A H Royal

৫মিনিট টাইমফ্রেমে স্কেল্পিং পদ্ধতি

3 posts in this topic

প্রিয় ট্রেডার বন্ধুর, আপনারা লক্ষ করেছেন যে ফরেক্স মার্কেট বেশীর ভাগ দিনেই ৩০-৬০পিপিস এর বেশী মুভমেন্ট হয়না, এতে করে অনেক ট্রেডারই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা তাই আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে আপনাদের সাথে (আমার পরীক্ষিত) এমন একটি ট্রেড স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা প্রতিদিনই ট্রেড করে সফল হতে পারবেন।
 
আজকের ট্রেড স্ট্যাটিজির কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বোকা বলতে/ভাবতে পারেন কারণ, আজকে আমি আপনাদের সাথে পাঁচ মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড করার একটা স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো, যার দ্বারা আপনার হয়তো অনেক লাভ হবেনা কিন্তু  মার্কেট যখন মুভমেন্ট কম থাকবে তখনও আপনি ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
 
এটা হলো একধরনের স্কেল্পিং ট্রেড স্ট্যাটিজি, মার্কেটের মুভমেন্ট যখন কম থাকে আমি নিজেও এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করি এবং ৭৫-৮০% সফলতা পেয়ে থাকি  
 
নিম্নে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলঃ
 
post-1088-0-97186100-1390942748_thumb.jp
 
আপনারা উপরে যে  চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন তা হলো ৫মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র।
 
আসুন ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর নিয়মগুলো জেনে নেইঃ
 
পাঁচ মিনিটের ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র ব্যবহার করুন এবং লক্ষ করুন যে পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) কিনা। আর হলে ক্যান্ডেলগুলো নুন্যতম -৭পিপস এর কিনা।  তাহলেই আপনি ৫মিনিট এর টাইমফ্রেমে ট্রেড ওপেন করতে পারেন।
 
কিভাবে ট্রেড ওপেন করবেনঃ
 
যখন দেখবেন পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) গিয়ে তৃতীয় ক্যান্ডেলটি শেষ হবে এবং চতুর্থ ক্যান্ডেলটি শুরু হয়ে -৪পিপস অফোসিট দিকে যাবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডটি  (তিনটি ক্যান্ডেল যে দিকে ছিল সে দিকে) ওপেন করুন। এবং ১০পিপস টেক প্রফিট ১৫পিপস স্টপ লস ব্যবহার করুন। যদিও টেক প্রফিট এর চেয়ে স্টপ লস বেশী তাতে কি ৭৫-৮০% সময়ই তো আপনার  টেক প্রফিট ট্রেড ক্লোজ হচ্ছে
 
৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর সতর্কতাঃ

  • মার্কেট ট্রেন্ড (১ঘন্টায়) যে দিকে বিশেষ করে সে দিকে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন।
  • নিউজ আওয়ার এ ধরনের ট্রেড করবেন না।
  • মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং টাইম এ ধরনের ট্রেড করবেন না।

এই স্ট্যাটিজিতে  কোন কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ

  • এক কথায় যে পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট ভালো সেগুলোতে যেমনঃ GBP/USD, GBP/JPY, EUR/USD, EUR/JPY, USD/CHF
  • USD/CAD

  • এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার জন্য কখনো স্লো মুভমেন্টের এবং মেজর ক্রস পেয়ার বাচাই করবেন না।
  • এই স্ট্যাটিজিতে  ট্রেড করার আগে প্রয়োজনে ডেমোতে ট্রাই করুন, ডেমোতে ট্রাই করার পর আপনি যদি মনে করেন যে এ পদ্ধতিতে ভাল লাভ করা সম্ভব তখন আপনি মিনি ও মাইক্রো লাইভ একাউন্ট এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। ধন্যবাদ।

Share this post


Link to post
Share on other sites

স্ট্রেটিজিটা পড়লাম, মনে হচ্ছে একটু রিস্কি আছে, তবে স্কেল্পিং ট্রেডের অপর নাম হল রিস্ক, তাই যারা এই ট্রেডিং স্ট্রেটিজি টি ব্যাবহার করতে চান অবশ্যই আগে ডেমোতে প্র্যাকটিস করে পাকাপুক্ত হয়ে লাইভ এ চালাবেন। আশা করছি ভালো ট্রেড করবেন। 

Share this post


Link to post
Share on other sites

ভাই any risk free মানে অলপ risk এর কোন trade er suggestion korben..

Share this post


Link to post
Share on other sites

টপিকটিতে মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন অথবা নতুন একাউন্ট করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই মেম্বার হতে হবে

একাউন্ট করুন

খুব সহজে একাউন্ট করুন


নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

সাইন ইন

ইতিমধ্যে একাউন্ট করেছেন ? সাইন ইন করুন


এখনি সাইন ইন করুন

  • Similar Content

    • By A H Royal
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে ফরেক্স ট্রেড এর যে পদ্ধতিটি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো আপনাদের অনেকেরই জানা। কিন্তু কখনো চেষ্টা করে দেখেননি বা মাথায় আসেনি, যাই হোক আমি শুধুই আমার জানা অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, তার মানে এই নয় যে আমি আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি, কারণ পৃথিবীতে এমন কোনো ট্রেড পদ্ধতি নেই যাতে শতভাগ লাভ করা সম্ভব তবে আপনি আমার ট্রেড পদ্ধতিগুলো লাইভ একাউন্ট এ করার আগে প্রয়োজনে নুন্যতম এক সপ্তাহ ডেমো একাউন্ট এ প্র্যাকটিস করুন এবং ফলাফল বিবরণী দেখে তারপর লাইভ একাউন্ট এ করুন। আমি পদ্ধটিতে ভালো ফলাফল পেয়েছি বলেই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

      দৈনিক ৯৫পিপস লাভের এই পেন্ডিং পদ্ধতিটি আপনি প্রত্যেক দিনই করতে পারেন, যখন মার্কেট ডে ক্যান্ডেল শুরু হয়। যা সত্যিই লাভজনক একটি পদ্ধতি। আর এ পদ্ধতিটি সারা জীবন-ই কার্যকর থাকবে।

      আসুন পদ্ধতিটি জেনে নেইঃ
      এই ট্রেডিং পদ্ধতিটি ট্রেড করার সহজ ও লাভজনক একটি পদ্ধতি, এর জন্য কোনো ট্রেডিং এনালাইসিস এর প্রয়োজন হয়না, আপনি শুধুমাত্র আপনার মেটা ট্রেডারটি খুলুন আর এস এল ও টি পি সহ অর্ডার দিয়ে মেটা ট্রেডার বন্ধ করে দিন। এই পদ্ধতিটি শুধুমাত্র প্রতিদিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার পর পরই করতে হয়। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি অবলম্বন করবেন কেননা আপনি যে রকম লাভজনক পদ্ধতিতেই ট্রেড করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়ম মেনে ট্রেড করতে হবে। এ পদ্ধতিতে আপনি ৩০পিপস স্টপলস ব্যবহার করবেন এবং সপ্তাহের সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এ পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।

      যে ভাবে ট্রেড করবোঃ
      আমি আগেই বলেছি এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি অনেক সহজ – বিগত দিনের ডে ক্যান্ডল এর উপরের/হাই প্রাইজ এর ৫পিপস উপরে এবং ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ এর ৫পিপস নিচে এ পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে হয়। আসলেই এটি অনেক সহজ আর দৈনিক ব্রেকআউট একটি পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে সিক্রেট বলে কিছু নেই। শুধুমাত্র মানি ম্যানেজমেন্ট এর কথাটি মনে রাখবেন যেটা আমি আগেও বলেছি। এ পদ্ধতিতে আপনি দৈনিক ৫০পিপস উপরে বা নিচে গেলেই ৯৫পিপস নিতে পারবেন। চিন্তা করবেন না আমি পদ্ধতিটি দেখিয়ে দিচ্ছি।

      কখন এবং কিভাবে পেন্ডিং অর্ডারগুলো দিবেনঃ
      প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে যে কখন আপনার ব্রোকার এর দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়, কারণ বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হবার পর পরই আপনাকে এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি প্রয়োগ করতে হবে এবং প্রতিদিন একই সময়ে এই পদ্ধতিতে অবলম্বন করবেন।
      বিগত দিনের দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়ে নতুন দিনের ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ৬টি পেন্ডিং অর্ডার দিতে হবে। ৩টি বাইস্টপ এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং।

      ৩টি বাইস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ
      [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ
      [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস।
      এভাবেই আপনি প্রতিদিন এই ছয়টি পেন্ডিং অর্ডার দিয়ে নিশিন্তে আপনার কাজ করতে পারেন। কারণ এই পদ্ধতিতে ট্রেড করলে মনিটরিং এর প্রয়োজন হয়না।


      এ পদ্ধতিতে ট্রেড করলে আপনার ট্রেড এর ফলাফল হবে নিম্নরুপঃ
      [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৫০পিপস মুব করে ৩টি-ই টেক প্রফিট এ ক্লোজ হয় তাহলে আপনার ৯৫পিপস লাভ হবে। [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৩টির মধ্যে ২টি টি পি (১৫+৩০) হিট করে এবং একটি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফলঃ ৪৫পিপস প্রফিট - ৩০পিপস লস =১৫পিপস লাভ। [*]আর যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলোর ১টি টি পি হিট করে আর বাকী ২টি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফল – ১ম টি পি ১৫পিপস আর ২টির স্টপলস ৬০পিপস= মোট ৪৫পিপস লস। [*]  [*]আর যদি ৩টি ট্রেড ই স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার লস ৯০পিপস। এ পদ্ধতিতে মার্কেট যখন বিগত দিনের ক্যান্ডেল কে ছাড়িয়ে বাই/সেল এর দিকে মুব করে তখনই ফলাফল আসে।
      তবে এ পদ্ধিতিতে যখন আপনার যে কোনো এক দিকের ট্রেড ওপেন হবে তখন যদি লাভ/টি পি হিট করে তাহলে তো খুবই ভালো আর যদি স্টপলস এর দিকে যায় সে সময়ে আপনি ট্রেড এ উপস্থিত থাকলে স্টপলস হিট করার আগেই ট্রেড ক্লোজ করতে পারবেন। এতে করে আপনার লস অনেক কম হবে।

      এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার কিছু নিয়ম নিম্নরূপঃ
      [*]এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় আপনার ট্রেড এমাউন্ট এর ৩% এর বেশী ব্যবহার করবেন না। [*]প্রতিটি ট্রেডই সমান ভলিউম এ করবেন। তবে আপনি চাইলে ১ম ট্রেড এর ভলিউম বেশী করে টি পি কমিয়ে দিতে পারেন তবে এস এল প্রত্যেকটি ট্রেড এর ৩০পিপস ই রাখবেন। এভাবে ১ম ট্রেড থেকে ২য় ট্রেড এর ভলিউম আরেকটু কমিয়ে টি পি বাড়িয়ে অর্থাৎ ৩০পিপস দিবেন। আর ৩য় ট্রেড এ ভলিউম আরো কমিয়ে দিতে পারেন। আপনি চাইলে এ পদ্ধতিটাকে আপনার মতো সাজিয়ে ও করতে পারেন তবে স্টপলস ৩০পিপস এর কম দিবেন না।
      সবার জন্য শুভ কামনা রইলো। ধন্যবাদ।
       
       
       
    • By A H Royal

      বন্ধুরা, স্ক্যাল্পিং সম্পর্কে সবাই কম বেশী জানেন, তারপর ও আর একটু ধারনা দিই- স্বল্প সময়ে একাধিক বার স্বল্প পিপস প্রফিট/লস এ ট্রেড করার মানেই হল স্ক্যাল্পিং। স্ক্যাল্পিং ট্রেড এ প্রফিট/লস খুব কম হলেও এটা সারা বিশ্ব জুড়েই জনপ্রিয় এবং এজন্যই বিশ্বের অনেক ট্রেডারই স্ক্যাল্পিং করতে ভালোবাসেন। তবে অনেক নতুন ট্রেডার অভিজ্ঞতার অভাবে স্ক্যাল্পিং করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়। তাই আজকে আপনাদের সাথে স্ক্যাল্পিং ট্রেড নিয়ে কিছু আলোচনা শেয়ার করবো।
       
      স্ক্যাল্পিং এর সুবিধাসমূহঃ
      স্বল্প টাইম ফ্রেম এ প্রত্যেক ক্যান্ডেল পর পর ট্রেড ওপেন করে প্রফিট নেয়া যায়।   স্বল্প সময়ে লাভ/লস নির্ধারণ হয় বলে লাভ/লস এর জন্য অধিক সময় বা দিন অপেক্ষা করতে হয়না। মার্কেট এ বিশাল মুবমেন্ট না থাকলেও একাধিক বার স্ক্যাল্পিং করে দৈনিক মোটামুটি ভালো পিপস লাভ করা যায়। একাধিক বার ট্রেড করে লাভ শূন্যতে (ব্রোকার স্প্রেড দিয়ে) আসলে ট্রেড ক্লোজ করে নিজের এ্যাপিলিয়েট এ ভাল কমিশন নেয়া যায়। নরমাল ট্রেডিং স্টাইল এ যা সম্ভব নয়। উদাহরণস্বরূপ-আপনি আপনার ১০০০$ এর একাউন্ট এ নরমালি দৈনিক ১-৩ভলিউম ট্রেড ওপেন এবং ক্লোজ করেন আর যদি স্ক্যাল্পিং করেন তাহলে ১০-২০ভলিউম করতে পারবেন কারণ আপনি যখন স্ক্যাল্পিং করবেন তখন আপনি ৩-৫পিপস এর বেশী লাভের চিন্তা করবেন না। স্ক্যাল্পিং করলে আপনাকে সারাদিন ট্রেড এ সময় দিতে হবে না। এ রকম আরো সুবিধা আছে যা এখন হয়তো আমার নলেজ এ আসছে না।
       
      স্ক্যাল্পিং এর অসুবিধাঃ
      আমার দেখামতে, স্ক্যাল্পিং এর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল-স্টফ লস ছাড়া যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা হুট করে বিশাল লস এর সম্মুখীন হন। দু-একটি ট্রেড এ প্রফিট নেয়ার পর ট্রেড এর প্রতি ওভার-কনফিডেন্স চলে আসা। যা একাধিক ট্রেডার এর ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। যার ফলাফল পরবর্তীতে খারাপ হয়। নিজের এ্যাপিলিয়েট এ কমিশন নেয়ার জন্য একসাথে অনেক বড় ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করে নিজের একাউন্টকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাওয়া। উপরের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো পড়ে এতক্ষণে অবশ্যই বুঝতে আপনার কষ্ট হয়নি যে, স্ক্যাল্পিং এ অসুবিধাগুলো আমরা নিজেরাই তৈরি করি যা আমাদের করা উচিৎ নয়। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে স্ক্যাল্পিং এ সুবিধাই বেশী।
       
      যেহেতু স্ক্যাল্পিং এ সুবিধা বেশী সেহেতু আপনারা কিভাবে স্ক্যাল্পিং করবেন আমার এ ছোট্ট অভিজ্ঞতা থেকে তাই বলিঃ
      ১৫/৩০ মিনিট টাইম ফ্রেম বাঁচাই করুন। বা আরো স্বল্প ও নির্দিষ্ট একটি টাইম ফ্রেম বাছাই করুন যে টাইম ফ্রেম এ আপনি সহজেই এনালাইসিস করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।   ব্রোকার স্প্রেড কম এমন যেকোনো একটি (মেজর) পেয়ার বাঁচাই করুন। পেয়ারটিতে যেন সারাদিনে গড়ে অন্তত ৩০পিপস মুভমেন্ট থাকে। যেমনঃ EURUSD, GBPUSD. চার্ট পরিস্কার রাখুন, যেন সব কিছু পরিস্কার দেখতে পান। তবে এজন্য আপনি ফ্রেক্টাল, প্যারাবলিক এ ধরনের ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে পারেন। তবে সব সময় আগে নিজের এনালাইসিসকে গুরুত্ব দিন। আপনার বাছাইকৃত টাইম ফ্রেম এ একটি ক্যান্ডেল শেষ হলেই ট্রেড এর সিদ্ধান্ত নিন। ট্রেড ওপেন করার আগে লক্ষ রাখবেন যে বিগত ক্যান্ডেল্-টির আঁকার যেন নুন্যতম ৫পিপস হয়। টেক-প্রফিটঃ ৩-১০ পিপস টেক প্রফিট দিন। বা আপনি আপনার এনালাইসিস মতে দিন।  তবে আমার মতে, স্ক্যাল্পিং এর ক্ষেত্রে ৩-৫পিপস প্রফিট আসলে আরো প্রফিট এর অপেক্ষা না করাই ভালো। স্টফ লসঃ আপনি যে ক্যান্ডেল এ ট্রেড ওপেন করেছেন বাই এর ক্ষেত্রে তার আগের ক্যান্ডেল লো এর ৩পিপস নিচে ও সেল এর ক্ষেত্রে  আগের ক্যান্ডেল হাই এর ৩পিপস উপরে দিন। আর যদি কেউ স্টফ লস ছাড়া স্ক্যাল্পিং ট্রেড করে থাকেন তাহলে ট্রেন্ড লাইন কে বেশী গুরুত্ব দিয়ে ট্রেড ওপেন করবেন। নতুবা দুর্ভাগ্যবশতঃ একাউন্ট এর অকাল মৃত্যুই আপনার প্রাপ্য হতে পারে। যেকোনো নিউজ পাবলিশ আওয়ার এ স্ক্যাল্পিং ট্রেড থেকে বিরত থাকা ভালো। আর অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করে স্ক্যাল্পিং ট্রেড করবেন তা না হলে  ৫টি ট্রেড করে যা আয় করবেন ১ট্রেডেই হয়তো তার বেশী লস দিবেন। স্ক্যাল্পিং ট্রেড এর একটি চিত্র দেওয়া হলঃ
       

       
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, স্ক্যাল্পিং সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি চেষ্টা করেছি আপনাদের সাথে ভালোভাবে ততটুকু শেয়ার করার, তবে হয়তো ভালো করে গুচিয়ে বলতে পারিনি। ভুল হলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন শুধরাবার চেষ্টা করবো আর স্ক্যাল্পিং ট্রেড সম্পর্কে আপনার আইডিয়া গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। মনে রাখবেন আপনার ছোট্ট আইডিয়া থেকে হয়তো কারো অনেক বড় উপকার হতে পারে।
       
      ধন্যবাদ সবাইকে।
    • By A H Royal
        Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে প্রফিটেবল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি।  
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আমি যখনই আমার মনের মত সফল কোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়ে থাকি তখনই চেষ্টা করি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। হ্যাঁ আজও ঠিক তাই – কিছুদিন আগে একজন ভাল ট্রেডারের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত একটি ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়েছি, যার দ্বারা ওই ট্রেডার ৭০-৯০ভাগ সময়ই প্রফিট করে থাকেন আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম এটা শুনে যে ওই ট্রেডার নাকি প্রায় তিন বছর ধরে এই নরমাল স্ট্রেটেজি দিয়েই ট্রেড করে যাচ্ছেন এবং সফলভাবেই ট্রেড করছেন। তাই আমি তার স্ট্রেটেজিটা কিছুদিন আগে থেকে ডেমো-তে ট্রাই করা শুরু করি, দেখলাম যে তার কথা মিথ্যা নয়, তাই ভাবলাম স্ট্রেটেজিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনাদের উপকারে আসে।
       
      তাহলে আসুন জেনে নেই সহজ সেই স্ট্রেটেজিটিঃ    
      এই সহজ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য আপনাকে মুলত Winner নামের একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে আর এই ইন্ডিকেটরটি-ই হল এই স্ট্রেটেজির মূল কান্ডারি এবং তার সাথে Stochastic Oscillator ইন্ডিকেটরটিও রাখতে হবে, এজন্য Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০ ও ৮০ ব্যবহার করুন। এই Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে যেকোনো টাইমফ্রেমে যেকোনো পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমার মতে মিনিমাম ১ঘন্টা টাইম ফ্রেম ব্যবহার করলে অনেক বেশী সফলতা পাওয়া যায় যা পরীক্ষিত।   
       
      Winner ও Stochastic Oscillator দ্বারা ট্রেড চিত্রঃ
       

       
      ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ
      বাই এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর সবুজ লাইন লাল লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০এ বা তার নিচে থাকবে তখনই বাই ট্রেড করুন।
       
      সেল এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর লাল লাইন সবুজ লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০এ বা তার উপরে থাকবে তখন শুধুই সেল ট্রেড করুন।
       
      স্টপলস ও টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ আমি মনে করি যেকোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজির স্টপলস ও টেক প্রফিটের জন্য নিজের মস্তিস্ক/ট্রেডিংজ্ঞান ব্যবহার করাই শ্রেয়। তারপরও আপনি চাইলে এই স্ট্রেটেজির ক্ষেত্রে-  
       
      টেকপ্রফিট – এই স্ট্রেটেজিতে বাই ট্রেড এর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে মার্কেট কন্ডিশন Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০ বা তার উপরে/কাছাকছি আর সেল এর ক্ষেত্রে Stochastic Oscillator লেভেল ২০ বা তার নিচে/কাছাকাছি গেলে আপনার ট্রেড যাই প্রফিটে থাকুক ক্লোজ করে দিন।
      অন্যথায়ঃ ১৫/৩০মিনিটের টাইম ফ্রেমে ঃ ২০-৪০পিপ্স টেক প্রফিট দিন আর অন্যান্য টাইমফ্রেমের ক্ষেত্রে দৈনিক পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করুন।  
       
      স্টপলস - এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড এর স্টপলস এর ক্ষেত্রে আপনি যে টাইমফ্রেমে ট্রেডটি ওপেন করেছেন সে টাইম্ফ্রেমের বিগত হাই/লো রেট এর ৫পিপ্স উপরে/নিচে দিন। বা এ্যনালাইসিস করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে আপনি আপনার মত করে দিন।   
       
      সতর্কতা ঃ এ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করুন-
      যখন Winner ও Stochastic Oscillator দুটি ইনডিকেটর-ই ট্রেড করার ডিরেকশন দিবে শুধুমাত্র তখনই ট্রেড করুন, যদি দুটির একটি ইন্ডিকেটর আপনাকে ট্রেড করার সঠিক সিদ্ধান্ত না দেয় তাহলে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন।  হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। আগে ডেমোতে ট্রাই করুন, যদি আপনি মনে করেন এ স্ট্রেটেজি দ্বারা আপনি সফল তাহলে লাইভ একাউন্টে প্রয়োগ করুন।     
      কি ভাবছেন? 
      Winner ইন্ডিকেটরটি কোথায় পাবেন? চিন্তার কিছু নেই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোডগত কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন।
      winner.zip
       
      যদিও এই Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি দ্বারা সকল পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমি শুধু মেজর পেয়ারগুলোতে ট্রাই করেছি এবং মোটামুটি সফলতাও পেয়েছি। তাই আপনি আগে ডেমোতে আপনার প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারে যাচাই করে দেখুন। আশা করি Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি আপনাকে নিরাস করবে না।
       
      ধন্যবাদ।
       
      winner.zip

    • By A H Royal
      GBPUSD মার্কেট আউটলুক ২৯সেপ্টেম্বর থেকে ০৩অক্টোবর পর্যন্ত।
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটি বিগত সপ্তাহের প্রথম দিকে ১.৬৪১৫ পর্যন্ত বাই এ গিয়ে সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৬২৩৭ মুল্যে পর্যন্ত সেলে এসে ১.৬২৪৭ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে পেয়ারটি সকল টাইম ফ্রেমে সেল এ আছে। যেহেতু পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে এ সপ্তাহে বেশ কিছু নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। উক্ত পেয়ারের মেজর কারেন্সি USD এর এ সপ্তাহে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো মার্কেটে বেশ চমক দিতে পারে।
       
      যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সির অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে USD কারেন্সির হাই ইম্প্যাক্ট নিউজগুলো পেয়ারটিতে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে, আর এ মুবমেন্ট বাই/সেল যে কোনো দিকে হতে পারে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে এবং আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ভাল স্ক্যাল্পিং করা যাবে তবে যারা স্ক্যাল্পিং করে থাকেন তারা নিউজগুলোর দিন সাবধানে স্ক্যাল্পিং করবেন।
       
      যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে ১.৬১৪০/১.৬০২০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬৩৬০/১.৬৪৭০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
       
      তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম।
       
      GBPUSD ৪ঘন্টার চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ
       

       
      GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ
       

       
      দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬২৭২।
       
      রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬২৭০, ১.৬৩১১, ১.৬৩৬৭, ১.৬৪০৮, ১.৬৪৫১ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৫১৬।
       
      সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬২১৯, ১.৬১৭৪, ১.৬১৩২, ১.৬১০০, ১.৬০১৯ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৫৯৯৭।
       
      GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ
       
      ২৯ই সেপ্টেম্বর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন।
       
      ৩০ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে উভয় কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের দুটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে।
       
      দুপুর ২.৩০মিনিট         GBP  Current Account
      রাত ৮.০০মিনিট          USD  CB Consumer Confidence
       
      ০১ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এই দিনে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল হলে এদিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। তবে নিউজগুলোর মধ্যে GBP থেকে USD এর নিউজগুলো মার্কেটে বেশ ভালো প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেড করুন।
       
      দুপুর ২.৩০মিনিট         GBP  Manufacturing PMI
      সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট         USD  ADP Non-Farm Employment Change
      রাত ৮.০০মিনিট          USD  ISM Manufacturing PMI
       
      ০২ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে দুটি নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD এর নিউজটি পেয়ারটির মার্কেটে অধিক প্রভাব ফেলতে পারে এবং পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন।   
       
      দুপুর ২.৩০মিনিট         GBP  Construction PMI
      সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট         USD  Unemployment Claims
       
       
       
      ০৩ই অক্টোবর শুক্রবার –  মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে এবং পাশাপাশি GBP কারেন্সিতেও একটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটিতে হাই মুবমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর যদি USD এর নিউজগুলো অত্যাদিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ ফলো করে ট্রেড করুন।
       
      দুপুর ২.৩০মিনিট        GBP  Services PMI
      সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট        USD  Non-Farm Employment Change
      সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট        USD  Trade Balance
      সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট        USD  Unemployment Rate
      রাত ৮.০০মিনিট         USD  ISM Non-Manufacturing PMI
       
      উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD কারেন্সির নিউজগুলো বেশী ইপেক্টিভ বলে আমি মনে করি। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD এর নিউজগুলোর উপর-ই নিরভিরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে আর অপর দিকে GBP এর নিউজগুলো অত্যাধিক ভাল হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও বাই এ কিছুটা কারেকশন করবে।
         
      এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ
      মার্কেট প্রথম রেসিস্টেন্স ১.৬২৭০ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬২১৫ টেকপ্রফিট ৬০-৯০পিপ্স দিন।
      মার্কেট যদি সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬২১৯ ক্রস করে তাহলে ১.৬২১০ এ সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬২৮০ টেক প্রফিট ১০০-১২০ পিপ্স দিন।
      মার্কেট যদি বাই যায় তাহলে ১.৬৪৫০-১.৬৫১৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৫৩০ আর টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০ পিপ্স।
      এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৬১২০ থেকে ১.৬০৮০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৯৮৫ এবং টেক প্রফিট ৮০-১০০পিপ্স দিন।
       
      উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন।  
      উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো  করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন।
       
      ধন্যবাদ সবাইকে।
       
      বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
    • By A H Royal
      US Dollar এর উর্ধ্বগতি  VS Others কারেন্সি ট্রেডিং Now.
       
      ফরেক্স মার্কেটে US Dollar অনেক কারেন্সির বিরুদ্ধে ঝড়ের গতিতে ছুটছে, যা অনেক ট্রেডারকেই বিপদের সম্মুখীন করছে, বিশেষ করে যারা US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করেছেন বা এখনো ট্রেডে আছেন। মেজর পেয়ারগুলোতে US Dollar এর আধিপত্য এখন তুঙ্গে। তাই যেসব পেয়ারে US Dollar তার আধিপত্য বিস্তার করে আছে (EUEUSD, GBPUSD, AUDUSD, NZDUSD ও USDJPY) তাদের কতিপয় কারেন্সিতে এখন US Dollar এর বিপরীতে ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে, তাহলে আসুন জেনে নেই বর্তমানে এই মেজর পেয়ারগুলো কোন দিকে মুব করলে কিভাবে ট্রেড করবো।
       

       
      EUEUSD : পেয়ারটি সকল ট্রেডারেরই পছন্দের একটি পেয়ার কিন্তু বিগত চার মাস ধরে পেয়ারটি ১.৩৯৯০ থেকে কয়েকটি স্ট্রং সাপোর্ট আর অনেক ট্রেডারের এ্যনালাইসিসের বাঁধ ভেঙ্গে বিগত বছরের এপ্রিল ও জুন মাসের ডাবল বটম লেভেল ১.২৭৫৫ ক্রস করে বর্তমানে ১.২৭৩০ এ অবস্থান করছে এবং ১.২৬৬০-১.২৬০০ (২০১১ ডিসেম্বরের স্ট্রং সাপোর্ট মুল্য) পেয়ারটির আগামী স্ট্রং সাপোর্ট লেভেল আর ১.২৮০০-১.২৯০০ কে আগামী রেসিস্টেন্স লেভেল হিসেবে চিন্তিত করা যায়। যদি আপনি পেয়ারটিতে এই মুহূর্তে লং ট্রেড করতে চান তাহলে করতে পারেন তবে অবশ্যই স্টপ লস ১.২৬০০ দিন বা একটি সুবিধাজনক রেট এ লং ট্রেড করার জন্য আরেকটু অপেক্ষা করতে পারেন, তা হল ১.২৭০০ মুল্য ক্রস করে নিচে নামলেই ১.২৬৬০ এর উপরে যে কোনো মুল্যে  লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। ১.২৬৬০ মুল্যের উপরে লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি নেওয়ার নির্দিষ্ট একটি কারণ হলো বিগত তিন বছরে ১.২৬০০-১.২৬৬০ মুল্যে মার্কেট অনেকবারই এসেই আবার পুরোদমে বাই এ চলে গেছে তবে           পেয়ারটি ২০১২ এর জুন মাসে ১.২৬৬০ সাপোর্টটি ক্রস করার পর এর মুল্য ১.২০০০ এ এসে দাঁড়ায়, তাই যদি দুর্ভাগ্যবশতঃ পেয়ারটি ১.২৬০০ ক্রস করে নামতে থাকে তাহলে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন।
       
      GBPUSD : এ পেয়ারটিও অনেক ট্রেডারদের প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারের একটি, কিন্তু এটিও বিগত তিন মাস ধরে ১.৭১৮০ মুল্য থেকে ক্রমেই সেল এর দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ১.৬২৭৫ পর্যন্ত সেল এ গিয়ে বর্তমানে ১.৬৩১০মুল্যে মাসিক চার্টে হ্যামার ক্যান্ডেল তৈরির প্রক্রিয়ায় আছে, তাই পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে এখন লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দেওয়া যায় এক্ষেত্রে স্টপ লসের জন্য ফলো করুন ডিসেম্বর২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য  ১.৬২০০কে, তবে আরকেটি কাজ করতে পারেন পেয়ারটির মুল্য ১.৬১০০এর কাছাকাছি বা তার নিছে নামলে ১.৬০৫০ এর উপরে যেকোনো মুল্যে স্বল্প স্টপ লসে (১.৬০০০০) লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিতে পারেন, আর যদি ১.৬০৫০ মুল্য ক্রস করে পেয়ারটি সেল এ যায় তাহলে নবেম্বর২০১২ ও সেপ্টেম্বর, অক্টোবার২০১৩ এর সাপোর্ট মুল্য ১.৫৮৫০ এর কাছাকাছি আসতে পারে।
       
      AUDUSD : এ পেয়ারটিও ট্রেডারদেরকে কম নাচায়নি, চলতি মাসের আগের পাঁচ পাঁচটি মাস একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে(১৪০পিপ্স) ঘুরপাক করেছে এবং অনেক ট্রেডারের এ্যনালাসিসকে ফলস করে দিয়ে ট্রেড লস এ লক করে পেলেছে (যারা স্টপ লস ছাড়া ট্রেড করেন)। আপনি যদি পেয়ারটি মাসিক চার্টে দেখেন তাহলে আমার কথাগুলো বুঝবেন। চলতি মাসের প্রথম দিকেই পেয়ারটি ০.৯৪০০ থেকে হুট হুট করে বর্তমানে ০.৮৮১০ মুল্যে প্রায় ছয়’শ পিপ্স সেলে নামে, যা আসলেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মত, তবে আমার মতে পেয়ারটিতে লং/বাই ট্রেড করার সময় হয়ে এসেছে কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য(০.৮৮১০) ডিসেম্বর২০১৩ এর লো রেট(০.৮৬৫৯) এর কাছাকাছি। মাসিক ট্রেডার রা অবশ্যই এখন পেয়ারটিতে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিবেন তবে পেয়ারটির মার্কেট মুল্য ০.৮৭৫০ এর কাছাকাছি আসলে এবং স্টপ লস হিসেবে  জানুয়ারী২০১৪ এর লো রেট ০.৮৬৫০ দিন আর যদি পেয়ারটি .০৮৬৫০ মূল্যও ক্রস করে সেল ধাবিত হয় তাহলে ধরে নিন পেয়ারটি ফেব্রুয়ারী২০১০ এর লো রেট ০.৮৫০০ পর্যন্ত যেতে পারে।           
       
      NZDUSD : এই মেজর পেয়ারটিও বিগত তিন মাস ধরে ০.৮৮৩৮ মুল্য থেকে একচেটিয়া সেলে প্রায় ৯০০পিপ্স নেমে আসে যা অনেক ট্রেডারের-ই অকল্পনীয়। অকল্পনীয় হবেই বা না কেন! কারণ যেখানে একটার পর একটা স্ট্রং সাপোর্ট ও ডাবল বটম আছে সেখানে এভাবে একচেটিয়া সেল কি করে সম্ভব কিন্তু পেয়ারটি কোনো স্ট্রং সাপোর্টকে তোয়াক্কা না করেই একচেটিয়া সেলে নামতেই থাকে, তবে এখন সময় হয়েছে পেয়ারটিতে লং/বাই এ ট্রেড করার, কারণ পেয়ারটির বর্তমান মুল্য ফেব্রুয়ারী২০১২ এর কাছাকাছি এবং এ মুল্যে মার্কেট বিগত কয়েক বছর ধরে এসেই ফিরে যায়। তাই পেয়ারটিতে ০.৭৮০০-০.৭৮৫০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই করতে পারেন তবে এই মুল্যে বাই করলে স্টপ লস অবশ্যই জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ দিন, আর যদি পেয়ারটি জুন-সেপ্টেম্বর২০১৩ এর লো রেট ০.৭৬৫০ ক্রস করে সেলে নামে তহলে ধরে নিন পেয়ারটি ০.৭৬৫০ মুল্য থেকে আরো ১৫০-২০০পিপ্স সেলে নামবে।
       
      USDJPY : কচ্ছপ গতির দূরদর্শী JPY কারেন্সির এই পেয়ারটি বিগত আগস্ট ও সেপেটেম্বর এর এ সপ্তাহের মধ্যে হাটি হাটি পা পা করে ১০১.৫০ থেকে বর্তমানে বাই এ ১০৯.২৬ মুল্যে অবস্থান করছে যা প্রায় ৮৫০পিপ্স এর মত, আশ্চর্য না? হ্যাঁ, আশ্চর্যই তো, এই মেজর পেয়ারটির যে গতি তা দেখে কখনো কারো মনে হবেনা যে পেয়ারটি একচেটিয়া এত দূর পর্যন্ত আসতে পারে। পেয়ারটি যদি বর্তমান দৈনিক রেসিস্টেন্স ১০৯.৪৫ ক্রস করে উপরে যায় তাহলে পেয়ারটি ২০০৮এর হাই রেসিস্টেন্স রেট ১১০.৬০ পর্যন্ত যাওয়ার পসিবিলিটি আছে তবে ওই রেট ক্রস করলে আরো ২০০-৩০০পিপ্স বাই যেতে পারে। তবে আমি মনে করি পেয়ারটিতে এখন সেল এন্ট্রি দেওয়ার সময় আপনি চাইলে ১০৯.২০-৪০ এর মধ্যে সেল এন্ট্রি দিন এবং ৩০পিপ্স ব্যবহার করুন। যদি পেয়ারটি আরো বাই এ যায় তাহলে ১১০.২০-১১০.৬০ এর মধ্যে যে কোনো মুল্যে আবার সেল এন্ট্রি দিন আর এক্ষেত্রে স্বল্প স্টপ লস ১১০.৭০ ব্যবহার করুন।
       
      উপরোক্ত ট্রেডিং এ্যনালাইসিসগুলো শুধুমাত্র লং টাইম(মাসিক) ট্রেডাররা ফলো করবেন আর যদি দৈনিক ও সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করতে চান তাহলে অবশ্যই ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করতে পারেন। তবে স্টপ লস সবার ক্ষেত্রে একই থাকবে।
       
      ধন্যবাদ।