tanvirbd

Members
  • Content count

    13
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    7

tanvirbd last won the day on March 16 2017

tanvirbd had the most liked content!

1 Follower

About tanvirbd

  • Rank
    নতুন মেম্বার
  • Birthday 01/01/1983

বিস্তারিত প্রোফাইল তথ্য

  • লিঙ্গ
    পুরুষ
  • ঠিকানা
    Kishoreganj
  • ইচ্ছা/আগ্রহ/শখ
    Reading Books

যোগাযোগের ভিবিন্ন মাধ্যম

  • ওয়েবসাইট URL
    https://www.facebook.com/bd.tanvirahmed
  • ইয়াহু(Yahoo)
    tanvirfx@yahoo.com
  • স্কাইপ(Skype)
    tanvir_gif

Recent Profile Visitors

1,404 profile views
  1. মস্তিষ্ক: আমি একজন ফরেক্স ট্রেডার। সুতরাং আমাকে দেখে শুনে ভালো ভাবে ট্রেড করতে হবে। একজন ব্যবসায়ী সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সুতরাং ভালো ট্রেডের জন্য আমাকে সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে। মন: অবশ্যই তুই একজন ফরেক্স ট্রেডার। তাই তোকে ফরেক্স ট্রেডিং করতেই হবে। একটা ভালো সুযোগের জন্য কতক্ষণ বসে থাকবি? এখন তো মার্কেট নিচে নামছেই। সুতরাং বড় লটে একটা সেল মেরে দে। 8/10 পিপস পেলেই সারা মাসের প্রফিট একবারে পেয়ে যাবি। এটাকে কি সুযোগ বলবি না? সুযোগ হাতছাড়া করবি কেন? মস্তিষ্ক: না আমাকে রুলস ফলো করতে হবে। মেথডে না পড়লে আমি ট্রেড করব না। অনেকবার দেখেছি এভাবে হুটহাট করে ট্রেড করলে বড় লসই হয়ে যায়। এমনকি একাউন্ট জিরোও হয়ে যায়। মন: তোকে রুলস ফলো করতে নিষেধ করেছি নাকি? অবশ্যই মেথডে পড়লে ট্রেড করবি। মার্কেট এখন ট্রেন্ডে আছে। অার ট্রেন্ডই হলো সবচেয়ে বড় বন্ধু। এই মেথড সব মেথডের দাদা। শুধূ শুধু কথা বলে প্রাইসকে আরো নামাচ্ছিস। অযথা সুযোগটাকে হাতছাড়া করছিস! ভালো করে ভেবে দেখ, সব বড় বড় ট্রেডার এখন ধুমায়া মার্কেটে ঢুকছে আর সেল দিচ্ছে বলেই মার্কেট এভাবে পড়ছে। তুই কি বড় বড় ট্রেডারদের থেকেও বড় হয়ে গেলি নাকি? মস্তিষ্ক: আরে না। তাই বলে একটা ভালো রেসিসট্যান্স না দেখে সেল দেয়াটা কি ঠিক হবে? মন: ভালো রেসিসট্যান্স? ভালো রেসিসট্যান্সটাকে তো তুই হাতছাড়া করেছিস! তখন তো আমার কথা শুনিসনি। না শুনে এই ট্রেন্ডটার অর্ধেকটাই হাতছাড়া করেছিস। এখনো সময় আছে ভালো চাস তো, কিছু প্রফিট চাস তো সেল মেরে দে। মাত্র 8/10 পিপস বড় লটে তেমন কোনো ব্যাপার না। আমি কি তোর খারাপ চাই? মস্তিষ্ক: তাহলে একটু হায়ার টাইমফ্রেমগুলো চেক করে আসি। মন: বুঝেছি, তুই আসলে সময় নষ্ট করার চেষ্টা করছিস। হাই ভোলাটাইল মার্কেটে হায়ার টাইমফ্রেমের মেজর ট্রেন্ডগুলো কোন ছাই বেনিফিট দেবে? 8/10 পিপসের জন্য হায়ার টাইমফ্রেম? এমন গর্দভও আছে দুনিয়ায়? লোকে শুনলে হাসবে যে! মস্তিষ্ক: লটটা একটু কমিয়ে রাখি তাহলে। মন: যদি এক ট্রেডেই পুরো মাসের টার্গেট ফিল-আপ হয়ে যায়, তাহলে আর সারা মাস কোনো ট্রেড করার দরকার আছে? লট কমিয়ে ট্রেড দিলে কি আর সারা মাসের প্রফিট এক সাথে পাওয়া যায়? মস্তিষ্ক: না, তা যায় না। মন: তাহলে কি সারা মাস এভাবে পিসির সামনে চার্টের উপর উপুড় হয়েই বসে থাকতে চাস? মস্তিষ্ক: আরে, ফরেক্স করতে এসে বন্ধু-বান্ধব, সংসার সবই তো ভুলতে বসে আছি। আমারও তো মন চায় একটু বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা-ফাড্ডা দিই। মন: তাহলে আর দেরি কিসের? সর্বোচ্চ লটে সেল মার আর 8/10 পিপস নিয়ে নে! মস্তিষ্ক: আল্লাহ ভরসা! তাহলে সেল নিয়েই নেই। মাত্র তো 8/10 পিপস। মার্কেট যেভাবে পড়ছে তাতে টিপি হিট করতে খুব বেশি হলে 2 মিনিট সময় লাগবে। বিসমিল্লাহ .... ঠুস্ (ট্রেড এন্ট্রি নেয়ার শব্দ)।........................ মস্তিষ্ক: ও আল্লাহ! মার্কেট তো উঠে যাচ্ছে! আল্লাহ! ও আল্লাহ এটা কি করছ! আমার সাথেই কেন এমন কর! আমি মার্কেটে ঢুকলেই মার্কেট আমার বিরুদ্ধে যায় কেন? আল্লাহ, আল্লাহ! হ্যাঁ, এইতো প্রাইস ব্যাক করছে, প্রায় ব্রেক ইভেনের কাছাকাছি। ব্রেক ইভেনে চলে এসেছে ...... হ্যাঁ এই তো প্রফিটেও চলে এসেছে। ........ আরে যে ভয় পেয়েছিলাম। মার্কেট তো নামছেই। মন: ভালোই প্রফিটে আছিস। আরেকটু প্রফিট হোক আর টিপি টা একটু বাড়িয়ে দে। মস্তিষ্ক: হ্যাঁ, তাই তো। আরো প্রফিট হবে বলে মনে হচ্ছে। টিপি টা আরেকটু বাড়িয়ে দেই। ঠুস্ (টিপি মডিফাই করার শব্দ) মস্তিষ্ক: আরে আরে একি!...... প্রাইস তো আবার উপড়ে উঠে যাচ্ছে! একি একি! .......এখন কি কোনো নিউজ ছিল?...... আল্লাহ বাঁচাও আমারে! আমার প্রতি কেন বারবার এমন কর! ........আমি কী এমন পাপ করেছি! সামান্য কয়টা ডলার প্রফিটই তো! তাও আমাকে দিবা না? ........ ইয়া আল্লা-আ-আ-আ! (অতঃপর কয়েক মিনিটের মধ্যেই একাউন্টটি মার্জিন কল খেয়ে ধরাশায়ী হলো।)
  2. ট্রেডিং করার সময় আপনি মেটাট্রেডার 4 এর বিভিন্ন ধরনের টাইমফ্রেম ইউজ করে থাকেন। মেটাট্রেডারের ডিফল্ট টাইমফ্রেমগুলো হলো M1, M5, M15, M30, H1, H4, D1, W1 এবং MN1. অর্থাৎ আপনি ডিফল্ট টাইমফ্রেম হিসেবে মাত্র এই ৯টি টাইমফ্রেমই ব্যবহার করতে পারেন। এগুলোকে স্ট্যান্ডার্ড টাইমফ্রেম নামেও চিহ্নিত করা হয়। অনেকেই মাঝে মাঝে ভাবে, যদি কোনোভাবে এই মুহুর্তে M10 বা M20 অথবা H2 টাইমফ্রেম ব্যবহার করে চার্ট দেখে নিতে পারতাম তাহলে আমার জন্য খুব সুবিধা হতো! আসলে মেটাট্রেডার অপারেশনে অভিজ্ঞরাই এই রকম কাস্টম টাইমফ্রেম ব্যবহার কার কৌশলটি জানে। এই ধরনের কাস্টম টাইমফ্রেমকে নন-স্ট্যান্ডার্ড টাইমফ্রেম বলে। আজকে আমি আপনাদেরকে এই রকম নন-স্ট্যান্ডার্ড বা কাস্টম টাইমফ্রেম ব্যবহারের পদ্ধতি দেখাবো। বিষয়টি খুবই সিম্পল। প্রসেসটি একবার দেখলেই শিখে যাবেন। নিচে আমরা ধাপে ধাপে নন-স্ট্যান্ডার্ড বা কাস্টম টাইমফ্রেমের চার্ট ওপেন করার পদ্ধতি আলোচনা করব। (১) প্রথমেই আপনার মেটাট্রেডারটি ওপেন করুন। (২) যে পেয়ারটিতে নন-স্ট্যান্ডার্ড টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে চান সেই পেয়ারটির রানিং টাইমফ্রেম M1 করে নিন। ধরুন আমরা EURUSD পেয়ারের কাস্টম টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে চাই। তাহলে EURUSD M1 করে নিন। (৩) এবার বাম পাশের Navigator প্যানেল থেকে “Scripts“ ড্রপ ডা্উন বক্সটির (+) বাটনে ক্লিক করে বক্সটি এক্সপান্স করুন। (৪) এবার “PeriodConverter“ নামক স্ক্রিপ্টটিতে ডাবল ক্লিক করুন। ডায়লগ বক্স ওপেন হলে এর “Input“ ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার “Period Multiplier Factor“ এর ঘরে আপনার কাঙ্খিত সংখ্যাটি লিখুন। এখানে উল্লেখ্য যে, আপনি যত মিনিটের টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে চান, এই ঘরে সেই সংখ্যাটি লিখবেন। যেমন আপনি 10 মিনিটের টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে চান। তাহলে এই ধরে লিখবেন 10। ২ ঘন্টার টাইমফ্রেম ব্যবহার করতে চাইলে ২ ঘন্টাকে মিনিটের হিসেবে বের করুন। 60*2 = 120, অর্থাত এই ঘরে 120 লিখবেন। সংখ্যাটি লিখে Ok তে ক্লিক করুন। এবার স্ক্রিপ্টটি চার্টে ইনসার্ট হয়ে যাবে। আপনি যদি চার্টের উপরে রাইট ক্লিক করেন, তাহলে দেখবেন যে, স্ক্রিপ্টটি রানিং আছে। অাপনি এটাকে অবশ্যই চার্ট থেকে রিমুভ করবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি কাস্টম টাইমফ্রেম ব্যবহার করবেন। এই স্ক্রিপ্টটি আপনার কারেন্ট চার্টকে এনালাইজ করে সেটাকে আপনার কাঙ্খিত টাইমফ্রেমে কনভার্ট করে আরেকটি নতুন অফলাইন চার্ট ক্রিয়েট করবে। এবার আমরা সেই অফলাইন চার্টটি খুঁজে বের করে ওপেন করব। (৫) এবার File --> Open Offline এ পরপর ক্লিক করুন। Open Offline Chart ডায়লগ বক্সটি ওপেন হবে। (৬) এই ডায়লগ বক্সের ভিতর থেকে এবার EURUSD M10 চার্টটি খুঁজে বের করুন এবং তার উপরে ডাবল ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার কাঙ্খিত নন-স্ট্যান্ডার্ড বা কাস্টম টাইমফ্রেমের চার্ট ওপেন হয়ে যাবে। স্মর্তব্য যে, নন-স্ট্যান্ডার্ড বা কাস্টম টাইমফ্রেমের চার্টটি একটি অফলাইন চার্ট। এটি সরাসরি মার্কেট থেকে টিক ডাটা গ্রহণ করতে পারে না। কিন্তু আপনার পূর্বোক্ত চার্টে যে স্ক্রিপটি রান করেছিলেন সেই স্ক্রিপ্ট তার মূল চার্ট থেকে হিস্টোরি এবং টিক ডাটা এই চার্টে সেন্ড করতে থাকে প্রতি নিউ টিক ডাটার সাথে সাথে। তাই নন-স্ট্যান্ডার্ড চার্টের মুভমেন্টও আসলে লাইভ চার্টের মতোই দেখা যাবে। আরো পরিস্কারভাবে বুঝার জন্য ভিডিওটি দেখতে পারেন: আশা করি, যারা কাস্টম টাইমফ্রেমে চার্ট এনালাইসিস করতে চান, তাদের জন্য এই পোস্টটি শিক্ষণীয় হবে। এখানে আমাকে হয়ত সব সময় পাবেন না, তবে ফেসবুকে পাবেন: https://www.facebook.com/bd.tanvirahmed
  3. অনেকেই বলেন যে, তার ব্যাক টেস্ট করতে গেলে হয় না বা ব্যাক টেস্টের মডেলিং কোয়ালিটি অনেক কম। তাছাড়া Chart Mismatched Error হয়। তাছাড়া বিভিন্ন ব্রোকারের হিস্টোরি ডাটার মধ্যে OHLC (Open-High-Low-Close) এর অনেক পার্থক্য থাকে। তাই ব্রোকারভেদে ব্যাক টেস্টের রেজাল্টও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। কীভাবে সঠিকভাবে ব্যাক টেস্ট করা যায়, আমি তার উপায় বলছি। তাছাড়া অনেক ব্রোকার ট্রেডের ক্ষেত্রে অনেক অপশন এলাউ করে এবং অনেক ব্রোকার অনেক অপশন এলাউ করে না। যেমন কোনো ব্রোকারের মিনিমাম লট সাইজ 0.01 এবং ম্যাক্সিমাম লট সাইজ 100। আবার কোনো ব্রোকার এর কেউ মিনিমাম লট সাইজ 0.10 এবং ম্যাক্সিমাম লট সাইজ 1000। কেউ আবার স্টপ লসের জন্য সুনির্দিষ্ট পিপস নির্ধারণ করে দেয় আবার কেউ দেয় না। উক্ত দুটি সমস্যার জন্য ব্রোকার বা একাউন্ট টাইপ চেঞ্জ করার প্রয়োজন হয়। সে যাক, আজকের পোস্টে শুধুমাত্র ব্রোকারের হিস্টোরি ডাটার সমস্যার সমাধান দেখাবো। প্রথমে MT4 এর Tools মেনু থেকে History Center এ ক্লিক করুন। তারপর যে পেয়ারের ডাটা ডাউনলোড করতে চান সেই পেয়ারটি Expand করে এর 1 Minute (M1) এর উপরে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর Download এ ক্লিক করুন। ক্লিয়ার হওয়ার জন্য ছবি দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু Maximum Upload Size 40.96 kb হওয়ায় দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত। ডাউনলোড শেষ হলে আপনি এবার আপনার ইচ্ছেমতো ব্যাক টেস্ট করতে পারবেন। হিস্টোরি ডাটা আসে কোথা থেকে? MT4 সফটওয়্যারটি যে কোম্পানি তৈরি করেছে সেই Metaqouts Corporation এর ডাটা সেন্টার থেকে সিস্টোরি ডাটা ডাউনলোড হয়। বিভিন্ন ব্রোকার বিভিন্ন সময়ে ফলস মুভমেন্ট দিয়ে ফল্স ক্যান্ডেল দিয়ে ক্লায়েন্টদের সাথে প্রতারণা করে ক্লায়েন্টদেরকে লস করায়। আর Metaqouts Corporation এর হিস্টোরি ডাটা সম্পূর্ণ পিওর। এতে কোনো ভেজাল নেই। তাই ব্যাক টেস্টের রজাল্ট একুরেট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
  4. ফরেক্সে যারা নতুন এবং ইংরেজিতে একাধিক ইবুক পড়েও Price Action বা Candlesticks Pattern শিখতে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের জন্য বাংলায় যথাসম্ভব সহজ ভাষায় "বাংলায় Candlestick Pattern এর সহজ পাঠ” ইবুকটি লেখা হলো। এই ইবুকে বহুল ব্যবহৃত ও কার্যকারিতার ক্ষেত্রে উপরের দিকের ২২টি রিভার্সাল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করা হয়েছে, যাতে মনে রাখা এবং আয়ত্ব করা খুব সহজ হয়। একই সাথে একটি প্যাটার্নের বিপরীত প্যাটার্নটি কি তাও উল্লেখ করা হয়েছে এবং আলোচনার ক্ষেত্রে বিপরীত প্যাটার্নগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে। আশা করি ফরেক্স ট্রেডিংয়ে আসা নতুন ভাইয়েরা এই ইবুকটি ভালোভাবে আয়ত্ব করার মাধ্যমে উপকৃত হতে পারবেন। এই বইটি মূলতঃ এর পূর্বে আমারই পোস্ট করা “বাংলায় Candlesticks Chart Pattern” এর নতুন সংস্করণ। আগের সংস্করণটির ভাষায় কিছুটা জটিলতা থাকায় অনেকের অনুরোধে এবং পরামর্শক্রমে এবার সহজ-সরল করে লিখেছি। বর্ণনার বাহুল্য পরিহার করেছি। আপনাদের ভালো লাগলে এবং কেউ এই ইবুক দ্বারা উপকৃত হলে আমার শ্রম সার্থক বলে মনে করব। কারো ভালো লাগুক অথবা মন্দ লাগুক কমেন্ট জানানোর জন্য আন্তরিক অনুরোধ রইল। "বাংলায় Candlestick Pattern এর সহজ পাঠ” ইবুকটির নতুন সংস্করণ ডাউনলোড করুন এখান থেকে: Banglai Candlesticks Pattern er Sohoj Path.pdf
  5. যারা ইতিমধ্যে ডাউনলোড করেছেন এবং রেজাল্ট “0” পাচ্ছেন তারা একই লিঙ্ক থেকে নতুন করে ডাউনলোড করুন। সমস্যা ফিক্স করা হয়েছে। লিঙ্ক: http://www.mediafire.com/download/x6e837nny1y5jyd/cPSM+%28Scalper%27s+Guide%29.rar#39;s_Guide).rar
  6. [cPSM বা Currency Pair Strength Meter মাইক্রোসফট এক্সেলে তৈরি একটি এক্সটার্নাল রুলস। এটি MT4 টার্মিনালের সাথে লিঙ্ক তৈরি করে ফরেক্স মার্কেটের ৩০টি কারেন্সি পেয়ারের ডেইলি রেঞ্জ ও স্ক্যলপিংয়ের জন্য উপযুক্ত পেয়ারের রিকমেন্ডেশনসহ সেশন ওপেন ও ক্লোজ হতে অবশিষ্ট সময়ের হিসাব প্রদর্শন করে। cPSM ওপেন করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল ২০০৭ বা এর ঊর্ধ্বের কোনো ভার্সন ব্যবহার করুন।] আপনি একজন স্ক্যালপার। আপনি শর্ট টাইমফ্রেমে স্বল্প-সময়ের জন্য ট্রেড ওপেন করেন আর অল্প কিছু পিপস পেলেই ট্রেড ক্লোজ করে দেন। আপনি জানেন যে, আপনার কাছে খুব ভালো একটি স্ক্যালপিং স্ট্র্যাটেজি আছে। কিন্তু তারপরেও আপনি আশানুরূপ সাফল্য পাচ্ছেন না। আপনি যে বড় ভাইয়ের নিকট থেকে বা যাদের কাছ থেকে স্ট্র্যাটেজিটি সংগ্রহ করেছেন, এই একই স্ট্যাটেজি ব্যবহার করে তারা ৮৫%–৯০% সফলতা পাচ্ছে। কিন্তু আপনি পারছেন না। কেন? আপনি কি ভাবছেন আপনার সাথে ফরেক্স মার্কেটের পৈত্রিক আমলের শত্রুতা রয়েছে? নাকি আপনি ট্রেড করতে বসলেই মার্কেট আপনার সাথে ঠাট্টা-মশকরা শুরু করে দেয়? ফরেক্স মার্কেটে আপনার দুই–তিন বছরের অভিজ্ঞতা হয়ে গেল, অথচ তারপরেও মনমতো একটি প্রফিটেবল স্ট্যাটেজি দাড় করাতে পারছেন না এবং অন্যদের প্রফিটেবল স্ট্র্যাটেজিও আপনার হাতে পড়লেই পাগলামি শুরু করে দেয়। কি এর কারণ? উত্তর হচ্ছে আপনার কাছে একটি প্রফিটেবল স্ট্র্যাটেজি আছে ঠিকই। কিন্তু আপনি এর সঠিক ব্যবহার করতে পারছেন না। মার্কেট থেকে আপনি কিছু পিপস (পিপস = প্রফিট) আশা করেন, অথচ মার্কেটে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ওঠানামা (মুভমেন্ট) না থাকে তাহলে পিপস কি আপনি হাওয়ার উপর দিয়ে পাবেন? নাকি আপনার স্ট্যাটেজি মার্কেটের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে মুভমেন্ট তৈরি করবে? মোটেও না। স্ট্র্যাটেজি মার্কেটের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।, মার্কেট স্ট্র্যাটেজির উপর ভিত্তি করে মুভমেন্ট করে না। সুতরাং মুভমেন্টবিহীন, সাইডওয়ে এবং একদম স্বল্প-রেঞ্জের মার্কেটে আপনি আপনার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে যতই পিপস শিকারে নামেন না কেন, আর ঘন্টার পর ঘন্টা চার্টের সামনে বসে থাকেন না কেন – স্প্রেডের কারণে এবং ভুল সময়ে ট্রেড করার কারণে আপনি শুধু ডিপোজিট হারাতেই থাকবেন। ভুল সময়ে ভুল ট্রেডের ফলে পাঁচ-সাতটি লসের ট্রেডের পরে চরম হতাশ হয়ে সমস্ত লস একবারে রিকভারি করার জন্য জেদের বসে চার-পাঁচ গুণ বড় লটে ট্রেড ওপেন করে পরিশেষে একাউন্ট জিরো করে তারপর মাথায় হাত দিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে বলবেন, “প্রতিটি ট্রেডেই নিয়ম মানার পরেও ফরেক্স মার্কেট আমার সাথে এমন করে কেন? আমি ফরেক্স মার্কেটের কি ক্ষতি করেছি?” আসল কথা হচ্ছে, আপনি স্ক্যালপিং করার জন্য প্রতিবারই সঠিক সময়ে সঠিক কারেন্সি পেয়ারটি নির্বাচন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। স্ক্যালপিং যেহেতু স্বল্প-সময়ের জন্য করা হয়ে থাকে, সেহেতু মার্কেট যে পেয়ারে পর্যাপ্তমাত্রায় মুভমেন্ট আছে সেই পেয়ারে ট্রেড করা একান্তু অপরিহার্য। ধরুন আজ সারাদিনে USDCHF পেয়ারটি মাত্র ৬০ পিপসের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। যে পেয়ারের আজকের রেঞ্জেই হলো মাত্র ৬০ পিপস, সে পেয়ারের নিজের আছে কি আর আপনাকেই বা দেবে কি! উল্টো আপনার থেকে আরো কেড়ে নেবে। ধরুন একই দিনে একই সময়ের মধ্যে অন্য আরেকটি পেয়ার (ধরা যাক, NZDJPY) ইতিমধ্যেই ৩০০+ পিপস মুভ করেছে। অথচ আপনি তা জানেনই না! কিন্তু আপনি যদি জানতেন তাহলে উক্ত পেয়ারের M5, M15 বা M30 চার্টে কি আপনি আপনার স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী একটি বা দুটি ভালে এন্ট্রি খুঁজে পেতেন না? আমরা বলতে পারি যে, পাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর ছিল। অর্থাৎ আসল কথা হচ্ছে মার্কেটে ওঠানামা থাকলে সেখানে স্ক্যালপিং করে সাফল্য পাওয়া সম্ভব। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক পেয়ার নির্বাচন করাটাই হলো মুশকিল। ট্রেডিংয়ের জন্য আপনার ব্রোকার আপনাকে ৩০/৪০ বা তারচেয়েও বেশি পেয়ার দিচ্ছে। এখান থেকে ট্রেডিংয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পেয়ারটি খুঁজে পেতে গেলে আপনাকে একটি একটি করে চার্ট ওপেন করে ডেইলি ক্যান্ডেল দেখতে হবে। তারপরে দেখতে হবে পেয়ারটির M5, M15 বা M30 টাইমফ্রেমের বর্তমান অবস্থা। তাও পাক্কা ৩০–৪০ মিনিটের কাজ! ততক্ষণে দু-একটি ভালো সেটআপ এসেও চলে গেছে। একেই বলে বিড়ম্বনা! এই পেয়ার বাছাবাছির কাজটি যদি কোনো টুলস দিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই করা যেত, তাহলে নিঃসন্দেহে একটি কাজের কাজ হতো! হ্যাঁ, আপনার এই মহা-ঝামেলার কাজটি করে দেবে আমার তৈরি cPSM মাত্র ০১ সেকেন্ডের মধ্যেই! cPSM মাইক্রোসফট এক্সেলে আমার তৈরি একটি টুলস। আপনি অবাক বিষ্ময়ে দেখবেন যে, যেসব পেয়ারগুলোতে আজকে প্রচুর মুভমেন্ট হয়েছে বলে মনে করছেন তারচেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি মুভ করা পেয়ারও আছে। সুতরাং আপনি পরবর্তী এক মিনিটের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি মুভ করা চার-পাঁচটি চার্ট ওপেন করে আপনার নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী ট্রেড এন্ট্রি নিতে পারবেন। যেহেতু এসব পেয়ারের মুভমেন্ট প্রচুর, তাই প্রফিটের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা চার্টের সামনে বসে থাকতে হবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কয়েক মিনিটের ভিতরে আপনার টার্গেট পূরণ হয়ে যাবে। তখন তাইরে – নাইরে গানে গাইতে গাইতে পিসি বন্ধ করে অন্য কাজে হাত দিতে পারবেন। cPSM কোনো ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি নয়। তবে এটি আপনার স্ক্যালপিং ট্রেডিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আপনি ইচ্ছা করলে cPSM দ্বারা কোনো স্ক্যালপিং স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করতে পারবেন। অথবা আপনার স্বল্প প্রফিটেবল স্ট্র্যাটেজি দ্বারাও cPSM এর সাহায্যে ভালো প্রফিট করতে পারবেন। cPSM আপনাকে সরাসরি যেসব বিষয়ে সাহায্য করবে তা হলো:– ১। সেকেন্ডের মধ্যেই জানিয়ে দেবে ৩০টি কারেন্সি পেয়ারের ডেইলি রেঞ্জ। ২। স্ক্যালপিংয়ের জন্য ট্রেডেবল পেয়ারের যোগ্যতাভিত্তিক পরিবর্তনশীল তালিকা। ৩। ট্রেডেবল পেয়ারের রিকমেন্ডেশন। ৪। খোলা থাকা সেশনের সাথে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট দেশের কারেন্সি রিলেটেড পেয়ার নির্বাচনের সুযোগ। ৫। সেশন খোলার কত সময় অবশিষ্ট আছে তার ঘন্টা, মিনিট ও সেকেন্ড ভিত্তিক প্রতি মুহূর্তের আপডেট। ৬। সেশন বন্ধ হওয়ার কত সময় অবশিষ্ট আছে তার ঘন্টা, মিনিট ও সেকেন্ড ভিত্তিক প্রতি মুহূর্তের আপডেট। ৭। একই সাথে ব্রোকার ও স্থানীয় সময় প্রদর্শন। cPSM কি শুধুই স্ক্যলপারদের জন্য? cPSM স্ক্যালপারদেরকে ট্রেডের জন্য সঠিক পেয়ার নির্বাচনে দ্রুত সহায়তাকারী একটি এক্সটার্নাল টুলস। যারা লং টার্ম ট্রেডিং করেন, cPSM তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাহায্য করবে না। তবে কোনো লং ট্রেডার প্রতিদিনের ৩০টি পেয়ারের ডেইলি মুভমেন্টের তালিকা একত্রে পেয়ে টেকনিক্যাল এনালাইসিস করতে চাইলে তার এরূপ চাহিদা পূরণে cPSM নিঃসন্দেহে ফলদায়ক বিবেচিত হবে। ১৭/১০/২০১৪ ইং তারিখের রিলিজ ডেট হতে আগামী ০১ মাসের জন্য cPSM এর ট্রায়াল ভার্সন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হলো। আগামী ১৬/১১/২০১৪ ইং তারিখে ট্রায়াল পিরিয়ড শেষ হবে। তাই এখনি নিচের লিঙ্ক হতে cPSM ডাউনলোড করুন এবং স্ক্যালপিং করার জন্য সঠিক কারেন্সি পেয়ার নির্বাচনে cPSM এর সহায়তা নিন। ডাউনলোড লিঙ্ক: http://www.mediafire.com/download/x6e837nny1y5jyd/cPSM+%28Scalper%27s+Guide%29.rar#39;s_Guide).rar স্ক্যালপারদের স্ক্যাল্প ট্রেডিংয়ে ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করি। বিঃ দ্রঃ cPSM ব্যবহার করার পূর্বে ইউজার ম্যানুয়াল ভালোভাবে পড়ে নির্দেশনা মোতাবেক MT4 প্লাটফর্মের সেটিংস প্রদান করতে হবে।
  7. যারা রিয়েল ফরেক্স করতে চান অথচ ইনভেস্ট করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই, তাদের জন্য FXPCM দিচ্ছে একটি চমৎকার সুযোগ। একটি রিয়েল একাউন্ট ওপেন করে একাউন্ট ভেরিভাই করলেই দিচ্ছে $100 নো ডিপোজিট বোনাস। সময় ডিসেম্বর-2014 পর্যন্ত। যার যার $100 নো ডিপোজিট বোনাস লাগবে এখনি নিচের লিঙ্কে একটি একাউন্ট তৈরি করে ভেরিফাই করুন। বোনাস এমাউন্ট অটোমেটিক ট্রেডিং একাউন্টে যুক্ত হয়ে যাবে। একাউন্ট খুলুন এখান থেকে: http://cabin.fxpcm.com/ref/OTU5NDk0OTQ3ODY=
  8. @জয়™: অসংখ্য ধন্যবাদ জয় ভাই, বইটি ইউনিক ডাউনলোড সেকশনে স্থানান্তর করার জন্য।
  9. ফরেক্সে যারা নতুন এবং ইংরেজিতে একাধিক ইবুক পড়েও Price Action বা Candlesticks Chart Pattern শিখতে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের জন্য বাংলায় যথাসম্ভব সহজ ভাষায় “বাংলায় Candlesticks Chart Pattern এর সহজ পাঠ” ইবুকটি লেখা হলো। আশা করি ফরেক্সের নতুন ভাইয়েরা উপকৃত হবে। ইবুকটি মূলতঃ নিজের শেখার জন্য নিজেই লিখেছিলাম। ভাবলাম আপনাদেরও কাজে আসতে পারে। তাই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম। ভালো বা মন্দ যেমনই লাগুক, কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের পরামর্শ অবশ্যই শিরোধার্য্য। বাংলায় Candlesticks Chart Pattern - ডাউনলোড
  10. Karl Dittman এর Buy-Sell-Magic ইন্ডিকেটরটি খুব ভালো কাজ করে। যদি সঠিকভাবে ফলো করা যায়। কারো লাগলে আমার ইনবক্সে রিকোয়েস্ট পাঠালে ফ্রি দিয়ে দেবো।
  11. আছে তো! RVD এর দুটো ফোরাম। একটি রাশিয়ান এবং একটি ইংলিশ। একবার ইংলিশ ফোরাম এটাচড করলে দ্বিতীয়বার আর কোনো ইংলিশ ফোরাম এটাচড করা যাবে না। তখন শুধু রাশিয়ান ফোরমের অপশনটা থাকবে। আর একবার রাশিয়ান ফোরাম এটাচড করলে তার জন্য শুধুমাত্র ইংলিশ ফোরামের অপশন বাকি থাকবে। দুটো ফোরামই একটিভ এবং প্রতিদিন শত শত ইউজাররা ফোরাম পোস্ট করছে।
  12. আপনার পারসোনাল ইনবক্সে চেক করুন। মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছে। আর অনেক একাউন্ট ওপেন করা বলতে কী বোঝাচ্ছেন ঠিক বুঝলাম না। যদি বন্ধু-বান্ধবসহ সবাই মিলে আলাদা আলাদা প্রত্যেকেই একটি করে অনেক একাউন্ট ওপেন করতে চান। কোনো সমস্যা নেই করতে পারেন। কিন্তু একজনই যদি একের পর এক নতুন একাউন্ট করতে থাকে তাহলে তাকে অচিরেই কর্তৃপক্ষ ব্যান করে দেবে। টেকনিক্যাল বিষয়ে তারা এক্সপার্ট নিয়োগ দিয়ে রেখেছে। অটোমেটেড সিস্টেমও এগুলো ডিটেক্ট করতে পারে। একই আইপি থেকে এাধাধিক একাউন্ট ওপেন করা কেউ পছন্দ করবে না। এমনকি এই bdforexpro এর এডমিনগণও করবেন না।