Search the Community

Showing results for tags 'forex trade'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


  • সাধারণ ফরেক্স সহায়তা
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা, ট্রেডিং স্ট্রেটিজি, নিউজ এবং সিগন্যাল সম্পর্কিত
    • ফোরাম ও পোর্টাল সহায়তা
    • সাধারণ ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • নিউজ, সিগনাল ও এনালাইসিস
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • ট্রেডিং স্ট্রেটিজি
    • ফরেক্স স্টাডি
  • বিজ্ঞাপন
    • কমার্শিয়াল কন্টেন্ট
    • ক্রয়-বিক্রয়-এক্সচেঞ্জ
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার (প্লাটফর্ম-মেটা ট্রেডার)
    • ইন্ডিকেটর
    • অটোট্রেডিং
    • মেটাট্রেডার ৪, ৫
  • ফরেক্স ব্রোকার সম্পর্কিত
    • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স অফার
    • পেইমেন্ট মেথড
  • অফ-টপিক

Categories

  • সাধারণ ফরেক্স বই
  • টেকনিক্যাল এনালাইসিস
  • ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস
  • ক্যান্ডলেস্টিক এনালাইসিস
  • ইনডিকেটর

Group


ওয়েবসাইট URL


ইয়াহু(Yahoo)


স্কাইপ(Skype)


ঠিকানা


ইচ্ছা/আগ্রহ/শখ

Found 44 results

  1. বন্ধুরা, আপনারা অনেকেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে জানেন আর অনেকে হয়তো জানেন না। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে অনেকেই ট্রেড করেন আর অনেকে হয়তো ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত না। মূলত ফিবনাচ্চি (Fibonacci) হলো লং টাইম ট্রেড করার জন্য, বিশেষ করে যারা সাপ্তাহিক বা মাসিক ট্রেড করে থাকে তারাই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ব্যবহার করে থাকেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে পৃথিবীর অনেক ট্রেডারই তাদের সাকসেস ট্রেড পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছে এটা অস্বীকার করা অসম্ভব তেমনিই অনেক ট্রেডার আবার ফিবনাচ্চিকে(Fibonacci) তাদের ট্রেডের মূল উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুতারাং আজকে আমি আপনাদের সাথে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে কিভাবে ট্রেড করবেন তাই শেয়ার করবো। তাহলে আসুন জেনে নেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং পদ্ধতি। যে ভাবে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় ইন্ডিকেটর সেটাপ করবেনঃ টাইম ফ্রেম – ৪ঘন্টা। পেয়ার – যে কোনো। ইন্ডিকেটর সেটাপঃ মনে রাখবেন ফিবনাচ্চি-ই(Fibonacci) আমাদের প্রধান উপকরণ। বাকী ইন্ডিকেটরগুলো শুধুমাত্র আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। EMA100 – Green (আপট্রেন্ড এর জন্য)। SMA150 – Red (ডাউনট্রেন্ড এর জন্য)। RSI (14) – ডে চার্ট এ। আমারা ফিবনাচ্চি’র (Fibonacci) যে Retracement Levels গুলো ব্যবহার করবো সেগুলো হলো – ২৩.৬, ৩৮.২, ৬১.৮, ও ৭৫ এ। স্টপ লস যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে আমারা প্রায় ১০০পিপস স্টপ লস দিব। অথবা বাই এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল ০.২৩ এর নিচে আর সেল এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল .৭৫ এ দিতে পারেন। টেক প্রফিট যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে টেক প্রফিট না দিয়ে দেখে শুনে ট্রেড ক্লোজ করলে ভালো হয়। তবে উক্ত কারেন্সির মার্কেট ট্রেন্ড দেখে ১৫০-২০০ পিপস দিতে পারেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার নিয়ম – বর্তমান মার্কেট এর কাছাকাছি (Price Wave) তরঙ্গ থেকে ৫০ পিপস উপরে ও ৫০পিপস নিচের (সর্বমোট ১০০পিপস) হাই/লো রেট বাছাই করুন। এবং ঐ ১০০ পিপস রেট এর মধ্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) লেভেল যখন .৩৮ ও .৬১ এর মধ্যে মার্কেট (Price Wave) তরঙ্গের সৃষ্টি হয় তখন আমরা সেটাকে Must Channel Area বলি। ট্রেড এ এন্ট্রি করার নিয়ম – ট্রেড এ এন্ট্রি করার জন্য সবসময় নিচের ইন্ডিকেটর গুলোর নিয়ম অনুস্মরণ করুন। EMA এবং SMA যে নির্দেশনা দিবে সেটা অনুস্মরণ করুন। যেমনঃ EMA এবং SMA এর দুটি লাইনের মধ্যে যখন দেখবেন সবুজ( EMA) লাইনটি উপরে তখন বুঝে নিবেন যে মার্কেট আপট্রেন্ড আর লাল ( SMA) লাইনটি উপরে থাকলে ডাউনট্রেন্ড। RSI নির্দেশনা – RSI লেভেল ৫০ এর নিচে হলে সেল ট্রেড করুন আর RSI লেভেল ৫০ এর উপরে হলে বাই ট্রেড করুন। আমরা একটি তরঙ্গে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর মার্কেট রেট ১০০পিপস উপরে/নিচে গিয়ে যখন আরেকটি মার্কেট তরঙ্গের সৃষ্টি হবে (যেটাকে Must Channel Area বলে) শুধুমাত্র সে তরঙ্গেই এ পদ্ধতিতে ট্রেড ওপেন করবেন। যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .২৩ লেভেল এর নিচে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা সেল ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার বাই ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। আর যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .৭৫ লেভেল এর উপরে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা বাই ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার সেল ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। নিচে চিত্রের সাহায্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেড দেখানো হলঃ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার বিধি-নিষেধঃ মার্কেট ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিন।স্টপ লস ব্যবহার করুন।মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং ডে তে এ পদ্ধতিতে ট্রেড থেকে বিরত থাকুন।অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করবেন যেহেতূ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করতে হলে স্টপলস এর পরিমান বেশী ব্যবহার করতে হয়। এজন্য আমি বলবো ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করুন। জরুরীঃ ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর যখন একবার ১০০পিপস এর বেশী একটা তরঙ্গ হয়ে যাবে তখন আবার নতুন করে পরবর্তী তরঙ্গে নতুন ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ধন্যবাদ।
  2. প্রিয় ট্রেডার বন্ধুর, আপনারা লক্ষ করেছেন যে ফরেক্স মার্কেট এ বেশীর ভাগ দিনেই ৩০-৬০পিপিস এর বেশী মুভমেন্ট হয়না, এতে করে অনেক ট্রেডারই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা। তাই আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে আপনাদের সাথে (আমার পরীক্ষিত) এমন একটি ট্রেড স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা প্রতিদিনই ট্রেড করে সফল হতে পারবেন। আজকের ট্রেড স্ট্যাটিজির কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বোকা বলতে/ভাবতে পারেন। কারণ, আজকে আমি আপনাদের সাথে পাঁচ মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড করার একটা স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো, যার দ্বারা আপনার হয়তো অনেক লাভ হবেনা কিন্তু মার্কেট যখন মুভমেন্ট কম থাকবে তখনও আপনি ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। এটা হলো একধরনের স্কেল্পিং ট্রেড স্ট্যাটিজি, মার্কেটের মুভমেন্ট যখন কম থাকে আমি নিজেও এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করি এবং ৭৫-৮০% সফলতা পেয়ে থাকি। নিম্নে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলঃ আপনারা উপরে যে চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন তা হলো ৫মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র। আসুন ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর নিয়মগুলো জেনে নেইঃ পাঁচ মিনিটের ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র ব্যবহার করুন। এবং লক্ষ করুন যে পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) কিনা। আর হলে ক্যান্ডেলগুলো নুন্যতম ৫-৭পিপস এর কিনা। তাহলেই আপনি ৫মিনিট এর টাইমফ্রেমে ট্রেড ওপেন করতে পারেন। কিভাবে ট্রেড ওপেন করবেনঃ যখন দেখবেন পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) গিয়ে তৃতীয় ক্যান্ডেলটি শেষ হবে এবং চতুর্থ ক্যান্ডেলটি শুরু হয়ে ২-৪পিপস অফোসিট দিকে যাবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডটি (তিনটি ক্যান্ডেল যে দিকে ছিল সে দিকে) ওপেন করুন। এবং ১০পিপস টেক প্রফিট ও ১৫পিপস স্টপ লস ব্যবহার করুন। যদিও টেক প্রফিট এর চেয়ে স্টপ লস বেশী তাতে কি ৭৫-৮০% সময়ই তো আপনার টেক প্রফিট এ ট্রেড ক্লোজ হচ্ছে। ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর সতর্কতাঃ মার্কেট ট্রেন্ড (১ঘন্টায়) যে দিকে বিশেষ করে সে দিকে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন। নিউজ আওয়ার এ ধরনের ট্রেড করবেন না। মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং টাইম এ ধরনের ট্রেড করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে কোন কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ এক কথায় যে পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট ভালো সেগুলোতে যেমনঃ GBP/USD, GBP/JPY, EUR/USD, EUR/JPY, USD/CHF ও USD/CAD । এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার জন্য কখনো স্লো মুভমেন্টের এবং মেজর ক্রস পেয়ার বাচাই করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার আগে প্রয়োজনে ডেমোতে ট্রাই করুন, ডেমোতে ট্রাই করার পর আপনি যদি মনে করেন যে এ পদ্ধতিতে ভাল লাভ করা সম্ভব তখন আপনি মিনি ও মাইক্রো লাইভ একাউন্ট এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। ধন্যবাদ।
  3. ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আপনারা অবশ্যই এ কথাটি শুনেছেন যে, “আপনি আপনার ভুলগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহন করুন বা ভুল থেকে শিক্ষা নিন” সব ট্রেডারই চাইলে এটা পারে। আপনি এটা বিশ্বাস করেন যে, আসলেই আমরা আমাদের ট্রেডের ভুলগুলো থেকে শিখতে পারি? আমি অবশ্যই এটা বিশ্বাস করি যে, আমরা চাইলে আমাদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারি কিন্তু অনেক ট্রেডারই এটা মানতে রাজি নয়, আবার মানলেও পরবর্তীতে ট্রেড করার সময় এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি ভুলে যায়। নতুন ট্রেডাররা প্রতিদিনই ঐই একই ভুলগুলো করে থাকে যেগুলো তারা আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছিল। তার কারণ হলো, তাদের বেশীরভাগ ট্রেডারই এটা জানেনা যে কিভাবে তাদের ভুলগুলো থেকে তাদেরকে শিখতে হবে। আপনি যেন আপনার ট্রেডের আগের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারেন এবং ট্রেডে আগের ভুলগুলো যেন পুনরায় না করেন, সেজন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ লিখা। কেন আমরা আমাদের ভুল থেকে শিখতে পারবো না? আপনি আপনার বিগত ট্রেডটির কথা একবার ভাবুন, যে কারণে আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। মনে পড়েছে আপনি ট্রেডটিতে কি ভুল করেছিলেন? অবশ্যই মনে পড়ার কথা। এবার আপনি আপনার বিগত ছয় মাসের ট্রেডগুলোর কথা ভাবুন যেগুলোতে আপনি লস দিয়েছেন। মনে পড়ে আপনি ঐই ট্রেডগুলোতে কি ভুল করেছিলেন? আপনি যখন একটি লস/খারাপ ট্রেড করবেন তখন আপনি সেটা থেকে শিক্ষা নিন। যাইহোক, যেকোনো কিছু তাড়াতাড়ি শিখা হলে সেটা আবার তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া হয়।যদি আপনি সত্যিই আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিতে চান, তাহলে আগে আপনাকে আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করতে হবে। আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করুন। অনেক ট্রেডার তাদের মত করে বলে থাকে যে, প্রত্যেকটি লসই একটি শিক্ষা। সত্যিটা হলো এই যে, আপনি আপনার লস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, না হলে এই কথাটার কোনো ভিত্তি নেই। আপনি কখনো লস/হারানো ট্রেড এর অর্থ ফিরে পাবেন না বা সে অর্থ থেকেও কিছু শিখতে পারবেন না। আপনকে সেই লস ট্রেডে এ্যনালাইসিস করে বের করতে হবে যে, কেন আপনি লস দিয়েছেন এবং পরিকল্পনা করুন কিভাবে আবার এ রকম ভুল না হয়। আপনি কিভাবে লস/ক্ষতির মাধ্যমে শিক্ষা নিবেন? ১. খুঁজে বের করুন কেন আপনি লস করেছেনঃ প্রথমেই আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে কেন আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। সব ট্রেড ভুলের কারণে লস হয় না অন্য কারনেও হয়ে থাকে। আপনি নিজেকে নিচের দুটি প্রশ্ন করুন এবং খুঁজে বের করুন যে কোনটির দ্বারা আপনার ট্রেড এ লস হয়েছে। আপনি আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন?আপনি কি আপনার মানি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন? এখন আপনি উভয় প্রশ্নের উত্তর নিন, আপনি যদি জেনে থাকেন যে আপনার ভুল ছিল তাহলে আপনি পরবর্তী পদক্ষেপে নিন। আর যদি আপনি উপরের দুটি নিয়মই মেনে ট্রেড করে থাকেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আপনার ট্রেডটি লস হয়েছে তাহলে আপনাকে নিচের পদক্ষেপ অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। ২. আপনার ট্রেডের ভুল বিশ্লেষণ করুনঃ এই পদক্ষেপে আপনাকে বুঝতে/জানতে হবে যে নির্দিষ্টভাবে আপনার কোথায় ভুল ছিল। যদি মানি ম্যানেজমেন্টের প্রশ্নের উত্তর আপনার না হয় অর্থাৎ আপনার ভুল ছিল না, তাহলে আপনাকে বিশ্লেষন করে বের করা দরকার যে আপনি ট্রেডে কোন নিয়মটি অনুসরণ করেননি, হয়তো আপনার স্টপলস অনেক টাইট ছিল যা হিট করতেই পারে বা আপনি আপনার ব্যালেন্সের তুলনায় ট্রেড ভলিউম বেশী করেছেন। যাইহোক, এক কথায় এখন আপনার প্রয়োজন নির্দিষ্টভাবে আপনার ভুলটি খুঁজে বের করা। আপনি যদি আপনার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে বের করতে পারেন তাহলে তা নোট করুন। কিভাবে নোট করবেন তা নিচে একটি উদাহরণের সাহায্যে দেখানো হলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। উপরোক্ত উদাহরণের প্রথম লাইন হলো আপনার ট্রেড পেয়ার, তারিখ ও সময়। দ্বিতীয় লাইন হলো ট্রেড এন্ট্রি বিস্তারিত ও ফলাফল এবং সর্বশেষ লাইন এ আপনার যে ভুল ছিল তা নোট করা হল। ৩. আপনার ট্রেড এ ভুলের সমাধান খুঁজে বের করুনঃ এ পদক্ষেপটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি বুদ্ধিমান তখনই যদি ভুল করে শিখতে পারেন। আপনি যদি সহজে আপনার ভুল বুঝতে পারেন তাহলে সমাধান বের করাটা আপনার জন্য সহজ হবে। উপরের উদাহরণটিতে আপনি যে ভুল করেছিলেন নিচে তার সমাধান দেখে নিনঃ উদাহরণটি ছিলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। সমাধানঃ প্রথমে আপনি আপনার স্টপলস ব্যবহারের নিয়মটি লিখুন এবং ট্রেড এ এন্টির পূর্বে তা রিভিউ করুন। আপনার নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন যে, আপনার সরবোচ্চ স্টপলস আপনার সরবোচ্চ অনুমোদিত ঝুঁকি দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়। সুতারাং আপনি এখানে আপনার সরবোচ্চ স্টপলস ব্যবহার করলে কোন ভুল হবে না। আমি এখানে স্বল্প পরিসরে শুধুমাত্র মূল বিষয়টি তুলে ধরেছি। আপনি যখন একটি ভুল ট্রেডের সমাধান লিখবেন তখন তা অবশ্যই বিস্তারিরভাবে লিখার জন্য চেষ্টা করবেন। আর টাইট স্টপলস ব্যবহার করবেন না। কেন এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণঃ যখন একজন বক্সার ফাইট করে তখন তার কোচ তার ফাইটের প্রতিটি মুহূর্তই রেকর্ড করে রাখেন। যখন ফাইট শেষ হয়ে যায় এবং বক্সার জয়ী হয় বা হেরে যায় তখন তার কোচ ভিডিওটি রিভিউ করেন। ভিডিওটি দেখার ফলে কোচ বক্সারের ভুলগুলো দেখেন এবং ভুলগুলোকে পয়েন্ট আউট করে তার স্টুডেন্টকে সেগুলোর সমাধান শিখিয়ে দেন। এটা শুধুমাত্র বক্সিংয়ে নয় সব খেলায়ই প্রযোজ্য। ফরেক্স ট্রেডিং এর ক্ষেত্রেও আপনি এই ধারনাটিই ফলো করুন এবং নিজের সাথে কমিটমেন্ট করুন যে আপনি আপনার ভুলগুলো নোট করবেন। তাহলে আপনি আর পরবর্তী ট্রেড এ ঐই ধরণের ভুলগুলো করবেন না, যে ভুলগুলো আপনি আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছেন। এই ধারনাটি আপনার ট্রেড এর ভুলগুলো চিহ্নিত করতে এবং আপনার ভুল ট্রেডিং প্ল্যান সমাধানের জন্য সহায়তা করবে। আপনি যখন একবার আপনার ভুলগুলো শুধরে আপনার ট্রেডিং প্ল্যান সাজিয়ে পেলবেন তখন আর আপনার ভবিষ্যৎ এ ঐই ভুলগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। এজন্য আপনাকে আরেকটি কাজ করতে হবে তা হলঃ আপনার সর্বশেষ লুসিং ট্রেডটির কথা আরেকবার ভাবুন এবং ঐই ট্রেডটি এ্যনালাইসিস করে একটি স্ট্রেটেজি তৈরি করুন যাতে ভবিষ্যতে ঐই ধরণের ট্রেড এ লস না হয়। আজকে থেকেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কাযক্রমটি শুরু করুন এবং এটি কখনো ভুলে যাবেন না যে “ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হওয়া যায়”। ধন্যবাদ।
  4. ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আজকের পোষ্টটি একটু ভিন্ন, আমি অনেক ট্রেডারকে দেখেছি যে নিজের ট্রেড স্ট্রেটেজি নিয়ে অনেক গর্বিত এবং মোটামুটি সফল কিন্তু একটা সময়ে শুনেছি যে তার স্ট্রেটেজি দ্বারা-ই তার একাউন্টের ইতি হয়েছে। যারা মনে করেন যে তাদের ট্রেড স্ট্রেটেজি শতভাগের কাছাকাছি সফল তারা আশা করি নিচের এই প্রশ্নগুলোর জবাব অনায়াসে দিতে পারবেন। প্রশ্নগুলো হলঃ একটি ১০০০$ এর একাউন্ট থেকে ৫০০০$ হতে কি পরিমাণ সময় লাগতে পারে বলে আপনি মনে করেন? কি পরিমাণ সময়ের আগে আপনি আপনার চাহিদা পূরণ করে ট্রেড থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন? কি পরিমাণ সময়ের মধ্যে আপনি আপনার একাউন্ট ব্যালেন্সকে দ্বিগুণ করতে সক্ষম হন? আমার মনে হয় আপনি এ সকল প্রশ্নের উত্তরে একটা জবাবকেই বেশী প্রাধান্য দিবেন আর সেটা হল অর্থ বা খাটানো মূলধনের পরিমাণ। হ্যাঁ এটা স্বীকার করে নেয়া উচিৎ যে ফরেক্স এ যারা ট্রেড/মুলধন খাটান তারা অধিক আয়ের জন্যই মূলধন খাটান। কারণ ফরেক্স কে মানি মেকিং মেশিন বলা হয়, হ্যাঁ এটা আমিও স্বীকার করি যে, ফরেক্স এ ভাল আয় করা যায় তবে তা খুব দ্রুত নয়, যেভাবে আপনি মনে করছেন। আমার জানামতে যে কোনো স্ট্রেটেজিতে নিদিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে একটি এমাউন্টকে ডাবল করা মানে হল আপনি ফরেক্স ট্রেডার নয় বরং আপনি গেম্বলার। এ ধরণের (নিদিষ্ট সময়ে নিদিষ্ট অর্থ আয়) গেম্বলিং এ আপনার একাউন্ট যে কোনো একটি সময়ে শূন্য হয়ে যেতে পারে। তাই আপনাকে বলছি, ফরেক্স থেকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে কখনো নিদিষ্ট পরিমাণ আয়ের আশা করবেন না। ধীরে ধীরে সফল হউন। মনে রাখবেন “যে পেরাক খুব তাড়াতাড়ি দেয়ালে আটকায়, সে পেরাক খুব তাড়াতাড়ি দেয়াল থেকে খসে পড়ে”। বাস্তবতাকে যাচাই করুনঃ আমি নিশ্চিত এবং আপনিও জানেন যে, তাড়াতাড়ি ধনী হওয়ার জন্য ফরেক্স কোন দ্রুত প্রকল্প নয়। অনেকেই এটাকে বিশ্বাস করতে চান না, বিশেষ করে যারা নতুন এবং যারা কিছু সংখ্যক ট্রেড এ ভাল সফলতা পেয়েছেন। যাইহোক, তাহলে কি অধিকাংশ মানুষ বলবেন না যে ফরেক্স একটি পেশা। অন্য পেশায় সফলতার জন্য যেমন সময় লাগে ঠিক তেমনি ফরেক্স এ সফলতার জন্যও সময় ও সঠিক শিক্ষার দরকার। সুতরাং আপনি যদি ফরেক্সকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন তাহলে আপানার নিজেকে দুটি সহজ প্রশ্ন করা প্রয়োজন যেঃ একটি (ফরেক্স) নতুন কর্মজীবন শুরু করতে ও সফল হওয়ার জন্য আমার আগ্রহ আছে? বাধা বিপত্তির মাধ্যমে সফলতার পথ পেতে আমার ধৈর্য আছে?উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি আপনার “না” হয়, তাহলে আমি মনে করি যে ফরেক্স আপনার জন্য নয়। কারণ, ফরেক্স করার জন্য আপনার আগ্রহ, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, ধৈর্য ও সর্বশেষ অর্থের প্রয়োজন। ধীরে ধীরে ধনী হউনঃ আপনাদের অবগতির জন্য একটা কথা বলি, আমি বিগত ৪বছরের বেশী সময় ধরে ফরেক্স ট্রেড করছি এবং প্রতিনিয়তই নতুন কিছু শিখছি। কিন্তু আমি এ ৪ বছরে এমন অনেক ট্রেডারের সাথে সাক্ষাৎ করেছি যারা খুব তাড়াতাড়ি ফরেক্স থেকে আয় করে ধনী হয়ে যেতে চায়। আমি বলবো না যে এটা সম্ভব নয়, তবে আমার জানা ও দেখামতে ফরেক্স থেকে যারা সফলতা পেয়েছেন তারা ধীরে ধীরেই বড় হয়েছেন। একজন সফল ফরেক্স ট্রেডার হতে হলে আপনাকে নিচের এই পাঁচটি ধাপ অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সেগুলো হলঃ বেসিক ফরেক্স শিখুন। প্ল্যানিং ও প্রস্তুতি (একটি সঠিক ট্রেডিং প্ল্যান ও অর্থ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি লিখুন।) একটি ট্রেডিং মেথড কে ডেভেলপ করুন এবং আপনার ট্রেডিং মেথডটি পরীক্ষা করুন ও এর সফলতা যাচাই করুন। ট্রেড করার সময় ধৈর্যের পরিচয় দিন ও মনস্থির করুন যে কিসে এবং কিভাবে ট্রেড করবেন। অর্থাৎ অ ধৈর্য্য্ হয়ে ট্রেড করবেন না। সফল হউন। ফরেক্স এ সফলতার জন্য আপনাকে উপরের এই পাঁচটি ধাপ সম্পরন্ন করতে/মানতেই হবে নতুবা সফলতা আপনার থেকে অনেক দূরেই থেকে যাবে। বেশীরভাগ ট্রেডারকে দেখি যে তারা দু-এক মাস উপরোক্ত প্রথম ধাপ সম্পন্ন করে লাপ দিয়ে পঞ্চম ধাপে আসতে চায় অর্থাৎ সফল হতে চায়, আপনাকে বুঝতে হবে যে ফরেক্স মার্কেট এ আপনাকে টিকে থাকতে হলে ধীরে ধীরে সফলতার পথে আসতে হবে এবং এজন্য আপনাকে আগে প্রথম ধাপ থেকে চতুর্থ ধাপ পর্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এজন্যই আমি বলি যে ফরেক্স হল ধীরে ধীরে ধনী হওয়ার মাধ্যম। ট্রেডে সফলতার জন্য বিডিফরেক্সপ্রো তে অনেক পোষ্ট আছে সেগুলো দেখতে পারেন। আসলে অধিকাংশ মানুষই তাদের ব্যবসা বা চাকুরী পেশায় খুব তাড়াতাড়ি সফল হয়না, এটা আমারা সবাই জানি। তাই ফরেক্স এ ও সফলতার জন্য সময়ের প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে ফরেক্স একটি স্বাধীন ব্যবসা এবং এটি মানুষকে স্বাধীনতা দিয়ে থাকে। যেমন করে আপনি ফরেক্স এ আপনার ট্রেডিং টাইম সিডিউল ঠিক করেন, অন্যান্য পেশায় কিন্তু আপনি এ ধরণের স্বাধীনতা পাবেন না। আপনি যদি একটি সাধারণ অন্য পেশার সাথে ফরেক্স এ আপনার ব্যয় করা সময়ের হিসেব করেন তাহলে দেখবেন ফরেক্সে-ই আপনার সময় কম ব্যয় হয়েছে। ফরেক্স এ লাভের হার অন্য ব্যবসা বা পেশা থেকে অনেক বেশী যদি আপনি সঠিকভাবে ফরেক্স আয়ত্ত করতে পারেন এবং আপনার জীবন যাত্রার মান ও অনেক উন্নত করতে সক্ষম হবেন। তবে কখনো এটা মনে করবেন না যে আপনি ৬মাস বা নিদ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরেক্স থেকে আয় করে ধনীর খাতায় নাম লিখাবেন, তাহলে এটাই আপনার জন্য কাল হয়ে দাড়াতে পারে। ধন্যবাদ।
  5. বিশ্বের ভিবিন্ন সফল পেশার মধ্য ফরেক্স ট্রেডিং অন্যতম। সবাই ফরেক্স ট্রেড করবে না এটাই স্বাভাবিক আবার কেউ কেউ ফরেক্স ট্রেডিং ই করে থাকবেন। মানুষ যার যার চিন্তা চেতনার উপর ভিত্তি করে পেশা পছন্দ করে থাকেন, সবাই স্বাধীন তার পেশার ক্ষেত্রে । কার্যত পেশার পাশাপাশি মানুষ আরো কিছু বিষয় চিন্তা করে থাকে, যেমন আমার পেশাটা হবে স্বাধীন ।আমি আমার পরিবারকে নিয়মিত ভাবে সময় দিতে চাই।ভিবিন্ন কাজে আমি ভূমিকা রাখতে চাই।আমি আমার এবং পরিবারের একটি সুন্দর এবং সুখি জীবন নিশ্চিত করতে চাই।আমি ব্যবসা করতে চাই এবং যখন যেখানে ইচ্ছে যেতে আমার কোন বাঁধা থাকবে না। উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি আকাঙ্গা সবাই আশা করে সব পেশাতে। কিন্তু সব পেশায় থেকে কি আপনি আপনার ইচ্ছে পূর্ণ করতে পারবেন? তবে কিছু পেশা আছে যেগুলোতে আপনি অনেকটাই আপনার ইচ্ছে গুলো বাস্তবে পরিণত করতে পারেন। কিছু বিষয়ের প্রতি সঠিক দৃষ্টিকোন হতে পারে ফরেক্স ট্রেডিং এ আপনার ইচ্ছে তথা স্বপ্ন পুরন। আপনি কি এনালাইসিস নির্ভর কোন কিছুতে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন, এই জন্য কি আপনি মানসিক ভাবে তৈরি আছেন?আপনার কাছে কি এমন কোন ম্যাজিকেল ফর্মুলা আছে যা ব্যাবহারে আপনি এই মার্কেটে টিকে থাকার চেতনা লাভ করতে পারেন ?ফরেক্স ট্রেডিং করতে যে মানসিক সাহস ইচ্ছে শক্তি লাগে তা কি আপনার আছে ?আপনি কি অন্য ট্রেডারদের ট্রেডিং পদ্ধতি বা তাদের মতামত কে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন?আপনি যেসব ট্রেডিং পদ্ধতি/ স্ট্রেটিজি ব্যাবহার করছেন তা ব্যাবহারে কতটুকু সন্তুষ্ট আপনি ?আপনি কি নিউজ এনালাইসিস ট্রেডিং করতে পারেন কিংবা নিউজের প্রভাব বোঝেন ?আপনি কি শর্ট/লং টাইম চার্টের মদ্ধে আপনার ট্রেডিং কাঠামো তৈরি করে নিতে পারেন ?আপনি কি নিয়মিত ভাবে মার্কেট ফ্লোতে নিজেকে একটিভ রাখতে পারেন ?আপনি কি এই প্রকার ব্যবসা করে ভয় পাচ্ছেন বা ঠিক মন থেকে চাইছে না ?অথবা আপনি কি চাইছেন যে আমার ট্রেডটা আরেক জন মেনেজ করুক ? ট্রেডিং পদ্ধতি না জেনে আপনি কি চাইছেন অপশন/গেম্বলিং এর ভিত্তিতে এই মার্কেটে ট্রেড করতে ? উপরের বিষয়গুলোর প্রতি একটা জোরালে এবং চিন্তাশীল সিদ্ধান্তে আপনি এই মার্কেটে সফলতার সাথে প্রবেশ করতে পারবেন এবং ট্রেড শুরু করতে পারবেন। তাই নিজেকে বিচার করুন এবং সঠিক সিদ্ধান্তের মাদ্ধমে সঠিক রাস্তাটি খুজে বের করুন। আশা করছি ফরেক্স ট্রেডিং এর বিষয়ে আপনার সিদ্ধান্তে এই পোস্টি সহায়ক হবে। ধন্যবাদ
  6. বন্ধুরা, আজকে আমি আপনাদের সাথে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করে তা নিয়ে আলোচনা করবো। আর যারা হেজিং সম্পর্কে কিছুই জানেন না তারা www.bdforexpro.com তে হেজিং নিয়ে আমার প্রথম লিখাটি পড়ে নিন, তাহলেই হেজিং কি তা আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। : যাই হোক, এতক্ষণে আশা করি (উপরের লিংক থেকে) আপনারা হেজিং সম্পর্কে অবগত হয়েছেন, তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আজকের আলোচনায় আসা যাক, আগেই বলেছি আজকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করে তা নিয়ে আলোচনা করবো কারণ ফরেক্স বিশ্বে আমাদের মত ছোট মূলধনের ট্রেডাররা সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করতে বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ ব্রোকারই শুধুমাত্র MT4 এ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার সুবিধা দিয়ে থাকে, তবে MT5 এ বেশীর ভাগ ব্রোকার সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং সুবিধাটি রাখেনি যাই হোক সেটা আপনি ভালো বলতে পারবেন যে, আপনার ব্রোকার সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং সুবিধাটি MT4/MT5 এ রেখেছে কিনা। নিচে একটি হেজিং প্রক্রিয়ার চিত্র দেয়া হলোঃ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং : একজন ট্রেডার একটি পেয়ারে একই রেটে বাই ও সেলে সমান লট এ দুটি ট্রেড একসাথে ওপেন করাকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং বলা হয়। আপনারা অনেকেই হয়তো এ ধরনের বাই সেল ট্রেড করেছেন কিন্তু এটা জানতেন না যে এটাকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং বলে। হ্যাঁ বন্ধুরা এটাই সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং তবে এভাবে ট্রেড বা সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার নিয়ম না জানার ফলে অনেকেই তার একাউন্টকে ধীরে ধীরে শূন্য বানিয়ে ছেড়েছে। কারণ একই সাথে বাই ও সেল করা ট্রেডার তখন আর সিধান্ত নিতে পারে না যে কখন কোন ট্রেডটা ক্লোজ করবে আর কিভাবে প্রফিট নিয়ে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং ট্রেড থেকে বের হবে। সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং এর সুবিধাঃ ট্রেড করার আগে এনালাইসিস করার প্রয়োজন হয় না। টেক প্রফিট/স্টপ লস না দিলে কোনো সমস্যা হয় না। ট্রেড ওপেন করে ট্রেড এ বসে থাকতে হয় না বা ট্রেড রেখে কোথাও গেলে দুশ্চিন্তা হয় না। ভাল হেজিং করতে পারলে প্রফিট শতভাগ নিশ্চিত থাকে। সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং যে ভাবে করবেনঃ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার জন্য আপনাকে তেমন কোনো এনালাইসিস করতে হবে না তবে ট্রেড ক্লোজ ও প্রফিট নেয়ার ক্ষেত্রে পরে এনালাইসিস করতে হয়। শুধু একটি ভাল ট্রেড পেয়ার বাছাই করতে হবে। মেজর যে কোনো পেয়ার যেমন-EURUSD, GBPUSD, USDCHF. এবার আপনার বাছাইকৃত পেয়ার এ একই রেট একই ভলিউম এ একটি বাই ও একটি সেল ট্রেড ওপেন করুন। উদাহরণস্বরূপ – আপনি EURUSD পেয়ার এ ১.৩৮২৫ রেটে ১ভলিউম এ একটি বাই ও সেল ট্রেড ওপেন করলেন। যেভাবে প্রফিট নিয়ে হেজিং ট্রেড থেকে বের হবেনঃ হেজিং ট্রেড এ প্রফিট নেয়ার জন্য আপনি অবশ্যই সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও আপনার পছন্দমত ইন্ডিকেটর আর ৪ঘন্টা ও ডে চার্ট ফলো করবেন। হেজিং ট্রেড বা বাই সেল ট্রেড ভলিউম ওপেন করার পর যে কোনো এক সময়ে আপনার যে কোনো একটি ট্রেড তো অবশ্যই প্রফিট এ থাকবে, আর যে ট্রেডটি প্রফিট এ থাকবে(ধরুন সেল ট্রেডটি প্রফিট এ আছে) আপনি আপনার এনালাইসিস করে দেখবেন যে সেল ট্রেডটি আরো প্রফিট এ যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা, যদি সম্ভাবনা না থাকে তাহলে সেল ট্রেডটি ঐই অবস্থায় ক্লোজ করে দিন। তাহলে আপনার এখন বাই ট্রেডটি লস এ আছে এবার বাই ট্রেডটির সমান ভলিউম এ সেল ট্রেড ক্লোজ রেট এ আরেকটি বাই ট্রেড ওপেন করুন, যখন দেখবেন মার্কেট সেল থেকে বাই এ আপনার এনালাইসিস মতে বা নরমালি কারেকশান করেছে তখন আপনি দুটি বাই ট্রেড একসাথে ক্লোজ করে টোটাল প্রফিট নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। উদাহরণস্বরূপ – EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ১.৩৮২৫ তে EURUSD ১ভলিউম সেল ট্রেড ১.৩৮২৫ তে বর্তমানে EURUSD ১.৩৭৬০ রেট এ তাহলে আপনার সেল ট্রেডটি ৬৫পিপ্স প্রফিট এ আছে। এখন আপনি আপনার অভিজ্ঞতামতে এনালাইসিস করে ৬৫পিপ্স লাভে সেল ট্রেডটি ক্লোজ করে দিলেন এবং ঐই ১.৩৭৬০ রেট এ ১ভলিউম আরেকটি বাই ট্রেড ওপেন করলেন এবং EURUSD যখন ১.৩৭৯৫ তে আসলো তখন আপনি দুটি ভাই ট্রেডই একসাথে ক্লোজ করে দিলেন। তাহলে আপনার মোট লাভ হলোঃ EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ওপেন ১.৩৮২৫ এ, ক্লোজ১.৩৭৯৫ এ ৩০পিপ্স লস=৩০$ EURUSD ১ভলিউম সেল ট্রেড ওপেন ১.৩৮২৫ এ, ক্লোজ১.৩৭৬০ এ ৬৫পিপ্স প্রফিট=৬৫$ এবং শেষের EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ১.৩৭৬০ এ, ক্লোজ১.৩৭৯৫ এ ৩৫পিপ্স প্রফিট=৩৫$ সবশেষে আপনার লাভ হলো ৬৫পিপ্স+৩৫পিপ্স-৩০পিপ্স=৭০পিপ্স বা ৭০$। আরো একভাবে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করা যায় তাহলো একই সাথে বাই সেল ট্রেড করা এবং ট্রেড ট্রেন্ড যেদিকে যায় সে দিকে আরেকটি সেইম ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করা আর এনালাইসিসমতে শেষের ট্রেড এ প্রফিট আসলে এভারেজ প্রফিট নিয়ে সবগুলো ট্রেড একসাথে ক্লোজ করে দেয়া। তবে এ পদ্ধতির সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং এ বেশী লাভ করতে গেলে রিস্ক এ পড়তে হয়। ও একটি কথা বলতে ভুলে গেছি হেজিং ট্রেড এ কখনো স্টপ লস/টেক প্রফিট দেবেন না। কারণ এ ধরনের ট্রেড নিজে দেখে বুঝে ক্লোজ করতে হয়। কারণ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং ট্রেড মানেই হলো প্রথম দুটি ট্রেড এর একটি প্রফিট এ ক্লোজ করার পর অন্য ট্রেডগুলো লস এ থাকলে কন্টিনিউ ট্রেড এর পরিবর্তে ট্রেড ওপেন করতে হয়। তাই বুঝে শুনে ভালো এনালাইসিস ও মানি ম্যানেজমেন্ট করে আপনার ট্রেড ভলিউম ওপেন করুন। আর সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করতে হলে প্রথমেই মানি মেনেজমেন্ট নিয়মের চেয়ে কম ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করুন। আশা করি সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করবেন এখন সবাই নিশ্চিত হয়েছেন ও বুঝে গেছেন। তাই সবার জন্য শুভ কামনা, যেন সবাই হেজিং ট্রেড এ সফল হতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  7. Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে প্রফিটেবল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আমি যখনই আমার মনের মত সফল কোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়ে থাকি তখনই চেষ্টা করি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। হ্যাঁ আজও ঠিক তাই – কিছুদিন আগে একজন ভাল ট্রেডারের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত একটি ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়েছি, যার দ্বারা ওই ট্রেডার ৭০-৯০ভাগ সময়ই প্রফিট করে থাকেন আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম এটা শুনে যে ওই ট্রেডার নাকি প্রায় তিন বছর ধরে এই নরমাল স্ট্রেটেজি দিয়েই ট্রেড করে যাচ্ছেন এবং সফলভাবেই ট্রেড করছেন। তাই আমি তার স্ট্রেটেজিটা কিছুদিন আগে থেকে ডেমো-তে ট্রাই করা শুরু করি, দেখলাম যে তার কথা মিথ্যা নয়, তাই ভাবলাম স্ট্রেটেজিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনাদের উপকারে আসে। তাহলে আসুন জেনে নেই সহজ সেই স্ট্রেটেজিটিঃ এই সহজ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য আপনাকে মুলত Winner নামের একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে আর এই ইন্ডিকেটরটি-ই হল এই স্ট্রেটেজির মূল কান্ডারি এবং তার সাথে Stochastic Oscillator ইন্ডিকেটরটিও রাখতে হবে, এজন্য Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০ ও ৮০ ব্যবহার করুন। এই Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে যেকোনো টাইমফ্রেমে যেকোনো পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমার মতে মিনিমাম ১ঘন্টা টাইম ফ্রেম ব্যবহার করলে অনেক বেশী সফলতা পাওয়া যায় যা পরীক্ষিত। Winner ও Stochastic Oscillator দ্বারা ট্রেড চিত্রঃ ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ বাই এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর সবুজ লাইন লাল লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০এ বা তার নিচে থাকবে তখনই বাই ট্রেড করুন। সেল এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর লাল লাইন সবুজ লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০এ বা তার উপরে থাকবে তখন শুধুই সেল ট্রেড করুন। স্টপলস ও টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ আমি মনে করি যেকোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজির স্টপলস ও টেক প্রফিটের জন্য নিজের মস্তিস্ক/ট্রেডিংজ্ঞান ব্যবহার করাই শ্রেয়। তারপরও আপনি চাইলে এই স্ট্রেটেজির ক্ষেত্রে- টেকপ্রফিট – এই স্ট্রেটেজিতে বাই ট্রেড এর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে মার্কেট কন্ডিশন Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০ বা তার উপরে/কাছাকছি আর সেল এর ক্ষেত্রে Stochastic Oscillator লেভেল ২০ বা তার নিচে/কাছাকাছি গেলে আপনার ট্রেড যাই প্রফিটে থাকুক ক্লোজ করে দিন। অন্যথায়ঃ ১৫/৩০মিনিটের টাইম ফ্রেমে ঃ ২০-৪০পিপ্স টেক প্রফিট দিন আর অন্যান্য টাইমফ্রেমের ক্ষেত্রে দৈনিক পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করুন। স্টপলস - এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড এর স্টপলস এর ক্ষেত্রে আপনি যে টাইমফ্রেমে ট্রেডটি ওপেন করেছেন সে টাইম্ফ্রেমের বিগত হাই/লো রেট এর ৫পিপ্স উপরে/নিচে দিন। বা এ্যনালাইসিস করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে আপনি আপনার মত করে দিন। সতর্কতা ঃ এ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করুন- যখন Winner ও Stochastic Oscillator দুটি ইনডিকেটর-ই ট্রেড করার ডিরেকশন দিবে শুধুমাত্র তখনই ট্রেড করুন, যদি দুটির একটি ইন্ডিকেটর আপনাকে ট্রেড করার সঠিক সিদ্ধান্ত না দেয় তাহলে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। আগে ডেমোতে ট্রাই করুন, যদি আপনি মনে করেন এ স্ট্রেটেজি দ্বারা আপনি সফল তাহলে লাইভ একাউন্টে প্রয়োগ করুন। কি ভাবছেন? Winner ইন্ডিকেটরটি কোথায় পাবেন? চিন্তার কিছু নেই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোডগত কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন। winner.zip যদিও এই Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি দ্বারা সকল পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমি শুধু মেজর পেয়ারগুলোতে ট্রাই করেছি এবং মোটামুটি সফলতাও পেয়েছি। তাই আপনি আগে ডেমোতে আপনার প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারে যাচাই করে দেখুন। আশা করি Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি আপনাকে নিরাস করবে না। ধন্যবাদ। winner.zip
  8. GBPUSD মার্কেট আউটলুক ২৯সেপ্টেম্বর থেকে ০৩অক্টোবর পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটি বিগত সপ্তাহের প্রথম দিকে ১.৬৪১৫ পর্যন্ত বাই এ গিয়ে সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৬২৩৭ মুল্যে পর্যন্ত সেলে এসে ১.৬২৪৭ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে পেয়ারটি সকল টাইম ফ্রেমে সেল এ আছে। যেহেতু পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে এ সপ্তাহে বেশ কিছু নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। উক্ত পেয়ারের মেজর কারেন্সি USD এর এ সপ্তাহে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো মার্কেটে বেশ চমক দিতে পারে। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সির অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে USD কারেন্সির হাই ইম্প্যাক্ট নিউজগুলো পেয়ারটিতে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে, আর এ মুবমেন্ট বাই/সেল যে কোনো দিকে হতে পারে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে এবং আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ভাল স্ক্যাল্পিং করা যাবে তবে যারা স্ক্যাল্পিং করে থাকেন তারা নিউজগুলোর দিন সাবধানে স্ক্যাল্পিং করবেন। যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে ১.৬১৪০/১.৬০২০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬৩৬০/১.৬৪৭০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD ৪ঘন্টার চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬২৭২। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬২৭০, ১.৬৩১১, ১.৬৩৬৭, ১.৬৪০৮, ১.৬৪৫১ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৫১৬। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬২১৯, ১.৬১৭৪, ১.৬১৩২, ১.৬১০০, ১.৬০১৯ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৫৯৯৭। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ২৯ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ৩০ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে উভয় কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের দুটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Current Account রাত ৮.০০মিনিট USD CB Consumer Confidence ০১ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। তবে নিউজগুলোর মধ্যে GBP থেকে USD এর নিউজগুলো মার্কেটে বেশ ভালো প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Manufacturing PMI সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD ADP Non-Farm Employment Change রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Manufacturing PMI ০২ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে দুটি নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD এর নিউজটি পেয়ারটির মার্কেটে অধিক প্রভাব ফেলতে পারে এবং পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Construction PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ০৩ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে এবং পাশাপাশি GBP কারেন্সিতেও একটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটিতে হাই মুবমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর যদি USD এর নিউজগুলো অত্যাদিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ ফলো করে ট্রেড করুন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Services PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Trade Balance সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Rate রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Non-Manufacturing PMI উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD কারেন্সির নিউজগুলো বেশী ইপেক্টিভ বলে আমি মনে করি। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD এর নিউজগুলোর উপর-ই নিরভিরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে আর অপর দিকে GBP এর নিউজগুলো অত্যাধিক ভাল হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও বাই এ কিছুটা কারেকশন করবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট প্রথম রেসিস্টেন্স ১.৬২৭০ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬২১৫ টেকপ্রফিট ৬০-৯০পিপ্স দিন। মার্কেট যদি সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬২১৯ ক্রস করে তাহলে ১.৬২১০ এ সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬২৮০ টেক প্রফিট ১০০-১২০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই যায় তাহলে ১.৬৪৫০-১.৬৫১৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৫৩০ আর টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০ পিপ্স। এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৬১২০ থেকে ১.৬০৮০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৯৮৫ এবং টেক প্রফিট ৮০-১০০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  9. US Dollar এর উর্ধ্বগতি VS Others কারেন্সি ট্রেডিং Now. ফরেক্স মার্কেটে US Dollar অনেক কারেন্সির বিরুদ্ধে ঝড়ের গতিতে ছুটছে, যা অনেক ট্রেডারকেই বিপদের সম্মুখীন করছে, বিশেষ করে যারা US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করেছেন বা এখনো ট্রেডে আছেন। মেজর পেয়ারগুলোতে US Dollar এর আধিপত্য এখন তুঙ্গে। তাই যেসব পেয়ারে US Dollar তার আধিপত্য বিস্তার করে আছে (EUEUSD, GBPUSD, AUDUSD, NZDUSD ও USDJPY) তাদের কতিপয় কারেন্সিতে এখন US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে, তাহলে আসুন জেনে নেই বর্তমানে এই মেজর পেয়ারগুলো কোন দিকে মুব করলে কিভাবে ট্রেড করবো। EUEUSD : পেয়ারটি সকল ট্রেডারেরই পছন্দের একটি পেয়ার কিন্তু বিগত চার মাস ধরে পেয়ারটি ১.৩৯৯০ থেকে কয়েকটি স্ট্রং সাপোর্ট আর অনেক ট্রেডারের এ্যনালাইসিসের বাঁধ ভেঙ্গে বিগত বছরের এপ্রিল ও জুন মাসের ডাবল বটম লেভেল ১.২৭৫৫ ক্রস করে বর্তমানে ১.২৭৩০ এ অবস্থান করছে এবং ১.২৬৬০-১.২৬০০ (২০১১ ডিসেম্বরের স্ট্রং সাপোর্ট মুল্য) পেয়ারটির আগামী স্ট্রং সাপোর্ট লেভেল আর ১.২৮০০-১.২৯০০ কে আগামী রেসিস্টেন্স লেভেল হিসেবে চিন্তিত করা যায়। যদি আপনি পেয়ারটিতে এই মুহূর্তে লং ট্রেড করতে চান তাহলে করতে পারেন তবে অবশ্যই স্টপ লস ১.২৬০০ দিন বা একটি সুবিধাজনক রেট এ লং ট্রেড করার জন্য আরেকটু অপেক্ষা করতে পারেন, তা হল ১.২৭০০ মুল্য ক্রস করে নিচে নামলেই ১.২৬৬০ এর উপরে যে কোনো মুল্যে লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। ১.২৬৬০ মুল্যের উপরে লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি নেওয়ার নির্দিষ্ট একটি কারণ হলো বিগত তিন বছরে ১.২৬০০-১.২৬৬০ মুল্যে মার্কেট অনেকবারই এসেই আবার পুরোদমে বাই এ চলে গেছে তবে পেয়ারটি ২০১২ এর জুন মাসে ১.২৬৬০ সাপোর্টটি ক্রস করার পর এর মুল্য ১.২০০০ এ এসে দাঁড়ায়, তাই যদি দুর্ভাগ্যবশতঃ পেয়ারটি ১.২৬০০ ক্রস করে নামতে থাকে তাহলে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন। GBPUSD : এ পেয়ারটিও অনেক ট্রেডারদের প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারের একটি, কিন্তু এটিও বিগত তিন মাস ধরে ১.৭১৮০ মুল্য থেকে ক্রমেই সেল এর দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ১.৬২৭৫ পর্যন্ত সেল এ গিয়ে বর্তমানে ১.৬৩১০মুল্যে মাসিক চার্টে হ্যামার ক্যান্ডেল তৈরির প্রক্রিয়ায় আছে, তাই পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে এখন লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দেওয়া যায় এক্ষেত্রে স্টপ লসের জন্য ফলো করুন ডিসেম্বর২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য ১.৬২০০কে, তবে আরকেটি কাজ করতে পারেন পেয়ারটির মুল্য ১.৬১০০এর কাছাকাছি বা তার নিছে নামলে ১.৬০৫০ এর উপরে যেকোনো মুল্যে স্বল্প স্টপ লসে (১.৬০০০০) লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন, আর যদি ১.৬০৫০ মুল্য ক্রস করে পেয়ারটি সেল এ যায় তাহলে নবেম্বর২০১২ ও সেপ্টেম্বর, অক্টোবার২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য ১.৫৮৫০ এর কাছাকাছি আসতে পারে। AUDUSD : এ পেয়ারটিও ট্রেডারদেরকে কম নাচায়নি, চলতি মাসের আগের পাঁচ পাঁচটি মাস একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে(১৪০পিপ্স) ঘুরপাক করেছে এবং অনেক ট্রেডারের এ্যনালাসিসকে ফলস করে দিয়ে ট্রেড লস এ লক করে পেলেছে (যারা স্টপ লস ছাড়া ট্রেড করেন)। আপনি যদি পেয়ারটি মাসিক চার্টে দেখেন তাহলে আমার কথাগুলো বুঝবেন। চলতি মাসের প্রথম দিকেই পেয়ারটি ০.৯৪০০ থেকে হুট হুট করে বর্তমানে ০.৮৮১০ মুল্যে প্রায় ছয়’শ পিপ্স সেলে নামে, যা আসলেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মত, তবে আমার মতে পেয়ারটিতে লং/বাই ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য(০.৮৮১০) ডিসেম্বর২০১৩ এর লো রেট(০.৮৬৫৯) এর কাছাকাছি। মাসিক ট্রেডার রা অবশ্যই এখন পেয়ারটিতে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিবেন তবে পেয়ারটির মার্কেট মুল্য ০.৮৭৫০ এর কাছাকাছি আসলে এবং স্টপ লস হিসেবে জানুয়ারী২০১৪ এর লো রেট ০.৮৬৫০ দিন আর যদি পেয়ারটি .০৮৬৫০ মূল্যও ক্রস করে সেল ধাবিত হয় তাহলে ধরে নিন পেয়ারটি ফেব্রুয়ারী২০১০ এর লো রেট ০.৮৫০০ পর্যন্ত যেতে পারে। NZDUSD : এই মেজর পেয়ারটিও বিগত তিন মাস ধরে ০.৮৮৩৮ মুল্য থেকে একচেটিয়া সেলে প্রায় ৯০০পিপ্স নেমে আসে যা অনেক ট্রেডারের-ই অকল্পনীয়। অকল্পনীয় হবেই বা না কেন! কারণ যেখানে একটার পর একটা স্ট্রং সাপোর্ট ও ডাবল বটম আছে সেখানে এভাবে একচেটিয়া সেল কি করে সম্ভব কিন্তু পেয়ারটি কোনো স্ট্রং সাপোর্টকে তোয়াক্কা না করেই একচেটিয়া সেলে নামতেই থাকে, তবে এখন সময় হয়েছে পেয়ারটিতে লং/বাই এ ট্রেড করার, কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য ফেব্রুয়ারী২০১২ এর কাছাকাছি এবং এ মুল্যে মার্কেট বিগত কয়েক বছর ধরে এসেই ফিরে যায়। তাই পেয়ারটিতে ০.৭৮০০-০.৭৮৫০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই করতে পারেন তবে এই মুল্যে বাই করলে স্টপ লস অবশ্যই জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ দিন, আর যদি পেয়ারটি জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ ক্রস করে সেলে নামে তহলে ধরে নিন পেয়ারটি ০.৭৬৫০ মুল্য থেকে আরো ১৫০-২০০পিপ্স সেলে নামবে। USDJPY : কচ্ছপ গতির দূরদর্শী JPY কারেন্সির এই পেয়ারটি বিগত আগস্ট ও সেপেটেম্বর এর এ সপ্তাহের মধ্যে হাটি হাটি পা পা করে ১০১.৫০ থেকে বর্তমানে বাই এ ১০৯.২৬ মুল্যে অবস্থান করছে যা প্রায় ৮৫০পিপ্স এর মত, আশ্চর্য না? হ্যাঁ, আশ্চর্যই তো, এই মেজর পেয়ারটির যে গতি তা দেখে কখনো কারো মনে হবেনা যে পেয়ারটি একচেটিয়া এত দূর পর্যন্ত আসতে পারে। পেয়ারটি যদি বর্তমান দৈনিক রেসিস্টেন্স ১০৯.৪৫ ক্রস করে উপরে যায় তাহলে পেয়ারটি ২০০৮এর হাই রেসিস্টেন্স রেট ১১০.৬০ পর্যন্ত যাওয়ার পসিবিলিটি আছে তবে ওই রেট ক্রস করলে আরো ২০০-৩০০পিপ্স বাই যেতে পারে। তবে আমি মনে করি পেয়ারটিতে এখন সেল এন্ট্রি দেওয়ার সময় আপনি চাইলে ১০৯.২০-৪০ এর মধ্যে সেল এন্ট্রি দিন এবং ৩০পিপ্স ব্যবহার করুন। যদি পেয়ারটি আরো বাই এ যায় তাহলে ১১০.২০-১১০.৬০ এর মধ্যে যে কোনো মুল্যে আবার সেল এন্ট্রি দিন আর এক্ষেত্রে স্বল্প স্টপ লস ১১০.৭০ ব্যবহার করুন। উপরোক্ত ট্রেডিং এ্যনালাইসিসগুলো শুধুমাত্র লং টাইম(মাসিক) ট্রেডাররা ফলো করবেন আর যদি দৈনিক ও সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করতে চান তাহলে অবশ্যই ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করতে পারেন। তবে স্টপ লস সবার ক্ষেত্রে একই থাকবে। ধন্যবাদ।
  10. GBPUSD মার্কেট আউটলুক সেপ্টেম্বর ২২ থেকে সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখ পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ট্রেডেবল ছিল ঠিকই কিন্তু একচেটিয়া বাই বা সেলে না গিয়ে তার আগের সপ্তাহের ক্লোজিং রেট এর কাছাকাছি ১.৬২৮৮ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। এতে করে যারা পেয়ারটিতে স্ক্যাল্পিং করেছেন আশা করি তারা ভালো করেছেন। বর্তমানে পেয়ারটি বাই কারেকশন মুডে আছে, যেহেতু পেয়ারটির GBP কারেন্সিতে এ সপ্তাহে কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির মুবমেন্ট নির্ভর করবে মেজর কারেন্সি USD এর নিউজগুলোর উপর। পেয়ারটির USD কারেন্সির এ সপ্তাহের নিউজগুলোর মধ্যে চমকপ্রদ হলঃ New Home Sales ও Unemployment Claims নিউজ দুটি। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রধান কারেন্সি GBP এর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ না থাকায় পেয়ারটি আরো সেলে যেতে পারে, যদি USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয়। তা না হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে ঘুরপাক করবে এবং স্ক্যাল্পিং করার মত পরিবেশ তৈরি করবে। তবে এটা বলা যায় যে, পেয়ারটি এ সপ্তাহেও ট্রেডেবল থাকবে। এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে মোড় নিলে ১.৬২৫০/১.৬১০০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬৪০০/১.৬৫৩০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD দৈনিক চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬৩৬৫। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬৩৫৭, ১.৬৪০২, ১.৬৪৭১, ১.৬৫২০, ১.৬৫৯৫, ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৬৮৩। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬২৮৩, ১.৬২৪৮, ১.৬২০৪, ১.৬১৭১, ১.৬১১৭ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৬০০০। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ২২ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের এই দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ২৩ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ২৪ই সেপ্টেম্বর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে এক্টিমাত্র হাই ইমপ্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে নিউজটির এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারট ট্রেডেবল হবে এবং সেলে থাকবে। রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales ২৫ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে যারমধ্যে Unemployment Claims নিউজটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন পেয়ারটিতে ভালো একটা মুবমেন্ট হতে পারে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Durable Goods Orders m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৬ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির মেজর কারন্সিতে কোনো নিউজ নেই, তবে USD কারেন্সির নিউজগুলো পেয়ারটিতে ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাবে বলে আশা করছি, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD কারেন্সির নিউজগুলোর উপর-ই নির্ভরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট দ্বিতীয় রেসিস্টেন্স ১.৬৪০২ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬৩১৫ টেকপ্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন। মার্কেট যদি সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬২৮৩ ক্রস করে তাহলে সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬৩৬৫ টেক প্রফিট ৯০-১৩০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই যায় তাহলে ১.৬৪৮০-১.৬৫২৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৫৪৫ আর টেক প্রফিট দিন ১০০-১৫০ পিপ্স এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৬১০০ থেকে ১.৬০৬০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৯৯০ এবং টেক প্রফিট ৮০-১০০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন এবং যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  11. বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে যে স্ট্রেটেজিটা শেয়ার করবো তা বিশ্বজুড়ে অনেক ট্রেডারেরই প্রিয়। প্রিয় এ জন্য যে এর সাকসেস রেট অনেক ভালো। আপনারা অনেকেই RSI, Stochastic এবং SMA/MA(মুবিং এভারেজ) এই ইন্ডিকেটরগুলোর সাথে পরিচিত বা এগুলো দিয়ে ট্রেড করে থাকেন। আজকে আমি আপনাদেরকে এই তিনটি ইন্ডিকেটর এর সমন্বয়ে কিভাবে সাকসেস ট্রেড করবেন তা-ই বলবো। আসুন তাহলে এই সাকসেস স্ট্রেটেজিটা জেনে নেই। এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করতে যা যা করনীয়ঃ টাইমফ্রেম : ৪ঘন্টা/ডেইলি। কারেন্সি পেয়ার : যে কোনো পেয়ার এ। ইন্ডিকেটর সেটাপ : SMA/MA পিরিওড ১৫০। RSI ইনপুট ভেলু ৩, লেভেল ২০ ও ৮০। Stochastic ইনপুট ভেলু ৬,৩,৩ এবং লেভেল ৩০ ও ৭০ এভাবে ইন্ডিকেটরগুলো সেটাপ করুন। এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার নিয়মঃ বাই/বুলিশ ট্রেন্ড এ যে ভাবে বাই ট্রেড ওপেন করবেন – যখন দেখবেন মার্কেট রেট SMA/MA পিরিওড ১৫০ এর উপরে এবং RSI ও Stochastic লেভেল যথাক্রমে ২০ এবং ৩০ এর নিচে তখনই আপনি বাই ট্রেড ওপেন করবেন। সেল/ব্যারিশ ট্রেন্ড এ যে ভাবে সেল ট্রেড ওপেন করবেন - যখন দেখবেন মার্কেট রেট SMA/MA পিরিওড ১৫০ এর নিচে এবং RSI ও Stochastic লেভেল যথাক্রমে ৮০ এবং ৭০ এর উপরে তখনই আপনি সেল ট্রেড ওপেন করবেন। যদি উপরোক্ত নিয়মগুলোর একটিও ব্যতিক্রম দেখেন তাহলে এ পদ্ধতিতে ট্রেড থেকে বিরত থাকুন। নিচে চিত্রের সাহায্যে দেখানো হলঃ স্টপ লস যেভাবে দিবেন – বাই এর ক্ষেত্রে - যে রেট এ বাই করেছেন তার আগের সুইং লো ক্যান্ডেল এর নিচে এবং সেল এর ক্ষেত্রে - যে রেট এ সেল ট্রেড ওপেন করেছেন তার আগের সুইং হাই ক্যান্ডেল এর উপরে স্টপ লস সেট করুন। যে ভাবে টেক প্রফিট দিবেন – টেক প্রফিট দেয়ার জন্য আমি আপনাকে দুইভাবে পরামর্শ দিব। Stochastic এর মাধ্যমে – বাই ট্রেড এর ক্ষেত্রে Stochastic এর প্রথম লাইনটি যখন লেভেল ৭০ টাচ করবে আর সেল ট্রেড এর ক্ষেত্রে যখন লেভেল ৩০ টাচ করবে তখনই প্রফিট নিয়ে ট্রেড থেকে বেরিয়ে যান। ট্রায়ালিং স্টপ এর মাধ্যমে – বাই ট্রেড এর ক্ষেত্রে Stochastic এর প্রথম লাইনটি যখন লেভেল ৭০ এর উপরে চলে যাবে আর সেল ট্রেড এর ক্ষেত্রে যখন লেভেল ৩০ এর নিচে যাবে তখন আপনি ট্রায়ালিং স্টপ এর মাধ্যমে অর্থাৎ বর্তমান মার্কেট রেট এর আগের ক্যান্ডেল এর নিচে (বাই ট্রেড এর ক্ষেত্রে) ও আগের ক্যান্ডেল এর উপরে (সেল ট্রেড এর ক্ষেত্রে) আপনার ট্রেডটির ১ম টেক প্রফিট বুক করে রাখবেন এবং এভাবে ধাপে ধাপে ২য় টেক প্রফিট ও ৩য় টেক প্রফিট নিতে পারেন। এজন্য আপনাকে অবশ্যই উক্ত পেয়ার এর মার্কেট ট্রেন্ড বাই/সেল এ কিনা তা বুঝতে হবে। এই স্ট্রেটেজিতে কম ঝুঁকিতে অধিক লাভ করা সম্ভব যদি আপনি ভালো ভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করে সঠিক পয়েন্ট এ ট্রেড করতে সক্ষম হন। তবে অধিক লাভ নেয়ার জন্য অবশ্যই মার্কেট ট্রেন্ড ফলো করবেন। তাহলে আপনি ট্রায়ালিং স্টপ এর মাধ্যমে একটি ট্রেড থেকে ২০০-৩০০পিপস প্রফিট করতে সক্ষম হবেন। - ধন্যবাদ -
  12. বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে এমন একটি পেন্ডিং ট্রেড স্ট্রেটেজি শেয়ার করবো যেটা করতে আপনাকে কোনো প্রকার এনালাইসিস করতে হবেনা। যে স্ট্রেটেজিতে আপনি দৈনিক ভাল একটা প্রফিট নিতে পারবেন। তাহলে আসুন জেনে নেই আজকের লাভবান স্ট্রেটেজিটি। ট্রেডিং সেটাপঃ টাইম ফ্রেমঃ এক (১) ঘন্টা। কারেন্সি পেয়ারঃ EURUSD ও GBPUSD তে পরীক্ষিত, তবে আপনি চাইলে মেজর বা অন্যান্য পেয়ারগুলোতে আগে ডেমোতে ট্রাই করে পরে লাইভ একাউন্ট এ করতে পারেন। এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করতে কোনো ইন্ডিকেটর বা এনালাইসিস এর প্রয়োজন নেই। এই স্টেটেজিতে ট্রেড করার নিয়মঃ এই স্টেটেজিকে লন্ডন ও ইউরোপ সেশন এর ট্রেডাররা “Early Bird” স্ট্রেটেজি বলে থাকে, কারণ এই পদ্ধতির পেন্ডিং অর্ডার এর সময় হল 5.00 AM EST তে অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩.০০টায়। এ পদ্ধতির পেন্ডিং অর্ডার দেয়ার জন্য আপনাকে EST 00.00AM থেকে EST 4.59AM (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর২.৫৯মিনিট) পর্যন্ত ১ঘন্টার চার্ট এ যথাক্রমে ৫টি ক্যান্ডেল এর সরবোচ্চ হাই ও লো নির্বাচন করতে হবে। যেভাবে পেন্ডিং অর্ডারগুলো দিবেনঃ 5.00 AM EST তে অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩.০০টায় একই কারেন্সিতে ১টি বাই ও ১টি সেল পেন্ডিং অর্ডার দিবেন। বাই পেন্ডিংঃ বাই অর্ডার এর জন্য ঐই কারেন্সির (১ঘন্টার চার্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর২.৫৯মিনিট পর্যন্ত যথাক্রমে ৫টি ক্যান্ডেল এর সরবোচ্চ দাম +৫ পিপ্স এ পেন্ডিং অর্ডার দিন। সেল পেন্ডিংঃ সেল অর্ডার এর জন্য ঐই কারেন্সির (১ঘন্টার চার্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর২.৫৯মিনিট পর্যন্ত যথাক্রমে ৫টি ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন দাম -৫ পিপ্স এ পেন্ডিং অর্ডার দিন। ধরা যাক, EST 00.00AM থেকে EST 4.59AM (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর২.৫৯মিনিট) পর্যন্ত EURUSD পেয়ার এ ১ঘন্টার চার্ট এ যথাক্রমে ৫টি ক্যান্ডেল এর সরবোচ্চ হাই ১.৩৮২০ এবং সর্বনিম্ন লো ১.৩৭৯০। এক্ষেত্রে বাই পেন্ডিং হবে ১.৩৮২৫ তে আর সেল পেন্ডিং হবে ১.৩৭৮৫ তে। টেক প্রফিটঃ ফরেক্স মার্কেট এর বর্তমান মুবমেন্ট মতে এ পদ্ধতির পেন্ডিং এ আপনি যে পেয়ার এ ট্রেড করবেন সে পেয়ার এর দৈনিক এভারেজ মুবমেন্ট অনুযায়ী টেক প্রফিট দিন। তবে আমি ৫০পিপ্স এর উপরে দিয়ে থাকি, আবার অনেক সময় মোটামুটি প্রফিট আসলে এনালাইসিস করে নিজেই ট্রেড ক্লোজ করে দেই। স্টপ লসঃ এ পদ্ধতির ট্রেড এর টেক প্রফিট ও স্টপ লস পেন্ডিং অর্ডার দেয়ার সাথে সাথে দিয়ে দিতে হবে। টেক প্রফিট যাই দিন তবে বাই এর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দাম -৩ পিপ্স আর সেল এর ক্ষেত্রে সরবোচ্চ দাম +৩ পিপ্স স্টপ লস দিন। উদাহরণস্বরূপঃ EURUSD পেয়ার এ ১ঘন্টার চার্ট এ যথাক্রমে ৫টি ক্যান্ডেল এর সরবোচ্চ হাই ১.৩৮২০ এবং সর্বনিম্ন লো ১.৩৭৯০। এক্ষেত্রে বাই পেন্ডিং এর স্টপ লস হবে ১.৩৭৮৭ তে আর সেল পেন্ডিং এর স্টপ লস হবে ১.৩৮২৩ এ। কতিপয় নিয়মঃ দুটি পেন্ডিং অর্ডার দেওয়ার পর মার্কেট যে দিকেই যাক অর্ডারগুলোকে মডিফাই করবেন না। তবে আপনি চাইলে শুধুমাত্র টেক প্রফিট-ই মডিফাই করতে পারেন। কোনো পেয়ার এর উভয় কারেন্সিতে একই সময়ে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ থাকলে উক্ত পেয়ারে এ ধরণের ট্রেড থেকে বিরত থাকুন। একদিকের ট্রেড এ যদি স্টপ লস হিট করে অন্যদিকের ট্রেড ক্লোজ করবেন না। EST 1.00PM বাংলাদেশ সময় রাত ১১.০০টায় সবগুলো অর্ডার ক্লোজ/ডিলিট করে দিন এবং পরের দিনের অর্ডার দেয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। অর্থাৎ যদি আপনার কোনো পেন্ডিং অর্ডার থেকে থাকে তাহলে সেগুলো ডিলিট করুন আর কোনো অর্ডার মার্কেট এ থাকলে এনালাইসিস করে রাখতে পারেন। তবে এই স্টেটেজির নিয়ম হল ট্রেড যে অবস্থায়-ই থাক ক্লোজ করে দেয়া ভাল। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আশা করি স্ট্রেটেজিটি আপনাদের জন্য লাভজনক স্ট্রেটেজি হবে। তবে আমি পরামর্শ দিব যে, আমার কথায় অন্ধ বিশ্বাস না করে আগে কয়েকদিন ডেমোতে ট্রাই করুন তারপর লাইভ এ করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  13. ট্রেড প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই ? জানি কেউ হয়তো ভালো আর কেউ লস ট্রেড নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় আছেন। যাই হোক আজকে আপনাদেরকে আমার ট্রাই করা একটা (৯০-৯৫ভাগ) সফল ট্রেড সিস্টেম এর ট্রিপস দেব। আমারা যারা ট্রেডার তারা সবাই কম বেশী জানি যে প্রত্যেকটা কারেন্সি পেয়ার-ই মার্কেট কম বেশী কারেকশন করে থাকে । অর্থাৎ মার্কেট যদি যে কোনো কারেন্সিতে ১০০পিপস বাই এ যায় অন্ত্যত ৩০পিপস থেকে ৫০পিপস সেল এ কারেকশন করে থাকে (যদি একচেটিয়া বাই বা সেল এর কোনো নিউজ না থাকে)। আমরা সে সুযোগটাই কাজে লাগাবো। কি ভাবে???????????????????????????????? আসুন দেখা যাকঃ ধরুন মার্কেট এর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই তারপরও Euro/Usd পেয়ার এ ৩০থেকে৫০পিপস বাই এ মুব করেছে (উক্ত কারেন্সির মার্কেট ট্রেন্ড কিন্তু সেল এ)। এমতাবস্তায় আপনি .১০ভলিউম এ একটি সেল ট্রেড ওপেন করবেন, কিছুক্ষণ পর যদি দেখেন যে আরো ও ৫০পিপস বাই এ মুব করেছে তখন আপনি আপনার আগের ভলিউম এর চেয়ে দিগুন ভলিউম এ অর্থাৎ অবশ্যই .২০ভলিউম এ আরেকটি সেল ট্রেড ওপেন করুন, এরপরও যদি দেখেন যে উক্ত পেয়ার এ আরো ৩০-৫০পিপস বাই এ মুব করেছে এমতাবস্তায় আপনি হতাশ না হয়ে আরেকটি .৪০ভলিউম এ সেল ট্রেড ওপেন করুন, কারন আমরা জানি যে নরমাল ট্রেডিং টাইম এ মার্কেট কখনো ৫০-১০০পিপস এর বেশী পরিবর্তন হয়না, যদি কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ না থাকে। তাহলে অবশ্যই আমাদের ট্রেডগুলো লাভ এ ক্লোজ করা সম্ভব। এখন আসুন কিভাবে লাভ/প্রফিট নিয়ে উক্ত ট্রেডগুলো থেকে বের হবেন- প্রথম .১০ভলিউম এর ট্রেডটি যদি আপনি সাধারণ নিয়মে প্রফিট নিয়ে বের হয়ে যেতে পারেন তাহলে তো আর ২য় ও ৩য় ট্রেডগুলো করার প্রয়োজন পড়ে না কিন্তু প্রথম ট্রেডটি যদি লস এ যায় তাহলে অবশ্যই পর্যায়ক্রমে ২য় এবং ৩য় ট্রেডটি ওপেন করবেন যদি দেখেন যে আপনার প্রথম দুটি ট্রেডই লস এ। ৪০পিপস পর পর ট্রেড ওপেন করলে আপনার প্রত্যেকটি ট্রেড এর লস পর্যায়ক্রমেঃ প্রথম ট্রেড ওপেন ১.৩৬৫০ ৩য় ট্রেড ওপেন এর সময় ৮০পিপস লস .১০ভলিউম -৮$২য় ট্রেড ওপেন ১.৩৬৯০ ৩য় ট্রেড ওপেন এর সময় ৪০পিপস .২০ভলিউম -৮$৩য় ট্রেড ওপেন ১.৩৭৩০ শেষ ট্রেড লস ০পিপস .৪০ভলিউম ০$।মোট লস (১ম ট্রেড৮০+২য় ট্রেড৪০)১২০পিপস -১৬$। আপনার এ ধারাবাহিক ট্রেডগুলোর পেয়ারটিতে যদি সেল এ ৪০পিপস কারেকশন করে তাহলে আপনার ট্রেডগুলোর রেজাল্ট হবে নিম্নরূপঃ প্রথম ট্রেড ওপেন ১.৩৬৫০ .১০ভলিউম এ লাভ/লস -৪০পিপস অর্থাৎ -৪$ (৩য় ট্রেড যখন ৪০পিপস প্রফিট)।২য় ট্রেড ওপেন ১.৩৬৯০ .২০ভলিউম এ লাভ/লস ০পিপস (৩য় ট্রেড যখন ৪০পিপস প্রফিট)।৩য় ট্রেড ওপেন ১.৩৭৩০ .৪০ভলিউম এ লাভ ৪০পিপস অর্থাৎ ১৬$।এখন আপনি আপনার সবগুলো ট্রেড ক্লোজ করে দিন তাহলে আপনার ট্রেড এর ক্লোজিং ফলাফল হবে (৩য় ট্রেড.৪০ভলিউম এ ৪০পিপস প্রফিট১৬$ বাদ ১ম ট্রেড .১০ভলিউম এ -৪০পিপস লস -৪$)=১২$ প্রফিট। এভাবে আপনি ধাপে ধাপে ট্রেড করে প্রফিট নিতে পারেন। উপরোক্তমতে ট্রেড করার কিছু নিয়ম নিম্নরুপঃ হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ থাকলে ঐ সময়ে এ পদ্ধতিতে ট্রেড করবেন না।আপনি অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করে ভলিউম নির্ধারণ করবেন (আমার মতে ১০০০$ এ সর্বমোট ১ভলিউম)।এ পদ্ধতিতে আপনি ৩০ থেকে ৫০পিপস পরপর ধাপে ধাপে ট্রেড ওপেন করবেন। তবে ৫০ পিপস পরপর করলে ভালো।এ পদ্ধতিতে আপনি প্রত্যেক ট্রেড পরপর ভলিউম দিগুণ করে করবেন, যেমন- .১০ .২০ .৪০ভলিউম।যদি ৪ঘন্টা বা ১ দিনের টাইম চার্ট এ উক্ত কারেন্সির মার্কেট ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যায় (আপনার করা ট্রেড এর বিপরীতে) তাহলে সবগুলো ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন।এ পদ্ধতিতে শুধুমাত্র মেজর কারেন্সিগুলোতে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন। তবে একসাথে একাধিক পেয়ার এ নয়।আশা করি এ পদ্ধতিতে ট্রেড করলে আপনি লাভ করতে সক্ষম হবেন। এ পদ্ধতিতে ট্রেড সম্পর্কিত আর কিছু জানতে চাইলে বা না বুঝে থাকলে কমেন্টস এর মাধ্যমে জানাবেন। ধন্যবাদ।
  14. বন্ধুরা, প্রত্যেক ট্রেডারকেই ফরেক্স ট্রেড করার জন্য ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন জানা অতি জরুরী। আপনি যদি ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে পারেন তাহলে ট্রেড করার জন্য আপনাকে কোনো ইন্ডিকেটর এর সাহায্যে নিতে হবেনা। অনেক ভালো ভালো ট্রেডার আছেন যারা শুধুমাত্র ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন এর মাধ্যমে এ্যনালাইসিস করে সফল ট্রেড করে থাকেন। তাই আজকে আপনাদেরকে ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন এর Buy, Sell ও Wicks ক্যান্ডেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্যই এই প্রয়াস। আসুন তাহলে জেনে নেই বাই ও সেল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন। সকল ক্যান্ডেলই নিরপেক্ষভাবে শুরু/জন্মগ্রহণ করে। আপনি উপরের লাইন চিত্রটি দেখে হয়তো ভাবছেন যে এটা আবার কি? বন্ধুরা এটা লাইন নয় এটা নতুন জন্মগ্রহণ করা একটা ক্যান্ডেল। নতুন জন্মগ্রহণকৃত ক্যান্ডেল বাই/সেল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। প্রতিটি ক্যান্ডেলই সবসময় নিরপেক্ষভাবে জন্মগ্রহণ করে। যখন একটি ক্যান্ডেল জন্মায় তখন কোনো ট্রেডারই বলতে পারেনা যে ক্যান্ডেলটি কোন দিকে যাবে। ট্রেডাররা হয়তো আন্দাজ করতে পারেন কিন্তু তারা সত্যিকার অর্থে এটা কখনো বলতে পারবেননা যে, ক্যান্ডেলটি কি যেকোনো (বাই/সেল) দিকে সক্রিয়ভাবে উজ্জীবিত হবে নাকি জন্ম যেখানে সেখানেই তার মুল্যের ইতি টানবে। একটি ক্যান্ডেল জন্মের পর পরই কিন্তু তার যুদ্ধ শুরু হয়। বাই ও সেল যার যার অবস্থানের দিকে ক্যান্ডেলটিকে নেওয়ার জন্য যুদ্ধ করে এবং পরিশেষে কে বিজয়ী সেটা ক্যান্ডেলটি আমাদেরকে প্রদর্শন করে থেকে বা আমরা ফলাফলটা দেখি। যদি মার্কেটে সেলার থেকে বায়ার এর সংখ্যা বেশী থাকে তখন আপনি দেখবেন যে ক্যান্ডেটি উপরে/বাই এর দিকে যাচ্ছে এবং বুলিশ/বাই ফর্ম ক্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে। অপরদিকে যদি মার্কেটে বায়ার থেকে সেলার এর সংখ্যা বেশী থাকে তখন আপনি দেখবেন যে ক্যান্ডেটি নিচে/সেল এর দিকে যাচ্ছে এবং বিয়ারিশ/সেল ফর্ম ক্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে। আপনি হয়তো ভাবছেন ক্যান্ডেলের এই সব কার্যক্রম তো খুবই সুস্পষ্ট কিন্তু ক্যান্ডেলের এইসব কার্যক্রম মনোযোগ দিয়ে একটু ভাবুন তো যে, একটি সদ্য জন্মগ্রহণকারী ক্যান্ডেল ইন্ডিকেটর আপনাকে এটা দেখায় যে কে কারেন্টলি এ যুদ্ধে জয়ী, বাই নাকি সেল। আপনি ক্যান্ডেলের এই চমকপ্রদ ব্যাপারটি খুঁজে বের করতে পারেন না? তাহলে আসুন ক্যান্ডেলের এই চমকপ্রদ ব্যাপারটি কিভাবে জানা যায়। Bullish Candle: ট্রেডাররা যেকোনো ক্যান্ডেলকে বুলিশ ক্যান্ডেল বলেনা। একটি বুলিশ/বাই ক্যান্ডেল হল, যে ক্যান্ডেলের মূল শরীর/বডি বুলিশ/বাই এ থাকে তখনই ট্রেডাররা সে ক্যান্ডেলটিকে বাই ক্যান্ডেল বলতে পারে। একটি সদ্যজন্মগ্রহন করা ক্যান্ডেল উপরের দিকে বেড়ে উঠে যদি বাই এ ক্লোজ হয় তাহলে সেটা বুলিশ/বাই ক্যান্ডেল। যদি ক্যান্ডেলটির মূল শরীর/বডি বুলিশ এ স্ট্রং হয় তাহলে সেটা স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেল। আর যদি ক্যান্ডেলটির মূল শরীর/বডি বুলিশ এ দুর্বল বা ছোট হয় তাহলে সেটা দুর্বল বুলিশ ক্যান্ডেল। এটা খুবই সহজ একটা কথা তাই না? কিন্তু আরেকটু ভাবুন যে, একটি বুলিশ/বাই ক্যান্ডেল এর শরীর/বডির মাধ্যমে আপনাকে শুধুমাত্র দামটাই জানায় না বরং এটাও বুঝায়/জানায় যে বুলিশ/বাই জয়ী এবং ক্ষমতাবান ও বটে। এটা ফরেক্স মার্কেটের জন্য একটি সমালোচনামূলক তথ্য হতে পারে যে, যদি আপানর সিস্টেম/এ্যনালাইসিস আপনাকে সেল ট্রেড করতে তথ্য দেয় কিন্তু ক্যান্ডেল আপনাকে পুরাপুরি বাই ইন্ডিকেট করে, তাহলে ঐই সময় সেল ট্রেড থেকে বিরত থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, যখন মার্কেটে সেলার থেকে বায়ার এর সংখ্যা বেশী তখন আপনি কেন সেল এর দিকে যাবেন। Bearish Candle: যেকোনো ক্যান্ডেলই বেয়ারিশ/সেল ক্যান্ডেল হতে পারে যদি তার শরীর/বডি বেয়ারিশ/সেল এ হয়। সুতারাং একটি বেয়ারিশ/সেল ক্যান্ডেল আপনাকে কি বুঝায়? একটি বেয়ারিশ/সেল ক্যান্ডেল এটা বুঝায় যে, মার্কেটে বর্তমানে সেলার থেকে বায়ার এর সংখ্যা অতি নগণ্য। তাহলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে, বর্তমান মার্কেট সেলারদের নিয়ন্ত্রনে, তাই ঐই সময়ে বাই/লং ট্রেড করাটা বোকামিই হবে। Wicks: নিচের চিত্রের ক্যান্ডেলগুলো সুইং হাই এবং লো প্রদর্শনের পাশাপাশি মার্কেট এখন সেলার নাকি বায়ারদের দখলে সেটাও নির্দেশ করে। মনে রাখবেন, এ ধরনের যুদ্ধ (বাই/সেল এ যাওয়ার) বাই এবং সেল এর মধ্যে এজন্যই হয় যে, কে মার্কেট কার নিয়ন্ত্রনে নিতে পারে। আসুন এখন জানা যাক যে, বাই ও সেল এর সাথে Wicks এর সম্পর্ক কি? যদি কোনো স্ট্রং Bullish Candle এটা সাজেস্ট করে যে মার্কেট এখন Bulls কন্ট্রোল করছে, তাহলে কিভাবে একটি Bearish Candle একটি বড় আপার Wicks এবং অতি ক্ষুদ্র আকারের Bearish শরীর/বডি তৈরি করে? ছোট Lower Wicks, ছোট Bearish Body এবং বড় Upper Wicks : চিত্রের প্রথম ক্যান্ডেলটি এটা সাজেস্ট করে যে, যখন মার্কেট এই ক্যান্ডেলটিতে ছিল তখন Bulls মার্কেট মুল্যকে উপরের দিকে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু মার্কেট তখন সেলারদের নিয়ন্ত্রনে থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ক্যান্ডেল্টির long upper wick আমাদেরকে সেটাই বলছে। যাইহোক, ক্যান্ডেলটি ক্লোজ হওয়ার আগে মার্কেট ও মার্কেট মূল্য সেল এ আসে এবং সেল ক্লোজ করে। আমরা ক্যান্ডেলের যে বডি দেখতে পাচ্ছি তা Bearish Body। বড় Lower Wicks, ছোট Bullish Body এবং ছোট Upper Wicks : চিত্রের দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি দেখে এটা বুঝা যায় যে, ক্যান্ডেলটি শুরু হওয়ার পর Bears মার্কেট মূল্যকে তার দখলে নেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল কিন্তু মার্কেট তখন বায়ারদের নিয়ন্ত্রনে থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ক্যান্ডেল্টির long Lower wick আমাদেরকে সেটাই বলছে। যাইহোক, ক্যান্ডেলটি ক্লোজ হওয়ার আগে মার্কেট ও মার্কেট মূল্য বাই এ আসে এবং বাই ক্লোজ করে। আমরা ক্যান্ডেলের যে বডি দেখতে পাচ্ছি তা Bullish Body। ক্যান্ডেল সম্পর্কে আপনি এতক্ষণ যা শিখেছেনঃ Bullish Candle: বর্তমানে মার্কেট অনেক Buying pressure এ আছে। যতদিন বা ক্ষণ বায়াররা কেনার চাপ সৃষ্টি করবে ততক্ষণই Bullish Candle তৈরি হতে থাকবে। মার্কেট যখন একটি বাই ক্যান্ডেলে থাকা অবস্থায় Buying pressure কমে যায় এবং Selling Pressure বেড়ে যায় তখনই Bullish Candle এর আঁকার ছোট হয় এবং প্রতিনিধিত্বকারী Bull এর শক্তি কমে যায়। Bearish Candle: এর অর্থ হল বর্তমান মার্কেট অনেক Selling pressure এ আছে। যতদিন বা ক্ষণ সেলাররা বিক্রয়ের চাপ সৃষ্টি করবে ততক্ষণই Bearish Candle তৈরি হতে থাকবে। মার্কেট যখন একটি সেল ক্যান্ডেলে থাকা অবস্থায় Selling pressure কমে যায় এবং Buying Pressure বেড়ে যায় তখনই Bearish Candle এর আঁকার ছোট হয় এবং প্রতিনিধিত্বকারী Bears এর শক্তি কমে যায়। Wicks: Wicks candle সুইং হাই বা সুইং লো প্রদর্শন করে থাকে এছাড়াও অধিকতর সময় মার্কেটের ট্রেন্ড পরিবর্তন বা তথ্যপূর্ণ ট্রেড এর ইঙ্গিত দেয়। যাতে করে ট্রেডাররা সফল ট্রেড এর সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়। বন্ধুরা, এগুলো আসলে ক্যান্ডেলস্টিক ট্রেড এর খুবই সাধারণ ধারণা। পোষ্টটি মূলত নতুন ট্রেডারদের জন্য লিখলাম। আশা করি সবাই উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।
  15. টেক প্রফিট দেওয়ার কিছু পদ্ধতি-বিস্তারিত। বন্ধুরা, আমরা অনেকই ফরেক্স ট্রেডে লসের সময় অনেক বেশী লস করি আর প্রফিট/লাভের সময় সামান্য প্রফিট আসলেই ট্রেড ক্লোজ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়ি। এটার একমাত্র কারণ হল আমরা আমাদের স্ট্রেটেজির সাথে টেক প্রফিট নেওয়ার কোনো পদ্ধতিই এপ্লাই করি না। এজন্য বেশীরভাগ ট্রেডারের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, তার ১০টি ট্রেডের ৬-৮টি ট্রেডই প্রফিটে ক্লোজ করেছে আর ৩টি ট্রেড লসে। তারপরও দেখবেন যে, তিনি ওভারঅল লস এ আছেন, তার একমাত্র কারণ হল লসের সময় আমরা আমাদের লস দেওয়ার টার্গেট পূরণ হলেও আমরা ট্রেড ক্লোজ করিনা আর প্রফিট নেওয়ার সময় আমরা কোনো টেক প্রফিট পদ্ধতি অবলম্বন করিনা, তাই অনেক ট্রেডারের সফল ট্রেডের পরিমান বেশী হলেও তার লসের পরিমান বেশীই থাকে। তাই আজকে আপনাদেরকে কিভাবে ট্রেডে অধিক পরিমান টেক প্রফিট নিবেন তারই কিছু গাইডলাইন দিব। একজন ট্রেডার যখন টেক প্রফিট দেওয়ার ব্যাপারে নিজে নিজেকে জিজ্ঞেস করেন তখন এটি তার কাছে একটি জটিল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। টেক প্রফিট ইস্যু একজন ট্রেডারের কাছে আসলেই খুব জটিল একটা বিষয় এবং কোনো ট্রেডার এর কোনো সঠিক উত্তরও দিতে পারবে না। টেক প্রফিট গ্রহন করা আপনার জন্য এক নিয়ম হলে অন্য জনের কাছে অন্য নিয়ম হয়ে থাকে। টেক প্রফিটের ব্যাপারটা আপনার ট্রেডিং শৈলী এবং আপনার ব্যবহৃত টাইম ফ্রেমের উপর নির্ভর করবে। সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স এর মাধ্যমে টেক প্রফিট গ্রহনঃ একটি সফল ট্রেডে লাভ করার খুব জনপ্রিয় উপায় হল পরবর্তী সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স এর মাত্রা যখন একটি অবস্থানে পৌঁছায় বা ট্রেড ক্লোজ করতে আদেশ করে তখন। টেক প্রফিটের জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স পয়েন্টগুলো জানা এবং বুঝা। তাই আপনি যদি আপনার ট্রেডিং পেয়ারের সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বুঝে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার ট্রেড এ ভাল প্রফিট নিতে সক্ষম হবেন। মুভিং এভারেজ ক্রসওভার এর মাধ্যমে কিছু ট্রেডার তাদের টেক প্রফিট সিগন্যাল গ্রহণ করে থাকেঃ এটা অনেক লং টার্ম ট্রেডারদের প্রিয় হয়ে থাকে, এটি এমন একটি প্রবণতা যা নিম্নলিখিত পদ্ধতির হয়- এ পদ্ধতি মার্কেটের বড় পরিবর্তন/বড় এরিয়ায় মুবমেন্টের জন্য অনুমতি দেয়, অর্থাৎ আপনি বড় টাইম ফ্রেমে মুভিং এভারেজ ক্রসওভার এর মাধ্যমে আপনার টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এটা সাপ্তাহিক, মাসিক টাইম ফ্রেমে ব্যবহার করলে আপনি সরবোচ্চ প্রফিট নিতে পারবেন, আর আপনার আপনার টেক প্রফিট নেওয়াটা নির্ভর করবে মুভিং এভারেজ ক্রসওভার ব্যবহারের সাথে আপনার ব্যবহৃত টাইম ফ্রেমের উপর। ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন চেনার মাধ্যমেও আপনি সঠিক পয়েন্টে টেক প্রফিট দিতে পারবেনঃ এটা অনেক অভিজ্ঞ ট্রেডারের কাছে অনেক সহজ একটি বিষয় এবং তারা ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন এর মাধ্যমেই তাদের প্রফিট নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে সাধারনত সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স এর সাথে সমন্বয় করে টেক প্রফিট দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ - যদি আপনি যেকোনো একটি পেয়ারে লং পজিশনে থাকেন এবং সুটিং স্টার এ স্পট ট্রেড করেন, তাহলে ওই ট্রেড বেশীরভাগ সময় আপনার বিপরিতে অর্থাৎ সেল এ যাবে। যদি আপনি খুব স্ট্রং একটি রেসিস্টেন্স এর কাছাকাছি এ ধরনের ট্রেড করে থাকেন তাহলে আপনি এ ট্রেড থেকে প্রস্থান বিবেচনা করার জন্য দুটি শক্তিশালী কারণ পাবেন। বিপরীতভাবে, যদি আপনি কোনো পেয়ারে শর্ট পজিশনে থাকেন এবং হ্যামার ক্যান্ডেল দেখেন তাহলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে মার্কেট আপনার বিপরীতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। বিশেষ করে এটি তখনই সত্যি হবে যদি মার্কেট তখন একই এরিয়াতে সাপোর্ট জোন পেয়ে থাকে। ট্রেডিং ডে হিসেবে টেক প্রফিট নেওয়াঃ ট্রেড থেকে প্রফিট নেওয়ার আরেকটি সহজ উপায় হল ট্রেডিং ডে ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার সাথে সাথে যাই প্রফিটে থাকুক সে অবস্থায় ট্রেড ক্লোজ করে দেওয়া। যারা ডে ট্রেডার আছেন তারা এ ধরনের টেক প্রফিট নিয়ে থাকেন আর এ পদ্ধতি ডে ট্রেডারদের জন্য একটি জনপ্রিয় টেক প্রফিট পদ্ধতি এবং অধিকাংশ ডে ট্রেডার প্রতিদিন এভাবেই তাদের ট্রেডের প্রফিট নিয়ে থাকেন। উপরে আপনারা সঠিকভাবে টেক প্রফিট নেওয়ার তিনটি ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি দেখেছেন, যখন আপনি ফরেক্স এ ট্রেড করবেন তখন এ পদ্ধতিগুলোর উপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখতে পারেন, তাহলে হয়তো আপনার ট্রেডিং এ অধিক প্রফিট অর্জন করতে পারবেন। আর উপরের এ টেক প্রফিট পদ্ধতিগুলোর এ্যকচুয়্যাল ফলাফল আসলে নির্ভর করবে আপনার ব্যবহৃত টাইম ফ্রেম, স্ট্রেটেজি এবং আপনার ট্রেডিং সিদ্ধান্তের উপর। আপানার স্ট্রেটেজির সাথে উপরের যে টেক প্রফিট পদ্ধতিটি সবচেয়ে ভালো ফলাফল দিবে আপনি সবসময় সে পদ্ধতিই অবলম্বন করুন তাহলে ট্রেডে আপনার লাভের পরিমান আশা করি অনেকাংশে বেড়ে যাবে। ধন্যবাদ।
  16. মার্কেট ট্রেন্ড সনাক্ত করার টিপস। বন্ধুরা, মার্কেট ট্রেন্ড আঁকা ও বুঝা ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যারা ট্রেন্ডলাইন বুঝে এবং আঁকতে পারে তারা যে কোনো টাইমফ্রেমে যে কোনো কারেন্সি পেয়ার/জোড় এ ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম। আর যারা ট্রেন্ড লাইন সঠিকভাবে সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয় তারা ৭০-৯০শতাংশ সময় লসের সম্মুখীন হন। যখন কোনো ট্রেডার ট্রেড করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন তখন তিনি বর্তমান ট্রেন্ড লাইন ডিরেকশন বিভিন্ন টাইম ফ্রেমে দেখে তার পরই ট্রেডে এন্ট্রি দিয়ে থাকেন বা ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, ঠিক তেমনি সফল ট্রেড করার জন্য আপনাকেও একটি পেয়ারের এই সামগ্রিক দিক সমূহ দেখে ট্রেডে এন্ট্রি দিতে হবে নতুবা যা লাভ করার চিন্তা করেছেন তার কয়েকগুন লস হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ট্রেন্ড সনাক্ত করার জন্য লং টাইম ফ্রেম সবচেয়ে নিরাপদ যেমনঃ দৈনিক ও সাপ্তাহিক চার্ট। দৈনিক ও সাপ্তাহিক চার্ট এজন্য গুরুত্বপূর্ণ যে, ছোট টাইম ফ্রেমের চার্টে আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্রেক-আউট দেখতে পাবেন এবং ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিন্তু দৈনিক বা সাপ্তাহিক চার্ট আপনাকে কখনো ভুল ব্রেক আউট শো করবে না এবং সঠিক ট্রেন্ড দেখাবে। উদাহরণস্বরূপ আপনি বর্তমানের ইউরো/ইউএসডি পেয়ারটি বিভিন্ন টাইম ফ্রেমে দেখুন তাহলেই জবাবটা পেয়ে যাবেন এবং বুঝতে পারবেন যে, আমার কথা কতটুকু সত্য। আপনি যদি লং ট্রেডার হন এবং ট্রেন্ড লাইন আঁকতে জানেন, তাহলে দৈনিক ও সাপ্তাহিক চার্টে ট্রেন্ড লাইন আঁকুন তাহলেই ট্রেন্ড এর সঠিক পথ পাবেন অথবা........................... মুভিং এভারেজ মার্কেট ট্রেন্ড সনাক্ত করার আরেকটি সহজ মাধ্যম হল মুভিং এভারেজ। বিশেষ করে যারা সঠিকভাবে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে ব্যর্থ তারাই এ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি ১৪ পিরিয়ড এ মুভিং এভারেজ এর লেভেল ৫০, ১০০ ও ২০০ ব্যবহার করবেন। আর এটা অবশ্যই দৈনিক চার্টে দেখবেন তাহলেই আপনি সঠিক ট্রেন্ড বুঝতে/ধরতে সক্ষম হবেন। যেভাবে ট্রেন্ড সনাক্ত করবেন এবং ট্রেড এর সিদ্ধান্ত নিবেনঃ বেশীরভাগ ট্রেডার ১০০দিনের মুভিং এভারেজ ফলো করে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, মার্কেট মুল্য যদি ১০০মুভিং এভারেজ এর উপরে থাকে তাহলে ট্রেন্ড আপ এবং এক্ষেত্রে ট্রেডাররা শুধুই বাই ট্রেড এন্ট্রি দিয়ে থাকেন আর যদি মার্কেট মুল্য ১০০মুভিং এভারেজ এর নিচে থাকে তাহলে ট্রেন্ড ডাউন এবং এক্ষেত্রে ট্রেডাররা শুধুই সেল ট্রেড করে থাকেন। তবে আপনি যদি মুভিং এভারেজ এর সাথে ট্রেন্ড লাইন আঁকেন তাহলে ট্রেন্ড বুঝা আপনার জন্য আরো অনেক সহজ হয়ে যাবে। যদি আপনার আঁকা লাইন এবং মুবিং এভারেজ আপ ট্রেন্ড ডিরেকশন দেয় তাহলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে মার্কেট আপ এ স্ট্রং, অপর দিকে ট্রেন্ড লাইন এবং মুবিং এভারেজ যদি ডাউন ট্রেন্ড ডিরেকশন দেয় তাহলে ট্রেন্ড স্ট্রং সেল বুঝাবে। তাই আমি বলবো আপনি মুভিং এভারেজ এর সাথে সাথে ট্রেন্ড লাইন আঁকা শিখুন। ট্রেন্ড লাইন আঁকা নিয়ে আপনার প্রিয় বিডিফরেক্সপ্রো-তে কয়েকটি পোষ্ট আছে সেগুলো ভালো করে দেখলে আশা করি আপনি ট্রেন্ড লাইন আঁকতে সক্ষম হবেন আর ট্রেন্ড লাইন এবং মুভিং এভারেজ এ দুটির সমন্বয়ে আপনি সঠিকভাবে ট্রেন্ড সনাক্ত করতে সক্ষম হবেন। একটি কথা মনে রাখবেন ট্রেন্ড একজন ট্রেডারের সঠিক বন্ধু। ধন্যবাদ।
  17. EURUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ২৮ থেকে আগস্ট ০১ পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট গত সপ্তাহে ১.৩৪২৭ মুল্যে ক্লোজ করে এবং দৈনিক চার্টে এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটি গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে তার দৈনিক চার্টের ১.৩৫০২ সাপোর্ট ক্রস করেছে এবং বর্তমানে বেশীরভাগ ইন্ডিকেটর ও পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড সেল দেখাচ্ছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ভিউ থেকে বলা যায় পেয়ারটি এ সপ্তাহে আরো সেলে যাবে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সাপোর্ট ধরা যায় ১.৩৩২৫ ও ১.৩২৯৫ এবং রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.৩৪৯৪ ও ১.৩৫৮৬। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে বাই এ মোড় নেওয়ার জন্য ১.৩৫০২ রেসিস্টেন্স এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.৩৩৯৯ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করতে হবে, যদিও দৈনিক চার্টে পেয়ারটির ট্রেন্ড বর্তমানে ১.৩৫২৭ মুল্যে সেল এর দিকে তবে সেটা অতটা স্ট্রং নয়। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতির ভাগ্য নির্ভর করবে EUR এর German Prelim CPI m/m, CPI Flash Estimate y/y এবং USD এর যাবতীয় নিউজগুলোর উপর আর যদি উক্ত পেয়ারটির USD কারেন্সির বেশীরভাগ নিউজ পজিটিভ হয় তাহলে এ সপ্তাহেও পেয়ারটি নিশ্চিত সেল এ-ই থাকবে। তবে সেটা অধিকাংশ নির্ভর করবে USD এর FOMC Statement নিউজটির উপর। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ পিভট পয়েন্টঃ ১.৩৪৩২ রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৩৪৫০, ১.৩৪৯৪, ১.৩৫৪৮, ১.৩৫৮৬, ১.৩৬৫০ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩৭৩৮। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৩৩৯৯, ১.৩৩৫৮, ১.৩৩২৫, ১.৩২৯৫, ১.৩২৫৫ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৩২৩০। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ২৮ই জুলাই সোমবার – মার্কেট ওপেনের এই দিনে USD এর একটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই। সুতারাং এ দিন উক্ত পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা আছে। তবে এ দিন সন্ধ্যার আগে বিশেষ করে USD এর নিউজটি পাবলিশ হওয়ার আগে উক্ত পেয়ারে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকাই ভালো। রাত ৮.০০মিনিট USD Pending Home Sales m/m ২৯ই জুলাই মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও শুধুমাত্র USD কারেন্সির একমাত্র নিউজটিই উক্ত পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্টের একমাত্র ভরসা। রাত ৮.০০মিনিট USD Existing CB Consumer Confidence ৩০ই জুলাই বুধবার – এ দিন হয়তো এ পেয়ারটির মার্কেট ভালো মুবমেন্ট করতে পারে। কারণ এ দিন USD ও EUR দুটি কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। এতে EURUSD পেয়ারটি এ দিন ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা বেশী এবং এ দিন পেয়ারটির মার্কেটে ভালো স্ক্যাল্পিংও করা যেতে পারে। দুপুর ১২.০০মিনিট EUR German Prelim CPI m/m সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD ADP Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট USD Advance GDP q/q ৩১ই জুলাই বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির দুটি কারেন্সিতেই হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুব বেশী। বিশেষ করে USD এর FOMC Statement নিউজটি যদি মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে পেয়ারটি ভালো মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। রাত ১২.০০মিনিট( AM) USD FOMC Statement দুপুর ৩.০০মিনিট EUR CPI Flash Estimate y/y সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ০১লা আগস্ট শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে USD এর নিউজগুলো EURUSD পেয়ারটিকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে, যেহেতু এ দিন EUR এর কোনো নিউজ নেই তাই USD কারেন্সির নিউজগুলো পজেটিভ হলে এ দিন পেয়ারটি সেল এ থাকাটা স্বাভাবিক। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Non-Farm Employment Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Rate রাত ৮.০০মিনিট USD ISM Manufacturing PMI যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে EUR এর থেকে USD কারেন্সির নিউজের পরিমান বেশী এবং পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ডও বর্তমানে সেল এ, তাহলে আমরা ন্যাচারেলি ধরে নিতে পারি যে উক্ত পেয়ারটির মার্কেট এ সপ্তাহে সেল এ থাকার সম্ভাবনা আছে, তবে সে জন্য USD কারেন্সির নিউজগুলো অবশ্যই পজিটিভ হতে হবে। যাইহোক এ সপ্তাহে পেয়ারটির ভাগ্য বেশীরভাগ নির্ভর করবে USD কারেন্সির নিউজগুলোর উপর। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ (১)মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.৩৪২০ এ আসলে সেল ট্রেড করুন স্টপ লস ১.৩৪৫২ আর টেক প্রফিট দিন ৫০-৮০ পিপ্স। (২) পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.৩৪৭০-১.৩৪৯৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এবং স্টপ লস ১.৩৫৩০ টেক প্রফিট ৮০-১৩০পিপ্স দিন। (৩) ১.৩৩৪০-১.৩৩৭০ এর মধ্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন, এ ক্ষেত্রে স্টপ লস ১.৩৩২০ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১২০ পিপ্স। যদি আপনার একটি ট্রেড মার্কেটে থাকে তাহলে ওই ট্রেডটি ক্লোজ না করে আরেকটি ট্রেড ওপেন করবেন না যদি করে থাকেন তাহলে ট্রেড ভলিউম কমিয়ে/মানি ম্যানেজমেন্ট করে করুন। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে ট্রেন্ড ও নিউজ বান্ধব স্ক্যাল্পিং করুন, না হয় আপনি লসের সম্মুখীন হতে পারেন এবং এ সপ্তাহের ৩১ই জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ১২.০০মিনিট( AM) USD এর FOMC Statement নিউটির উপর অবশ্যই নজর রাখবেন। আরেকটি কথা সবাই মনে রাখবেন, এ সপ্তাহে যেহেতু পবিত্র ঈদ-উল ফিতর তাই সবাই সাবধানে ট্রেড করবেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  18. এনগাল্পিং (Engulfing) ট্রেড পদ্ধতি। বন্ধুরা, এনগাল্পিং ট্রেডিং পদ্ধতি সম্পর্কে আশা করি অনেকেই জানেন। হয়তো নিজের আর্তবিশ্বাস এবং এনগাল্পিং ট্রেডিং পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে আপনার ট্রেডিং পেয়ার থেকে অধিক লাভ নিতে পারেন না/লসের সম্মুখীন হন। মার্কেট পরিস্থিতি কেমন হলে বুঝবেন যে এটা পুরোপুরি এনগাল্পিং হয়েছে এবং তখন কিভাবে কোনদিকে ট্রেড করবেন, স্টপ লস কিভাবে দিবেন আর কিভাবে ট্রেড থেকে সরবোচ্চ প্রফিট নিয়ে বের হবেন ইত্যাদিই আজকের বিষয়। তাহলে আসুন আর দেরি না করে সফল এনগাল্পিং ট্রেডিং পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেই- সর্বজন (ট্রেডার) মতে, এনগাল্পিং পদ্ধতি ট্রেড করার একটি সহজ পদ্ধতি এবং একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ট্রেডিং কৌশল, যার মাধ্যমে ট্রেড করতে তেমন কোনো এ্যনালাইসিস করতে হয়না, যার মাধ্যমে স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক লাভ করা সম্ভব, অনেকটা পিনবার ট্রেডিং পদ্ধতির মত। আমরা কোনো লেনদেন করতে যেমন দুটি পক্ষ লাগে ঠিক তেমনি প্রত্যেক এনগাল্পিং ট্রেডিং প্যাটার্ন এ দুটি ক্যান্ডেল জড়িত থাকে এবং একটি ক্যান্ডেল তার শরীর দ্বারা আগের ক্যান্ডেলটির শরীরকে পুরোপুরিভাবে আবৃত করে ফেলে, এতে এনগাল্পিং ট্রেড করার পরিবেশ তৈরি হয়। আর এ ধরণের এনগাল্পিং বাই অথবা সেল উভয়ের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। তাইতো এনগাল্পিং ট্রেডিং পদ্ধতি অনেক জনপ্রিয়। নিচে বিভিন্ন ধরণের এনগাল্পিং ক্যান্ডেল প্যাটার্ন এর চিত্র দেওয়া হলঃ উপরের চিত্রে এনগাল্পিং এর বিভিন্ন ধরনের সেটাপ দেখানো হল। এনগাল্পিং চিত্রগুলোতে প্রথম ক্যান্ডেলটির মূল শরীরকে দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটির মূল শরীর পুরোপুরি পূরণ করে উপরে/বাই বা নিচে/সেল এ চলে গেছে। এতে করে পরিস্কারভাবে বুঝা যায় যে, প্রথম ক্যান্ডেলটির শরীর দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটির বডি/শরীর দ্বারা এনগাল্পিং হয়েছে এবং ট্রেড এ এন্ট্রি দেওয়ার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এনগাল্পিং ট্রেড করার জন্য যে নিয়মগুলো মেনে চলবেনঃ যে কোনো পেয়ারে এনগাল্পিং হওয়ার পর ট্রেড এ এন্ট্রি দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে হবে। যে নিয়মগুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে তা হলঃ অধিক প্রফিট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মিনিমাম ৪ঘন্টা/ডেইলি চার্ট ফলো করতে হবে আর যদি আপনি আরো কম টাইম ফ্রেম এ এনগাল্পিং ট্রেড করে থাকেন তাহলে এ ক্ষেত্রে আপনার ট্রেডে সফলতার পরিমাণও অনেক কম হবে। আপনি যে টাইম ফ্রেমে এনগাল্পিং ট্রেড করেন আপনাকে অবশ্যই সে টাইম ফ্রেমে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সসমূহ জানতে হবে। আপনার টাইম ফ্রেমে কোনো ক্যান্ডেল এনগাল্পিং হলে যে ক্যান্ডেলটি এনগাল্পিং করবে সে ক্যান্ডেলটি শেষ হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে কারণ অনেক সময় এরকম এনগাল্পিং করে আবার সেই ক্যান্ডেলেই সুটিং ষ্টার/ষ্টার/হ্যামার/অন্যান্য ক্যান্ডেলের রূপ ধারন করে। তাই ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য এনগাল্পিং ক্যান্ডেলটি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং সিউর হয়ে পরের ক্যান্ডেল এ ট্রেড এন্ট্রি দিন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজের সময় এ ধরণের ট্রেড এ এন্ট্রি থেকে বিরত থাকুন কারণ এ সময় নিউজের কারনে ট্রেডে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। নিচে এনগাল্পিং ট্রেড এর একটি চিত্র দেওয়া হলঃ এনগাল্পিং ট্রেড এ এন্ট্রিঃ আপনার ব্যবহৃত টাইম ফ্রেমে কোনো ক্যান্ডেল এনগাল্পিং হওয়ার পর দেখে নিন যে, তারা তাদের আগের সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সকে অতিক্রম করেছে কিনা, যদি সেল এর ক্ষেত্রে পেয়ারটি তার আগের সাপোর্টকে অতিক্রম করে এনগাল্পিং করে এবং বাই এর ক্ষেত্রে পেয়ারটি তার আগের রেসিস্টেন্সকে অতিক্রম করে এনগাল্পিং করে তাহলে নিশ্চিন্তে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। স্টপলসঃ আপনার ব্যবহৃত টাইম ফ্রেমে বেয়ারিশ/সেল এনগাল্পিং ট্রেড এর ক্ষেত্রে বর্তমান মার্কেট মূল্যের আগের সাপোর্ট এর ৫পিপ্স উপরে এবং বুলিশ/বাই এনগাল্পিং ট্রেড এর ক্ষেত্রে বর্তমান মার্কেট মূল্যের আগের রেসিস্টেন্সের ৫পিপ্স নিচে স্টপলস দিন। অথবা যে ক্যান্ডেলটি এনগাল্পিং হয়েছে যে ক্যান্ডেলের উপরে/নিচে দিন। টেক প্রফিটঃ এ ধরণের ট্রেডে কয়েক-ভাবে টেক প্রফিট দেওয়া যায়। সেগুলো হলোঃ এ ধরণের ট্রেড এ বেশীরভাগ সময়ে রিস্ক রেশিউ হিসেব করে টেক প্রফিট দেওয়া হয় যেমনঃ মিনিমাম ১:১। ট্রেড এ নিজে নজরদারি করে পরিস্থিতি বুঝে প্রফিট নিয়ে ট্রেড ক্লোজ করে দেওয়া। বেয়ারিশ/সেল ট্রেড এর ক্ষেত্রে এ্যনালাইসিস করে মার্কেট মূল্যের পরবর্তী সাপোর্ট এর কাছাকাছি এবং বুলিশ/বাই ট্রেড এর ক্ষেত্রে পরবর্তী রেসিস্টেন্স এর কাছাকাছি টেকপ্রফিট দিন। আমার অভিজ্ঞতামতে, এনগাল্পিং ট্রেড করার জন্য ৪ঘন্টা/ডেইলি চার্ট ফলো করা উচিৎ এতে সফলতা নিশ্চিত থাকে। এ ধরণের ট্রেড করার পর আপনার ট্রেডটি প্রফিটে থাকা অবস্থায় যদি ঐই পেয়ারে হাই ইম্প্যাক্ট নিউজ থাকে তাহলে আপনার ট্রেডটি নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগেই প্রফিট নিয়ে ট্রেড ক্লোজ করে বেরিয়ে যান। কারণ নিউজ যদি আপনার ট্রেডের বিপরীতে হয় তাহলে হয়তো আপনি ঐই প্রফিটটা হারাবেন। তবে নিউজ পাবলিশ এর পর নিউজ যদি আপনার করা ট্রেড এর অনুকূলে থাকে তাহলে এ্যনালাইসিস করে একই ধরণের (বাই/সেল) ট্রেড এ আবার এন্ট্রি দিতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  19. ব্যস্ত বা স্বল্প সময়ের ট্রেডারদের জন্য তিনটি ট্রেডিং কৌশল (প্রথম অংশ)। বন্ধুরা, আপনারা ফরেক্স ট্রেড এ কি রকম সময় ব্যয় করেন বা কিভাবে সময় দেন? কারন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বেশীরভাগ ট্রেডারের-ই মূলধনের পরিমান কম। আর স্বল্প মূলধন দ্বারা আপনি ফরেক্স থেকে জীবন ও জীবিকা নির্বাহের অর্থ উপার্জন করতে পারবেন না। তাই আমাদের অধিক ট্রেডারকে-ই ট্রেড এর পাশাপাশি অন্য পেশাকেও বেঁচে নিতে হয়, আর আপনি যদি অন্য পেশায় চাকুরী করেন তাহলেতো সেখানে দৈনিক নুন্যতম ৮-১০ঘন্টার একটা সময় ব্যয় করতে হয়, তাহলে আপনি ট্রেডিং এ কখন কিভাবে সময় দেন? রেগুলার বা প্রোফেশনাল ট্রেডার হলে ট্রেডে দৈনিক ৭-১০ঘন্টা সময় দিতে হয়, আর আপনি যদি অন্য পেশায় চাকুরী করে থাকেন তাহলে আপনার পক্ষে ট্রেডিং এ ৭-১০ঘন্টা সময় দেওয়া কখনো সম্ভব নয় বা আপনি পর্যাপ্ত মূলধনের অভাবে ট্রেডিং এ ও ফুল-টাইম সময় দিতে পারছেন না। আবার অনেকে ভাল ট্রেড করতে পারে কিন্তু অন্য পেশার কারনে ট্রেডিং এ সময় বা মূলধন খাটান না, কারন তিনি ভাবেন যে আমি ট্রেড এ সময় দিতে পারবো না। সত্যিই এটা বিবেচ্য বিষয় যে, আপনি অন্য পেশায় ৮-১০ঘন্টা সময় দিলে ট্রেডিং এ কিভাবে সময় দিবেন! তাই যারা স্বল্প মূলধনের ট্রেডার এবং ফরেক্স এ পূর্ণ সময় ব্যয় করতে পারেন না, আজকের এই প্রয়াস তাদের-ই জন্য। তারা যেন অন্য পেশার পাশাপাশি ফরেক্স ট্রেডিং ও চালিয়ে যেতে পারে এবং ট্রেড থেকে সফলতা পায়। যারা সুযোগ সন্ধানী, স্বল্প মূলধন ও দৈনিক হারে স্বল্প সময়ের ট্রেডার তাদের জন্য নিচে তিন ধরনের ট্রেডিং কৌশল বর্ণনা করেছি আশা করি অবশ্যই উপকৃত হবেন এবং যতটা সম্ভব কম সময় ব্যয় করে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুনাফা নেওয়ার ধারনা পেয়ে যাবেন – কৌশল ১ - স্বল্প বা কম রক্ষণাবেক্ষণ সময় ফ্রেমে ট্রেড (Trade low Maintenance time frames) : এটি স্বল্প সময়ের ট্রেডাদের জন্য একটি কার্যকর পদ্ধতি। বিশেষ করে যারা অন্য পেশায় দিনের সিংহভাগ সময় ব্যয় করে থাকেন। আপনি যদি আপনার ট্রেডিং চার্টকে দিনে তিন বা চার বার করে দেখেন তাহলে আপনার কিন্তু ট্রেড এ সারাদিন সময় দিতে হবে না এবং ট্রেড করাও আপনার জন্য অনেক সহজ হবে। ট্রেডে এন্ট্রি করার জন্য বা ট্রেড করার জন্য একটি আট(৮)ঘন্টার চার্টকে আপনার দৈনিক দুই বা তিনবার দেখলেই হবে, বিশেষ করে যখন আট(৮)ঘন্টার একটি ক্যান্ডেল শেষ হয়ে আরেকটি আট(৮)ঘন্টার ক্যান্ডেল শুরু হবে তখনই আপনি ট্রেডে এন্টির জন্য তৈরি হবেন এবং ওই আট(৮) ঘন্টার নতুন ক্যান্ডেলে ট্রেড ওপেন করা যায় কি না এ্যনালাইসিস করুন, যদি আপনি এ্যনালাইসিস করে দেখেন যে ওই নতুন ক্যান্ডেল্টিতে ট্রেড ওপেন করার মত সুবিধাজনক কোনো কারন নেই তাহলে আপনি ওই ক্যান্ডেল্টিতে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন এবং পরবর্তী আট(৮) ঘন্টার ক্যান্ডেল জন্মের সময় আবার ট্রেডিং চার্টে আসুন। আর যদি দিনে একবার অর্থাৎ দৈনিক চার্টে ট্রেড করতে চান তাহলে ট্রেড এ এন্ট্রির জন্য আপনার প্রিয় পেয়ারের চার্ট দিনে একবার দেখলেই হয়। আর চার(৪)ঘন্টার চার্ট হলে ছয়(৬) বার। এবার আপনি চার(৪), আট(৮), দৈনিক টাইম ফ্রেম চার্টের সাথে ৫মিনিট বা ৩০মিনিটের চার্টের ট্রেডিং সময়ের পার্থক্য বের করুন। ধরুন, আপনি ৩০মিনিটের চার্টে ট্রেড করে থাকেন, এখন আপনি যদি আপনার কোনো প্রয়োজনে ২-৩ঘন্টার জন্য কম্পিউটারের সামনে থেকে দূরে থাকতে হয় তাহলে আপনার কতগুলো ট্রেডিং সেটাপ বা ট্রেড এন্ট্রি বাদ গেল? উত্তরে মিনিমাম ৪থেকে৬টি। তাহলে এক্ষেত্রে আপনি যদি চার(৪), আট(৮), দৈনিক টাইম ফ্রেম চার্টে ট্রেড সেটাপ করতেন তাহলে আর আপনার ট্রেড এন্ট্রি মিস হতো না। ঠিক না? টাইম ফ্রেম বড়/বেশী হলে আরেকটি সুবিধাও আছে তা হলো আপনাকে দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবেনা। শুধুমাত্র আপনার টাইম ফ্রেম মতে ট্রেডে এন্টির সময় হলে আপনি চার্টে প্রবেশ করলেই হবে। এ ধরনের ট্রেডে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আপনি যদি চার(৪) বা আট(৮) ঘন্টার চার্টে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তাহলে স্টপলস এর ক্ষেত্রে একটি ধারনা দিই তা হলো – আপনি যে ক্যান্ডেলে ট্রেডে এন্ট্রি করেছেন বাই ট্রেড হলে সে ক্যান্ডেলের আগের ক্যান্ডেলের সর্বনিম্ন রেট এর থেকে ৫পিপ্স নিচে স্টপলস দিন আর সেল ট্রেড এর ক্ষেত্রে সে ক্যান্ডেলের আগের ক্যান্ডেলের সর্বোচ্চ রেট এর থেকে ৫পিপ্স উপরে স্টপলস দিন। এবং টেক প্রোফিট সাপোর্ট রেসিস্ট্যন্স বা নিজে এ্যনালাইসিস করে দিন। যারা সুযোগ সন্ধানী, স্বল্প মূলধন ও দৈনিক হারে স্বল্প সময়ের ট্রেডার আমি মনে করি তারা যদি কম রক্ষণাবেক্ষণ সময় ফ্রেমে ট্রেড করে তাহলে তাদেরকে সময় এবং ট্রেডে সফলতা নিয়ে চিন্তিত হতে হবেনা। কারন স্বল্প বা কম রক্ষণাবেক্ষণ সময় ফ্রেম ট্রেডিং পদ্ধতি হলো স্বল্প সময়ের ট্রেডারদের জন্য অন্যতম চাবি বা কৌশল। বিঃ দ্রঃ এ পদ্ধিতির জন্য আমি ৮ঘন্টা ও দৈনিক চার্টকে প্রাধান্য দিই। MT4 প্লাটফর্ম এ ৮ঘন্টার চার্ট ফ্রেম নেই তবে MT5 এ আছে, তাই যারা MT4 প্লাটফর্ম ট্রেড করে থাকেন তারা ৮ঘন্টার চার্ট ফ্রেম এ ট্রেড করতে চাইলে ৪ঘন্টার দুটি ক্যান্ডেল পর পর ট্রেড করার জন্য দিদ্ধান্ত নিন বা MT5 এ গিয়ে আপনার পেয়ারের ট্রেড চিত্র দেখে নিন। ধন্যবাদ।
  20. GBPUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ১৪ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, ধারাবাহিক ঊর্ধ্ব গতির এ পেয়ারটি গত সপ্তাহের ট্রেডিং সেশনে দুর্বল মুবমেন্টের মাধ্যমে ১.৭১০৬ তে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটির মার্কেট দৈনিক চার্ট এ এখনো বাই ইন্ডিকেট করছে তাই পেয়ারটি যদি তার ১.৭১৭৯ রেসিস্টেন্স ক্রস করতে পারে তাহলে তার ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতা আশা করি অভ্যাহত থাকবে আর যদি পেয়ারটি তার খুব কাছাকাছি সাপোর্ট ১.৭০৯৩ ক্রস করে নিচে আসে তাহলে পেয়ারটি এ সপ্তাহে সেলে ভাল একটা কারেকশন করবে। যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্বগতি নির্ভর করবে CPI, BOE Gov Carney Speaks, Unemployment Rate and Claimant Count Change. নিউজগুলোর উপর আর সেলের গতি নির্ভর করবে USD এর উপর। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD ডেইলি চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রে সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় গ্রাফের সাহায্যে রেসিস্টেন্স সমুহ দেখানো সম্ভব হয়নি। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৭১৫১, ১.৭১৭৯, ১.৭২৫০, ১.৭২৯৩, ১.৭৩৫২ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৭৪০০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৭০৯৩, ১.৭০৩৯, ১.৭০০০, ১.৬৯৭৮, ১.৬৯৩৭, ১.৬৮৯০ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৬৮২৪। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ সপ্তাহের প্রথম দিনে উক্ত পেয়ারটির কোনো নিউজ নেই। ১৫ই জুলাই মঙ্গলবার – নিচে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, এ দিনের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো কেমন এবং এ ধরণের নিউজগুলো মার্কেটের গতিকে যে কোনো দিকে ভালো ভাবেই প্রবাহিত করতে পারে। তবে এ দিন যদি কারেন্সিগুলোর নিজ নিজ নিউজগুলো পজেটিভ হয় তাহলে এটাও মানতে হবে যে, আপনি সফলভাবে স্ক্যাল্পিং করতে পারবেন। সুতারাং এ দিন নিউজ পাবলিশ এর আগ মুহূর্তে অতি লাভের আশায় ট্রেড করে বসে থাকবেন না যেন। তবে চাইলে এ্যনালাইসিস করে পেন্ডিং অর্ডার দিতে পারেন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP CPI y/y দুপুর ৩.০০মিনিট GBP BOE Gov Carney Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m রাত ৮.০০মিনিট USD Fed Chair Yellen Testifies ১৬ই জুলাই বুধবার – এ দিনও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজের সংখ্যা কম নয়, তাহলে বলা যায় যে, এ দিন উক্ত পেয়ারটির মার্কেটে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Claimant Count Change দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Unemployment Rate সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m রাত ৮.০০মিনিট USD Fed Chair Yellen Testifies ১৭ই জুলাই বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর তিনটি নিউজ আছে। যদি নিম্মোক্ত নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল পজিটিভ হয় তাহলে নিশ্চিত করে বলা যায় যে, পেয়ারটি এ দিন অবশ্যই ট্রেডেবল থাকবে এবং সেল এ ভালভাবেই পরিবর্তন ঘটাবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৮ই জুলাই শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র USD কারেন্সির একটি হাই ইমপ্যাক্টের নিউজ আছে, তাছাড়া আর কোনো কারেন্সিতে আর কোনো নিউজ নেই। তাই এ দিন পেয়ারটিতে হয়তো তেমন একটা পরিবর্তন না ও হতে পারে, তবে USD কারেন্সির নিউজটি যদি অত্যাদিক পজিটিভ হয় এবং মার্কেট ক্লোজিং ডে হিসেবে আগের দিনের নিউজের রেশ থাকলে এ দিন পেয়ারটিতে ভালো একটা মুবমেন্ট হতে পারে। রাত ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এই পেয়ারটি এ সপ্তাহে ট্রেডেবল হবে এবং যার যার এ্যকচু্য্যাল নিউজ পজিটিভ হলে উক্ত পেয়ারে ভালো স্ক্যাল্পিং করা যাবে। তবে উক্ত পেয়ারের দুটি কারেন্সিরই নিউজগুলো ইপেক্টিভ হবে বলে আশা করছি। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ নিউজের কারণে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ার এ একটু ভিন্ন ট্রেড আইডিয়া দিচ্ছি তা হলো, যারা সাধারণ নিয়মে ট্রেড করে থাকেন তারা প্রথম সাপোর্ট ক্রস করলে- ১.৭০৯০ থেকে ১.৭০৮০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন। এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৭১৫১ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-৮০ পিপ্স। ১.৭১৮৫ তে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস দিন ১.৭১৪০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-৯০পিপ্স। ১.৭১৫৫ থেকে ১.৭১৭৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৭২২৫ টেক প্রোফিট ৯০-১৩০ পিপ্স দিন। ১.৭০৩০ থেকে ১.৭০০০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন। স্টপ লস ১.৬৯৮৫ টেকপ্রফিট ৮০-১১০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। যেহেতু নিউজের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার দিকে লক্ষ রেখেই ট্রেড আইডিয়াগুলো শেয়ার করেছি, তাই উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। গুডলাক। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  21. EURUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ১৪ থেকে ১৮ পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট গত সপ্তাহে খুব একটা ভাল মুবমেন্ট করেনি এবং অনেক টাইট পজিশন এ ১.৩৬০৬ মুল্যে পেয়ারটি মার্কেট ক্লোজ করে, এটা আপনারা সবাই দেখেছেন, কারন গত সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে নিউজের পরিমান যথেষ্ট কম ছিল আর যে নিউজগুলো ছিল সেগুলোর এ্যকচুয়্যলটাও ভাল না আসায় পেয়ারটি নিদ্দিষ্ট একটা গন্ডির মধ্যেই মুবমেন্ট করেছে। যার ফলে পেয়ারটির মার্কেট একচেটিয়া বাই বা সেল কোনো দিকেই যায়নি, তবে নিদ্দিষ্ট একটি গন্ডির মধ্যে থাকায় যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা হয়তো ভালো করেছেন কারন এ ধরণের মার্কেট পরিস্থিতিতে ভালো স্ক্যাল্পিং করা যায়, অপরদিকে যারা দৈনিক বা সাপ্তাহিক ট্রেড করে থাকেন তারা কোনো সুবিধা করতে পারেননি। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে বাই এ মোড় নেওয়ার জন্য ১.৩৬৫০ রেসিস্টেন্স এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.৩৬০০ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করতে হবে, যদিও দৈনিক চার্টে পেয়ারটির ট্রেন্ড বাই এর দিকে তবে সেটা অতটা স্ট্রং নয়। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতির ভাগ্য নির্ভর করবে EUR এর Industrial production, Draghi’s testimony, German ZEW Economic Sentiment and ZEW Economic Sentiment, inflation data ও USD সহ যাবতীয় নিউজগুলোর উপর। তাহলে এখন কি বলা যাবে যে পেয়ারটি বাই বা সেল মোড় নিবে? এটা অবশ্যই বলা মুশকিল, কারন ডে চার্ট দেখলে বুঝবেন যে পেয়ারটির মার্কেট এখন টাইট পজিশন এ আছে, এখান থেকে মার্কেট যেকোনো দিকে যাওয়ার পসিবিলিটি আছে। তাই আমি স্বাভাবিকভাবে বলবো মার্কেট ১.৩৫০০-১.৩৫৪০ এর কাছাকাছি আসলে লং টাইম ট্রেডাররা বাই করতে পারেন এবং মার্কেট ওপেন হয়ে কোনো গ্যাপ না দিলে সেল ট্রেড এ থাকুন। তবে সেল ট্রেড এর টেক প্রফিট দেখে ও বুঝে ১.৩৫০০ এর উপরে দিন। কারন পেয়ারটির মার্কেট এর নিচে না ও আসতে পারে। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমুহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৩৬১৪, ১.৩৬৫০, ১.৩৬৭৭, ১.৩৭২২, ১.৩৭৫৬, ১.৩৮৩২ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩৮৯৬। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৩৫৮৫, ১.৩৫৪৭, ১.৩৫০২, ১.৩৪৪৯, ১.৩৪০৮ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৩৩২৪। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ১৪ই জুলাই সোমবার – মার্কেট ওপেন এর এই দিনে শুধুমাত্র EUR কারেন্সিতে একটি নিউজ আছে ECB President Draghi Speaks, এ নিউজটি পাবলিশ হওয়ার পর বেশীরভাগ সময় মার্কেট মুবমেন্ট বেশ ভালোভাবে চাঙ্গা হয়ে উঠে, অপরদিকে এ দিন EUR এর French Bank Holiday। রাত ১১.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১৫ই জুলাই মঙ্গলবার – নিচে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, এ দিনের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলোর মধ্যে EUR থেকে USD এর নিউজ সংখ্যাই বেশী, নিউজগুলো পাবলিশ হওয়ার পরই বলা যাবে এ দিন পেয়ারটি কোন দিকে থাকবে। দুপুর ৩.০০মিনিট EUR German ZEW Economic Sentiment সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m রাত ৮.০০মিনিট USD Fed Chair Yellen Testifies ১৬ই জুলাই বুধবার – এ দিনও শুধুমাত্র মেজর কারেন্সি USD এর দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। তবে USD এর দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। তবে USD এর নিউজগুলো যদি পজিটিভ হয় তাহলে বলা যায় যে, এ দিন মার্কেটে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে। বিশেষ করে EURUSD পেয়ারটির মার্কেট এ দিন চাঙ্গা থাকতে পারে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m রাত ৮.০০মিনিট USD Fed Chair Yellen Testifies ১৭ই জুলাই বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর তিনটি নিউজ আছে। যদি নিম্মোক্ত নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল পজিটিভ হয় তাহলে নিশ্চিত করে বলা যায় যে, উক্ত পেয়ারটি এ দিন অবশ্যই ট্রেডেবল থাকবে এবং যেকোনো একদিকে ভালোভাবে মোড় নিতে পারে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৮ই জুলাই শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র USD কারেন্সির একটি হাই ইমপ্যাক্টের নিউজ আছে, USD কারেন্সির নিউজটি যদি অত্যাদিক পজিটিভ হয় এবং মার্কেট ক্লোজিং ডে হিসেবে আগের দিনের নিউজের রেশ থাকলে এ দিনও পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। রাত ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে EUR থেকে USD কারেন্সির নিউজের পরিমান অনেক বেশী তাহলে আমরা ন্যাচারেলি ধরে নিতে পারি যে উক্ত পেয়ারটির মার্কেট এ সপ্তাহে সেল এ থাকার সম্ভাবনা আছে, তবে সে জন্য USD কারেন্সির নিউজগুলো অবশ্যই পজিটিভ হতে হবে। যাইহোক এ সপ্তাহে পেয়ারটির ভাগ্য বেশীরভাগ নির্ভর করবে USD কারেন্সির নিউজগুলোর উপর। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম সাপোর্ট ক্রস করলে ১.৩৫৮০ তে সেল ট্রেড করুন আর দ্বিতীয় রেসিসটেন্স ক্রস করলে ১.৩৬৫৫ তে বাই ট্রেড করুন। সাপোর্ট রেসিসটেন্স দেখে স্টপলস দিন আর টেক প্রফিট ৭০-১১০পিপ্স দিন। আর যারা পেয়ারটিতে লং পজিশনে ট্রেড করতে চান তারা ১.৩৫৫০-১.৩৫১০ এ লং ট্রেড এন্ট্রি দিন স্টপ লস দিন ১.৩৪৯০ টেক প্রফিট দিন ১২০-১৫০ পিপ্স এবং যদি আপনার একটি ট্রেড মার্কেটে থাকে তাহলে ওই ট্রেডটি ক্লোজ না করে আরেকটি ট্রেড ওপেন করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা এ সপ্তাহের ট্রেন্ড বান্ধব স্ক্যাল্পিং করুন না হলে আপনি লসের সম্মুখীন হতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  22. ব্যস্ত বা স্বল্প সময়ের ট্রেডারদের জন্য তিনটি ট্রেডিং কৌশল (শেষ অংশ)। বন্ধুরা, ব্যস্ত বা স্বল্প সময়ের ট্রেডারদের জন্য তিনটি ট্রেডিং কৌশল লিখাটির প্রথম অংশে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, যারা প্রথম অংশ পড়েননি তারা বিডিফরেক্সপ্রো থেকে প্রথম অংশটি জেনে নিন তাহলে দ্বিতীয় অংশটি বুঝতে আপনার জন্য সহজ হবে। তাহলে আসুন আর দেরি না করে জেনে নেই ব্যস্ত বা স্বল্প সময়ের ট্রেডারদের জন্য বাকী দুটি ট্রেডিং কৌশল- কৌশল ২ সহজতর ভাবে ট্রেড করুন (Simplify Your Trading). অনেক ভালো ট্রেডার ফরেক্স এর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে একটি কথা বলেন, In Forex, simple is better. বেশীরভাগ নতুন ট্রেডার তাদের ট্রেডিং এর জন্য জটিল ইন্ডিকেটর বেইজড ট্রেড স্ট্রেটেজি ফলো করে থাকে। আর ইন্ডিকেটর বেইজড ট্রেড কৌশল বিভিন্নভাবে স্থাপন করতে হয়। আমার জানামতে, ইন্ডিকেটর বেইজড স্ট্রেটেজিতে একের অধিক ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হয় যার ফলে একেকটি ইন্ডিকেটর একেকটি দিকে (বাই/সেল) ইন্ডিকেট করে, এতে করে একজন ট্রেডার বেশীরভাগ সময় অনায়াসে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে লসের সম্মুখীন হয়। তাই যদি সহজভাবে সফল ট্রেড করা যায় তাহলে আপনি কেন জটিল পদ্ধতিকে বেঁচে নিবেন? সুতারাং কিভাবে আপনি আপনার ট্রেডিং পদ্ধতিকে সহজ করবেন? আপনার এই প্রশ্নের খুবই সহজ উত্তর হলো প্রাইচ একশন বা প্রাইচ একশন পদ্ধতি। প্রাইচ একশন এর মাধ্যমে আপনি কোনো প্রকার ইন্ডিকেটর ছাড়া মুক্ত চার্টে পরিস্কারভাবে সফল ও প্রফিটেবল ট্রেড করতে পারেন। প্রাইচ একশন এর মাধ্যমে ট্রেড করার জন্য আপনি মিনিমাম ৪ঘন্টার টাইম ফ্রেম ফলো করুন/করা ভালো, তার সাথে স্টপলস টেক প্রফিটের জন্য সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স মনে রাখুন/ব্যবহার করুন। তাই আপনার ট্রেডিং পদ্ধতিকে সহজ করার জন্য আপনাকে প্রাইচ একশন সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখতে হবে। এজন্য বিডিফরেক্সপ্রো তে প্রাইচ একশন নিয়ে লিখাগুলো পড়ে এ সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন আর জানলেতো আপনার জন্য খুবই ভালো। কৌশল ৩ অধিক পেয়ার এ ট্রেড করুন (Trade a Lot of Pairs). আপনার এটা ভুল বা উম্মাদের সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে যে, কিভাবে আপনি অধিক পেয়ারে ট্রেড এর মাধ্যমে আপনার ট্রেড পদ্ধতিকে সহজ করবেন? সাধারণত আমি ট্রেডারদেরকে এক থেকে তিনটি পেয়ারে ট্রেড করার জন্য উৎসাহিত করি। যাইহোক, আপানার যদি ট্রেডে সময় দেওয়ার মত পরিস্থিতি না থাকে তাহলে আপনাকে বলবো আপনি অধিক পেয়ারে ট্রেড করুন। স্বল্প বা কম রক্ষণাবেক্ষণ সময় ফ্রেমে ট্রেড পদ্ধতিতে কিন্তু অধিক পেয়ারে ট্রেড করলে আপনি বিপদে পড়বেন আর এটা মোকাবেলা করার জন্য আপনাকে অধিক পেয়ারে ট্রেড করতে হবে। কারন আমরা ট্রেড করার সময় দেখি যে, অনেকগুলো পেয়ারের মুবমেন্ট একই রকম হয়, তার মধ্যে অনেকগুলো একই দিকে যায় আবার অনেকগুলো পেয়ার তার বিপরিত দিকে যায় ঠিক কারেন্সি রিং এর মত(কারেন্সি রিং সম্পর্কে বিডিফরেক্সপ্রো-তে বিস্তারিত পাবেন), তাই আপনি যদি অধিক পেয়ারে ট্রেড এর জন্য একই গন্তব্যের কিছু পেয়ার আর বিপরীত গন্তব্যের কিছু পেয়ার আর এদের ক্রস কিছু পেয়ার বাছাই করে সবগুলোতে একই সময়ে এন্টি করেন এবং তাদের কিছু পেয়ার ভাল প্রফিটে গেলে সাপোর্ট রেসিস্টেন্স/প্রাইচ একশন দেখে প্রফিটের পেয়ারগুলোর ট্রেড ক্লোজ করে দিন আর যদি সকল পেয়ার মিলে যদি প্রফিটে থাকে তাহলে সবগুলো একসাথে ক্লোজ করে দিন। মার্কেট যখন ভালো মুবমেন্ট করে তখন বিভিন্ন পেয়ারের মুবমেন্ট ও ট্রেন্ড অনেকটা উপরের চিত্রের ন্যায় হয়। আপনি যদি আট(৮) ঘন্টার টাইম ফ্রেমে ট্রেড করে থাকেন তাহলে আপনাকে অন্তত পাঁচটি(৫) পেয়ারে আর দৈনিক টাইম ফ্রেমে ট্রেড করলে দশটি(১০) পেয়ারে ট্রেড করা উচিৎ/প্রয়োজন। আমি জানি হয়তো আপনার কাছে এটা শুনতে অনেকটা পাগলের প্রলাপের মত লাগছে, যদি তাই হয় তাহলে আপনার ধারনা ভুল। এজন্য আপনাকে বড় টাইম ফ্রেমে প্রাইচ একশনের সাহায্যে ট্রেড করতে হবে। আপনার ট্রেডিং পেয়ারগুলোর চার্টকে পরিস্কার রাখতে হবে(ইন্ডিকেটর বিহীন)। এবং বড় টাইম ফ্রেমে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে আপনাকে অধিক সময়ও দিতে হবে না। এবং আপনি যদি ১৫-২০ পেয়ারেও ট্রেড করতে চান এজন্য আপনাকে বড় জোর ৫মিনিট সময় ব্যয় করতে হবে, তাই ঐই হিসেবে দশ(১০) পেয়ারে ট্রেড করা আমি মনে করি অনেক সহজ। আমি প্রায় সময় আট ঘন্টা বা দৈনিক চার্টে নিম্নের আটটি পেয়ারে ট্রেড করে থাকি – EUR/USD GBP/USD USD/CAD USD/CHF USD/JPY GBP/JPY EUR/JPY EUR/GBP উপরোক্ত পেয়ারগুলতে সফল ট্রেড করার জন্য আমি সপ্তাহে কয়েক ঘন্টা ব্যয় করে থাকি। বন্ধুরা ট্রেডের এই তিনটি কৌশল আপনাদের কেমন লাগলো? আশা করি যদি ট্রাই করেন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। আর যারা এখন নিজের/অন্যের স্ট্রেটেজি ফলো করছেন কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না, তারা আগামী সপ্তাহ থেকে এই তিনটি কৌশলের যে কোনো একটিতে (যেটা আপনি ভাল বুঝেছেন) আট ঘন্টা বা দৈনিক চার্টে ট্রেড করা শুরু করুন অবশ্যই ভাল ফলাফল পাবেন। এবং এই কৌশলগুলো থেকে আপনি যদি ভাল ফলাফল পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার পরিচিত ট্রেডারদের সাথে শেয়ার করুন, মনে রাখবেন আপনার জ্ঞান যতই অন্যের মাঝে বিতরণ করবেন ততই বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদ।
  23. GBPUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ০৭ থেকে ১১ পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটি গত সপ্তাহে শেষ দিনে ৭২% সফলতার সাথে ১.৭১৫৮ তে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও গত সপ্তাহের শেষ দিনে মেজর সব পেয়ারই ডাউন হয়েছিল কিন্তু এই পেয়ারটি তার ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে এবং দৈনিক চার্টে এখনো এর সার্বিক মার্কেট ট্রেন্ড স্পষ্টভাবে বাই এ পজিটিভ দেখা যাচ্ছে। এ সপ্তাহের জন্য GBP এর হাইলাইটেড নিউজ হিসেবে Manufacturing Production, the BOE interest rate and QE decisions নিউজগুলোকে ধরা হয়। এ নিউজগুলোর উপরই উক্ত পেয়ারটির এ সপ্তাহের ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতা নির্ভর করবে নতুবা নিচের দিকে আশাটা স্বাভাবিক হবে যদি উক্ত পেয়ারের মেজর কারেন্সি USD এর নিউজগুলো পজিটিভ হয়। যাইহোক এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সাপোর্ট এক মাসের এভারেজ হিসেবে ১.৭০১০ ও তিন মাসের এভারেজ হিসেবে ১.৬৮৯০কে এবং ১.৭২৫০ ও ১.৭৪০০কে রেসিস্টেন্স হিসেবে ধরা যায়। দৈনিক চার্টে পেয়ারটি যদিও বাই ট্রেন্ড এ আছে এবং এ সপ্তাহেও তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে তারপরও সবকিছু বিবেচনা করলে পেয়ারটি সেল এ অবশ্যই কিছুটা কারেকশন করবে। তাই আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল রেসিস্টেন্সসমুহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৭১৮০, ১.৭২৫০, ১.৭২৯৩, ১.৭৩৫২ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৭৪০০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৭১০৩, ১.৭০১১, ১.৬৯৭৮, ১.৬৯৩৭, ১.৬৮৯০ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৬৮২৩। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ০৮ই জুলাই মঙ্গলবার – এ দিন GBP এর নিউজটি মার্কেটে অধিক প্রভাব ফেলতে পারে । দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Manufacturing Production m/m ১০ই জুলাই বৃহস্পতিবার এ দিন মেজর কারেন্সি USD ও GBP এর নিউজগুলো পেয়ারটিকে বেশ প্রভাবিত করতে পারে। আরকেটি কথা, এ দিনের শুরুতে USD কারেন্সির রাত ১২.০০মিনিট(AM) এর FOMC Meeting Minutes নিউজটির কথা সবাই মনে রাখবেন, তাহলে হয়তো ভালো একটা লাভ নিতে সক্ষম হবেন। রাত ১২.০০মিনিট(AM) USD FOMC Meeting Minutes বিকাল ৫.০০মিনিট GBP Asset Purchase Facility বিকাল ৫.০০মিনিট GBP Official Bank Rate বিকাল ৫.০০মিনিট(Tentative) GBP MPC Rate Statement সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির দুটি কারেন্সিতেই হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে, তাই আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভাল মুবমেন্ট হবে এবং দোটানা নিউজের ফলে ভালো স্ক্যাল্পিংও করা যেতে পারে। তবে পেয়ারটি যদি আপ ট্রেন্ড এ যায় তার আগে সেল এ ৫০-৮০ পিপ্স কারেকশন করতে পারে, তাই যাদের এ্যনালাইসিস এখোনো বাই এর দিকে এবং বাই ট্রেড করতে ইচ্ছুক তারে মার্কেট আরো কিছুটা সেল এ কারেকশন করলে বাই ট্রেড করুন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম সাপোর্ট ক্রস করলে ১.৭০৯০ তে সেল ট্রেড করুন আর প্রথম রেসিসটেন্স ক্রস করলে ১.৭১৮৮ তে বাই ট্রেড করুন। সাপোর্ট রেসিসটেন্স দেখে স্টপলস দিন আর টেক প্রফিট ৮০-১১০পিপ্স দিন। আর যারা বাই ট্রেন্ড এর সাথে আছেন তারা ১.৭০৭০ থেকে ১.৭০২০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন আর টেক প্রফিট দিন ২০০পিপ্স। এবং যদি আপনার একটি ট্রেড মার্কেটে থাকে তাহলে ওই ট্রেডটি ক্লোজ না করে আরেকটি ট্রেড ওপেন করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা বৃহস্পতিবারে USD এর FOMC Meeting Minutes নিউজটির সময় বিশেষ করে আগে একটু সাবধানে ট্রেড করবেন কারন এ দিন মার্কেট যে কোনো দিকে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে তখন আপনি হয়তো বিশাল লসের সম্মুখীন হতে পারেন। ধন্যবাদ।
  24. EURUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ০৭ থেকে ১১ পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটি গত সপ্তাহের শেষ দিনে হিংস্র হয়ে উঠেছিল, তা আপনারা সবাই দেখেছেন এবং অনেকে হয়তো ভালো লাভও করেছেন। যেহেতু বলা বাহুল্য আমেরিকানরা সেদিন তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করেছিল। যাইহোক, মার্কেটে তারল্যের জন্য যে কোনো একটি ভাল নিউজ বা বিশেষ কোনো মুহূর্তে এ ধরনের মুবমেন্ট সংঘটিত হয়। পেয়ারটি এর আগের সপ্তাহেও বাই যাওয়ার প্রবণতায় ছিল কিন্তু শুক্রবার ঘটনাক্রমে নিচের দিকে আচড়ে পড়ে। যেহেতু এ সপ্তাহে জার্মানি ও ফ্রান্সের ট্রেড ও মুদ্রাস্ফীতি EUR এর জন্য হাইলাইটেড নিউজ আর USD এর তো কয়েকটি নিউজ আছেই যেগুলোর মধ্যে FOMC এর নিউজটি অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বেশীরভাগ টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস পেয়ারটির ট্রেন্ড সেল পজেটিভ বলছে, তাহলে এ সপ্তাহে পেয়ারটির ট্রেন্ড কোন দিকে যাবে? এটা অবশ্যই বলা মুশকিল, কারন ডে চার্ট দেখলে বুঝবেন যে পেয়ারটির মার্কেট এখন টাইট পজিশন এ আছে, এখান থেকে মার্কেট যেকোনো দিকে যাওয়ার পসিবিলিটি আছে। তাই আমি স্বাভাবিকভাবে বলবো মার্কেট ১.৩৫০০ এর কাছাকাছি আসলে লং টাইম ট্রেডাররা বাই করতে পারেন এবং মার্কেট ওপেন হয়ে কোনো গ্যাপ না দিলে সেল ট্রেড এ থাকুন। তবে সেল ট্রেড এর টেক প্রফিট দেখে ও বুঝে ১.৩৫০০ এর উপরে দিন। কারন পেয়ারটির মার্কেট এর নিচে না ও আসতে পারে। তাই আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমুহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৩৬৩৭, ১৩৬৯৯, ১.৩৭৪০, ১.৩৭৮৮, ১.৩৮৩০ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩৮৯৬। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৩৫৬৪, ১.৩৫৩০, ১.৩৫০২, ১.৩৪৪৯, ১.৩৪০৮ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৩৩২৫। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ১০ই জুলাই বৃহস্পতিবার – এ সপ্তাহের শুধুমাত্র এই দিনটিতে উক্ত পেয়ারটির USD কারেন্সিতে দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। আর EUR কারেন্সিতে এ সপ্তাহে হাই ইম্প্যাক্ট নিউজ না থাকলে কি হবে হাইলাইটেড নিউজ হিসেবে জার্মানি ও ফ্রান্সের ট্রেড ও মুদ্রাস্ফীতির দুটি নিউজ আছে। রাত ১২.০০মিনিট(AM) USD FOMC Meeting Minutes সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে USD কারেন্সির দুটি নিউজ ছাড়া আর কোনো হাই ইম্প্যাক্ট নিউজ নেই তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির মুবমেন্ট নির্ভর করবে USD এর নিউজ দুটির উপর। নিউজ পাবলিশ এর আগে পর্যন্ত আপনারা উক্ত পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করুন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম সাপোর্ট ক্রস করলে ১.৩৫৫৭ তে সেল ট্রেড করুন আর প্রথম রেসিসটেন্স ক্রস করলে ১.৩৬৪৫ তে বাই ট্রেড করুন। সাপোর্ট রেসিসটেন্স দেখে স্টপলস দিন আর টেক প্রফিট ৭০-১১০পিপ্স দিন। এবং যদি আপনার একটি ট্রেড মার্কেটে থাকে তাহলে ওই ট্রেডটি ক্লোজ না করে আরেকটি ট্রেড ওপেন করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা বৃহস্পতিবারে একটু সাবধানে ট্রেড করবেন কারন এ দিন মার্কেট যে কোনো দিকে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে তখন আপনি লসের সম্মুখীন হতে পারেন। ধন্যবাদ।
  25. মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত (শেষ অংশ)। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত এর প্রথম অংশে এর উপর মোটামুটি আইডিয়া পেয়ে গেলেন, আজকে মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত এর শেষ অংশে কিভাবে মভিং এভারেজ দিয়ে ট্রেড করবেন এবং এর অসুবিধা ইত্যাদি সম্পর্কে বলবো। তাহলে আসুন আর দেরী না করে আজকের পর্বে আশা যাক। ট্রেডিং স্ট্রেটেজি – ক্রসওভারঃ মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজিগুলোর মধ্যে ক্রসওভার হলো প্রধান/অন্যতম স্ট্রেটেজি। এটার প্রথম ধরন হলো প্রাইচ ক্রসওভার বা মুল্য সমন্বয়। এটা প্রথম অংশেও একটু করে বলা হয়েছে যে, মার্কেট মুল্য/মার্কেট যখন মভিং এভারেজ এর উপরে বা নিচে দেখা যায় তখন এর মানে হলো মার্কেট ট্রেন্ড পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া। প্রাইচ ক্রসওভার বা মুল্য সমন্বয় চিত্রঃ চার্টে মভিং এভারেজ দিয়ে আরেকটি স্ট্রেটেজিও অনুসরণ করা যায়, সেটা হলো – একটা লং ও একটা শর্ট মভিং এভারেজ ব্যবহার। যেমন- লং MA ১০০ পিরিয়ড হলে শর্ট ২৫/৩০ MA। যখন শর্ট MA লং MA কে ক্রস করে উপরে যাবে তখন বাই সিগন্যাল এবং মার্কেট বাই ট্রেন্ড এ আছে, এটিকে আবার “গোল্ডেন ক্রস” বলা হয়ে থাকে। আর যখন শর্ট MA লং MA কে ক্রস করে নিচের দিকে যাবে তখন সেল সিগন্যাল এবং মার্কেট ট্রেন্ড সেল। এটি “মৃত / মৃত্যুর ক্রস” নামে পরিচিত। গোল্ডেন ক্রস ও “মৃত / মৃত্যুর ক্রস” চিত্রঃ মভিং এভারেজ এর অসুবিধাঃ এতক্ষণ আমারা মভিং এভারেজ এর অনেক গুনাগুন ও সুফলের কথা শুনেছি, এর যেমন সুফল আছে তেমন কিছুটা অসুবিধা বা কুফল ও আছে। মভিং এভাজের হিস্টোরিক্যাল ডাটার উপর ভিত্তি করে তার হিসাব করে থাকে, হিসেব করে বা প্রাকৃতিকভাবে কোনো ভবিষ্যৎবাণী দেয় না। অতএব, মভিং এভারেজ ব্যবহারের ফলাফল র‍্যন্ডম হতে পারে – সময়ে সময়ে মভিং এভারেজ খুব ভাল সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড সিগন্যাল দেয় আবার অনেক সময় এগুলোর কোনোটিকেই যথাযথ সম্মান করে না। ট্রেড এ একটা বড় সমস্যা হলো যদি মার্কেট মুল্য/প্রাইচ এ্যকশান অস্থির আচরন করে এবং মার্কেট মুল্য সুইং করে তাহলে মার্কেট রিভার্স ট্রেড সিগন্যাল দেয়। তার মানে মভিং এভারেজ এর দুটি লিখাতে যা শিখলেন তা বেকার! ভয় পাবেন না, সমস্যা ও সমাধান পাশাপাশি বসবাস করে, শুধু সমাধানটা নিজেকে বের করে নিতে হয়। এ ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য মভিং এভারেজ এর সাথে আপনি আপনার পছন্দসই আরেকটি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করুন। মভিং এভারেজ শক্তিশালী ট্রেন্ড এ ভালো ফলাফল দেয়। কিন্তু অনেক সময়ই দুর্বল, অস্থির ও ছোট অবস্থায় থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ টাইমফ্রেম মিলিয়ে নিলে মভিং এভারেজ সাময়িকভাবে সাহায্য করতে পারে। মভিং এভারেজ ইতিকথাঃ একটি মবিং এভারেজ গড় মুল্যের মাধ্যমে সহজভাবে একটি বহমান লাইন দ্বারা মার্কেটের বর্তমান অবস্থার রূপ দেখায়। এই সহজ প্রবণতা পৃথকরূপেও সনাক্ত করা যায়। ব্যাখ্যামূলক মভিং এভারেজ প্রাইচ পরিবর্তনের সময় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তারপর নরমাল হয়ে যায়। ২০দিনের মভিং এভারেজ এ আপনি যদি স্ট্রং বাই ট্রেন্ড দেখেন, ১০০বা২০০ দিনের মভিং এভারেজ এ তা না দেখারই কথা। আবার অনেক সময় মার্কেটের দ্রুত পরিবর্তনে মভিং এভারেজ আপনাকে মিথ্যা ব্রেকআউট দেখাতে পারে এ জন্য আপনি অন্য ইন্ডিকেটর বা মভিং এভারেজের পিরিয়ড বাড়িয়ে মার্কেটের প্রকৃত ট্রেন্ড দেখে নিন, যাতে ট্রেড এ ভুল সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজির মধ্যে ক্রসওভার স্ট্রেটেজিটি বাই/সেল ও ট্রেড ক্লোজ এর জন্য অধিক জনপ্রিয় এবং মভিং এভারেজ সম্ভাব্য সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সগুলোও হাইলাইট করে তুলে ধরে, যারফলে ট্রেড এ সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সুবিধা হয়। ধন্যবাদ সবাইকে।