A H Royal

Members
  • Content count

    169
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    127

Everything posted by A H Royal

  1. বন্ধুরা, আপনারা অনেকেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে জানেন আর অনেকে হয়তো জানেন না। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে অনেকেই ট্রেড করেন আর অনেকে হয়তো ফিবনাচ্চি (Fibonacci) সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত না। মূলত ফিবনাচ্চি (Fibonacci) হলো লং টাইম ট্রেড করার জন্য, বিশেষ করে যারা সাপ্তাহিক বা মাসিক ট্রেড করে থাকে তারাই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ব্যবহার করে থাকেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে পৃথিবীর অনেক ট্রেডারই তাদের সাকসেস ট্রেড পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছে এটা অস্বীকার করা অসম্ভব তেমনিই অনেক ট্রেডার আবার ফিবনাচ্চিকে(Fibonacci) তাদের ট্রেডের মূল উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুতারাং আজকে আমি আপনাদের সাথে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) দিয়ে কিভাবে ট্রেড করবেন তাই শেয়ার করবো। তাহলে আসুন জেনে নেই ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং পদ্ধতি। যে ভাবে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেডিং এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় ইন্ডিকেটর সেটাপ করবেনঃ টাইম ফ্রেম – ৪ঘন্টা। পেয়ার – যে কোনো। ইন্ডিকেটর সেটাপঃ মনে রাখবেন ফিবনাচ্চি-ই(Fibonacci) আমাদের প্রধান উপকরণ। বাকী ইন্ডিকেটরগুলো শুধুমাত্র আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। EMA100 – Green (আপট্রেন্ড এর জন্য)। SMA150 – Red (ডাউনট্রেন্ড এর জন্য)। RSI (14) – ডে চার্ট এ। আমারা ফিবনাচ্চি’র (Fibonacci) যে Retracement Levels গুলো ব্যবহার করবো সেগুলো হলো – ২৩.৬, ৩৮.২, ৬১.৮, ও ৭৫ এ। স্টপ লস যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে আমারা প্রায় ১০০পিপস স্টপ লস দিব। অথবা বাই এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল ০.২৩ এর নিচে আর সেল এর ক্ষেত্রে ফিবনাচ্চি’র (Fobonacci) লেভেল .৭৫ এ দিতে পারেন। টেক প্রফিট যেভাবে দিবেন – এ পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে টেক প্রফিট না দিয়ে দেখে শুনে ট্রেড ক্লোজ করলে ভালো হয়। তবে উক্ত কারেন্সির মার্কেট ট্রেন্ড দেখে ১৫০-২০০ পিপস দিতে পারেন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার নিয়ম – বর্তমান মার্কেট এর কাছাকাছি (Price Wave) তরঙ্গ থেকে ৫০ পিপস উপরে ও ৫০পিপস নিচের (সর্বমোট ১০০পিপস) হাই/লো রেট বাছাই করুন। এবং ঐ ১০০ পিপস রেট এর মধ্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ফিবনাচ্চি (Fibonacci) লেভেল যখন .৩৮ ও .৬১ এর মধ্যে মার্কেট (Price Wave) তরঙ্গের সৃষ্টি হয় তখন আমরা সেটাকে Must Channel Area বলি। ট্রেড এ এন্ট্রি করার নিয়ম – ট্রেড এ এন্ট্রি করার জন্য সবসময় নিচের ইন্ডিকেটর গুলোর নিয়ম অনুস্মরণ করুন। EMA এবং SMA যে নির্দেশনা দিবে সেটা অনুস্মরণ করুন। যেমনঃ EMA এবং SMA এর দুটি লাইনের মধ্যে যখন দেখবেন সবুজ( EMA) লাইনটি উপরে তখন বুঝে নিবেন যে মার্কেট আপট্রেন্ড আর লাল ( SMA) লাইনটি উপরে থাকলে ডাউনট্রেন্ড। RSI নির্দেশনা – RSI লেভেল ৫০ এর নিচে হলে সেল ট্রেড করুন আর RSI লেভেল ৫০ এর উপরে হলে বাই ট্রেড করুন। আমরা একটি তরঙ্গে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর মার্কেট রেট ১০০পিপস উপরে/নিচে গিয়ে যখন আরেকটি মার্কেট তরঙ্গের সৃষ্টি হবে (যেটাকে Must Channel Area বলে) শুধুমাত্র সে তরঙ্গেই এ পদ্ধতিতে ট্রেড ওপেন করবেন। যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .২৩ লেভেল এর নিচে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা সেল ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার বাই ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। আর যদি বর্তমান মার্কেট এর পুরো ক্যান্ডেলটি (সেডো সহ) ফিবনাচ্চি (Fibonacci) .৭৫ লেভেল এর উপরে ক্লোজ হয় তাহলে আমরা বাই ট্রেড ওপেন করবো, যদি ঐ অবস্থায় আপনার সেল ট্রেড থাকে তাহলে আমার মতে সেটা ক্লোজ করে দেয়াই ভালো নতুবা আপনার লস এর পরিমান আরো অনেক বেড়ে যেতে পারে। নিচে চিত্রের সাহায্যে ফিবনাচ্চি (Fibonacci) ট্রেড দেখানো হলঃ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার বিধি-নিষেধঃ মার্কেট ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিন।স্টপ লস ব্যবহার করুন।মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং ডে তে এ পদ্ধতিতে ট্রেড থেকে বিরত থাকুন।অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করবেন যেহেতূ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করতে হলে স্টপলস এর পরিমান বেশী ব্যবহার করতে হয়। এজন্য আমি বলবো ট্রেড ভলিউম কমিয়ে করুন। জরুরীঃ ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকার পর যখন একবার ১০০পিপস এর বেশী একটা তরঙ্গ হয়ে যাবে তখন আবার নতুন করে পরবর্তী তরঙ্গে নতুন ফিবনাচ্চি (Fibonacci) আঁকুন। ধন্যবাদ।
  2. প্রিয় ট্রেডার বন্ধুর, আপনারা লক্ষ করেছেন যে ফরেক্স মার্কেট এ বেশীর ভাগ দিনেই ৩০-৬০পিপিস এর বেশী মুভমেন্ট হয়না, এতে করে অনেক ট্রেডারই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা। তাই আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে আপনাদের সাথে (আমার পরীক্ষিত) এমন একটি ট্রেড স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা প্রতিদিনই ট্রেড করে সফল হতে পারবেন। আজকের ট্রেড স্ট্যাটিজির কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বোকা বলতে/ভাবতে পারেন। কারণ, আজকে আমি আপনাদের সাথে পাঁচ মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড করার একটা স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো, যার দ্বারা আপনার হয়তো অনেক লাভ হবেনা কিন্তু মার্কেট যখন মুভমেন্ট কম থাকবে তখনও আপনি ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। এটা হলো একধরনের স্কেল্পিং ট্রেড স্ট্যাটিজি, মার্কেটের মুভমেন্ট যখন কম থাকে আমি নিজেও এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করি এবং ৭৫-৮০% সফলতা পেয়ে থাকি। নিম্নে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলঃ আপনারা উপরে যে চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন তা হলো ৫মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র। আসুন ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর নিয়মগুলো জেনে নেইঃ পাঁচ মিনিটের ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র ব্যবহার করুন। এবং লক্ষ করুন যে পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) কিনা। আর হলে ক্যান্ডেলগুলো নুন্যতম ৫-৭পিপস এর কিনা। তাহলেই আপনি ৫মিনিট এর টাইমফ্রেমে ট্রেড ওপেন করতে পারেন। কিভাবে ট্রেড ওপেন করবেনঃ যখন দেখবেন পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) গিয়ে তৃতীয় ক্যান্ডেলটি শেষ হবে এবং চতুর্থ ক্যান্ডেলটি শুরু হয়ে ২-৪পিপস অফোসিট দিকে যাবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডটি (তিনটি ক্যান্ডেল যে দিকে ছিল সে দিকে) ওপেন করুন। এবং ১০পিপস টেক প্রফিট ও ১৫পিপস স্টপ লস ব্যবহার করুন। যদিও টেক প্রফিট এর চেয়ে স্টপ লস বেশী তাতে কি ৭৫-৮০% সময়ই তো আপনার টেক প্রফিট এ ট্রেড ক্লোজ হচ্ছে। ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর সতর্কতাঃ মার্কেট ট্রেন্ড (১ঘন্টায়) যে দিকে বিশেষ করে সে দিকে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন। নিউজ আওয়ার এ ধরনের ট্রেড করবেন না। মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং টাইম এ ধরনের ট্রেড করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে কোন কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ এক কথায় যে পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট ভালো সেগুলোতে যেমনঃ GBP/USD, GBP/JPY, EUR/USD, EUR/JPY, USD/CHF ও USD/CAD । এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার জন্য কখনো স্লো মুভমেন্টের এবং মেজর ক্রস পেয়ার বাচাই করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার আগে প্রয়োজনে ডেমোতে ট্রাই করুন, ডেমোতে ট্রাই করার পর আপনি যদি মনে করেন যে এ পদ্ধতিতে ভাল লাভ করা সম্ভব তখন আপনি মিনি ও মাইক্রো লাইভ একাউন্ট এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। ধন্যবাদ।
  3. ফরেক্স ট্রেডিং এর বিভিন্ন সেশন বিস্তারিত (১ম অংশ)। বন্ধুরা, আপনারা সবাই জানেন যে, ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার একটি অন্যতম সুবিধা হল এখানে সপ্তাহে ৫ দিন ( শনি ও রবিবার বাদ দিয়ে ) ২৪ ঘণ্টাই ট্রেড করা যায় বা মার্কেট খোলা থাকে যা পৃথিবীর অন্য কোনো স্টক মার্কেটে দেখা যায় না। ফরেক্স মার্কেটে প্রতিদিনের ট্রেডিংকে তিনটি সেশন এর মাধ্যমে ভাগ করা হয়। যেমন – ইউরোপিয়ান, আমেরিকান ও এশিয়ান সেশন। এগুলো আবার লন্ডন, নিউ ইয়র্ক ও টকিও+সিডনি সেশন নামেও পরিচিত। কারন ফরেক্সে লেনদেন কখনো এক জায়গা বা একয়ই সময়ে হয় না। উদাহরণস্বরূপ – আমরা জানি আমেরিকার সাথে আমাদের ১১-১২ ঘন্টা সময়ের পার্থক্য অথ্যাত আমাদের যখন দিন তখন তাদের রাত, এখন আপনি একজন বাংলাদেশী আর আপনি চাইছেন বাংলাদেশে বসে আমেরিকার সাথে আপনার ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করতে, তাহলে আপনি কি আপনার অফিস আওয়ার ফলো করে তাদের সাথে ব্যবসা করতে পারবেন? উত্তরে অবশ্যই না, কারণ আপনি তাদের সাথে অফিসিয়াল ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই তাদের অফিস আওয়ার ফলো করতে হবে ঠিক তেমনি তারাও আপনার অফিস আওয়ার ফলো করতে হবে। আশা করি এতক্ষণে ব্যপারটি আপনার কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে। যখন লন্ডন ট্রেডাররা ট্রেডিং শেষ করে তখন নিউ ইয়র্ক ট্রেডাররা ট্রেডিং শুরু করে। আবার যখন নিউ ইয়র্ক ট্রেডাররা ট্রেডিং শেষ করে তখন সিডনি/টোকিও ট্রেডাররা ট্রেডিং শুরু করে। বিভিন্ন ট্রেডিং সেশন এর বৈশিষ্ট্যঃ প্রত্যেকটা ট্রেডিং সেশনের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আবার যখন কোন নির্দিষ্ট দেশের সেশন চালু থাকবে তখন ঐ দেশের কারেন্সির লেনদেন বেশি পরিমানে হয়ে থাকে এটাই স্বাভাবিক। উদাহরণস্বরূপ - যদি এশিয়ান সেশন খোলা থাকে তবে জাপান এর কোম্পানি গুলো অন্যান্য দেশের সাথে লেনদেন এ লিপ্ত হবে । ফলে জাপান এর কারেন্সি ইয়েন এর লেনদেন বেশি হবে, আবার যখন ইউরোপিয়ান সেশন খোলা থাকবে তখন ইউরোপ এর বিভিন্ন দেশের কোম্পানি গুলো অন্যান্য দেশের সাথে লেনদেন এ লিপ্ত হবে। ফলে ইউরোপ এর কারেন্সি ইউরো এর লেনদেন বেশি হবে। আবার যখন ইউরোপিয়ান সেশন বন্ধ হয়ে যায় তখন ঐ দেশের কোম্পানি গুলো লেনদেন কমিয়ে দেয়, ফলে ইউরো এর লেনদেন কমে যায়। সুতরাং একটি নির্দিষ্ট দেশের কারেন্সির লেনদেন, মুভমেন্ট এর ধরণ একটি নির্দিষ্ট সেশন খোলা বা বন্ধের জন্য প্রভাবিত হতে পারে। ফরেক্স ট্রেডিং সেশন: নিচের চিত্রটি GMT কে অনুসরণ করে সামার ও উইন্টার সিজনে বিভিন্ন সেশন এর খোলা ও বন্ধের সময় দেখানো হল। উপরের টেবিলটিতে GMT কে অনুসরণ করে বিভিন্ন ট্রেডিং সেশনের সময় প্রদর্শন করা হয়েছে। আপনি আপনার প্রয়োজনে এর সাথে আপনার অবস্থান অনুযায়ী সময় যোগ/বিয়োগ করে ঠিক করে নিন। আপনারা জানেন যে, কোন ট্রেডিং সেশনই এক সপ্তাহ ধরে খোলা থাকে না। ট্রেডিং সপ্তাহ সিডনি সেশন দিয়ে শুরু হয় এবং শেষ হয় নিউ ইয়র্ক সেশন এর মাধ্যমে। বিশ্বে আপনার অবস্থান এর উপর নির্ভর করে দিন ও সময় আলাদা হয়। এখন আপনি যদি জাপান এ বাস করেন তবে দিন শুরু হবে সোমবার সকাল থেকে। আবার আপনি যদি ইউরোপ এ বাস করেন তবে দিন শুরু হবে রবিবার বিকেল থেকে। সেশনগুলোর বৈশিষ্ট্য: সেশন ভেদে প্রত্যেকটি ট্রেডিং সেশনের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাহলে আসুন জেনে নেই ট্রেডিং সেশনগুলোর যাবতীয় বৈশিষ্ট্যসমুহঃ এশিয়ান সেশনঃ এশিয়ান সিডনি সেশন বর্তমানে শুরু হয় ২১ GMT তে। শুধুমাত্র সিডনি সেশন এ লেনদেন কম এর ফলে প্রাইস এর উঠা নামা কম। তবে 00 :00 GMT তে টকিও সেশন খুলে গেলে লেনদেন এর পরিমান বেড়ে যায়। US & UK এর তুলনাই এশিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ার মার্কেট ছোট হওয়াতে এ সময়ে লেনদেন কম হয়ে থাকে। আর এ সময় স্প্রেড এর পরিমাণও একটু বেশি হয়। এশিয়ান সেশন এ Aud & Nzd ডলার এবং জাপানিজ Yen এর লেনদেন বেশি পরিমানে হয়। সুতরাং এশিয়ান সেশন এ বেশি ট্রেডেবল কারেন্সিগুলো হল - AUD/USD, AUD/JPY, AUD/NZD, JPY/USD, NZD/JPY ও NZD/USD. যেহেতু এশিয়ান সেশনে লেনদেনের পরিমান কম ও স্প্রেড এর পরিমান বেশী হয়ে থাকে তাই আমি মনে করি এ সেশনে মোটামুটি লাভ নিশ্চিত না জেনে ট্রেড/অর্ডার না দেওয়াই ভাল। আর এ সেশনে সফল ট্রেড করতে আপনাকে বেশীরভাগ সময়ই ভোর রাত/ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে আর যদি ভোরে উঠতেই না পারেন তাহলে রাত জেগে বসে থাকতে হবে, তাই এ সেশনে ট্রেড করতে বা করার জন্য সুদৃঢ় চিন্তা-ভাবনা করে অগ্রসর হউন। অন্য সেশনগুলো সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন আগামী দিনের পোষ্টে......... ধন্যবাদ।
  4. একজন ট্রেডার হিসেবে আমরা সবাই চাই ভালো একটি ব্রোকার এ ট্রেড করতে, যে ব্রোকার এ কোনো প্রকার দুর্নীতি থাকবেনা, কিন্তু বেশীরভাগ ট্রেডার-ই যাচাই না করে পরিচিত জনের কথায় বা যেকোনো মাধ্যেমে হুট করেই লাইভ একাউন্ট করে ট্রেড শুরু করে এবং যে কোনো এক সময় এসে সে ব্রোকারের যাবতীয় দুর্নীতির খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যায় বা যাবতীয় সমস্যার সম্মুখীন হয়। এক্ষেত্রে আমি বলবো এটা সম্পূর্ণই আপনার দোষ, কারণ যে কোনো ব্রোকার এ ট্রেড করার আগে আপনাকে অবশ্যই সে ব্রোকারকে যাচাই করে নেওয়া উচিৎ। হ্যাঁ বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে কিভাবে একটি সঠিক ব্রোকার নির্বাচন করবেন তা নিয়েই আলোচনা করবো, যাতে করে কেউ কোনো দুর্নীতিগ্রস্থ ব্রোকারের খপ্পরে না পড়েন। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে সঠিক ব্রোকার নির্বাচন করবেনঃ ১. ব্রোকারটি রেগুলেটেড কি নাঃ ফরেক্স এ ট্রেড করার আগে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কোনো নিয়ন্ত্রন সংস্থা দ্বারা নিবন্ধিত কিনা সর্বপ্রথম অবশ্যই সেটা যাচাই করা উচিৎ। যেমন- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক National Futures Association (NFA), U.S. Commodity Futures Trading Commission (CFTC) বা United Kingdom এর Financial Service Authority (FSA) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কিনা তা দেখে নিবেন। এই নিয়ন্ত্রন সংস্থাগুলো ছাড়াও অনেক ব্রোকার Hong Kong: SFC, Japan: FFAJ, Spain: CNMV, Sweden: FI, Switzerland: ARIF, FDF, GSCGI দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। যদি আপানর পছন্দের ব্রোকারটি উপরোক্ত একটি সংস্থা দ্বারাও নিবন্ধিত না হয় তাহলে উক্ত ব্রোকার থেকে দূরে থাকুন। কারণ এ ধরণের ব্রোকার যে কোনো সময় আপনাকে নিঃস্ব করে দিতে পারে আর আপনার মূলধন এদের কাছে মোটেও নিরাপদ নয়। আপনার ব্রোকারকে যাচাই করার জন্য এই লিংকগুলোতে যানঃ NFA- National Futures Association www.nfa.futures.org/ CFTC- U.S. Commodity Futures Trading Commission www.cftc.gov/ FSA- Financial Service Authority www.fsa.gov.uk/ ২. লিভারেজ/লোনঃ ফরেক্স এ ট্রেড করার জন্য প্রতিটি ব্রোকার-ই লিভারেজ/লোন দিয়ে থাকে। যার পরিমাণ ১ঃ৫০-১ঃ১০০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। আপনার বাছাইকৃত ব্রোকারটি লিভারেজ/লোন সুবিধা দিচ্ছে কিনা এবং দিলে তা কি পরিমাণ তা জেনে নিন। তবে মনে রাখবেন যত বেশী লিভারেজ/লোন নিবেন ততোই আপনার জন্য খারাপ। কারণ লিভারেজ হলো দু-দিকে ধার যুক্ত তলোয়ারের ন্যায়। ৩. স্প্রেড ও কমিশনঃ প্রতিটি ব্রোকার-ই ট্রেড এর বিনিময়ে তার গ্রাহক থেকে স্প্রেড বা কমিশন নিয়ে থাকে কারণ এটাই তাদের ইনকাম। তবে আপনাকে যাচাই করতে হবে যে আপনার নির্বাচিত ব্রোকারটি প্রতি লট ট্রেড এ কি পরিমাণ স্প্রেড/কমিশন নিয়ে থাকেন। আমরা জানি যে মেজর পেয়ার এ বেশীরভাগ ব্রোকার-ই ২-৩পিপ্স স্প্রেড নিয়ে থাকে। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে ব্রোকার স্প্রেড যত কম হবে আপনার জন্য ততই ভাল হবে। ৪. সহজ বিনিয়োগ ও উত্তোলনের সুযোগঃ অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলনের বেপারে প্রতিটি ব্রোকারের কিছু নির্দিষ্ট পথ ও নীতিমালা থাকে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনাকে অবশ্যই সেদিক বিবেচনা করে ব্রোকার নির্বাচন করতে হবে। যেমনঃ যে কোনো সময় সহজেই যেন ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ার মাধ্যেমে বিনিয়োগ ও উত্তোলন করা যায়।ইন্টারন্যাশেনাল মাস্টার, ভিসা, ও ক্রেডিট কার্ড দিয়ে যেন বিনিয়োগ ও উত্তোলন করা যায়।আমাদের দেশীয় ব্যাংকের মাধ্যেমে বিনিয়োগ ও উত্তোলন থাকলেও ভালো। এবং দৈনিক উত্তোলনের পরিমাণ কত।ব্রোকার নির্বাচনে এ সকল বিষয় অত্যন্ত জরুরী ভুমিকা রাখে। ৫. গ্রাহক সেবাঃ ব্রোকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই যাচাই করবেন যে, আপনার পছন্দের ব্রোকারটি সঠিক সময়ে সঠিক গ্রাহক সেবা দিচ্ছে কিনা। কারণ অনেক ট্রেডার তার সমস্যার কথা ব্রোকারকে জানালে তার উত্তর পেতে পেতে হয়ত কয়েকদিন লেগে যায়। যা একজন ট্রেডারের জন্য বিপদজনক কারণ আপনি হয়ত তার উত্তর পেতে পেতে অনেকটা সময় (ট্রেডেবল) বা অর্থ হারিয়ে পেলেছেন। ৬. ট্রেডিং প্লাটফর্মঃ ফরেক্স মার্কেট এ ট্রেড করার জন্য প্রত্যেকটি ব্রোকারের ট্রেডিং প্লাটফর্ম থাকে, যে প্লাটফর্ম এর মাধ্যেমে ট্রেডার বাই, সেল, পেন্ডিং অর্ডার, অর্ডারগুলোকে মডিফাই ও ক্লোজ করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কোন ট্রেডিং প্লাটফর্ম এ ট্রেড করার সুযোগ দিচ্ছে তা যাচাই করে নিন। ৭. হেজিং ও নিউজ ট্রেডঃ পৃথিবীর সকল ট্রেডার-ই হেজিং ও নিউজ ট্রেড করে থাকেন। এ ধরণের ট্রেড এর ক্ষেত্রে অনেক ব্রোকার নিয়ম জুড়ে দেয়। ব্রোকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই এ ধরণের ট্রেড এর উপর কোনো প্রকার নিয়ম বা নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা তা দেখে নিবেন। নতুবা আপনি পরে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। ৮. ডেমো একাউন্ট এ ট্রেডঃ প্রতিটি ব্রোকার-ই গ্রাহকদের চর্চার জন্য ডেমো একাউন্ট এ ট্রেড করার সুবিধা রেখেছে, আপনি আপনার পছন্দের ব্রোকার এ লাইভ ট্রেড করার পূর্বে ডেমোতে চর্চা করে যাচাই করে নিন বা আপনার পছন্দের ব্রোকার ও অন্য একটি ব্রোকার এ একই সাথে ট্রেড করে যাচাই করে নিন যে আপনার পছন্দের ব্রোকারটির সাথে অন্য ব্রোকারের মুভমেন্ট ও পিপ্স মুল্যে একই কিনা। ৯. বিভিন্ন ধরণের একাউন্টঃ ফরেক্স মার্কেট এর ব্রোকারগুলো তাদের গ্রাহকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ধরণের ৪ও৫ ডিজিট এর একাউন্ট রেখেছেন। যেমনঃ স্ট্যান্ডার্ড একাউন্ট, মিনি একাউন্ট ও মাইক্রো একাউন্ট। আপনার পছন্দের ব্রোকার এ আপনার পছন্দের একাউন্ট টাইপ বা একাধিক ধরণের একাউন্ট পলিসি আছে কিনা তা জেনে নিন। যেন পরবর্তীতে আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত একাউন্ট এ ট্রেড করতে পারেন। ১০. অন্যান্যঃ সঠিক ব্রোকার নির্বাচন এর জন্য উপরোক্ত পয়েন্টগুলো ছাড়াও আরো কিছু পয়েন্ট আছে সেগুলো হলঃ আপনার পছন্দের ব্রোকারটি কত বছর ধরে ব্যবসা করছে।এই ব্রোকারটি কোন দেশের এবং কে বা কারা পরিচালনা করে ও তাদের অভিজ্ঞতাই বা কেমন।উক্ত ব্রোকারটির সাথে কোন কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ভাল ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে কিনা।আপনার পছন্দের ব্রোকারে কি পরিমাণ ট্রেডার ট্রেড করে ও উক্ত ব্রোকারে মাসে কত ভলিউম ট্রেড হয়ে থাকে।আপনি যদি আপনার ট্রেডটি একদিনের বেশী বা কয়েকদিন রেখে দিতে চান সে ক্ষেত্রে আপনার পছন্দের ব্রোকারটির রোলওভার নীতি কি? আপনার পছন্দের ব্রোকারটি মাল্টি ট্রেড করার সুবিধা রেখেছে কিনা। যেমন- একই পেয়ার এ একই সময়ে একাধিক বাই ও সেল এর সুযোগ আছে কিনা। ফরেক্স ট্রেড করার ক্ষেত্রে একটি ব্রোকার নির্বাচনের জন্য উপরোক্ত বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত বিষয়গুলো যাচাই করে যদি দেখেন যে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি সবদিক দিয়ে ঠিক আছে তবেই আপনি সে ব্রোকার এ ট্রেড করতে পারেন। আর একাউন্ট ওপেন করার সময় ঐই ব্রোকার এর নীতিমালাগুলো অবশ্যই পড়ে নিবেন যেন কোনো লুকানো নিয়ম নীতি আপনাকে পরবর্তীতে ঠকাতে বা ঠেকাতে না পারে। ধন্যবাদ সবাইকে।
  5. False Break আউট এ কিভাবে ট্রেড করবেন। বন্ধুরা, False ব্রেক আউট সম্পর্কে আশা করি সবাই জানেন আর অনেকে হয়তো এই মেথোডে ট্রেডও করেছেন। যাইহোক, False ব্রেক আউটের মৌলিক মনোবিজ্ঞান খুবই সহজ, অনেক ট্রেডার-ই ট্রেড করার জন্য বেশীরভাগ সময় ব্রেকআউট পয়েন্টের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন যেখানে মার্কেটের একটি সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স এ বিরতি পরিলক্ষিত হয়। ব্রেকআউট ট্রেডাররা তখন ওই বিরতিরত হাই বা লো মুল্য থেকে ভাল প্রফিট নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন যখন মার্কেট মুল্য False ব্রেক হয়ে তার বিপরীত দিকে ছুটে বা মার্কেট ট্রেন্ড কন্টিনিউ করে। যখন মার্কেট স্লাইটলি মুব করে পিনবার তৈরি করে আবার তার বিপরীত দিকে ছুটে, এটাই হল False ব্রেকআউট। ট্রেডাররা এ ধরনের ব্রেকআউট এ পূর্বের ট্রেন্ড এর দিকেই ট্রেড করে থাকেন এবং স্বল্প স্টপ লস ব্যবহার করে অধিক প্রফিট গ্রহন করে থাকেন। নিচে চিত্রের সাহায্যে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ উপরের উদাহরণ চিত্রে উল্লেখ্য হল- কিভাবে মুল্য সমর্থন পাওয়া যায়। যখন মার্কেট মুল্য তার নিচের সাপোর্টকে ভেঙ্গে বা ক্রস করে আবার বিপরীত দিকে মোড় নিয়েছে তখন-ই আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে এখানে False ব্রেকআউট হয়েছে। বেশীরভাগ ট্রেডার-ই এ পজিশনে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি নিয়ে থাকেন এবং আপনিও তাই করবেন আর এক্ষেত্রে স্টপ লস False ব্রেকআউট ক্যান্ডেল্টির নিচে দিন এবং ভাল প্রফিটের জন্য অপেক্ষা করুন। প্রাইচ এ্যকশন ব্যবহারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট এ রিভার্সেল ট্রেড করুনঃ প্রাইচ এ্যকশন ও রিভার্সেল ট্রেড নিয়ে এর আগেও আপনাদের প্রিয় বিডিফরেক্সপ্রো-তে অনেক পোষ্ট দেওয়া হয়েছে। False ব্রেকআউট এ রিভার্সেল ট্রেড করার জন্য আপনি পিনবার এবং এনগাল্পিং বার ফলো করতে পারেন এবং ট্রেডাররা এ বিপরীতমুখী দুটি (পিনবার এবং এনগাল্পিং) ক্যান্ডেলের মাধ্যমে ট্রেডিং সংকেত ব্যবহার করে থাকেন এবং অধিক প্রফিট করতে সামর্থ্য হন, আপনিও ব্রেকআউট ট্রেড করার জন্য এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করুন তাহলে ট্রেডে অধিক প্রফিট নিতে সক্ষম হবেন। নিচের চিত্রে পিন বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ আপনারা পরিস্কারভাবে দেখতে পাচ্ছেন যে, উপরের চিত্রে পিন বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হয়েছে। অনেক ট্রেডাররা এ ধরনের মার্কেট পজিশনের জন্য অপেক্ষা করে থাকে এবং মার্কেটে পিন বার মাধ্যমে False ব্রেকআউট হলে তারা রিভার্সেল ট্রেডে এন্ট্রি নিয়ে থাকেন আপনিও এই একই কাজটি করুন এবং সফল রিভার্সেল ট্রেডে করুন আর এক্ষেত্রে স্টপ লসের ব্যবহার উপরের চিত্রে দেখানো হল। নিচে আরেকটি চিত্রে এনগাল্পিং বারের মাধ্যমে False ব্রেকআউট দেখানো হলঃ উপরের এনগাল্পিং বার False ব্রেকআউট চিত্রে এটাই দেখানো হয়েছে যে, False ব্রেকআউট এ এনগাল্পিং বার তৈরি হওয়ার পর মার্কেট কোনদিকে যাবে এবং একজন ট্রেডার তখনই তার ট্রেডের সম্ভাব্য সম্ভাবনা খুঁজে পায়। ট্রেড চিত্রে এ ধরনের এনগাল্পিং হলে আপনি যেদিকে এনগাল্পিং হয়েছে সেদিকেই ট্রেড করুন এবং স্টপ লস ব্যবহারের জন্য চিত্রটি ফলো করুন। False ব্রেকআউট ট্রেডারদের ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়, যার মাধ্যমে একজন ট্রেডার স্বল্প স্টপ লস ব্যবহার করে অধিক প্রফিট নিতে পারে। তবে এ ধরনের ট্রেডে এন্ট্রি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ একটু বিপদ জনকও হতে পারে। সুতারাং হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ারে এ স্ট্রেটেজিতে নিউজ বুঝে এন্ট্রি দিন এবং নিরাপদ থাকুন। ধন্যবাদ।
  6. সকল ট্রেডারের জন্য প্রচলিত(Common) এবং জরুরী কিছু নির্দেশাবলী একটি সম্মানজনক ও সঠিক ব্রোকারঃ একটি ব্রোকার এ কার্যকরভাবে ট্রেড করার ক্ষমতা নির্ভর করে সে ব্রোকারের যাবতীয় সামঞ্জস্যপূর্ণ স্প্রেড/কমিশন ও প্রশস্ত তারল্যের উপর। ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো ব্রোকারই একটি অবস্থান তৈরি করতে পারে।তার মানে এই নয় যে, সে ব্রোকার ভাল। সঠিক সময়ে একটি ট্রেড থেকে বের হওয়ার জন্য একটি ব্রোকার এর (ঐই পেয়ার এর) ন্যায্য বাজার মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ অন্য ব্রোকার এর সাথে বাজার মুল্যের পিপ্স পরিবর্তন রূপ। ব্রোকার এর সাথে গ্রাহকদের যোগাযোগের নিয়ম/ক্ষমতা, সময়ের ব্যবধান ও কোনো সমস্যা হলে তার দ্রুত সমাধান দেয়ার সুষ্ঠ গুনাবলী থাকা অবশ্যই বাঞ্জনীয়। যে ব্রোকার সঠিকভাবে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সহজ ও আইনীভাবে গ্রাহক তার অর্থ বিনিয়োগ ও উত্তোলন করতে পারে।এবং যে ব্রোকার আইনীভাবে বৈধ। যখন লাইভ ট্রেড করবেনঃ সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করা।অধিক পরিমাণ লিভারেজ/লোন (যা ব্রোকার দিয়ে থাকে) ব্যবহার করবেন না, যা আপনার বিনিয়োগকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাবে।নিজের সফল স্টেটেজিতে ট্রেড করা। আর যদি অন্যের স্টেটেজিতে ট্রেড করে থাকেন তাহলে সেটা আগে তিন মাস ডেমোতে পরীক্ষা করে দেখুন যে ফলাফলটা কেমন। কারণ অন্যের স্টেটেজিতে হয়তো এক সপ্তাহ প্রফিট হয়ে পরের দিন বিশাল লস হতেই পারে কারণ এটা আপনার যাচাই করা স্টেটেজি নয়। অধিক সাহসই ফরেক্স মার্কেট এ অনেক ট্রেডারকে নিঃস্ব করে ছাড়ে, মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেট এ যে কোনো সময় বাজার মূল্য যেকোনো দিকে যেতে পারে তাই সর্বদা স্টপ লস ব্যবহার করুন। কখনো আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করবেন না, আর ট্রেড করার সময় আপনার পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখুনঃ একটি ট্রেড শুরু করার আগে একটি ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করুন।যুক্তিসঙ্গত ঝুঁকি ও রিওয়ার্ড প্যারামিটার সেট করুন।আবেগপ্রবণ হয়ে আপনার স্টপ লস কে অগ্রাহ্য করবেন না।বাজারমুল্যের উপর কখনো প্রতিক্রিয়া করবেন না – এর অর্থ হল কখনো এই ভেবে বাই করবেন না যে বাজারমূল্য এখন অনেক নিচে আবার কখনো এটা ভেবেও সেল করবেন যে বাজারমুল্য অনেক উপরে। কারণ আপনার ট্রেড যে ওখান থেকে প্রফিটের দিকে আসবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমান বা নিয়ম নেই। মনে রাখবেন ফরেক্স মার্কেটে যে কোনো দামের ব্যবধান হতেই পারে। ট্রেন্ড লাইন এর সঙ্গে এবং বিপরীতে ট্রেডঃ যখন ট্রেন্ডলাইন এর দিকে ট্রেড করবেন তখন ট্রায়ালিং স্টপ ব্যবহার করুন, তাহলে সরবোচ্চ প্রফিট নিতে পারবেন।আর যখন ট্রেন্ডলাইন এর বিপরীতে ট্রেড করবেন তখন শেষ পিপ বা সরবোচ্চ লাভের আশা না করে কতটুকু কারেকশন করতে পারে তা এনালাইসিস করে যতটুকু প্রফিট নেয়া যায় তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। মনে রখবেন মার্কেট ট্রেন্ড হলো ট্রেড এবং ট্রেডারের বন্ধু, অর্থাৎ ট্রেন্ড যেদিকে আপনার ট্রেড সেদিকে হওয়া উচিৎ। একটি কন্টিনাম (Continuum) হিসেবে ট্রেড এর আচরনঃ একটি সফল ট্রেডের স্টেটেজির উপর Base/ভিত্তি করে ট্রেড করবেন না। কারণ একটি ট্রেডে সফলতা এসেছে বলে প্রত্যেক ট্রেডে সফলতা আসবে এমন কোনো নিয়ম নেই, হ্যাঁ তবে যদি ঐই স্টেটেজিতে যদি ৭০% সফলতা আসে তাহলে ঠিক আছে। প্রত্যেকটি ট্রেড এ আবেগপ্রবণ হাই অথবা লো এড়িয়ে চলুন। অর্থাৎ আপনার ইচ্ছামত হাই লো পয়েন্ট নির্বাচন করবেন না।সমন্বয়ের/ঐক্যের মাধ্যমে একটি উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। ফরেক্স/বৈদেশিক মুদ্রা ট্রেডিং হল মাল্টি কারেন্সিরঃ ক্রস কারেন্সিগুলো দেখুন কারণ তারা হল স্পট/মেজর ট্রেডিং এ প্রভাব পড়ার চাবি। একই ক্রস কারেন্সি বনাম অন্যান্য কারেন্সি। যেমনঃ EUR/JPY (EUR Vs. JPY) অথবা EUR/GBP (EUR Vs. GBP)।স্পট/মেজর ট্রেড করার ক্ষেত্রে ক্রস কারেন্সিগুলো আপনাকে ভালো ডিরেকশান দিবে যদিও আপনি সেগুলোতে ট্রেড না করে থাকেন। যেমনঃ আপনি যদি EUR/JPY (EUR Vs. JPY) পেয়ারটি দেখেন তাহলে এখানে EUR ও JPY এর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া হয়ে যাবে যে এখানে কোন কারেন্সিটি স্ট্রং এবং মেজর পেয়ারে এ দুটির একটি কারেন্সি আছে এমন পেয়ারে ট্রেড করতে গেলে আপনি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নিউজ এ চোখ রাখুনঃ অন্ধের মত শুধুমাত্র টেকনিক্যাল এনালাইসিস এ ট্রেড না করে প্রতিদিন ট্রেড এ বসার আগে কি কি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে সেগুলো দেখে নিন ও সে সময়গুলো মনে রেখে ট্রেড করুন। মনে রাখবেন হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর ট্রেড করা ভাল।নিউজ ট্রেড এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সংখ্যার নিউজগুলো কতটুকু এগিয়েছে বা পিছিয়েছে তা দেখুন এবং নিউজ এর ফলাফল বুঝে সতর্কভাবে ট্রেড করুন। মার্কেট তারল্যের বিষয়ে সতর্ক থাকুনঃ সফল ট্রেড এর ক্ষেত্রে মার্কেট তারল্যের প্রতিও নজর রাখা জরুরী। অনেক সময় দেখা যায় যে তারল্যহীন মার্কেটে ট্রেড করে ঐই ট্রেড এর ফলাফলের জন্য কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়।কোনো দেশের সরকারি ছুটির দিন বা অর্ধ-ছুটির দিনে ঐই কারেন্সির তারল্য কম হয়।মার্কেট তারল্যের ব্যপারে যে কোনো কারেন্সির/দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। যেকোনো দেশের ব্যাংক ছুটির দিনে সে দেশের কারেন্সিতে তারল্য কম থাকে তা মনে রাখবেন। পরিশেষে একটি কথা বলবো, ফরেক্স ব্যবসা অশিক্ষিত এবং ধৈর্যহীন ব্যাক্তির জন্য নয়, কারণ এ ব্যবসা জানতে হলে বা করতে হলে আপনাকে প্রচুর স্টাডি, শ্রম, ধৈর্য ও মনোবল ব্যয় করতে হবে। তবেই আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে পারবেন। ভুল হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন আর ভালো লাগলে অনুপ্রেরনা যোগাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  7. ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আপনারা অবশ্যই এ কথাটি শুনেছেন যে, “আপনি আপনার ভুলগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহন করুন বা ভুল থেকে শিক্ষা নিন” সব ট্রেডারই চাইলে এটা পারে। আপনি এটা বিশ্বাস করেন যে, আসলেই আমরা আমাদের ট্রেডের ভুলগুলো থেকে শিখতে পারি? আমি অবশ্যই এটা বিশ্বাস করি যে, আমরা চাইলে আমাদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারি কিন্তু অনেক ট্রেডারই এটা মানতে রাজি নয়, আবার মানলেও পরবর্তীতে ট্রেড করার সময় এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি ভুলে যায়। নতুন ট্রেডাররা প্রতিদিনই ঐই একই ভুলগুলো করে থাকে যেগুলো তারা আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছিল। তার কারণ হলো, তাদের বেশীরভাগ ট্রেডারই এটা জানেনা যে কিভাবে তাদের ভুলগুলো থেকে তাদেরকে শিখতে হবে। আপনি যেন আপনার ট্রেডের আগের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারেন এবং ট্রেডে আগের ভুলগুলো যেন পুনরায় না করেন, সেজন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ লিখা। কেন আমরা আমাদের ভুল থেকে শিখতে পারবো না? আপনি আপনার বিগত ট্রেডটির কথা একবার ভাবুন, যে কারণে আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। মনে পড়েছে আপনি ট্রেডটিতে কি ভুল করেছিলেন? অবশ্যই মনে পড়ার কথা। এবার আপনি আপনার বিগত ছয় মাসের ট্রেডগুলোর কথা ভাবুন যেগুলোতে আপনি লস দিয়েছেন। মনে পড়ে আপনি ঐই ট্রেডগুলোতে কি ভুল করেছিলেন? আপনি যখন একটি লস/খারাপ ট্রেড করবেন তখন আপনি সেটা থেকে শিক্ষা নিন। যাইহোক, যেকোনো কিছু তাড়াতাড়ি শিখা হলে সেটা আবার তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া হয়।যদি আপনি সত্যিই আপনার ভুল থেকে শিক্ষা নিতে চান, তাহলে আগে আপনাকে আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করতে হবে। আপনার ভুলগুলো বের করে নোট করুন। অনেক ট্রেডার তাদের মত করে বলে থাকে যে, প্রত্যেকটি লসই একটি শিক্ষা। সত্যিটা হলো এই যে, আপনি আপনার লস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, না হলে এই কথাটার কোনো ভিত্তি নেই। আপনি কখনো লস/হারানো ট্রেড এর অর্থ ফিরে পাবেন না বা সে অর্থ থেকেও কিছু শিখতে পারবেন না। আপনকে সেই লস ট্রেডে এ্যনালাইসিস করে বের করতে হবে যে, কেন আপনি লস দিয়েছেন এবং পরিকল্পনা করুন কিভাবে আবার এ রকম ভুল না হয়। আপনি কিভাবে লস/ক্ষতির মাধ্যমে শিক্ষা নিবেন? ১. খুঁজে বের করুন কেন আপনি লস করেছেনঃ প্রথমেই আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে কেন আপনি ট্রেডটিতে লস দিয়েছেন। সব ট্রেড ভুলের কারণে লস হয় না অন্য কারনেও হয়ে থাকে। আপনি নিজেকে নিচের দুটি প্রশ্ন করুন এবং খুঁজে বের করুন যে কোনটির দ্বারা আপনার ট্রেড এ লস হয়েছে। আপনি আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন?আপনি কি আপনার মানি ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান অনুসরন করেছিলেন? এখন আপনি উভয় প্রশ্নের উত্তর নিন, আপনি যদি জেনে থাকেন যে আপনার ভুল ছিল তাহলে আপনি পরবর্তী পদক্ষেপে নিন। আর যদি আপনি উপরের দুটি নিয়মই মেনে ট্রেড করে থাকেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আপনার ট্রেডটি লস হয়েছে তাহলে আপনাকে নিচের পদক্ষেপ অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। ২. আপনার ট্রেডের ভুল বিশ্লেষণ করুনঃ এই পদক্ষেপে আপনাকে বুঝতে/জানতে হবে যে নির্দিষ্টভাবে আপনার কোথায় ভুল ছিল। যদি মানি ম্যানেজমেন্টের প্রশ্নের উত্তর আপনার না হয় অর্থাৎ আপনার ভুল ছিল না, তাহলে আপনাকে বিশ্লেষন করে বের করা দরকার যে আপনি ট্রেডে কোন নিয়মটি অনুসরণ করেননি, হয়তো আপনার স্টপলস অনেক টাইট ছিল যা হিট করতেই পারে বা আপনি আপনার ব্যালেন্সের তুলনায় ট্রেড ভলিউম বেশী করেছেন। যাইহোক, এক কথায় এখন আপনার প্রয়োজন নির্দিষ্টভাবে আপনার ভুলটি খুঁজে বের করা। আপনি যদি আপনার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে বের করতে পারেন তাহলে তা নোট করুন। কিভাবে নোট করবেন তা নিচে একটি উদাহরণের সাহায্যে দেখানো হলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। উপরোক্ত উদাহরণের প্রথম লাইন হলো আপনার ট্রেড পেয়ার, তারিখ ও সময়। দ্বিতীয় লাইন হলো ট্রেড এন্ট্রি বিস্তারিত ও ফলাফল এবং সর্বশেষ লাইন এ আপনার যে ভুল ছিল তা নোট করা হল। ৩. আপনার ট্রেড এ ভুলের সমাধান খুঁজে বের করুনঃ এ পদক্ষেপটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি বুদ্ধিমান তখনই যদি ভুল করে শিখতে পারেন। আপনি যদি সহজে আপনার ভুল বুঝতে পারেন তাহলে সমাধান বের করাটা আপনার জন্য সহজ হবে। উপরের উদাহরণটিতে আপনি যে ভুল করেছিলেন নিচে তার সমাধান দেখে নিনঃ উদাহরণটি ছিলঃ EurUsd বাই @ ২৪-০৬-২০১৪ সময়ঃ সন্ধ্যা ০৭.০০মিনিট। ট্রেড এন্ট্রি - ১.৩৫৩০, স্টপলস – ১.৩৫০৫, টেক প্রফিট – ১.৩৬০০ = স্টপলস হিট করেছিল। ভুলঃ আমি লস/অর্থ হারানো ভয়ে উক্ত ট্রেড এ টাইট স্টপলস ব্যবহার করেছিলাম। সমাধানঃ প্রথমে আপনি আপনার স্টপলস ব্যবহারের নিয়মটি লিখুন এবং ট্রেড এ এন্টির পূর্বে তা রিভিউ করুন। আপনার নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন যে, আপনার সরবোচ্চ স্টপলস আপনার সরবোচ্চ অনুমোদিত ঝুঁকি দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়। সুতারাং আপনি এখানে আপনার সরবোচ্চ স্টপলস ব্যবহার করলে কোন ভুল হবে না। আমি এখানে স্বল্প পরিসরে শুধুমাত্র মূল বিষয়টি তুলে ধরেছি। আপনি যখন একটি ভুল ট্রেডের সমাধান লিখবেন তখন তা অবশ্যই বিস্তারিরভাবে লিখার জন্য চেষ্টা করবেন। আর টাইট স্টপলস ব্যবহার করবেন না। কেন এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণঃ যখন একজন বক্সার ফাইট করে তখন তার কোচ তার ফাইটের প্রতিটি মুহূর্তই রেকর্ড করে রাখেন। যখন ফাইট শেষ হয়ে যায় এবং বক্সার জয়ী হয় বা হেরে যায় তখন তার কোচ ভিডিওটি রিভিউ করেন। ভিডিওটি দেখার ফলে কোচ বক্সারের ভুলগুলো দেখেন এবং ভুলগুলোকে পয়েন্ট আউট করে তার স্টুডেন্টকে সেগুলোর সমাধান শিখিয়ে দেন। এটা শুধুমাত্র বক্সিংয়ে নয় সব খেলায়ই প্রযোজ্য। ফরেক্স ট্রেডিং এর ক্ষেত্রেও আপনি এই ধারনাটিই ফলো করুন এবং নিজের সাথে কমিটমেন্ট করুন যে আপনি আপনার ভুলগুলো নোট করবেন। তাহলে আপনি আর পরবর্তী ট্রেড এ ঐই ধরণের ভুলগুলো করবেন না, যে ভুলগুলো আপনি আগের লস ট্রেডগুলোতে করেছেন। এই ধারনাটি আপনার ট্রেড এর ভুলগুলো চিহ্নিত করতে এবং আপনার ভুল ট্রেডিং প্ল্যান সমাধানের জন্য সহায়তা করবে। আপনি যখন একবার আপনার ভুলগুলো শুধরে আপনার ট্রেডিং প্ল্যান সাজিয়ে পেলবেন তখন আর আপনার ভবিষ্যৎ এ ঐই ভুলগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। এজন্য আপনাকে আরেকটি কাজ করতে হবে তা হলঃ আপনার সর্বশেষ লুসিং ট্রেডটির কথা আরেকবার ভাবুন এবং ঐই ট্রেডটি এ্যনালাইসিস করে একটি স্ট্রেটেজি তৈরি করুন যাতে ভবিষ্যতে ঐই ধরণের ট্রেড এ লস না হয়। আজকে থেকেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কাযক্রমটি শুরু করুন এবং এটি কখনো ভুলে যাবেন না যে “ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হওয়া যায়”। ধন্যবাদ।
  8. রিস্ক Reward Ratio বিস্তারিত। বন্ধুরা, ফরেক্স এ সাফল্যের পথে হাটতে হলে আপনাকে অবশ্যই Risk Reward Ratio বুঝতে হবে এবং মেনেও চলতে হবে নতুবা আপনি কখনো ট্রেডে অধিক সফলতা খুঁজে পাবেন না। Risk Reward Ratio ফরেক্সে সফলতার জন্য খুবই জনপ্রিয় একটি কারণ। অনেকেই Risk Reward Ratio সম্পর্কে অবগত নয় এবং এর উপকারিতাও জানেন না। শুধু নতুন নয়, অনেক পুরোনো ট্রেডারও Risk Reward Ratio সম্পর্কে ভালো করে অবগত নয়। আপনি যদি কোনো সফল ট্রেডারের কাছে জানতে চান যে, Risk Reward Ratio অনুসরন করলে কি ভালো প্রফিট করা সম্ভব বা সফল হওয়া যাবে? তাহলে উত্তরে তিনি একবাক্যে বলবে অবশ্যই। Risk Reward Ratio কি? Risk Reward Ratio ইনভেস্টররা ব্যবহার করে থাকে এটা জানার জন্য যে, ইনভেস্টমেন্ট এ যে পরিমান প্রফিট আশা করেছেন তাতে কি পরিমান রিস্ক আছে তার পার্থক্য বুঝার জন্য। সহজ কথায় রিস্ক এবং প্রফিট এর পার্থক্য নির্ণয়ের মাপ কাঠি হচ্ছে Risk Reward Ratio. এটা ব্যবহার করলে জানা যায় যে, নির্দিষ্ট কোন ট্রেডে আপনি যে পরিমান প্রফিট আশা করছেন তার জন্য কতটুকু রিস্ক নিয়েছেন। কিভাবে Risk Reward Ratio নির্ধারণ/বের করবেন? Risk Reward Ratio কোন মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার নয়, এটা পুরোপুরিই গানিতিক। সংশয়ের কিছু নেই, এটা খুবই সহজ - ভাগ করলেই উত্তর চলে আসে। আপনি যত পিপস বা অর্থ লস করতে চান সেটাকে ভাগ দিতে হবে যত প্রফিট করতে চান সেটা দিয়ে। নিচে Equation এর মাধ্যমে দেখানো হলো, আশা করি ব্যাপারটি বুঝতে আপনার সহজ হবে। যদি লস = L এবং প্রফিট = P হয় তাহলে , Risk Reward Ratio = L÷P = L : P আশা করি পরিস্কারভাবে বুঝতে পেরেছেন। আর যদি আপনার ম্যনুয়্যালি Risk Reward Ratio বের করতে কষ্ট হয় তাহলে Risk Reward Ratio এর ইন্ডিকেটর ব্যবহার করুন যা ফ্রী-তে অনেক সাইটে পাওয়া যায়। এই ইন্ডিকেটরটি আপনার ট্রেডের Risk Reward Ratio নিখুঁতভাবে হিসেব করে দিবে যা আপনি ম্যানুয়্যলি করতে সময় লাগতে পারে। Risk Reward Ratio কত হলে ভালো হয়? Risk Reward Ratio কত হলে ভালো হয়, এটা আসলে ট্রেডারের অভিজ্ঞতা এবং ইনভেস্টের পরিমান ভেদে আলাদা আলাদা হয়। আর Risk Reward Ratio কিছুটা মানি ম্যানেজমেন্টের উপরও নির্ভর করে বলে এটা একেক জন একেক ভাবে হিসেব করে থাকেন। আর মানি ম্যানেজমেন্ট সকল ট্রেডারের-ই মেনে চলা উচিৎ হোক তার ইনভেস্ট ১টাকা বা ১কোটি টাকা আর সবার ইনভেস্টতো সমান হয় না। তবে বেশীরভাগ সফল ট্রেডার Risk Reward Ratio ১:২ ব্যবহার করে থাকেন, অর্থাৎ কেউ যদি ১ভলিউম এ ২০ পিপস অথবা ২০ $ লস রিস্ক নেয় তাহলে তার প্রফিট টার্গেট হবে ৪০ পিপস অথবা ৪০$ , কিছু ব্রোকার ও ফরেক্স ব্লগ এর আর্টিকেল পড়ে জানা যায় যে, তারা নতুন ট্রেডার দের ক্ষেত্রে Risk Reward Ratio ১:২/৩ ধরে হিসেব করতে বলেন। তবে আমার মতে স্ট্যান্ডার্ড Risk Reward Ratio সবার ক্ষেত্রে ১:১ হওয়া উচিত, তবে নতুন ট্রেডাররা ১ঃ২ ধরে হিসেব করতে পারেন। অন্যদিকে ফরেক্সে যারা হাই ইনভেস্টিং ট্রেডার রয়েছেন, যারা শুধুমাত্র প্রাইচ এ্যকশন দেখে ট্রেড করে থাকেন এবং তাদের ট্রেডগুলো অনেক সময় মাসের মাসের পর মাসও পড়ে থাকে, এক্ষেত্রে তারা Risk Reward Ratio ১ঃ৩-৫ পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকেন। হ্যাঁ মার্কেটে পজিশন মত Risk Reward Ratio সেট করা একটু কষ্টকর। সঠিক সময়ে এন্ট্রি নেয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তারপরেও, দশটা লস ট্রেড করার চাইতে একটা Profitable ট্রেড করা অনেক ভাল এবং গুরুত্বপূর্ণ। তবে ট্রেড এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র Risk Reward Ratio ব্যবহার করলে হবে না এজন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স এর দিকে লক্ষ্য রেখে মানি ম্যানেজমেন্টের নিয়মও মেনে ট্রেড করতে হবে। নতুবা সফলতার বিপরীতে আপনার লসের পরিমান-ই বেশী হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে। আপনি Risk Reward Ratio ম্যানুয়্যলি বের করতে না চাইলে এই লিঙ্ক অথবা এই লিঙ্ক থেকে Risk Reward Ratio ইন্ডিকেটরটি ডাউনলোড করে নিন এবং নিশ্চিন্তে Risk Reward Ratio এর বের করুন। ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে Risk Reward Ratio চিত্র দেখানো হল। আপনি যদি উপরের লিঙ্কের ইন্ডিকেটরটি ব্যবহারের মাধ্যমে Risk Reward Ratio বের করেন তাহলে আপনার মেটা ট্রেডারে ঠিক নিচের চিত্রের ন্যায় দেখাবে। আসলে Risk Reward Ratio ব্যবহার করলেই আপনি বুঝতে পারেবেন যে, এটা আপনার টেক প্রফিট, স্টপ লস ব্যবহারে অনেক সাহায্য করবে এবং আপনার ট্রেডিং পদ্ধতিকে একটা পারফেক্ট সিস্টেম এর মধ্যে নিয়ে আসবে, এবং আপনি সফল ট্রেডার হতে পারবেন। তাই অবশ্যই ট্রেড করার সময় আপনার Risk Reward Ratio ক্যালকুলেশন করা উচিৎ। ধন্যবাদ।
  9. ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আজকের পোষ্টটি একটু ভিন্ন, আমি অনেক ট্রেডারকে দেখেছি যে নিজের ট্রেড স্ট্রেটেজি নিয়ে অনেক গর্বিত এবং মোটামুটি সফল কিন্তু একটা সময়ে শুনেছি যে তার স্ট্রেটেজি দ্বারা-ই তার একাউন্টের ইতি হয়েছে। যারা মনে করেন যে তাদের ট্রেড স্ট্রেটেজি শতভাগের কাছাকাছি সফল তারা আশা করি নিচের এই প্রশ্নগুলোর জবাব অনায়াসে দিতে পারবেন। প্রশ্নগুলো হলঃ একটি ১০০০$ এর একাউন্ট থেকে ৫০০০$ হতে কি পরিমাণ সময় লাগতে পারে বলে আপনি মনে করেন? কি পরিমাণ সময়ের আগে আপনি আপনার চাহিদা পূরণ করে ট্রেড থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন? কি পরিমাণ সময়ের মধ্যে আপনি আপনার একাউন্ট ব্যালেন্সকে দ্বিগুণ করতে সক্ষম হন? আমার মনে হয় আপনি এ সকল প্রশ্নের উত্তরে একটা জবাবকেই বেশী প্রাধান্য দিবেন আর সেটা হল অর্থ বা খাটানো মূলধনের পরিমাণ। হ্যাঁ এটা স্বীকার করে নেয়া উচিৎ যে ফরেক্স এ যারা ট্রেড/মুলধন খাটান তারা অধিক আয়ের জন্যই মূলধন খাটান। কারণ ফরেক্স কে মানি মেকিং মেশিন বলা হয়, হ্যাঁ এটা আমিও স্বীকার করি যে, ফরেক্স এ ভাল আয় করা যায় তবে তা খুব দ্রুত নয়, যেভাবে আপনি মনে করছেন। আমার জানামতে যে কোনো স্ট্রেটেজিতে নিদিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে একটি এমাউন্টকে ডাবল করা মানে হল আপনি ফরেক্স ট্রেডার নয় বরং আপনি গেম্বলার। এ ধরণের (নিদিষ্ট সময়ে নিদিষ্ট অর্থ আয়) গেম্বলিং এ আপনার একাউন্ট যে কোনো একটি সময়ে শূন্য হয়ে যেতে পারে। তাই আপনাকে বলছি, ফরেক্স থেকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে কখনো নিদিষ্ট পরিমাণ আয়ের আশা করবেন না। ধীরে ধীরে সফল হউন। মনে রাখবেন “যে পেরাক খুব তাড়াতাড়ি দেয়ালে আটকায়, সে পেরাক খুব তাড়াতাড়ি দেয়াল থেকে খসে পড়ে”। বাস্তবতাকে যাচাই করুনঃ আমি নিশ্চিত এবং আপনিও জানেন যে, তাড়াতাড়ি ধনী হওয়ার জন্য ফরেক্স কোন দ্রুত প্রকল্প নয়। অনেকেই এটাকে বিশ্বাস করতে চান না, বিশেষ করে যারা নতুন এবং যারা কিছু সংখ্যক ট্রেড এ ভাল সফলতা পেয়েছেন। যাইহোক, তাহলে কি অধিকাংশ মানুষ বলবেন না যে ফরেক্স একটি পেশা। অন্য পেশায় সফলতার জন্য যেমন সময় লাগে ঠিক তেমনি ফরেক্স এ সফলতার জন্যও সময় ও সঠিক শিক্ষার দরকার। সুতরাং আপনি যদি ফরেক্সকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন তাহলে আপানার নিজেকে দুটি সহজ প্রশ্ন করা প্রয়োজন যেঃ একটি (ফরেক্স) নতুন কর্মজীবন শুরু করতে ও সফল হওয়ার জন্য আমার আগ্রহ আছে? বাধা বিপত্তির মাধ্যমে সফলতার পথ পেতে আমার ধৈর্য আছে?উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি আপনার “না” হয়, তাহলে আমি মনে করি যে ফরেক্স আপনার জন্য নয়। কারণ, ফরেক্স করার জন্য আপনার আগ্রহ, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, ধৈর্য ও সর্বশেষ অর্থের প্রয়োজন। ধীরে ধীরে ধনী হউনঃ আপনাদের অবগতির জন্য একটা কথা বলি, আমি বিগত ৪বছরের বেশী সময় ধরে ফরেক্স ট্রেড করছি এবং প্রতিনিয়তই নতুন কিছু শিখছি। কিন্তু আমি এ ৪ বছরে এমন অনেক ট্রেডারের সাথে সাক্ষাৎ করেছি যারা খুব তাড়াতাড়ি ফরেক্স থেকে আয় করে ধনী হয়ে যেতে চায়। আমি বলবো না যে এটা সম্ভব নয়, তবে আমার জানা ও দেখামতে ফরেক্স থেকে যারা সফলতা পেয়েছেন তারা ধীরে ধীরেই বড় হয়েছেন। একজন সফল ফরেক্স ট্রেডার হতে হলে আপনাকে নিচের এই পাঁচটি ধাপ অবশ্যই মেনে চলতে হবে। সেগুলো হলঃ বেসিক ফরেক্স শিখুন। প্ল্যানিং ও প্রস্তুতি (একটি সঠিক ট্রেডিং প্ল্যান ও অর্থ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি লিখুন।) একটি ট্রেডিং মেথড কে ডেভেলপ করুন এবং আপনার ট্রেডিং মেথডটি পরীক্ষা করুন ও এর সফলতা যাচাই করুন। ট্রেড করার সময় ধৈর্যের পরিচয় দিন ও মনস্থির করুন যে কিসে এবং কিভাবে ট্রেড করবেন। অর্থাৎ অ ধৈর্য্য্ হয়ে ট্রেড করবেন না। সফল হউন। ফরেক্স এ সফলতার জন্য আপনাকে উপরের এই পাঁচটি ধাপ সম্পরন্ন করতে/মানতেই হবে নতুবা সফলতা আপনার থেকে অনেক দূরেই থেকে যাবে। বেশীরভাগ ট্রেডারকে দেখি যে তারা দু-এক মাস উপরোক্ত প্রথম ধাপ সম্পন্ন করে লাপ দিয়ে পঞ্চম ধাপে আসতে চায় অর্থাৎ সফল হতে চায়, আপনাকে বুঝতে হবে যে ফরেক্স মার্কেট এ আপনাকে টিকে থাকতে হলে ধীরে ধীরে সফলতার পথে আসতে হবে এবং এজন্য আপনাকে আগে প্রথম ধাপ থেকে চতুর্থ ধাপ পর্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এজন্যই আমি বলি যে ফরেক্স হল ধীরে ধীরে ধনী হওয়ার মাধ্যম। ট্রেডে সফলতার জন্য বিডিফরেক্সপ্রো তে অনেক পোষ্ট আছে সেগুলো দেখতে পারেন। আসলে অধিকাংশ মানুষই তাদের ব্যবসা বা চাকুরী পেশায় খুব তাড়াতাড়ি সফল হয়না, এটা আমারা সবাই জানি। তাই ফরেক্স এ ও সফলতার জন্য সময়ের প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে ফরেক্স একটি স্বাধীন ব্যবসা এবং এটি মানুষকে স্বাধীনতা দিয়ে থাকে। যেমন করে আপনি ফরেক্স এ আপনার ট্রেডিং টাইম সিডিউল ঠিক করেন, অন্যান্য পেশায় কিন্তু আপনি এ ধরণের স্বাধীনতা পাবেন না। আপনি যদি একটি সাধারণ অন্য পেশার সাথে ফরেক্স এ আপনার ব্যয় করা সময়ের হিসেব করেন তাহলে দেখবেন ফরেক্সে-ই আপনার সময় কম ব্যয় হয়েছে। ফরেক্স এ লাভের হার অন্য ব্যবসা বা পেশা থেকে অনেক বেশী যদি আপনি সঠিকভাবে ফরেক্স আয়ত্ত করতে পারেন এবং আপনার জীবন যাত্রার মান ও অনেক উন্নত করতে সক্ষম হবেন। তবে কখনো এটা মনে করবেন না যে আপনি ৬মাস বা নিদ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরেক্স থেকে আয় করে ধনীর খাতায় নাম লিখাবেন, তাহলে এটাই আপনার জন্য কাল হয়ে দাড়াতে পারে। ধন্যবাদ।
  10. বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে খুবই সিম্পল একটা ট্রেড স্ট্রেটেজি শেয়ার করবো। যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমার লিখাটা সার্থক হবে। আমরা অনেকেই আছি যারা স্ক্যাল্পিং করতে পছন্দ করি আবার অনেকে আছি যারা এপিলিয়েট এ কমিশন নেয়ার জন্য ব্রোকার স্প্রেড দিয়ে লাভ ০তে(শুন্য) আসলেই ট্রেড ক্লোজ করে দিই। মূলত তাদের জন্যই আজকের এই স্ট্রেটেজিটি লিখা। তাহলে আসুন জেনে নেই আজকের সিম্পল স্ক্যাল্পিং ট্রেড স্ট্রেটেজি। RSI সম্পর্কে আপনারা সবাই আশা করি জানেন আর অনেকেই RSI দিয়ে ট্রেড করে থাকেন তবে হয়তো বা আমার মতো করে কখনো করেননি। হ্যাঁ আমি আজকে যে স্টেটেজিটা শেয়ার করবো তা RSI দিয়েই। ইন্ডিকেটরঃ RSI(১৪) লেভেল- ৩০ ও ৭০। টাইম ফ্রেমঃ ১৫মিনিট পেয়ারঃ USDJPY (পরীক্ষিত)। অন্য পেয়ার এ করতে চাইলে নিজ দ্বায়ীত্তে আগে ডেমোতে ট্রাই করে নিন। স্ট্রেটেজিঃ এই স্ট্রেটেজিতে আমরা নুন্ন্যতম ৩-৫পিপস এর জন্য স্ক্যাল্পিং করবো আর সর্বোচ্চ লাভ নিতে চাইলে মার্কেট ট্রেন্ড, নিউজ আর টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে সেটা আপনি নিজ দায়িত্বে সিদ্ধান্ত নিবেন। এ পদ্ধতিতে আপনি দিনে নুন্নতম ৩-৫ বার ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। বাই ট্রেড যেভাবে করবেনঃ যখন একটি সেল ক্যান্ডেল শেষ হবে আর তখন যদি RSI(১৪) লেভেল ৩০ এ বা এর নিচে থাকে তখনই বাই ট্রেড ওপেন করুন। নিচে চিত্রের সাহায্যে বাই ট্রেড দেখানো হলোঃ সেল ট্রেড যেভাবে করবেনঃ যখন একটি বাই ক্যান্ডেল শেষ হবে আর তখন যদি RSI(১৪) লেভেল ৭০ এ বা এর উপরে থাকে তখনই সেল ট্রেড ওপেন করুন। নিচে চিত্রের সাহায্যে সেল ট্রেড দেখানো হলোঃ টেক প্রফিটঃ টেক প্রফিট ৩-৫পিপ্স দিন। অথবা আপনি চাইলে মার্কেট ট্রেন্ড, নিউজ আর টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে নিজ দায়িত্বে নিজের মতো করে দিন। স্টপ লসঃ এই স্ট্রেটেজিতে আমি কাখনো স্টপ লস ব্যবহার করিনি কারণ আমি দেখেছি যে উক্ত স্টেটেজিতে ট্রেড লস এ গেলেও ৬০-১০০পিপস এর বেশী যায় না। আর লস এ গেলেও ১-৪দিনের মধ্যে প্রফিট এ চলে আসে। সুতারাং আপনি যদিও স্টপ লস দিতে চান তাহলে আপনার মতো করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। এই স্টেটেজিতে ট্রেড করার সময় যে সাবধানতা অবলম্বন করবেনঃ শুধুমাত্র নিউজ পাবলিশ টাইম এ এই স্টেটেজিতে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। আর মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। বন্ধুরা আমি শুধু আমার বাস্তব অভিজ্ঞতাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। তবে আপনারা আগে অবশ্যই ডেমোতে পরীক্ষা করে দেখে নিবেন। কারণ সকল ট্রেডার এর মন-মানুসিকতা এক নয়। ধন্যবাদ।
  11. EMA দিয়ে সিম্পল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। বন্ধুরা, আজকে আমি আপনাদের সাথে আরেকটি সহজ ট্রেডিং স্ট্রেটেজি শেয়ার করবো, এটি কোনো অভিনব বা জটিল সূচকের সঙ্গে যুক্ত নয় কিংবা এটি কোনো জটিল পদ্ধতির সঙ্গে জড়িতও নয়। লিখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো বলতে পারেন এটাতো অনেক সহজ ও আপনার জানা। ঠিক তাই, আমি শুধু এই স্ট্রেটেজির সাথে আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু সাধারণ নিয়ম আর কিছু কৌশল যোগ করেছি। আশা করি স্ট্রেটেজিটি ফলো করলে আপনি অনেক সহজ এ্যনালাইসিস করে সফল ট্রেড করতে সক্ষম হবেন। তাহলে চলুন জেনে নেই EMA/MA দিয়ে আরেকটি সিম্পল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। ইন্ডিকেটরঃ – এই স্ট্রেটেজির জন্য আপনাকে শুধুমাত্র EMA/MA ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করতে হবে। EMA/MA ইন্ডিকেটরটি ব্যবহারের নিয়মঃ ট্রেডিং ডিরেকশন এর জন্য EMA/MA ২০০পিরিয়ড ব্যবহার করুন এবং EMA/MA ১০পিরিয়ড ব্যবহার করুন ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য। টাইমফ্রেমঃ - এই স্ট্রেটেজির মাধ্যমে যেকোনো টাইমফ্রেমে ট্রেড করতে পারবেন, তবে ১৫মিনিট, ১ও৪ঘন্টা এবং দৈনিক চার্টে করলে ভালো। আমার অভিজ্ঞতামতে, যারা ডে ট্রেডার তারা ৫থেকে১৫ মিনিট, সুইং ট্রেডাররা ১/৪ ঘন্টার চার্ট আর যারা লং টাইম এর জন্য ইনভেস্ট করেন তারা দৈনিক চার্ট ব্যবহার করলে অত্যাধিক ভালো ফলাফল পাবেন। ট্রেডিং পেয়ারঃ – এটা যেকোনো কারেন্সি পেয়ার, কমোডিটি ও ইন্ডেক্স বা স্টক এ প্রয়োগ করা যাবে। EMA/MA দিয়ে ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ বাই/লং এন্ট্রিঃ যখন মার্কেট মুল্যের বর্তমান ক্যান্ডেল EMA/MA ২০০ পিরিয়ড এর উপরে থাকবে বা ক্লোজ করবে তখন মার্কেট মুল্য নিচের দিকে EMA/MA ১০পিরিয়ড পর্যন্ত সংশোধন/আসার জন্য অপেক্ষা করুন, তারপর যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে ক্লোজ করে উপরেই থাকবে তখনই লং/বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। বাই/লং এন্ট্রি স্টপলসঃ বাই ট্রেড করার আগে আপনার টাইমফ্রেমে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর নিচের যে মুল্যে মার্কেট ক্লোজ হয়েছিল সে মুল্যে স্টপলস দিন। সেল/শর্ট এন্ট্রিঃ মার্কেট মুল্যের বর্তমান ক্যান্ডেল EMA/MA ২০০ পিরিয়ড এর নিচে থাকবে বা নিচে ক্লোজ করবে তখন মার্কেট মুল্য উপরের দিকে EMA/MA ১০পিরিয়ড পর্যন্ত সংশোধন/যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন, তারপর যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর নিচে ক্লোজ করে নিচেই থাকবে তখনই সেল/শর্ট ট্রেড এ এন্ট্রি দিন। সেল/শর্ট এন্ট্রি স্টপলসঃ সেল ট্রেড করার আগে আপনার টাইমফ্রেমে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে যে মুল্যে মার্কেট ক্যান্ডেল ক্লোজ হয়েছিল সে মুল্যে স্টপলস দিন। বাই ও সেল উভয় ক্ষেত্রে টেক প্রফিট যেভাবে দিবেনঃ প্রত্যেক স্ট্রেটেজি বেঁধে প্রতিটি পেয়ারের ক্ষেত্রে টেক প্রফিট বা লাভের নিয়ম পরিবর্তিত হয়/একেক রকম হয়। কারণ, প্রত্যেক কারেন্সিরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে, অর্থাৎ দৈনিক ট্রেডিং রেঞ্জ, ভোলাটিলিটি ও নিউজের প্রতিক্রিয়া এগুলো প্রতিটি কারেন্সির কিন্তু একই রকম হয়না। তাই এই স্ট্রেটেজিতে দৈনিক ট্রেডারদের জন্য আমি তার ট্রেডকৃত পেয়ারের বিগত ৩০দিনের দৈনিক এভারেজ পিপ্স এর ৫০% টেক প্রফিট দিতে বলি। উদাহরণস্বরূপ – সবার প্রিয় EURUSD পেয়ারটি বিগত মাসের দৈনিক এভারেজ এ মুবমেন্ট ছিল ১২০পিপ্স তাহলে এক্ষেত্রে আমি বলবো আপনি ৫০% অর্থাৎ আপনি এ স্ট্রেটেজিতে প্রতিদিন ৬০পিপ্স করে টেক প্রফিট দিন বা ট্রেড প্রফিটে গেলে নিজে এ্যনালাইসিস করে ম্যনুয়্যলি সিদ্ধান্ত নিন। নিচের চিত্রে বিস্তারিত দেখানো হলঃ উক্ত স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার কতিপয় নিয়মঃ উক্ত স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য উপরে উল্লেখিত হুবহু নিয়ম অনুস্মরণ করুন, এর সাথে অন্য এ্যনালাইসিস যোগ করবেন না।মার্কেট মুল্য সাময়িকভাবে EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে থাকা অবস্থায় অসম্পূর্ণ ক্যান্ডেল এ ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। তখনই ট্রেডে এন্ট্রি দিন যখন মার্কেট মুল্য EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে তার মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল্টি ক্লোজ করে। যখন মার্কেট মুল্যের ক্যান্ডেল EMA/MA ১০পিরিয়ড এর উপরে/নিচে আপনার ট্রেডের বিপরীতে যাবে তখনই অতি দ্রুত আপনার ট্রেডটি ম্যনুয়্যলি ক্লোজ করে দিন, এটা কখনো ভাববেন না যে মার্কেট মুল্য আপনার অনুকূলে আসবে বা আসতে পারে তাহলে আপনার লসের পরিমান অনেক বেশী হতে পারে বাকীটা আপনার সিদ্ধান্ত। কখনো মার্কেট ডিরেকশন এর অপর দিকে ট্রেড করবেন না অর্থাৎ মার্কেট মুল্য EMA/MA ২০০পিরিয়ড এর নিচে থাকলে বাই আর EMA/MA ২০০পিরিয়ড এর উপরে থাকলে সেল এন্ট্রি থেকে বিরত থাকুন। সর্বশেষ নিয়ম, যখনই আপনার দৈনিক টেক প্রফিট চাহিদা পূরণ হবে বা পূরণ হওয়ার পথে তখন ওই টিপি টার্গেট থেকে আর বাড়াবেন না। তাহলে হয়তো আম আর ছালা দুটোই হারাবেন, মনে রাখবেন ফরেক্স হলো দু-মুখি তলোয়ার যার দু-দিকেই সমান ধার থাকে। সাধারণ নির্দেশাবলীঃ ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য এই স্ট্রেটেজিটি সবথেকে বেশী কার্যকর হয় লন্ডন ও নিউ ইয়র্ক ট্রেডিং সেশন এ।এই স্ট্রেটেজিটি সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল এ্যনালাসিস নির্ভর, তাই নিউজ ও ফান্ডামেন্টাল এ্যনালাইসিস দ্বারা এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। হুট করে ট্রেডে এন্ট্রি দিবেন না, ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার জন্য স্ট্রেটেজিমতে এ্যনালাইসিস দেখুন তারপর সিউর হয়ে ট্রেডে এন্ট্রি দিন কারণ ট্রেড করার জন্য সময়ের অভাব হবেনা কিন্ত লস সামলাতে আপনার অনেক সময় লাগতে পারে। লিভারেজ হলো ট্রেডারদের সাইলেন্ট কিলার, তাই পৃথিবীর যত সফল স্ট্রেটেজিই হোক না কেন ট্রেড এর ক্ষেত্রে অত্যাধিক লিভারেজ ব্যবহার করবেন না। মনে রাখবেন একজন দৈনিক ট্রেডার ধারাবাহিকভাবে দৈনিক তার মূলধনের ৫% উপার্জন করতে পারে আর বেশী করা মানেই হলো ওই ট্রেডার ধয্যহীন ও লোভী আর এজন্যই যত সফল স্ট্রেটেজিই হোক না কেন এ ধরনের ট্রেডাররা এক সময় বিশাল লস দেয়। EMA ইন্ডিকেটরটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে - ema.zip উপরোক্ত স্ট্রেটেজিটি আশা করি নতুন ও অভিজ্ঞ ট্রেডারদেরকে আরো অভিজ্ঞ ও সফল করে তুলবে। কোনো ভুল হলে শিখিয়ে দিবেন কারণ আমিও আপনাদের মত একজন সাধারণ ট্রেডার। শুধুমাত্র নিজে যতটুকু অর্জন করেছি ততটুকুই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ধন্যবাদ। ema.zip
  12. আমরা যারা ফরেক্স ট্রেড করি তারা সবাই কম বেশি জানি যে প্রত্যেকটি ট্রেড-এ লাভ করা সম্ভব নয়। প্রত্যেক ক্রিয়ার যেমন বিপরীত ক্রিয়া থাকে তেমনি আপনার করা ট্রেড এ যেমন লাভ হবে তেমনি লস ও হতে পারে, এটা আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। আমরা এ বিষয়টা যেনেও লোভের বশবর্তী হয়ে বা আগের করা ট্রেড এর লস পুষিয়ে নেয়ার জন্য অনেক উত্তেজিত হয়ে ভুল ট্রেড করে অথবা বাই-সেল করে ট্রেডকে আটকে রেখে নিজের একাউন্টটাকে বিপদের দিকে ঠেলে দিই। এতে করে আমাদের মধ্য থেকে অনেক ট্রেডারই অল্প সময়েই নিঃস্ব হয়ে যায়। আর আমরা হারানোর পরই আমাদের ভুলটা বুঝতে পারি, কিন্তু শিক্ষা নিই না বা পরবর্তীকালে ট্রেড করার সময় আগের ভুলের কথা আর মনে রাখিনা, এটাই আমাদের দোষ। আমার ট্রেড অভিজ্ঞতামতে পৃথিবীর কোনো ট্রেডারই শতভাগ লাভ করতে পারেনা, হ্যাঁ তবে অবশ্যই ৭০-৮০% ট্রেড প্রফিট এ থাকা বাঞ্জনীয় নতুবা ট্রেড করার স্বার্থকতা কি, তাই না? এতক্ষণ যাই বললাম তা আমাদের সবারই জানা, আসলে উপরের কথাগুলো না বললে আপনার হয়তো আমার লিখাটা পড়ার আগ্রহ আসতো না। যাই হোক এবার আমি যা বলতে চাই সে কথায় আসি, আপনি হয়তো অনেকটা সিওর হয়ে একটা ট্রেড (স্টপ লস না দিয়ে) ওপেন করলেন, যে কোনো নিউজ/দুর্ভাগ্যবশত আপনার ট্রেডটি হুট করে আপনার ট্রেড এর বিপরীত দিকে অর্থাৎ লোকসানের দিকে যেতে শুরু করে কিন্তু লস এর পরিমান বেড়ে যাওয়ায় (আপনি যেহেতু স্টপলস দেননি) আপনি আপনার ট্রেডটি ক্লোজ করতে চাচ্ছেন না, এতে করে আপনি হতাশ হয়ে পড়েন এবং উত্তেজিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে থাকেন, আআর এক সময়ে এসে আপনার ভুল সিদ্ধান্তের কারনে আপনার একাউন্টটি আপনার চোখের সামনেই শূন্য হয়ে যায়। তখন হয়তো আপনার তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকেনা। ব্যাপারটা আমি একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝাই, তাহলে হয়তো আপনার বুঝতে আরেকটু সহজ হবে- যেমনঃ ধরা যাক আপনার ব্যালেঞ্ছ/ইকুইটি ৫০০$ আপনি Eur/Usd পেয়ার এ ১.৩৭৫৫ রেট এ ১ ভলিউম এ একটি বাই ট্রেড ওপেন করলেন, দেখা গেলো যে কোনো কারণে আপনার ট্রেডটি ৬৫ পিপস মাইনাস এ চলে গেলো, এক্ষেত্রে আপনি আপনার লোকসান পুষিয়ে নেয়ার জন্য তড়িগড়ি করে কোনো কিছু না ভেবে আরো ১ ভলিউম বাই এ নিয়ে নিলেন, আপনি হয়তো ভাবলেন যে ৩০পিপস বা এর বেশী কারেকশান হলে সামান্য প্রফিট নিয়ে বা লস শূন্যতে আসলেই দূটো ট্রেডই এক সাথে ক্লোজ করে দিবেন কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখলেন যে আপনার ট্রেড আরো ৭০ পিপস মাইনাস এ চলে গেলো, তখন আপনি কোনো উপায় না পেয়ে আপনার একাউন্ট বাঁচানোর জন্য সেল এ ২ ভলিউম ট্রেড নিয়ে আপনার একাউন্টটিকে লক করে পেললেন। এখন আপনার মোট ট্রেড ভলিউম ৪। এতে করে আপনার একাউন্টের ইকুইটি এসে দাঁড়ায় (প্রথম বাই ১ ভলিউম এর ৬৫পিপস+ পরের ও আগের বাই মিলিয়ে মোট ২ ভলিউম এর (৭০*২)১৪০পিপস+ পরের সেল ২ ভলিউম এর ব্রোকার স্প্রেড ৬পিপস) ২৮৯$ আর সর্বমোট লস ২১১পিপস/২১১$। এমতাবস্থায় আপনি আর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, কারন আপনি আপনার একান্টটিকে বাই ও সেল ভলিউম সমান করে লক করে পেলেছেন। এখন ট্রেড যেদিকেই যাক আপনার লস কিন্তু ২১১পিপস/২১১$। উপোরের ট্রেডগুলোতে আপনার কি কি ভুল ছিলোঃ আপনি সঠিক ভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করেননি।আপনি স্টফ লস ব্যবহার করেননি।আপনি নিউজ ও টেকনিক্যাল এনালাইসিস সঠিক ভাবে ফলো করেননি।সর্বোপরি আপনি আপনার ব্যালেঞ্ছ অনুযায়ী ভলিউমের পরিমান অনেক বেশী করেছেন, যেখানে আপনার ব্যালেঞ্ছ অনুপাতে ভলিউম শুরু হওয়া উচিৎ ছিল .১০।আমার অভিজ্ঞতামতে আপনি কি করবেন / আপনার করনীয় কিঃআমার অভিজ্ঞতামতে আপনি ৫০০$ পরিবর্তে সবোচ্চ .৫০ ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করতে পারেন, এতে করে আপনি আসা করি রিস্ক ফ্রী থাকবেন। অর্থাৎ আপনি এক বা একাধিক পেয়ার এ ট্রেড করুন সেটা কোনো ব্যাপার নয়, সর্বমোট ভলিউম এর পরিমান যেন .৫০ই থাকে।আপনি যেহেতু কম এমাউন্ট নিয়ে ট্রেড করছেন সেহেতু আপনাকে অবশ্যই টেকনিক্যাল এনালাইসিস অর্থাৎ সাপোর্ট ও রেসিস্ট্যন্ট পয়েন্ট বুঝে স্টফ লস ও টেক প্রফিট দিতেই হবে। না হয় নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন।নিউজ আওয়ার এ নিউজ না বুঝলে ট্রেড না করাই ভালো, তবে সাপোর্ট ও রেসিস্ট্যন্ট পয়েন্ট দেখে (অবশ্যই এস এল ও টি পি দিয়ে) বাই/সেল পেন্ডিং অর্ডার দিতে পারেন।মনে রাখবেন ভুলেও কখনো একই পেয়ার এ বাই ও সেল করে আপনার একাউন্ট লক করবেন না, এতে করে আপনি এ ট্র্যাপ থেকে লস না দিয়ে কোনোভাবেই বের হতে পারবেন না। যদি আপনার ট্রেড এর তুলনায় আপনার এমাউন্ট ভালো না হয় বা আপনার লাক আপনাকে ফেবার না করে।মার্কেট ওপেন ও ক্লোজিং ডে তে মোটামুটি সিউর না হয়ে কোনো ট্রেড ওপেন করবেন না। বিশেষ করে ঐ দুই দিন শতভাগ সতর্কতার সহিত ট্রেড করুন।উপরোক্ত উদাহরণের ন্যায় ট্রেড থেকে যে ভাবে বের হবেনঃ আমি যতটুকু জানি এ ধরনের ট্রেড থেকে বের হওয়ার দুটি উপায় আছে। ১ম টি হলো টেকনিক্যাল এনালাইসিস অর্থাৎ সাপোর্ট রেসিস্ট্যন্ট ও ৪ঘন্টা বা ১দিন টাইম ফ্রেম এ ট্রেন্ড যে দিকে আছে সুযোগ বুঝে তার অফোজিট ট্রেডগুলো ১ভলিউম ১ভলিউম করে ক্লোজ করে দিন, আর অন্য ট্রেডটি এনালাইসিস ও নিউজ ফলো করে যতটুকু প্রফিট নেয়া যায় তা নিয়ে বের হয়ে যান, এতে করে অন্তত আপনার একাউন্টটির একটু হলে ইকুইটি বাড়বে। ২য় পদ্ধতি হলোঃ এ পদ্ধতিটি অনেকটা ধরয্যে ও সময়ের ব্যাপার, তা হল আপনার বাই/সেল ট্রেডগুলোর এস এল ও টি পি এমন ভাবে দিন যাতে কোনোটাই টাচ/হিট করতে না পারে, এবার আপনি আপনার যা ইকুইটি আছে তা দিয়ে ধীরে ধীরে ট্রেড করে ইকুইটি বাড়িয়ে নিন, ইকুইটি যা হলে আপনার মনে হবে যে, যে কোনো এক দিকের ট্রেড ক্লোজ করলেও আপনার একাউন্ট ক্লোজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা। এরপর আপনার লক ট্রেডগুলো ছাড়া অন্য সকল ট্রেড ক্লোজ করা হলে টেকনিক্যাল এনালাইসিস ও ৪ঘন্টা বা ১দিন টাইম ফ্রেম দেখে নেগেটিভ দিকের বাই/সেল ট্রেডটি ক্লোজ করে দিন। এবং আপনার বাকি ট্রেডটিতে এনালাইসিস করে টেক প্রফিট দিয়ে দিন এবং খেয়াল রাখুন। এ পদ্ধতিতে আশা করি আপনার ট্রেডটির লস অনেক কমে আশবে এবং আপনি বাই/সেল ট্র্যাপ থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন। উপরের আলোচনায় আপানারা ট্রেডাররা যদি সামান্যতম উপকৃত হতে পারেন আমার এই লিখা সার্থকতা পাবে। মন্তব্য করে আপনাদের মতামত শেয়ার করবেন যেন ভবিষ্যতে আরো ভালো ভালো আইডিয়া শেয়ার করার প্রেরণা পাই। ধন্যবাদ।
  13. একজন সফল ফরেক্স ট্রেডার হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই অনেক পরিশ্রম, সময় ও মেধা খাটাতে হবে। নতুবা আপনি কখনো ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে সফল হতে পারবেন না। একজন সফল ট্রেডার হওয়ার জন্য আজ আপনাকে কয়েকটি পরামর্শ দিব। ১। বেসিক ফরেক্স শিখাঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফরেক্স এ সামান্য কিছু ধারনা নিয়ে একজন ভাল ট্রেডারের সফলতা দেখে বা কারো মুখে ফরেক্স এ সফলতার কথা শুনে তড়িঘড়ি করে ট্রেড শুরু করে। এক্ষেত্রে আমি বলবো আগে আপনি ফরেক্স এর বেসিকটা ভালো করে শিখুন তারপর নুন্ন্যতম ৩মাস(বা যে পর্যন্ত ৭০% ট্রেড এ সফলতা না আসে) ডেমো প্রেক্টিচ করুন। ২। ট্রেড এ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুনঃ অনেকেই কয়েকদিন প্রেক্টিচ করেই লাইভ একাউন্ট এ ট্রেড শুরু করে দেয় এবং কয়েকদিন এর মধ্যে একাউন্ট ক্লোজ হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। আপনি যদি প্রথম দু-চারদিন ট্রেড এ প্রফিট করে মনে করেন আপনি ফরেক্স শিখে পেলেছেন, তাহলে ভুল মনে করলেন, কারণ ফরেক্স মার্কেট এ সফলতার একধাপ এগোনোর জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমানে প্রেক্টিচ করতে হবে। নতুবা আপনি সফল ট্রেডার হতে পারবেন না। সুতারাং আগে ডেমোতে ৩-৬মাস ট্রেড করে নিজের সফলতা নিজেই বিবেচনা করুন। ৩। অভিজ্ঞ ট্রেডারদের কিছু কিছু পরামর্শ এড়িয়ে চলাঃ বিশেষজ্ঞদের মতামত বা পরামর্শ শুনবেন এটা অবশ্যই ঠিক। তবে কিছু কিছু ট্রেডার যারা নিজেকে অভিজ্ঞ দাবী করে আর আপনাকে ফরেক্স থেকে ১০০ভাগ আয় করার বিভিন্ন পন্থার আকশচুম্বি স্বপ্ন দেখায়। যেমনঃ · যে জাতিয় তথ্য উপাত্তে কোনো সফলতা আসেনা সেগুলো দেয়া। · কমার্শিয়াল ইন্ডিকেটর, রোবট ইত্যাদি কিনতে বলা। · বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনসর্ট দিয়ে অন্যকে আকৃষ্ট করা, যেগুলো মিলিয়ে দেখলে দেখবেন অনেকটা অবাঞ্চিত ও ভুয়া। এ ধরনের এক্সপার্ট ট্রেডারদের বিভিন্ন প্ররোচনা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। কারণ এ ধরনের এক্সপার্টরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্যই আপনাকে সাহায্যের হাত বাড়াবে। ৪। নিজের এনালাইসিসঃ অন্যের এনালাইসিস/সিগন্যাল দেখে ট্রেড করবেন তো নিজে সারা জীবন অন্ধ ট্রেডার হিসেবেই থেকে যাবেন, কারণ অন্যের এনালাইসিস/সিগন্যাল এ ট্রেড করলে কখনো লাভ আবার কখনো বিশাল ক্ষতি হতেই পারে। এজন্য নিজে ট্রাই করে এমন একটি স্টেটিজি তৈরি করুন যাতে ট্রেড এ ৭০-৮০ভাগ সফলতা আসে। নিজের সাকসেস স্টেটিজি ছাড়া লাইভ ট্রেড এর খাতায় নিজের নাম লিখাবেন না। ৫। লস এর পর বিরতিঃ আমারা অনেকেই আছি যে, আজকে যা লস করেছি তা আজকেই প্রফিট করে নিব এমন জেদ করে ট্রেড করে থাকি। না, এমন কাজ করবেন না যে দিন দেখবেন যে আপনার ২/৩টি ট্রেড পর পর লস এ ক্লোজ হয়ে গেছে সেদিন আপনি ট্রেড থেকে বিরত থাকুন। এবং পরবর্তী দিনের জন্য প্রস্তুতি নিন। ৬। নির্দিষ্ট পেয়ার এ ট্রেডঃ বেশীর ভাগ ট্রেডারই একসাথে একাধিক পেয়ার এ ট্রেড করে থাকেন যেটা সত্যিই বিপদজনক। সবসময় ১/২টি পেয়ার এ ট্রেড করার চেষ্টা করবেন, তাহলে ওই পেয়ার এর সম্বন্ধে আপনার একটা ভালো আইডিয়া থাকবে এবং খুব সহজে এনালাইসিস ও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ৭। টাইম ফ্রেমঃ একাধিক টাইম ফ্রেম এ ট্রেড করা একজন ট্রেডারের জন্য একটি খারাপ গুন। আপনি অবশ্যই ১টি ট্রেড করার আগে প্রত্যেকটা টাইম ফ্রেম এ দেখে সিদ্ধান্ত নিবেন তবে সব সময় একটি টাইম ফ্রেম এ ট্রেড করবেন। কারণ আপনি চার্টকে ডে চার্ট এ যেভাবে দেখবেন ১ঘন্টার চার্ট এ কিন্তু সে রকম দেখবেন না। আপনি আপনার স্টেটিজি ও ট্রেড এমাউন্ট এর সাথে মানাতে পারবে এমন একটি টাইম ফ্রেম এ ট্রেড করুন। ৮। নিখুঁত চার্টঃ ট্রেড এর ক্ষেত্রে ইন্ডিকেটর আমাদেরকে অনেক সহায়তা করে তাই বলে এই নয় যে আমরা যে পেয়ার এ ট্রেড করবো সে পেয়ার চার্ট এর উপর ইন্ডিকেটর এর মেলা বসিয়ে দিব। আমার মতে ট্রেড করার জন্য ২টির বেশী ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা ঠিক নয়/প্রয়োজন নেই। কারণ আপনি যত বেশী ইন্ডিকেটর ব্যবহার করবেন তত বেশী কনফিউসড হবেন আর ভুল সিদ্ধান্ত নিবেন। সুতারাং আপনার ভালো লাগে শুধুমাত্র এমন ২টি ইন্ডিকেটর দিয়ে চার্ট সাজান। ৯। টেক প্রফিট ও স্টপ লস ব্যবহার করাঃ আপনার প্রতিটি ট্রেড এ এনালাইসিস করে টেক প্রফিট ও স্টপ লস ব্যবহার করুন, নতুবা যে কোনো সময় আপনি বড় লসের সম্মুখীন হতে পারেন। ১০। মানি ম্যানেজমেন্ট করুনঃ অনেক ট্রেডারই আছে যারা মানি ম্যানেজমেন্ট করে না, এতে করে এক সময় নিঃস্ব হয়। ট্রেড করার সময় মানি ম্যানেজমেন্ট ও হিসেব করে ভলিউম ক্রিয়েট করে ট্রেড করুন। ১১। নিউজ এ চোখ রাখুনঃ যে কোনো পেয়ার এ ট্রেড করার পূর্বে উক্ত পেয়ার এ কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন। যদি ঐই পেয়ার এ নিউজ থাকে তাহলে নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন, নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর নিউজ বুঝে ট্রেড করুন। এবং মেজর কারেন্সিগুলোর ব্যাংক ছুটির দিনে ঐই কারেন্সি পেয়ার এ ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। উপোরের নিয়মগুলো মেনে চললে আশা করি আপনি অবশ্যই একজন ভালো ট্রেডার হতে পারবেন।
  14. বন্ধুরা, ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট এ অনেকেই ট্রেড করেন, যারা করেন তারাতো জানেন যে ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট ট্রেড এ প্রফিট কেমন আর যারা জানেন না আজকের লিখাটা তাদের জন্য। এই পদ্ধতিতে সঠিক ভাবে ট্রেন্ড লাইন আঁকলে অতি দ্রুত ও সহজে ৯০ভাগ সফলতা পাওয়া যায় সেটা নিশ্চিত। তাহলে আসুন সহজেই জেনে নেই ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট ট্রেড পদ্ধতিঃ যে পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ মেজর পেয়ারগুলোকে গুরুত্ব দিন যেমনঃ EURUSD ও GBPUSD (পরীক্ষিত)। আপনি চাইলে অন্যান্য পেয়ার এ ও করতে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে আগে ডেমোতে যাচাই করুন। সময়ঃ ১ঘন্টা। ইন্ডিকেটরঃ ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআউট এ ট্রেড করার জন্য কোনো ইন্ডিকেটরের প্রয়োজন হয়না। ট্রেন্ড লাইনঃ এ পদ্ধতিতে ট্রেড করতে হলে মুলত আপনাকে সঠিকভাবে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে হবে। ট্রেডিং সেটাপ যেভাবে করবেনঃ এ পদ্ধতিতে সঠিকভাবে ট্রেড করতে হলে একজন ট্রেডারকে সুইং হাই ও সুইং লো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে এবং ঐই নির্বাচিত সুইং হাই ও সুইং লো পয়েন্ট এ ট্রেন্ড লাইন আঁকতে হবে। পিভট পয়েন্টগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এই বিষয়গুলো আমি মনে করি সকল ট্রেডারই পারেন। এই পদ্ধতিতে আমাদের কাজের পরিসীমা হবে ৫টি ক্যান্ডেল এর মধ্যেঃ এই পদ্ধতিতে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে আমাদেরকে মধ্যরাত থেকে ৪টাAM-EST ক্যান্ডেল সহ মোট ৫টি(যে কোনো) ক্যান্ডেল এর মধ্যে আঁকতে হবে। এর চেয়ে বেশী হলেও সমস্যা নেই তবে চেষ্টা করবেন যেন ৫টি ক্যান্ডেল এর মধ্যে যেন আঁকা যায়। বৈকল্পিক/অন্য ভাবে: Draw a midnight vertical line for a visual aid. যে ৫টি ক্যান্ডেলের মধ্যে ট্রেন্ড লাইনটি আঁকবেন অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে সেগুলোতে valid সুইং লো ও হাই প্রাইচ আছে কিনা। এখন এমন একটি ডাউনট্রেন্ড ট্রেন্ড লাইন আঁকুন যেটা আপনার বর্তমান সুইং হাই ও আগের দিনের সুইং হাই মিলেই হয়। লক্ষ রাখবেন যেন ডাউনট্রেন্ড ট্রেন্ড লাইন এর ২য় সুইং হাইটি যেন ১ম সুইং হাই থেকে নিচে থাকে। না হলে আপনার ডাউনট্রেন্ড ট্রেন্ড লাইন আঁকা হয়নি/হবেনা। আপট্রেন্ড ট্রেন্ড লাইন আঁকার জন্য ঠিক তার উল্টোটা করুন, শুধু লক্ষ রাখবেন যে আপট্রেন্ড ট্রেন্ড লাইন এর ২য় সুইং লো যেন ১ম সুইং লো থেকে উপরে থাকে। ট্রেন্ড লাইন আঁকার পর যখন দেখবেন বর্তমান ক্যান্ডেলটি তার আগের সুইং হাই/সুইং লো ক্যান্ডেল কে অতিক্রম করে আপ/ডাউন এ যাচ্ছে তখনই ট্রেড এ এন্ট্রি করবেন (যে দিকে যাবে)। চিত্রের মাধ্যমে দেখে নিনঃ যে ভাবে প্রফিট ও লস নির্ধারণ করবেনঃ এ পদ্ধতিতে আপনি ১ঘন্টার টাইম ফ্রেমে ৩টি ক্যান্ডেল শেষ হলেই (৩ঘন্টা শেষে) প্রফিট বা লস যা-ই হোক ট্রেড ক্লোজ করে দিন বা আপনি সাপোর্ট রেসিস্টেন্স দেখে আপনার মত করে দিন। এ পদ্ধতিতে ট্রেড এর কতিপয় নিয়মঃ ট্রেন্ড লাইন valid / সঠিক না হলে এ পদ্ধতির ট্রেড থেকে বিরত থাকুন। সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সকে গুরুত্ব দিন। এন্যালাইসিস কম বুঝলে ৩ঘন্টার বেশী ট্রেড রাখবেন না। যে টাইম দিয়েছি সে টাইম ছাড়া ট্রেন্ড লাইন এঁকে এ পদ্ধতিতে ট্রেড করবেন না, বিশেষ করে এ পদ্ধতিতে দিনে একবার ট্রেড করা ভালো। কম লট এ ট্রেড করুন, আগে ডেমোতে ট্রাই করুন। সর্বশেষ আমি যে কথাটি সব সময় বলি তা হল অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করুন। আপনারা অবশ্যই আগে ডেমোতে ট্রাই করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  15. বন্ধুরা, আজকে আমি আপনাদের সাথে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করে তা নিয়ে আলোচনা করবো। আর যারা হেজিং সম্পর্কে কিছুই জানেন না তারা www.bdforexpro.com তে হেজিং নিয়ে আমার প্রথম লিখাটি পড়ে নিন, তাহলেই হেজিং কি তা আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন। : যাই হোক, এতক্ষণে আশা করি (উপরের লিংক থেকে) আপনারা হেজিং সম্পর্কে অবগত হয়েছেন, তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আজকের আলোচনায় আসা যাক, আগেই বলেছি আজকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করে তা নিয়ে আলোচনা করবো কারণ ফরেক্স বিশ্বে আমাদের মত ছোট মূলধনের ট্রেডাররা সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করতে বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ ব্রোকারই শুধুমাত্র MT4 এ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার সুবিধা দিয়ে থাকে, তবে MT5 এ বেশীর ভাগ ব্রোকার সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং সুবিধাটি রাখেনি যাই হোক সেটা আপনি ভালো বলতে পারবেন যে, আপনার ব্রোকার সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং সুবিধাটি MT4/MT5 এ রেখেছে কিনা। নিচে একটি হেজিং প্রক্রিয়ার চিত্র দেয়া হলোঃ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং : একজন ট্রেডার একটি পেয়ারে একই রেটে বাই ও সেলে সমান লট এ দুটি ট্রেড একসাথে ওপেন করাকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং বলা হয়। আপনারা অনেকেই হয়তো এ ধরনের বাই সেল ট্রেড করেছেন কিন্তু এটা জানতেন না যে এটাকে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং বলে। হ্যাঁ বন্ধুরা এটাই সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং তবে এভাবে ট্রেড বা সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার নিয়ম না জানার ফলে অনেকেই তার একাউন্টকে ধীরে ধীরে শূন্য বানিয়ে ছেড়েছে। কারণ একই সাথে বাই ও সেল করা ট্রেডার তখন আর সিধান্ত নিতে পারে না যে কখন কোন ট্রেডটা ক্লোজ করবে আর কিভাবে প্রফিট নিয়ে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং ট্রেড থেকে বের হবে। সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং এর সুবিধাঃ ট্রেড করার আগে এনালাইসিস করার প্রয়োজন হয় না। টেক প্রফিট/স্টপ লস না দিলে কোনো সমস্যা হয় না। ট্রেড ওপেন করে ট্রেড এ বসে থাকতে হয় না বা ট্রেড রেখে কোথাও গেলে দুশ্চিন্তা হয় না। ভাল হেজিং করতে পারলে প্রফিট শতভাগ নিশ্চিত থাকে। সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং যে ভাবে করবেনঃ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করার জন্য আপনাকে তেমন কোনো এনালাইসিস করতে হবে না তবে ট্রেড ক্লোজ ও প্রফিট নেয়ার ক্ষেত্রে পরে এনালাইসিস করতে হয়। শুধু একটি ভাল ট্রেড পেয়ার বাছাই করতে হবে। মেজর যে কোনো পেয়ার যেমন-EURUSD, GBPUSD, USDCHF. এবার আপনার বাছাইকৃত পেয়ার এ একই রেট একই ভলিউম এ একটি বাই ও একটি সেল ট্রেড ওপেন করুন। উদাহরণস্বরূপ – আপনি EURUSD পেয়ার এ ১.৩৮২৫ রেটে ১ভলিউম এ একটি বাই ও সেল ট্রেড ওপেন করলেন। যেভাবে প্রফিট নিয়ে হেজিং ট্রেড থেকে বের হবেনঃ হেজিং ট্রেড এ প্রফিট নেয়ার জন্য আপনি অবশ্যই সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও আপনার পছন্দমত ইন্ডিকেটর আর ৪ঘন্টা ও ডে চার্ট ফলো করবেন। হেজিং ট্রেড বা বাই সেল ট্রেড ভলিউম ওপেন করার পর যে কোনো এক সময়ে আপনার যে কোনো একটি ট্রেড তো অবশ্যই প্রফিট এ থাকবে, আর যে ট্রেডটি প্রফিট এ থাকবে(ধরুন সেল ট্রেডটি প্রফিট এ আছে) আপনি আপনার এনালাইসিস করে দেখবেন যে সেল ট্রেডটি আরো প্রফিট এ যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা, যদি সম্ভাবনা না থাকে তাহলে সেল ট্রেডটি ঐই অবস্থায় ক্লোজ করে দিন। তাহলে আপনার এখন বাই ট্রেডটি লস এ আছে এবার বাই ট্রেডটির সমান ভলিউম এ সেল ট্রেড ক্লোজ রেট এ আরেকটি বাই ট্রেড ওপেন করুন, যখন দেখবেন মার্কেট সেল থেকে বাই এ আপনার এনালাইসিস মতে বা নরমালি কারেকশান করেছে তখন আপনি দুটি বাই ট্রেড একসাথে ক্লোজ করে টোটাল প্রফিট নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যান। উদাহরণস্বরূপ – EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ১.৩৮২৫ তে EURUSD ১ভলিউম সেল ট্রেড ১.৩৮২৫ তে বর্তমানে EURUSD ১.৩৭৬০ রেট এ তাহলে আপনার সেল ট্রেডটি ৬৫পিপ্স প্রফিট এ আছে। এখন আপনি আপনার অভিজ্ঞতামতে এনালাইসিস করে ৬৫পিপ্স লাভে সেল ট্রেডটি ক্লোজ করে দিলেন এবং ঐই ১.৩৭৬০ রেট এ ১ভলিউম আরেকটি বাই ট্রেড ওপেন করলেন এবং EURUSD যখন ১.৩৭৯৫ তে আসলো তখন আপনি দুটি ভাই ট্রেডই একসাথে ক্লোজ করে দিলেন। তাহলে আপনার মোট লাভ হলোঃ EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ওপেন ১.৩৮২৫ এ, ক্লোজ১.৩৭৯৫ এ ৩০পিপ্স লস=৩০$ EURUSD ১ভলিউম সেল ট্রেড ওপেন ১.৩৮২৫ এ, ক্লোজ১.৩৭৬০ এ ৬৫পিপ্স প্রফিট=৬৫$ এবং শেষের EURUSD ১ভলিউম বাই ট্রেড ১.৩৭৬০ এ, ক্লোজ১.৩৭৯৫ এ ৩৫পিপ্স প্রফিট=৩৫$ সবশেষে আপনার লাভ হলো ৬৫পিপ্স+৩৫পিপ্স-৩০পিপ্স=৭০পিপ্স বা ৭০$। আরো একভাবে সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করা যায় তাহলো একই সাথে বাই সেল ট্রেড করা এবং ট্রেড ট্রেন্ড যেদিকে যায় সে দিকে আরেকটি সেইম ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করা আর এনালাইসিসমতে শেষের ট্রেড এ প্রফিট আসলে এভারেজ প্রফিট নিয়ে সবগুলো ট্রেড একসাথে ক্লোজ করে দেয়া। তবে এ পদ্ধতির সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং এ বেশী লাভ করতে গেলে রিস্ক এ পড়তে হয়। ও একটি কথা বলতে ভুলে গেছি হেজিং ট্রেড এ কখনো স্টপ লস/টেক প্রফিট দেবেন না। কারণ এ ধরনের ট্রেড নিজে দেখে বুঝে ক্লোজ করতে হয়। কারণ সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং ট্রেড মানেই হলো প্রথম দুটি ট্রেড এর একটি প্রফিট এ ক্লোজ করার পর অন্য ট্রেডগুলো লস এ থাকলে কন্টিনিউ ট্রেড এর পরিবর্তে ট্রেড ওপেন করতে হয়। তাই বুঝে শুনে ভালো এনালাইসিস ও মানি ম্যানেজমেন্ট করে আপনার ট্রেড ভলিউম ওপেন করুন। আর সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং করতে হলে প্রথমেই মানি মেনেজমেন্ট নিয়মের চেয়ে কম ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করুন। আশা করি সরাসরি/ডিরেক্ট হেজিং কিভাবে করবেন এখন সবাই নিশ্চিত হয়েছেন ও বুঝে গেছেন। তাই সবার জন্য শুভ কামনা, যেন সবাই হেজিং ট্রেড এ সফল হতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
  16. EURUSD মার্কেট আউটলুক ২০ই অক্টোবর থেকে ২৪ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ২৬৫পিপ্স এর মত বাই এ মুবমেন্ট হয়ে ১.২৭৬০ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটি বিগত সপ্তাহে যথেষ্ট বাই এ যাওয়ার চেষ্টায় ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১.২৮৮৫ থেকে সেলের দিকে ১.২৭৬০ মুল্যে চলে আসে। বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকা এখন দ্বিতীয় আর এশিয়ার বৃহত্তম দেশ চীন প্রথম স্থানে আছে আর এটা বিগত সপ্তাহের ওয়াল্ড ইকোনোমির জরিপ। তাই এ সুবাদে যদি এবার পেয়ারটি বাই এর দিকে যায় আর কি। ৩রা অক্টোবর থেকে যদি ৪ঘন্টার চার্ট দেখেন তাহলে পেয়ারটি এখন বাই ট্রেন্ড এ আছে আর দৈনিক চার্টে? দৈনিক চার্টে সেই বিগত চার মাসের চেনা ট্রেন্ড সেল এ আছে। অনেকেই মনে করেছেন হয়তো পেয়ারটি এবার বুঝি বাই ট্রেন্ড ধরবে কিন্তু পেয়ারটি তা পারে কিনা তা বলা মহা মুশকিল কারণ এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্বগতির জন্য EUR এর একমাত্র নিউজ হলো French Flash Manufacturing PMI আর EUR এর বিপক্ষে নিম্নগতির জন্য USD এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তাই হয়তো এ সপ্তাহটি পেয়ারটির বাই এর জন্য অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে সপ্তাহের শেষ দু-দিন USD এর নিউজগুলো পেয়ারটিকে ট্রেডেবল রাখবে এটা নিশ্চিত। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৮৭০-১.২৯৯০ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৭২২ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করে ১.২৬৯৫ মুল্যে আসলে ১.২৬৩০-১.২৫৭০ পর্যন্ত যেতে পারে। তবে পেয়ারটির মার্কেট যদি ১.২৫০০ মুল্য ক্রস করে সেলে যায় তাহলে পেয়ারটি সেলে আরো ২০০-৩০০পিপ্স এবং ১.৩০০০ মুল্য ক্রস করলে বাই ট্রেন্ড যাওয়া স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। ৪ঘন্টার চার্টে ট্রেন্ড চিত্রঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ পিভট পয়েন্টঃ ১.২৭৮০। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৮১৬, ১.২৮৭৩, ১.২৯০৯, ১.২৯৫০, ১.২৯৯৯ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩০৪৭। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৭২৩, ১.২৬৮৭, ১.২৬৬০, ১.২৬৩০, ১.২৫৭০ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২৫০০। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ২০ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই। তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ২১ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই। তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ২২ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন পেয়ারটির USD কারেন্সিতে একটিমাত্র নিউজ রয়েছে তাই এ দিন পেয়ারটি কিছুটা ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core CPI m/m ২৩ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে দুটি নিউজ রয়েছে। তবে এদিন EUR থেকে USD কারেন্সির নিউজটি অত্যাদিক গুরুত্বপূর্ণ। দুপুর ১.০০মিনিট EUR French Flash Manufacturing PMI সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৪ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি নিউজ রয়েছে। যদি নিউজটির ফলাফল অধিক ভাল/খারাপ হয় তাহলে এদিন পেয়ারটি ভালোই মুবমেন্ট করবে তাই সপ্তাহের এই শেষ দিনে সবাই নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর নিউজ সংখ্যা খুবই কম রয়েছে, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের উপর বেশী গুরুত্ব দিন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম রেসিস্টেন্স ক্রস করলে ১.২৮২৫ মুল্যে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৭৫০ আর টেক প্রফিট দিন ৬০-৯০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৭২২ ক্রস করে তাহলে ১.২৭১০ মুল্যে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৭০-১০০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৭৯০। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৯২০-১.২৯৫০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৯৮০ এবং টেক প্রফিট দিন ৯০-১২০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৬২০-১.২৫৮৫ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৫২৫ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  17. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ২০ই অক্টোবর থেকে ২৪ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ১৫০পিপ্স এর বেশী মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। এ সপ্তাহটিতে হয়তো মেজর পেয়ারগুলোতে তেমন মুবমেন্ট না ও হতে পারে কারণ এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সি হিসেবে USD কারেন্সিতে Unemployment Claims ও New Home sales ছাড়া তেমন কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, শুধু তাই নয় এ সপ্তাহে EUR কারেন্সিতেও শুধুমাত্র French Flash Manufacturing PMI নিউজটি রয়েছে, তাই এ সপ্তাহটিতে বেশীরভাগ মেজর পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। তবে এ সপ্তাহে CAD ও GBP কারেন্সিতে সর্বাধিক হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই এ সপ্তাহে CAD ও GBP কারেন্সির পেয়ারগুলোতে ভালো মুবমেন্ট আশা করা যায়। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ২০ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে CAD কারেন্সির নিউজটি ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই তাই এ দিন CAD কারেন্সির পেয়ারগুলো ছাড়া অন্য সকল পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Wholesale Sales m/m ২১ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে AUD এবং CNY কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, AUD কারেন্সির নিউজটির এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট অধিক ভাল/খারাপ আসলে এ দিন উক্ত কারেন্সির সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলো ট্রেডেবল হবে আর CNY কারেন্সির নিউজগুলো এশিয়ার কারেন্সিগুলোতে ইফেক্ট ফেলতে পারে। এছাড়া এ দিন অন্যান্য মেজর পেয়ারগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD Monetary Policy Meeting Minutes রাত ৮.০০মিনিট CNY GDP q/y রাত ৮.০০মিনিট CNY Industrial Production y/y ২২ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী নিউজ হলো CAD কারেন্সির। তাই এ দিন CAD কারেন্সির সাথে সম্পৃক্ত সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে, পাশাপাশি এ দিন GBPUSD, AUDUSD এবং USD কারেন্সির নিউজটি অধিক ভাল/খারাপ হলে অন্যানা মেজর পেয়ারগুলোর মার্কেটও ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD CPI q/q দুপুর ২.৩০মিনিট GBP MPC Asset Purchase Facility Votes দুপুর ২.৩০মিনিট GBP MPC Official Bank Rate Votes সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core CPI m/m রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Monetary Policy Report রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Rate Statement রাত ৮.০০মিনিট CAD Overnight Rate রাত ৮.০০মিনিট CAD BOC Press Conference ২৩ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে বিভিন্ন কারন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে যার মধ্যে USD, EUR ও GBP কারেন্সির নিউজগুলো অন্যতম। তাই আশা করা যায় যে, এ দিন মেজর পেয়ারগুলো মোটামুটি ট্রেডেবল হবে। রাত ৩.০০মিনিট AUD RBA Gov Stevens Speaks রাত ৩.৪৫মিনিট NZD CPI q/q সকাল ৭.৪৫মিনিট CNY HSBC Flash Manufacturing PMI দুপুর ১.০০মিনিট EUR French Flash Manufacturing PMI দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims ২৪ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র NZD, GBP ও USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি করে নিউজ রয়েছে আর নিউজগুলো অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ। যাইহোক, যদি USD কারেন্সির নিউজটির ফলাফল অধিক ভাল/খারাপ হয় তাহলে এদিন মেজর পেয়ারগুলো ভালোই মুবমেন্ট করবে তাই সপ্তাহের এই শেষ দিনে সবাই নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। রাত ৩.৪৫মিনিট NZD Trade Balance দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Prelim GDP q/q রাত ৮.০০মিনিট USD New Home Sales বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP ও CAD কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। তবে সপ্তাহের শেষ দিনের নিউজগুলো আপনার প্রিয় পেয়ারের মার্কেটকে যেকোনো দিকে ভালোই মুবমেন্ট করাতে পারে, তাই সপ্তাহের শেষ দিন ট্রেডে সতর্ক থাকুন। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। আর এ সপ্তাহে CAD কারেন্সির পেয়ারগুলোতে সাবধানে স্ক্যাল্পিং করুন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  18. GBPUSD মার্কেট আউটলুক ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, GBPUSD পেয়ারটি বিগত সপ্তাহে ভালোই ট্রেডেবল ছিল, পেয়ারটি সপ্তাহের প্রথম দিকে ১.৫৯৫১ পর্যন্ত সেল এ গিয়ে সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৬২২৬ মুল্যে পর্যন্ত বাই এ গিয়ে বিগত শুক্রবার ১.৬০৭৬ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটি বাই কিছুটা কারেকশন করছে, তারপরও বর্তমানে পেয়ারটি সকল টাইম ফ্রেমে সেল এ আছে। যেহেতু পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে এ সপ্তাহে বেশ কিছু নিউজ রয়েছে তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটি বিগত সপ্তাহের ন্যায় ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। এ সপ্তাহে পেয়ারটি বাই এ যাওয়ার জন্য GBP কারেন্সির CPI, Average Earnings Index ও Claimant Count Change এবং সেলে যাওয়ার জন্য মেজর কারেন্সি USD এর Retail Sales, Unemployment Claims, Building Permits ও Fed Chair Yellen Speaksসহ অন্যান্য নিউজগুলোর উপর নির্ভর করবে। যাইহোক, পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড বর্তমানে সাপ্তাহিক, দৈনিক ও ৪ঘন্টার চার্ট এ এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সির অনেকগুলো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো GBP কারেন্সির নিউজগুলো থেকে শক্তিশালী। এ সপ্তাহে পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে এবং আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ভাল স্ক্যাল্পিং করা যাবে তবে যারা স্ক্যাল্পিং করে থাকেন তারা নিউজগুলোর দিন সাবধানে স্ক্যাল্পিং করবেন। আশা করি পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাই এ আরো কিছু কারেকশন করে পুনরায় সেলে মোড় নিবে। যাইহোক, এ সপ্তাহে পেয়ারটি সেল এর দিকে ১.৫৯০০/১.৫৮৫০ এবং বাই এর দিকে গেলে ১.৬২০০/১.৬৩৪০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনাদের যেন উক্ত পেয়ার এ ট্রেড করতে সুবিধা হয় সে জন্য চিত্রের সাহায্যে উক্ত কারেন্সির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড এবং একটা ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। GBPUSD দৈনিক চার্ট এ মার্কেট ট্রেন্ড চিত্রঃ GBPUSD ডেইলি চার্ট এ সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ দৈনিক চার্টে পিভট পয়েন্টঃ ১.৬০৭৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.৬১২৮, ১.৬১৮০, ১.৬২৩২, ১.৬২৬৩ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৬৩৫৭। সাপোর্ট সমুহঃ ১.৬০২৫, ১.৫৯৪৭, ১.৫৯১০, ১.৫৮৮৫, ১.৫৮৫৩ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.৫৭৫৪। GBPUSD - পেয়ারটির এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিনঃ ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে ট্রেড করুন। ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে পেয়ারটির GBP কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের একটি নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকবে। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP CPI y/y ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন পেয়ারটিতে অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটির মার্কেট ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Average Earnings Index 3m/y দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Claimant Count Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির USD কারেন্সিতে দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, সুতরাং এ দিন পেয়ারটি নিশ্চিত ট্রেডবল থাকবে আর যদি নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভালো আসে তাহলে এদিন পেয়ারটি সেলে অগ্রাধিকার পাবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হ্যে উঠবে এবং সেলে থাকবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে নিউজ রয়েছে, তবে GBP থেকে USD কারেন্সির নিউজগুলো বেশী ইপেক্টিভ বলে আমি মনে করি। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির গতি USD এর নিউজগুলোর উপর-ই নিরভিরশীল হবে, তাই নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড ওপেন করুন। যদি এ সপ্তাহে USD কারেন্সির নিউজগুলো অত্যাধিক ভালো হয় তাহলে পেয়ারটি সেলে-ই থাকবে আর অপর দিকে GBP এর নিউজগুলো ভাল হলে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও বাই এ আরো কিছুটা কারেকশন করবে। এই সপ্তাহে আপনি উক্ত কারেন্সিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ মার্কেট প্রথম রেসিস্টেন্স ১.৬১২৮ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন, স্টপ লস ১.৬০৫৫ টেকপ্রফিট ৭০-১২০পিপ্স দিন। মার্কেট সেলে প্রথম সাপোর্ট ১.৬০২৫ ক্রস করলে সেল এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৬০৮০ টেক প্রফিট ৮০-১০০ পিপ্স দিন। মার্কেট যদি বাই এ যায় তাহলে ১.৬৩৩০-১.৬৩৫৫ এর মধ্যে সেল ট্রেড এ এন্ট্রি করুন, এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.৬৪২৫ আর টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০ পিপ্স। এবং মার্কেট সেলে গেলে ১.৫৮৬০ থেকে ১.৫৮২০ এর মধ্যে যেকোনো মুল্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন আর স্টপ লস ১.৫৮০০ এবং টেক প্রফিট ১২০-১৫০পিপ্স দিন। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা অবশ্যই ট্রেন্ড এবং নিউজ ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  19. Orbex ব্রোকারও নাকি তার গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করছে!!! আমাদের দেশের শিক্ষিত বেকারের হার দিন দিনই বাড়ছে, হয়তো টাকা বা তৃতীয় হাতের সাহায্য পায় না বা নেই বলে তাদের কোনো চাকুরী হয়না এবং আমাদের দেশে সে পরিমান কর্মের সংস্থানও নেই। তাতে কি! এখন অনেক শিক্ষিত মানুষ-ই Outsourcing ও Forex থেকে অর্থ আয় করে স্বাবলম্বী হচ্ছে আবার এসব খাত থেকে অনেকে আয় করার স্বপ্ন দেখছে। এটা আমাদের এবং আমাদের দেশের জন্য অবশ্যই একটা ভাল দিক, কারণ আপনি সঠিক প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর Outsourcing বা Forex করলে আমি মনে করি আপনি নিজেই চাকুরী খোঁজার তেমন কোনো প্রয়োজন বোধ করবেন না। তবে আমাদের দেশের অধিক প্রতিষ্ঠানই Outsourcing ও Forex ট্রেনিং এর নাম করে বেকার যুবকদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে যদিও তারা এই কোর্স এর বেসিক এর বেশী নিজেরাই জানেন না। আসলে বুদ্ধিজীবিরা আমাদের মাথায় কাঁঠাল বেঙ্গে খাচ্ছে আর আমরা তার খোসাগুলো নিজ দায়িত্বে ডাস্টবিনে ফেলে আসি আর অতপর হতাশ হই। Outsourcing এর পাশাপাশি বর্তমানে Forex ও আমাদের দেশে এখন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যদিও ফরেক্স আমাদের দেশে সরকারীভাবে বৈধ নয়, তারপরও আমরা আমাদের বেকারত্ব দূর করার জন্য সরকারী বিধি না মেনে নিজের পায়ে নিজে সফলভাবে দাঁড়ানোর জন্য ফরেক্স মার্কেটে মুলধন বিনিয়োগ করে থাকি। এজন্য বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ ফরেক্স ব্রোকারের চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে, আর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাক্তি নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য IB/Affiliate নিয়ে ফাউল কিছু ব্রোকারকে আমাদের দেশে এনে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই ঠকিয়ে যাচ্ছে, আর কোনো ব্রোকার ফাউল করলে আমাদের দেশে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা উদাও হয়ে যায়, যা হর হামেসাই আমরা দেখছি। অথচ একাউন্ট করা থেকে শুরু করে মুল্ধন খাটানো পর্যন্ত এই অসাধু ব্যাক্তিরা আপনাকে হাজার রকম সুবিদা দেখাবে আর সকল সমস্যা তারাই সমাধান করে দেবে বলে প্রতিস্রুতি দিয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যা হলে তারা কিছুতো করতে পারেইনা বরং অনেক সময় আপনার দোষ দিয়ে বসে থাকে বা আপনার থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। আর এ সুযোগে কিছু ব্রোকারও আমাদের এ দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে কারণ তারা যদি আমাদের সাথে বাটপারি করে তাহলে আমরাতো তাদেরকে ধরতে পারবোনা, যেহেতু আমাদের সরকারের বিধি নিষেধের ফলে তাদের কোনো নিজস্ব অফিস আমাদের দেশে নেই আর এ সুযোগটাই আমাদের দেশের অসাধু ব্যাক্তিদের মত তারাও কাজে লাগাচ্ছে যার মদদ দিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশেরই কিছু সংখ্যক কথিত ট্রেডার। আমার জানামতে, ২০১৩ইং সালে ফরেক্স ট্রেডারদের সাথে রাশিয়ান ব্রোকার InstaForex সবচেয়ে বড় অন্যায় করেছিল এবং এজন্য International Finantial Services Commission Of Belize (IFSC) ফরেক্স সহ তাদের অন্যান্য আর্থিক কার্যক্রম এর লাইসেন্স বাতিল করেছিল, আশা করি তা আপনারা সবাই জানেন। তারপর ২০১৪ইং সালে Kiwifxbank নামের অস্ট্রিলিয়ান এ NDD ব্রোকারটিও তাদের আইনগত জটিলতার কারনে ট্রেডিং মার্কেট থেকে ছিটকে পড়ে, এতে করে এ ব্রোকারেও অনেক ট্রেডারের অর্থ ব্যাংকের অলস টাকার মত আটকে যায়। অর্থাৎ তাদের দেশের আদালতে তাদের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় না হওয়া পর্যন্ত আপনার কষ্টের টাকা Kiwifxbank এর কাছে অলস টাকার মত পড়ে থাকবে। এবার আপনার এ টাকা আপনি ভবিষ্যতে ফেরত পাবেন কিনা তার গ্যারান্টি কেউই দিতে পারবেন না আর দিবেইনই বা কিভাবে যেখানে আমাদের দেশে তাদের কমিশন প্রতিনিধিই এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলতে পারেন না!!!!!!!!! এতো গেলো আমার জানা দুটি ব্রোকারের পাপের কথা, এবার আসি সদ্যপাপী আরেকটি ব্রোকারের কথায়, অবশ্য এ ব্রোকারের ব্যাপারে আমি জেনেছি ফেবু এর বদলতে, যাইহোক, এই পাপী ব্রোকারটির নাম হলো “Orbex” আর ব্রোকারটি সাইপ্রাসের একটি ব্রোকার। এই ব্রোকারটি নাকি বর্তমানে ট্রেডারদেরকে অধিক প্রফিটের লোভ দেখিয়ে তাদের কষ্টের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ট্রেডারের ডিপসিট করা অর্থ ব্লক করে দিচ্ছে। নিছে চিত্রের সাহায্যে কিছু প্রমান দেওয়া হলঃ উপরের চিত্রে একজন ট্রেডার ৫ডিজিটের এই ব্রোকারে ২৪.০৭.২০১৪ইং তারিখে NZDUSD পেয়ারে .৫০ ভলিউম এ একটি ট্রেড ওপেন করেন এবং তার ট্রেড (৩৬১$) প্রফিটে ক্লোজ হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ব্রোকারটি ট্রেডিং ভায়োলেশন এর দোহাই দিয়ে তার একাউন্ট থেকে ৬টি ট্রেডের মোট ৪৫১$ কেটে নেয় যা আপনারা উপরের চিত্রে সচোক্ষে দেখতে পাচ্ছেন। প্রফিট কর্তনের এ দৃশ্য দেখে ওই ট্রেডার হতাশ হয়ে Orbex এর বাংলাদেশী মাস্টার আইবি ও আইবিদেরকে অবগত করলে তারা এ সমস্যা সমাধানে অপারগ বলে সাফ জানিয়ে দেন। অতঃপর ওই ট্রেডার শেষ আশ্রয়স্থল Orbex ব্রোকারকে তাদের স্ক্যাম প্রুফসহ উপরের বার্তাটি পাঠান কিন্তু তারাও এই হতভাগা ট্রেডারের কর্তনকৃত অর্থ ফেরত দিতে অসম্মতি জানায়। তাহলে এখন কি দাঁড়ালো? এখন মুল বিষয় হলো এই ট্রেডার তার ৪৫১$ হারালো। আর এভাবেই কিছু ব্রোকার আমাদের দেশের কিছু অসাধু ব্যাক্তির কারনে অনেক ট্রেডার অযথায়ই লসের বোঝা কাঁঠালের বোঁতার মত মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়ায় আবার অনেকে এসব কারনে হতাশ হয়ে ফরেক্স থেকে মুখ ফিরিয়েও নেয়। অথচ ওই ব্যাক্তিগুলো তার কমিশন প্রাপ্ত ব্রোকারটিকে ভালভাবে যাচাই করে যদি ব্যবসা শুরু করে তাহলে কিন্তু এ ধরনের সমস্যাগুলো ৯৯% সময় না হওয়ারই কথা। যে ব্রোকারের নীতিমালা আপনি নিজেই ভাল করে জানেন না, আপনার সামান্য কমিশনের জন্য আপনি কেন একজন ট্রেডারকে বিভিন্ন ধরনের লোভ দেখিয়ে বিপদের দিকে ঠেলে দিবেন?!!!! Orbex ব্রোকার স্ক্যামলিস্টে নাম লিখাচ্ছে, তথ্যটি জানতে পারি নিচের Facebook ID দুটি থেকে – আপনি চাইলে নিজের চোখে দেখে নিতে পারেন। Mahmud Khan ও Forex Trading Dhaka তথ্যটি আপনাদের ওয়ালে শেয়ার করে সবাইকে জানানোর জন্য বিডিফরেক্সপ্রো এর পক্ষ থেকে আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ। পরিশেষে বলতে চাই, ট্রেড করার আগে একজন ট্রেডার কেন অন্যজনের কথায় ব্রোকার নির্বাচন করবে? হ্যাঁ, যদি আপনি যাচাই করে করেন তাহলে ঠিক আছে আর যদি বিভিন্ন অফারের লোভে অন্যজনের কথা ধরে ব্রোকার নির্বাচন করেন তাহলেতো আমি বলবো বোকামিটা আপনারই, কারণ প্রতিটি ব্রোকারেরই লাইভ চ্যাট আছে আপনি আপনার সমস্যা নিয়ে তাদের সাথে কথা বলে নিজেইতো আপনার সমস্যা সমাধান করতে পারেন, যদি আপনার ব্রোকার আপনার সমস্যা সমাধান করতে না-ই পারে তাহলে সে ব্রোকারের একজন মাস্টার আইবি কিভাবে আপনার সমস্যা সমাধান করতে পারবে? আশা করি আমি কি বলতে চাইচি এতক্ষণে বুঝে গেছেন। হ্যাঁ, কারো মাস্টার আইবি/আইবি তে একাউন্ট করে ট্রেড করলে আপনাকে সে যে সাপোর্টগুলো দিবে সেগুলো আপনি নিজেই ব্রোকার থেকে লাইভ চ্যাট এর মাধ্যমে সরাসরি নিতে পারেন তাহলে আপনি কেন অন্য একজনের বুদ্ধি/মিষ্টি কথা ধরে বাটপার টাইপের ব্রোকার বাঁচাই করবেন!!!!!!!!!!শুরুতেই সাবধান হউন। ব্রোকার নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রিয় বিডিফরেক্সপ্রো-তে কয়েকটি লিখা আছে, সেগুলো পড়লেই আশা করি একটি সঠিক ব্রোকার নির্বাচন করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।
  20. CCI Indicator নিয়ে অনেক সুন্দর উপস্থাপন করেছেন। অসাধারণ, যা অনেক নতুন ও পুরাতন ট্রেডারের উপকারে আসবে, আশা করি সব সময় নিজের জানা তথ্যগুলো আপনার প্রিয় বিডিফরেক্সপ্রো-তে সবার সাথে শেয়ার করবেন। সবাই যদি আপনার মত পজিটিভ হত, তাহলে আমাদের দেশের ট্রেডাররা আরো অনেক ভালো করত। অশেষ ধন্যবাদ মিঃ আযহার।
  21. Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে প্রফিটেবল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি। ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আমি যখনই আমার মনের মত সফল কোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়ে থাকি তখনই চেষ্টা করি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। হ্যাঁ আজও ঠিক তাই – কিছুদিন আগে একজন ভাল ট্রেডারের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত একটি ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়েছি, যার দ্বারা ওই ট্রেডার ৭০-৯০ভাগ সময়ই প্রফিট করে থাকেন আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম এটা শুনে যে ওই ট্রেডার নাকি প্রায় তিন বছর ধরে এই নরমাল স্ট্রেটেজি দিয়েই ট্রেড করে যাচ্ছেন এবং সফলভাবেই ট্রেড করছেন। তাই আমি তার স্ট্রেটেজিটা কিছুদিন আগে থেকে ডেমো-তে ট্রাই করা শুরু করি, দেখলাম যে তার কথা মিথ্যা নয়, তাই ভাবলাম স্ট্রেটেজিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনাদের উপকারে আসে। তাহলে আসুন জেনে নেই সহজ সেই স্ট্রেটেজিটিঃ এই সহজ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য আপনাকে মুলত Winner নামের একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে আর এই ইন্ডিকেটরটি-ই হল এই স্ট্রেটেজির মূল কান্ডারি এবং তার সাথে Stochastic Oscillator ইন্ডিকেটরটিও রাখতে হবে, এজন্য Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০ ও ৮০ ব্যবহার করুন। এই Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে যেকোনো টাইমফ্রেমে যেকোনো পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমার মতে মিনিমাম ১ঘন্টা টাইম ফ্রেম ব্যবহার করলে অনেক বেশী সফলতা পাওয়া যায় যা পরীক্ষিত। Winner ও Stochastic Oscillator দ্বারা ট্রেড চিত্রঃ ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ বাই এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর সবুজ লাইন লাল লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০এ বা তার নিচে থাকবে তখনই বাই ট্রেড করুন। সেল এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর লাল লাইন সবুজ লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০এ বা তার উপরে থাকবে তখন শুধুই সেল ট্রেড করুন। স্টপলস ও টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ আমি মনে করি যেকোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজির স্টপলস ও টেক প্রফিটের জন্য নিজের মস্তিস্ক/ট্রেডিংজ্ঞান ব্যবহার করাই শ্রেয়। তারপরও আপনি চাইলে এই স্ট্রেটেজির ক্ষেত্রে- টেকপ্রফিট – এই স্ট্রেটেজিতে বাই ট্রেড এর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে মার্কেট কন্ডিশন Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০ বা তার উপরে/কাছাকছি আর সেল এর ক্ষেত্রে Stochastic Oscillator লেভেল ২০ বা তার নিচে/কাছাকাছি গেলে আপনার ট্রেড যাই প্রফিটে থাকুক ক্লোজ করে দিন। অন্যথায়ঃ ১৫/৩০মিনিটের টাইম ফ্রেমে ঃ ২০-৪০পিপ্স টেক প্রফিট দিন আর অন্যান্য টাইমফ্রেমের ক্ষেত্রে দৈনিক পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করুন। স্টপলস - এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড এর স্টপলস এর ক্ষেত্রে আপনি যে টাইমফ্রেমে ট্রেডটি ওপেন করেছেন সে টাইম্ফ্রেমের বিগত হাই/লো রেট এর ৫পিপ্স উপরে/নিচে দিন। বা এ্যনালাইসিস করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে আপনি আপনার মত করে দিন। সতর্কতা ঃ এ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করুন- যখন Winner ও Stochastic Oscillator দুটি ইনডিকেটর-ই ট্রেড করার ডিরেকশন দিবে শুধুমাত্র তখনই ট্রেড করুন, যদি দুটির একটি ইন্ডিকেটর আপনাকে ট্রেড করার সঠিক সিদ্ধান্ত না দেয় তাহলে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। আগে ডেমোতে ট্রাই করুন, যদি আপনি মনে করেন এ স্ট্রেটেজি দ্বারা আপনি সফল তাহলে লাইভ একাউন্টে প্রয়োগ করুন। কি ভাবছেন? Winner ইন্ডিকেটরটি কোথায় পাবেন? চিন্তার কিছু নেই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোডগত কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন। winner.zip যদিও এই Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি দ্বারা সকল পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমি শুধু মেজর পেয়ারগুলোতে ট্রাই করেছি এবং মোটামুটি সফলতাও পেয়েছি। তাই আপনি আগে ডেমোতে আপনার প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারে যাচাই করে দেখুন। আশা করি Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি আপনাকে নিরাস করবে না। ধন্যবাদ। winner.zip
  22. EURUSD মার্কেট আউটলুক ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত সপ্তাহে ২৮০পিপ্স এর মত মুবমেন্ট হয়ে ১.২৬২৮ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। যদিও পেয়ারটি বিগত সপ্তাহে যথেষ্ট বাই এ যাওয়ার চেষ্টায় ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই তিন/চার মাসের চেনা ট্রেন্ড সেল এর দিকে যেতে বাধ্য হয়। অনেকেই মনে করেছেন হয়তো পেয়ারটি এবার বুঝি বাই ট্রেন্ড ধরবে কিন্তু পেয়ারটি তা পারেনি আর এ সপ্তাহেও পারবে কিনা তা বলা মুশকিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্বগতির জন্য EUR এর German survey and final CPI ও ECB President Draghi Speaks নিউজগুলো আর নিম্নগতির জন্য USD এর যাবতীয় নিউজগুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই পেয়ারটি এ সপ্তাহেও ট্রেডেবল থাকবে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৫০০ ও ১.২৩৭৫ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৭৪০ ও ১.২৮৩৫। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৬৬০-১.২৮৩৫ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৫৮৩ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৫০০-১.২৩৭৫ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির বিগত বছরগুলোর সাপোর্টমুল্য বিবেচনা করেন তাহলে পেয়ারটি সেলে যাওয়াটা টেকনিক্যালি স্বাভাবিক। তবে পেয়ারটির মার্কেট যদি ১.২৫০০ মুল্য ক্রস করে সেলে যায় তাহলে পেয়ারটি সেলে আরো ৩০০-৫০০পিপ্স যাওয়া স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৬৪৯। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৬৬০, ১.২৬৯৪, ১.২৭৪৫, ১.২৭৯০, ১.২৮৩৬ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯০০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৫৮৩, ১.২৫৩৮, ১.২৫০০, ১.২৪৭২, ১.২৪৪২ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২৩৭৫। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ১১ই অক্টোবর শনিবার – এ দিন মার্কেট বন্ধ থাকলেও EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে, তাই মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে পেয়ারটিতে নিউজটির প্রভাব পড়বে। রাত ১০.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তবে শনিবারের ECB President Draghi Speaks নিউজটি এ দিন পেয়ারটিকে ট্রেডেবল রাখতে পারে, অন্যথায় এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে উক্ত পেয়ারটির EUR কারেন্সিতে একটিমাত্র হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, EUR এর নিউজটি এ দিন পেয়ারটিকে ট্রেডেবল করে তুলবে। দুপুর ৩.০০মিনিট EUR German ZEW Economic Sentiment ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন পেয়ারটিতে অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন পেয়ারটি নিশ্চিত ট্রেডেবল থাকবে, তবে EUR এর নিউজটির বিপরীতে যদি USD এর নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল আসে তহলে পেয়ারটি এ দিন সেলে থাকবে। তাই এ দিন পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। রাত ০১.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD তে দুটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এছাড়াও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী। রাত ১২.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটির শুধুমাত্র USD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন পেয়ারটি সেল এর দিকে যথেষ্ট ট্রেডেবল থাকবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটির বিগত সপ্তাহের ন্যায় ট্রেডেবল থাকবে, তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ট্রেড করার আগে নিউজের এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট দেখে বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য প্রথম রেসিস্টেন্স ক্রস করলে ১.২৬৭২ মুল্যে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৬০০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৫৮৩ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৭০-৯০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৬৪০। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৮০৫-১.২৮৪০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৯১০ এবং টেক প্রফিট দিন ৯০-১২০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৫২০-১.২৫০০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৪৬৫ এবং টেক প্রফিট দিন ১২০-১৫০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।
  23. হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমূহ ১৩ই অক্টোবর থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, বিগত সপ্তাহে বেশীরভাগ পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্ট ভালই ছিল, বিশেষ করে মেজর পেয়ারগুলোতে ২০০পিপ্স এর বেশী মার্কেট মুবমেন্ট করেছে। তবে বিগত সপ্তাহে পবিত্র ইদ-উল-আযহা থাকার ফলে অনেক ট্রেডার হয়তো ট্রেড করার মত সময় পাননি বা ট্রেড করা থেকে বিরত ছিলেন আর যারা ট্রেড করেছেন তারা আশা করি ভাল প্রফিট করেছেন। এ সপ্তাহটি আশা করি তার ব্যাতিক্রম হবেনা কারণ এ সপ্তাহে USD ও EUR কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, যার ফলে এ সপ্তাহের মার্কেটও নিশ্চিত ট্রেডেবল থাকবে। তবে মার্কেট ওপেন হওয়ার আগে অর্থাৎ শনিবার EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে, তাই হয়তো মার্কেট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে EURUSD ও EUR এর সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলোতে ভাল একটা মুবমেন্ট হতে পারে। যাইহোক, এ সপ্তাহে মেজর কারেন্সিগুলোতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কয়েকটি নিউজ রয়েছে, তার মধ্যে বেশীরভাগ নিউজই মেজর কারেন্সি USD, GBP, EUR ও CAD কারেন্সিতে। তাই নিউজ অনুযায়ী ধারনা করে বলা যায় যে, এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলো যথেষ্ট ট্রেডেবল হবে। তাই আপনার ট্রেডিং পেয়ারে ট্রেড করার পূর্বে ঐই পেয়ারের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজগুলো জেনে নিন যাতে ট্রেডে লাভবান হতে পারেন ও বিশাল লসের সম্মুখীন হতে না হয়। এ সপ্তাহের হাই ইমপ্যাক্ট নিউজসমুহ নিম্নরূপঃ ১১ই অক্টোবর শনিবার – এ দিন মার্কেট বন্ধ থাকলেও EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি রয়েছে। রাত ১০.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১৩ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে CNY এর Trade Balance নিউজটি ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই তাই এ দিন সকল পেয়ারে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। Tentative CNY Trade Balance ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনে GBP, AUD এবং EUR কারেন্সিতে হাই ইম্প্যাক্টের কিছু নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট ভাল আসলে এ দিন কারেন্সিগুলোর সাথে সম্পৃক্ত পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকবে। সকাল ৬.৩০মিনিট AUD NAB Business Confidence দুপুর ২.৩০মিনিট GBP CPI y/y দুপুর ৩.০০মিনিট EUR German ZEW Economic Sentiment ১৫ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিন অনেকগুলো হাই ইম্প্যাক্টের নিউজ রয়েছে, তাই এ দিন সকল মেজর পেয়ারের মার্কেট ভাল মুবমেন্ট হবে। তাই এ দিন নিউজ বুঝে ট্রেডে এন্ট্রি দিন। সকাল ৭.৩০মিনিট CNY CPI y/y রাত ০১.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Average Earnings Index 3m/y দুপুর ২.৩০মিনিট GBP Claimant Count Change সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Core Retail Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD PPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Retail Sales m/m Tentative NZD GDT Price Index ১৬ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে মেজর কারেন্সি USD তে কয়েকটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এছাড়াও EUR তে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি নিউজ রয়েছে। তাই এই দিন মেজর পেয়ারগুলো ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী এবং এ দিন মেজর পেয়ারগুলো ভালো একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তবে এদিন EURUSD পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। রাত ১২.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Manufacturing Sales m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৮.০০মিনিট USD Philly Fed Manufacturing Index ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে শুধুমাত্র CAD কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর একটি ও USDতে তিনটি নিউজ রয়েছে, নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট যদি ভাল আসে তাহলে এ দিন USDCAD এর সাথে সাথে অন্যান্য মেজর পেয়ারগুলোও ট্রেডেবল হয়ে উঠবে। সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট CAD Core CPI m/m সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Building Permits সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট USD Fed Chair Yellen Speaks সন্ধ্যা ৭.৫৫মিনিট USD Prelim UoM Consumer Sentiment বন্ধুরা, উপরের নিউজগুলো দেখেই বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে USD, GBP, EUR ও CAD কারেন্সিতে অধিক পরিমান হাই ইম্প্যাক্ট এর নিউজ রয়েছে। যদি নিউজের ফলাফলগুলো মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে আশা করি অধিক সফল ট্রেড করা সম্ভব হবে এবং সকল পেয়ারের মার্কেট ট্রেডেবল থাকবে। তবে এ সপ্তাহে EUR এর ECB President Draghi Speaks নিউজটি তিন দিন থাকায় যেকোনো দিন EURUSD পেয়ারটি ভাল একটি মুবমেন্ট ঘটাবে আর সেটা হতে পারে বাই এর দিকে। যারা স্ক্যাল্পিং ট্রেড করতে পছন্দ করেন তারা এ সপ্তাহে মেজর পেয়ারগুলোতে ভালো করতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই নিউজগুলোর ফলাফলের উপর গুরুত্ব দিবেন। আর এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটিতে সাবধানে স্ক্যাল্পিং করুন। সুতরাং নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড ওপেন করুন, যে কোনো পেয়ারে ট্রেড করার আগে ঐ পেয়ারটির কোনো নিউজ আছে কিনা তা জেনে নিন তাহলেই আপনি স্বল্প রিস্ক নিয়ে অধিক প্রফিট করতে পারবেন। আপনাকে সঠিক তথ্য ও গাইডলাইন দেওয়াই বিডিফরেক্সপ্রো এর লক্ষ্য। সবাইকে ঈদ-উল-আযহা এর অগ্রীম শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ নিউজগুলো বিভিন্ন ফরেক্স নিউজ সাইট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করা হল। আশা করি উপকৃত হবেন।
  24. প্রিয় সদস্য, আমাদের সময় রাত ৪টা নয় EST 4am মানে আমাদের সময় দুপুর ২টা। আর আঁকতে হবে ১ঘন্টার ক্যান্ডেল এ। ভালোভাবে না বুঝলে লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে আশা করি বুঝবেন। ধন্যবাদ।
  25. EURUSD মার্কেট আউটলুক ০৬ই অক্টোবর থেকে ১০ই অক্টোবর পর্যন্ত। বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত তিন মাস ধরে একচেটিয়া সেলে ক্রমাগত ধাবিত হচ্ছে বিগত সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম হয়নি, বিগত সপ্তাহে পেয়ারটি ১৮০পিপ্স এর মত সেলে গিয়ে ১.২১১৫ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের দিকে ফলো করে ধারনা করা যে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে-ই থাকবে তবে সেটা বেশীরভাগ নির্ভর করবে উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট এর উপর যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি নিউজ রয়েছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে বলা যায়, পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাই এ কিছুটা কারেকশন করে আবার সেল এর দিকেই ধাবিত হবে যদি পেয়ারটির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট USD কারেন্সির ফেবার এ থাকে। তবে আমার মতে এ সপ্তাহে নিউজ এর দিন পেয়ারটি হুট করে যে কোনো দিকে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৪৪৩ ও ১.২৩৩৬ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৬২৫ ও ১.২৭৪৫। যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৬৬০-১.২৭৪৫ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৪৯৬ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৪০০-১.২৩৪০ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির বিগত বছরগুলোর সাপোর্টমুল্য বিবেচনা করেন তাহলে পেয়ারটি সেলে যাওয়াটা টেকনিক্যালি স্বাভাবিক। আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম। দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি। পিভট পয়েন্টঃ ১.২৫৬৩। রেসিসটেন্স সমুহঃ ১.২৫৬৬, ১.২৬২৪, ১.২৬৬০, ১.২৭০০, ১.২৭৪৫ ও স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯১০। সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৪৯৬, ১.২৪৪৩, ১.২৪০৭, ১.২৩৩৬, ১.২২৮৫ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২২৪০। এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ ০৬ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৭ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৮ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিনটিতেও পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। ০৯ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে দুটি ও EUR কারেন্সিতে ১টি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এবং এ তিনটি নিউজই উক্ত পেয়ারটির এ সপ্তাহের নিউজ, এছাড়া এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে আর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে কারণ এ দিন USD এর FOMC Meeting Minutes ও EUR এর ECB President Draghi Speaks দুটি রয়েছে তাই এ সপ্তাহের এ দিনে পেয়ারটি যে কোনো দিকে বিশাল মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন। রাত ১২.০০মিনিট USD FOMC Meeting Minutes সন্ধ্যা ৬.০০মিনিট USD Unemployment Claims রাত ৯.০০মিনিট EUR ECB President Draghi Speaks ১০ই অক্টোবর শুক্রবার – মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন। বন্ধুরা, উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটির মার্কেট নিউজ পাবলিশ এর দিন ছাড়া অন্য দিনগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে চলবে, এবং উক্ত নিউজগুলো পাবলিশ এর দিন পেয়ারটি যেকোনো দিকে ভালো একটি মুবমেন্ট ঘটাবে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ট্রেড করার জন্য টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস এর উপর গুরুত্ব দিন শুধুমাত্র নিউজ পাবলিশ এর দিন নিউজ ফলো করুন। এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.২৫৬৬ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৫১০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৪৯৬ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৫৬৫। আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৬০০-১.২৬৩০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৬৭০ এবং টেক প্রফিট দিন ৭০-৯০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৪১০-১.২৩৮০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৩৫০ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০পিপ্স। উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন। উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন। ধন্যবাদ। বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।