Bdforexpro.com will be sold with its all assets ! - (SEE DETAILS) Interested can Contact !

বিডিফরেক্সপ্রো' ফরেক্স সংক্রান্ত সব আলোচনা, মতামত এবং ফরেক্স শিক্ষা বিষয়ক এক উন্মক্ত এবং অনন্য স্থান। মান সম্মত আলোচনা, প্রতিনিয়ত গুরুত্তপুর্ন সব ট্রেডিং স্ট্রেটিজি এবং এনালাইসিসের মাধ্যমে সঠিক ট্রেডিং গাইডলাইন প্রদান বিডিফরেক্সপ্রো'র অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট। এই ফোরামে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ ফ্রী। পোস্ট এর পূর্বে অনুগ্রহ করে ফোরাম নিতিমালা গুলো পড়ে, বুঝে পোস্ট করুন। ধন্যবাদ;

  • ×   You have pasted content with formatting.   Remove formatting

      Only 75 emoticons maximum are allowed.

    ×   Your link has been automatically embedded.   Display as a link instead

    ×   Your previous content has been restored.   Clear editor

  • Similar Content

    • By Mhafiz™
      ১৯টি দেশের একক কারেন্সি হওয়াই EUR/USD বিশ্বের বহুল জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং কারেন্সি। দীর্ঘদিনের ইউরো ঋণ সংকটের কারনে ইউরো জোনের বেশ কিছু মাথাউঁচু দেশ যেমন গ্রিস, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, এবং স্পেন হেলে পড়েছিল এই ক্রাইসিস কোনভাবেই ইউরো’র পিছু ছাড়ছিল না। অবশেষে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং প্রেসিডেন্ট মারিও Draghi এর নেতৃত্বের সঙ্কটে পড়া দেশ গুলোর একটি যুগান্তকারি পদক্ষেপ মানিটারি ইউনিয়ন এর সাথে সংযুক্ত হওয়ায় আবার যেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে যার ফলাফল সরুপ গত সম্পুর্ন জুলাই মাস ধরে EUR ক্রমাগতিক ঊর্ধ্বগতি তা বলে দেয়।
      বর্তমানে জার্মানির অতিরিক্ত ট্রেডিং উৎসই বলে দেয় যে গোটা EUR এখন আর্থিক শক্তিশালী ; বর্তমানে যেহেতু নতুন কোন অবশিষ্টতা নেই তাই EUR ট্রেডিং আর অন্তপ্রবাহ বলে যে সাধারন কারেন্সির ঊর্ধ্বগতি এখন তুঙ্গে।
      ব্রেক্সিট এর পরে সমস্ত ইউরোপিয়ন এর মধ্য একটি ভয় কাজ করছিল যে পরবর্তীতে না জানি অন্য কোন দেশ জোন থেকে বের হয়ে যায়, এক দিকে ফ্রান্স অন্য দিকে ECB বন্ড ক্রয় থেকে সরে এসেছিল , সব মিলিয়ে কঠিন হুমকির মুখে ছিল গোটা ইউরোপিয়ান জোন, এতো কিছুর পর ও ইউরো যে তার হারানো অবস্থান ফেরাতে সক্ষম হয়েছে তার জোর করে বলার সময় এখনো হয়নি;  
      যাহোক এই পর্বে দেখা আসা যাক টেকনিকেল এনালাইসিস Pathway তে আগামি এক সপ্তাহের  EUR/USD সম্ভব্য টেডিং লাইন ;

      Weekly Closing Price: 1.1749
      Weekly Resistance: 1.1759
      EUR/USD 0.63% পজেটিভ পয়েন্টে ইউরো’র জন্য একটি সফল উইক ছিল; যা এই কারেন্সির জন্য সফলতম তৃতীয় সপ্তাহ; ২০+ দিনের ক্রমাগতিক উর্ধগতি কারেন্সিটি বর্তমান রেসিস্টেন্স ১.১৭৫৯ এ নিয়ে আসে; ক্রমাগত এই রেসিস্টেন্স এর ব্রেকিং EUR/USD কে  ১.২০ তে নিয়ে যাওয়ার সংকেত দেয়।
      আর কারেক্টিভ ওয়ে উক্ত কারেন্সিকে ১.১৫৫০-৮০ পর্যন্ত একটা মাইনর রিভার্স  এর সম্ভাবনা তৈরি করে;  
      তাই এই কারেন্সিতে ট্রেডারদের জন্য সাজেশন হল এই মুহুরতে বড় কোন সিদ্ধান্তে না যাওয়া, EUR/USD  একটা এক্সেসিভ রিভার্স পর্যন্ত চিন্তাভাবনা ঢালটা মুজবুত রাখবেন;
      Happy Trading ---- 
    • By Mhafiz™
      আনুমানিক পিভট-পয়েন্ট লেভেলঃ ১.০৬০৫

      সপ্তাহের দ্বিতীয়ভাগে মার্কেট এর ব্যাপক অস্থিতিশীলতার দরুন, EUR/USD সহ সব মেজর কারন্সিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয় যার ৩০% ও এখনো কারেকশন। মুলত EUR/USD ১.১০৫০ ফ্ল্যাট লেভেল থেকে গত কয়েকমাসে এটাই হাই ভলাটিলিটি যা উক্ত কারেন্সিকে ১.০৬০০ পর্যন্ত নিয়ে আসে, মুলত এর একটি মুল কারন হল USD কারেন্সির অগ্রগামী গতিশীলতা অর্থাৎ Unemployment rate সুচক এর কমতিতে এই একটি পরিবর্তন লক্ষণীয় অন্যদিকে EUR এর ভারসাম্যহীনতা।

      তবে EUR/USD এর ক্রমাগত বেয়ারিশ প্রেসার শেষে এই পর্যায়ে মার্কেট কিছুটা স্থিতি বিরাজমান। তাই টেকনিক্যাল টূলস অনুসারে বর্তমান মার্কেট রেইট ১.০৬০০ এর আরো বেয়ারিশ বেগ নিয়ে যেতে পারে সর্বনিম্ন ১.০৫০০—৪৫০০ পর্যন্ত। বিপরীতভাবে নিচের চিত্র অনুসারে,


       

      বেয়ারিশ লেভেল (V) কারেকশন শেষে মার্কেট আবার ঘুরে দাড়ানোর চেস্টা করছে,  বুলিশ প্রেসার ১.০৬০৫ ব্রেক লেভেল (ii) (iii) সম্পুর্ন হলে মার্কেট পুনরায় বায় প্রেসার লেভেল ১.১০০০ পর্যন্ত কাভার করার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বায় অর্ডারের ক্ষেত্রে অবশ্যই উক্ত লেভেল অনুসারে বায় ফোর্স দেখে ট্রেড নিতে পারেন।

      ভিবিন্ন টেকনিক্যাল টুলস অনুসারে এই কারেন্সির আরো কিছু ট্রেডিং পজিশনঃ

      RSI(14)                   41.098           Sell

      STOCH(9,6)             42.508           Sell

      MACD(12,26)           -0.001           Sell

      ADX(14)                  34.558           Sell

      Williams %R            -80.137         Oversold

      CCI(14)                   -90.3395       Sell

    • By Mhafiz™
      ফান্ডামেন্টাল
      গ্রিস পর্বের Euro Group meeting এর ফলাফলের জন্য এখন পর্যন্ত EUR স্থির অবস্থানে রয়েছে। সবার দৃষ্টি এখন Greece এর দিকে, প্রথম পয়েন্ট তাদের চড়া লোন সমস্যার সমাধান, ১ বিলিয়নের ও বেশি লোন পরিশোধে Greece এখন পর্যন্ত সমর্থ নয়। উক্ত গ্রিস ক্রাইসিস এর বর্তমান অবস্থার উপর ইতিমধ্যে সমস্ত EUR কারেন্সির উপর মার্জিন ১% থেকে উন্নিত করে ২% করা হয়েছে যা জুন ২৬ থেকে বলবত হয়েছে। কিন্তু এখনো জট ছুটেনি Greece Crisis এর। নতুন সপ্তাহে এই জট কতখানি ছুটবে সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলা জাচ্ছে না। কারন গত সপ্তাহের ট্রেডাররা মোটামুটি প্রিপারেশনে ছিল EUR কারেন্সি নিয়ে। কিন্তু Greece crisis অবস্থানের স্পষ্ট কোন ফলাফলের কারনে তেমন কিছুই হয়নি গত সপ্তাহে।
      আজকে আবার রবিবার থেকে চলতে থাকা Euro Group Meeting ডেডলাইন জুন ৩০ মঙ্গলবার। তাই প্রথম ২-৩ দিনের মার্কেট স্থির অবিচল।  এবং গত সপ্তাহে তেমন কোন লেনদেন না হওয়ার দরুন সোমবার পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকার ঘোষণা। তাই এখন পর্যন্ত EUR সঙ্কেত আশাজনক নয়, এমতবস্থায় EUR ট্রেডের বিষয়ে আপাতত বড় কোন সিধান্তে না পোঁছানো হবে বুদ্ধিমানের কাজ।   
      টেকনিক্যাল
      যদিও এই মুহূর্তে EUR কারেন্সি ট্রেডের ক্ষেত্রে অনেক খানি নির্ভর করছে Greece Events এর উপর, তবে টেকনিক্যাল এনালাইসিস আপনার সিদ্ধান্তকে স্থির রাখতে অনেকটুকু ভুমিকা পালন করবে।
      বর্তমান স্বাভাবিক মার্কেট ট্রেন্ড বেয়ারিশ, এবং গ্রিস ক্রাইসিস ও তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে, টেকনিক্যাল এনালাইসিস চার্ট অনুসারে EUR/USD কারেন্সির লাস্ট সাপোর্ট লেভেল ১.০৮০০ এবং রেসিসটেন্স লেভেল হল ১.১৬০০, অর্থাৎ ট্রেডিং রেঞ্জ হচ্ছে প্রায় ৮০০ পিপস লং ট্রেড অনুসারে, এবং বর্তমান মার্কেট ১.১১৬৫ অর্থাৎ প্রাইস এখন একদম মাঝামাঝি। আর এই জন্যই EUR/USD এই মুহূর্তে হয়তবা সবচেয়ে রিস্কি অবস্থায় আছে।
       
      উপরের চিত্ত অনুসারে, এই কারেন্সির উক্ত তিনটি টপ ( v, ii, iv ) এবং বটম ( i, iii, v ) লেভেলে মার্কেট এখন লেভেল ii অবস্থান করছে, যার প্রথম ব্রেকাউট লেভেল ১.১০০০ এবং দ্বিতীয় ব্রেকাউট লেভেল ১০৮০০ পর্যন্ত ইঙ্গিত করছে মুল দুটি কারেকশন লেভেল ১.১৩০০ এবং ১.১১০০ মাধ্যমে।
      ঠিক বিপরীতভাবে, ক্রিটিকেল লেভেল ১.১৪১১ এর ব্রেকাউটে মার্কেট প্রাইস লেভেল ১.১৫-১.১৬০০ পর্যন্ত রাইজ হতে পারে।
      ইন্ডিকেটর টুলস ফোরকাস্টঃ
      মুভিং এভারেজ – সাপ্তাহিক চার্টঃ  শক্তিশালি বেয়ারিশ মার্কেট অবস্থান।
      টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরসঃ সাপ্তাহিক চার্টঃ  বুলিশ মার্কেট
      পিভট পয়েন্টস – ডেইলি চার্টঃ ১.১৩২৬
      S1 – 1.1215                                    S2 – 1.1077                            S3 - 1.0966                 
      R1- 1.1464                                      R2- 1.1575                             R3 1.1713
    • By Mhafiz™
      ট্রেন্ডঃ বুলিশ
      স্টেপ আপ লেভেলঃ                      R1 – 1.1332                R2 – 1.1407                R3- 1.1482
      স্টেপ ডাউন লেভেলঃ                    S1- 1.1182                  S2- 1.1107                  S3- 1.1032
       
      এনালাইসিসঃ
      গত সপ্তাহের EUR বেশ ভালো বুলিশ ফোর্সে USD কে টক্কর দিয়েছিল, এই সপ্তাহে ও সেই টক্কর অব্যহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে টেকনিক্যাল টার্ম অনুযায়ী তাই মনে হচ্ছে। তবে যারা EUR/USD তে ট্রেড করবেন তাদের বলছি মার্কেট শুরুতে ট্রেডে নেমে না পড়ে বরং একটু সময় নিয়ে ট্রেডে ঢুকলে বুদ্ধিমানের কাজ করবেন, অর্থাৎ আমি বলছি একটি কারেকশন লেভেলের পর উক্ত কারেন্সিতে বায় ট্রেড করে যেতে পারেন; কারন টেকনিক্যাল টুলস অনুসারে EUR/USD এই সপ্তাহে ১.১৫০০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

      বিপরীত সিনারিও অনুসারে আসুন আরেকটু ভালোভাবে নিচের চার্ট অনুসারে দেখি কেমন খেইল দেখাতে পারে এই সপ্তাহের EUR v USD.
      নিচের চিত্র অনুযায়ী বর্তমান মার্কেট লেভেল থেকে S2 লেভেল ১.১১০৭ একটি বেয়ারিশ কারেকশন লেভেল রয়েছে, যার সম্ভব্য প্রতিফলনের পরেই মূল মার্কেট চিত্র দেখতে পারেন অথবা ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। তাই সাপোর্ট লেভেল ২ এর আগে স্ট্রং কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়াটাই হয়ত ভালো হবে।  আবার বিপরীত সিনারিওতে R1 কে টাচ করে ও তা ঘটতে পারে। তবে R1 ১.১৩৩২ এর পর আপনি বায় ফোর্স ট্রেডের জন্য স্ট্রং হতে পারেন। এই সপ্তহে EUR/USD এর জন্য  সর্বোচ্চ ক্রিটিকেল লেভেল হল ১.০৮০৭। যার ব্রেকআউট নিশ্চিত সেল মার্কেট তৈরি করবে। তাই সব গুলো লেভেল দেখে বুঝে ট্রেড করবেন।
      টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর অনুসারে EUR/USD মার্কেট ফোর্সঃ
       
        ইন্ডিকেটর                          মান                                   অ্যাকশন
      RSI (14) -                                ৫৫                                            বুলিশ
      STOCH(9,6)                           ৭৮                                            বুলিশ
      MACD(12,26)                         ৮৬                                            বুলিশ
      ADX (14)                                 ৩৫                                            বুলিশ
       
    • By Mhafiz™
      EUR/USD
      এই পেয়ারটি প্রাইস লেভেল ১.১০৫০ – ১.১১০০ তে বেশ স্ট্রং একটি সাপোর্ট লাইন তৈরি করেছে। গত সপ্তাহের ট্রেডিং রেজাল্ট অনুসারে এই কারেন্সিটি নিম্নগামি হতে পারে মার্কেট কারেকশন পারেস্পেক্টিভ থেকে। বর্তমান পিভট পয়েন্ট লেভেল হল ১.১৪৪৬। তাই এই সপ্তাহে শর্ট ট্রেড হিসেবে পিভট পয়েন্ট লেভের নিচে ১.১০৯০ পর্যন্ত ট্রেডিং ফ্লো হতে পারে। বিপরীতভাবে আবার পিভট পয়েন্ট লেভেল ১.১৪৪৬ ব্রেকআউটে বায় ফ্লো বেড়ে প্রাইস ১.১৫০০ – ১.১৬০০ পর্যন্ত ট্রেডিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
       
      চিত্রটি  লক্ষ্য করুন, ৪ ঘণ্টার টাইম ফ্রেমে ৩য় লেভেল প্রাইস ১.১৪৪৬ এক্সটেন্ড করে ১.১৪৬৫ পর্যন্ত ট্রেডিং হয়েছে গত সপ্তাহে। এবং ৪র্থ লেভেল থেকে প্রাইস পুনরায় ডাউন শুরু হয়েছে। তাই এই সপ্তাহের মার্কেট যদি নিম্নমুখী থাকে এবং প্রাইস যদি ক্রিটিকেল লেভেল ১.১৪৪৬ ব্রেক না করে তাহলে প্রাইস ডাউন হয়ে ১.১১০০ পর্যন্ত ট্রেড হওয়ার সম্ভাবনা আশা করা যাচ্ছে। মুলত এই সপ্তাহের টেকনিক্যাল মার্কেট বিহেবিয়ার শর্ট তারপর ও পিভট এবং ক্রিটিকেল লেভেল ব্রেকআউটের দিকে খেয়াল রেখে ট্রেড করলে ভালো করবেন।
      আরো কিছু কারেন্সির এই সপ্তাহের ট্রেডিং হেল্পঃ
      GBP/USD
      ডাউনপ্রেসারে আছে এই কারেন্সিটিও, পিভট পয়েন্ট লেভেল ১.৫৮২০ । এই পেয়ারে কারেকশন লেভেলের নিচে সেল ট্রেডে ১.৫৫০০ পর্যন্ত প্রাইস পোঁছাতে পারে। বিপরীতভাবে পিভট লেভেল ব্রেকআউটে প্রাইস ১.৬০০০ পর্যন্ত সম্ভাবনা আছে।
      AUD/USD
      পিভট পয়েন্ট লেভেল ০.৭৯৫৮। মার্কেট ট্রেন্ড বায় প্রেসার। পিভট লেভেলের উপরের বায় করে .৮৪০০ পর্যন্ত প্রফিট নিতে পারেন এই কারেন্সিতে। বিপরীতভাবে সেল প্রেসার মার্কেটে .৭৫০০ পর্যন্ত ট্রেডিং রেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
      USD/JPY
      এই কারেন্সিটর সেল কারেকশন মোটামুটি সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই কারেন্সিটি বায় প্রেসারে ট্রেড করার সম্ভাবনা আছে। পিভট পয়েন্ট লেভেল ১১৮.৪৮। বায় ট্রেডিং এ পজেটিভ উক্ত কারেন্সিটি, ১২২.০০ পর্যন্ত বায়িং প্রেসার থাকতে পারে এই সপ্তাহে। আবার, সেল ডিরেকশনে মার্কেট প্রাইস ১১৭.০০ পর্যন্ত আস্তে পারে উক্ত কারেন্সির ট্রেডিং ভলিয়াম।