Leaderboard


Popular Content

Showing most liked content since 07/21/2018 in all areas

  1. 11 likes
    ১। বেসিক থেকে শুরু করুন। খুব সহজে বলতে হয় যে একজন ট্রেডার হতে হলে প্রথমে আপনাকে ফরেক্স মারকেট বেসিক টার্মগুলো জানতে হবে। রেগুলার অর্থাৎ ডেইলি বেসিসে আপনি আস্তে আস্তে বিষয় গুলো শিখবেন কোন রকম তাড়াহুড়ো ছাড়া। একদিনে একসাথে সব গুলো বিষয় শিখে বিশাল জ্ঞানী হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। সময় নিন , খুব বেশি এক্সসাইটেড হবেন না। ২। দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন। আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ফরেক্স হল শর্টকাটে এবং কম সময়ে ধনী হওয়ার একমাত্র পথ তাহলে আপনি ভুল করছেন। প্রথমে বিষয়টা ভালো ভাবে আয়ত্তে আনুন অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। শুধু মাত্র ফরেক্স নয় যেকোন ক্যারিয়ারে আপনি যত সময় ব্যয় করবেন আপনি তত বেশি লাভবান হবেন। আপনার বন্ধু যে সময়ে ১০০ পিপস অর্জন করে ঠিক একই সময়ে আপনি মাত্র কয়েক পিপস মেইক করেন, পার্থক্যটা কি? পার্থক্যটা হল অভিজ্ঞতা ! আপনার বন্ধু গত ৫ বছর ধরে ট্রেড করে আর আপনি সেই কয়েকদিন হল শুরু করেছেন। মনে রাখবেন ফরেক্স হল একটি ক্যারিয়ার , রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন স্কিম নয়। ৩। এক্সপার্ট হউন। শিখার শুরুতে অনেকে প্রথমেই খুজে বেড়ান এক্সপার্টদের, ভাবেন একজন এক্সপার্ট এর ছায়া পেলে বুঝি অল্প সময়ে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন, বিষয়টা পুরোপুরি অস্বীকার করছি না। তবে এক্সপার্ট হওয়ার সুপ্ত বাসনায় আপনার এক্সপার্ট হওয়ার পথে একধাপ। দিনে দিনে আপনার স্বাভাবিক শিখার ফলাফলই হচ্ছে এক্সপার্ট এর আরেক রুপ। কারন অভিজ্ঞতার আলোকেই এক্সপার্ট হওয়া যায় তাই নিজ অভিজ্ঞতা গুনে আপনার স্বপ্ন সফল করুন। এক্সপার্ট এর অভিজ্ঞতা তার সম্পূর্ণ নিজের আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে ঐ পথ পাড়ি দিবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত তা কেবল আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে। ৪। নিজের এনালাইসিস ব্যাবহার করুন। অন্ধের মত আরেকজনকে ফলো করা আপনাকে অন্ধই করে তুলবে। আপনার লক্ষ্য হল একজন সফল ট্রেডার হওয়া তাই এনালাইসিস মেথডগুলো ভালো ভাবে রপ্ত করে নিজেই নিজের ট্রেড এনালাইসিস করুন। নিজের আনালাইসিসে ট্রেড করতে সমর্থ হলে আপনার এনালাইসিসই আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার করে তুলবে। স্ব – ঘোষিত কোন গুরুকে অন্ধের মত ফলো করলে গুরু যখন তার টিপস প্রদান বন্ধ করে দিবে তখন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। তাই নিজেই নিজের গুরু হুউন। ৫। ডেমো সব কথার শ্রেষ্ঠ কথা হল ডেমো ট্রেডিং। ডেমো ট্রেডিং আপনাকে আপনার নতুন ট্রেডিং এর ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং ট্রেডিং এ খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। ডেমো ট্রেড ভিবিন্ন ব্রোকারের লাইভ ট্রেড থেকে সুপার যেমন ভালো আক্সিকিউশন স্পীড। প্রত্যেক ট্রেডিং মেথড এর টেস্ট হল ডেমো। ডেমো সাকসেস রেইট ভালো হলে তা লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। আপনার যত স্টাইল আছে তা সর্বপ্রথম ডেমোতে ব্যাবহার করুন। যেমন ইচ্ছে ট্রেড গুলো ডেমোতে ফলান। তারপর সিলেক্ট করুন কোন স্ট্রেটিজি গুলো রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন। ৬। ভুল থেকে শিখুন প্রতিবারের টেস্ট ট্রেড গুলোর সাকসেস এবং ফেইলার নোট নিন। পরপর তিনটি ব্যর্থ ট্রেডে কিছু সময়ের জন্য (আরো বেশি হতে পারে) ট্রেড থেকে অবসর নিন। এবং ব্রেকের পরে ঠান্ডা মাথায় আবার সময় দিন। তিনবার লস ট্রেডিং মেথড এ চতুর্থ বারের সাকসেস চিন্তা করে লাইভ করতে জাবেন না। লস ট্রেডগুলো নিয়ে এনালাইসিস শুরু করেন, ভুলটা কোথায় ছিল বা কেনো ঠিক কাজ করেনি। যথাঝথ কারন বের করে ভুল গুলো শুদ্রে পরবর্তী ট্রেডে অগ্রসর হউন। ৭। ভালো মেথড তৈরি করুন। নতুন বেশিরভাগ ট্রেডাররা প্রথমে লস করে। কারন হল অধিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রপার সময়ের আগে ট্রেড করা। তাই বলছি, অধিক পরিমানে উত্তেজিত হয়ে ট্রেড না করে, আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন, অভিজ্ঞতা নিন এবং মিনিমাম রিস্কে ট্রেড শুরু করুন। প্রতিবার ট্রেড করার পূর্বে ঠিক করুন এবং চেক করে নিন ট্রেডিং হাতিয়ার(স্ট্রেটিজি) ঠিক আছে কিনা। ট্রেডটি থেকে কত আশা করেন ইত্যাদি সবকিছু। ৮। নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন। প্রত্তেক ট্রেডিং মেথডের ভালো এবং খারাপ আছে। কোন ট্রেডিং মেথডই ১০০% প্রফিটেবল নয়। আপনার ট্রেডিং মেথডের ১০টি ট্রেডের মধ্যে ৭টি প্রফিট এবং ৩ টি লস আছে, আপনি সাকসেস। কখনো আপনার ট্রেডিং সাকসেস রেইট আরো কমে জেতে পারে সেই ক্ষেত্রে নিরাশ বা উত্তেজিত না হয়ে মারকেট চেঞ্জ বুঝে স্ট্রেটিজি আপডেট করুন এবং নিজের স্ট্রেটিজিতে স্ট্রিক থাকুন কারন আপনার স্ট্রেটিজি কতটুকু ফলফ্রুস তা কেবল আপনিই জানেন। ৯। সবকিছু সহজভাবে চিন্তা করুন। আপনার ট্রেডিং কে কোনভাবেই খুব বেশি কঠিন ভাবার কোন কারন নেই। সহজ ভাবে শুরু করুন দেখবেন আসলেই সহজ, মনে অঝথা কোন ভিতি সৃষ্টি দরকার নেই। নিজের সুবিধামত সময় নির্ধারণ করে ট্রেডে সময় দিন। সময় কম দিন কিন্তু তা জেনো ইফেক্টিভ হয়। অর্থাৎ যদি সময় বেশি দিতে না পারেন তাহলে যতটুকু দিবেন তা শুধু ট্রেডিং আর জন্য ব্যায় করুন। নতুন কোন স্ট্রেটিজির সূচনা করতে চাইলে আগে তা সময় নিয়ে সহজভাবে চিন্তা করুন, এনালাইসিস করে ঠিক করুন, ডেমোতে ফলাফল নিশ্চিত হউন। এবং সিদ্ধান্ত নিন। ১০। একটি পেয়ারে ট্রেড করুন। অনেকগুলো ট্রেড একসঙ্গে শুরু করে নিজের রিস্ক লেভেল এবং মাথায় অতিরিক্ত চাপ নিবেন না। তাই শুধুমাত্র একটি পেয়ার পছন্দ করুন ট্রেডিং আর জন্য। অনেক গুলো কারেন্সিই একসাথে ট্রেডের উপযোগী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ঐ কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করুন যার সম্পর্কে আপনার ধারনা ভাল। একসাথে যদি ৪-৫টি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করেন তাহলে আপনি ভালভাবে কোন পেয়ারের ক্যারেক্টার বুঝতে পারবেন না। এবং মিসগাইড হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রেড লস করবেন। ১১। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড প্রাকটিস করবেন , কারন সিঙ্গেল টাইমফ্রেমে ট্রেডের অনেকগুলো সুবিধা আছে যেমন, একক টাইমফ্রেমে ট্রেডিং এ আপনি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন যেখানে অনেকগুলো টাইমফ্রেম আপনাকে কিছুটা হলে কনফিউসড করতে পারে। একটি টাইমফ্রেম আপনাকে এনালাইসিসে ও হেল্প করবে প্রপার ডিসিশন নিতে, কারন একই চার্ট ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ভিন্ন ভিন্ন এনালাইসিস আর সূচনা করবে, তাই বিশেষ করে নতুনদের জন্য একটি টাইমফ্রেমে ট্রেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । ১২। ট্রেডিং চার্ট পরিষ্কার রাখুন। অনেক নতুন ট্রেডাররা মনে করে চার্টে যত বেশি ইনডিকেটর রাখা যায় তত ভালো, আসলে বিষয়টা এমন নয়, চার্টে ২-৩টির বেশি ইন্ডিকেটর রেখে চার্টকে এলোমেলো করে ট্রেডিং করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং অনেকগুলো ইনডিকেটর আপনাকে মিসগাইড করবে, আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন না, তাই ২-৩ টি ইন্ডিকেটর আর ক্যারেক্টার বুঝে অভিজ্ঞতার আলোকে ফাইনাল করুন। মুলত ট্রেডে ইন্ডিকেটর ব্যবহার আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটা শুধুমাত্র ব্যবহার হয় আপনার ট্রেডিং ডিসিশনকে স্মুথ করার জন্য। কারন অনেক অনেক ট্রেডার আছে যারা কোন ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করেই ট্রেডিং সাকসেস রেইট ৮০% এ ট্রেড করছে। আপনাকে বলছি না যে আপনি সব ইন্ডিকেটর রিমুভ করে ট্রেড করুন, ভালো ট্রেডার হতে হলে প্রথম পর্যায়ে আপনাকেও ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। ভালো ট্রেডিং আর জন্য সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লাইন গুলো ভালোভাবে বুঝুন।
  2. 6 likes
    আজকের আলোচনাটা খুব গুররুপুর্ন , ট্রেডিং তো কম বেশী করছেন, ভালো করছেন বা খারাপ সব মিলিয়ে ধরে নিলাম ট্রেডিং চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু মানসিক প্রস্তুতি যা ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে চরম প্রভাব ফেলে তা হয়ত না জেনেই ট্রেডিং এ প্রতিনিয়ত ভুল করছেন যা আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছেন না। হ্যাঁ আজকে আলোচনা করব সেই রকম কিছু সাইকোলজি নিয়ে যা আশা করছি আপনার ট্রেডিং এর প্রভাব আরো পজেটিভ করবে এবং ট্রেডিং হবে আরো উন্নত। ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে কেউ ই ১০০% পারফেক্ট নয়, এমন কি বিশ্বের যত নামীদামী ট্রেডার আছে তাদেরকে নিয়েই বলছি, কেউ তাদের ট্রেডকে ১০০% নিশ্চিত করতে পারে না। কারন মার্কেট বিসয়টি আপেক্ষিক। যে যত বেশী অভিজ্ঞ , যার ট্রেডিং অভিজ্ঞতা যত ভালো, যত বেশী সেই ততটা বেশী সুবিধার সাথে ট্রেড করতে পারেন, এটাই সত্যি। তাই বলছি সত্যি যদি ফরেক্স ট্রেডার হতে চান, নিয়মিত ভাবে ট্রেড করতে চান তাহলে প্লিজ অল্প বিদ্যা নিয়ে শুরু করবেন না, জানুন, বুঝুন, অনুশীলন করুন তারপর শুরু করুন। রুলস – ১ঃ ট্রেড করতে নিজেকে খুব বেশী স্মার্ট ভাবা বা খুব বেশী স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না; আপনি অনেক জ্ঞানী কিংবা অনেক বুদ্ধিমান সম্পুর্ন কিন্তু তাই বলে ফরেক্স ট্রেডিং এ শুরু করেই আপনি পেয়ে যাবেন সফলতা এমনটি ভাবার দরকার নেই। কারন বুদ্ধিমত্তা এবং ফরেক্স ট্রেডিং এই দুটি বিষয়ের পারস্পরিক কোন সম্পর্ক নেই। একজন অসম্পূর্ণ অতিরিক্ত স্মার্ট ট্রেডার যেমন ট্রেডের ক্ষেত্রে ঝুকিপুর্ন তেমনি একজন স্বাভাবিক মানের ট্রেডার তার চেয়ে অনেক প্রগতিশীল। আপনার ফরেক্স ট্রেডিং পারফর্মেন্স এর জন্য ইন্টেলিজেন্সি’র প্রভাব সামান্য কারন ফরেক্স মার্কেট পরিচালিত হয় স্বাভাবিক দিনের মানুষের উপর ভিত্তি করে। তাই ট্রেডার যদি হতেই হয় স্বাভাবিক, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলন দিয়েই শুরু করুন। রুলস -২ঃ ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস জেনে বুঝে ট্রেড করুন; ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বলতে আপনি কি বোঝেন, ইকোনোমিক ক্যালেন্ডার ডাটা দেখে প্রাইস আপ/ডাউন পয়েন্টে ট্রেড ওপেন করা ? তাহলে আমি বলব আপনি সম্পূর্ণই ভুল। আর ইনস্ট্যান্ট পয়েন্ট পাবলিশে সত্যি ট্রেড করতে পারেন? ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসে যদি ট্রেড করতে চান তাহলে নিউজ এনালাইসিস করুন, কোন কারেন্সির নিউজ, নিউজটি কি, বর্তমান ইকোনোমিক কন্ডিশন অনুসারে এই নিউজটির প্রভাব কি হতে পারে , এইভাবে স্টাডি করে তারপর নিউজ ইফেক্ট নিজেই আগে অবগত হয়ে যান এবং সময় মত সেই অনুসারে ট্রেড ওপেন করুন, এটাই ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর সঠিক নিয়ম। রুলস -৩ঃ সব সময় নিজেকে সঠিক রাখতে জোর করবেন না; আপনি যখন ট্রেড করেন তখন সব গুলো ট্রেড আপনার টার্গেট হিট করে না, আপনি তো সময় নিয়ে, সঠিকভাবে এনালাইসিস করেই ট্রেড ওপেন করেছেন যেখানে আপনার সবগুলো ট্রেড পজেটিভ হওয়ার কথা ছিল আপনার সাইকোলজি অনুসারে। ঠিক তখন মনে মার্কেট আপনার সাথে বেঈমানি করেছে, এমনটি তো হওয়ার কথা ছিল না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে একটা টেকনিক এপ্লাই করতে পারেন, কখনো নির্দিষ্ট একটি ট্রেডকে এক্সট্রা জোর দিবেন না, যেমন একটি ট্রেডকে হাই সাইজে ওপেন করে অনেক বেশী কনফিডেন্ট থেকে নির্দিষ্টভাবে একটি ট্রেডকে গাইড করা ইত্যাদি। বরং সবগুলো ট্রেডকে এভারেজ সেইম ভলিয়মে রেখে ট্রেড চালিয়ে যাওয়া এতে করে আপনার এভারেজ ট্রেড পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। রুলস – ৪ঃ ট্রেডিং এর জন্য মুল লার্নিং পিরিয়ডেই দক্ষতা অর্জন করে নিন; বেশীরভাগ ট্রেডার ট্রেড শুরু করে, তারপর লার্ন করে। বুঝতে পারে না যে ট্রেড শুরু করার আগে যে দক্ষতা দরকার তা ট্রেড শুরু করার পর ক্ষতি ছাড়া আসে না। লার্নিং এর ক্ষেত্রে যখন দু’তিনটি টুলস এর মাধ্যমে বায়/সেল সিগন্যাল পেয়ে যায় তখন ই লার্নিং বন্ধ করে দেয়। বডি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যেমন , মাসল, শোল্ডার, চেস্ট, থাই সব নানা অঙ্গের সঠিক অনুশীলন জরুরি, মাসল বড় করতে কার্লিং মারার সময় উভয় হাতের ব্যাল্যান্স যেমন জরুরি নচেৎ একটা মাসল বড় আরেকটা ছোট হয়ে যাবে, এবং ব্যায়ামটাই অনর্থক মনে হবে। ঠিক তেমনি ট্রেডিং লার্নিং এর সময় মৌলিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা নিয়েই ট্রেড শুরু করতে হবে; রুলস – ৫ঃ যেকোন কিছুই ঘটতে পারে সবসময় এই মানসিক প্রস্তুতি রাখা। যেহেতু এটা একটা বর্ডারলেস মার্কেট, এখানেই বৃত্তই দেখবেন সীমারেখা দেখবেন না। অর্থাৎ মার্কেটটি যেহেতু সম্পূর্ণ এনালাইসিস এবং অর্থনৈতিক নির্ভর তাই এইখানে মুদ্রার প্রভাবে অনেক সময় অনেক কিছুই ঘটতে পারে। তাই ট্রেডের ক্ষেত্রে সব সময় নিজের লিমিট/রিস্ক ঠিক রেখে ট্রেড করুন। আপনার ক্ষমতার বাইরে থেকে কিছুই চিন্তা করবেন না বা করবেন না। রুলস -৬ঃ দৌড়ানোর আগে হাটার অভ্যাস করুন; হেডলাইন দেখেই অনেক কিছু বুঝে নিয়েছেন আসা করছি, হ্যাঁ আমি তাই বলছি শুরুতেই কখনো এক লাফে গাছের গোড়া থেকে আগায় উঠতে চেষ্টা করবেন না। আস্তে আস্তে ছোট ছোট ট্রেড থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের ট্রেডিং স্ট্রেটিজি সফলতা, অভিজ্ঞতা কে এক সুতোই বেঁধে আস্তে আস্তে সব গুলো সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকুন। এতে করে আপনার কিছু বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবে না, আর যার সুফল আপনি এখনকার চেয়ে পরে আরো ভালো পাবেন। উপরের পয়েন্টস গুলো খুব কার্যকরীভাবে নিজের ভেতর চিন্তা করুন এবং যদি মনে হয় যে আপানার মাঝে এমন কিছু আছে তাহলে ভুল থেকে শিখে সঠিক নিয়মে এগুতে থাকুন অবশ্যই সফল হবেন।
  3. 1 like
    হ্যাঁ আপনি পারবেন, তবে যদি এই পেয়ার গুলো আপনার সিলেক্টেড ব্রোকারে থাকে। আমি ForexChief এ ট্রেড করি, সেখানে এই পেয়ার গুলো আছে। এখানে বাই/সেল ট্রেড ওপেন করতে হয়। বাই মানে এন্ট্রি প্রাইস থেকে উপরে গেলে লাভ আর নিচে গেলে লস এবং অপর দিকে সেল বাই এর উলটা। এখন আপনি বাই/সেল যেটাই করেন আপনাকে ক্লোজ করতে হবে। আপনি যদি ক্লোজ না করেন তাহলে ক্লোজ হবে না। কিন্তু লস ট্রেড থাকলে একাউন্ট ব্যালেন্স থাকা পর্যন্ত থাকবে। তবে ট্রেডিং ক্রেডিট থাকলে সেটা একাউন্ট ব্যালেন্সকে সেফ রাখবে (ForexChief এ আপনি এই সুবিধা পাবেন, ডিপোজিট এর উপর ৫০% ট্রেডিং ক্রেডিট বোনাস দিয়ে থাকে।)
  4. 1 like
    How to Earn from Forex Market- একটু মনোযোগ সহকারে এই আর্টিকেলটি পড়ুন। কারন এটা যদি আপনি বুঝতে পারেন তাহলে ফরেক্স ট্রেড কিভাবে কাজ করে এটা আপনি বুঝতে পারবেন। এক কথায় আমরা বলতে পারি আপনি প্রায় ৮০% ফরেক্স ট্রেড বুঝে যাবেন। ফরেক্স মার্কেটে প্রায় সবকিছুই ট্রেড করা হয়ে থাকে কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পরিমাণ হচ্ছে কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড। একটি মুদ্রার বিপরীতে অন্য একটি মুদ্রার কেনাবেচা করে প্রফিট করা যায়। মুদ্রা সর্বদায় পরিবর্তনশীল। কখনও কোনও একটি নির্দিষ্ট মুদ্রা অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হয় এবং কখনও এটি দুর্বল হয়ে পরে। আপনি পত্রিকায় দেখে থাকবেন যে, কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়। এখন ধরুন আপনার কাছে ১০০ ডলার আছে। আপনি সেটাকে এক্সচেঞ্জ করে জাপানিজ ইয়েন করবেন। যদি ডলার শক্তিশালী হয়ে থাকে তাহলে USD/JPY এর এক্সচেঞ্জ রেট আপনি অনেক বেশী পাবেন। ধরুন, আপনি $100 er বিপরীতে 1000 Yen পেলেন। এখন আপনার কাছে 1000 Yen আছে। যখন Yen শক্তিশালী হতে থাকবে তখন আপনি সেটাকে ডলার এর বিপরীতে এক্সচেঞ্জ করলে বেশী পরিমাণ অর্থ পেতে পারেন। এটাই হচ্ছে ফরেক্স ট্রেড এর মূল সুত্র। আবার ধরুন, আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে পাউন্ড এর দাম পরে গেলে আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড কিনে রাখতে পারেন। আবার, পাউন্ড-ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, পাউন্ড বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন। হয়ত আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিলো যা বিক্রয় করে আপনি ৮০ পাউন্ড ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে পাউন্ডের দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি। যেমন, আপনি যদি DSE তে ট্রেড করে থাকেন এবং সেখানে যদি BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ করে কেনা থাকে তাহলে আপনি প্রফিট করতে পারবেন তখনি যখন BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ এর উপরে পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ আপনি শুদুমাত্র বাই (Buy) এ প্রফিট করতে পারবেন। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে আপনি দুই দিকেই ট্রেড করতে পারবেন। যেমন, ফরেক্স মার্কেটে আপনি Google এর শেয়ার চাইলে সেল (Sell) করেও প্রফিট করতে পারবেন। ধরুন আপনি $800 করে আপনি Google এর শেয়ারে সেল (Sell) কোট করলেন। এখন Google এর শেয়ার প্রাইস যদি $800 এর নিচে চলে আসে তাহলেই আপনার প্রফিট। অন্যদিকে, আপনি যদি Google এর শেয়ার $800 তে বাই (Buy) করেন এবং মার্কেট প্রাইস যদি $800 এর উপরে যায় তাহলেও আপনার প্রফিট। তার মানে বুঝতেই পারছেন, ফরেক্স মার্কেটে আপনার Two Way তে ট্রেড করতে পারবেন এবং এটাই হচ্ছে ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বেশী সুবিধা। আপনি কোনও কারেন্সি বাই করেও প্রফিট করতে পারবেন এবং সেল এ ও প্রফিট করতে পারেন। সুতরাং, ফরেক্স মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
  5. 1 like
    ফোরেক্স চিফ থেকে $100 ফ্রি স্বাগত বোনাস দেওয়া হচ্ছে। কোম্পানির সেবা চেক এবং নির্বাচন করা ট্রেডিং কৌশল পরীক্ষা করার জন্য স্বাগত বোনাস এর থেকে ভাল কোন উপায় নেই। আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার অ্যাকাউন্টে নো ডিপোজিট বোনাস ফোরেক্স পাবেন, যাচাইয়ের জন্য কোনও ব্যক্তিগত নথি প্রয়োজন হবে না। ওয়েবসাইট: https://www.forexchief.com ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম: মেটাট্রেডার ৪ অ্যাকাউন্টের ধরন: স্ট্যান্ডার্ড এবং সেন্ট অ্যাকাউন্ট লিভারেজ: ১:৪০০ পর্যন্ত স্প্রেড: ০ পিপস থেকে শুরু এক্সিকিউশন প্রকার: মার্কেট এক্সিকিউশন অ্যাকাউন্ট মুদ্রা: USD, EUR, GBP, CHF, JPY ন্যূনতম জমা: $১০০(আথবা সমমান) সেবা সমূহ: টার্নওভার বোনাস ট্রেডিং ক্রেডিট স্বাগতম বোনাস $১০০ পার্টনারশীপ প্রোগ্রাম «আইবি প্রো»