পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -১] (Introducing)

পিপস'হ্যাকার
By পিপস'হ্যাকার in ট্রেডিং স্ট্রেটিজি,
পিপস হ্যাকিং উইথ বেস্ট ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন - [পর্ব -১] ক্যান্ডেলস্টিক কিঃ ফরেক্স ট্রেডিং চার্টের এক প্রকার চার্ট হল ক্যান্ডেলস্টিক চার্ট। যা জাপানিজ ফরমুলায় তৈরি ফরেক্স টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘ফরেক্স মার্কেটের প্রাইস পরিবর্তনের বিভিন্ন পদ্ধতিকে ক্যান্ডেলস্টিক এর বিভিন্ন ফর্মের সাথে সংজ্ঞায়িত করে ট্রেডিং এর যে একটি পদ্ধতি তা-ই ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস’। যেখানে আপনি ক্যান্ডেলস্টিক বিভিন্ন প্যাটার্ন দেখে পরবর্তী মার্কেট প্রাইস সিগনাল পেয়ে যাবেন। আপনার আমার মুল টার্গেট হচ্চে পিপস অর্জন করা, মুলত এই পিপস অর্জনের জন্য ফরেক্স ট্রেডিং সারা পৃথিবী জুড়ে ভিবিন্ন ট্রেডাররা বিভিন্ন রকম স্ট্রেটিজি এবং ফর্মুলা ব্যাবহার করে থাকে। যে যত বেশি ফর্মুলা, টেকনিক এপ্লাই করছে সে তত বেশি পিপস মেকিং এ এগিয়ে আছে, ফরেক্স ট্রেডিং এর অনেক স্ট্রেটিজি অনেক বস কাজ দেয় আবার কিছু কিছু স্ট্রেটিজি খুবই নিরাশ করা। এটা আপনাকে মেনে নিতে হবে কারণ মানুষ কতৃক সব সৃষ্টির এটাই স্বাক্ষর। আবার অনেক ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক রকম চমক দেখাচ্ছে। তাই নিরাশ হওয়ার কারণ নাই। তবে সেই ক্ষেত্রে আপনার যা করনীয় তা হল ভালোভাবে অনুশীলন করে তারপর ফাইনালি ব্যাবহার করা। যেহেতু ফরেক্স ট্রেডিং এর স্ট্রেটিজির কোন সীমারেখা নাই তাই এখানে শেখার ও কোন শেষ নেয়। তাই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম জাপানিজ ট্রেডিং থিওরি ‘ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন ট্রেডিং’ । আপনারা জেনে খুশি হবেন যে বিশের অনেক এক্সপার্ট ট্রেডার রয়েছে যারা শুধুমাত্র ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড করে। তাই এই পদ্ধতিটাকে ও আপনার আমার ছোট করে দেখার কোন কারণ নাই। যাহোক, এবার শুরু করা যাক । ক্যান্ডেলস্টিক শত শত প্যাটার্ন রয়েছে সব গুলো প্যাটার্ন আপনার পক্ষে মনে রেখে ট্রেড করা সম্ভব নয়। এবং সব গুলো ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন এর কাজে আপনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট থাকবেন না। তাই মুলত যেসব ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন গুলোর ভালো ট্রেডিং সাকসেস রেইট রয়েছে আমি মুলত সেই প্যাটার্ন গুলো নিয়ে আলোচনা করব। পরিচিতিঃ ক্যান্ডেলস্টিক চার্টে আপনি দু’ধরনের ক্যান্ডেল পাবেন, একটি হল বায় ক্যান্ডেল এবং আরেকটি হল সেল ক্যান্ডেল। বায় ক্যান্ডেল সাধারণত(Green or May be Hollow) এবং সেল ক্যান্ডেল (Red or May be Filled) কালার হয়ে থাকে। অবশ্য আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত কালারে সাজাতে পারেন। ক্যান্ডেল এর মুল বডি’র উপরে-নিচে যে দুটি রেখা থাকে সেগুলোকে Shadow বলা হয়, উপরেরটিকে আপার শেডো এবং নিচের টিকে লওয়ার শেডো বলা হয়। প্রাইস যদি ক্যান্ডেল এর নিচ থেকে শুরু(Open) করে উপর দিকে শেষ(Close) হয় তখন তাকে বায় ক্যান্ডেল বলা হয় এবং প্রাইস উপর থেকে শুরু(Open) হয়ে নিচের দেকে শেষ(Close) হয় তাকে সেল ক্যান্ডেল বলা হয়। অর্থাৎ একটি ক্যান্ডেলে আপনি চারটি প্রাইস ভেলু পাবেন, Open, Close, High and Low. এবং আপনি যে টাইম ফ্রেমে থাকবেন এক একটি ক্যান্ডেল এর ব্যাপ্তি হবে সেই সময় পর্যন্ত। ধরি আপনি ১৫ মিনিট টাইম ফ্রেমে আছেন তাহলে প্রতিটি ক্যান্ডেল তৈরি বা শেষ হবে ১৫ মিনিট পরপর। এই ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে আপনার কম্পিউটারের ঘড়ির সাথে মিলিয়ে নিতে ক্যান্ডেল শুরু এবং শেষ টা নিশ্চিত হতে পারেন। ধন্যবাদ, পরবর্তী পর্ব নিয়ে খুব শিগ্রই আসবো।
  • 3 replies