ত সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স রেটগুলোতে ট্রেন্ডলাইন এঁকে আপনার ট্রেড পেয়ার এর ট্রেন্ড কোন দিকে তা বুঝে নিন।ট্রেন্ডলাইন আঁকা তেমন কঠিন কোনো কাজ নয়, ট্রেন্ডলাইন নিয়ে আমার ধারাবাহিক তিনটি পোষ্ট পড়লেই আপনার জন্য ট্রেন্ডলাইন আঁকা ও বুঝা আশা করি অনেক সহজ হবে এবং আপনার ট্রেডিং জীবনে অনেক উপকার এ আসবে। ট্রেন্ডলাইন আঁকতে ও বুঝতে পারলে আপনার ট্রেড এর প্রতি আত্মবিশ্বাস ও সফলতা অনেক গুন বাড়বে। বিঃ দ্রঃ মানি ম্যানেজমেন্ট ছাড়া কেউ কখনো ট্রেড করবেন না। ফরেক্স মার্কেট লোভী ও উত্তেজিত মন মানুষিকতার ব্যাক্তির জন্য নয়। সবার জন্য শুভ কামনা। ধন্যবাদ।
  43. 4 likes
    Bdforexpro.com এর প্রথম এনিভারসারিতে সকল ভিজিটর, মেম্বার এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। বিডিফরেক্সপ্রো’র সাথে থেকে যারা আমাদের এই প্রয়াসকে সাহায্য করে চলেছেন এবং এই ফোরাম এর সাফল্যর পথ চলাতে নানা ভাবে দিক নির্দেশনা, মন্তব্য এবং পোস্ট এর মাধ্যমে এই ফোরামের সুদীর্ঘ যাত্রাতে নিজেদের সঙ্গী করছেন তাদেরকে অশেষ ধন্যবাদ এবং আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বিডিফরেক্সপ্রো’র মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার। ফরেক্স শিক্ষা, সাহায্য এবং শেয়ার এর জন্য পূর্ণাঙ্গ বাংলা ভাষায় এবং সম্পূর্ণরূপে ফ্রী একটি ফরেক্স প্রফেশনাল কমিউনিটি, যার নামই এর অর্থ বহন করে। এখন থেকে এই ফোরাম তাদের পূর্বের প্রতীক’ এর আপডেট রুপ এই প্রতীকে নিজের পরিচয় বহন করবে। পরিশেষে, সবসময় আমাদের সাথে থেকে বাংলাদেশে তথা নিজেদের ভাষার মানকে আরো উন্নতির লক্ষ্য সকল পোস্ট এবং মন্তব্য বাংলা ভাষায় সমুন্নত রেখে আমাদের সুদুর পথ চলাতে সাথী হবেন। এই আশায় এবং সব সময় আপনাদের সাফল্য কামনায়। এডমিন ২৯.০৭.২০১৩ বিডিফরেক্সপ্রো.কম বাংলাদেশ ফরেক্স প্রফেশনাল কমিউনিটি !
  44. 4 likes
    আসলে নতুন যে কোন বিষয় নিজে নিজে আয়ত্তে আনা এবং কোর্স বা গাইড এর মাধ্যমে আয়ত্তে আনা বিষয় দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফরেক্স ট্রেডিং জানা এই মার্কেট এ ট্রেডিং করার জন্য নিজেকে তৈরি করা বিষয়টি তেমনি। নিজে নিজে জানা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ট্রেডে যাওয়াটা অনেক সময় সাপেক্ষ। এবং প্রকৃতপক্ষে কিছুটা রিস্ক থেকেই যায়। তাই কারো কাছ থেকে কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান মুখি হয়ে যদি বিশয়টা জেনে তারপর নিজে নিজে আরো ভালো ভাবে অনুশীলন করে ট্রেড করা যায় তা ই উত্তম। কারন নিজে নিজে শিখলে কিছু গ্যাপ থেকেই যায় যেগুলো ফিলআপ হয় অনেক ধরনের ক্ষতির মাধ্যমে। অনেকটা ঠেকে শিক্ষার মত। তাই বলছি যদি প্রাথমিক ভাবে কনসেপ্ট নিন তারপর আগে পরে ফাইনালি ট্রেডে নামার আগে কারো কাছ থেকে ফাঁকফুকর গুলো ক্লিয়ার হয়ে নিন। মোট কথা সেল্প কনফিডেন্স যতক্ষণ পর্যন্ত না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত লাইভে যাওয়ার চিন্তা না করায় ভালো। তাই শুরুটা যেমনি হউক অবশ্যই অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে নিজের জানাটাকে একসাথ করে সম্পূর্ণ কনসেপ্টটা ক্লিয়ার হয়ে নিবেন। এইবার পছন্দ আপনার সরাসরি কোন কোর্স করবেন নাকি নিজের চেস্টায় যতদিনে সম্ভব আয়ত্তে আসার জন্য অপেক্ষা করবেন।
  45. 4 likes
    Zigzag হল মুলত একটি সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস বেসড ইনডিকেটর, এটি ভিবিন্ন প্যাটার্ন বুঝতে যেমন টপস আন্ড বটম, হেড অ্যান্ড শোল্ডারস, M প্যাটার্ন W প্যাটার্ন সহ নানা রকম চার্ট প্যাটার্ন এর জন্য খুবই দরকারি একটি ইনডিকেটর। (ভিবিন্ন রকম চার্ট প্যাটার্ন শিখতে এই লেসনটি ব্যাবহার করতে পারেন)। আর সাপোর্ট আন্ড রেসিসটেন্স এর ভুমিকা ভালো ট্রেডের ক্ষেত্রে কতটুকু জরুরি তা আশা করি জানেন। এটি প্রাইস পিরিয়ড হাই এবং লো ধরতে খুবই অস্তাদি একটি ইনডিকেটর। ExtDepth=12, ExtDeviation=5, ExtBackstep=3 , এই ভেলু গুলো হল ইন্ডিকেটররের ভলাটিলিটী রেইট ভেলু। যা ভিবিন্ন রকম মার্কেটে এক্সপার্ট ট্রেডাররা বিভিন্নভাবে ভেলু চেঞ্জ করে স্ট্রেটিজি সাজিয়ে থাকে। যেমন আপনার চার্টে যদি একটি Zigzag এর ভেলু ExtDepth=12, ExtDeviation=5, ExtBackstep=3 রাখেন আবার আরেকটি Zigzag এর ভেলু ExtDepth=6, ExtDeviation=3, ExtBackstep=1 সেট করেন দেখবেন দুটি Zigzag ইনডিকেটর দুধরণের প্যাটার্ন তৈরি করছে । অর্থাৎ এই ভেলুগুলো যত কমিয়ে রাখবেন ইনডিকেটরটি মার্কেট এর তত ছোট পরিবর্তন গুলো মার্ক করবে। এখন বাড়িয়ে বা কমিয়ে আপনার কি লাভ? আপনার লাভ হচ্ছে আপনার স্ট্রেটিজির কেমন তার সাথে যায় এমন ভাবে ভেলু গুলো সেট করে নিতে হবে। তবে স্ট্যান্ডার্ড যেভেলু গুলো সেট করা থাকে সাধারন মার্কেট ভলাটিলিটির উপর। তাই চেষ্টা করবেন এইগুলো যদি পরিবর্তন ই করতে হয় তা আপনার নিজের তৈরি করা এবং নিজের হিসাব মত কোন স্ট্রেটিজির সাথে মাননসয় হয়। নয়ত বা হিতে বিপরীত হতে পারে।
  46. 4 likes
    Oanda হল বিশ্বের সব জনপ্রিয় ফরেক্স ব্রোকারদের একটা। এই ব্রোকারের কারেন্সি পেয়ার অনেক বেশি যেখানে ইন্ডিয়ান রুপীতে পর্যন্ত ট্রেড করা যায়। এটি হল নো-ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার তাই আপনার ট্রেড ওপেন হবে আরো স্বচ্ছ। অন্যান্য ব্রোকারদের সব সুবিধার পাশাপাশি এই ব্রোকারের রয়েছে কিছু সুবিধা তার সাথে রয়েছে কিছু অসুবিধাও। আসুন এক নজরে দেখে নেই এই ব্রোকারের সব ট্রেডিং সুবিধা এবং অসুবিধা। নামঃ OANDA Corporation ওয়েবসাইটঃ http://www.oanda.com/ হেডকোয়াটারঃ New York, N.Y., U.S.A. ফাউন্ডেডঃ ১৯৯৫ রেগুলাটিং অথোরিটিঃ CFTC, NFA, Monetary Authority of Singapore, Dubai Financial Services Authority, Investment Industry Regulatory Organization of Canada, FS:১ মেক্সিমাম লিভারেজঃ অফিসঃ Canada Japan Singapore Switzerland United Arab Emirates United Kingdom United States সুবিধাঃ লিভারেজঃ ৫০:১ ডেপোজিট অপশনঃ Paper Check, PayPal, Bankwire, Credit Card উইথড্র অপশনঃ Paper Check, Bankwire, Credit Card মিনিমাম ডিপোজিটঃ $1 স্প্রেডঃ EUR/USD 0.9 pips USD/JPY 0.9 pips USD/CHF 1.3 pips AUD/USD 1.4 pips EUR/JPY 1.5 pips GBP/USD 1.6 pips NZD/USD 2 pips GBP/JPY 2.2 pips এডুকেশনঃ ফ্রী মোবাইল প্লাটফর্মঃ iPhone, iPad, Android, Blackberry স্কেল্পিংঃ আছে। কাস্টোমার সাপোর্ট ঃ ২৪/৭ অসুবিধাঃ ইসলামিক একাউন্টঃ নাই হেজিংঃ নাই CFD’s ট্রেডিংঃ নাই বোনাসঃ নাই OCO অর্ডারঃ নাই 1 ক্লিক ট্রেডিংঃ নাই
  47. 3 likes
    ফরেক্স ট্রেডিং এর অন্যতম গুরুত্তপুর্ন একটি বিষয় হল সঠিক একটি ব্রোকার নির্বাচন। ইতিমধ্যে অনেক ট্রেডার ব্রোকার নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়েছেন কেউ কেউ না বুঝে ভালো ব্রোকার নির্বাচন করতে না পেরে ইনভেস্ট নিয়ে সমস্যায় পড়ে গেছেন। আবার কাউকে দেখা গেছে ভালো ট্রেড করেও ব্রোকারের নানা রকম বেড়াজালে পড়ে টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না । এই রকম উদহারন অনেক আছে। তাই আজকে আলোচনা করব সঠিক একটি ব্রোকার কিভাবে নির্বাচন করবেন এবং কিভাবে নিশ্চিত হবেন যে এই ব্রোকারের কাছে আপনার ইনভেস্টমেন্ট কতটুকু নিরাপদ কিংবা ইনভেস্টমেন্ট কতটুকু হওয়া উচিত ইত্যাদি ভিবিন্ন বিষয় নিয়ে। যেসব ব্রোকারে নিম্নের পয়েন্টস গুলো পাবেন সেই ব্রোকারে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। স্লিপেজঃ আপনি যে প্রাইসে ট্রেড ওপেন করতে চেয়েছেন এবং যে প্রাইসে ট্রেড ওপেন করতে পেরেছেন তার মধ্যবর্তী পার্থক্যই হল স্লিপেজ। এই ক্ষেত্রে আপনি কখনো ইন্সটেন্ট অর্ডারে একচুয়েল প্রাইসে ট্রেড ওপেন কিংবা ক্লোজ করতে পারবেন না। সলিড এবং নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারে স্লিপেজ থাকে না। নতুন ব্রোকারঃ এটা বলছি না যে নতুন ব্রোকারে ট্রেড করা যাবে না, তবে অনেক নতুন ব্রোকার আছে যারা কয়েকমাস মার্কেটে একজিস্ট করে আপনার মূলধন নিয়ে গায়েব হয়ে যায় তেমনি একটি ব্রোকার হল Kiwifxbank তাই নতুন ব্রোকারে ইনভেস্টমেন্ট সচেতন হউন। নগদ ক্যাশ বা পণ্য ওফারঃ অনেক ব্রোকার নতুন লাইভ একাউন্ট খুলে কেশ পুরষ্কার সহ নানা রকম আকর্ষণীয় পণ্য যেমন আইফোন, এন্ড্রয়িড ইত্যাদি অফার করে প্রকৃতপক্ষে এইগুলো হল আপনাকে ইনভেস্ট করানোর এক একটি ফাঁদ। এই সব ব্রোকার থেকে সচেতন থাকুন। ফিস্কাল পেরাডাইসঃ যদি আপনার ব্রোকারটি ফিস্কাল পেরাডাইস টাইপের ব্রোকার হয়ে থাকে তাহলে ইনভেস্ট করার আগে কয়েকবার ভাবুন। যে আপনি যখন টাকা উত্তোলন করতে যাবেন বা সরাসরি তাদের অফিস ভিজিট করতে যাবেন তাদের কাউকে আসলে সেখানে পাবেন তো ! আননোউন অথোরিটিঃ ব্রোকার গুলো যখন মার্কেটে আসে তখন ন্যূনত্বম একটি অথোরিটি নিয়ে আসে তবে সেই ক্ষেত্রে ও কিছু বিষয় স্পষ্ট হতে হবে আপনাকে। যেমন ব্রোকারটি যে অথোরাইজড নাম্বার ব্যাবহার করছে সেটি আসলে তার কোম্পানির অথোনটিকেশন নাকি ভায়া। যেমন Kiwifxbank নামক ব্রোকারটি এই ধরনের একটি কাজ করেছিল তারা Vault Market Pvt নামক একটি প্রতিষ্ঠানের Sister Concern হয়ে Kiwifxbank নামে কাজ শুরু করেছিল কিন্তু প্রকৃতপক্ষে Kiwifxbank কোন অথোরাইজেশন ছিল না। আসুন এইবার জেনে নেয় একটি সলিড ব্রোকার কিভাবে নির্বাচন করবেন। রিভিউ/রেপুটেশনঃ একটি ব্রোকার যখন কাজ শুরু করে তখন ঐ ব্রোকারের ভালো/মন্দ, সুবিধা/অসুবিধা নিয়ে ফরেক্স বিসয়ক অনেক সাইটে লিখালিখি হয়। যেমন এই ব্রোকারটি কেমন, তার লেনদেন কতটা স্বচ্ছ, তার ভালো দিক কি এবং খারাপ দিকগুলোই কি কি , ইত্যাদি। ঐখানে ভিবিন্ন ট্রেডার উক্ত ব্রোকার সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ মতামত লিখে যা আপনাকে সাহায্য করতে ঐ ব্রোকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। যখন অনেক ট্রেডার মতামত দেয় যে ব্রোকারটিতে স্লিপেজ আছে, রিকোট হয় কিংবা টাকা উত্তোলনে সমস্যা তখন ঐ ব্রোকারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সময়কালঃ সোজাভাবে ব্রোকারের বয়স যত বেশি ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে সেই ব্রোকারে আপনার নির্ভরতা তত বেশি। প্রতি বছর অনেক ব্রোকার আসে যায়, তাই ব্রোকারটিকে স্টাডি করে দেখুন তার সময়কাল কত, মোটামুটি ৩ বছরের সময় ধরে যারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তাদের ক্ষেত্রে পজেটিভ পারস্পেক্টিভে এগুতে পারেন। রেগুলেশনঃ আগেই বলেছি ব্রোকার রেগুলেশন খুব গুরুত্তপুর্ন একটি ফ্যাক্ট। ব্রোকার বাছাই ক্ষেত্রে দেখে নিন ন্যূনত্বম তার ঐ দেশীয় স্টক এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন সহ ন্যাশনাল অথোরিটি আছে কি না। যেমন US ব্রোকারের ক্ষেত্রে দেখে নিন CFTC/NFA এবং UK ব্রোকারের ক্ষেত্রে FSA রেগুলেটেড কিনা। Virgin Islands রেগুলেটেড ব্রোকারে ট্রেড করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। হেডকোয়াটার লোকেশনঃ সলিড এবং রিয়েল ব্রোকার তাদের শারীরিক অস্তিত্ব নিয়ে ব্যবসা করে কারন এই প্রকার ফিনেনশিয়াল ব্যবসা ফিস্কাল পেরাডাইসে সম্ভব না। তাই ব্রোকারের অফিস লোকেশন নিশ্চিত হউন। ECN নাকি ডিলিং ডেস্ক/ মার্কেট মেকারঃ ব্রোকার সাধারণত দুপ্রকার, মার্কেট মেকার যারা আপনার প্রতিটি ট্রেডের বিপরীতে আরেকটি ট্রেড ওপেন করে এবং নিজেরা একটি মার্কেট তৈরি করে আপনাকে মুল মার্কেট বায়ার সেলার থেকে দূরে রেখে নিজেরা লাভবান হয়। আর ECN – Electronic Communication Network ব্রোকার হল রিয়েল ব্রোকার যারা মুলত সরাসরি বায়ার এবং সেলারকে কানেক্ট করে ট্রেড পরিচালনা করে।( ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার এবং ECN ব্রোকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমার এই পোস্টটি পড়ুন। ) এছাড়া ও ব্রোকার স্প্রেড, কাস্টোমার সাপোর্ট সহ আরো কিছু খুটিনাটি বিষয় পরিস্কার জেনে ব্রোকার নির্বাচন করতে পারেন এবং ট্রেড শুরু করতে ।
  48. 3 likes
    ফান্ডামেন্টাল গ্রিস পর্বের Euro Group meeting এর ফলাফলের জন্য এখন পর্যন্ত EUR স্থির অবস্থানে রয়েছে। সবার দৃষ্টি এখন Greece এর দিকে, প্রথম পয়েন্ট তাদের চড়া লোন সমস্যার সমাধান, ১ বিলিয়নের ও বেশি লোন পরিশোধে Greece এখন পর্যন্ত সমর্থ নয়। উক্ত গ্রিস ক্রাইসিস এর বর্তমান অবস্থার উপর ইতিমধ্যে সমস্ত EUR কারেন্সির উপর মার্জিন ১% থেকে উন্নিত করে ২% করা হয়েছে যা জুন ২৬ থেকে বলবত হয়েছে। কিন্তু এখনো জট ছুটেনি Greece Crisis এর। নতুন সপ্তাহে এই জট কতখানি ছুটবে সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলা জাচ্ছে না। কারন গত সপ্তাহের ট্রেডাররা মোটামুটি প্রিপারেশনে ছিল EUR কারেন্সি নিয়ে। কিন্তু Greece crisis অবস্থানের স্পষ্ট কোন ফলাফলের কারনে তেমন কিছুই হয়নি গত সপ্তাহে। আজকে আবার রবিবার থেকে চলতে থাকা Euro Group Meeting ডেডলাইন জুন ৩০ মঙ্গলবার। তাই প্রথম ২-৩ দিনের মার্কেট স্থির অবিচল। এবং গত সপ্তাহে তেমন কোন লেনদেন না হওয়ার দরুন সোমবার পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকার ঘোষণা। তাই এখন পর্যন্ত EUR সঙ্কেত আশাজনক নয়, এমতবস্থায় EUR ট্রেডের বিষয়ে আপাতত বড় কোন সিধান্তে না পোঁছানো হবে বুদ্ধিমানের কাজ। টেকনিক্যাল যদিও এই মুহূর্তে EUR কারেন্সি ট্রেডের ক্ষেত্রে অনেক খানি নির্ভর করছে Greece Events এর উপর, তবে টেকনিক্যাল এনালাইসিস আপনার সিদ্ধান্তকে স্থির রাখতে অনেকটুকু ভুমিকা পালন করবে। বর্তমান স্বাভাবিক মার্কেট ট্রেন্ড বেয়ারিশ, এবং গ্রিস ক্রাইসিস ও তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে, টেকনিক্যাল এনালাইসিস চার্ট অনুসারে EUR/USD কারেন্সির লাস্ট সাপোর্ট লেভেল ১.০৮০০ এবং রেসিসটেন্স লেভেল হল ১.১৬০০, অর্থাৎ ট্রেডিং রেঞ্জ হচ্ছে প্রায় ৮০০ পিপস লং ট্রেড অনুসারে, এবং বর্তমান মার্কেট ১.১১৬৫ অর্থাৎ প্রাইস এখন একদম মাঝামাঝি। আর এই জন্যই EUR/USD এই মুহূর্তে হয়তবা সবচেয়ে রিস্কি অবস্থায় আছে। উপরের চিত্ত অনুসারে, এই কারেন্সির উক্ত তিনটি টপ ( v, ii, iv ) এবং বটম ( i, iii, v ) লেভেলে মার্কেট এখন লেভেল ii অবস্থান করছে, যার প্রথম ব্রেকাউট লেভেল ১.১০০০ এবং দ্বিতীয় ব্রেকাউট লেভেল ১০৮০০ পর্যন্ত ইঙ্গিত করছে মুল দুটি কারেকশন লেভেল ১.১৩০০ এবং ১.১১০০ মাধ্যমে। ঠিক বিপরীতভাবে, ক্রিটিকেল লেভেল ১.১৪১১ এর ব্রেকাউটে মার্কেট প্রাইস লেভেল ১.১৫-১.১৬০০ পর্যন্ত রাইজ হতে পারে। ইন্ডিকেটর টুলস ফোরকাস্টঃ মুভিং এভারেজ – সাপ্তাহিক চার্টঃ শক্তিশালি বেয়ারিশ মার্কেট অবস্থান। টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরসঃ সাপ্তাহিক চার্টঃ বুলিশ মার্কেট পিভট পয়েন্টস – ডেইলি চার্টঃ ১.১৩২৬ S1 – 1.1215 S2 – 1.1077 S3 - 1.0966 R1- 1.1464 R2- 1.1575 R3 1.1713
  49. 3 likes
    বন্ধুরা, হেজিং শব্দটা হয়তো অনেকেই আজকে প্রথম শুনেছেন। হ্যাঁ আজকে আপনাদেরকে হেজিং সম্পর্কে যতটুকু জানি তাই বলবো। বৈদেশিক মুদ্রার হেজিং কি? বৈদেশিক মুদ্রার হেজিং হল ব্যবসায়ীদের ক্ষতির বিরুদ্ধে রক্ষা করতে ব্যবহৃত একটি টুলস। একটি চুক্তি কেনা মানে এটার মান বৃদ্ধি এবং অন্য চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি অস্বীকার করবে। হেজিং শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ফরেক্স ব্যবসায়ীদের জন্য বাঞ্ছনীয়। কোম্পানী দ্বারা বৈদেশিক মুদ্রার হেজিং ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার সময় বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি অস্বীকার করতে কোম্পানি দ্বারা বৈদেশিক মুদ্রার হেজিং ব্যবহার করা হয়। তারা আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের মান (আইএফআরএস) ও সাধারণভাবে গৃহীত মার্কিন অ্যাকাউন্টিং মূলনীতি (মার্কিন GAAP) দ্বারা সেটকৃত নিয়ম অনুসরণ করে থাকে। কোম্পানীর সমস্ত ফরেক্স হেজেস ন্যায্য বাজার মুল্যে তাদের ব্যালেন্স শীট এ তালিকাভুক্ত করা হয়। সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং তখনই হয় যখন একজন ট্রেডার একটি পেয়ার এ একই রেট এ বাই ও সেল এ সমান লট এ দুটি ট্রেড ওপেন করে। উক্ত ট্রেডগুলোতে ট্রেডার এর কোনো লাভ হয় না বরং ব্রোকার স্প্রেড দিয়ে লস এ থাকে, হ্যাঁ লাভ হবে যদি ট্রেডারের ভাল মূলধন থাকে আর তখন উক্ত পেয়ার এর মুভমেন্ট যেদিকে থাকে সেদিকে আরো কিছু লট ট্রেড ওপেন করতে পারে এবং এভারেজ প্রফিট নিয়ে একসাথে সবগুলো ট্রেড ক্লোজ করে দেয়। এভাবে অনেক ট্রেডার-ই হেজিং করে থাকে। কমপ্লেক্স হেজিং হেজিং এর বিভিন্ন জটিল উপায় আছে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবসায়ী দুটি ভিন্ন কারেন্সি পেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কারেন্সির বিরুদ্ধে হেজেস/হেজিং করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবসায়ী EUR/GBP পেয়ার এ বাই/লং এবং GBP/USD তে সেল/সর্ট এ ট্রেড করে হেজিং করতে পারে। ফরেক্স অপশনস ট্রেড এ সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ দামে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের জন্য একটি চুক্তি হয়ে থাকে/হয়। উদাহরণস্বরূপ- একজন ট্রেডার EUR/USD পেয়ার এ ১.২৭ রেট এ বাই ট্রেড রাখে, প্রতিরক্ষার জন্য ঐই পজিশন এ ১.২৬ রেট এ ব্রোকার এ forex strike option স্থাপিত হয়ে থাকে। যদি EUR/USD পেয়ারটি ঐই সুনির্দিষ্ট সময়ে ১.২৬ রেট এ নেমে আসে তাহলে ট্রেডার ঐই অপশনস/বিকল্পটির জন্য অর্থ/পরিশোধ পেয়ে থাকে। এই বিকল্প অর্থের পরিমান নির্ভর করবে ট্রেডারের বাই ট্রেডটির মার্কেট কন্ডিশন ও পাশাপাশি এর লট সাইজের উপর। আর যদি EUR/USD পেয়ারটি ঐই সুনির্দিষ্ট সময়ে ১.২৬ রেট এ না আসে তাহলে ট্রেডার ঐই অপশন ট্রেড/বিকল্পটির ক্রয় মূল্য হারায়। হেজিং এর অন্যান্য ধরন বেশী ট্রেডেবল এবং সবার পছন্দ হিসেবে মুদ্রা চুক্তিতে হেজিং যেমন এগিয়ে তেমনি পণ্যে ও অন্যান্য ধরনের হেজিং হয়ে থাকে। যা আমরা অনেকেই জানিনা। নিচে চিত্রের সাহায্যে হেজিং সাইকেল দেখানো হলঃ যাই হোক বিশ্বের অনেক ভালো ট্রেডাররা যার যার অবস্থান আর মূলধনের পরিধি অনুযায়ী হেজিং করে থাকে। যা আপনার আমার জন্য এতোটা সহজ নয়। আপনি যদি হেজিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে একজন দক্ষ ও সফল ট্রেডার হতে হবে এবং আপনি হেজিং এর ধরন ও হেজিং সম্পর্কে কারো কাছ থেকে ভালো করে শিখে তারপর-ই হেজিং এ নামতে পারেন। সামান্য আইডিয়া নিয়ে হেজিং করা আর নিজে নিজে আগুনে ঝাঁপ দেয়া একই কথা। ধন্যবাদ।
  50. 3 likes
    ফরেক্স ট্রেডিং এ যতরকম পদ্ধিতি নিয়ে কাজ করুন না কেন, উদ্দেশ্য থাকে একটাই প্রফিট করা, আর ট্রেডকে প্রফিটেবল করতে একেক জন ব্যাবহার করে একেক ধরনের পদ্ধতি, স্ট্রেটিজি। ব্যাবহার করে থাকে নানা রকম টূলস, ইন্ডিকেটর। ট্রেডাররা প্রায় সময় নিয়মমাপিক ট্রেড করতে পারেননা তার মুল কারন হল জটিল এবং কঠিন ট্রেডিং স্ট্রেটিজি। অনেকে খুব করে অনেক ইন্ডিকেটর হায়ার করে ট্রেড করার চেষ্টা করে কিন্তু যখন ঐ ইন্ডিকেটর ব্যাবহার জটিল হয়ে পড়ে বা ব্যাবহার আক্টু কঠিন থাকে তখন ই বাদ দিয়ে দেয় ঐ ইন্ডিকেটর দিয়ে ট্রেডিং। আমরা জানি যে ফরেক্স মার্কেটে শৃঙ্খলাবিহীন ট্রেড হল লস এর মুল কারন, তাই প্রফিট নিতে হলে প্রয়োজন নিয়মমাপিক এবং শৃঙ্খল ট্রেড, তাই না ? তাই আমার সাজেশন হচ্ছে যত সম্ভব সহজ এবং পরিষ্কার টুলস ব্যাবহার করে নিয়মিত ট্রেড করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। চিন্তা করুন যখন আপনার ট্রেডিং পদ্ধতিটি খুব সহজ যা মেনে চলাও অনেক সহজ এবং ঝামেলা মুক্ত, আপনার ট্রেডিং স্ট্রেটিজিত কিংবা চার্টে খুব বেশি ইন্ডিকেটর ও নেই এতে করে আপনার চার্ট রিডিং ও হবে অনেক দুর্দান্ত এবং ঝামেলাহিন। এই চার্টে আপনি কি বুঝতে পারছেন ? এটা কতটুকু পরিষ্কার আপনার কাছে? হ্যাঁ এটা খুব ভালো ভাবে বোঝা যাচ্ছে বা আপনি ঠিকই বুঝতে পেরেছেন যে চার্টটিতে একটি রেঞ্জ তৈরি হয়েছে এবং মার্কেট ২ বার বুলিশ নকিং এ ফেইল্ড হয়ে বর্তমানে বেয়ারিশ সেন্টিমেন্টে রয়েছে। দুটি লাইন এর সঠিক ড্র এর মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন মার্কেট সেন্টিমেন্ট বোঝার সহজ এবং চমৎকার একটি পদ্ধতি। নিঃসন্দেহে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে এখন কোন অর্ডারটি আপনার জন্য বুদ্ধিমানের এবং আপনার ট্রেডকে প্রফিটে নিয়ে যাবে। উপরের চার্টটিতে খেয়াল করলে আরো বুঝবেন যে লাস্ট ক্যান্ডেল্টি সাধারণ গতিকে ব্রেক করে মার্কেট সেন্টিমেন্ট চেঞ্জ করেছে এবং আপনার চিন্তার পরিবর্তন ঘটিয়েছে পরবর্তী ট্রেডিং অর্ডারের জন্য। তাই ট্রেডিং চার্টকে অনেক অনেক ইন্ডিকেটর দিয়ে না ঢেকে চেস্টা করবেন অল্প কিছু ইন্ডিকেটর দিয়ে মার্কেট বুঝতে এবং ট্রেড ওপেন করতে, কারন ভালো যতবেশি ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করবেন, তত বেশি কনফিউসড হতে পারেন। আশা করছি এই ছোট কথাটা মাথায় রেখে ট্রেড করবেন এবং সফল ট্রেড করবেন।