MohabbatElahi

মে ২০১৬, মার্কিন ডলারের বর্তমান অবস্থান ও একটি পর্যালোচনা

2 posts in this topic

জানুয়ারী ২০১৬ থেকে মে ২০১৬ পর্যন্ত মার্কিন ডলারের ক্রমাগত পতনের ফলে বিশ্বের বৃহত্তম ফরেক্স ট্রেডিং মার্কেটে কয়েকটি মূদ্রা যেমন EUR,GBP, CHF, JPY ও CAD শাক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে ৤
-------------------------------
EUR এর বিপরীতে USD 01-016 খেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤
GBP এর বিপরীতে USD ফেব্রুয়ারী থেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤
CHF এর বিপরীতে USD ফেব্রূয়ারী থেকে পিছিয়েছে প্রায় ৮০০ পিপস৤
JPY এর বিপরীতে USD পিছিয়েছে প্রায় ১৫০০ পিপস৤
CAD এর বিপরীতে USD পিছিয়েছে প্রায় ২০০০ পিপস৤
--------------------------------
এছাড়া NZD ও ‍AUD এর বিপরীতে যথাক্রমে ৭০০ ও ১০০০ পিপস এর পতন হলেও পরিবর্তন গত দিক থেকে কিছুটা ভারসম্যতা ছিল যা সাধারনত
CAD ও JPY এর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি৤ ফলে CAD ও JPY এর বিনিয়োগ কারী
গন খুবই সমস্যায় পড়েছেন৤

5728a71a1312e_FXCMMetaTrader4.png.81eb8c

তবে মে ২০১৬ এর প্রথম সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে কারন মার্কিন ডলার কে প্রভাবিত করতে পারে এমন সব গুরুত্বপূর্ন Economical Events ( FOMC ,ADP Employment Change,Trade Balance,Initial Jobless Claims, Nonfarm Payrolls, Unemployment Rate) publish হতে যাচ্ছে৤

এক্ষেত্রে ADP -5K,Trade balance -$41.5B ও NFP -15K এর রেকর্ড দেখানো হচ্ছে, সূতরাং মার্কিন ডলারের ভাগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা বাহ্যিক ভাবে দেখা না গেলেও গ্লোবাল ট্রেডার সেন্টিমেন্ট ও মার্কিন ডলারের অপরিবর্তিত Bank interest rate , অপরিবর্তীত unemployment rate কিছুটা সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে, এছাড়া এপ্রিল ২০১৬ তে অন্যসব মূদ্রার Economical Events ততটা পরিবর্তিত না হলেও মার্কিন ডলারের পতনে মূদ্রাগুলো কিছুটা সুবিধা জনক আবস্থান ধরে রেখেছে৤

মার্কেট সেন্টিমেনট৤
চলতি সাপ্তাহে যদি মার্কিন ডলারে positive পরিবর্তন হয় তাহলে EUR/USD, GBP/USD, AUD/USD, USD/CAD, ও USD/CHF এ দীর্ঘ মেয়াদি একটি পরিবর্তন আসতে পারে৤ অন্যথায় মার্কেটে রিভার্সেল ট্রেড ততটা সুফল দিবে বলে মনে হচ্ছে না৤ কারন এপ্রিলে কিছুটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা খাকা সত্তেও মার্কিন ডলারের অপরিবর্তিত সুদের হারের পরও বড় ধরনের পতন হয়ছে৤
--------------------------------------------------------------------------------------
MD Mohabbat E Elahi
Analytical Expert: Forex & CFD Market.
Currency: US Dollar.
C.Position: Strong demand zone.
C.T Sentiment: Reversal Trading.
Analysis view: Trend+S&D
Phone: +880-1936236148

Share this post


Link to post
Share on other sites
এনালাইসিস পরবর্তিতে মার্কেট যথাক্রমে পরিবর্তন হয়েছে.........
EUR/USD: (-) 442 pips
GBP/USD: (-) 445 pips
AUD/USD: (-) 300 pips
USD/CAD: (+) 700 pips
USD/CHF: (+) 400 pips.

Share this post


Link to post
Share on other sites

টপিকটিতে মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন অথবা নতুন একাউন্ট করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই মেম্বার হতে হবে

একাউন্ট করুন

খুব সহজে একাউন্ট করুন


নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

সাইন ইন

ইতিমধ্যে একাউন্ট করেছেন ? সাইন ইন করুন


এখনি সাইন ইন করুন

  • Similar Content

    • By MohabbatElahi

      ফরেক্স উম্মাদনা বনাম বাংলাদেশী ট্রেডারদের ভবিষ্যৎ শংকা
      ডাক-ঢোল পিটিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরের নামীদামী হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গুলোতে চলছে ফরেক্স ট্রেডিংয়ের উপর ব্যাপক সভা সেমিনার।এসব সভা সেমিনারের আয়োজক,আলোচক ও অতিথিবৃন্দ কে লক্ষ্য করে দুএকটি কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।তবে আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির সাথে আপনি একাত্মতা পোষণ নাও করতে পারেন।কিন্তু একজন ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে নিজের অনুভূতি ও আশংকাটি শেয়ার করলাম।

      ফরেক্স বিশ্বের সর্ববৃহৎ ট্রেডিং মার্কেট এটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু কয়জন ব্যাক্তি এ মার্কেট প্লেসে সফলতা পেয়েছে, এ প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেখতে পাই মাত্র ৫ থেকে ১০% ব্যাক্তিই এখানে সফল, বাকি ৯০-৯৫% লোকই ব্যর্থ।আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে এত বৃহৎ মার্কেট প্লেস হিসেবে এখানে ট্রেডারদের সফলতার পরিমাণ বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু হয়েছে উল্টো । অর্থাৎ মার্কেটপরিধি আর ট্রেডারদের অবস্থান সম্পূর্ন বিপরীতমুখী।সে যাইহোক এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন বৃহৎ অংশ ফরেক্স মার্কেটে ব্যর্থ হচ্ছে? অবশ্যই এর পিছনে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও আমার দীর্ঘ ৮ বছরের ট্রেডিং অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বিষয়  পয়েন্ট আউট করেছি যা আপনাদের জন্য শেয়ার করলাম।
      ০১। ভাল কোন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট না থাকা। যেখান থেকে একজন নবীন যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। ০২। ডিপোজিট উত্তেজনাঃ অর্থাৎ ট্রেডিং কনসেপ্ট ভাল করে আয়ত্ত করার পূর্বে নিজের সঞ্চয়,ব্যবসায়িক পুঁজি বা হেল্প লাইন থেকে ধার-দেনার মাধ্যমে ডিপোজিট করে নিজের ভাগ্য পরীক্ষায় নেমে পড়া। ৩। নিজেকে সর্বজ্ঞ ভাবাঃ অর্থাৎ দুয়েকটি বিষয় জেনে বা দুই তিন মাসের ডেমো প্রেক্টিস কিংবা দু’একটি একাউন্ট জিরো হওয়ার পর নিজেকে অনেক বড় জ্ঞানী ভাবতে শুরু করা। ৪।  একাকিত্বঃ আত্মঅহমিকা বা সংকীর্ণ মনোভাব। যদি ট্রেডিং জগতে আপনি ব্যর্থ হয়ে থাকেন তবে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, আপনি কোন স্তরে ছিলেন বা এখনো আছেন।
      যাইহোক আসল প্রসঙ্গে আসি।“ফরেক্স ট্রেডিং” বাক্যটি কারো কাছে টাকা কামানোর মেশিন আবার কারো জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ।এখন টাকা কামানোর মেশিন কার জন্য ? হুম, মেশিন হচ্ছে তাদের জন্য যারা বিচক্ষণতার সাথে শত প্রতিকুলতা পেরিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরিতে সক্ষম হয়েছে এবং ট্রেডিং মার্কেটের প্রকৃত চরিত্র ধরতে পেরেছ।
      অপর দিকে নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ হচ্ছে তাদের জন্য, যারা প্রাপ্ত বয়স্ক,শিক্ষিত ও মেচুয়েট হওয়া সত্ত্বেও এ মার্কেটে বাচ্চা সুলভ আচরণ করেন। বর্তমানে যারা ডাক-ঢোল পিটিয়ে সভা সেমিনার নিয়ে ফরেক্স উম্মাদনায় মেতে উঠেছে এরা সে দলেরই অংশ বিশেষ।এদের উল্লেখযোগ্য অংশই ঝরে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। ফরেক্স হচ্ছে অতি সুন্দরী,সুসজ্জিত রমণীর মত, যার নেশা আপনার সর্বশ্য কেড়ে নিবে। নিঃসন্দেহে এটি সেসব লোকদের জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ যারা টাকার নেশায় বিভোর।ফরেক্স সাধনার বিষয়,এখানে অধ্যবসায় প্রয়োজন।এটি ততটা সহজ নয় যতটা আপনি ভাবছেন।এর লুকিং এবং রিয়েলিটি ভিন্ন।
      সুতরাং দুএকটি সেমিনার,ওয়েবিনার বা দিন কয়েক  ডেমো প্রেক্টিসের পর যদি কেউ ভাবে,তার মার্কেট বুঝা হয়েগেছে তবে নিঃসন্দেহে সে নিঃস্ব হওয়ার পথেই এগোচ্ছে।এখানে নিজেকে সংযত রাখা অনেক দুরূহ বেপার।টিকে থাকার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মনীতির বাইরেও উপস্থিত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়।
      তবে খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যাদের উম্মাদনা ও উত্তেজনা বিবেকের উপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারেনা।তারা এ বিজনেসের পজিটিভ নেগেটিভ উভয় দিক বিশ্লেষণ করেই অগ্রসর হয় । আর পরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো সময়ের ব্যবধানে ঠিকই তাদেরকে একটি  নির্ভরযোগ্য অর্জন এনে দেয়। সূতরাং প্রতিটি নবীনের প্রতি অনুরোধ কারো প্ররোচনায় এসব দৌড়ঝাঁপ থেকে বিরত থাকুন। আর নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন ট্রেডিং মার্কেটের চাপ সহ্য করার সামর্থ আপনার আছে কিনা। কারন ট্রেডিং পেশা মানেই মানসিক চাপের বিজনেস যা সবার জন্য নয়।
      আপনাকে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আর তা হচ্ছে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনাকে মোটিভেট করে এক শ্রেনীর লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার প্রয়াস চালাবে। হয়তো আপনি কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ঝড়ে পড়বেন। এতে করে ৯০% ক্ষতিগ্রস্ত লোকের পাল্লাই ভারী হবে। বর্তমানে কিছুকিছু ফরেক্স ব্রোকার এমনও আছে যারা আইবি হোল্ডার(ব্যবসায়িক প্রতিনিধি)-দের মার্জিন কলের বিপরীতে ৪০%  পর্যন্ত ফেরত  দেয়ার প্রস্তাব করে থাকে। ফলে রেডিসন ব্লু-তে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে প্রোগ্রাম করলেও মাত্র ১০০০ ডলারের একজন ক্লায়েন্টের লুজিং ফান্ড থেকেই সেটা তারা পুষিয়ে নিবে। এখন নিজে কে জিজ্ঞাসা করুন আপনিই সেই হতভাগ্য ব্যাক্তি কিনা যে মার্কেট বুঝার আগেই বিনিয়োগে চলে গেছে ?

      উপরোক্ত আলোচনা তে অনেকেই হয়তো মনক্ষুন্ন হচ্ছেন। কিন্তু আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি কারো প্রতিপক্ষ নয় বরং দীর্ঘ ট্রেডিং জীবনের অভিজ্ঞতা ও নীতি আদর্শ থকেই নতুনদের সতর্ক করছি। কারন নবীন ট্রেডারগন কোন লাইনে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটা আমি ভাল করেই জানি। আপনারা সহপাঠী,পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের আর্থিক ক্ষতি না করে তাদের কে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান করুন।নিজেদের অর্জন দিয়ে কথা বলুন।সেটা উভয়ের জন্য মঙ্গল।
      আমি জানি ব্রোকারের তুলনায় আপনাদের লাভের পরিমান অতি নগণ্য।কিন্তু তাই বলে আপনারা অন্যকে পথে বসিয়ে দেয়ার বুদ্ধি দিতে পারেন না।ড্রাইভিং পেশা যেমন সবার জন্য নয় ঠিক তদ্রুপ ফরেক্সও সবার জন্য নয় এটা আপনাদের বুঝতে হবে। ওয়ারেন্ট বাফেট আর বিল গেটসের ব্যবসা বলে আপনিও ঝাঁপ দিতে পারেন না। এখানে অবশ্যই কিছু নিয়মনীতি আছে। বেসিক কন্সেপ্ট, টেকনিক্যাল,ফান্ডামেন্টাল,সেন্টিমেন্টাল,রিস্ক মেনেজমেন্ট, কারেন্সি এনালাইসেস,কো-রিলেশন, ইম্পেক্ট এনালাইসিস,পলিটিকেল ইস্যু,গোল সেটাপ,ট্রেডিং প্লান ও স্ট্রটিজির মত অতি আবশ্যক স্টেপগুলো সম্পন্ন করেই সামনে এগুতে হয়। এজন্য সময় প্রয়োজন। একজন নবীন ফরেক্স ট্রেডার কখনো এসব বুঝবেনা ? আর আপনারাও সে বোঝা উঠাবেন না  ? কারন এত দীর্ঘ চিন্তা করলে আপনাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে।
      তাছাড়া আপনাদের যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভাবা উচিত, তা হচ্ছে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে এখনো ফরেক্স স্বীকৃত নয়।আজ যে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নিয়ে সরকার মিলিয়ন ডলার আয়ের স্বপ্ন দেখছে এর চেয়ে বৃহৎ সম্ভাবনা হচ্ছে ফরেক্স মার্কেট। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে রাষ্ট্রের এসব নিয়ে চিন্তা করাতো দুরের কথা এদের অধিকাংশই এসব বুঝে না।সুতরাং প্রতিকূল পরিবেশে এমন ডাক-ঢোল না পিটিয়ে আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা করুন। যেদিন স্বীকৃতি আসবে, যেদিন বাংলাদেশী ফরেক্স ব্রোকারে ট্রেড করার সুযোগ তৈরি হবে সেদিন ডাক-ঢোল পিটালেও সমস্যা নেয়।

      আমাদের এটা মনে রাখা উচিত যে এদেশের জনগণ বিগত ১০ বছরে শেয়ার বাজার সহ বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানির ব্যানারে নিঃস্ব হয়েছে। তাছাড়া ব্যাংকিং খাতেও ব্যাপক হরিলুট হয়েছে,হচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের অধিকাংশই  নিজেদের সুন্দর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রত্যাশায় উন্নত বিশ্বে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে স্বর্গরাজ্য তৈরি করছে।আর এসব কিছু এখন নিত্যদিনের ঘটনা। আজ রাষ্ট্রীয় চোর আর অর্থআত্মসাৎকারী ভিআইপিদের গাড়ির বহর জনতার পথচলা আটকিয়ে দেয়।হাজার কোটি টাকা পাচারকারীদের দুর্নীতির প্রমান থাকলেও কোন আইনী নোটিশ নেই। কারন তাদের রয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়,শিল্পপতির পরিচয়, আরো রয়েছে মামার পরিচয়।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও  সত্য যে আইনি নোটিশ হচ্ছে সেসব লোকদের জন্য, যাদের এসব পরিচয় নেই।যারা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বের হতে না পেরে সর্বশেষ অনলাইন ট্রেডিংয়ে মনোনিবেশ করেছে, যারা ঘরে বসে, কাউকে না ঠকিয়ে,অনৈতিক কাজে না জড়িয়ে নিজের মেধাশক্তি ও শিক্ষা যোগ্যতা কে কাজে লাগিয়ে নামমাত্র পুঁজি ব্যবহার করে পরিবারের ভরণপোষণ যোগাচ্ছে এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন বুনছে। সুতরাং নীতিনির্ধারকদের চিন্তা-ভাবনা,দৃষ্টিভঙ্গি এবং দেশের আইন যে সকলের উপর সমান প্রয়োগ হয় না এটা এদেশের নাগরিক হলে এত দিনে বুঝার কথা।
      তাই প্রতিকূল পরিবেশে ফরেক্স বিষয়ে অতিরঞ্জন প্রত্যাশা করি না। ফরেক্স কে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে সংযমী হোন। দধি কে চুন বানাবেন না। আপনাদের অতিরঞ্জনের ফলে যারা ফরেক্স নিয়ে বেচে আছে এবং যারা সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখছে তাদের সবকিছু ধুলোয় মিষে যাবে। এমনিতেই চাকরির বাজারে হাহাকার। তার উপর ভাল কোন ব্যবসার জন্য প্রয়োজন বৃহৎ পুঁজি। এমতবস্থায় যারা নামমাত্র পুঁজি নিয়ে নিরবে নিবৃত্তে সাচ্ছন্দে ফরেক্স নিয়ে জীবন পার করছে আপনাদের মত আগাছা,উম্মাদ,অপরিণামদর্শী, স্বার্থান্বেষী মহলের বাড়াবাড়ি হয়তো তাদের জীবন প্রবাহ কে থামিয়ে দিবে।আপনাদের করণীয় হচ্ছে ব্যাক্তিগত অর্জন ও  অবস্থান শক্ত করা। তাহলে অধিকার নিয়ে কখনো সামনে দাড়াতে পারবেন। অন্যথায় উভয় সংকটে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং অন্যের পথও রুদ্ধ হয়ে যাবে। একজন ট্রেডার হিসেবে নিজের শংকাটি তুলে ধরলাম । আশা করি বিচারকের ভূমিকায় নিরপেক্ষ ভাবে বিষয়টি অনুধাবন করবেন। 

      ------------------------------------------------
      Md Mohabbat E Elahi
      Admin: Forex online training academy
    • By MohabbatElahi

      ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বনাম ইউরোর ভবিষ্যৎ
      আগামী ০৭ই মে রবিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চুড়ান্ত লড়াই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও মেরিন লা পেন এ দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনই হতে যাচ্ছেন ফ্রান্সের ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট।আর এ নির্বাচন কে কেন্দ্র করেই চরম অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুদ্রা বাজার ফরেক্স মার্কেটে। বিশেষ করে EUR/USD, USD/CHF,GBP/USD উক্ত তিনটি মূদ্রা জোড়ে প্রথম দফা নির্বাচন থেকে শুরু করে এপর্যন্ত অস্থিরতা বিরাজ করছে।তবে আগামী ৭ই মে এঅস্থিরতার অবসান ঘটতে চলেছে । সূতরাং নির্বাচনের প্রভাবে কি ঘটতে পারে সেটায় এখন দেখার বিষয়।তবে ক্ষুদ্র জ্ঞানের উপলব্ধি থেকে ব্যাক্তিগত মূল্যায়নটি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

      ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়ন
      উভয় প্রাথীর নির্বাচনী বক্তব্য,প্রতিশ্রুতি ও ব্যাক্তিগত জীবন মূল্যায়ন করলে এটা প্রতিয়মান হয়ে যে ইউরোপীয়পন্থী ম্যাক্রোঁ নির্বাচিত হলে সেটা হবে ইউরোপের জন্য কল্যানকর।কারন ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন অর্থমন্ত্রী। তিনি নির্বাচিত হলে বর্তমান ইউরোজোনের অভিবাসন,অর্থনীতি ও ফরাসি নাগরিকদের ভবিষ্যত ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন রাজনৈতিক ইস্যুগুলোর সমাধান হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

      আপর দিকে ৪৮ বছর বয়সী ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টির নেতা লা পেন নির্বাচিত হলে ইউরোপ চরম সংকটে পড়বে বলে ধারনা করছেন অনেকেই। কারন তিনি হচ্ছেন কট্টর ডানপন্থী নেতা। তিনি বর্তমানে ইউরোজোনের অনেক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কট্টর বিরোধী।তার মতাদর্শ হচ্ছে সংস্কার বা নতুন করে সাজাও।যা ইউরোপের চলমান রাজনৈতিক ইস্যু সহ বিভিন্ন সেক্টরে বিরাজমান অস্থিতিশীলতাকে আরো উস্কে দিতে পারে।তবে আশ্চর্য জনক বিষয় হচ্ছে প্রথম দফার নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ২৩.৫৪ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে এবং লা পেন ২২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ২য় স্থানে অবস্থান করছেন ।এক কথায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যাকে বলে এখানে কোন পক্ষ কে এগিয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

      ফান্ডামেন্টালের এপিঠ ওপিঠ
      বিগত দিনে ঘটে যাওয়া দুই দুইটি রাজনৈতিক ইস্যুর দিকে যদি আমরা তাকাই তবে একথা প্রতিয়মান হয় যে নির্বাচনী বিশ্লেষন ততটা প্রতিফলিত হয়না যেমনটি আমরা দেখেছি ব্রেক্সিট ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। কারন অনেক বিশ্লেষকের ব্রেক্সিট মূল্যায়ন ছিল পজিটিভ এমন কি ব্রেক্সিটের জন্য আন্দোলনকারীগনও এটা প্রত্যাশা করেনি যা পাউন্ডের ইতিহাসে ঘটে গেছে।ঠিক একই ভাবে আমেরিকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প কে অর্থনীতির জন্য আশনি সংকেত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছেল। কিন্তু পরবর্তিতে যা ঘটেছে তা সবারই জানা আছে। সূতরাং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ও লা পেন কে নিয়ে আমাদের যে কোন মূল্যায়ন মুদ্রা বাজারে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।সূতরাং নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট গেপ দিয়ে ওপেন হবে এই প্রত্যাশায় কারো প্ররোচনায় পড়ে উদ্ভট চিন্তা ভাবনা ও উত্তেজনা পরিহার করতে হবে।

      ফ্রান্সের নির্বাচনে আমাদের ট্রেডিং কৌশল কেমন হতে পারে? ********************************************************* হুম,আমরা অবশ্যই একটি রক্ষণাত্মক কৌশলে মার্কেটে প্রবেশ করতে পারি। যা তুলনা মূলক ভাবে অনেক বেশি নিরাপদ ও লাভজনক।তবে এটি লং টার্ম ট্রেডারদের জন্য প্রয়োজ্য । প্রথম ধাপঃ ট্রেডিং কৌশল টি বুঝতে প্রথমে আপনার মেটা ট্রেডার সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। অতপর EUR/USD (D1) চার্টের দিকে তাকান। উক্ত মুদ্রা জোড়ে আপনি তিনটি প্রাইজে হরিজ্যান্টাল লাইন বাসান। প্রথম প্রাইজঃ 1.13000 (স্ট্রং সাপ্লাইজোন) দিত্বীয় প্রাইজঃ 1.0870 (বর্তমান অবস্থান) তৃতীয় প্রাইজঃ 1.0370 (স্ট্রং ডিমান্ড জোন)   দ্বিতীয় ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট যদি 1.0870 (দ্বিতীয় প্রাইজ)এর নিচে নেমে আসে তবে মূল্য পতনের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।অর্থাৎ মার্কেট ডিমান্ড লেভেল কে টার্গেট করতে পারে।বিপরিতে সাপ্লাইজোন কে টার্গেট করতে পারে।তাই এনএফপি প্রভাব চলাকালীন আপনি রক্ষনাত্তক অবস্থানে ট্রেড করবেন এবং প্রাইজ মনিটরিং করবেন। তৃতীয় ধাপঃ আপনি ইউএস সেশন ক্লোজ হওয়ার আধা ঘন্টা পূর্বে অর্থাৎ মার্কেট অফ হওয়ার অধা ঘন্টা বা ২০ মিনিট পূর্বে প্রাইজ মূল্যায়ন করে ২/১ হেজিংয়ে যেতে পারেন। অর্থাৎ যদি মার্কেট 1.0870 থেকে 1.0950 এই রেঞ্জে উর্ধমুখী প্রভাবে থাকে তাহলে আপনি ০.০২ ভলিয়মে লং পজিশন গ্রহন করতে পারেন। এক্ষেত্রে মার্কেট গেপ হলে ১.১৩০০ পর্যন্ত প্রথামিক ভাবে গেফ হতে পারে। পাপাশাপাশি ০.০১ এ একটি শর্ট পজিশনও কার্যকর করতে হবে।যেন বিপরিত কিছু হলে অন্তত ৫০% বেকাপ থাকে।আর যদি প্রাইজ 1.0870-র নিচে পড়ে যায় তাহলে একই নিয়মে ২/১ এ শর্ট পজিশন গ্রহন করবেন।পাশাপাশি একটি লং পজিশনও। চতুর্থ ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট গেপ আপ বা ডাউন যাইহোক না কেন উক্ত দুটি লেভেলের ভিতরেই থাকার সম্ভাবনা বেশি। সূতরাং যদি এক্সচেঞ্জ রেট ১.১৩০০ পর্যন্ত চলে যায় এবং আর উঠার সম্ভাবনা দেখা না যায় তবে আপনি লং পজিশন ক্লোজ করে দিতে পারেন এবং ১.১৩০০ বা ১.১৪০০ রেঞ্জ থেকে প্রাইজ অ্যাকশন ফলো করে চলমান থাকা লস ট্রেডের ভলিয়ম অনুযায়ী একটি রিভাঞ্জ নিতে পারেন। পঞ্চম ধাপঃ যদি ২/১ ভলিয়মের মধ্যে ২ লসে চলে যায় তাহলে প্রাইজ এ্যাকশান ফলো করে ১ ক্লোজ করে দেয়ার পর মার্কেট মূল্যায়ন করে পুনরায় একটি রিভাঞ্জ নিতে হবে সেইম ভলিয়মে (০.০১) এক্ষেত্রে ভলিয়ম বাড়ানো যাবেনা কারন যদি মার্কেট আপনার বিপরিতে চলে যায় তখন আপনি কোন প্রকার লাভবান হচ্ছেন না। তখন রিস্কের পরিমান বেড়ে যাবে।কিন্তু যদি আপনি সেইম ভলিয়মে কন্টিনিউ করেন তবে আপনি লং টাইম ট্রেডটি ধরে রাখতে পারবেন। প্রশ্নঃ 1.0870 এ প্রাইজ রিকভারের সম্ভাবনা কতটুকু ? উত্তরঃ যারা ১০০০ ডলারে ১% রিস্কে ট্রেড করেন তাদের জন্য এখানে ঝুঁকির কিছুই নেই। আর 1.0870 এ প্রাইজটি আগে পরে রিটেস্ট হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারন এটি ইউরোর জন্য বর্তমানে একটি মিডেল পয়েন্ট।যা হেজিংয়ের জন্য উপযু্ক্ত। উল্লেখ্য যে এই কৌশলে ট্রেড কেবল তারাই করবেন যারা ফ্রান্সের নির্বাচনে কিছু রিস্ক নিতে চান। তবে যাদের স্বল্প বেলেন্স তারা নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট ওপেনিং দেখে ট্রেডে প্রবেশ করবেন। তবে যদি সোমবারের মার্কেটে কোন গেপ না হয় তবে উচিত হবে মার্কেট ওপেন হওয়ার পর উভয় পজিশন ক্লোজ করে আপনার স্বাভাবিক স্ট্রাটিজিতে ট্রেড করা। নিরাপদ হোক সবার ট্রেডিং ------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi
      Analytical Expert: Global Forex Market
    • By MohabbatElahi

      ১৬,০৩,২০১৭ বৃহস্পতিবার , আজ রাত ১২ টায় Federal bank reserve-এর Bank interest rate ঘোষনার একটি বিশেষ মূহুর্ত৤ চলতি বছরের শুরুতে ফেডের প্রধান প্রফেসর ড.ইলিয়ান ফেডের ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ০.৭৫% এ বৃদ্ধির সময় ঘোষনা করেছিলেন যে চলতি বছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালে আরো তিন দফায় ব্যাংক সূদের হার বাড়ানো হবে৤ সে হিসাবে আজকের FOMC মিটিং খুবই তাৎপর্যপূর্ন হিসাবে বিবেচনা করছি৤ কারন গত মিটিংয়ে তারা ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কে এগিয়ে রেখেছিলেন চলতি মাসের জন্য৤ তাই আজ কে ফেড এবিষয়ে চূড়ান্ত একটি ফলাফল অবশ্যই প্রকাশ করবেন এটাই প্রত্যাশা৤
      -
      কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ফেডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কতটুকু ?
      যদি আমরা বিগত দিনের ইকোনমিকেল ইভেন্টস বা কী ইভেন্টসের দিকে তাকায়, তবে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯৮% বললেই চলে৤ এক্ষেত্রে আমরা তাদের বিশেষ দুটি Key indicators কে মূল্যায়ন করতে পারি৤ যেমন NFP (Nonfarm Payrolls) ও Unemployment Rate
      -
      US Department of Labor কতৃক পরিবেশিত Nonfarm Payrolls-এ দেখানো হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে কারখানা, স্বাস্থ্যসেবা খাত, খনি ও নির্মাণ খাতে দুই লাখ ৩৫ হাজার (235K) নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে যা প্রত্যাশা করা হয়েছিল 190K. এছাড়া জানুয়ারি মাসেও দুই লাখ ৩৮ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল এসব খাতে৤ ফলে বর্তমানে তাদের বেকারত্বের হারও ৪.৮% থেকে ৪.৭% এ নেমে এসেছে ৤
      এক কথায় ২০১৭ অর্থ বছরের প্রথম ২ মাসে তারা যে সাফল্য পেয়েছে তাতে এটা পরিষ্কার যে, মার্কিন অর্থনীতি ট্রাম্প যোগে ভালই এগিয়ে যাচ্ছে৤ সূতরাং ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব ঘোষিত বিষয়টি আজকে প্রতিফলিত হবে এটাই স্বাভাবিক এবং ২০১৭ অর্থ বছরে ব্যাংক সূদের হার বৃদ্ধির এটাই উপযুক্ত সময় যা হতে পারে 0.75% থেকে 1.00%
      -
      ট্রেডিং মার্কেটে এর প্রভাব কি পড়তে পারে ?
      ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়নে মার্কিন ডলার এগিয়ে আছে এবং টেকনিক্যাল মূল্যায়নেও মার্কেটে ডলারের প্রভাব পরিষ্কার৤ সে দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মেজর কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের জন্য বিশেষ কিছু লেভেল ফিক্সড করতে পারি৤ যেমন
      -
      01] EUR/USD : Low Target 1.0530
      02] GBP/USD: Low Target 1.2000
      03] USD/CAD: Up 1.3600
      -
      কিন্তু যদি FOMC (Federal Open Market Committee) ভাল কোন স্টেটমেন্ট দিতে না পারে ,তবে মার্কিন ডলার ট্রেডার সেন্টিমেন্টে কিছুটা পিছিয়েও যেতে পারে ৤
      এক্ষেত্রে আমরা বিশেষ কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের অবস্থান কি হতে পারে তার একটি টার্গেট সেট করতে পারি ৤ যেমন
      -
      01] EUR/USD: High 1.0714
      02] USD/JPY: Low 113.60
      03] USD/CHF: Low 1.0000
      04] USD/CAD: Low 1.3333
      -
      সর্বপরি আজকের US TRADING SESSION-টি ট্রেডার হিসাবে আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ৤ পাশিপাশি আগামীকাল টকিও সেশনও সমান গুরুত্ববহন করছে৤ তবে ট্রেডিং সাপ্তাহের আগামী দুইদিনে মূদ্রাবাজারে অনেক উত্থানপতন হতে পারে যা ভাল একটি প্রফিটের সম্ভাবনা কে এগিয়ে দেয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকিকেও তরান্বিত করছে৤ সূতরাং ছোট ইনভেস্টরগন মার্কেটে খুবই সতর্ক ভাবে প্রবেশ করবেন এই প্রত্যাশা৤
      --------------------
      Md Mohabbat E Elahi
      Analytical Expert: Global Forex Market
      Admin:Forex online training academy Bangladesh.
    • By MohabbatElahi

      আগামী ২০ই জানুয়ারি শুক্রবার(12:00PM ET (17:00GMT) on Friday in Washington, D.C) মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে চলেছে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ট্রাম্পের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করেই বিদায় নেবেন আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা।সমাপ্তি ঘটবে কৃষ্ণাঙ্গ এ প্রেসিডেন্টের দীর্ঘ আট বছরের রাজত্ব। হোয়াইটহাউস ইতোমধ্যে ওবামার শেষ ভাষণের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেমন হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্র পরিচালনা….? তিনি কি সর্বক্ষেত্রে বিগত প্রেসিডেন্টদের পথেই হাঁটবেন, নাকি মার্কিনিদের জন্য নতুন কোন ইতিহাস সৃষ্টি করবেন?
      **/**
      ট্রাম্পের রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও বর্তমানে উইলসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো উইলিয়াম বি মাইলাম বলেন।--“ইটস টু আর্লি টু কমেন্ট”। কেননা ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তবে ট্রাম্পের ক্ষমতাগ্রহনের পর পররাষ্ট্র বিভাগে কারা কাজ করছেন সেটা জানা গেলে অন্তত আমরা ডনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে কিছুটা আঁচ করতে পারবো--- সূতরাং ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও পরারাষ্ট্রনীতি বিষয়ে মার্কিনীদের সাথে সমগ্র বিশ্বও সম্পূর্ণ অন্ধকারেই থেকেগেছে।
      **/**
      এছাড়া সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে তার বহুরূপী আচরন। নির্বাচনের পূর্বে নবনির্বাচিত এ প্রেসিডেন্ট যেসব বক্তব্য দিয়ে হিলারি ক্লিন্টন কে বেকায়দায় ফেলার পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন, নির্বাচন পরবর্তিতে সেসব বক্তব্য থেকে তিনি সম্পূর্ণ সরে এসেছেন। উদাহরণস্বরূপ ফ্লোরিডার এক আলোচনা সভায় তিনি ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনকে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জিহাদী সংগঠন আইএস এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করে সমগ্র বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন।ঠিক এমনই আরেকটি মন্তব্যছিল হিলারি ক্লিনটনকে নিয়ে। তিনি বলেন, “রাশিয়া, তোমরা কি শুনছ আমায় ? আশা , হিলারির যে ৩০ হাজার ইমেলের কোনো খোঁজ নেই, তার হদিস তোমরাই দিতে পারবে” যা পরবর্তিতে এফবিআই-এর তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে।
      কিন্তু সমগ্র বিশ্বে হেডলাইন হওয়া এসব বক্তব্য বিষয়ে ট্রাম্প পরবর্তিতে সুর পাল্টিয়ে এক টুইটার বার্তায় বলেন, 'আমি তো এসব মজা করে বলেছিলাম। বিষয়টা নিয়ে মিডিয়াই বাড়াবাড়ি করছে। ওরা মজাই বোঝে না।'
      **/**
      তার এমন ডিগবাজি মূলক আচরন এখন মার্কিন নীতিনির্ধারকদের দারুন ভোগাচ্ছে। যার ফলে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি বোদ্ধারা ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কে এরুপ মন্তব্য করেছেন যে“ আমরা এখন পর্যন্ত যা জানি তা ‘ভীতিকর’; আর এখনো যা জানি না হতে পারে তা আরো ভয়ঙ্কর” সূতরাং এটা পরিস্কার যে মার্কিন এ প্রেসিডেন্টর গতিবিধি সন্দেহ জনক।তার প্রকৃত চরিত্র এখনো অজনা?
      ++/++
      বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সংকট সহ সমগ্র বিশ্বে যে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে চলছে তা কিভাবে দেখছেন নবনিবার্চিত এই প্রেসিডেন্ট তার সম্ভাব্য বিভিন্ন দিকে নিয়ে বিশ্লেষকগন অনেকটাই অভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন।তবে এক্ষেত্রে আমার ব্যাক্তিগত মূল্যায়ন হচ্ছে ট্রাম্পের গতিবিধি খুবই ভয়ংকর এবং সমগ্র বিশ্ব কে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাড় করাবে এতে কোন সন্দেহ নেই যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বার উন্মুক্ত করবে। আমি যে কয়টি বিষয় পয়েন্ট আউট করেছি তা হচ্ছে...
      ০১) সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। তিনি সিরিয়া সংকট সমাধানে বাশার আল আসাদ কে নিরাপদ মনে করেন যা আরব গালফ মেনে নিবেনা।সূতরাং পরিস্থিতি আরো জটিল হবে।
      ০২) ট্রাম্প মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সাথে সম্পর্ক উন্নায়নে গুরুত্ব আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন যা মিশরের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমূলে ধংস করে দিবে।
      ০৩)ইরান নীতিতে তিনি আঙ্কারা,কায়রো এবং রিয়াদ কে নিয়ে মার্কিন সমর্থিত “সুন্নি ট্রায়েঙ্গেল” তৈরি করতে তাদের বিশ্বস্ত মিত্র সৌদিকে প্রলুব্ধ করতে পারেন।যা ইরান ও রাশিয়া কখনো মেনে নিবেনা। অর্থাৎ সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করলে অনেকটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানের কোন সম্ভাবনায় নেই বরং তা আরো উস্কে দিতে পারেন নব নির্বাচিত এই প্রেসিডেন্ট।
      **/**
      তবে তার বিগত দিনের বক্তব্যগুলোর মাঝে শুধু মাত্র দুটি বিষয় কেবল সন্তুষ্ট জনক বলে মনে করছি। আর তা হচ্ছে,ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আভাস দিয়েছেন।যা দুই পরাশক্তির মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে সহাবস্থানে বা সৃষ্ট দৃরুত্ব কমাতে সম্ভাবনা তৈরি করবে। আপর দিকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির জন্য ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ ,অপ্রতিরোধ্য চীনের সাথেও তিনি কাজ করতে আগ্রহী বলে ঘোষনা দিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে চীন থেকেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এবং তিনি একক চীন নীতি ঘোষনারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
      **/**
      অতএব একজন ফরক্স ট্রেডার হিসেবে আমাদের উচিত চিন্তা-ভাবনা শুধু মাত্র ট্রেডিং প্লাটফর্ম কেন্দ্রিক সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্বের প্রতিটি বৃহৎ ঘটনা প্রবাহ মূল্যায়নের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। যেন উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা আমাদের পক্ষে সহজ হয় এবং বৃহৎ আর্থিক ক্ষতি থেকে আমরা নিরাপদ থাকতে পারি। এটি হচ্ছে ব্যবসায়িক কৌশল।সূতরাং ট্রেডিং একাউন্টের নিরাপত্তার প্রতি গুরুত্ব আরোপের পাশাপাশি ফান্ডামেন্টাল গবেষণার পরিধিও বিস্তৃত করা এখন সময়ের দাবি।কারন ফরেক্স হচ্ছে গ্লোবাল গেইম। এটি সম্পূর্ন চ্যালেঞ্জিং ব্যবসা।
      ------------------------------------------------------------------------------
      Md Mohabbat E Elahi
      Admin: Forex online training academy Bangladesh