Search the Community

Showing results for tags 'bdforexpro'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


  • সাধারণ ফরেক্স সহায়তা
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা, ট্রেডিং স্ট্রেটিজি, নিউজ এবং সিগন্যাল সম্পর্কিত
    • ফোরাম ও পোর্টাল সহায়তা
    • সাধারণ ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • নিউজ, সিগনাল ও এনালাইসিস
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • ট্রেডিং স্ট্রেটিজি
    • ফরেক্স স্টাডি
  • বিজ্ঞাপন
    • কমার্শিয়াল কন্টেন্ট
    • ক্রয়-বিক্রয়-এক্সচেঞ্জ
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার (প্লাটফর্ম-মেটা ট্রেডার)
    • ইন্ডিকেটর
    • অটোট্রেডিং
    • মেটাট্রেডার ৪, ৫
  • ফরেক্স ব্রোকার সম্পর্কিত
    • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স অফার
    • পেইমেন্ট মেথড
  • অফ-টপিক

Categories

  • সাধারণ ফরেক্স বই
  • টেকনিক্যাল এনালাইসিস
  • ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস
  • ক্যান্ডলেস্টিক এনালাইসিস
  • ইনডিকেটর

Group


ওয়েবসাইট URL


ইয়াহু(Yahoo)


স্কাইপ(Skype)


ঠিকানা


ইচ্ছা/আগ্রহ/শখ

Found 60 results

  1. ফরেক্স উম্মাদনা বনাম বাংলাদেশী ট্রেডারদের ভবিষ্যৎ শংকা ডাক-ঢোল পিটিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরের নামীদামী হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গুলোতে চলছে ফরেক্স ট্রেডিংয়ের উপর ব্যাপক সভা সেমিনার।এসব সভা সেমিনারের আয়োজক,আলোচক ও অতিথিবৃন্দ কে লক্ষ্য করে দুএকটি কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।তবে আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির সাথে আপনি একাত্মতা পোষণ নাও করতে পারেন।কিন্তু একজন ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে নিজের অনুভূতি ও আশংকাটি শেয়ার করলাম। ফরেক্স বিশ্বের সর্ববৃহৎ ট্রেডিং মার্কেট এটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু কয়জন ব্যাক্তি এ মার্কেট প্লেসে সফলতা পেয়েছে, এ প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেখতে পাই মাত্র ৫ থেকে ১০% ব্যাক্তিই এখানে সফল, বাকি ৯০-৯৫% লোকই ব্যর্থ।আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে এত বৃহৎ মার্কেট প্লেস হিসেবে এখানে ট্রেডারদের সফলতার পরিমাণ বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু হয়েছে উল্টো । অর্থাৎ মার্কেটপরিধি আর ট্রেডারদের অবস্থান সম্পূর্ন বিপরীতমুখী।সে যাইহোক এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন বৃহৎ অংশ ফরেক্স মার্কেটে ব্যর্থ হচ্ছে? অবশ্যই এর পিছনে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও আমার দীর্ঘ ৮ বছরের ট্রেডিং অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বিষয় পয়েন্ট আউট করেছি যা আপনাদের জন্য শেয়ার করলাম। ০১। ভাল কোন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট না থাকা। যেখান থেকে একজন নবীন যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। ০২। ডিপোজিট উত্তেজনাঃ অর্থাৎ ট্রেডিং কনসেপ্ট ভাল করে আয়ত্ত করার পূর্বে নিজের সঞ্চয়,ব্যবসায়িক পুঁজি বা হেল্প লাইন থেকে ধার-দেনার মাধ্যমে ডিপোজিট করে নিজের ভাগ্য পরীক্ষায় নেমে পড়া। ৩। নিজেকে সর্বজ্ঞ ভাবাঃ অর্থাৎ দুয়েকটি বিষয় জেনে বা দুই তিন মাসের ডেমো প্রেক্টিস কিংবা দু’একটি একাউন্ট জিরো হওয়ার পর নিজেকে অনেক বড় জ্ঞানী ভাবতে শুরু করা। ৪। একাকিত্বঃ আত্মঅহমিকা বা সংকীর্ণ মনোভাব। যদি ট্রেডিং জগতে আপনি ব্যর্থ হয়ে থাকেন তবে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, আপনি কোন স্তরে ছিলেন বা এখনো আছেন। যাইহোক আসল প্রসঙ্গে আসি।“ফরেক্স ট্রেডিং” বাক্যটি কারো কাছে টাকা কামানোর মেশিন আবার কারো জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ।এখন টাকা কামানোর মেশিন কার জন্য ? হুম, মেশিন হচ্ছে তাদের জন্য যারা বিচক্ষণতার সাথে শত প্রতিকুলতা পেরিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরিতে সক্ষম হয়েছে এবং ট্রেডিং মার্কেটের প্রকৃত চরিত্র ধরতে পেরেছ। অপর দিকে নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ হচ্ছে তাদের জন্য, যারা প্রাপ্ত বয়স্ক,শিক্ষিত ও মেচুয়েট হওয়া সত্ত্বেও এ মার্কেটে বাচ্চা সুলভ আচরণ করেন। বর্তমানে যারা ডাক-ঢোল পিটিয়ে সভা সেমিনার নিয়ে ফরেক্স উম্মাদনায় মেতে উঠেছে এরা সে দলেরই অংশ বিশেষ।এদের উল্লেখযোগ্য অংশই ঝরে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। ফরেক্স হচ্ছে অতি সুন্দরী,সুসজ্জিত রমণীর মত, যার নেশা আপনার সর্বশ্য কেড়ে নিবে। নিঃসন্দেহে এটি সেসব লোকদের জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ যারা টাকার নেশায় বিভোর।ফরেক্স সাধনার বিষয়,এখানে অধ্যবসায় প্রয়োজন।এটি ততটা সহজ নয় যতটা আপনি ভাবছেন।এর লুকিং এবং রিয়েলিটি ভিন্ন। সুতরাং দুএকটি সেমিনার,ওয়েবিনার বা দিন কয়েক ডেমো প্রেক্টিসের পর যদি কেউ ভাবে,তার মার্কেট বুঝা হয়েগেছে তবে নিঃসন্দেহে সে নিঃস্ব হওয়ার পথেই এগোচ্ছে।এখানে নিজেকে সংযত রাখা অনেক দুরূহ বেপার।টিকে থাকার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মনীতির বাইরেও উপস্থিত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। তবে খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যাদের উম্মাদনা ও উত্তেজনা বিবেকের উপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারেনা।তারা এ বিজনেসের পজিটিভ নেগেটিভ উভয় দিক বিশ্লেষণ করেই অগ্রসর হয় । আর পরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো সময়ের ব্যবধানে ঠিকই তাদেরকে একটি নির্ভরযোগ্য অর্জন এনে দেয়। সূতরাং প্রতিটি নবীনের প্রতি অনুরোধ কারো প্ররোচনায় এসব দৌড়ঝাঁপ থেকে বিরত থাকুন। আর নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন ট্রেডিং মার্কেটের চাপ সহ্য করার সামর্থ আপনার আছে কিনা। কারন ট্রেডিং পেশা মানেই মানসিক চাপের বিজনেস যা সবার জন্য নয়। আপনাকে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আর তা হচ্ছে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনাকে মোটিভেট করে এক শ্রেনীর লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার প্রয়াস চালাবে। হয়তো আপনি কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ঝড়ে পড়বেন। এতে করে ৯০% ক্ষতিগ্রস্ত লোকের পাল্লাই ভারী হবে। বর্তমানে কিছুকিছু ফরেক্স ব্রোকার এমনও আছে যারা আইবি হোল্ডার(ব্যবসায়িক প্রতিনিধি)-দের মার্জিন কলের বিপরীতে ৪০% পর্যন্ত ফেরত দেয়ার প্রস্তাব করে থাকে। ফলে রেডিসন ব্লু-তে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে প্রোগ্রাম করলেও মাত্র ১০০০ ডলারের একজন ক্লায়েন্টের লুজিং ফান্ড থেকেই সেটা তারা পুষিয়ে নিবে। এখন নিজে কে জিজ্ঞাসা করুন আপনিই সেই হতভাগ্য ব্যাক্তি কিনা যে মার্কেট বুঝার আগেই বিনিয়োগে চলে গেছে ? উপরোক্ত আলোচনা তে অনেকেই হয়তো মনক্ষুন্ন হচ্ছেন। কিন্তু আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি কারো প্রতিপক্ষ নয় বরং দীর্ঘ ট্রেডিং জীবনের অভিজ্ঞতা ও নীতি আদর্শ থকেই নতুনদের সতর্ক করছি। কারন নবীন ট্রেডারগন কোন লাইনে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটা আমি ভাল করেই জানি। আপনারা সহপাঠী,পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের আর্থিক ক্ষতি না করে তাদের কে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান করুন।নিজেদের অর্জন দিয়ে কথা বলুন।সেটা উভয়ের জন্য মঙ্গল। আমি জানি ব্রোকারের তুলনায় আপনাদের লাভের পরিমান অতি নগণ্য।কিন্তু তাই বলে আপনারা অন্যকে পথে বসিয়ে দেয়ার বুদ্ধি দিতে পারেন না।ড্রাইভিং পেশা যেমন সবার জন্য নয় ঠিক তদ্রুপ ফরেক্সও সবার জন্য নয় এটা আপনাদের বুঝতে হবে। ওয়ারেন্ট বাফেট আর বিল গেটসের ব্যবসা বলে আপনিও ঝাঁপ দিতে পারেন না। এখানে অবশ্যই কিছু নিয়মনীতি আছে। বেসিক কন্সেপ্ট, টেকনিক্যাল,ফান্ডামেন্টাল,সেন্টিমেন্টাল,রিস্ক মেনেজমেন্ট, কারেন্সি এনালাইসেস,কো-রিলেশন, ইম্পেক্ট এনালাইসিস,পলিটিকেল ইস্যু,গোল সেটাপ,ট্রেডিং প্লান ও স্ট্রটিজির মত অতি আবশ্যক স্টেপগুলো সম্পন্ন করেই সামনে এগুতে হয়। এজন্য সময় প্রয়োজন। একজন নবীন ফরেক্স ট্রেডার কখনো এসব বুঝবেনা ? আর আপনারাও সে বোঝা উঠাবেন না ? কারন এত দীর্ঘ চিন্তা করলে আপনাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে। তাছাড়া আপনাদের যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভাবা উচিত, তা হচ্ছে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে এখনো ফরেক্স স্বীকৃত নয়।আজ যে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নিয়ে সরকার মিলিয়ন ডলার আয়ের স্বপ্ন দেখছে এর চেয়ে বৃহৎ সম্ভাবনা হচ্ছে ফরেক্স মার্কেট। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে রাষ্ট্রের এসব নিয়ে চিন্তা করাতো দুরের কথা এদের অধিকাংশই এসব বুঝে না।সুতরাং প্রতিকূল পরিবেশে এমন ডাক-ঢোল না পিটিয়ে আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা করুন। যেদিন স্বীকৃতি আসবে, যেদিন বাংলাদেশী ফরেক্স ব্রোকারে ট্রেড করার সুযোগ তৈরি হবে সেদিন ডাক-ঢোল পিটালেও সমস্যা নেয়। আমাদের এটা মনে রাখা উচিত যে এদেশের জনগণ বিগত ১০ বছরে শেয়ার বাজার সহ বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানির ব্যানারে নিঃস্ব হয়েছে। তাছাড়া ব্যাংকিং খাতেও ব্যাপক হরিলুট হয়েছে,হচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের অধিকাংশই নিজেদের সুন্দর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রত্যাশায় উন্নত বিশ্বে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে স্বর্গরাজ্য তৈরি করছে।আর এসব কিছু এখন নিত্যদিনের ঘটনা। আজ রাষ্ট্রীয় চোর আর অর্থআত্মসাৎকারী ভিআইপিদের গাড়ির বহর জনতার পথচলা আটকিয়ে দেয়।হাজার কোটি টাকা পাচারকারীদের দুর্নীতির প্রমান থাকলেও কোন আইনী নোটিশ নেই। কারন তাদের রয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়,শিল্পপতির পরিচয়, আরো রয়েছে মামার পরিচয়।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আইনি নোটিশ হচ্ছে সেসব লোকদের জন্য, যাদের এসব পরিচয় নেই।যারা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বের হতে না পেরে সর্বশেষ অনলাইন ট্রেডিংয়ে মনোনিবেশ করেছে, যারা ঘরে বসে, কাউকে না ঠকিয়ে,অনৈতিক কাজে না জড়িয়ে নিজের মেধাশক্তি ও শিক্ষা যোগ্যতা কে কাজে লাগিয়ে নামমাত্র পুঁজি ব্যবহার করে পরিবারের ভরণপোষণ যোগাচ্ছে এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন বুনছে। সুতরাং নীতিনির্ধারকদের চিন্তা-ভাবনা,দৃষ্টিভঙ্গি এবং দেশের আইন যে সকলের উপর সমান প্রয়োগ হয় না এটা এদেশের নাগরিক হলে এত দিনে বুঝার কথা। তাই প্রতিকূল পরিবেশে ফরেক্স বিষয়ে অতিরঞ্জন প্রত্যাশা করি না। ফরেক্স কে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে সংযমী হোন। দধি কে চুন বানাবেন না। আপনাদের অতিরঞ্জনের ফলে যারা ফরেক্স নিয়ে বেচে আছে এবং যারা সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখছে তাদের সবকিছু ধুলোয় মিষে যাবে। এমনিতেই চাকরির বাজারে হাহাকার। তার উপর ভাল কোন ব্যবসার জন্য প্রয়োজন বৃহৎ পুঁজি। এমতবস্থায় যারা নামমাত্র পুঁজি নিয়ে নিরবে নিবৃত্তে সাচ্ছন্দে ফরেক্স নিয়ে জীবন পার করছে আপনাদের মত আগাছা,উম্মাদ,অপরিণামদর্শী, স্বার্থান্বেষী মহলের বাড়াবাড়ি হয়তো তাদের জীবন প্রবাহ কে থামিয়ে দিবে।আপনাদের করণীয় হচ্ছে ব্যাক্তিগত অর্জন ও অবস্থান শক্ত করা। তাহলে অধিকার নিয়ে কখনো সামনে দাড়াতে পারবেন। অন্যথায় উভয় সংকটে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং অন্যের পথও রুদ্ধ হয়ে যাবে। একজন ট্রেডার হিসেবে নিজের শংকাটি তুলে ধরলাম । আশা করি বিচারকের ভূমিকায় নিরপেক্ষ ভাবে বিষয়টি অনুধাবন করবেন। ------------------------------------------------ Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online training academy
  2. যারা ফরেক্স প্রফেশনালি ব্যবসা করতে চাইছেন এবং একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরির কথা ভাবছেন; ********************* তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ************************ বাংলাদেশের জনপ্রিয় এবং Established ফরেক্স প্রফেশনাল ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম www.bdforexpro.com’ তার সমস্থ এসেট তথা কনটেন্ট Copyright সত্ত্ব সহ সকল সোশ্যাল Presence বিক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; তাই ব্যবসা করতে আগ্রহি নিম্নলিখিত সুবিধায় যারা উক্ত রেডি প্ল্যাটফর্মটি ক্রয় করতে আগ্রহি শুধুমাত্র তারাই যোগাযোগ করুন; ************* বিডিফরেক্সপ্রো’র বর্তমান Line up ******************* ১। কমার্শিয়াল লাইসেন্স প্ল্যাটফর্ম তাই সম্পুর্ন নিরাপদ; ২। প্লাটফর্মে ব্যবহারিত সকল প্লাগিন,এক্সটেনশন Genuine Core Purchase. ৩। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফরেক্স লার্নিং কোর্স 'ফরেক্স বিগেনার টু প্রো' বই বিশাল কনটেন্ট সত্ত্ব; ৪। ৪০০০ ইউনিক ফরেক্স কন্টেন্ট। ৫। ৪৩০০+ রেজিস্টার মেম্বার মোবাইল নাম্বার সহ। ৬। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফরেক্স লার্নিং সম্পুর্ন বই কন্টেন্ট সত্ত্ব। ৭। Facebook, Google,YouTube, Skype & Twitter এর ব্র্যান্ডিং Existence; ------- https://www.facebook.com/bdforexpro/ ------- https://www.facebook.com/groups/bdforexpro/ ------- https://plus.google.com/+bdforexpro ------- https://www.youtube.com/c/bdforexpro ------- https://twitter.com/bdforexpro & Skype: bdforexpro (a large number of contacts) ৮। ৬ বছর লাইভ মার্কেটে পরিচালিত. ৯। Google, Bing, Yahoo ইন্ডেক্স - পেইজ # ১ ১০। 9K+ Organic Facebook Fan page ১১। Bdforexpro এর আরেকটি কনসার্ন banglaforexacademy.com ও দেওয়া হবে; ------ https://www.facebook.com/banglaforexacademy/ ১২। এবং অন্যান্য; পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে পরিচালনায় অপারগ তাই প্ল্যাটফর্মটি বিক্রির সিদ্ধান্ত; যারা এই ফিল্ডে আছেন তারা জানেন এই রকম একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে কি ব্যবসা হতে পারে; তারপর ও সুবিধার জন্য বলছি পর্যাপ্ত সময় এবং মেধার ব্যবহারে প্রতিমাসে ন্যূনত্বম ১০০০+ ডলার এবং সর্বচ্চ আনলিমিটেড ব্যবসার সুযোগ রয়েছে; প্রয়োজনে আর্নিং সম্পর্কে বিস্তারিত গাইড করা হবে; প্রাইস এইখানে বলব না, ভালো বাজেটের একটা প্রফেশনাল প্রডাক্ট হিসেবে যারা আগ্রহি শুধুমাত্র তারাই যোগাযোগ করুন; 01625343040 ধন্যবাদ;
  3. ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বনাম ইউরোর ভবিষ্যৎ আগামী ০৭ই মে রবিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চুড়ান্ত লড়াই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও মেরিন লা পেন এ দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনই হতে যাচ্ছেন ফ্রান্সের ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট।আর এ নির্বাচন কে কেন্দ্র করেই চরম অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুদ্রা বাজার ফরেক্স মার্কেটে। বিশেষ করে EUR/USD, USD/CHF,GBP/USD উক্ত তিনটি মূদ্রা জোড়ে প্রথম দফা নির্বাচন থেকে শুরু করে এপর্যন্ত অস্থিরতা বিরাজ করছে।তবে আগামী ৭ই মে এঅস্থিরতার অবসান ঘটতে চলেছে । সূতরাং নির্বাচনের প্রভাবে কি ঘটতে পারে সেটায় এখন দেখার বিষয়।তবে ক্ষুদ্র জ্ঞানের উপলব্ধি থেকে ব্যাক্তিগত মূল্যায়নটি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়ন উভয় প্রাথীর নির্বাচনী বক্তব্য,প্রতিশ্রুতি ও ব্যাক্তিগত জীবন মূল্যায়ন করলে এটা প্রতিয়মান হয়ে যে ইউরোপীয়পন্থী ম্যাক্রোঁ নির্বাচিত হলে সেটা হবে ইউরোপের জন্য কল্যানকর।কারন ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন অর্থমন্ত্রী। তিনি নির্বাচিত হলে বর্তমান ইউরোজোনের অভিবাসন,অর্থনীতি ও ফরাসি নাগরিকদের ভবিষ্যত ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন রাজনৈতিক ইস্যুগুলোর সমাধান হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আপর দিকে ৪৮ বছর বয়সী ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টির নেতা লা পেন নির্বাচিত হলে ইউরোপ চরম সংকটে পড়বে বলে ধারনা করছেন অনেকেই। কারন তিনি হচ্ছেন কট্টর ডানপন্থী নেতা। তিনি বর্তমানে ইউরোজোনের অনেক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কট্টর বিরোধী।তার মতাদর্শ হচ্ছে সংস্কার বা নতুন করে সাজাও।যা ইউরোপের চলমান রাজনৈতিক ইস্যু সহ বিভিন্ন সেক্টরে বিরাজমান অস্থিতিশীলতাকে আরো উস্কে দিতে পারে।তবে আশ্চর্য জনক বিষয় হচ্ছে প্রথম দফার নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ২৩.৫৪ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে এবং লা পেন ২২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ২য় স্থানে অবস্থান করছেন ।এক কথায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যাকে বলে এখানে কোন পক্ষ কে এগিয়ে দেয়া যাচ্ছে না। ফান্ডামেন্টালের এপিঠ ওপিঠ বিগত দিনে ঘটে যাওয়া দুই দুইটি রাজনৈতিক ইস্যুর দিকে যদি আমরা তাকাই তবে একথা প্রতিয়মান হয় যে নির্বাচনী বিশ্লেষন ততটা প্রতিফলিত হয়না যেমনটি আমরা দেখেছি ব্রেক্সিট ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। কারন অনেক বিশ্লেষকের ব্রেক্সিট মূল্যায়ন ছিল পজিটিভ এমন কি ব্রেক্সিটের জন্য আন্দোলনকারীগনও এটা প্রত্যাশা করেনি যা পাউন্ডের ইতিহাসে ঘটে গেছে।ঠিক একই ভাবে আমেরিকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প কে অর্থনীতির জন্য আশনি সংকেত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছেল। কিন্তু পরবর্তিতে যা ঘটেছে তা সবারই জানা আছে। সূতরাং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ও লা পেন কে নিয়ে আমাদের যে কোন মূল্যায়ন মুদ্রা বাজারে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।সূতরাং নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট গেপ দিয়ে ওপেন হবে এই প্রত্যাশায় কারো প্ররোচনায় পড়ে উদ্ভট চিন্তা ভাবনা ও উত্তেজনা পরিহার করতে হবে। ফ্রান্সের নির্বাচনে আমাদের ট্রেডিং কৌশল কেমন হতে পারে? ********************************************************* হুম,আমরা অবশ্যই একটি রক্ষণাত্মক কৌশলে মার্কেটে প্রবেশ করতে পারি। যা তুলনা মূলক ভাবে অনেক বেশি নিরাপদ ও লাভজনক।তবে এটি লং টার্ম ট্রেডারদের জন্য প্রয়োজ্য । প্রথম ধাপঃ ট্রেডিং কৌশল টি বুঝতে প্রথমে আপনার মেটা ট্রেডার সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। অতপর EUR/USD (D1) চার্টের দিকে তাকান। উক্ত মুদ্রা জোড়ে আপনি তিনটি প্রাইজে হরিজ্যান্টাল লাইন বাসান। প্রথম প্রাইজঃ 1.13000 (স্ট্রং সাপ্লাইজোন) দিত্বীয় প্রাইজঃ 1.0870 (বর্তমান অবস্থান) তৃতীয় প্রাইজঃ 1.0370 (স্ট্রং ডিমান্ড জোন) দ্বিতীয় ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট যদি 1.0870 (দ্বিতীয় প্রাইজ)এর নিচে নেমে আসে তবে মূল্য পতনের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।অর্থাৎ মার্কেট ডিমান্ড লেভেল কে টার্গেট করতে পারে।বিপরিতে সাপ্লাইজোন কে টার্গেট করতে পারে।তাই এনএফপি প্রভাব চলাকালীন আপনি রক্ষনাত্তক অবস্থানে ট্রেড করবেন এবং প্রাইজ মনিটরিং করবেন। তৃতীয় ধাপঃ আপনি ইউএস সেশন ক্লোজ হওয়ার আধা ঘন্টা পূর্বে অর্থাৎ মার্কেট অফ হওয়ার অধা ঘন্টা বা ২০ মিনিট পূর্বে প্রাইজ মূল্যায়ন করে ২/১ হেজিংয়ে যেতে পারেন। অর্থাৎ যদি মার্কেট 1.0870 থেকে 1.0950 এই রেঞ্জে উর্ধমুখী প্রভাবে থাকে তাহলে আপনি ০.০২ ভলিয়মে লং পজিশন গ্রহন করতে পারেন। এক্ষেত্রে মার্কেট গেপ হলে ১.১৩০০ পর্যন্ত প্রথামিক ভাবে গেফ হতে পারে। পাপাশাপাশি ০.০১ এ একটি শর্ট পজিশনও কার্যকর করতে হবে।যেন বিপরিত কিছু হলে অন্তত ৫০% বেকাপ থাকে।আর যদি প্রাইজ 1.0870-র নিচে পড়ে যায় তাহলে একই নিয়মে ২/১ এ শর্ট পজিশন গ্রহন করবেন।পাশাপাশি একটি লং পজিশনও। চতুর্থ ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট গেপ আপ বা ডাউন যাইহোক না কেন উক্ত দুটি লেভেলের ভিতরেই থাকার সম্ভাবনা বেশি। সূতরাং যদি এক্সচেঞ্জ রেট ১.১৩০০ পর্যন্ত চলে যায় এবং আর উঠার সম্ভাবনা দেখা না যায় তবে আপনি লং পজিশন ক্লোজ করে দিতে পারেন এবং ১.১৩০০ বা ১.১৪০০ রেঞ্জ থেকে প্রাইজ অ্যাকশন ফলো করে চলমান থাকা লস ট্রেডের ভলিয়ম অনুযায়ী একটি রিভাঞ্জ নিতে পারেন। পঞ্চম ধাপঃ যদি ২/১ ভলিয়মের মধ্যে ২ লসে চলে যায় তাহলে প্রাইজ এ্যাকশান ফলো করে ১ ক্লোজ করে দেয়ার পর মার্কেট মূল্যায়ন করে পুনরায় একটি রিভাঞ্জ নিতে হবে সেইম ভলিয়মে (০.০১) এক্ষেত্রে ভলিয়ম বাড়ানো যাবেনা কারন যদি মার্কেট আপনার বিপরিতে চলে যায় তখন আপনি কোন প্রকার লাভবান হচ্ছেন না। তখন রিস্কের পরিমান বেড়ে যাবে।কিন্তু যদি আপনি সেইম ভলিয়মে কন্টিনিউ করেন তবে আপনি লং টাইম ট্রেডটি ধরে রাখতে পারবেন। প্রশ্নঃ 1.0870 এ প্রাইজ রিকভারের সম্ভাবনা কতটুকু ? উত্তরঃ যারা ১০০০ ডলারে ১% রিস্কে ট্রেড করেন তাদের জন্য এখানে ঝুঁকির কিছুই নেই। আর 1.0870 এ প্রাইজটি আগে পরে রিটেস্ট হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারন এটি ইউরোর জন্য বর্তমানে একটি মিডেল পয়েন্ট।যা হেজিংয়ের জন্য উপযু্ক্ত। উল্লেখ্য যে এই কৌশলে ট্রেড কেবল তারাই করবেন যারা ফ্রান্সের নির্বাচনে কিছু রিস্ক নিতে চান। তবে যাদের স্বল্প বেলেন্স তারা নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট ওপেনিং দেখে ট্রেডে প্রবেশ করবেন। তবে যদি সোমবারের মার্কেটে কোন গেপ না হয় তবে উচিত হবে মার্কেট ওপেন হওয়ার পর উভয় পজিশন ক্লোজ করে আপনার স্বাভাবিক স্ট্রাটিজিতে ট্রেড করা। নিরাপদ হোক সবার ট্রেডিং ------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market
  4. ১৬,০৩,২০১৭ বৃহস্পতিবার , আজ রাত ১২ টায় Federal bank reserve-এর Bank interest rate ঘোষনার একটি বিশেষ মূহুর্ত৤ চলতি বছরের শুরুতে ফেডের প্রধান প্রফেসর ড.ইলিয়ান ফেডের ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ০.৭৫% এ বৃদ্ধির সময় ঘোষনা করেছিলেন যে চলতি বছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালে আরো তিন দফায় ব্যাংক সূদের হার বাড়ানো হবে৤ সে হিসাবে আজকের FOMC মিটিং খুবই তাৎপর্যপূর্ন হিসাবে বিবেচনা করছি৤ কারন গত মিটিংয়ে তারা ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কে এগিয়ে রেখেছিলেন চলতি মাসের জন্য৤ তাই আজ কে ফেড এবিষয়ে চূড়ান্ত একটি ফলাফল অবশ্যই প্রকাশ করবেন এটাই প্রত্যাশা৤ - কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ফেডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কতটুকু ? যদি আমরা বিগত দিনের ইকোনমিকেল ইভেন্টস বা কী ইভেন্টসের দিকে তাকায়, তবে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯৮% বললেই চলে৤ এক্ষেত্রে আমরা তাদের বিশেষ দুটি Key indicators কে মূল্যায়ন করতে পারি৤ যেমন NFP (Nonfarm Payrolls) ও Unemployment Rate - US Department of Labor কতৃক পরিবেশিত Nonfarm Payrolls-এ দেখানো হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে কারখানা, স্বাস্থ্যসেবা খাত, খনি ও নির্মাণ খাতে দুই লাখ ৩৫ হাজার (235K) নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে যা প্রত্যাশা করা হয়েছিল 190K. এছাড়া জানুয়ারি মাসেও দুই লাখ ৩৮ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল এসব খাতে৤ ফলে বর্তমানে তাদের বেকারত্বের হারও ৪.৮% থেকে ৪.৭% এ নেমে এসেছে ৤ এক কথায় ২০১৭ অর্থ বছরের প্রথম ২ মাসে তারা যে সাফল্য পেয়েছে তাতে এটা পরিষ্কার যে, মার্কিন অর্থনীতি ট্রাম্প যোগে ভালই এগিয়ে যাচ্ছে৤ সূতরাং ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব ঘোষিত বিষয়টি আজকে প্রতিফলিত হবে এটাই স্বাভাবিক এবং ২০১৭ অর্থ বছরে ব্যাংক সূদের হার বৃদ্ধির এটাই উপযুক্ত সময় যা হতে পারে 0.75% থেকে 1.00% - ট্রেডিং মার্কেটে এর প্রভাব কি পড়তে পারে ? ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়নে মার্কিন ডলার এগিয়ে আছে এবং টেকনিক্যাল মূল্যায়নেও মার্কেটে ডলারের প্রভাব পরিষ্কার৤ সে দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মেজর কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের জন্য বিশেষ কিছু লেভেল ফিক্সড করতে পারি৤ যেমন - 01] EUR/USD : Low Target 1.0530 02] GBP/USD: Low Target 1.2000 03] USD/CAD: Up 1.3600 - কিন্তু যদি FOMC (Federal Open Market Committee) ভাল কোন স্টেটমেন্ট দিতে না পারে ,তবে মার্কিন ডলার ট্রেডার সেন্টিমেন্টে কিছুটা পিছিয়েও যেতে পারে ৤ এক্ষেত্রে আমরা বিশেষ কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের অবস্থান কি হতে পারে তার একটি টার্গেট সেট করতে পারি ৤ যেমন - 01] EUR/USD: High 1.0714 02] USD/JPY: Low 113.60 03] USD/CHF: Low 1.0000 04] USD/CAD: Low 1.3333 - সর্বপরি আজকের US TRADING SESSION-টি ট্রেডার হিসাবে আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ৤ পাশিপাশি আগামীকাল টকিও সেশনও সমান গুরুত্ববহন করছে৤ তবে ট্রেডিং সাপ্তাহের আগামী দুইদিনে মূদ্রাবাজারে অনেক উত্থানপতন হতে পারে যা ভাল একটি প্রফিটের সম্ভাবনা কে এগিয়ে দেয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকিকেও তরান্বিত করছে৤ সূতরাং ছোট ইনভেস্টরগন মার্কেটে খুবই সতর্ক ভাবে প্রবেশ করবেন এই প্রত্যাশা৤ -------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market Admin:Forex online training academy Bangladesh.
  5. সম্মানিত পাঠক, Forex business guide উক্ত টপিকে আজকে আমি আপনাদের সাথে ফরেক্স ক্যারিয়ার ও বিজনেস গাইড বিষয়ক একটি আলোচনা শেয়ার করছি।তবে এটি হচ্ছে আমার ব্যাক্তিগত অভিব্যক্তি যা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। চলুন তাহলে আমরা আলোচনা শুরু করি। ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে আমরা যারা পূর্বে থেকে আবগত আছি তারা অবশ্যই বেসিক বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত।সূতরাং বেসিক আলোচনা দিয়ে অযথা আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করতে চাই না। অতএব কথা না বাড়িয়ে কয়েকটি প্রশ্নের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করা যাক। প্রশ্নঃ১. ফরেক্স মার্কেট ও ফ্রিল্যান্সিং (আউটসোর্সিং) কি একই বিষয় নাকি এখানে ভিন্নতা আছে উত্তরঃ ইন্টারনেট ভিত্তিক যে কোন স্বাধীন কর্ম কে ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সিং শুধু মাত্র বিদেশী কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক কর্মের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। অতএব যদি আপনি ঘরে বা অফিসে বসে দেশিও কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়েও কাজ করেন তবে সেটাও ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং)হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ পেতে কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়না। প্রয়োজন হয় শুধুমাত্র অতীতের কিছু সফলতার প্রমান বা দক্ষতার প্রুফ।যার কারনে নবগতদের জন্য এটি খুবই চ্যালেঞ্জিং মার্কেট প্লেস। পক্ষান্তরে ফরেক্স হচ্ছে বিনিয়োগ নির্ভর ট্রেডিং প্লেস। এটি বিজনেস, যাকে বলা হয় ট্রেডিং অর্থাৎ যেখানে ক্রয়-বিক্রয় বিদ্যমান। সূতরাং স্বাধীন কর্মক্ষেত্র হিসেবে ফরেক্স ফ্রিল্যান্সিং শব্দের আওতাভুক্ত হলেও বস্তুত উভয়ের মাঝে বিশাল ফারাক বিদ্যমান। প্রশ্নঃ২. ফরেক্স ক্যারিয়ার কি শুধু মাত্র সফটওয়্যার কেন্দ্রিক, ফরেক্স মার্কেট প্লেস কি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার হতে পারে? উত্তরঃ এ প্রশ্নের উত্তরে ব্যাক্তিগত ভাবে আমি ফরেক্স মার্কেটের বিশালতা নিয়ে আমাদের যুব সমাজ কে ভাবতে অনুরোধ করব।কারন আমাদের মাঝে একটি ভুল ধারনা প্রচলিত আছে যে “ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিং ছাড়া উপার্জনের ভিন্ন কোন সুযোগ নেই” । আমার ব্যাক্তিগত অভিব্যক্তি হচ্ছে এ ধারনাটি শুধু মাত্র অজ্ঞতার পরিচয় বাহক।কারন ফাইভ ট্রিলিয়ন মার্কেট কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বহুমুখী আয়ের উৎস সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারনা না থাকার ফলে এমনটি ধারনা পোষণ করা লোকের সংখ্যা প্রায় ৯৮% । অথচ ফরেক্স মার্কেট কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা এসব আয়ের উৎস সম্পর্কে যদি আমাদের পর্যাপ্ত পরিমান জ্ঞান থাকতো তবে শুধু মাত্র ট্রেডিং কেন্দ্রিক চিন্তার জগতকে সীমিত না রেখে আমরা সে সব উৎস নিয়েও কাজ করে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতে পারি। অথচ সে দিকে অমাদের কোন দৃষ্টি নেই। আমরা ফরেক্স বলতে শুধু মাত্র মেটাট্রেডার সফটওয়ারের দিকে তাকিয়ে থাকাকেই বুঝি। আমাদের ট্রেডারগন এর বাইরে চিন্তাই করতে পারছেনা। এটা অবশ্যই হতাশাজনক। প্রশ্নঃ-৩. ফাইভ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কেট প্লেসে একজন ট্রেডারের শুরু কি ভাবে হওয়া উচিত ব্যাক্তিগত ভাবে আমার পরামর্শ হচ্ছে, যারা ফরেক্স কেন্দ্রিক ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন তাদের প্রথম কাজ হচ্ছে কোন অভিজ্ঞ ট্রেডারের শরণাপন্ন হওয়া এবং তার নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করা।এজন্যে যারা অভিজ্ঞ ও প্রফেশনাল ট্রেডার, ট্রেডিং জীবনে যারা পিছিয়ে যায়নি, যাদের সফলতার স্বাক্ষর আছে, তাদের হাতে নিজেকে অর্পণ করা। অন্যথায় ফরেক্স মার্কেটে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক ব্যাক্তি কে অথৈ সাগরে বৈঠা বিহীন নাবিকের ভাগ্য বরণের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রশ্নঃ-৪. অধিকাংশ ফরেক্স ট্রেডার ঝরে যাওয়ার পেছনে কারন কি ? উত্তর: শুধু ফরেক্স মার্কেট নয় বরং ফ্রিল্যান্সিং জগতেও বিশাল একটি অংশ ঝড়ে পড়ছে। তবে যেসব কারনে ফরেক্স ট্রেডারগন ট্রেডিং মার্কেট থেকে ঝড়ে যায় তা নিম্মে উল্লেখ করছি। ০১) সমন্বয়ের অভাব। অর্থাৎ পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে ব্যর্থ হওয়া ।ফলে নিজের মত চলতে গিয়ে অধিকাংশ নবীন এ মার্কেট থেকে ঝড়ে পরে। ০২) আত্মঅহমিকা বা অহংকার। অর্থাৎ “আমি কি কম বুঝি” “অনলাইনে সব কিছুই আছে সূতরাং অন্যের শরণাপন্ন হতে হবে কেন”? ০৩) ট্রেডিং সিগনাল বা রোবটের পিছনে দৌড়ানো। বর্তমানে আমাদের মাঝে অনেক ভাই এমন আছেন, যারা এসবের পিছনে দৌড়ান। আবার কেউ কেউ নাকি বিদেশ থেকে সিগনাল হায়ার করে আনেন …! অবাক হচ্ছেন ? অবাক হওয়ার কিছু নেই এমন লোকও আমাদের মাঝে আছেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, যে সব লোকের সিগনালে তারা ট্রেড করেন, মাইএফএক্সবুক বা ফরেক্স ফ্যাক্টরিতে এসব ট্রেডারের ব্যাক্তিগত কোন প্রোফাইলই নেই । আছে শুধু একটি ফেইক ফেইসবুক আইডি ও ছবি। যা দেখলে মনে হবে বিশাল ফরেক্স গুরু। বস্তুত এটা শুধু মাত্র নিছক ছলনা। এছাড়া আমাদের বড় একটি সমস্যা হচ্ছে আমরা মনে করি আমাদের দেশে ভাল কোন ট্রেডার নেই। সবায় ভুয়া,ট্রেড বুঝেনা। ফলে একটু বিদেশী কারো নাম শুনলে হুমড়ি খেয়ে পড়তে আর দেরি হয়না। অনেকটা এনার্জি ড্রিংক স্পীড কোম্পানীর বিজ্ঞাপনের মত। দে দৈড়……. ৪) সঠিক বিজনেস কন্সেপটের অভাব। অর্থাৎ মার্কেট গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়া। এজন্য ব্যাক্তিগত ভাবে আমি সকল ফরেক্স ট্রেডার কে সাজেস্ট করি তারা যেন নিজেদের মধ্যে একটি গ্রুপ তৈরি করে নেয়। অথবা কোন প্রফেশনাল ট্রেডারের সহচর্য গ্রহন করে। কারন সহচর্য ছাড়া ভাল কিছু অর্জন করতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে যা অনেকের জন্য দুষ্কর। এখন প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে আপনি কি কারো সহচর্য গ্রহন করেছেন বা করেছিলেন ? উত্তর: না, কারন ২০০৯ বা ১০-এ যারা ফরেক্স ট্রডিং শুরু করেছিল তাদের কে সাপোর্ট দেয়ার মত কোন লোকই ছিলনা, যারা এ বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতো। বরং তখনকার সময়টা এমনই ছিল যে, একটি ডেমো একাউন্ট খোলার নিয়ম যে জানত অথবা নো-ডিপোজিট বোনাস নিয়ে দেয়ার সিস্টেম যে জানত, সেও টাকা চেয়ে বসে থাকতো।অর্থাৎ সে সময়টি ছিল অজ্ঞতার রাজত্ব। অনেকটা আদিম যুগের মত, যে যার মত করেই বাচ ।এজন্যই ট্রেডিং জীবনে অধিক ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে। এবং অপ্রত্যাশিত অনেক জটিলতার মুখোমুখি হয়েছি।কোন হেল্পলাইন ছিল না। ?প্রশ্নঃ-৫. ফরেক্স ক্যারিয়ারের পূর্ণাঙ্গ সাজেশন কিভাবে পাওয়া যেতে পারে উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকেই ফরেক্স ট্রেডিং শিখিয়ে থাকেন । তারা অবশ্যই নির্দিষ্ট একটি ফরমেট বা সিলেবাসে ট্রেনিং অফার করে থাকবে। সূতরাং যদি সার্বিক বিবেচনায় তার ট্রেনিং ফরমেট টি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তবে আপনি তার হাত ধরেই এজগতে প্রবেশ করতে পারেন। তিনি অবশ্যই আপনাকে সার্বিক বিষয়ে সাজেষ্ট করবে। কারন তিনি এজগতে ক্যারিয়ার গড়েছেন। প্রশ্নঃ-৬. ফরেক্স মার্কেট থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কি এবং এটি কতটুকু সম্ভাবনাময় উত্তর: ফরেক্স হচ্ছে ডি সেন্ট্রালাইজড মার্কেট। এ বিজনেসের ব্যাপ্তি বিশ্বব্যাপী। ইউরোপ, আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া,আরব বিশ্ব,চীন সহ সমগ্র বিশ্বের উন্নত দেশে এটি উম্মোক্ত।এমনকি টোকিও,লন্ডন,নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রেডারগন পর্যন্ত ফরেক্স ট্রেডিং এর সুবিধাগুলো বিবেচনা করে ট্রেডিং পেশা হিসাবে ফরেক্স মার্কেট কেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।ফলে ব্যাংক ডিপোজিট সহ সার্বিক কার্যক্রম তারা উম্মোক্ত ভাবে করতে কোন প্রকার অসুবিধার সম্মুক্ষীণ হচ্ছেনা। যদিও কোন দেশে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে এ বিজনেসের বৈধতা দেয়া হয়নি।তথাপি ডি সেন্ট্রালাইজড মার্কেট হিসাবে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং মার্কেট।যার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। সে দৃষ্টিকোন থেকে আমরা বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন পিছিয়ে আছি। কারন বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন এখনো ডিপোজিট এবং উইথড্রর ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত।ফলে বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের ই-ওয়ালেট হিসেবে পরিচিত স্ক্রীল,নেটেলার ও পে-অনারের মত পেমেন্ট মেথড ব্যাবহার করে লেনদেন করতে হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য যদি ব্যাংকিং সেবাটি চালু করা যেত তবে এ সেক্টর থেকে উপার্জিত ফরেন কারেন্সির নির্দিষ্ট হিসাব করা যেত। যা দেশের অর্থনীতিতে অকল্পনীয় অবদান রাখতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি। এ বক্তব্যের যৌক্তিকতা হিসাবে ফরেক্স মার্কেটে আমি আমার ব্যাক্তিগত অবস্থানের কথা উল্লেখ করতে পারি। যেমন ২০১৫ থেকে ২০১৬ অর্থ বছরে শুধুমাত্র ট্রেডিং সেক্টর থেকে সর্বমোট আয়ের পরিমান ছিল প্রায় ১৬,০০০/= মার্কিন ডলার। যদিও ট্রেডিং ক্যারিয়ারে আমি পকেট থেকে কোন অর্থ বিনিয়োগ করিনি এবং সে সামর্থ্যও ছিলনা।এটি হচ্ছে হাজার হাজার ফরেক্স ট্রেডারের মাঝে একজন সিঙ্গেল ফরেক্স ট্রেডারের অর্জন। বর্তমানে ফরেক্স নিয়েই আমার ক্যারিয়ার । ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ১ মাস ,১ সাপ্তাহ,১ দিন বা এক ঘন্টার জন্যও কোথাও চাকুরি করতে যায়নি এবং আজ পর্যন্তও না । সূতরাং চিন্তা করে দেখা উচিত, ফ্রিল্যান্সিং ক্যরিয়ার আমাদের কি দিতে পারে ? এবং সার্বিক ভাবে কত ডলার এ সেক্টর থেকে বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন আয় করার সুযোগ রয়েছে? http://www.myfxbook.com/members/Mohabbatelahi এজন্য আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি যদি বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য নিজস্ব একটি ব্রোকার প্রতিষ্ঠিত করে ব্যাংক সুবিধা দেয়া হয়। তাহলে শেয়ার মার্কেটের চেয়েও এ সেক্টরে মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হতে পারবে। কারন ফরেক্স মার্কেট হচ্ছে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভেজাল ট্রেডিং প্লাটফর্ম।যা হতে পারে হতাশাগ্রস্ত স্টক মার্কেট ট্রেডারদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। পাশাপাশি গ্লোবাল ফরেক্স ট্রেডাদেরও আমরা আমাদের দেশীয় ব্রোকারে ট্রেডিং সুবিধা দিতে পারি।এতে করে বৈদেশিক বিনিয়োগ সংগ্রহের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর জন্য আমি মনে করি উন্নত রাষ্ট্রগুলো থেকে পরিচালিত ব্রোকার গুলোর সার্বিক কার্যক্রম অনুসরণ করা বা তাদের পরামর্শ গ্রহনের মাধ্যমে বৃহৎ এ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সম্ভাবনার দ্বার উম্মোক্ত করা। পাশাপাশি একটি নীতিমালা তৈরি করে বিষয়টির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। ?প্রশ্নঃ-৭. বাংলাদেশে ফরেক্স মার্কেটের জন্য অশুভ শক্তি কারা এবং পরিত্রাণের উপায় কি উত্তর: বাংলাদেশে ফরেক্স মার্কেট কে বিতর্কিত করতে কিছু অসাধু ব্যাক্তি ফরেক্স মার্কেট কে এমএলএম বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত আছে । এরা প্রকৃত পক্ষে অনলাইনে হাইপ,বেটিং সহ বিভিন্ন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ প্রজেক্টগুলো নিয়ে কাজ করে। যখন যেটা পায় তখন সেটা নিয়ে তারা মাঠে নামে। সূতরাং এ বিষয়ে ট্রেডারদের এগিয়ে আসা উচিত এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত। যেন অনলাইন ইনকামের নামে মানুষ চুন কে দধি না ভাবে, আর দধি কে চুন না ভাবে। আজ এপর্যন্ত, দীর্ঘ সময় নিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
  6. Fed's Monetary Policy Statement & Nonfarm Payrolls বিগত দিনের মত বরাবরই আজকে প্রকাশিত হবে Fed's Monetary Policy Statement ও ব্যাংক সূদের হার। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শাসনামলের প্রথম Fed's Monetary Policy Statement হিসেবে আমাদের জন্য ইভেন্টসটি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ন। তবে ফেডের মনিটরি পলিসি সহ গুরুত্বপূর্ণ অন্য তিনটি ইভেন্টস রয়েছে চলতি ট্রেডিং সাপ্তাহে যথা 01) BoJ Monetary Policy Meeting Minutes 02) BoE Interest Rate Decision 03) Nonfarm Payrolls - কিন্তু মুদ্রাবাজারে এর প্রভাব কেমন পড়তে পারে সেটাই আমাদের বিবেচনা করতে হবে। কোন মুদ্রাটি কতটুকু প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সে বিষয়ে ইকোনমি জার্নাল থেকে পরিসংখ্যান ভিত্তিক কয়েকটি Economical Events নিম্নে আলোচনা করছি। গত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ সাল থেকে চলে আসা ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ফেড গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬-তে ০.৭৫% বৃদ্ধি করেছিল।পাশাপাশি ফেডের প্রধান ইয়েলেন তার প্রেস কনফারেন্সে পুনরায় ২০১৭ অর্থ বছরে তা পর্যায়ক্রমে আরো তিন ধাপে বৃদ্ধির বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে হিসেবে ২০১৭ অর্থবছরের প্রথমাংশে অর্থাৎ আজ তারা কি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে ? - এ সম্ভাব্য বিষয়টি পর্যালোচনা করতে আমরা যদি তাদের বিগত দিনের Economical ইভেন্টসের দিকে তাকায় তবে এটা পরিষ্কার যে মার্কিন অর্থনীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বিগত দিনের তুলনায়। যেমন: ADP Employment Change যা ৫ জানুয়ারি ২০১৭- তে 170K থেকে 153K তে নেমে এসেছে (bearish). অপরদিকে US manufacturing sector এর ISM ৫৩.৫ থেকে ৫৪.৭-এ উন্নীত হয়েছে (Bullish) । অর্থাৎ US manufacturing sector-এর বিভিন্ন সেক্টরে যেমন future production, new orders, inventories, employment এবং deliveries সংক্রান্ত ISM সূচকটি সার্বিক ভাবে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। সূতরাং উপরোক্ত দুটি ইভেন্টস মূল্যায়নে অনেকটাই মার্কিন ডলার স্বাভাবিক থাকবে যতক্ষণ না দুটিতেই বড় ধরনের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। - পক্ষান্তরে যদি আমরা US labor department কর্তৃক প্রকাশিত Initial Jobless Claims এর দিকে তাকায় , তবে সে সেক্টরে তারা গত ২৬ জানুয়ারী ২০১৭ ভাল সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু NFP তে আবার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।কারন এ কী ইভেন্টসে তারা পছিয়েছে যদিও তাদের বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত ছিল।যা একটি উর্ধমূখী ট্রেন্ড কে বাধা গ্রস্থ করে।এছাড়া তাদের সদ্য জিডিপিতেও তারা পিছিয়েছে। সূতরাং সার্বিক ইকোনমি মূল্যায়নে ফেড আজ কে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এড়িয়েও যেতে পারে এবং আরো একমাস তারা সার্বিক অবস্থার উন্নতির প্রতি দৃষ্টি আরোপ করতে পারে। - সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রফেসর ইলেয়েনের কাছ থেকে আজ ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি না করে বরং এর সম্ভব্যতা নিয়ে সাধারন একটি ব্রিফ করার চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। এছাড়া নবনিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন সরকার গঠন ও নির্বাচনি ব্যস্ততার ফলে চলতি ইভেন্টসে ইকোনমিতে তেমন কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কার্যত দেখা যাচ্ছে না। যদিও বিষয়টি সম্ভাব্য। - সূতরাং চলতি ইভেন্টস সমূহ মার্কেটে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে ? -/-------------------------------------------------------------------/- অবশ্যই মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে যদি ফেড ভাল কোন অর্জন দেখাতে না পারে। তাছাড়া ট্রাম্পের বিভিন্ন রাষ্ট্রনীতি ও বক্তব্য কে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলার অনেক চাপে আছে যা আমরা স্পষ্টতই ট্রেডিং মার্কেটে দেখতে পাচ্ছি। তারই প্রমান হচ্ছে ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার সময় মার্কেট যেখান থেকে পরিবর্তন হয়েছিল ক্ষমতা গ্রহনের পর আবার ধীরে-ধীরে মার্কেট সে অবস্থানেই চলে আসছে। অর্থাৎ ট্রাম্প নির্বাচিত হলে মার্কিন ডলার পতনের যে গ্লোবাল সেন্টিমেন্ট ছিল, ক্ষমতা গ্রহনের পর ঠিকই তা প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নির্বাচন পরবর্তিতে সমগ্র বিশ্বে ট্রাম্প বিরোধী যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে তা মার্কিন ডলার কে আরো বেশি দূর্বল করে দিতে সহায়তা করবে। কারন গ্লোবাল বিনিয়োগকারীরা ডলার রিজার্ভে ঝুঁকি নিতে চাইবেনা। {BoJ Monetary Policy Meeting Minutes & BoE Interest Rate Decision } চলতি সাপ্তাহে ব্যাংক অব জাপানের ব্যাংক সূদের হার ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি মনিটরি পলিসিও ছিল। তবে মনিটরি পলিসিতে তেমন কোন বিশেষত্ব পরিলক্ষিত হয়নি। সম্ভবত তারা মার্কিন ডলারের চাপে থাকাটি কি আরো কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে। যদিও বর্তমানে জাপানিস মূদ্রা অনেকটাই রিকভার করতে সক্ষম হয়েছে। অপরদিকে পাউন্ড মার্কেটও অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে হার্ড-ব্রেক্সিট পরবর্তিতে পাউন্ড মার্কেট কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিগত দিনের কিছু Economical ইভেন্টসসে ইউরো জোনের সাথে থাকা না থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সহ বিভিন্ন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সার্বিকভাবে মন্থর গতিতে এগিয়েছে। সে হিসাবে আগামীকাল পাউন্ডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্রত্যাশাটি বেশি হয়ে যাবে। এছাড়াও থেরেসা মে উন্মুক্ত বাণিজ্য করনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চলেছে। তিনি প্রত্যাশা করছেন বৃটেন একটি বনিকের দেশ হিসেবে তাদের আগের পরিচিতি ফিরে আসুক যা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে তার চোখে মুখে কিছুটা তৃপ্তির ভাব বা আত্মনির্ভর হওয়ার যে ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা কিন্তু বৃটিশ অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি পজিটিভ।যদিও এর জন্য অনেক পথ তাদের পাড়ি দিতে হবে। - চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। পাশাপাশি ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহের চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সূতরাং মার্কেট বিশ্লেষনে যারা অনভিজ্ঞ তাদের জন্য আগামী সাপ্তাহে ট্রেড করাটি অনেক বেশি নিরাপদ । কারন চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব। সূতরং যারা মার্কেট চ্যালেঞ্জে বিজয় হতে চান, তাদের জন্য ডিফেন্সিভ ওয়ে-তে অগ্রসর হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করছি। ---------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market Admin: Forex Training center in Bangladesh
  7. একজন ট্রেডার হিসেবে আমরা সবাই চাই ভালো একটি ব্রোকার এ ট্রেড করতে, যে ব্রোকার এ কোনো প্রকার দুর্নীতি থাকবেনা, কিন্তু বেশীরভাগ ট্রেডার-ই যাচাই না করে পরিচিত জনের কথায় বা যেকোনো মাধ্যেমে হুট করেই লাইভ একাউন্ট করে ট্রেড শুরু করে এবং যে কোনো এক সময় এসে সে ব্রোকারের যাবতীয় দুর্নীতির খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যায় বা যাবতীয় সমস্যার সম্মুখীন হয়। এক্ষেত্রে আমি বলবো এটা সম্পূর্ণই আপনার দোষ, কারণ যে কোনো ব্রোকার এ ট্রেড করার আগে আপনাকে অবশ্যই সে ব্রোকারকে যাচাই করে নেওয়া উচিৎ। হ্যাঁ বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে কিভাবে একটি সঠিক ব্রোকার নির্বাচন করবেন তা নিয়েই আলোচনা করবো, যাতে করে কেউ কোনো দুর্নীতিগ্রস্থ ব্রোকারের খপ্পরে না পড়েন। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে সঠিক ব্রোকার নির্বাচন করবেনঃ ১. ব্রোকারটি রেগুলেটেড কি নাঃ ফরেক্স এ ট্রেড করার আগে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কোনো নিয়ন্ত্রন সংস্থা দ্বারা নিবন্ধিত কিনা সর্বপ্রথম অবশ্যই সেটা যাচাই করা উচিৎ। যেমন- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক National Futures Association (NFA), U.S. Commodity Futures Trading Commission (CFTC) বা United Kingdom এর Financial Service Authority (FSA) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কিনা তা দেখে নিবেন। এই নিয়ন্ত্রন সংস্থাগুলো ছাড়াও অনেক ব্রোকার Hong Kong: SFC, Japan: FFAJ, Spain: CNMV, Sweden: FI, Switzerland: ARIF, FDF, GSCGI দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। যদি আপানর পছন্দের ব্রোকারটি উপরোক্ত একটি সংস্থা দ্বারাও নিবন্ধিত না হয় তাহলে উক্ত ব্রোকার থেকে দূরে থাকুন। কারণ এ ধরণের ব্রোকার যে কোনো সময় আপনাকে নিঃস্ব করে দিতে পারে আর আপনার মূলধন এদের কাছে মোটেও নিরাপদ নয়। আপনার ব্রোকারকে যাচাই করার জন্য এই লিংকগুলোতে যানঃ NFA- National Futures Association www.nfa.futures.org/ CFTC- U.S. Commodity Futures Trading Commission www.cftc.gov/ FSA- Financial Service Authority www.fsa.gov.uk/ ২. লিভারেজ/লোনঃ ফরেক্স এ ট্রেড করার জন্য প্রতিটি ব্রোকার-ই লিভারেজ/লোন দিয়ে থাকে। যার পরিমাণ ১ঃ৫০-১ঃ১০০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। আপনার বাছাইকৃত ব্রোকারটি লিভারেজ/লোন সুবিধা দিচ্ছে কিনা এবং দিলে তা কি পরিমাণ তা জেনে নিন। তবে মনে রাখবেন যত বেশী লিভারেজ/লোন নিবেন ততোই আপনার জন্য খারাপ। কারণ লিভারেজ হলো দু-দিকে ধার যুক্ত তলোয়ারের ন্যায়। ৩. স্প্রেড ও কমিশনঃ প্রতিটি ব্রোকার-ই ট্রেড এর বিনিময়ে তার গ্রাহক থেকে স্প্রেড বা কমিশন নিয়ে থাকে কারণ এটাই তাদের ইনকাম। তবে আপনাকে যাচাই করতে হবে যে আপনার নির্বাচিত ব্রোকারটি প্রতি লট ট্রেড এ কি পরিমাণ স্প্রেড/কমিশন নিয়ে থাকেন। আমরা জানি যে মেজর পেয়ার এ বেশীরভাগ ব্রোকার-ই ২-৩পিপ্স স্প্রেড নিয়ে থাকে। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে ব্রোকার স্প্রেড যত কম হবে আপনার জন্য ততই ভাল হবে। ৪. সহজ বিনিয়োগ ও উত্তোলনের সুযোগঃ অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলনের বেপারে প্রতিটি ব্রোকারের কিছু নির্দিষ্ট পথ ও নীতিমালা থাকে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনাকে অবশ্যই সেদিক বিবেচনা করে ব্রোকার নির্বাচন করতে হবে। যেমনঃ যে কোনো সময় সহজেই যেন ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ার মাধ্যেমে বিনিয়োগ ও উত্তোলন করা যায়।ইন্টারন্যাশেনাল মাস্টার, ভিসা, ও ক্রেডিট কার্ড দিয়ে যেন বিনিয়োগ ও উত্তোলন করা যায়।আমাদের দেশীয় ব্যাংকের মাধ্যেমে বিনিয়োগ ও উত্তোলন থাকলেও ভালো। এবং দৈনিক উত্তোলনের পরিমাণ কত।ব্রোকার নির্বাচনে এ সকল বিষয় অত্যন্ত জরুরী ভুমিকা রাখে। ৫. গ্রাহক সেবাঃ ব্রোকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই যাচাই করবেন যে, আপনার পছন্দের ব্রোকারটি সঠিক সময়ে সঠিক গ্রাহক সেবা দিচ্ছে কিনা। কারণ অনেক ট্রেডার তার সমস্যার কথা ব্রোকারকে জানালে তার উত্তর পেতে পেতে হয়ত কয়েকদিন লেগে যায়। যা একজন ট্রেডারের জন্য বিপদজনক কারণ আপনি হয়ত তার উত্তর পেতে পেতে অনেকটা সময় (ট্রেডেবল) বা অর্থ হারিয়ে পেলেছেন। ৬. ট্রেডিং প্লাটফর্মঃ ফরেক্স মার্কেট এ ট্রেড করার জন্য প্রত্যেকটি ব্রোকারের ট্রেডিং প্লাটফর্ম থাকে, যে প্লাটফর্ম এর মাধ্যেমে ট্রেডার বাই, সেল, পেন্ডিং অর্ডার, অর্ডারগুলোকে মডিফাই ও ক্লোজ করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কোন ট্রেডিং প্লাটফর্ম এ ট্রেড করার সুযোগ দিচ্ছে তা যাচাই করে নিন। ৭. হেজিং ও নিউজ ট্রেডঃ পৃথিবীর সকল ট্রেডার-ই হেজিং ও নিউজ ট্রেড করে থাকেন। এ ধরণের ট্রেড এর ক্ষেত্রে অনেক ব্রোকার নিয়ম জুড়ে দেয়। ব্রোকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই এ ধরণের ট্রেড এর উপর কোনো প্রকার নিয়ম বা নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা তা দেখে নিবেন। নতুবা আপনি পরে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। ৮. ডেমো একাউন্ট এ ট্রেডঃ প্রতিটি ব্রোকার-ই গ্রাহকদের চর্চার জন্য ডেমো একাউন্ট এ ট্রেড করার সুবিধা রেখেছে, আপনি আপনার পছন্দের ব্রোকার এ লাইভ ট্রেড করার পূর্বে ডেমোতে চর্চা করে যাচাই করে নিন বা আপনার পছন্দের ব্রোকার ও অন্য একটি ব্রোকার এ একই সাথে ট্রেড করে যাচাই করে নিন যে আপনার পছন্দের ব্রোকারটির সাথে অন্য ব্রোকারের মুভমেন্ট ও পিপ্স মুল্যে একই কিনা। ৯. বিভিন্ন ধরণের একাউন্টঃ ফরেক্স মার্কেট এর ব্রোকারগুলো তাদের গ্রাহকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ধরণের ৪ও৫ ডিজিট এর একাউন্ট রেখেছেন। যেমনঃ স্ট্যান্ডার্ড একাউন্ট, মিনি একাউন্ট ও মাইক্রো একাউন্ট। আপনার পছন্দের ব্রোকার এ আপনার পছন্দের একাউন্ট টাইপ বা একাধিক ধরণের একাউন্ট পলিসি আছে কিনা তা জেনে নিন। যেন পরবর্তীতে আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত একাউন্ট এ ট্রেড করতে পারেন। ১০. অন্যান্যঃ সঠিক ব্রোকার নির্বাচন এর জন্য উপরোক্ত পয়েন্টগুলো ছাড়াও আরো কিছু পয়েন্ট আছে সেগুলো হলঃ আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কত বছর ধরে ব্যবসা করছে।এই ব্রোকারটি কোন দেশের এবং কে বা কারা পরিচালনা করে ও তাদের অভিজ্ঞতাই বা কেমন।উক্ত ব্রোকারটির সাথে কোন কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ভাল ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে কিনা।আপনার পছন্দের ব্রোকারে কি পরিমাণ ট্রেডার ট্রেড করে ও উক্ত ব্রোকারে মাসে কত ভলিউম ট্রেড হয়ে থাকে।আপনি যদি আপনার ট্রেডটি একদিনের বেশী বা কয়েকদিন রেখে দিতে চান সে ক্ষেত্রে আপনার পছন্দের ব্রোকারটির রোলওভার নীতি কি? আপনার পছন্দের ব্রোকারটি মাল্টি ট্রেড করার সুবিধা রেখেছে কিনা। যেমন- একই পেয়ার এ একই সময়ে একাধিক বাই ও সেল এর সুযোগ আছে কিনা। ফরেক্স ট্রেড করার ক্ষেত্রে একটি ব্রোকার নির্বাচনের জন্য উপরোক্ত বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত বিষয়গুলো যাচাই করে যদি দেখেন যে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি সবদিক দিয়ে ঠিক আছে তবেই আপনি সে ব্রোকার এ ট্রেড করতে পারেন। আর একাউন্ট ওপেন করার সময় ঐই ব্রোকার এর নীতিমালাগুলো অবশ্যই পড়ে নিবেন যেন কোনো লুকানো নিয়ম নীতি আপনাকে পরবর্তীতে ঠকাতে বা ঠেকাতে না পারে। ধন্যবাদ সবাইকে।
  8. False Break আউট এ কিভাবে ট্রেড করবেন। বন্ধুরা, False ব্রেক আউট সম্পর্কে আশা করি সবাই জানেন আর অনেকে হয়তো এই মেথোডে ট্রেডও করেছেন। যাইহোক, False ব্রেক আউটের মৌলিক মনোবিজ্ঞান খুবই সহজ, অনেক ট্রেডার-ই ট্রেড করার জন্য বেশীরভাগ সময় ব্রেকআউট পয়েন্টের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন যেখানে মার্কেটের একটি সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স এ বিরতি পরিলক্ষিত হয়। ব্রেকআউট ট্রেডাররা তখন ওই বিরতিরত হাই বা লো মুল্য থেকে ভাল প্রফিট নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন যখন মার্কেট মুল্য False ব্রেক হয়ে তার বিপরীত দিকে ছুটে বা মার্কেট ট্রেন্ড কন্টিনিউ করে। যখন মার্কেট স্লাইটলি মুব করে পিনবার তৈরি করে আবার তার বিপরীত দিকে ছুটে, এটাই হল False ব্রেকআউট। ট্রেডাররা এ ধরনের ব্রেকআউট এ পূর্বের ট্রেন্ড এর দিকেই ট্রেড করে থাকেন এবং স্বল্প স্টপ লস ব্যবহার করে অধিক প্রফিট গ্রহন করে থাকেন। নিচে চিত্রের সাহায্যে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ উপরের উদাহরণ চিত্রে উল্লেখ্য হল- কিভাবে মুল্য সমর্থন পাওয়া যায়। যখন মার্কেট মুল্য তার নিচের সাপোর্টকে ভেঙ্গে বা ক্রস করে আবার বিপরীত দিকে মোড় নিয়েছে তখন-ই আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে এখানে False ব্রেকআউট হয়েছে। বেশীরভাগ ট্রেডার-ই এ পজিশনে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি নিয়ে থাকেন এবং আপনিও তাই করবেন আর এক্ষেত্রে স্টপ লস False ব্রেকআউট ক্যান্ডেল্টির নিচে দিন এবং ভাল প্রফিটের জন্য অপেক্ষা করুন। প্রাইচ এ্যকশন ব্যবহারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট এ রিভার্সেল ট্রেড করুনঃ প্রাইচ এ্যকশন ও রিভার্সেল ট্রেড নিয়ে এর আগেও আপনাদের প্রিয় বিডিফরেক্সপ্রো-তে অনেক পোষ্ট দেওয়া হয়েছে। False ব্রেকআউট এ রিভার্সেল ট্রেড করার জন্য আপনি পিনবার এবং এনগাল্পিং বার ফলো করতে পারেন এবং ট্রেডাররা এ বিপরীতমুখী দুটি (পিনবার এবং এনগাল্পিং) ক্যান্ডেলের মাধ্যমে ট্রেডিং সংকেত ব্যবহার করে থাকেন এবং অধিক প্রফিট করতে সামর্থ্য হন, আপনিও ব্রেকআউট ট্রেড করার জন্য এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করুন তাহলে ট্রেডে অধিক প্রফিট নিতে সক্ষম হবেন। নিচের চিত্রে পিন বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ আপনারা পরিস্কারভাবে দেখতে পাচ্ছেন যে, উপরের চিত্রে পিন বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হয়েছে। অনেক ট্রেডাররা এ ধরনের মার্কেট পজিশনের জন্য অপেক্ষা করে থাকে এবং মার্কেটে পিন বার মাধ্যমে False ব্রেকআউট হলে তারা রিভার্সেল ট্রেডে এন্ট্রি নিয়ে থাকেন আপনিও এই একই কাজটি করুন এবং সফল রিভার্সেল ট্রেডে করুন আর এক্ষেত্রে স্টপ লসের ব্যবহার উপরের চিত্রে দেখানো হল। নিচে আরেকটি চিত্রে এনগাল্পিং বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ উপরের এনগাল্পিং বার False ব্রেকআউট চিত্রে এটাই দেখানো হয়েছে যে, False ব্রেকআউট এ এনগাল্পিং বার তৈরি হওয়ার পর মার্কেট কোনদিকে যাবে এবং একজন ট্রেডার তখনই তার ট্রেডের সম্ভাব্য সম্ভাবনা খুঁজে পায়। ট্রেড চিত্রে এ ধরনের এনগাল্পিং হলে আপনি যেদিকে এনগাল্পিং হয়েছে সেদিকেই ট্রেড করুন এবং স্টপ লস ব্যবহারের জন্য চিত্রটি ফলো করুন। False ব্রেকআউট ট্রেডারদের ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়, যার মাধ্যমে একজন ট্রেডার স্বল্প স্টপ লস ব্যবহার করে অধিক প্রফিট নিতে পারে। তবে এ ধরনের ট্রেডে এন্ট্রি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ একটু বিপদ জনকও হতে পারে। সুতারাং হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ারে এ স্ট্রেটেজিতে নিউজ বুঝে এন্ট্রি দিন এবং নিরাপদ থাকুন। ধন্যবাদ।
  9. সকল ট্রেডারের জন্য প্রচলিত(Common) এবং জরুরী কিছু নির্দেশাবলী একটি সম্মানজনক ও সঠিক ব্রোকারঃ একটি ব্রোকার এ কার্যকরভাবে ট্রেড করার ক্ষমতা নির্ভর করে সে ব্রোকারের যাবতীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ স্প্রেড/কমিশন ও প্রশস্ত তারল্যের উপর। ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো ব্রোকারই একটি অবস্থান তৈরি করতে পারে।তার মানে এই নয় যে, সে ব্রোকার ভাল। সঠিক সময়ে একটি ট্রেড থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ব্রোকার এর (ঐই পেয়ার এর) ন্যায্য বাজার মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ অন্য ব্রোকার এর সাথে বাজার মুল্যের পিপ্স পরিবর্তন রূপ। ব্রোকার এর সাথে গ্রাহকদের যোগাযোগের নিয়ম/ক্ষমতা, সময়ের ব্যবধান ও কোনো সমস্যা হলে তার দ্রুত সমাধান দেয়ার সুষ্ঠ গুনাবলী থাকা অবশ্যই বাঞ্জনীয়। যে ব্রোকার সঠিকভাবে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সহজ ও আইনীভাবে গ্রাহক তার অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলন করতে পারে।এবং যে ব্রোকার আইনীভাবে বৈধ। যখন লাইভ ট্রেড করবেনঃ সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করা।অধিক পরিমাণ লিভারেজ/লোন (যা ব্রোকার দিয়ে থাকে) ব্যবহার করবেন না, যা আপনার বিনিয়োগকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাবে।নিজের সফল স্টেটেজিতে ট্রেড করা। আর যদি অন্যের স্টেটেজিতে ট্রেড করে থাকেন তাহলে সেটা আগে তিন মাস ডেমোতে পরীক্ষা করে দেখুন যে ফলাফলটা কেমন। কারণ অন্যের স্টেটেজিতে হয়তো এক সপ্তাহ প্রফিট হয়ে পরের দিন বিশাল লস হতেই পারে কারণ এটা আপনার যাচাই করা স্টেটেজি নয়। অধিক সাহসই ফরেক্স মার্কেট এ অনেক ট্রেডারকে নিঃস্ব করে ছাড়ে, মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো সময় বাজার মূল্য যেকোনো দিকে যেতে পারে তাই সর্বদা স্টপ লস ব্যবহার করুন। কখনো আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করবেন না, আর ট্রেড করার সময় আপনার পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখুনঃ একটি ট্রেড শুরু করার আগে একটি ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করুন।যুক্তিসঙ্গত ঝুঁকি ও রিওয়ার্ড প্যারামিটার সেট করুন।আবেগপ্রবণ হয়ে আপনার স্টপ লস কে অগ্রাহ্য করবেন না।বাজারমুল্যের উপর কখনো প্রতিক্রিয়া করবেন না – এর অর্থ হল কখনো এই ভেবে বাই করবেন না যে বাজারমূল্য এখন অনেক নিচে আবার কখনো এটা ভেবেও সেল করবেন যে বাজারমুল্য অনেক উপরে। কারণ আপনার ট্রেড যে ওখান থেকে প্রফিটের দিকে আসবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমান বা নিয়ম নেই। মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেটে যে কোনো দামের ব্যবধান হতেই পারে। ট্রেন্ড লাইন এর সঙ্গে এবং বিপরীতে ট্রেডঃ যখন ট্রেন্ডলাইন এর দিকে ট্রেড করবেন তখন ট্রায়ালিং স্টপ ব্যবহার করুন, তাহলে সরবোচ্চ প্রফিট নিতে পারবেন।আর যখন ট্রেন্ডলাইন এর বিপরীতে ট্রেড করবেন তখন শেষ পিপ বা সরবোচ্চ লাভের আশা না করে কতটুকু কারেকশন করতে পারে তা এনালাইসিস করে যতটুকু প্রফিট নেয়া যায় তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। মনে রখবেন মার্কেট ট্রেন্ড হলো ট্রেড এবং ট্রেডারের বন্ধু, অর্থাৎ ট্রেন্ড যেদিকে আপনার ট্রেড সেদিকে হওয়া উচিৎ। একটি কন্টিনাম (Continuum) হিসেবে ট্রেড এর আচরনঃ একটি সফল ট্রেডের স্টেটেজির উপর Base/ভিত্তি করে ট্রেড করবেন না। কারণ একটি ট্রেডে সফলতা এসেছে বলে প্রত্যেক ট্রেডে সফলতা আসবে এমন কোনো নিয়ম নেই, হ্যাঁ তবে যদি ঐই স্টেটেজিতে যদি ৭০% সফলতা আসে তাহলে ঠিক আছে। প্রত্যেকটি ট্রেড এ আবেগপ্রবণ হাই অথবা লো এড়িয়ে চলুন। অর্থাৎ আপনার ইচ্ছামত হাই লো পয়েন্ট নির্বাচন করবেন না।সমন্বয়ের/ঐক্যের মাধ্যমে একটি উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। ফরেক্স/বৈদেশিক মুদ্রা ট্রেডিং হল মাল্টি কারেন্সিরঃ ক্রস কারেন্সিগুলো দেখুন কারণ তারা হল স্পট/মেজর ট্রেডিং এ প্রভাব পড়ার চাবি। একই ক্রস কারেন্সি বনাম অন্যান্য কারেন্সি। যেমনঃ EUR/JPY (EUR Vs. JPY) অথবা EUR/GBP (EUR Vs. GBP)।স্পট/মেজর ট্রেড করার ক্ষেত্রে ক্রস কারেন্সিগুলো আপনাকে ভালো ডিরেকশান দিবে যদিও আপনি সেগুলোতে ট্রেড না করে থাকেন। যেমনঃ আপনি যদি EUR/JPY (EUR Vs. JPY) পেয়ারটি দেখেন তাহলে এখানে EUR ও JPY এর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া হয়ে যাবে যে এখানে কোন কারেন্সিটি স্ট্রং এবং মেজর পেয়ারে এ দুটির একটি কারেন্সি আছে এমন পেয়ারে ট্রেড করতে গেলে আপনি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নিউজ এ চোখ রাখুনঃ অন্ধের মত শুধুমাত্র টেকনিক্যাল এনালাইসিস এ ট্রেড না করে প্রতিদিন ট্রেড এ বসার আগে কি কি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে সেগুলো দেখে নিন ও সে সময়গুলো মনে রেখে ট্রেড করুন। মনে রাখবেন হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর ট্রেড করা ভাল।নিউজ ট্রেড এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংখ্যার নিউজগুলো কতটুকু এগিয়েছে বা পিছিয়েছে তা দেখুন এবং নিউজ এর ফলাফল বুঝে সতর্কভাবে ট্রেড করুন। মার্কেট তারল্যের বিষয়ে সতর্ক থাকুনঃ সফল ট্রেড এর ক্ষেত্রে মার্কেট তারল্যের প্রতিও নজর রাখা জরুরী। অনেক সময় দেখা যায় যে তারল্যহীন মার্কেটে ট্রেড করে ঐই ট্রেড এর ফলাফলের জন্য কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়।কোনো দেশের সরকারি ছুটির দিন বা অর্ধ-ছুটির দিনে ঐই কারেন্সির তারল্য কম হয়।মার্কেট তারল্যের ব্যপারে যে কোনো কারেন্সির/দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। যেকোনো দেশের ব্যাংক ছুটির দিনে সে দেশের কারেন্সিতে তারল্য কম থাকে তা মনে রাখবেন। পরিশেষে একটি কথা বলবো, ফরেক্স ব্যবসা অশিক্ষিত এবং ধৈর্যহীন ব্যাক্তির জন্য নয়, কারণ এ ব্যবসা জানতে হলে বা করতে হলে আপনাকে প্রচুর স্টাডি, শ্রম, ধৈর্য ও মনোবল ব্যয় করতে হবে। তবেই আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে পারবেন। ভুল হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন আর ভালো লাগলে অনুপ্রেরনা যোগাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  10. ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আপনারা অবশ্যই এ কথাটি শুনেছেন যে, “আপনি আপনার ভুলগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহন করুন বা ভুল থেকে শিক্ষা নিন” সব ট্রেডারই চাইলে এটা পারে। আপনি এটা বিশ্বাস করেন যে, আসলেই আমরা আমাদের ট্রেডের ভুলগুলো থেকে শিখতে পারি? আমি অবশ্যই এটা বিশ্বাস করি যে, আমরা চাইলে আমাদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারি কিন্তু অনেক ট্রেডারই এটা মানতে রাজি নয়, আবার মানলেও পরবর্তীতে ট্রেড করার সময় এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি ভুলে যায়। নতুন ট্রেডাররা প্রতিদিনই ঐই একই ভুলগুলো করে থাকে যেগুলো তারা আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছিল। তার কারণ হলো, তাদের বেশীরভাগ ট্রেডারই এটা জানেনা যে কিভাবে তাদের ভুলগুলো থেকে তাদেরকে শিখতে হবে। আপনি যেন আপনার ট্রেডের আগের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারেন এবং ট্রেডে আগের ভুলগুলো যেন পুনরায় না করেন, সেজন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ লিখা। কেন আমরা আমাদের ভুল থেকে শিখতে পারবো না? আপনি আপনার বিগত ট্রেডটির কথা একবার ভাবুন, যে কারণে আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। মনে পড়েছে আপনি ট্রেডটিতে কি ভুল করেছিলেন? অবশ্যই মনে পড়ার কথা। এবার আপনি আপনার বিগত ছয় মাসের ট্রেডগুলোর কথা ভাবুন যেগুলোতে আপনি লস দিয়েছেন। মনে পড়ে আপনি ঐই ট্রেডগুলোতে কি ভুল করেছিলেন? আপনি যখন একটি লস/খারাপ ট্রেড করবেন তখন আপনি সেটা থেকে শিক্ষা নিন। যাইহোক, যেকোনো কিছু তাড়াতাড়ি শিখা হলে সেটা আবার তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া হয়।যদি আপনি সত্যিই আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিতে চান, তাহলে আগে আপনাকে আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করতে হবে। আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করুন। অনেক ট্রেডার তাদের মত করে বলে থাকে যে, প্রত্যেকটি লসই একটি শিক্ষা। সত্যিটা হলো এই যে, আপনি আপনার লস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, না হলে এই কথাটার কোনো ভিত্তি নেই। আপনি কখনো লস/হারানো ট্রেড এর অর্থ ফিরে পাবেন না বা সে অর্থ থেকেও কিছু শিখতে পারবেন না। আপনকে সেই লস ট্রেডে এ্যনালাইসিস করে বের করতে হবে যে, কেন আপনি লস দিয়েছেন এবং পরিকল্পনা করুন কিভাবে আবার এ রকম ভুল না হয়। আপনি কিভাবে লস/ক্ষতির মাধ্যমে শিক্ষা নিবেন? ১. খুঁজে বের করুন কেন আপনি লস করেছেনঃ প্রথমেই আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে কেন আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। সব ট্রেড ভুলের কারণে লস হয় না অন্য কারনেও হয়ে থাকে। আপনি নিজেকে নিচের দুটি প্রশ্ন করুন এবং খুঁজে বের করুন যে কোনটির দ্বারা আপনার ট্রেড এ লস হয়েছে। আপনি আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন?আপনি কি আপনার মানি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন? এখন আপনি উভয় প্রশ্নের উত্তর নিন, আপনি যদি জেনে থাকেন যে আপনার ভুল ছিল তাহলে আপনি পরবর্তী পদক্ষেপে নিন। আর যদি আপনি উপরের দুটি নিয়মই মেনে ট্রেড করে থাকেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আপনার ট্রেডটি লস হয়েছে তাহলে আপনাকে নিচের পদক্ষেপ অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। ২. আপনার ট্রেডের ভুল বিশ্লেষণ করুনঃ এই পদক্ষেপে আপনাকে বুঝতে/জানতে হবে যে নির্দিষ্টভাবে আপনার কোথায় ভুল ছিল। যদি মানি ম্যানেজমেন্টের প্রশ্নের উত্তর আপনার না হয় অর্থাৎ আপনার ভুল ছিল না, তাহলে আপনাকে বিশ্লেষন করে বের করা দরকার যে আপনি ট্রেডে কোন নিয়মটি অনুসরণ করেননি, হয়তো আপনার স্টপলস অনেক টাইট ছিল যা হিট করতেই পারে বা আপনি আপনার ব্যালেন্সের তুলনায় ট্রেড ভলিউম বেশী করেছেন। যাইহোক, এক কথায় এখন আপনার প্রয়োজন নির্দিষ্টভাবে আপনার ভুলটি খুঁজে বের করা। আপনি যদি আপনার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে বের করতে পারেন তাহলে তা নোট করুন। কিভাবে নোট করবেন তা নিচে একটি উদাহরণের সাহায্যে দেখানো হলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। উপরোক্ত উদাহরণের প্রথম লাইন হলো আপনার ট্রেড পেয়ার, তারিখ ও সময়। দ্বিতীয় লাইন হলো ট্রেড এন্ট্রি বিস্তারিত ও ফলাফল এবং সর্বশেষ লাইন এ আপনার যে ভুল ছিল তা নোট করা হল। ৩. আপনার ট্রেড এ ভুলের সমাধান খুঁজে বের করুনঃ এ পদক্ষেপটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি বুদ্ধিমান তখনই যদি ভুল করে শিখতে পারেন। আপনি যদি সহজে আপনার ভুল বুঝতে পারেন তাহলে সমাধান বের করাটা আপনার জন্য সহজ হবে। উপরের উদাহরণটিতে আপনি যে ভুল করেছিলেন নিচে তার সমাধান দেখে নিনঃ উদাহরণটি ছিলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। সমাধানঃ প্রথমে আপনি আপনার স্টপলস ব্যবহারের নিয়মটি লিখুন এবং ট্রেড এ এন্টির পূর্বে তা রিভিউ করুন। আপনার নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন যে, আপনার সরবোচ্চ স্টপলস আপনার সরবোচ্চ অনুমোদিত ঝুঁকি দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়। সুতারাং আপনি এখানে আপনার সরবোচ্চ স্টপলস ব্যবহার করলে কোন ভুল হবে না। আমি এখানে স্বল্প পরিসরে শুধুমাত্র মূল বিষয়টি তুলে ধরেছি। আপনি যখন একটি ভুল ট্রেডের সমাধান লিখবেন তখন তা অবশ্যই বিস্তারিরভাবে লিখার জন্য চেষ্টা করবেন। আর টাইট স্টপলস ব্যবহার করবেন না। কেন এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণঃ যখন একজন বক্সার ফাইট করে তখন তার কোচ তার ফাইটের প্রতিটি মুহূর্তই রেকর্ড করে রাখেন। যখন ফাইট শেষ হয়ে যায় এবং বক্সার জয়ী হয় বা হেরে যায় তখন তার কোচ ভিডিওটি রিভিউ করেন। ভিডিওটি দেখার ফলে কোচ বক্সারের ভুলগুলো দেখেন এবং ভুলগুলোকে পয়েন্ট আউট করে তার স্টুডেন্টকে সেগুলোর সমাধান শিখিয়ে দেন। এটা শুধুমাত্র বক্সিংয়ে নয় সব খেলায়ই প্রযোজ্য। ফরেক্স ট্রেডিং এর ক্ষেত্রেও আপনি এই ধারনাটিই ফলো করুন এবং নিজের সাথে কমিটমেন্ট করুন যে আপনি আপনার ভুলগুলো নোট করবেন। তাহলে আপনি আর পরবর্তী ট্রেড এ ঐই ধরণের ভুলগুলো করবেন না, যে ভুলগুলো আপনি আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছেন। এই ধারনাটি আপনার ট্রেড এর ভুলগুলো চিহ্নিত করতে এবং আপনার ভুল ট্রেডিং প্ল্যান সমাধানের জন্য সহায়তা করবে। আপনি যখন একবার আপনার ভুলগুলো শুধরে আপনার ট্রেডিং প্ল্যান সাজিয়ে পেলবেন তখন আর আপনার ভবিষ্যৎ এ ঐই ভুলগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। এজন্য আপনাকে আরেকটি কাজ করতে হবে তা হলঃ আপনার সর্বশেষ লুসিং ট্রেডটির কথা আরেকবার ভাবুন এবং ঐই ট্রেডটি এ্যনালাইসিস করে একটি স্ট্রেটেজি তৈরি করুন যাতে ভবিষ্যতে ঐই ধরণের ট্রেড এ লস না হয়। আজকে থেকেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কাযক্রমটি শুরু করুন এবং এটি কখনো ভুলে যাবেন না যে “ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হওয়া যায়”। ধন্যবাদ।
  11. EMA দিয়ে সিম্পল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। বন্ধুরা, আজকে আমি আপনাদের সাথে আরেকটি সহজ ট্রেডিং স্ট্রেটেজি শেয়ার করবো, এটি কোনো অভিনব বা জটিল সূচকের সঙ্গে যুক্ত নয় কিংবা এটি কোনো জটিল পদ্ধতির সঙ্গে জড়িতও নয়। লিখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো বলতে পারেন এটাতো অনেক সহজ ও আপনার জানা। ঠিক তাই, আমি শুধু এই স্ট্রেটেজির সাথে আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু সাধারণ নিয়ম আর কিছু কৌশল যোগ করেছি। আশা করি স্ট্রেটেজিটি ফলো করলে আপনি অনেক সহজ এ্যনালাইসিস করে সফল ট্রেড করতে সক্ষম হবেন। তাহলে চলুন জেনে নেই EMA/MA দিয়ে আরেকটি সিম্পল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। ইন্ডিকেটরঃ – এই স্ট্রেটেজির জন্য আপনাকে শুধুমাত্র EMA/MA ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করতে হবে। EMA/MA ইন্ডিকেটরটি ব্যবহারের নিয়মঃ ট্রেডিং ডিরেকশন এর জন্য EMA/MA ২০০পিরিয়ড ব্যবহার করুন এবং EMA/MA ১০পিরিয়ড ব্যবহার করুন ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য। টাইমফ্রেমঃ - এই স্ট্রেটেজির মাধ্যমে যেকোনো টাইমফ্রেমে ট্রেড করতে পারবেন, তবে ১৫মিনিট, ১ও৪ঘন্টা এবং দৈনিক চার্টে করলে ভালো। আমার অভিজ্ঞতামতে, যারা ডে ট্রেডার তারা ৫থেকে১৫ মিনিট, সুইং ট্রেডাররা ১/৪ ঘন্টার চার্ট আর যারা লং টাইম এর জন্য ইনভেস্ট করেন তারা দৈনিক চার্ট ব্যবহার করলে অত্যাধিক ভালো ফলাফল পাবেন। ট্রেডিং পেয়ারঃ – এটা যেকোনো কারেন্সি পেয়ার, কমোডিটি ও ইন্ডেক্স বা স্টক এ প্রয়োগ করা যাবে। EMA/MA দিয়ে ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ বাই/লং এন্ট্রিঃ যখন মার্কেট মুল্যের বর্তমান ক্যান্ডেল EMA/MA ২০০ পিরিয়ড এর উপরে থাকবে বা ক্লোজ করবে তখন মার্কেট মুল্য নিচের দিকে EMA/MA ১০পিরিয়ড পর্যন্ত সংশোধন/আসার জন্য অপেক্ষা করুন, তারপর যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে ক্লোজ করে উপরেই থাকবে তখনই লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। বাই/লং এন্ট্রি স্টপলসঃ বাই ট্রেড করার আগে আপনার টাইমফ্রেমে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর নিচের যে মুল্যে মার্কেট ক্লোজ হয়েছিল সে মুল্যে স্টপলস দিন। সেল/শর্ট এন্ট্রিঃ মার্কেট মুল্যের বর্তমান ক্যান্ডেল EMA/MA ২০০ পিরিয়ড এর নিচে থাকবে বা নিচে ক্লোজ করবে তখন মার্কেট মুল্য উপরের দিকে EMA/MA ১০পিরিয়ড পর্যন্ত সংশোধন/যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন, তারপর যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর নিচে ক্লোজ করে নিচেই থাকবে তখনই সেল/শর্ট ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। সেল/শর্ট এন্ট্রি স্টপলসঃ সেল ট্রেড করার আগে আপনার টাইমফ্রেমে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে যে মুল্যে মার্কেট ক্যান্ডেল ক্লোজ হয়েছিল সে মুল্যে স্টপলস দিন। বাই ও সেল উভয় ক্ষেত্রে টেক প্রফিট যেভাবে দিবেনঃ প্রত্যেক স্ট্রেটেজি বেঁধে প্রতিটি পেয়ারের ক্ষেত্রে টেক প্রফিট বা লাভের নিয়ম পরিবর্তিত হয়/একেক রকম হয়। কারণ, প্রত্যেক কারেন্সিরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে, অর্থাৎ দৈনিক ট্রেডিং রেঞ্জ, ভোলাটিলিটি ও নিউজের প্রতিক্রিয়া এগুলো প্রতিটি কারেন্সির কিন্তু একই রকম হয়না। তাই এই স্ট্রেটেজিতে দৈনিক ট্রেডারদের জন্য আমি তার ট্রেডকৃত পেয়ারের বিগত ৩০দিনের দৈনিক এভারেজ পিপ্স এর ৫০% টেক প্রফিট দিতে বলি। উদাহরণস্বরূপ – সবার প্রিয় EURUSD পেয়ারটি বিগত মাসের দৈনিক এভারেজ এ মুবমেন্ট ছিল ১২০পিপ্স তাহলে এক্ষেত্রে আমি বলবো আপনি ৫০% অর্থাৎ আপনি এ স্ট্রেটেজিতে প্রতিদিন ৬০পিপ্স করে টেক প্রফিট দিন বা ট্রেড প্রফিটে গেলে নিজে এ্যনালাইসিস করে ম্যনুয়্যলি সিদ্ধান্ত নিন। নিচের চিত্রে বিস্তারিত দেখানো হলঃ উক্ত স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার কতিপয় নিয়মঃ উক্ত স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য উপরে উল্লেখিত হুবহু নিয়ম অনুস্মরণ করুন, এর সাথে অন্য এ্যনালাইসিস যোগ করবেন না।মার্কেট মুল্য সাময়িকভাবে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে থাকা অবস্থায় অসম্পূর্ণ ক্যান্ডেল এ ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। তখনই ট্রেডে এন্ট্রি দিন যখন মার্কেট মুল্য EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে তার মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল্টি ক্লোজ করে। যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে আপনার ট্রেডের বিপরীতে যাবে তখনই অতি দ্রুত আপনার ট্রেডটি ম্যনুয়্যলি ক্লোজ করে দিন, এটা কখনো ভাববেন না যে মার্কেট মুল্য আপনার অনুকূলে আসবে বা আসতে পারে তাহলে আপনার লসের পরিমান অনেক বেশী হতে পারে বাকীটা আপনার সিদ্ধান্ত। কখনো মার্কেট ডিরেকশন এর অপর দিকে ট্রেড করবেন না অর্থাৎ মার্কেট মুল্য EMA/MA ২০০পিরিয়ড এর নিচে থাকলে বাই আর EMA/MA ২০০পিরিয়ড এর উপরে থাকলে সেল এন্ট্রি থেকে বিরত থাকুন। সর্বশেষ নিয়ম, যখনই আপনার দৈনিক টেক প্রফিট চাহিদা পূরণ হবে বা পূরণ হওয়ার পথে তখন ওই টিপি টার্গেট থেকে আর বাড়াবেন না। তাহলে হয়তো আম আর ছালা দুটোই হারাবেন, মনে রাখবেন ফরেক্স হলো দু-মুখি তলোয়ার যার দু-দিকেই সমান ধার থাকে। সাধারণ নির্দেশাবলীঃ ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য এই স্ট্রেটেজিটি সবথেকে বেশী কার্যকর হয় লন্ডন ও নিউ ইয়র্ক ট্রেডিং সেশন এ।এই স্ট্রেটেজিটি সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল এ্যনালাসিস নির্ভর, তাই নিউজ ও ফান্ডামেন্টাল এ্যনালাইসিস দ্বারা এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। হুট করে ট্রেডে এন্ট্রি দিবেন না, ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য স্ট্রেটেজিমতে এ্যনালাইসিস দেখুন তারপর সিউর হয়ে ট্রেডে এন্ট্রি দিন কারণ ট্রেড করার জন্য সময়ের অভাব হবেনা কিন্ত লস সামলাতে আপনার অনেক সময় লাগতে পারে। লিভারেজ হলো ট্রেডারদের সাইলেন্ট কিলার, তাই পৃথিবীর যত সফল স্ট্রেটেজিই হোক না কেন ট্রেড এর ক্ষেত্রে অত্যাধিক লিভারেজ ব্যবহার করবেন না। মনে রাখবেন একজন দৈনিক ট্রেডার ধারাবাহিকভাবে দৈনিক তার মূলধনের ৫% উপার্জন করতে পারে আর বেশী করা মানেই হলো ওই ট্রেডার ধয্যহীন ও লোভী আর এজন্যই যত সফল স্ট্রেটেজিই হোক না কেন এ ধরনের ট্রেডাররা এক সময় বিশাল লস দেয়। EMA ইন্ডিকেটরটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে - ema.zip উপরোক্ত স্ট্রেটেজিটি আশা করি নতুন ও অভিজ্ঞ ট্রেডারদেরকে আরো অভিজ্ঞ ও সফল করে তুলবে। কোনো ভুল হলে শিখিয়ে দিবেন কারণ আমিও আপনাদের মত একজন সাধারণ ট্রেডার। শুধুমাত্র নিজে যতটুকু অর্জন করেছি ততটুকুই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ধন্যবাদ। ema.zip
  12. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ২০ই অক্টোবর থেকে ২৪ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ১৫০পিপ্স এর বেশী মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। এ সপ্তাহটিতে হয়তো মেজর পেয়ারগুলোতে তেমন মুবমেন্ট না ও হতে পারে কারণ এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সি হিসেবে USD কারেন্সিতে Unemployment Claims ও New Home sales ছাড়া তেমন কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, শুধু তাই নয় এ সপ্তাহে EUR কারেন্সিতেও শুধুমাত্র French Flash Manufacturing PMI নিউজটি রয়েছে, তাই এ সপ্তাহটিতে বেশীরভাগ মেজর পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। তবে এ সপ্তাহে CAD ও GBP কারেন্সিতে সর্বাধিক হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই এ সপ্তাহে CAD ও GBP কারেন্সির পেয়ারগুলোতে ভালো মুবমেন্ট আশা করা যায়। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ২০ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে CAD কারেন্সির নিউজটি ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই তাই এ দিন CAD কারেন্সির পেয়ারগুলো ছাড়া অন্য সকল পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Wholesale Sales m/m ২১ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে AUD এবং CNY কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, AUD কারেন্সির নিউজটির এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট অধিক ভাল/খারাপ আসলে এ দিন উক্ত কারেন্সির সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হবে আর CNY কারেন্সির নিউজগুলো এশিয়ার কারেন্সিগুলোতে ইফেক্ট ফেলতে পারে। এছাড়া এ দিন অন্যান্য মেজর পেয়ারগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD Monetary Policy Meeting Minutes রাত ৮.০০মিনিট CNY GDP q/y রাত ৮.০০মিনিট CNY Industrial Production y/y ২২ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী নিউজ হলো CAD কারেন্সির। তাই এ দিন CAD কারেন্সির সাথে সম্পৃক্ত সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে, পাশাপাশি এ দিন GBPUSD, AUDUSD এবং USD কারেন্সির নিউজটি অধিক ভাল/খারাপ হলে অন্যানা মেজর পেয়ারগুলোর মার্কেটও ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD CPI q/q দুপুর ২.৩০মিনিট GBP MPC Asset Purchase Facility Votes দুপুর ২.৩০মিনিট GBP MPC Official Bank Rate Votes সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core CPI m/m রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Monetary Policy Report রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Rate Statement রাত ৮.০০মিনিট CAD Overnight Rate রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Press Conference ২৩ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে বিভিন্ন কারন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে যার মধ্যে USD, EUR ও GBP কারেন্সির নিউজগুলো অন্যতম। তাই আশা করা যায় যে, এ দিন মেজর পেয়ারগুলো মোটামুটি ট্রেডেবল হবে। রাত ৩.০০মিনিট AUD RBA Gov Stevens Speaks রাত ৩.৪৫মিনিট NZD CPI q/q সকাল ৭.৪৫মিনিট CNY HSBC Flash Manufacturing PMI দুপুর ১.০০মিনিট EUR French Flash Manufacturing PMI দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৪ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র NZD, GBP ও USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি করে নিউজ রয়েছে আর নিউজগুলো অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ। যাইহোক, যদি USD কারেন্সির নিউজটির ফলাফল অধিক ভাল/খারাপ হয় তাহলে এদিন মেজর পেয়ারগুলো ভালোই মুবমেন্ট করবে তাই সপ্তাহের এই শেষ দিনে সবাই নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। রাত ৩.৪৫মিনিট NZD Trade Balance দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Prelim GDP q/q রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP ও CAD কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। তবে সপ্তাহের শেষ দিনের নিউজগুলো আপনার প্রিয় পেয়ারের মার্কেটকে যেকোনো দিকে ভালোই মুবমেন্ট করাতে পারে, তাই সপ্তাহের শেষ দিন ট্রেডে সতর্ক থাকুন। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। আর এ সপ্তাহে CAD কারেন্সির পেয়ারগুলোতে সাবধানে স্ক্যাল্পিং করুন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  13. GBPUSD মার্কেট আউটলুক ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটি বিগত সপ্তাহে ভালোই ট্রেডেবল ছিল, পেয়ারটি সপ্তাহের প্রথম দিকে ১.৫৯৫১ পর্যন্ত সেল এ গিয়ে সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৬২২৬ মুল্যে পর্যন্ত বাই এ গিয়ে বিগত শুক্রবার ১.৬০৭৬ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটি বাই কিছুটা কারেকশন করছে, তারপরও বর্তমানে পেয়ারটি সকল টাইম ফ্রেমে সেল এ আছে। যেহেতু পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে এ সপ্তাহে বেশ কিছু নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি বিগত সপ্তাহের ন্যায় ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। এ সপ্তাহে পেয়ারটি বাই এ যাওয়ার জন্য GBP কারেন্সির CPI, Average Earnings Index ও Claimant Count Change এবং সেলে যাওয়ার জন্য মেজর কারেন্সি USD এর Retail Sales, Unemployment Claims, Building Permits ও Fed Chair Yellen Speaksসহ অন্যান্য নিউজগুলোর উপর নির্ভর করবে। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সির অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো GBP কারেন্সির নিউজগুলো থেকে শক্তিশালী। এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে এবং আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ভাল স্ক্যাল্পিং করা যাবে তবে যারা স্ক্যাল্পিং করে থাকেন তারা নিউজগুলোর দিন সাবধানে স্ক্যাল্পিং করবেন। আশা করি পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাই এ আরো কিছু কারেকশন করে পুনরায় সেলে মোড় নিবে। যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে ১.৫৯০০/১.৫৮৫০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬২০০/১.৬৩৪০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD দৈনিক চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬০৭৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬১২৮, ১.৬১৮০, ১.৬২৩২, ১.৬২৬৩ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৩৫৭। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬০২৫, ১.৫৯৪৭, ১.৫৯১০, ১.৫৮৮৫, ১.৫৮৫৩ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৫৭৫৪। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে পেয়ারটির GBP কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের একটি নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP CPI y/y ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন পেয়ারটিতে অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটির মার্কেট ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Average Earnings Index 3m/y দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Claimant Count Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, সুতরাং এ দিন পেয়ারটি নিশ্চিত ট্রেডবল থাকবে আর যদি নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসে তাহলে এদিন পেয়ারটি সেলে অগ্রাধিকার পাবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হ্যে উঠবে এবং সেলে থাকবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD কারেন্সির নিউজগুলো বেশী ইপেক্টিভ বলে আমি মনে করি। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD এর নিউজগুলোর উপর-ই নিরভিরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে আর অপর দিকে GBP এর নিউজগুলো ভাল হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও বাই এ আরো কিছুটা কারেকশন করবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট প্রথম রেসিস্টেন্স ১.৬১২৮ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬০৫৫ টেকপ্রফিট ৭০-১২০পিপ্স দিন। মার্কেট সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬০২৫ ক্রস করলে সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬০৮০ টেক প্রফিট ৮০-১০০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই এ যায় তাহলে ১.৬৩৩০-১.৬৩৫৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৪২৫ আর টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০ পিপ্স। এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৫৮৬০ থেকে ১.৫৮২০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৮০০ এবং টেক প্রফিট ১২০-১৫০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  14. Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে প্রফিটেবল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আমি যখনই আমার মনের মত সফল কোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়ে থাকি তখনই চেষ্টা করি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। হ্যাঁ আজও ঠিক তাই – কিছুদিন আগে একজন ভাল ট্রেডারের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত একটি ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়েছি, যার দ্বারা ওই ট্রেডার ৭০-৯০ভাগ সময়ই প্রফিট করে থাকেন আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম এটা শুনে যে ওই ট্রেডার নাকি প্রায় তিন বছর ধরে এই নরমাল স্ট্রেটেজি দিয়েই ট্রেড করে যাচ্ছেন এবং সফলভাবেই ট্রেড করছেন। তাই আমি তার স্ট্রেটেজিটা কিছুদিন আগে থেকে ডেমো-তে ট্রাই করা শুরু করি, দেখলাম যে তার কথা মিথ্যা নয়, তাই ভাবলাম স্ট্রেটেজিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনাদের উপকারে আসে। তাহলে আসুন জেনে নেই সহজ সেই স্ট্রেটেজিটিঃ এই সহজ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য আপনাকে মুলত Winner নামের একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে আর এই ইন্ডিকেটরটি-ই হল এই স্ট্রেটেজির মূল কান্ডারি এবং তার সাথে Stochastic Oscillator ইন্ডিকেটরটিও রাখতে হবে, এজন্য Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০ ও ৮০ ব্যবহার করুন। এই Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে যেকোনো টাইমফ্রেমে যেকোনো পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমার মতে মিনিমাম ১ঘন্টা টাইম ফ্রেম ব্যবহার করলে অনেক বেশী সফলতা পাওয়া যায় যা পরীক্ষিত। Winner ও Stochastic Oscillator দ্বারা ট্রেড চিত্রঃ ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ বাই এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর সবুজ লাইন লাল লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০এ বা তার নিচে থাকবে তখনই বাই ট্রেড করুন। সেল এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর লাল লাইন সবুজ লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০এ বা তার উপরে থাকবে তখন শুধুই সেল ট্রেড করুন। স্টপলস ও টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ আমি মনে করি যেকোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজির স্টপলস ও টেক প্রফিটের জন্য নিজের মস্তিস্ক/ট্রেডিংজ্ঞান ব্যবহার করাই শ্রেয়। তারপরও আপনি চাইলে এই স্ট্রেটেজির ক্ষেত্রে- টেকপ্রফিট – এই স্ট্রেটেজিতে বাই ট্রেড এর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে মার্কেট কন্ডিশন Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০ বা তার উপরে/কাছাকছি আর সেল এর ক্ষেত্রে Stochastic Oscillator লেভেল ২০ বা তার নিচে/কাছাকাছি গেলে আপনার ট্রেড যাই প্রফিটে থাকুক ক্লোজ করে দিন। অন্যথায়ঃ ১৫/৩০মিনিটের টাইম ফ্রেমে ঃ ২০-৪০পিপ্স টেক প্রফিট দিন আর অন্যান্য টাইমফ্রেমের ক্ষেত্রে দৈনিক পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করুন। স্টপলস - এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড এর স্টপলস এর ক্ষেত্রে আপনি যে টাইমফ্রেমে ট্রেডটি ওপেন করেছেন সে টাইম্ফ্রেমের বিগত হাই/লো রেট এর ৫পিপ্স উপরে/নিচে দিন। বা এ্যনালাইসিস করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে আপনি আপনার মত করে দিন। সতর্কতা ঃ এ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করুন- যখন Winner ও Stochastic Oscillator দুটি ইনডিকেটর-ই ট্রেড করার ডিরেকশন দিবে শুধুমাত্র তখনই ট্রেড করুন, যদি দুটির একটি ইন্ডিকেটর আপনাকে ট্রেড করার সঠিক সিদ্ধান্ত না দেয় তাহলে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। আগে ডেমোতে ট্রাই করুন, যদি আপনি মনে করেন এ স্ট্রেটেজি দ্বারা আপনি সফল তাহলে লাইভ একাউন্টে প্রয়োগ করুন। কি ভাবছেন? Winner ইন্ডিকেটরটি কোথায় পাবেন? চিন্তার কিছু নেই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোডগত কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন। winner.zip যদিও এই Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি দ্বারা সকল পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমি শুধু মেজর পেয়ারগুলোতে ট্রাই করেছি এবং মোটামুটি সফলতাও পেয়েছি। তাই আপনি আগে ডেমোতে আপনার প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারে যাচাই করে দেখুন। আশা করি Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি আপনাকে নিরাস করবে না। ধন্যবাদ। winner.zip
  15. EURUSD মার্কেট আউটলুক ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ২৮০পিপ্স এর মত মুবমেন্ট হয়ে ১.২৬২৮ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটি বিগত সপ্তাহে যথেষ্ট বাই এ যাওয়ার চেষ্টায় ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই তিন/চার মাসের চেনা ট্রেন্ড সেল এর দিকে যেতে বাধ্য হয়। অনেকেই মনে করেছেন হয়তো পেয়ারটি এবার বুঝি বাই ট্রেন্ড ধরবে কিন্তু পেয়ারটি তা পারেনি আর এ সপ্তাহেও পারবে কিনা তা বলা মুশকিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্বগতির জন্য EUR এর German survey and final CPI ও ECB President Draghi Speaks নিউজগুলো আর নিম্নগতির জন্য USD এর যাবতীয় নিউজগুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই পেয়ারটি এ সপ্তাহেও ট্রেডেবল থাকবে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৫০০ ও ১.২৩৭৫ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৭৪০ ও ১.২৮৩৫। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৬৬০-১.২৮৩৫ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৫৮৩ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৫০০-১.২৩৭৫ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির বিগত বছরগুলোর সাপোর্টমুল্য বিবেচনা করেন তাহলে পেয়ারটি সেলে যাওয়াটা টেকনিক্যালি স্বাভাবিক। তবে পেয়ারটির মার্কেট যদি ১.২৫০০ মুল্য ক্রস করে সেলে যায় তাহলে পেয়ারটি সেলে আরো ৩০০-৫০০পিপ্স যাওয়া স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৬৪৯। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৬৬০, ১.২৬৯৪, ১.২৭৪৫, ১.২৭৯০, ১.২৮৩৬ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯০০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৫৮৩, ১.২৫৩৮, ১.২৫০০, ১.২৪৭২, ১.২৪৪২ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২৩৭৫। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ১১ই অক্টোবর শনিবার – এ দিন মার্কেট বন্ধ থাকলেও EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে, তাই মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে পেয়ারটিতে নিউজটির প্রভাব পড়বে। রাত ১০.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তবে শনিবারের ECB President Draghi Speaks নিউজটি এ দিন পেয়ারটিকে ট্রেডেবল রাখতে পারে, অন্যথায় এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে উক্ত পেয়ারটির EUR কারেন্সিতে একটিমাত্র হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, EUR এর নিউজটি এ দিন পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে। দুপুর ৩.০০মিনিট EUR German ZEW Economic Sentiment ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন পেয়ারটিতে অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটি নিশ্চিত ট্রেডেবল থাকবে, তবে EUR এর নিউজটির বিপরীতে যদি USD এর নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল আসে তহলে পেয়ারটি এ দিন সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। রাত ০১.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD তে দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এছাড়াও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী। রাত ১২.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটি সেল এর দিকে যথেষ্ট ট্রেডেবল থাকবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটির বিগত সপ্তাহের ন্যায় ট্রেডেবল থাকবে, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ট্রেড করার আগে নিউজের এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট দেখে বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম রেসিস্টেন্স ক্রস করলে ১.২৬৭২ মুল্যে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৬০০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৫৮৩ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৭০-৯০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৬৪০। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৮০৫-১.২৮৪০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৯১০ এবং টেক প্রফিট দিন ৯০-১২০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৫২০-১.২৫০০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৪৬৫ এবং টেক প্রফিট দিন ১২০-১৫০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  16. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ২০০পিপ্স এর বেশী মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। তবে বিগত সপ্তাহে পবিত্র ইদ-উল-আযহা থাকার ফলে অনেক ট্রেডার হয়তো ট্রেড করার মত সময় পাননি বা ট্রেড করা থেকে বিরত ছিলেন আর যারা ট্রেড করেছেন তারা আশা করি ভাল প্রফিট করেছেন। এ সপ্তাহটি আশা করি তার ব্যাতিক্রম হবেনা কারণ এ সপ্তাহে USD ও EUR কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, যার ফলে এ সপ্তাহের মার্কেটও নিশ্চিত ট্রেডেবল থাকবে। তবে মার্কেট ওপেন হওয়ার আগে অর্থাৎ শনিবার EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে, তাই হয়তো মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে EURUSD ও EUR এর সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলোতে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে। যাইহোক, এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সিগুলোতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে বেশীরভাগ নিউজই মেজর কারেন্সি USD, GBP, EUR ও CAD কারেন্সিতে। তাই নিউজ অনুযায়ী ধারনা করে বলা যায় যে, এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলো যথেষ্ট ট্রেডেবল হবে। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ১১ই অক্টোবর শনিবার – এ দিন মার্কেট বন্ধ থাকলেও EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে। রাত ১০.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে CNY এর Trade Balance নিউজটি ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই তাই এ দিন সকল পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। Tentative CNY Trade Balance ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে GBP, AUD এবং EUR কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল আসলে এ দিন কারেন্সিগুলোর সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকবে। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD NAB Business Confidence দুপুর ২.৩০মিনিট GBP CPI y/y দুপুর ৩.০০মিনিট EUR German ZEW Economic Sentiment ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন সকল মেজর পেয়ারের মার্কেট ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। সকাল ৭.৩০মিনিট CNY CPI y/y রাত ০১.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Average Earnings Index 3m/y দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Claimant Count Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m Tentative NZD GDT Price Index ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD তে কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এছাড়াও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন মেজর পেয়ারগুলো ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তবে এদিন EURUSD পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। রাত ১২.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Manufacturing Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র CAD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি ও USDতে তিনটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন USDCAD এর সাথে সাথে অন্যান্য মেজর পেয়ারগুলোও ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Core CPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP, EUR ও CAD কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। তবে এ সপ্তাহে EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি তিন দিন থাকায় যেকোনো দিন EURUSD পেয়ারটি ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাবে আর সেটা হতে পারে বাই এর দিকে। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। আর এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটিতে সাবধানে স্ক্যাল্পিং করুন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। সবাইকে ঈদ-উল-আযহা এর অগ্রীম শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  17. EURUSD মার্কেট আউটলুক ০৬ই অক্টোবর থেকে ১০ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত তিন মাস ধরে একচেটিয়া সেলে ক্রমাগত ধাবিত হচ্ছে বিগত সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম হয়নি, বিগত সপ্তাহে পেয়ারটি ১৮০পিপ্স এর মত সেলে গিয়ে ১.২১১৫ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের দিকে ফলো করে ধারনা করা যে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে-ই থাকবে তবে সেটা বেশীরভাগ নির্ভর করবে উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট এর উপর যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি নিউজ রয়েছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে বলা যায়, পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাই এ কিছুটা কারেকশন করে আবার সেল এর দিকেই ধাবিত হবে যদি পেয়ারটির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট USD কারেন্সির ফেবার এ থাকে। তবে আমার মতে এ সপ্তাহে নিউজ এর দিন পেয়ারটি হুট করে যে কোনো দিকে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৪৪৩ ও ১.২৩৩৬ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৬২৫ ও ১.২৭৪৫। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৬৬০-১.২৭৪৫ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৪৯৬ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৪০০-১.২৩৪০ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির বিগত বছরগুলোর সাপোর্টমুল্য বিবেচনা করেন তাহলে পেয়ারটি সেলে যাওয়াটা টেকনিক্যালি স্বাভাবিক। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৫৬৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৫৬৬, ১.২৬২৪, ১.২৬৬০, ১.২৭০০, ১.২৭৪৫ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯১০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৪৯৬, ১.২৪৪৩, ১.২৪০৭, ১.২৩৩৬, ১.২২৮৫ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২২৪০। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ০৬ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৭ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৮ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিনটিতেও পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৯ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে দুটি ও EUR কারেন্সিতে ১টি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এবং এ তিনটি নিউজই উক্ত পেয়ারটির এ সপ্তাহের নিউজ, এছাড়া এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে আর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে কারণ এ দিন USD এর FOMC Meeting Minutes ও EUR এর ECB President Draghi Speaks দুটি রয়েছে তাই এ সপ্তাহের এ দিনে পেয়ারটি যে কোনো দিকে বিশাল মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। রাত ১২.০০মিনিট USD FOMC Meeting Minutes সন্ধ্যা ৬.০০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৯.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১০ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। বন্ধুরা, উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটির মার্কেট নিউজ পাবলিশ এর দিন ছাড়া অন্য দিনগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে চলবে, এবং উক্ত নিউজগুলো পাবলিশ এর দিন পেয়ারটি যেকোনো দিকে ভালো একটি মুবমেন্ট ঘটাবে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ট্রেড করার জন্য টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস এর উপর গুরুত্ব দিন শুধুমাত্র নিউজ পাবলিশ এর দিন নিউজ ফলো করুন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.২৫৬৬ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৫১০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৪৯৬ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৫৬৫। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৬০০-১.২৬৩০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৬৭০ এবং টেক প্রফিট দিন ৭০-৯০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৪১০-১.২৩৮০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৩৫০ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  18. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ০৬ই অক্টোবর থেকে ১০ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ১৫০-১৮০পিপ্স এর মত মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। USD কারেন্সির একগেয়েমী ঊর্ধ্বগতির ফলে সকল মেজর পেইয়ারের মার্কেট-ই USD কারেন্সির দিকে ছিল এতে করে অনেক ট্রেডার হয়তো বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তবে যারা USD কারেন্সির পক্ষে ট্রেড করেছেন আশা করি তারা ভাল প্রফিট করেছেন। যাইহোক, এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সিগুলোতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে বেশীরভাগ নিউজই মেজর কারেন্সি USD, GBP, AUD ও CAD কারেন্সিতে। তাই নিউজ অনুযায়ী ধারনা করে বলা যায় যে, এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হবে, যদি মেজর কারেন্সি হিসেবে USD এর নিউজগুলোর এ্যাকচুয়্যাল ভাল হয়। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ০৬ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে CAD কারেন্সি ছাড়া অন্য কোনো কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই এবং এ দিন AUD কারেন্সির ব্যাংক ছুটির দিন। তাই এ দিন AUD কারেন্সির পেয়ারগুলোতে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকাই ভালো এবং CAD কারেন্সির পেয়ারগুলোতে নিউজটি দেখে ট্রেড করুন। এছাড়া এ দিন অন্যান্য পেয়ারগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। রাত ৮.০০মিনিট CAD Ivey PMI ০৭ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে বেশীরভাগ কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল আসলে এ দিন প্রায় সকল পেয়ার ট্রেডেবল থাকবে। রাত ৩.০০মিনিট NZD NZIER Business Confidence Tentative JPY Monetary Policy Statement সকাল ৯.৩০মিনিট AUD Cash Rate সকাল ৯.৩০মিনিট AUD RBA Rate Statement Tentative JPY BOJ Press Conference দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Manufacturing Production m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Building Permits m/m ০৮ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন কোনো কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন সকল পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৯ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD ছাড়াও AUD, GBPও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন মেজর পেয়ারগুলো ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন উক্ত কারেন্সির পেয়ারগুলোতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। রাত ১২.০০মিনিট USD FOMC Meeting Minutes সকাল ৬.৩০মিনিট AUD Employment Change সকাল ৬.৩০মিনিট AUD Unemployment Rate বিকাল ৫.০০মিনিট GBP Asset Purchase Facility বিকাল ৫.০০মিনিট GBP Official Bank Rate Tentative GBP MPC Rate Statement সন্ধ্যা ৬.০০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৯.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১০ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র CAD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট দুটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন USDCAD পেয়ারেটির মার্কেট ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Unemployment Rate বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP, AUD ও CAD কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। সবাইকে ঈদ-উল-আযহা এর অগ্রীম শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  19. GBPUSD মার্কেট আউটলুক ২৯সেপ্টেম্বর থেকে ০৩অক্টোবর পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটি বিগত সপ্তাহের প্রথম দিকে ১.৬৪১৫ পর্যন্ত বাই এ গিয়ে সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৬২৩৭ মুল্যে পর্যন্ত সেলে এসে ১.৬২৪৭ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে পেয়ারটি সকল টাইম ফ্রেমে সেল এ আছে। যেহেতু পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে এ সপ্তাহে বেশ কিছু নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। উক্ত পেয়ারের মেজর কারেন্সি USD এর এ সপ্তাহে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো মার্কেটে বেশ চমক দিতে পারে। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সির অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে USD কারেন্সির হাই ইম্প্যাক্ট নিউজগুলো পেয়ারটিতে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে, আর এ মুবমেন্ট বাই/সেল যে কোনো দিকে হতে পারে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে এবং আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ভাল স্ক্যাল্পিং করা যাবে তবে যারা স্ক্যাল্পিং করে থাকেন তারা নিউজগুলোর দিন সাবধানে স্ক্যাল্পিং করবেন। যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে ১.৬১৪০/১.৬০২০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬৩৬০/১.৬৪৭০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD ৪ঘন্টার চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬২৭২। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬২৭০, ১.৬৩১১, ১.৬৩৬৭, ১.৬৪০৮, ১.৬৪৫১ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৫১৬। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬২১৯, ১.৬১৭৪, ১.৬১৩২, ১.৬১০০, ১.৬০১৯ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৫৯৯৭। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ২৯ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ৩০ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে উভয় কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের দুটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Current Account রাত ৮.০০মিনিট USD CB Consumer Confidence ০১ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। তবে নিউজগুলোর মধ্যে GBP থেকে USD এর নিউজগুলো মার্কেটে বেশ ভালো প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Manufacturing PMI সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD ADP Non-Farm Employment Change রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Manufacturing PMI ০২ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে দুটি নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD এর নিউজটি পেয়ারটির মার্কেটে অধিক প্রভাব ফেলতে পারে এবং পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Construction PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ০৩ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে এবং পাশাপাশি GBP কারেন্সিতেও একটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটিতে হাই মুবমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর যদি USD এর নিউজগুলো অত্যাদিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ ফলো করে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Services PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Trade Balance সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Rate রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Non-Manufacturing PMI উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD কারেন্সির নিউজগুলো বেশী ইপেক্টিভ বলে আমি মনে করি। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD এর নিউজগুলোর উপর-ই নিরভিরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে আর অপর দিকে GBP এর নিউজগুলো অত্যাধিক ভাল হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও বাই এ কিছুটা কারেকশন করবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট প্রথম রেসিস্টেন্স ১.৬২৭০ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬২১৫ টেকপ্রফিট ৬০-৯০পিপ্স দিন। মার্কেট যদি সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬২১৯ ক্রস করে তাহলে ১.৬২১০ এ সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬২৮০ টেক প্রফিট ১০০-১২০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই যায় তাহলে ১.৬৪৫০-১.৬৫১৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৫৩০ আর টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০ পিপ্স। এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৬১২০ থেকে ১.৬০৮০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৯৮৫ এবং টেক প্রফিট ৮০-১০০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  20. EURUSD মার্কেট আউটলুক ২৯সেপ্টেম্বর থেকে ০৩অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ২২৫পিপ্স এর মত সেলে গিয়ে ১.২৬৮২ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের দিকে ফলো করে ধারনা করা যে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে-ই থাকবে তবে সেটা বেশীরভাগ নির্ভর করবে উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট এর উপর যেহেতু এ সপ্তাহে USD এর পাশাপাশি EUR কারেন্সিতেও কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি বাই/সেল এ যাওয়ার উভয় কারেন্সির নিউজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৫৪০ ও ১.২৪৯০ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৭৯০ ও ১.২৮৩০। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৭৭৫-১.২৮৩০ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৬৬০ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৫৪০-১.২৪৯০ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির USD কারেন্সির বেশীরভাগ নিউজ পজিটিভ হয় তাহলে এ সপ্তাহেও পেয়ারটি নিশ্চিত সেলে-ই থাকবে। তবে সেটা অধিকাংশ নির্ভর করবে নিউজের এ্যকচুয়্যাল রিপোর্টের উপর। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৭৪৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৬৯২, ১.২৭৪৯, ১.২৭৮৯, ১.২৮৩২, ১.২৮৭৭ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯৮৭। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৬৬০, ১.২৫৯২, ১.২৫৪০, ১.২৪৯৬, ১.২৪৪১ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২৩৩৬। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ২৯ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটির EUR কারেন্সিতে German Prelim CPI m/m নিউজটি রয়েছে, তাই এ পেয়ারটি ট্রেডেবল হতে পারে। আর যদি নিউজটির এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট অত্যাদিক ভাল হয় তাহলে এ দিন পেয়ারটি বাই এর দিকে থাকবে। সারাদিন EUR German Prelim CPI m/m ৩০ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের দুটি নিউজ রয়েছে, তবে নিউজগুলোর মধ্যে EUR এর নিউজটি বেশী ইফেক্টিব হবে বলে মনে হয়, যেহেতু নিউজটি বাৎসরিক হারে প্রকাশ করা হয়। তাই এ দিন পেয়ারটির মার্কেট কম-বেশী ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনাই বেশী। দুপুর ৩.০০মিনিট EUR CPI Flash Estimate y/y রাত ৮.০০মিনিট USD CB Consumer Confidence ০১ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর দুটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে এবং পেয়ারটির মার্কেট সেলের দিকে ধাবিত হবে। সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD ADP Non-Farm Employment Change রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Manufacturing PMI ০২ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে কয়েকটি নিউজ রয়েছে তার মধ্যে EUR এর ECB Press Conference এবং USD এর Unemployment Claims নিউজ দুটি পেয়ারটির মার্কেটকে চাঙ্গা করে তুলবে আর এ দিন পেয়ারটি যেকোনো দিকে বড় ধরনের মোড় নিতে পারে। তাই এদিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন নতুবা লস গুনুন। বিকাল ৫.৪৫মিনিট EUR Minimum Bid Rate সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট EUR ECB Press Conference সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ০৩ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে উক্ত পেয়ারের মেজর কারেন্সি USD তে-ই হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন পেয়ারটি ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Trade Balance সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Rate রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Non-Manufacturing PMI বন্ধুরা, উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। তবে এ সপ্তাহে যদি উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো হয় তাহলে আমার মনে হয় পেয়ারটি এ সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে(১০০-১৫০পিপ্স) ঘুরপাক করবে আর যদি EUR থেকে USD এর নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট অধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটির মুবমেন্ট এ সপ্তাহেও সেল এ থাকবে। তাই নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে বা নিউজ না বুঝে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.২৭৫০ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৬৯০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৬৬০ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৭২০। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৮৫৫-১.২৮৭৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৯০৫ এবং টেক প্রফিট দিন ৭০-৯০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৫৫০-১.২৫১৫ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৪৮৫ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  21. US Dollar এর উর্ধ্বগতি VS Others কারেন্সি ট্রেডিং Now. ফরেক্স মার্কেটে US Dollar অনেক কারেন্সির বিরুদ্ধে ঝড়ের গতিতে ছুটছে, যা অনেক ট্রেডারকেই বিপদের সম্মুখীন করছে, বিশেষ করে যারা US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করেছেন বা এখনো ট্রেডে আছেন। মেজর পেয়ারগুলোতে US Dollar এর আধিপত্য এখন তুঙ্গে। তাই যেসব পেয়ারে US Dollar তার আধিপত্য বিস্তার করে আছে (EUEUSD, GBPUSD, AUDUSD, NZDUSD ও USDJPY) তাদের কতিপয় কারেন্সিতে এখন US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে, তাহলে আসুন জেনে নেই বর্তমানে এই মেজর পেয়ারগুলো কোন দিকে মুব করলে কিভাবে ট্রেড করবো। EUEUSD : পেয়ারটি সকল ট্রেডারেরই পছন্দের একটি পেয়ার কিন্তু বিগত চার মাস ধরে পেয়ারটি ১.৩৯৯০ থেকে কয়েকটি স্ট্রং সাপোর্ট আর অনেক ট্রেডারের এ্যনালাইসিসের বাঁধ ভেঙ্গে বিগত বছরের এপ্রিল ও জুন মাসের ডাবল বটম লেভেল ১.২৭৫৫ ক্রস করে বর্তমানে ১.২৭৩০ এ অবস্থান করছে এবং ১.২৬৬০-১.২৬০০ (২০১১ ডিসেম্বরের স্ট্রং সাপোর্ট মুল্য) পেয়ারটির আগামী স্ট্রং সাপোর্ট লেভেল আর ১.২৮০০-১.২৯০০ কে আগামী রেসিস্টেন্স লেভেল হিসেবে চিন্তিত করা যায়। যদি আপনি পেয়ারটিতে এই মুহূর্তে লং ট্রেড করতে চান তাহলে করতে পারেন তবে অবশ্যই স্টপ লস ১.২৬০০ দিন বা একটি সুবিধাজনক রেট এ লং ট্রেড করার জন্য আরেকটু অপেক্ষা করতে পারেন, তা হল ১.২৭০০ মুল্য ক্রস করে নিচে নামলেই ১.২৬৬০ এর উপরে যে কোনো মুল্যে লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। ১.২৬৬০ মুল্যের উপরে লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি নেওয়ার নির্দিষ্ট একটি কারণ হলো বিগত তিন বছরে ১.২৬০০-১.২৬৬০ মুল্যে মার্কেট অনেকবারই এসেই আবার পুরোদমে বাই এ চলে গেছে তবে পেয়ারটি ২০১২ এর জুন মাসে ১.২৬৬০ সাপোর্টটি ক্রস করার পর এর মুল্য ১.২০০০ এ এসে দাঁড়ায়, তাই যদি দুর্ভাগ্যবশতঃ পেয়ারটি ১.২৬০০ ক্রস করে নামতে থাকে তাহলে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন। GBPUSD : এ পেয়ারটিও অনেক ট্রেডারদের প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারের একটি, কিন্তু এটিও বিগত তিন মাস ধরে ১.৭১৮০ মুল্য থেকে ক্রমেই সেল এর দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ১.৬২৭৫ পর্যন্ত সেল এ গিয়ে বর্তমানে ১.৬৩১০মুল্যে মাসিক চার্টে হ্যামার ক্যান্ডেল তৈরির প্রক্রিয়ায় আছে, তাই পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে এখন লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দেওয়া যায় এক্ষেত্রে স্টপ লসের জন্য ফলো করুন ডিসেম্বর২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য ১.৬২০০কে, তবে আরকেটি কাজ করতে পারেন পেয়ারটির মুল্য ১.৬১০০এর কাছাকাছি বা তার নিছে নামলে ১.৬০৫০ এর উপরে যেকোনো মুল্যে স্বল্প স্টপ লসে (১.৬০০০০) লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন, আর যদি ১.৬০৫০ মুল্য ক্রস করে পেয়ারটি সেল এ যায় তাহলে নবেম্বর২০১২ ও সেপ্টেম্বর, অক্টোবার২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য ১.৫৮৫০ এর কাছাকাছি আসতে পারে। AUDUSD : এ পেয়ারটিও ট্রেডারদেরকে কম নাচায়নি, চলতি মাসের আগের পাঁচ পাঁচটি মাস একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে(১৪০পিপ্স) ঘুরপাক করেছে এবং অনেক ট্রেডারের এ্যনালাসিসকে ফলস করে দিয়ে ট্রেড লস এ লক করে পেলেছে (যারা স্টপ লস ছাড়া ট্রেড করেন)। আপনি যদি পেয়ারটি মাসিক চার্টে দেখেন তাহলে আমার কথাগুলো বুঝবেন। চলতি মাসের প্রথম দিকেই পেয়ারটি ০.৯৪০০ থেকে হুট হুট করে বর্তমানে ০.৮৮১০ মুল্যে প্রায় ছয়’শ পিপ্স সেলে নামে, যা আসলেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মত, তবে আমার মতে পেয়ারটিতে লং/বাই ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য(০.৮৮১০) ডিসেম্বর২০১৩ এর লো রেট(০.৮৬৫৯) এর কাছাকাছি। মাসিক ট্রেডার রা অবশ্যই এখন পেয়ারটিতে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিবেন তবে পেয়ারটির মার্কেট মুল্য ০.৮৭৫০ এর কাছাকাছি আসলে এবং স্টপ লস হিসেবে জানুয়ারী২০১৪ এর লো রেট ০.৮৬৫০ দিন আর যদি পেয়ারটি .০৮৬৫০ মূল্যও ক্রস করে সেল ধাবিত হয় তাহলে ধরে নিন পেয়ারটি ফেব্রুয়ারী২০১০ এর লো রেট ০.৮৫০০ পর্যন্ত যেতে পারে। NZDUSD : এই মেজর পেয়ারটিও বিগত তিন মাস ধরে ০.৮৮৩৮ মুল্য থেকে একচেটিয়া সেলে প্রায় ৯০০পিপ্স নেমে আসে যা অনেক ট্রেডারের-ই অকল্পনীয়। অকল্পনীয় হবেই বা না কেন! কারণ যেখানে একটার পর একটা স্ট্রং সাপোর্ট ও ডাবল বটম আছে সেখানে এভাবে একচেটিয়া সেল কি করে সম্ভব কিন্তু পেয়ারটি কোনো স্ট্রং সাপোর্টকে তোয়াক্কা না করেই একচেটিয়া সেলে নামতেই থাকে, তবে এখন সময় হয়েছে পেয়ারটিতে লং/বাই এ ট্রেড করার, কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য ফেব্রুয়ারী২০১২ এর কাছাকাছি এবং এ মুল্যে মার্কেট বিগত কয়েক বছর ধরে এসেই ফিরে যায়। তাই পেয়ারটিতে ০.৭৮০০-০.৭৮৫০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই করতে পারেন তবে এই মুল্যে বাই করলে স্টপ লস অবশ্যই জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ দিন, আর যদি পেয়ারটি জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ ক্রস করে সেলে নামে তহলে ধরে নিন পেয়ারটি ০.৭৬৫০ মুল্য থেকে আরো ১৫০-২০০পিপ্স সেলে নামবে। USDJPY : কচ্ছপ গতির দূরদর্শী JPY কারেন্সির এই পেয়ারটি বিগত আগস্ট ও সেপেটেম্বর এর এ সপ্তাহের মধ্যে হাটি হাটি পা পা করে ১০১.৫০ থেকে বর্তমানে বাই এ ১০৯.২৬ মুল্যে অবস্থান করছে যা প্রায় ৮৫০পিপ্স এর মত, আশ্চর্য না? হ্যাঁ, আশ্চর্যই তো, এই মেজর পেয়ারটির যে গতি তা দেখে কখনো কারো মনে হবেনা যে পেয়ারটি একচেটিয়া এত দূর পর্যন্ত আসতে পারে। পেয়ারটি যদি বর্তমান দৈনিক রেসিস্টেন্স ১০৯.৪৫ ক্রস করে উপরে যায় তাহলে পেয়ারটি ২০০৮এর হাই রেসিস্টেন্স রেট ১১০.৬০ পর্যন্ত যাওয়ার পসিবিলিটি আছে তবে ওই রেট ক্রস করলে আরো ২০০-৩০০পিপ্স বাই যেতে পারে। তবে আমি মনে করি পেয়ারটিতে এখন সেল এন্ট্রি দেওয়ার সময় আপনি চাইলে ১০৯.২০-৪০ এর মধ্যে সেল এন্ট্রি দিন এবং ৩০পিপ্স ব্যবহার করুন। যদি পেয়ারটি আরো বাই এ যায় তাহলে ১১০.২০-১১০.৬০ এর মধ্যে যে কোনো মুল্যে আবার সেল এন্ট্রি দিন আর এক্ষেত্রে স্বল্প স্টপ লস ১১০.৭০ ব্যবহার করুন। উপরোক্ত ট্রেডিং এ্যনালাইসিসগুলো শুধুমাত্র লং টাইম(মাসিক) ট্রেডাররা ফলো করবেন আর যদি দৈনিক ও সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করতে চান তাহলে অবশ্যই ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করতে পারেন। তবে স্টপ লস সবার ক্ষেত্রে একই থাকবে। ধন্যবাদ।
  22. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ০৩ অক্টোবর তারিখ পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ১৫০-২০০পিপ্স এর মত মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। USD কারেন্সির একগেয়েমী ঊর্ধ্বগতির ফলে সকল মেজর পেইয়ারের মার্কেট-ই USD কারেন্সির দিকে ছিল এতে করে অনেক ট্রেডার হয়তো বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তবে যারা USD কারেন্সির পক্ষে ট্রেড করেছেন আশা করি তারা ভাল প্রফিট করেছেন। যাইহোক, এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সিগুলোতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে বেশীরভাগ নিউজই মেজর কারেন্সি USD, GBP, AUD ও EUR তে। তাই নিউজ অনুযায়ী ধারনা করে বলা যায় যে, এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হবে, যদি মেজর কারেন্সি হিসেবে USD এর নিউজগুলোর এ্যাকচুয়্যাল ভাল হয়। অন্যদিকে এ সপ্তাহে EUR কারেন্সির নিউজগুলোও যদি ভাল হয় তাহলে এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটি বাই এ ভালো মুবমেন্ট ঘটাবে। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ২৯ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে শুধুমাত্র EUR কারেন্সিতে German Prelim CPI m/m নিউজটি রয়েছে, তাই এ দিন EURUSD এবং EUR এর সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হতে পারে। এছাড়া এ দিন অন্যান্য পেয়ারগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। সারাদিন EUR German Prelim CPI m/m ৩০ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে বেশীরভাগ কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, তবে নিউজগুলোর মধ্যে CAD এর নিউজটি বেশী ইফেক্টিব হবে বলে মনে হয়। তাই এ দিনও CAD কারেন্সির পেয়ারগুলোর মার্কেট ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনাই বেশী। তবে অন্যান্য কারেন্সির পেয়ারগুলোও কম-বেশী ট্রেডেবল হবে। সকাল ৬.০০মিনিট NZD ANZ Business Confidence সকাল ৭.৪৫মিনিট CNY HSBC Final Manufacturing PMI দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Current Account দুপুর ৩.০০মিনিট EUR CPI Flash Estimate y/y সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD GDP m/m রাত ৮.০০মিনিট USD CB Consumer Confidence ০১লা অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। তবে নিউজগুলোর মধ্যে USD ও GBP এর নিউজগুলো মার্কেটে বেশ ভালো প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ দিন মেজর পেয়ারগুলোতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। সকাল ৭.০০মিনিট CNY Manufacturing PMI সকাল ৭.৩০মিনিট AUD Retail Sales m/m দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Manufacturing PMI সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD ADP Non-Farm Employment Change Tentative NZD GDT Price Index রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Manufacturing PMI ০২রা অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD ছাড়াও AUD, GBP ও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন মেজর পেয়ারগুলো ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন উক্ত কারেন্সির পেয়ারগুলোতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। সকাল ৭.৩০মিনিট AUD Building Approvals m/m সকাল ৭.৩০মিনিট AUD Trade Balance দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Construction PMI বিকাল ৫.৪৫মিনিট EUR Minimum Bid Rate সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট EUR ECB Press Conference সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ০৩রা অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে মেজর কারেন্সি USD তে হাই ইমপ্যাক্ট কয়েকটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন সকল মেজর পেয়ারের মার্কেট USD এর দিকেই থাকবে। তাই এ দিন সকল মেজর পেয়ারে নিউজ ফলো করে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Services PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Trade Balance সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Trade Balance সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Rate রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Non-Manufacturing PMI বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP, AUD ও EUR কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  23. USDJPY পেয়ারে ট্রেন্ড বুঝে ট্রেড করুন নতুবা লস গুনুন... বন্ধুরা, USDJPY পেয়ারটির নাম চোখের সামনে দেখলেই অনেক ট্রেডারের মেজাজ বেজায় খারাপ হয়, হবেই বা না কেন! এই পেয়ারটি যেদিকে যেতে থাকে তুসের আগুনের মত ধীরে ধীরে সে দিকে কয়েক’শ পিপ্স চলে যায়, যা কেউ কল্পনাও করেনা। আমার মনে হয় কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ বিহীন ধীরে ধীরে আমুল পরিবর্তন ফরেক্স এর একমাত্র এই পেয়ারটির মুবমেন্টেই হয়ে থাকে। আবার অনেক ট্রেডার এ পেয়ারে ট্রেড করেই সন্তুষ্ট থাকেন কারণ এই পেয়ারটিতে আপনার ট্রেড একবার ট্রেন্ড এর দিকে হলে লাভের পরিমান কয়েকগুন বেশী হয়। অদক্ষ এ্যনালাইসিসের কারণে উক্ত পেয়ারটিতে আমার দেখা অনেক ট্রেডারের একাউন্ট ক্লোজ হয়েছে। যেমন আজীব চিজ কচ্ছপ তেমনি আজীব পেয়ার হে ইয়ে USDJPY। তবে যাই বলুন না কেন পেয়ারটিতে ট্রেড করতে আমার ভালোই লাগে, কারণ পেয়ারটি তার ট্রেন্ড এর সাথে বেঈমানী করে না, লং টাইমে পেয়ারটির ট্রেন্ড যেদিকে থাকে পেয়ারটি সেদিকেই মুব করে। কি, আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না! তাহলে এক্ষণই পেয়ারটি ৪ঘন্টা বা দৈনিক চার্টে দেখুন............................................. কি, এবার আমার কথা বিশ্বাস হলো? হ্যাঁ, পেয়ারটিতে আসলেই আপনি যদি পুরোপুরি ট্রেন্ড বুঝে এন্ট্রি দিতে পারেন তাহলে ১ট্রেডে-ই বাজিমাত। যেমন ধরুনঃ পেয়ারটি বিগত দুই মাস ধরে এ পর্যন্ত লুজ মোশানে ৭০০পিপ্স বাই এসেছে যা কেউ চিন্তাই করেনি, আর চিন্তা করবেনই বা কি করে পেয়ারটি যে কচ্ছপের মত অতি ধীরে তার গন্তব্যে পৌঁছায় আর ট্রেডারদের মনে হয় এইবার বুঝি সেলে যাবে...এইবার বুঝি সেলে যাবে এবং এ চিন্তা করে অনেকেই সেল এন্ট্রি দিয়ে (স্টপ লসহীন) বিশাল লস করে পেলেছেন। তাহলে বুঝুন পেয়ারটি কি অন্যান্য পেয়ারের মত তার ট্রেন্ড এর সাথে বেঈমানী করে? আমি বলবো অবশ্যই না, তাই পেয়ারটিতে ট্রেড করতে লং টাইম এ্যনালাইসিস প্রয়োজন, যাতে করে আপনি পেয়ারটির রিয়েল ট্রেন্ড কোনদিকে তা বুঝতে পারেন, নতুবা এই কচ্ছপ টাইপের পেয়ারে আপনার ট্রেড না করাই ভাল। একটি কথা মনে রাখেবন যেখানে লাভ বেশী, সেখানে ঝুঁকিও বেশী। আপনি জানেন, কেন পেয়ারটি একচেটিয়া বাই এ আছে? হয়তো বা জানেন না, এর কারণ হলো JPY কারেন্সির GDP ২০১৪ সালের ২য় কোয়াটারে এসে হুট করে -১.৮ এ নেমে যায় তার উপর আবার USD কারেন্সির GDP ও আগের তুলনায় বেড়েছে তাই পেয়ারটি একচেটিয়া বাই এ আছে। নিচে গ্রাফের সাহয্যে JPY কারেন্সির GDP চিত্র দেখানো হলঃ এবার আশা করি বুঝে গেছেন যে, কেন পেয়ারটি কচ্ছপের মত দূরদর্শী ট্রেন্ডের দিকে আছে। তবে এটা শুধু JPY কারেন্সির GDP এর জন্য নয়, এটার আরেকটি কারণ হলো উক্ত পেয়ারের মেজর পেয়ার USD ও আজকে দু-তিন মাস ধরে চাঙ্গাভাব নিয়ে আছে যা আপনি অন্যান্য মেজর কারেন্সি পেয়ার দেখলেই বুঝবেন। এবার পেয়ারটিতে কিভাবে ট্রেড করবেন তার কিছু আইডিয়া বলি যা ব্যাক্তিগতভাবে আমি ফলো করে থাকিঃ পেয়ারটিতে কখনো ছোট-খাটো স্ক্যাল্পিং করতে যাবেন না, তাহলে আপনার ট্রেড ট্রেন্ড এর বিপরীতে হলে ৯০% সময়-ই বিশাল লসের সম্মুখীন হবেন। পেয়ারটিতে ট্রেড করতে চাইলে লং টাইম চার্ট এ বর্তমান মার্কেট পজিশন যাচাই করুন। নিজে ট্রেন্ড লাইন এঁকে ট্রেন্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হন। এ্যনালাইসিস করার সময় অবশ্যই ৪ঘন্টা, দৈনিক বা সাপ্তাহিক চার্ট ফলো করুন। কখনো ট্রেন্ড সম্পর্কে সিউর না হয়ে ট্রেড/রিকবার ট্রেড করবেন না। অবশেষে আরেকটি কথা যা আমি আমার বেশীরভাগ লিখাতেই বলে থাকি “অবশ্যই স্টপ লস ও মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেডে এন্ট্রি দিন”। যাইহোক, এবার আসি পেয়ারটির বর্তমান প্রেক্ষাপটে – আপনারা দেখেছেন যে USDJPY পেয়ারটি বিগত দুই মাস ধরে ৭০০পিপ্স বাই এ গিয়ে বর্তমানে সেলে কিছুটা (১০০-১৫০পিপ্স) রিকবার করার পজিশনে আছে, হয়তো পেয়ারটি তার মার্কেট ট্রেন্ডও পরিবর্তন করে সেলে মোড় নিতে পারে তবে পুরোপুরি সেল ট্রেন্ড এ যাওয়ার জন্য পেয়ারটিকে অবশ্যই ১০৬.৮০ মুল্য ক্রস করতে হবে আর যদি সেলে না গিয়ে আরো বাই এ যায় তাহলে পেয়ারটি ১১০.০০-১১১.০০ পর্যন্ত যেতে পারে। তাই আপনি যদি পেয়ারটিতে বর্তমানে সেল এন্ট্রি দিতে চান তাহলে অবশ্যই স্টপ লস বিগত সপ্তাহের সুইং হাই ক্যান্ডেলের উপরে দিন আর টেক প্রফিট লং টাইম চার্ট এ্যনালাইসিস করে দিন। এর কারণ আগেই বলেছি যে, প্রাণীর মধ্যে কচ্ছপ আর কারেন্সির মধ্যে JPY দুটো-ই ধীরে চলবে কিন্তু গন্তব্যে ঠিকই পৌঁছাবে। বিঃ দ্রঃ যারা লং টাইম এ্যনালাসিস করতে ব্যর্থ তারা উক্ত পেয়ারে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন।
  24. GBPUSD মার্কেট আউটলুক সেপ্টেম্বর ২২ থেকে সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখ পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ট্রেডেবল ছিল ঠিকই কিন্তু একচেটিয়া বাই বা সেলে না গিয়ে তার আগের সপ্তাহের ক্লোজিং রেট এর কাছাকাছি ১.৬২৮৮ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। এতে করে যারা পেয়ারটিতে স্ক্যাল্পিং করেছেন আশা করি তারা ভালো করেছেন। বর্তমানে পেয়ারটি বাই কারেকশন মুডে আছে, যেহেতু পেয়ারটির GBP কারেন্সিতে এ সপ্তাহে কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির মুবমেন্ট নির্ভর করবে মেজর কারেন্সি USD এর নিউজগুলোর উপর। পেয়ারটির USD কারেন্সির এ সপ্তাহের নিউজগুলোর মধ্যে চমকপ্রদ হলঃ New Home Sales ও Unemployment Claims নিউজ দুটি। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রধান কারেন্সি GBP এর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ না থাকায় পেয়ারটি আরো সেলে যেতে পারে, যদি USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয়। তা না হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে ঘুরপাক করবে এবং স্ক্যাল্পিং করার মত পরিবেশ তৈরি করবে। তবে এটা বলা যায় যে, পেয়ারটি এ সপ্তাহেও ট্রেডেবল থাকবে। এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে মোড় নিলে ১.৬২৫০/১.৬১০০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬৪০০/১.৬৫৩০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD দৈনিক চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬৩৬৫। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬৩৫৭, ১.৬৪০২, ১.৬৪৭১, ১.৬৫২০, ১.৬৫৯৫, ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৬৮৩। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬২৮৩, ১.৬২৪৮, ১.৬২০৪, ১.৬১৭১, ১.৬১১৭ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৬০০০। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ২২ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের এই দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ২৩ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ২৪ই সেপ্টেম্বর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে এক্টিমাত্র হাই ইমপ্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে নিউজটির এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারট ট্রেডেবল হবে এবং সেলে থাকবে। রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales ২৫ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে যারমধ্যে Unemployment Claims নিউজটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন পেয়ারটিতে ভালো একটা মুবমেন্ট হতে পারে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৬ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির মেজর কারন্সিতে কোনো নিউজ নেই, তবে USD কারেন্সির নিউজগুলো পেয়ারটিতে ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাবে বলে আশা করছি, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD কারেন্সির নিউজগুলোর উপর-ই নির্ভরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট দ্বিতীয় রেসিস্টেন্স ১.৬৪০২ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬৩১৫ টেকপ্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন। মার্কেট যদি সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬২৮৩ ক্রস করে তাহলে সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬৩৬৫ টেক প্রফিট ৯০-১৩০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই যায় তাহলে ১.৬৪৮০-১.৬৫২৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৫৪৫ আর টেক প্রফিট দিন ১০০-১৫০ পিপ্স এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৬১০০ থেকে ১.৬০৬০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৯৯০ এবং টেক প্রফিট ৮০-১০০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন এবং যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  25. EURUSD মার্কেট আউটলুক সেপ্টেম্বর ২২ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে বাই এ রিকবার না করে ১৭০পিপ্স এর মত সেলে গেইন করে ১.২৮২৮ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। আর এর একমাত্র কারন ছিল FOMC এর নিউজগুলো। যারা বুমেরাং ট্রেড না করে সাপোর্ট রেসিসিটেন্স, ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করে ট্রেড করেছেন আশা করি তারা ভালোই প্রফিট করেছেন আর যারা এই মনে করে ট্রেডে এন্ট্রি দিয়েছেন যে মার্কেট আর কত সেল এ যাবে, এ ধরনের ট্রেডারের ধারণা বেশীরভাগ সময়ই ভুল হয়ে থাকে কারন ফরেক্স মার্কেট এ হাই ইম্প্যাক্ট নিউজ আওয়ারে ডেইলি ট্রেডারদের জন্য প্রাইচ এ্যকশনের মুল্যায়ন সব সময় সঠিক হয় না, আর মার্কেট মূল্য বা প্রাইচ এ্যকশন লং টাইম ট্রেডারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যারা প্রাইচ এ্যকশন এর মাধ্যমে একটি ট্রেড করে কাঙ্খিত লাভের জন্য সপ্তাহ, মাস অপেক্ষা করে থাকে। যাইহোক, বর্তমানে আপনি যে টাইম ফ্রেমেই পেয়ারটিকে দেখেন না কেন, দেখবেন যে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের দিকে ফলো করে বলা যায় যে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে-ই থাকবে, তবে সেটা বেশীরভাগ নির্ভর করবে পেয়ারটির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট এর উপর যেহেতু এ সপ্তাহে EUR কারেন্সিরও হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি বাই এ যাওয়ার জন্য/কারেকশন করার জন্য উক্ত EUR এর নিউজগুলো কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে। যেহেতু এ সপ্তাহে EUR কারেন্সির ECB President Draghi Speaks সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির বাই/সেল ট্রেন্ড বেশীরভাগ নির্ভর করবে EUR এবং USD কারেন্সির New Home Sales ও Unemployment Claims নিউজগুলোর উপর। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৭৪৫ ও ১.২৬২০ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৮৯০ ও ১.৩১৭০। মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৯৬০-১.৩০৬০ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৭৯৫ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৭৪৫-১.২৬৫০ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির EUR কারেন্সির বেশীরভাগ নিউজ পজিটিভ হয় তাহলে এ সপ্তাহে পেয়ারটি বাই এ রিকবার করবে। তবে সেটা অধিকাংশ নির্ভর করবে নিউজের এ্যকচুয়্যাল রিপোর্টের উপর। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৮৯৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৮৪৮, ১.২৮৮৯, ১.২৯৫০, ১.২৯৯৪, ১.৩০৫৫ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩১৭০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৭৯৫, ১.২৭৪৫, ১.২৭১৭, ১.২৬৯০, ১.২৬৬০ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২৬২০। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ২২ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র EUR কারেন্সিতে ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটিতে সাবধানে ট্রেড করুন, কারণ এ দিন পেয়ারটি যেকোনো দিকে ভালো একটি মুবমেন্ট হতে পারে। তবে নিউজের ফলাফল যাই হোক এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। সন্ধ্যা ৭.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ২৩ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটির EUR কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের দুটি নিউজ রয়েছে, এ দিন নিউজগুলো এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে আর যদি নিউজগুলো পজিটিভ হয় তাহলে বাই এ ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ দেখে সাবধানে ট্রেড করুন। দুপুর ১.০০মিনিট EUR French Flash Manufacturing PMI দুপুর ১.৩০মিনিট EUR German Flash Manufacturing PMI ২৪ই সেপ্টেম্বর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে পেয়ারটির দুটি কারেন্সিতেই হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি করে নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে এবং ভালো স্ক্যাল্পিং করা যাবে। তবে এই দিন EUR থেকে USD এর নিউজটি বেশী ইফেক্টিভ হবে বলে মনে হয়। দুপুর ২.০০মিনিট EUR German Ifo Business Climate রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales ২৫ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে শুধুমাত্র পেয়ারটির USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কিছু নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন পেয়ারটি অবশ্যই ট্রেডেবল থাকবে এবং এ দিন যদি USD কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসে তাহলে পেয়ারটি এ দিন নিশ্চিত সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৬ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন উক্ত পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। বন্ধুরা, উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি EUR কারেন্সির কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে অপরদিকে USD কারেন্সিতেও এ সপ্তাহে কয়েকটি নিউজ রয়েছে,তবে নিউজগুলোর মধ্যে হাইলাইটেড হল, EUR এর ECB President Draghi Speaks, Manufacturing PMI এবং USD এর New Home Sales, Unemployment Claims. তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.২৮৯০ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৮২০ আর টেক প্রফিট দিন ১০০-১৫০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৭৯৫ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৮০-১৩০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৮৬৫। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি সেল এ যায় তাহলে ১.২৭০০-১.২৬৬০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৬০৫ এবং টেক প্রফিট দিন ১৫০-২০০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি বাই এ যায় তাহলে ১.৩১২০-১.৩১৭০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৩২৩৫ এবং টেক প্রফিট দিন ১৫০-২০০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।