Mhafiz™

Moderators
  • Content count

    719
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    405

Everything posted by Mhafiz™

  1. অনেকদিন ধরেই স্ট্রেটিজিটি নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলাম, কারন আমি নিজে পরিক্ষিত না হয়ে কোন স্ট্রেটিজি সম্পর্কে ভালো রিভিউ দেয় না। তাই আজকে শেয়ার করব ৮৫% কার্যকারী, কোন-কোন ক্ষেত্রে ১০০% কার্যকারী এই স্ট্রেটিজিটি সম্পর্কে। স্ট্রেটিজিটিতে দৈনিক ১-২ টার বেশি সিগনাল পাওয়া যায় না, অনেক সময় দিনে একটাও পাবেন না। তবে ৬-৮ কারেন্সিতে সেট করে নিলে সপ্তাহে কম না হলেও ৮+ টা সিগনাল নিশ্চিত পাবেন। আর ৮ টাও যদি পান নিশ্চিত ৬ টা প্রফিটে যাবে এবং তাতে করে আপনি যে পিপস গেইন করবেন আশা করছি সুপার হ্যাপি থাকবেন। যাহোক বেশি কথা নয়। চলে যায় আলোচনায়। হ্যাঁ স্ট্রেটিজিটি আর অন্য কোনটা নয় তা হল রেঙ্কো চার্ট স্ট্রেটিজি ট্রেডিং সিগনাল। আমি রেঙ্কো মামা বলছি কারন ভাগিনার আবদার তো মামারাই রাখে । হয়ত এর আগেও কোথাও পড়ে থাকতে পারেন কিংবা এখনো প্রয়োগ করেননি রেঙ্কো মামা স্ট্রেটিজি। স্ট্রেটিজিটি সেলার ৫০$ এর বেশি বিক্রি করছে, আপনাদের জন্য ফ্রী আছে। তাই বলছি সারাদিন ট্রেডে ব্যাস্ত হয়ে মাথা খারাপ করে চিন্তা না করে শেষে আন্দাজে অর্ডার দিয়ে লস ট্রেড থেকে বের হয়ে আসুন, স্ট্রেটিজিকেল ট্রেড করুন , বেশি ট্রেড করার দরকার নেই পজিশন পেলে ট্রেডে ঢুকবেন না পেলে ট্রেডে যাবার দরকার নেই, আপানার টাকা আপনার থাকুক, অযথা না বুঝে কিংবা রিস্কে গিয়ে ট্রেড না করে কম ট্রেড করে নিশ্চিত প্রফিট ট্রেড কি ভালো নয় ? স্ট্রেটিজিটি নিয়ে এতো বেসিক আলোচনা করছি কারন অনেক বছর পরীক্ষার পর এই স্ট্রেটিজিটি আক্টি সফল অবস্থানে এসেছে এবং ট্রেডারগন ৮৫-১০০% প্রফিট নিয়ে সক্ষম হচ্ছে। যেভাবে কাজ করেঃ রেঙ্কো চার্ট টাইম নয় মুলত প্রাইস উপর ভিত্তি করে কাজ করে থাকে। মার্কেট ট্রেন্ড, রিভার্সেল, S & R লেভেল এবং আকচুয়াল ভলিয়াম এর উপর ভিত্তি করে এই স্ট্রেটিজিটি মুলত কাজ করে। আমার দেখা মতে মার্কেট ট্রেন্ড সিগনাল এর চেয়ে রিভার্সেল ট্রেডের ক্ষেত্রে এই চার্টটি বেশি সফল। EUR/USD, GBP/USD, AUD/USD, USD/JPY, USD/CHF, USD/CAD, EUR/AUD, EUR/CAD, EUR/CHF, EUR/GBP, EUR/JPY, GBP/JPY, GBP/CHF, NZD/USD, AUD/CAD, AUD/JPY, CHF/JPY, AUD/NZD, NZD/JPY, EUR/NZD, CAD/CHF, CAD/JPY, NZD/CHF উপরের সবগুলো কারেন্সিতে এই স্ট্রেটিজিটি কাজ করে তবে তবে আমি বলব আপনার সবগুলো নেওয়ার দরকার নেই, আপনারা মেজর কারেন্সি সহ GBP/JPY, EUR/CHF, EUR/GBP, NZD/JPY নিয়ে করবেন। স্টেপ # ১ – ইন্ডিকেটর, রোবট, টেমপ্লেট, কালেশন এবং ইনস্টল; মুল ৩ টি ইন্ডিকেটর লাগবে; STF - Currency Strength Meter Indicator Channel Indicator Trend Confirmation Indicator এবং ১ টি এলার্ট ইন্ডিকেটর ১টি রেঙ্কো চার্ট - অটো অ্যাডভাইজর লাগবে; আর কিছু টেমপ্লেট দেওয়া আছে চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন অথবা নিজেও ইন্ডিকেটর ইমপোর্ট করে শুরু করতে পারেন। তবে সাজেশন করব টেমপ্লেট ব্যাবহার করুন এতে করে কিছু মিসিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পোস্টের সাথে সংযুক্ত ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন, তারপর ইন্ডিকেটর, EA, সহ স-স্ব ফাইল গুলো নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেইস্ট করে দিন। অর্থাৎ আমি ধরে নিচ্ছে আপনারা মেটা ট্রেডারে ইনডিকেটর ইনস্টল করতে পারেন। একদম নতুন যারা ইনডিকেটর ইনস্টল করতে পারেন না তারা (কিভাবে MT4 ইনডিকেটর ইন্সটাল করবেন) এই পোস্টটি দেখে নিতে পারেন। স্টেপ # ২ যে পেয়ারে রেঙ্কো সেট করবেন সেই চার্ট ফোকাস টুলবার থেকে টাইম মিনিট ১ করে, সম্পূর্ণ জুম আউট করে কীবোর্ডের HOME বাটন চেপে ধরে রাখার মাধ্যমে চার্ট হিস্ট্রি ডাটা লোড করে নিন। এইবার Renko Chart – EA ইনসার্ট করুন। তারপর ফাইল মেনু থেকে Open Offline – অপশনে যান এবং ঐ উইন্ডোতে History Data List থেকে আপনার চার্টটির মিনিট ২ অফলাইন চার্টটি সিলেক্ট করে Open করে নিন। তারপর যেকোন রেঙ্কো চার্ট টেমপ্লেট সিলেক্ট করে সেট করে দিন, আমি RenkoStreetV2 সিলেক্ট করেছি। স্টেপ # ১ এবং ২ সফল হলে নিচের চিত্রের মত ২ মিনিটের একটি অফ লাইন চার্ট তৈরি হবে; মুলত একটি অফলাইন চার্ট তৈরির মাধ্যমে এই চার্টটি ছোট ছোট ফলস ব্রেকাআউট, ট্রেন্ড চেঞ্জ, রিভার্সেলকে গুরুত্ত না দিয়ে রিয়েল মার্কেট চেঞ্জকে বুঝে নিয়ে ট্রেড করাতে সাহায্য করে, উক্ত অফলাইন চার্টটি ব্যাবহার হবে শুধুমাত্র ট্রেড সিগনাল নিতে, আপনি অর্ডার করবেন আপনার লাইভ চার্টে। প্রতিটি পজিশন তৈরিতে আপনাকে অটোমেটিক ভাবে এলার্ট দেওয়া হবে কারেন্সির নাম এবং অর্ডার অনুসারে। তাই উক্ত পদ্ধতিতে আপনার মার্কেট এনালাইসিস করার দরকার নাই যা করার স্ট্রেটিজির ভিবিন্ন ইন্ডিকেটর করে দিবে আপনি শুধু সিগনাল পেয়ে নিজে অর্ডারটা মেইক করে দিবেন। চলুন এইবার দেখে নিন কিভাবে বায় এবং সেল সিগনাল পাবেন। বায় সিগনালঃ ট্রেন্ড ব্রেকআউট, রিভার্সেলের সময়ে এই সিগনালটা পাওয়া যায়, সেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে ইন্ডিকেটর গুলো ফলোয়াপে রাখতে হবে যেমন ১# Currency Strength Meter Indicator – ভেলু যখন + ৫০ থাকবে , ২# চ্যানেল ইনডিকেটর লাইম কালার ৩# ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর ন্যূনত্বম ৩ টি লাইম বার তৈরি হবে। তখন বায় সিগনাল এলার্ট এর জন্য অপেক্ষা করবেন। উপরের ছবিতে লক্ষ্য করুন, তিনটি ইন্ডিকেটরের সমন্বয়ে পাওয়া সিগনাল এর ভিত্তিতে বায় পজিশন ওপেন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আপনি চ্যানেল লাইনের টপ পর্যন্ত প্রফিট নিতে পারবেন। তাই পারফেক্ট ট্রেডের জন্য টপ চ্যানেল লাইনের ১৫-২০ পিপস আগে টেইক প্রফিট সেট করুন এবং চ্যানেল বটম লাইনের ১৫-২০ পিপস নিচে স্টপ লস সেট করে দিন। সেল সিগনালঃ ঠিক লং ট্রেডের বিপরীত নিয়মে সেল টেইক প্রফিট এবং স্টপ লস সেট করে সেল এলার্ট ট্রেড করতে পারবেন। নিচের চিত্রটি দেখুন আশা করছি নিজেরাই সেট করে নিতে পারবেন। তাও যদি সমসসা হয় কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ট্রেইলিং স্টপঃ যখন ব্রেইকাউট পজিশনে ট্রেড এলার্ট পাবেন তখন টেইক প্রফিট হিট করলে ও ট্রেন্ড কন্টিনিউশনে আরো ব্যাপক ট্রেডের বা প্রফিটের সুযোগ থাকে সেই ক্ষেত্রে ট্রেইলিং স্টপের মাধ্যমে নিজের প্রফিটকে বাড়াতে পারেন। এই পদ্ধতিটি একটু সময় সাপেক্ষ কিন্তু যদি ভলাটাইল মার্কেট হয় তাহলে ট্রেডের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে আর আলটিমেটলি লাভের পরিমান ও, তাই যারা লং এবং ভালো ট্রেড করতে চান তারা স্ট্রেটিজিটি ফলো করতে পারেন। রেঙ্কো মামা স্ট্রেটিজিতে বিশেষ নোটঃ # কোন পজিশন ওপেন করলে ক্লোজ হওয়ার পুর্বেই যদি নিউজ এসে পড়ে তাহলে নিউজের আগেই একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন, সেই ক্ষেত্রে নির্ধারিত টেইক প্রফিট বা স্টপ লসের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। কারন নিউজ আওয়ারে মার্কেট সেন্টিমেন্টলি চেঞ্জ হয় তখন অনেক ক্ষেত্রে স্ট্রেটিজি কাজ করে না। তাই ব্যাপারটি খেয়াল রাখবেন। Step # 2 - বুঝতে সমস্যা হলে এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেনঃ স্ট্রেটিজিটি সম্পর্কে আরো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। বিডিফরেক্সপ্রো’র সাথে থাকুন, প্রফিট ট্রেড করুন। Renko-mama-by-bdforexpro.com.zip
  2. ফরেক্স ব্রোকার রেগুলেশন, রেফারেন্স এবং রিভিউ ! ট্রেড শুরু করতে একাউন্ট অপেন করা জন্য প্রয়োজন হয় একটি ব্রোকাররের। ফরেক্স মার্কেটের অসংখ্য ব্রোকাররের মধ্য থেকে কোন ব্রোকারটি কেমন, কার সুবিধা কেমন, কিংবা কার কি অসুবিধা, কোন ব্রোকার লেনদেন এর দিক দিয়ে কতটা স্বচ্ছ বা কোন ব্রোকারটি রেগুলেটেড ইত্যাদি নানা বিষয় জেনে শুনে ব্রোকার সিলেক্ট করতে হয়। আপনি নতুন কিংবা পুরাতন যেমন ট্রেডার হোন না কেন, বিষয়টির উপর নির্ভর করছে আপনার ট্রেডিং স্বচ্ছতা। তাই এখন আমরা দেখব একটি ব্রোকার এর কি কি সুবিধা এবং স্বচ্ছতা থাকলে তাকে রিয়েল ব্রোকার বলা যায়। কোন ব্রোকার কে রিয়েল প্রমাণিত করতে চাইলে সেই ব্রোকার এর নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর স্বচ্ছতা অনুধাবন একান্ত প্রয়োজন। ১। ব্রোকারটি রেগুলেটেড (Regulated)?: ব্রোকার নির্বাচনে আপনার প্রথম প্রশ্নটি হল আপনি যে ব্রোকারটি সেলেক্ট করতে যাচ্ছেন তা ব্রোকার নিয়ন্ত্রক অর্গানাইজেশন বা অথোরিটি থেকে রেগুলেটেড কিনা। কারন প্রত্যেকটি রেগুলেটেড ব্রোকার কে তার ফাইনেনশিয়াল রিপোর্ট সাবমিট করতে হয় রেগুলেটরি অথোরিটির কাছে। আর যখন কোন ব্রোকার তা সাবমিট করতে অপারগ হয় বা সাবমিট করে না তখন রেগুলেটরি অথোরিটি ঐ ব্রোকার চার্জ করে বা তার মেম্বারশীপ বাতিল করে। দেশ ভিত্তিক ব্রোকার রেগুলেটরি অথোরিটি ভিন্ন হতে পারে। যেমনঃ আমেরিকান (U.S. based) ব্রোকার হলে তাকে লোকাল অথোরিটি NFA (National Futures Association) এবং CFTC (Commodity futures Trading Commission) করতিক অথোরাইজড হতে হবে। আবার সুয়িস বেসড(Swiss Based) ব্রোকার হলে তাকে অবশ্যই FDF (Federal Department of Finance) এবং U.K. বেসড ব্রোকার হলে তাকে FSA করতিক অথোরাইজড হতে হবে। তাই আপনি যে ব্রোকারকে সিলেক্ট করছেন তার এই স্বচ্ছতা গুলো দেখে নিশ্চিত হতে পারেন। ২। ট্রেডিং কন্ডিশন(Trading Conditions): আপনি দ্বিতীয় যে বিষয় গুলো দেখবেন তা হল ঐ ব্রোকার আর ট্রেডিং সুবিধাগুলো। যেসব বিষয় আপনি দেখবেন সেগুলো হলঃ ক) Spread: অবশ্যই দেখবেন কারেন্সি পেয়ারে অন্যদের তুলনায় স্প্রেড কত কম, স্প্রেড যত কম হবে আপনার ট্রেডিং ক্যাপাবিলিটি তত ভালো হবে। খ) Platform Execution: অর্থাৎ আপনি দেখবেন ঐ ব্রোকারের ট্রেডিং এক্সিকিউশন কত ফাস্ট। অর্থাৎ আপনি যখন কোন অর্ডার মেইক করেন তখন কত দ্রুত আপনার অর্ডারটি মেইক হচ্ছে। গ) Fractional Trading: আপনি যদি মিনি লট বা মাইক্রো লট ট্রেডিং ট্রেডার হোন তাহলে দেখতে হবে ঐ ব্রোকারের Fractional Trading সুবিধাটা আছে কিনা। কারন সব ব্রোকার মাইক্রো লট বা Fractional Trading সাপোর্ট করে না। ঘ) Safety of Funds: আপনাকে আরো নিশিত হতে হবে আপনার ইনভেস্টিং এমাউন্টটি কত সেইফ বা নিরাপদ। ব্রোকাররা তাদের একটি Segregated Account সুবিধার মাধ্যমে তা নিশিত করে। ঙ) Trading Platform: সহজভাবে ব্যাবহার সুবিধা দেখবেন, এটি সব ব্রোকারের ক্ষেত্রে ডিফল্ট হয়ে থাকে তাই চিন্তার তেমন কোন কারন নাই। চ) Minimum Investment: এই বিষয়টি ও খুব গুরুত্তপূর্ণ অর্থাৎ ঐ ব্রোকার সর্বনিম্ন কত এমাউন্ট ডেপোজিটে ট্রেডিং সুবিধা প্রদান করছে। ছ) Margin(Leverage): এই ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় হল আপনার চাহিদা অনুসারে ব্রোকার ঐ পরিমান মার্জিন সুবিধা দিচ্চে কিনা তবে মোটামুটি এখন প্রায় ব্রোকার ১-৬০০ লিভারেজ দিচ্ছে। জ) One Click Dealing: যদি আপনার ট্রেডিং স্টাইল হয় খুব স্বল্প সময়ের এবং আপনি যদি দ্রুততার সাথে মার্কেটে প্রবেশ করতে চান এই অপশনটি আপনার জন্য। ঝ) Advanced type of orders: কখনো আপনি আপনার ট্রেডিং স্ট্রেটিজিতে দুটি অর্ডার করতে পারেন শর্ত হলে একটি যেকোন একটি অর্ডার এক্সিকিউট হলে অপর অর্ডারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেনসেল (OCO) হয়ে যাবে । তাই আপনার ট্রেডিং স্ট্রেটিজি অনুসারে ব্রোকারের এই সুবিধাটিও দেখতে পারেন। এছাড়া GTC(Good till Canceled), GFD(Good for the Day) নামক কিছু অর্ডার সুবিধা ব্রোকাররা দিয়ে থাকে। ঞ) Support for Handheld, Mobile and other device: এই সুবিধাটি না উল্লেখ করলেও আপনি অনুভব করতে পারতেন, আপনার পকেট ডিভাইস সাপোর্ট প্লাটফর্ম হলে কতখানি সুবিধা তা আশা করছি আর বিস্তারিত বলেতে হবে না। ট) Trade Directly from the chart: অনেক ট্রেডার আছে যারা সরাসরি চার্ট থেকে ট্রেড করতে চায়। তাই চার্ট থেকে ট্রেডিং কৌওট পেনেল সুবিধাটিও আপনার প্রয়োজন হতে পারে। ঠ) Trailing Stop: এটি ফরেক্স মার্কেটের খুবই সুন্দর একটি সুবিধা যা ব্যাবহার এর মাধ্যমে মার্কেট আপনার অনুকুলে আপনি আপনার প্রফিটকে লক করার মাধ্যমে বাড়াতে পারেন। এছাড়া ও ট্রেড শুরু করলে আপনি আরো বিভিন্ন ধরনের সুবিধা অনুভব করবেন এবং ব্রোকার অভারভিউ পর্যবেক্ষণ এর মাধমে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ব্রোকারকে সিলেক্ট করে নিবেন। ৩। অধ্যবসায় (Diligence): আশা করছি ইতিমধ্যে আপনি ২-৩টি ব্রোকারকে প্রাথমিক ভাবে সিলেক্ট করে ফেলেছেন। এবং ট্রেড করার জন্য তাদেরকে ফাইনাল লিস্টে নিয়েছেন। আপনি সঠিক এবং স্বচ্ছ ব্রোকার সিলেক্ট করেছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে ভিবিন্ন রকম ফরেক্স ফরামে (যেমন forexfactory, forexnews, babypips ইত্যাদি)একটি পোস্ট দিন আপনার প্রশ্নের উত্তর চেয়ে, দেখবেন অনেক এক্সপার্ট ট্রেডার এবং অভিজ্ঞও যারা আছে তারা আপনার পোস্টের সঠিক রিপ্লাই দিবে এতে করে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনার সিদ্ধান্ত কতটুকু সঠিক ছিল। এছাড়াও আপনি যেসব বিষয়গুলো নিশিত হয়ে ব্রোকার সিলেক্ট করতে পারেন তা হলঃ ১। Customer Service: এই বিষয়টি একজন ট্রেডারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঐ ব্রোকারটি কি কাস্টোমারের প্রতি সদয়? তারা কি কাস্টোমারকে প্রতিনিয়ত সাহায্য করতে ইচ্ছুক? ২। Slippage: এটি এমন একটি বিষয় যা নির্দেশ করে যে, আপনার অর্ডার করা একচুয়েল ভেলুতে কি অর্ডারটি সম্পূর্ণ হয়েছে? এবং আপনার টেক প্রফিট এবং স্টপ লস মোতাবেক অর্ডারটি সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা ইত্যাদি। ৩। Manual Execution: কিছু ব্রোকার আছে যারা স্কেল্পিং বা অটোট্রেডিং পছন্দ করে না। আর ঐসব ব্রোকারে যখন কোন ট্রেডার তা করতে যায় তখন ব্রোকার থেকে ম্যানুয়াল ট্রেডিং করতে ফোরস করে হয়। অর্থাৎ ঐ ব্রোকারে হিউম্যান ট্রেড ছাড়া অন্য কোন রোবটিক ট্রেড এক্সিকিউট করবে না। ৪। Re-Quotes: এটা ঘটে যখন আপনি বায় অথবা সেল বাটন ক্লিক করছেন কিন্তু ফ্লাটফর্ম বা মেটা ট্রেডার আপনার অর্ডারটি এক্সিকিউট করছে না। ৪। Testing: এইবার ব্রোকার কনফার্ম করার পালা, অর্থাৎ এতক্ষণের আলোচনায় আপনি যে ব্রোকারকে আপনার ট্রেডিং আর জন্য স্যুট মনে করছেন প্রথমে তাকে ডেমো একাউন্টের মাধ্যমে আপনার সবগুলো ট্রেডিং স্টাইল টেস্ট করুন এবং যদি সেটিসফেক্টরি রেসাল্ট পান তাহলে ঐ নির্দিষ্ট ব্রোকারকে ফাইনাল করুন। তাই উপরোক্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ আর মাধ্যমে আপনি একটি পারফেক্ট ব্রোকার সিলেক্ট করে আপনার ট্রেডিং পরিচালনা করতে পারেন সাফল্যমণ্ডিতভাবে। ভিবিন্ন ব্রোকার রেগুলেটরি অথোরিটি এবং রিভিউ সাইট ডিসকাশন লিঙ্কঃ Regulatory Agencies website and link : NFA – National Futures Association - www.nfa.futures.org/ CFTC – Commodity Futures Trading Commission - www.cftc.gov/ FSA – Financial Services Authority - www.fsa.gov.uk/ Review Sites –. ForexAnonymous – http://www.forexanon...earch.php?id=17 TheForexReviewer – http://www.theforexr...broker-reviews/ Forex4Noobs - http://www.forex4noo...uct_reviews.php ForexBastards – http://www.forexpeac..._broker_reviews Forums with Broker Discussions Forex Broker Discussion at ForexFactory http://www.forexfact...isplay.php?f=74 Rate my Broker at BabyPips http://forums.babypi...rate-my-broker/ Forex Brokers at Trade2Win Forums http://www.trade2win.../forex-brokers/ Forex Brokers at bdforexpro http://www.bdforexpr...-ফরেক্স-ব্রোকার
  3. ফরেক্স ট্রেডিং এর অন্যতম গুরুত্তপুর্ন একটি বিষয় হল সঠিক একটি ব্রোকার নির্বাচন। ইতিমধ্যে অনেক ট্রেডার ব্রোকার নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়েছেন কেউ কেউ না বুঝে ভালো ব্রোকার নির্বাচন করতে না পেরে ইনভেস্ট নিয়ে সমস্যায় পড়ে গেছেন। আবার কাউকে দেখা গেছে ভালো ট্রেড করেও ব্রোকারের নানা রকম বেড়াজালে পড়ে টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না । এই রকম উদহারন অনেক আছে। তাই আজকে আলোচনা করব সঠিক একটি ব্রোকার কিভাবে নির্বাচন করবেন এবং কিভাবে নিশ্চিত হবেন যে এই ব্রোকারের কাছে আপনার ইনভেস্টমেন্ট কতটুকু নিরাপদ কিংবা ইনভেস্টমেন্ট কতটুকু হওয়া উচিত ইত্যাদি ভিবিন্ন বিষয় নিয়ে। যেসব ব্রোকারে নিম্নের পয়েন্টস গুলো পাবেন সেই ব্রোকারে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। স্লিপেজঃ আপনি যে প্রাইসে ট্রেড ওপেন করতে চেয়েছেন এবং যে প্রাইসে ট্রেড ওপেন করতে পেরেছেন তার মধ্যবর্তী পার্থক্যই হল স্লিপেজ। এই ক্ষেত্রে আপনি কখনো ইন্সটেন্ট অর্ডারে একচুয়েল প্রাইসে ট্রেড ওপেন কিংবা ক্লোজ করতে পারবেন না। সলিড এবং নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারে স্লিপেজ থাকে না। নতুন ব্রোকারঃ এটা বলছি না যে নতুন ব্রোকারে ট্রেড করা যাবে না, তবে অনেক নতুন ব্রোকার আছে যারা কয়েকমাস মার্কেটে একজিস্ট করে আপনার মূলধন নিয়ে গায়েব হয়ে যায় তেমনি একটি ব্রোকার হল Kiwifxbank তাই নতুন ব্রোকারে ইনভেস্টমেন্ট সচেতন হউন। নগদ ক্যাশ বা পণ্য ওফারঃ অনেক ব্রোকার নতুন লাইভ একাউন্ট খুলে কেশ পুরষ্কার সহ নানা রকম আকর্ষণীয় পণ্য যেমন আইফোন, এন্ড্রয়িড ইত্যাদি অফার করে প্রকৃতপক্ষে এইগুলো হল আপনাকে ইনভেস্ট করানোর এক একটি ফাঁদ। এই সব ব্রোকার থেকে সচেতন থাকুন। ফিস্কাল পেরাডাইসঃ যদি আপনার ব্রোকারটি ফিস্কাল পেরাডাইস টাইপের ব্রোকার হয়ে থাকে তাহলে ইনভেস্ট করার আগে কয়েকবার ভাবুন। যে আপনি যখন টাকা উত্তোলন করতে যাবেন বা সরাসরি তাদের অফিস ভিজিট করতে যাবেন তাদের কাউকে আসলে সেখানে পাবেন তো ! আননোউন অথোরিটিঃ ব্রোকার গুলো যখন মার্কেটে আসে তখন ন্যূনত্বম একটি অথোরিটি নিয়ে আসে তবে সেই ক্ষেত্রে ও কিছু বিষয় স্পষ্ট হতে হবে আপনাকে। যেমন ব্রোকারটি যে অথোরাইজড নাম্বার ব্যাবহার করছে সেটি আসলে তার কোম্পানির অথোনটিকেশন নাকি ভায়া। যেমন Kiwifxbank নামক ব্রোকারটি এই ধরনের একটি কাজ করেছিল তারা Vault Market Pvt নামক একটি প্রতিষ্ঠানের Sister Concern হয়ে Kiwifxbank নামে কাজ শুরু করেছিল কিন্তু প্রকৃতপক্ষে Kiwifxbank কোন অথোরাইজেশন ছিল না। আসুন এইবার জেনে নেয় একটি সলিড ব্রোকার কিভাবে নির্বাচন করবেন। রিভিউ/রেপুটেশনঃ একটি ব্রোকার যখন কাজ শুরু করে তখন ঐ ব্রোকারের ভালো/মন্দ, সুবিধা/অসুবিধা নিয়ে ফরেক্স বিসয়ক অনেক সাইটে লিখালিখি হয়। যেমন এই ব্রোকারটি কেমন, তার লেনদেন কতটা স্বচ্ছ, তার ভালো দিক কি এবং খারাপ দিকগুলোই কি কি , ইত্যাদি। ঐখানে ভিবিন্ন ট্রেডার উক্ত ব্রোকার সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ মতামত লিখে যা আপনাকে সাহায্য করতে ঐ ব্রোকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। যখন অনেক ট্রেডার মতামত দেয় যে ব্রোকারটিতে স্লিপেজ আছে, রিকোট হয় কিংবা টাকা উত্তোলনে সমস্যা তখন ঐ ব্রোকারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সময়কালঃ সোজাভাবে ব্রোকারের বয়স যত বেশি ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে সেই ব্রোকারে আপনার নির্ভরতা তত বেশি। প্রতি বছর অনেক ব্রোকার আসে যায়, তাই ব্রোকারটিকে স্টাডি করে দেখুন তার সময়কাল কত, মোটামুটি ৩ বছরের সময় ধরে যারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তাদের ক্ষেত্রে পজেটিভ পারস্পেক্টিভে এগুতে পারেন। রেগুলেশনঃ আগেই বলেছি ব্রোকার রেগুলেশন খুব গুরুত্তপুর্ন একটি ফ্যাক্ট। ব্রোকার বাছাই ক্ষেত্রে দেখে নিন ন্যূনত্বম তার ঐ দেশীয় স্টক এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন সহ ন্যাশনাল অথোরিটি আছে কি না। যেমন US ব্রোকারের ক্ষেত্রে দেখে নিন CFTC/NFA এবং UK ব্রোকারের ক্ষেত্রে FSA রেগুলেটেড কিনা। Virgin Islands রেগুলেটেড ব্রোকারে ট্রেড করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। হেডকোয়াটার লোকেশনঃ সলিড এবং রিয়েল ব্রোকার তাদের শারীরিক অস্তিত্ব নিয়ে ব্যবসা করে কারন এই প্রকার ফিনেনশিয়াল ব্যবসা ফিস্কাল পেরাডাইসে সম্ভব না। তাই ব্রোকারের অফিস লোকেশন নিশ্চিত হউন। ECN নাকি ডিলিং ডেস্ক/ মার্কেট মেকারঃ ব্রোকার সাধারণত দুপ্রকার, মার্কেট মেকার যারা আপনার প্রতিটি ট্রেডের বিপরীতে আরেকটি ট্রেড ওপেন করে এবং নিজেরা একটি মার্কেট তৈরি করে আপনাকে মুল মার্কেট বায়ার সেলার থেকে দূরে রেখে নিজেরা লাভবান হয়। আর ECN – Electronic Communication Network ব্রোকার হল রিয়েল ব্রোকার যারা মুলত সরাসরি বায়ার এবং সেলারকে কানেক্ট করে ট্রেড পরিচালনা করে।( ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার এবং ECN ব্রোকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমার এই পোস্টটি পড়ুন। ) এছাড়া ও ব্রোকার স্প্রেড, কাস্টোমার সাপোর্ট সহ আরো কিছু খুটিনাটি বিষয় পরিস্কার জেনে ব্রোকার নির্বাচন করতে পারেন এবং ট্রেড শুরু করতে ।
  4. ১। বেসিক থেকে শুরু করুন। খুব সহজে বলতে হয় যে একজন ট্রেডার হতে হলে প্রথমে আপনাকে ফরেক্স মারকেট বেসিক টার্মগুলো জানতে হবে। রেগুলার অর্থাৎ ডেইলি বেসিসে আপনি আস্তে আস্তে বিষয় গুলো শিখবেন কোন রকম তাড়াহুড়ো ছাড়া। একদিনে একসাথে সব গুলো বিষয় শিখে বিশাল জ্ঞানী হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। সময় নিন , খুব বেশি এক্সসাইটেড হবেন না। ২। দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন। আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ফরেক্স হল শর্টকাটে এবং কম সময়ে ধনী হওয়ার একমাত্র পথ তাহলে আপনি ভুল করছেন। প্রথমে বিষয়টা ভালো ভাবে আয়ত্তে আনুন অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। শুধু মাত্র ফরেক্স নয় যেকোন ক্যারিয়ারে আপনি যত সময় ব্যয় করবেন আপনি তত বেশি লাভবান হবেন। আপনার বন্ধু যে সময়ে ১০০ পিপস অর্জন করে ঠিক একই সময়ে আপনি মাত্র কয়েক পিপস মেইক করেন, পার্থক্যটা কি? পার্থক্যটা হল অভিজ্ঞতা ! আপনার বন্ধু গত ৫ বছর ধরে ট্রেড করে আর আপনি সেই কয়েকদিন হল শুরু করেছেন। মনে রাখবেন ফরেক্স হল একটি ক্যারিয়ার , রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন স্কিম নয়। ৩। এক্সপার্ট হউন। শিখার শুরুতে অনেকে প্রথমেই খুজে বেড়ান এক্সপার্টদের, ভাবেন একজন এক্সপার্ট এর ছায়া পেলে বুঝি অল্প সময়ে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন, বিষয়টা পুরোপুরি অস্বীকার করছি না। তবে এক্সপার্ট হওয়ার সুপ্ত বাসনায় আপনার এক্সপার্ট হওয়ার পথে একধাপ। দিনে দিনে আপনার স্বাভাবিক শিখার ফলাফলই হচ্ছে এক্সপার্ট এর আরেক রুপ। কারন অভিজ্ঞতার আলোকেই এক্সপার্ট হওয়া যায় তাই নিজ অভিজ্ঞতা গুনে আপনার স্বপ্ন সফল করুন। এক্সপার্ট এর অভিজ্ঞতা তার সম্পূর্ণ নিজের আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে ঐ পথ পাড়ি দিবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত তা কেবল আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে। ৪। নিজের এনালাইসিস ব্যাবহার করুন। অন্ধের মত আরেকজনকে ফলো করা আপনাকে অন্ধই করে তুলবে। আপনার লক্ষ্য হল একজন সফল ট্রেডার হওয়া তাই এনালাইসিস মেথডগুলো ভালো ভাবে রপ্ত করে নিজেই নিজের ট্রেড এনালাইসিস করুন। নিজের আনালাইসিসে ট্রেড করতে সমর্থ হলে আপনার এনালাইসিসই আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার করে তুলবে। স্ব – ঘোষিত কোন গুরুকে অন্ধের মত ফলো করলে গুরু যখন তার টিপস প্রদান বন্ধ করে দিবে তখন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। তাই নিজেই নিজের গুরু হুউন। ৫। ডেমো সব কথার শ্রেষ্ঠ কথা হল ডেমো ট্রেডিং। ডেমো ট্রেডিং আপনাকে আপনার নতুন ট্রেডিং এর ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং ট্রেডিং এ খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। ডেমো ট্রেড ভিবিন্ন ব্রোকারের লাইভ ট্রেড থেকে সুপার যেমন ভালো আক্সিকিউশন স্পীড। প্রত্যেক ট্রেডিং মেথড এর টেস্ট হল ডেমো। ডেমো সাকসেস রেইট ভালো হলে তা লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। আপনার যত স্টাইল আছে তা সর্বপ্রথম ডেমোতে ব্যাবহার করুন। যেমন ইচ্ছে ট্রেড গুলো ডেমোতে ফলান। তারপর সিলেক্ট করুন কোন স্ট্রেটিজি গুলো রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন। ৬। ভুল থেকে শিখুন প্রতিবারের টেস্ট ট্রেড গুলোর সাকসেস এবং ফেইলার নোট নিন। পরপর তিনটি ব্যর্থ ট্রেডে কিছু সময়ের জন্য (আরো বেশি হতে পারে) ট্রেড থেকে অবসর নিন। এবং ব্রেকের পরে ঠান্ডা মাথায় আবার সময় দিন। তিনবার লস ট্রেডিং মেথড এ চতুর্থ বারের সাকসেস চিন্তা করে লাইভ করতে জাবেন না। লস ট্রেডগুলো নিয়ে এনালাইসিস শুরু করেন, ভুলটা কোথায় ছিল বা কেনো ঠিক কাজ করেনি। যথাঝথ কারন বের করে ভুল গুলো শুদ্রে পরবর্তী ট্রেডে অগ্রসর হউন। ৭। ভালো মেথড তৈরি করুন। নতুন বেশিরভাগ ট্রেডাররা প্রথমে লস করে। কারন হল অধিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রপার সময়ের আগে ট্রেড করা। তাই বলছি, অধিক পরিমানে উত্তেজিত হয়ে ট্রেড না করে, আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন, অভিজ্ঞতা নিন এবং মিনিমাম রিস্কে ট্রেড শুরু করুন। প্রতিবার ট্রেড করার পূর্বে ঠিক করুন এবং চেক করে নিন ট্রেডিং হাতিয়ার(স্ট্রেটিজি) ঠিক আছে কিনা। ট্রেডটি থেকে কত আশা করেন ইত্যাদি সবকিছু। ৮। নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন। প্রত্তেক ট্রেডিং মেথডের ভালো এবং খারাপ আছে। কোন ট্রেডিং মেথডই ১০০% প্রফিটেবল নয়। আপনার ট্রেডিং মেথডের ১০টি ট্রেডের মধ্যে ৭টি প্রফিট এবং ৩ টি লস আছে, আপনি সাকসেস। কখনো আপনার ট্রেডিং সাকসেস রেইট আরো কমে জেতে পারে সেই ক্ষেত্রে নিরাশ বা উত্তেজিত না হয়ে মারকেট চেঞ্জ বুঝে স্ট্রেটিজি আপডেট করুন এবং নিজের স্ট্রেটিজিতে স্ট্রিক থাকুন কারন আপনার স্ট্রেটিজি কতটুকু ফলফ্রুস তা কেবল আপনিই জানেন। ৯। সবকিছু সহজভাবে চিন্তা করুন। আপনার ট্রেডিং কে কোনভাবেই খুব বেশি কঠিন ভাবার কোন কারন নেই। সহজ ভাবে শুরু করুন দেখবেন আসলেই সহজ, মনে অঝথা কোন ভিতি সৃষ্টি দরকার নেই। নিজের সুবিধামত সময় নির্ধারণ করে ট্রেডে সময় দিন। সময় কম দিন কিন্তু তা জেনো ইফেক্টিভ হয়। অর্থাৎ যদি সময় বেশি দিতে না পারেন তাহলে যতটুকু দিবেন তা শুধু ট্রেডিং আর জন্য ব্যায় করুন। নতুন কোন স্ট্রেটিজির সূচনা করতে চাইলে আগে তা সময় নিয়ে সহজভাবে চিন্তা করুন, এনালাইসিস করে ঠিক করুন, ডেমোতে ফলাফল নিশ্চিত হউন। এবং সিদ্ধান্ত নিন। ১০। একটি পেয়ারে ট্রেড করুন। অনেকগুলো ট্রেড একসঙ্গে শুরু করে নিজের রিস্ক লেভেল এবং মাথায় অতিরিক্ত চাপ নিবেন না। তাই শুধুমাত্র একটি পেয়ার পছন্দ করুন ট্রেডিং আর জন্য। অনেক গুলো কারেন্সিই একসাথে ট্রেডের উপযোগী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ঐ কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করুন যার সম্পর্কে আপনার ধারনা ভাল। একসাথে যদি ৪-৫টি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করেন তাহলে আপনি ভালভাবে কোন পেয়ারের ক্যারেক্টার বুঝতে পারবেন না। এবং মিসগাইড হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রেড লস করবেন। ১১। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড প্রাকটিস করবেন , কারন সিঙ্গেল টাইমফ্রেমে ট্রেডের অনেকগুলো সুবিধা আছে যেমন, একক টাইমফ্রেমে ট্রেডিং এ আপনি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন যেখানে অনেকগুলো টাইমফ্রেম আপনাকে কিছুটা হলে কনফিউসড করতে পারে। একটি টাইমফ্রেম আপনাকে এনালাইসিসে ও হেল্প করবে প্রপার ডিসিশন নিতে, কারন একই চার্ট ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ভিন্ন ভিন্ন এনালাইসিস আর সূচনা করবে, তাই বিশেষ করে নতুনদের জন্য একটি টাইমফ্রেমে ট্রেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । ১২। ট্রেডিং চার্ট পরিষ্কার রাখুন। অনেক নতুন ট্রেডাররা মনে করে চার্টে যত বেশি ইনডিকেটর রাখা যায় তত ভালো, আসলে বিষয়টা এমন নয়, চার্টে ২-৩টির বেশি ইন্ডিকেটর রেখে চার্টকে এলোমেলো করে ট্রেডিং করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং অনেকগুলো ইনডিকেটর আপনাকে মিসগাইড করবে, আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন না, তাই ২-৩ টি ইন্ডিকেটর আর ক্যারেক্টার বুঝে অভিজ্ঞতার আলোকে ফাইনাল করুন। মুলত ট্রেডে ইন্ডিকেটর ব্যবহার আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটা শুধুমাত্র ব্যবহার হয় আপনার ট্রেডিং ডিসিশনকে স্মুথ করার জন্য। কারন অনেক অনেক ট্রেডার আছে যারা কোন ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করেই ট্রেডিং সাকসেস রেইট ৮০% এ ট্রেড করছে। আপনাকে বলছি না যে আপনি সব ইন্ডিকেটর রিমুভ করে ট্রেড করুন, ভালো ট্রেডার হতে হলে প্রথম পর্যায়ে আপনাকেও ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। ভালো ট্রেডিং আর জন্য সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লাইন গুলো ভালোভাবে বুঝুন।
  5. কারেন্সি ইনডেক্স কিঃ একটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে সর্বচ্চ পরিমানে অন্যান্য দেশের মুদ্রার যে ট্রেডিং ভলিয়ম কিংবা ট্রেডিং ওয়েট ভেলু তাই হল একটি কারেন্সির ইনডেক্স। যা ১৯৭৩ সাল থেকে অফিশিয়ালি ফরেক্স বেস কারেন্সির কে টার্গেট করে হিসাব করা হয়ে থাকে। তাই সবচেয়ে হায়েস্ট বেস কারেন্সি হল USD যার ইনডেক্সিং হিসার বের করতে পারলে অনন্যা কারেন্সির দোর পরিমাপ পারবেন। তাই আজকের কারেন্সি ইনডেক্স আলোচনায় ইনডেক্স কারেন্সি হল USD অর্থাৎ USD ইনডেক্স USDX. ৬ টি মুল কারেন্সি কে ধরে মোট ২২ টি দেশের কারেন্সির USD এর বিপরীতে ট্রেডিং ভেলু কে নিয়ে USDX হিসাব করা হয়। কারেন্সি গুলো হলঃ Euro (EUR)Yen (JPY)Pound (GBP)Canadian dollar (CAD)Krona (SEK)Franc (CHF)এখন প্রশ্ন হল ৬টি কারেন্সিতে ২২ টি দেশের অন্তর্ভুক্তি কিভাবে? হ্যাঁ, বলছি আমারা জানি ইউরোপিয়ান জোনের মোট দেশ ১৭ টি যাদের সবার একক কারেন্সি হল EUR এবং জাপান, ব্রিটেন, কানাডা, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড এর একক কারেন্সির বিপরীতে USD এর ট্রেন্ডিং ভেলু আছে বলে এই ২২ টি দেশের মুল কারেন্সিকে ধরে USD ইনডেক্স করা করা হয়। সহজ কথা হল ভিবিন্ন কারেন্সির বিপরিতে USD এর দোড় কতটুকু তাই বের করার একটি উপায় যাকে Indexing বলা হয়ে থাকে, যেহেতু USD এর ইনডেক্স বের করব তাই একে বলা হয় USDX. USDX কারেন্সি কান্ট্রিঃ আসুন এইবার জেনে নেই USDX এর জন্য কোন কোন কারেন্সি বেশি পরিমানে জড়িত অর্থাৎ কোন কারেন্সির কতভাগ ট্রেডিং এর জন্য USDX হয়। নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুনঃ চিত্রমতে EUR একটি বিরাট অংশ USDX এর জন্য। দ্বিতীয় স্থানে আছে জাপান তারপর আছে গ্রেট ব্রিটেন এইভাবে দেশ ভিত্তিক কারেন্সির একটি রেশিও দেখতে পাচ্ছেন, অর্থাৎ USD কারেন্সি ট্রেডিং এর ৫০% এর ও বেশি ট্রেডিং হয় EUR’র বিপরীতে। চার্টের বাইরে বাকি ৩০% ট্রেড হয় অনন্য কারেন্সির সাথে। USDX ডলার এর জন্য EUR’র ভুমিকা সবচেয়ে বেশি এবং EUR’র কারনে USD বেশি প্রভাবিত হয়। তাই USDX কে "Anti-Euro Index" বলা হয়। USDX যে কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে হিসাব করা হয় তা কিন্তু নয় বরং বড়বড় যেসব আর্থিক সংগঠন আছে তারা নিজেদের প্রয়োজনে তাদের ট্রেড বা ইকোনমি ব্যালেন্স করার জন্য USDX হিসাব করে থাকে। যেহেতু USDX একটি গ্লোবাল কনসেপ্ট তাই মোটামুটি অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ফর্মুলা ব্যাবহার করে তাদের ইকোনমি ঠিক রাখার জন্য বা সেই অনুযায়ী ব্যবসা ধরে রাখার জন্য। সেই রকম একটি প্রতিষ্ঠান হল Federal Reserve. USDX হিসার করার জন্য তারা "trade-weighted U.S. dollar index" নামে হিসাব করে থাকে। আশা করি USDX সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা পেয়ে গেছেন। USDX Formula: USDX = EUR * 0.576 x JPY * 0.136 x GBP * 0.119 x CAD * 0.091 x SEK * 0.042 x CHF * 0.036 · যখন USDX নামতে শুরু করে তারমানে হল এক্সচেঞ্জ ট্রেডাররা USD সেল করে দিচ্ছে· বিপরীতভাবে USDX যখন উঠতে শুরু করে তখন এক্সচেঞ্জ ট্রেডাররা USD বায় করতে শুরু করে।কিভাবে USDX চার্ট পড়বেনঃ USDX চার্ট অনন্য কারেন্সি চার্ট এর মত এক প্রকার চার্ট যার Index প্রতিদিন এবং সাপ্তাহিক ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। এই ক্ষেত্রে INDEX General ভেলু 100.00 কে Base ধরে হিসাব করা হয়ে থাকে। যেমনঃ যখন USDX উপরের দিকে যায় তখন USD ভেলু বাড়ে। যদি USDX 110 হয় তখন USD ভেলু বাড়ে 10%. আবার যখন USDX কমে 90 হয় তখন USD ভেলু কমে 10%. মনে রাখবেন যেহেতু আমরা USDX নিয়ে কথা বলছি তাই এর প্রতিফলন কিন্তু USD কারেন্সিকে ঘিরে হবে, যার কারনে জখনি USDX বাড়ছে বা কমছে তার প্রতিফলন কিন্তু আমার USD কারেন্সিতেই দেখছি। এখন পর্যন্ত USDX লেভেল সর্বচ্চ 160 এবং সর্বনিম্ন 78 পর্যন্ত পোঁছছে। কেন ব্যাবহার করবেনঃ আগেই বলেছি USD ইনডেক্স এর মাধ্যমে অনন্য কারেন্সির সাথে USD এর ট্রেডিং ওয়েট মাপা যায়। যেহেতু অনেকগুলো কারেন্সির Combination ই হল USDX. তাই USDX এর মাধ্যমে ঐসব কারেন্সির Forecast ও করা সম্ভব। USDX চার্ট এর শক্তিশালি বা দুর্বল আচরণ এর প্রভাব অনন্য কারেন্সির Forecast এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। আমরা যেভাবে Support and Resistance, Candlestick pattern , technical analysis বা আরো বিভিন্ন স্ট্রেটিজি ব্যাবহার করি ট্রেন্ড লাইন তথা প্রাইস ফোরকাস্ট এর ক্ষেত্রে, তেমনি USDX এর প্রভাব বা এই চার্ট এর ফ্লো’ মাধ্যমেও ওই সব কারেন্সির ট্রেন্ডিং ট্রেন্ড বুঝতে পারা যায়। কিভাবে ব্যাবহার করবেনঃ যেহেতু USDX এর ইনডেক্স চার্ট হয় EUR/USD,GBP/USD, USD/CHF,USD/JPY, USD/CAD এর সাথে ট্রেডিং ভলিয়ম ভিত্তিতে। USD এর বিপরিতে এই সব কারেন্সি এর ট্রেডিং স্ট্রেন্থ হল USDX. তাই লক্ষ্য করবেন যখন EUR/USD দৈনিক চার্টে ট্রেন্ড ডাউন থাকে তখন USDX চার্টে ট্রেন্ড বিপরীত থাকে। এইবার দেখুন EUR/USD Daily Chart উপরের দুটি চার্টকে বিবেচনা করলে দেখবেন একটু আরেকটির মোটামুটি বিপরীত। কারন আমরা পুরবেই জেনেছি USDX চার্ট এর মুল ট্রেডেড কারেন্সি হল EUR তাই এই কারেন্সিই বেশী হিট করে USDX চার্টকে। এইভাবে দেশ ভিত্তিক এবং তাদের কারেন্সির সাথে USD এর ট্রেডেড ভলিয়ম অনুযায়ী চার্ট গুলোর পরবর্তী মুভমেন্ট আন্দাজ করা হয়ে থাকে। এই বিষয়টা পরিষ্কার করতে আলোচনা করতে হবে কারেন্সি কো-রিলেশন নিয়ে। এবং USDX এর সাথে অনন্য কারেন্সির সমন্বয় পূর্বক তাদের Forecast পাওয়ার জন্য ভিবিন্ন Currency Strength Indicator ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। কারন্সি কো-রিলেশন বুঝলে ম্যাজিক পেয়ে যাবেন কিভাবে USDX এর একটি চার্টের বিপরীতে ৪-৫ টা কারন্সি চার্ট বিপরীত ট্রেন্ড তৈরি করে। আজ USDX সম্পর্কে চেষ্টা করেছি একটা ভালো ধারনা দেওয়ার জন্য। আগামিতে কারন্সি কো-রিলেশন সম্পর্কে বৃহৎ আলোচনা করব। ------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- USDX চার্ট আপনি আপনার Meta Trader এ দেখতে পারবেন, সেই ক্ষেত্রে আপনাকে দুটি ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করতে হবে। প্রথমে ইনডিকেটর গুলো ডাউনলোড করে নিনঃ USDX.zip ১. আপনার Meta trader\experts\indicators এ কপি করে নিন। ২. এইবার Meta Trader ওপেন করে EUR/USD চার্টে Create$$USDX ইনডিকেটরটি এনে Input variable থেকে যে টাইম ফ্রেমে USDX চার্ট দেখতে চান সেই টাইমফ্রেম ভেলু দিয়ে দিন, 15M, 30M, 45M 1H ইচ্ছে মত। ৩. File মেনু থেকে Open offline এ গিয়ে আপনার বানানো চার্টটি নিয়ে আসুন। (মুলত offline chart লিখা থাকলে ও এটা কিন্তু live চার্ট) ----------------------------- ধন্যবাদ।
  6. ফরেক্স কি, শিখতে কোথায় যাব? কতদিন লাগবে? কত টাকা আয়ের গ্যারান্টি? কত ইনভেস্ট করতে হয়? ইনভেস্ট ছাড়া কি ট্রেড করা সম্ভব? প্রফেশন হিসেবে কেমন, সবাই কি পারবে? এই সবকিছু একটু বুঝিয়ে বলেন।– ট্রেডার , নন-ট্রেডার সবার জন্য। মুল আলোচনায় যাওয়ার আগে হালকা একটু জেনে নেয় ফরেক্স কি এর কি কি সুবিধা আছে এবং প্রফেশন হিসেবে এটা কেমন হতে পারে। বিষয়টা আসলে শেয়ার করছি অনেকজানার ভেতর সামান্য অজানার তাগিতে, বেশ কদিন ধরে একটা প্রশ্ন ফেইস করছি অনেকে ফরেক্স, ফরেক্স শব্দটা শুনতে শুনতে বিরক্ত, যে ফরেক্স শিখতে কোথায় যাব? অনেকে অনেক ধরনের সুবিধার কথা বলছে, কেউ কেউ বলছে ট্রেনিং করলে নিশ্চিত আয়, আবার এটাও অনেকে বলছে মাসে ৫০,০০০-৭০,০০০ টাকা সহ আনলিমিটেড আয়ের ব্যবস্থা ,আবার এমন কাউকে শো করছে যারা নাকি প্রতিমাসে ১,০০,০০০(এক লক্ষ) টাকার চেয়ে বেশী ইনকাম করে ফরেক্স ট্রেডিং এর মাধ্যমে। সব মিলিয়ে বিষয়টা অনেকের কাছে এখনো অস্পষ্ট। তাই আমার ফরেক্স ট্রেডিং এর অভিজ্ঞতা এবং উপরোক্ত সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোর যথাযথ সমাধানের চেষ্টায় এই অভিপ্রায়। আশা করছি আপনাদের ফরেক্স ট্রেডিং অভিজ্ঞতা ও শেয়ার করবেন। তাতে করে মিনিমাম একটা লাভ যে নতুনরা মিসগাইড হবে না। ফরেক্স কিঃ নতুন ভাবে মনে হয় কাউকে বোঝানোর দরকার নেই যে ফরেক্স কি তারপরও আলোচনার স্বার্থে এবং একেবারে নভিস যারা তাদেরকে বলছি; ফরেক্স হল এমন একটি ট্রেডিং মার্কেট যেখানে একটি মুদ্রার বিপরিতে আরেকটি মুদ্রা কেনাবেচা করে প্রফিট করা যায়। আর এই মার্কেটে ট্রেডিং সুবিধাগুলোও নতুনরা একবার জেনে নিতে পারেন। ফরেক্স শিখতে কোথায় যাব? খুব সহজ উত্তর হল কোন ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টারে চলে যান অথবা আপনার পরিচিত কেউ ফরেক্স জানলে তারকাছ থেকে যেকোনভাবে শিখতে শুরু করুন। আসুন এইবার একটু গভীরে যায়। ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে ফরেক্স শিখলে কেমন হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে মোটামুটি সব ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টারের সাধারণ ফরেক্স ট্রেডিং এর ট্রেনিং ফি ৮,০০০-১০,০০০ টাকার মধ্যে। সময় ২-৪ সপ্তাহ। ভালো। কোন বিষয় সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হলে ট্রেনিং আর কোন বিকল্প নেই। নিজে নিজে সবাই সব কিছু পারে না। ট্রেনিং সেন্টারের এই এক মাসের ট্রেনিং এ আপনি ফরেক্স ট্রেডিং রাজ্য একটু পা দিলেন এখন বাকি কাজ আপনার, নিয়মিত অধ্যায়ন এবং চেষ্টায় আপনাকে একজন ট্রেডার রুপে গড়ে তুলতে পারে। সে জন্য দরকার লম্বা একটা সময় নিয়ে অনুশীলন শুরু করা। আর এই কাজটি করতে আপনি ট্রেনিং সেন্টারে জেতে বাধ্য নন, আপনি চাইলে নিজে নিজে বিষয়টা আয়ত্তে আনতে পারেন। তবে রেডিমেইড হলে সময়টা কম লাগে। খেয়াল করুন প্রথমত ফরেক্স কোন ডাক্তার দ্বারা বানানো কোন বড়ি নয় যে এক নিমিষে গুলিয়ে গেয়ে নিলেন অথবা এমন কোন প্যাকেজ নয় যে এক মাসের মধ্যে সব বুঝে গেলেন। ফরেক্স হল একটা “ লং টাইম লার্নিং প্রসেস ফর লাইফ টাইম এন্ড লাইভ আর্নিং ”। অল্প বিদ্যা যেমন ভয়ংকর তেমনি সামান্য কদিনের প্রচেষ্টায় বিষয়টি আয়ত্তে আনার চিন্তাও তেমনি ভয়ংকর। তাহলে আপনি কিভাবে শুরু করবেন? স্টেপ ১ # আপনি প্রথমে দেশি-বিদেশি (বাংলাভাষায় ফরেক্স ট্রেনিং এর লেসন পেতে ফরেক্স ক্যাম্পাস অথবা বাংলা ভাষায় ফরেক্স শিখার সম্পূর্ণ লেসন ভিত্তিক বইটি এবং ইংরেজি লেসন এর জন্য www.babypips.com ) যেকোন একটা সাইট মার্ক করেন তারপর প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময় বের করেন আপনার রেগুলার রুটিন থেকে তারপর একটু একটু করে স্টাডি শুরু করেন মনে রাখবেন তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে লোড নিবেন না। জোর পূর্বক কিছু আয়ত্তে আনার চেস্টা করবেন না। আপনি যদি সময় কে সময় দেন তাহলে সময় আপনাকে সময় দিবে। আপনার স্টাডি কে তিনটি ভাগে ভাগ করে নিন নয়ত তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারেন (বিগেনিং, প্রফেশনাল এবং এডভান্সড এই তিনটি লেভেলে). স্টেপ ২ # স্টাডি চালিয়ে যেতে অনেক বিষয় অনেক সময় অস্পষ্ট থাকতে পারে সেই ক্ষেত্রে ফোরামে (www.bdforexpro.com) আপনার সমস্যাটি বা যে বিষয়টি বুঝতে পারছেন না তা জিজ্ঞেস করুন। অনেক অভিজ্ঞ ট্রেডার আছে যারা আপনার সমসাটির ভালো সমাধান দিতে পারবেন। স্টাডির যখনি ডেমো ট্রেডিং অধ্যায় শেষ করে ফেলবেন তখন থেকেই ডেমো প্র্যাকটিস শুরু করেন। আর পাশাপাশি চালিয়ে যেতে থাকুন আপনার নিয়মিত স্টাডি। নিয়মিত স্টাডি যেভাবে ফিক্সড করেছেন সেভাবে ডেমো ট্রেডিং প্র্যাকটিসটা ফিক্সড করবেন। স্টেপ ৩ # ধরে নিলাম আপনার ব্যাসিক স্টাডি কোর্স শেষ এখন আপনি মোটামুটি ট্রেড বোঝেন এবং ট্রেড করতে পারেন। তাহলে এখন কি করবেন। আসলে এখনি আপনি ডিসিশন নিবেন আপনার দ্বারা কি আসলেই ট্রেড সম্ভব? এতদিনের ফরেক্স শেখার অভিপ্রায় কতটা আপনাকে আনন্দ দিতে পেরেছে কিংবা যতটুকু ফরেক্স করেছেন তাতে আপনি কতটুকু হ্যাপি? নিজে নিজে এই প্রশ্নের উত্তরটা নিয়ে নিন, যদি আপনার উত্তরটা হয় আপনি বেশ উপভোগ করছেন এবং এই প্রকার আর্নিং কনসেপ্টটা আপনাকে বেশ আনন্দ দিচ্ছে তাহলে আমি বলব আপনি ফরেক্স করবেন বলে ডিসিশন নিতে পারেন। এবং আপনার পরবর্তী স্টেপ শুরু করুন। আর যদি এতোদিনের প্রচেষ্টায় আপনি নিজেকে এই প্রকার আরনিং সিস্টেম এর সাথে কোপ করাতে পারছেন না, কিংবা বিশয়টা আপনার ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না, আপনি ঠিক আনন্দ পাচ্ছেন না তাহলে আমি বলব আপনি জোর করে কিছু করতে যাবেননা, আপনাকে বুঝতে হবে এই প্রকার আর্নিং আপনার জন্য সুইটেবল না, আপনি আর জোর করে বেশিদুর চেষ্টা না করে আপনার পছন্দের অন্য কোন ব্যবসা করুন। কারন প্রথম অবস্থায় যতটুকু বুঝেছেন অন্তত আশা করি অতটুকু বুঝে গেছেন যে এটা একটা আর্ট আপনি যত ভালো-ভাবে আনন্দের সাথে সময় দিতে পারবেন আপনি তত তাড়াতাড়ি সফল হতে পারবেন। তাই আপনার এসেসমেন্ট পিরিয়ড যেহেতু পজিটিভ না তাহলে আপনি এই প্রকার ব্যবসার চিন্তা বাদ দিন। কারন সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয় না এটা আপনি ভালো ভাবে জানেন। স্টেপ - ৪ # ঠিক আছে ধরে নিলাম আপনি ডিসিশন নিয়েছেন আপনি ট্রেড করবেন। তাহলে এখন সময় এসেছে নিজেকে মুল ট্রেডার রুপে তোলার। আপনি স্টুডেন্ট কিংবা, চাকুরীজীবী। আপনার স্বাভাবিক কাজকর্মের বাইরে প্রতিদিন ১-২ ঘন্টা সময় বের করে নিন যেহেতু বিষয়টাতে আপনি বেশ আগ্রহি এবং ইনজয় করছেন। এইবার হল আপনার দ্বিতীয় এসেসমেন্ট:- আমি খুব করে ভালো লাগার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছি, কারন জোর করে করা কাজের ফলাফল ভালো হয় না। এইবার আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম ঠিক রেখে সম্পূর্ণ অপশনাল একটি বিষয় হিসেবে ফরেক্স প্র্যাকটিস করুন, অতিদ্রুত এই মার্কেট থেকে রিটার্ন আশা করতে যাবেন না। অতিরিক্ত একটি বিষয় হিসেবে এগুতে থাকেন এক পর্যায়ে আপনি যখন আবিষ্কার করবেন না আপনি ভালো ট্রেড করছেন এবং আপনার ৪-৬ মাসের রেগুলার অনুশীলন যদি আপনাকে সার্বিকভাবে পজেটিভ রেজাল্ট দেয় তাহলে আপনি ইনভেস্ট আর কথা চিন্তা করতে পারেন। স্টেপ - ৫ # মুলত আপনি এখন জেনে গেলেন যে ফরেক্স ট্রেডিং এর অনেক গুলো ফর্মুলা এবং অনেক স্ট্রেটিজি আছে। তেমনি আপনি আরো জানলেন যে একেকটি বিষয় দিয়ে একেকভাবে স্ট্রেটিজি তৈরি করা যায়। কিন্তু সবগুলো বিষয় দিয়ে একসাথে আবার ট্রেড করা সম্ভব নয়। তাই এখন আপনার কাজ হল ডিসিশন নেওয়া যে কোন স্টাইলে রেগুলার ট্রেড করবেন। আপনি জানেন যে মুলত ট্রেড করার ফর্মুলা তিনটাঃ টেকনিক্যাল এনালাইসিসফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসএবং ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস ।মুলত বেশিরভাগ ট্রেড হয়ে থাকে টেকনিক্যাল এনালাইসিস স্ট্রেটিজিতে এবং এই স্ট্রেটিজিই সবচেয়ে বড় এবং সময় সাপেক্ষ। স্টেপ - ৬ # ধরে নিলাম আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিস স্ট্রেটিজিতে ট্রেড করবেন বলে স্থির করলেন তাহলে এইবারকার লক্ষ্য হল টেকনিক্যাল টার্মস গুলো শেখা। আপনি ইতিমধ্য জেনে গেছেন যে ট্রেন্ড পাওয়ার ট্রেডিং এর জন্য বিশেষ পদ্ধতি হল ট্রেন্ড সনাক্ত করে ট্রেড করা সেই জন্য অনেক অনেক টুল এবং স্টাডি করতে হবে আপনাকে। আর তাই শুরু করে দিন বিভিন্ন প্যাটার্ন ড্রয়িং, অ্যান্ডস্ট্যান্ডিং এবং এক্সিকিউশন । এতে করে প্যাটার্ন সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা চলে আসবে তারপর এডভান্স পিভট পয়েন্ট এবং ফিভনাসি রিট্রেসমেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করে দিন স্টেপ - ৭ # এই স্টেপে আপনি আরো একধাপ এগুবেন চার্ট নিয়ে, এতক্ষণ পর্যন্ত আপনি জেনে গেলেন প্যাটার্ন ড্রয়িং পূর্বক তাকে নিশ্চিত করতে হয় কিভাবে ফিভনাসি দিয়ে। এখন মুলত সেই কাজটি আবার করবেন আগের চেয়ে বেশী স্ট্রেনথ নিয়ে। চলে আসুন Trading Classic Chart Patterns ধরে, মুলত বইটী ফলো করার মাধ্যমে আপনি পরিষ্কার হয়ে যাবেন যে চার্ট প্যাটার্ন গুলো কতদুর কাজ করে কতটা ইফেক্টিভলি বিভিন্ন মার্কেট সিচুয়েশনে। আপনার রেফারেন্সে ভালো কোন চার্ট প্যাটার্ন বই থাকলেও সেটা ফলো করতে পারেন। মুলত উদ্দেশ্য একটাই। চার্ট প্যাটার্ন শেখার সাথে সাথে সবগুলো প্যাটার্ন একসাথে মাথায় নিতে যাবেন না এতো করে ভয়ংকর অবস্থা হতে পারে। তাই সামান্য কয়েকটা প্যাটার্ন আয়ত্তে আসার পর এগুলো দিয়ে নিজে নিজে ৪-৫ টা স্ট্রেটিজি দাড় করান এবং ডেমো ট্রেডিং এর মাধ্যমে এদের ট্রেডিং সাকসেস মার্ক করুন। এইভাবে এগুতে থাকুন। স্টেপ – ৮ # এইবার একটু সহজ স্বচ্ছ পথে এগুই , ইনডিকেটর MACD নিশ্চয়ই পেয়েছেন, একেবারে মামুলি ভাবার দরকার নাই এই ইনডিকেটরটাকে, কারন আপনি হয়ত জানেন না এই ইন্ডিকেটরের কত পাওয়ার, আপনি জেনে খুশি হবেন অনেক অনেক এক্সপার্ট ট্রেডার যারা ফরেক্স থেকে অনেক বেশি টপ ইনকাম করছেন তাদের প্রিয় ট্রেডিং স্ট্রেটিজি কিন্তু MACD কে নিয়ে। তাই প্যাটার্ন যখন বুঝে নিয়েছেন এইবার MACD এর সাথে একটু মাথা খাটিয়ে স্ট্রেটিজির সুচনা করুন এবং নিয়মিত ট্রেড করুন। মনে রাখবেন আপনি ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য হাজার হাজার স্ট্রেটিজি পাবেন সবগুলোর রশাতলে যদি নিজেকে ফেলেন তাহলে আপনার আর ট্রেড করতে হবে না, তাই এতো স্ট্রেটিজি এক্সপার্ট হওয়ার দরকার নেই। স্টেপ - ৯ # আপনি অনেকদুর চলে এসেছেন এখন এতদূর পর্যন্ত যখন এসেছেন তাহলে নিশ্চয় ট্রেডও ভালো করছেন। তাহলে আপনি জেনে রাখুন যে আপনি দ্বিতীয় এসেসমেন্টেও পাশ করেছেন সো ফরেক্স আপনি করতে পারেন। এটা ফাইনাল। এখন সময় এসেছে এক্সপার্ট হওয়ার। সেটা কিভাবে সম্ভব? আসলে বিষয়টা খুব বেশী কঠিন নয় আপনার জন্য। এক্সপার্ট ট্রেডিং মানে কি? এটা কি কোন পদক বা কোন স্বীকৃতি? এক্সপার্ট ট্রেডিং হল আপনি ভালো ট্রেড করেন আপনার ম্যাক্সিমাম ট্রেডই প্রফিট করে এবং আপনি মার্কেট সম্পর্কে খুব ভালো জ্ঞান রাখেন এবং মার্কেট ভলাটিলিটি বুঝেন এবং সেই মতে ট্রেড করতে পারেন। এখন এই সব গুলো বিষয় কিন্তু আপনি এক রকম এনালাইসিসে পাবেন না, আপনাকে সেইজন্য জ্ঞান রাখতে হবে কারেন্সি ফলিং এবং রাইসিং ইস্যু সম্পর্কে যা আপনি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসে অনেকটুকু পেয়ে যাবেন, মনে রাখবেন ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস মানে কিন্তু শুধু ইকোনমিক ক্যালেন্ডার রিড করতে পারা নয় বরং কি কি কারনে কারেন্সি ফ্লাকচুয়েট হয় তা ও জানা অর্থাৎ ইকোনমিক ডাটা পয়েন্ট সম্পর্কে জ্ঞান রাখাকে বুঝায়। তাই বুঝতে পারছেন আপনার টেকনিক্যাল এনালাইসিসের সাথে সাথে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস কতটা জুরুরি। আসুন এইবার আরেকটা কমন এনালাইসিস সম্পর্কে জানতে হবে আপনাকে, নিজেকে যদি ফরেক্স এক্সপার্ট রুপে গড়ে তুলতে চান। সেটি হল ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিস । একেবারে মামুলি ভাবার দরকার নেই ক্যান্ডেলস্টিক এনালাইসিসকে কারন অনেক ভিন্ন নেগেটিভ মতামত আছে ক্যান্ডেলস্টিক ভিবিন্ন প্যাটার্ন সম্পর্কে আমি নিজেও অস্বীকার করছি না, তবে কিছু ফর্মুলা দিতে পারি যাতে করে আপনার ট্রেড সাকসেস হতে পারে, খেয়াল করুন যখন আপনি টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে ট্রেডে ঢুকতে জান তখন যদি সাথে সাথে আপনার ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নটা ও একটু মিলিয়ে নিতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার ট্রেডটা নেগেটিভ হওয়ার কথা নয়। এখন হয়ত মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে বা ভাবছেন এতো এনালাইসিস করতে করতেতো আর ট্রেড ই করা হবে না, প্রারতপক্ষে এখন এমন মনে হলেও আসলে ব্যাপারটা তা নয়। কারন আপনি বিভিন্ন এনালাইসিস সম্পর্কে যখন ভালো ধারনা নিয়ে আসবেন তখন একটা অর্ডারে বিভিন্ন এনানলাইসিস দিয়ে অর্ডারকে পজেটিভ করা কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার মাত্র তাই খাবড়াবেন না বস। স্টেপ - ১০ # হ্যাঁ, আপনি অনেক কিছুই জেনে গেছেন ফরেক্সে। তো এখন কি আর তাহলে শেখার কিছু নাই? শুধুই ট্রেড করবেন আর বেশী বেশী ডলার কামাতে থাকবেন? আমি আপনার স্বাদটাকে গুড়িয়ে দিচ্ছি না, তবে একটু মনে করিয়ে দিতে চাইছি যে ফরেক্স ট্রেডিং মার্কেট সারা বছর এক রকম থাকে না, আপনি যে স্ট্রেটিজিতে এখন ট্রেড করে প্রফিট নিচ্ছেন সেই একই স্ট্রেটিজি কিন্তু আরেকটি সময় অর্থাৎ বছরের অন্য আরেকটি মাসে সেই কাজ নাও দিতে পারে বা পুরোপুরি আপনার টার্গেট ফিল নাও করতে পারে কিংবা ট্রেড আপনার অর্ডারের বিপরীতে চলে যেতে পারে। তাহলে সারা বছর ট্রেড কিভাবে করবেন? নো-টেনশন বস ! আমি এমন বললে ও সব সময় এমন ঘটে না তবে একেবারে যে ঘটেনা তা কিন্তু নয় তাই একটু সাবধান করে দিলাম। এই ক্ষেত্রে সিমপ্লি আপনি সারা বছরকে তিনটা ভাগে ভাগ করে ফেলুন। যেমনঃ অক্টোবর-জানুয়ারি,ফেব্রুয়ারি-মেএবং জুন-সেপ্টেম্বার।খেয়াল করলে কিংবা ভালো ট্রেডিং এক্সপিরিয়েন্স হয়ে গেলে নিজেও ধরে ফেলতে পারবেন যে সারা বছরে মার্কেট যতই ভালো বা খারাপ থাকুক না কেন ৩-৪ টি টাইম সার্কেল আর বাইরে রিয়াক্ট করে না। তাই বাৎসরিক চার্ট ধরে আইডিয়াটা নিয়ে ফেলুন। হাঁপিয়ে উঠেছেন এতো সব স্টেপ ক্লিয়ার করতে করতে, আসলে আপনি তো বস একদিনে এগুলো করতে যাবেন না এবং পারবেনও না। তাই শেখার মাঝখানে যদি কিছুটা হলেও ক্লান্তি এসে যায় কিংবা একটু করে বিরক্তি কাজ করে তাহলে একটা শর্ট ব্রেক নিয়ে নেন, কারন বিরক্তির শিক্ষা আপনাকে আরো বিরক্ত করে ফেলবে তাই, রিফ্রেশ হয়েই আবার শুরু করেন তবে প্রতিদিন সামান্য করে এগিয়ে গেলে বিরক্ত হওয়ার কথা নয় বরং কিউরিসিটি আরো বেড়ে যাবে। কারন ফরেক্স হচ্ছে একটা টোটাল আর্ট যেখানে আপনার মেধার একটা চরম মূল্য পাওয়া যায়। অবশ্য এতদূর আশার আগেই আপনি আপনার সাধ্যমত এমাউন্ট ইনভেস্ট করে অনেক অনেক ট্রেড করে ফেলেছেন আশা করি, তারপর ও রিকমন্ডিশন হিসেবে বলতে চাই, ভালো রিটার্ন চাইলে ভালো ইনপুট দিতে হবে। আমি বলছি না আপনি ৫০০,১০০০,২০০০ বা ৫০০০ ডলার দিয়ে ট্রেড শুরু করতে হবে শুধু বলতে চাই আপনি ট্রেড বুঝে গেছেন তাই আপনার সব দিক চিন্তা করে আপনার মত করে ইনভেস্ট করুন, হতে পারে সেটা $১০০০০ বা তারও বেশী। আপনার সব এনালাইসিস আর পাশাপাশি ইনভেস্টটা একটা বিরাট ফেক্টর, হ্যাঁ, আপনার কাছে হিউজ এমাউন্ট থাকতে পারে ইনভেস্ট করার মত কিন্তু আপনাকে ব্যাবহার করতে জানতে হবে রিস্কফ্রী ভাবে। আর আপনি যখন আমার আলোচনার এই পর্যায় পর্যন্ত শেখা শেষ করে ফেলতে পারবেন তাহলে আমি সিউর আপনাকে আর বলে দিতে হবে না আপনাকে কত ইনভেস্ট করতে হবে। ইনভেস্ট ছাড়া কি ট্রেড করা সম্ভব? উত্তরটা আমি খুব সিমপ্লি দিতে চাই, ইনভেস্ট ছাড়া ট্রেড করা সম্ভব নয় বস ! যখন এই মার্কেটে আছেন তখন শুনে থাকতে পারেন যে ফরেক্সের বিভিন্ন সাইট আছে যেখানে পোস্ট করলে বোনাস ডলার দেয় যা দিয়ে ট্রেড করতে পারা যায় কিংবা কোন কোন ব্রোকার তাদের ব্র্যান্ড প্রোমোশনের জন্য ৫-১০ ডলার বোনাস দিয়ে থাকে। বিষয়টা সত্যি, এই সুযোগটা অনেকেই নিয়ে থাকে কিন্তু আপনি একজন প্রফেশনাল ট্রেডার কিংবা ভালো ডিসিপ্লিন এবং আনকন্ডিশনাল ট্রেডিং এর জন্য এমন চিন্তা করার দরকার নেই। বিষয়গুলো অনেকের কাছে অনেক পছন্দের হলে ও প্রকৃতপক্ষে এই উপায়ে ট্রেডিং মানি কালেকশন করতে গেলে মুল ট্রেডিং এর প্রতি আপনার ভালো লাগাটা হারিয়ে ফেলতে পারেন এবং আপনার বিজনেস সেন্টিমেন্টটা হারিয়ে যাবে আর কন্ডিশন অব্লাইজড করতে করতে আপনি বিরক্তই হবেন তাই এই সকল বিষয়ের প্রতি আসক্তি না রেখে সরাসরি ট্রেডে আসুন। এটাকে একটা বিজনেস হিসেবে চিন্তা করুন, সুযোগ সন্ধানী হওয়ার দরকার নেই। আর যেহেতু ব্যবসা-ই করতে বসছেন সো ইনভেস্ট ছাড়া প্রফিট হয় না সেটাতো জানেন, তা-ই মাথায় রাখুন। যারা এখনো ফরেক্স এর কিছুই জানেন না কিন্তু আমার এই লিখাটা পড়েছেন তাদেরকেও বলছি আশা করছি আপনারা নতুন একটা ব্যবসার কনসেপ্ট পেয়েছেন এখন এই নতুন ব্যবসার জন্য আপনি কিভাবে এগুতে চান আপনার সব কিছু চিন্তা-ভাবনা মাথায় রেখে একটা প্ল্যান করুন ঠিক কিভাবে শুরু করতে চান। নিশ্চয়ই জানেন কোন কিছুর সুন্দর একটা শুরুই হল ঐ বিষয়ের অর্ধেক সমাপ্ত। এখন পর্যন্ত যারা ফরেক্স ট্রেড করে হয়রান, বিরক্ত, লুসার তাদের হিস্টোরি একটু রিসার্চ করুন দেখবেন তারা এলোমেলো ট্রেড করেছে কিংবা রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কিংবা মুল বিষয়গুলোর পর্যাপ্ত অনুশীলন ছাড়াই ট্রেড শুরু করেছেন। তাই আপনাদের বলছি স্বাভাবিক আর কয়টা ব্যাবসার মতই এটা চিন্তা করুন, ব্যবসার সফলতার মূলে যেমন রয়েছে কঠিন পরিশ্রম এবং অদ্ধাবসায়। হাঁ ফরেক্স যেহেতু একটি ভিন্ন ধারার ব্যবসা এখানে পরিশ্রম হল আপনার মেধার পরিশ্রম। তাই ব্যবসাটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং সবাই পারে না। অতিমাত্রায় উৎসাহিত হয়ে এক্সিডেন্ট করতে জাবেন না, কিংবা কারো কাছে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার মেথড হিসেবে এই ব্যবসাকে চিন্তা করবেন না। ফরেক্স কি ফুল-টাইম না পার্টটাইম, প্রফেশন হিসেবে কেমনঃ বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ফুল-টাইম ফরেক্স ট্রেডাররা সারাদিন সময় দিয়ে যে পরিমান ইনকাম করেন পার্টটাইম ট্রেডাররাও তা করতে পারেন। তাছাড়া ফরেক্সের টোটাল ট্রেডারদের ৬৫%+ হল পার্টটাইম ট্রেডার। তাছাড়া ফুল-টাইম ট্রেডাররা খুব ভালো মেন্টাল প্রেসার নিয়ে থাকেন যে কারণে তারা কিছুটা অলস প্রকৃতির হয়ে থাকে। অন্য কিছু খুব একটা তাদের ধারা হয় না হয়ে উঠেনা । শুরুর দিকে ফুল-টাইম হিসেবে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। মুলত ফুল-টাইম এবং পার্টটাইম ট্রেডিং এর মুল পার্থক্য হল প্রেসার, আপনি কত বেশী প্রেসার নিতে পারছেন। তাই বিষয়টাকে খুব বেশী জটিল করে না দেখে নিজের সেন্টিমেন্ট অনুসারে এগুতে থাকুন। আপনি ফরেক্স তিন ধরনের ক্যারিয়ারে বেশ ভালো সুবিধা করতে পারেন। প্রফেশনাল ট্রেডার বা ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডার।ফরেক্স এনালিস্ট বা কারেন্সি রিসার্চারE.A ডেভেলপারএছাড়া ও রেগুলেটর এবং এক্সচেঞ্জ ম্যানেজার সহ নানা রকম আকর্ষণীয় পোস্টে অনেক হাই লেভেল জব করতে পারেন। আপনি দক্ষ ট্রেডিং এ যদি একজন ভালো এনালিস্ট হতে পারেন তাহলে ট্রেডিং ছাড়াও আপনার জন্য আরেকটি বিশাল সম্ভাবনা আছে তা এনালিস্ট হিসেবে কাজ করা। সব ব্রোকারের, ভিবিন্ন ফরেক্স সার্ভিস প্রোভাইডারদের একটি বিশাল সেক্টর হচ্ছে কারেন্সি এনালাইসিস মুলত যে যত বেশী এবং যত ভালো ইফেক্টিভ এনালাইসিস গ্রাহকদের উপহার দিতে পারবে সেই তত ভালো মার্কেট দখল করতে পারবে আর সকল ফরেক্স প্রতিষ্ঠানের লং-জাম্প কিন্তু এই এক বিষয়তে হয়। তাই যদি নিজেকে একজন দক্ষ এনালিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন তাহলে ফরেক্স প্রতিষ্ঠান গুলো আপনাকে লুফে নিবে এবং হাই রাইজ সেলারি দিবে যা হতে পারেন মাসিক ৩-৫ লক্ষ টাকা। আপনি আপনার ঘরে বসেই কাজটি চালিয়ে যাবেন আপনার দায়িত্ব অনুসারে যেভাবে আপনি আপনার ঘরে বসে ট্রেড করেন। তাই এই সেক্টরে সম্ভাবনা অনেক। ফরেক্স মার্কেটে সফলতার মূল হল আপনার বিষয় হলঃ ধ্যর্য + বিনম্রতা + শিক্ষা = সফলতা তাই অনেকে অনেক সময় নিয়ে ট্রেড করছেন এবং ভিবিন্ন উপায়ে এনালিস্ট স্কিল তৈরি করছেন যেমনঃ চার্ট প্যাটার্ন, পিভট পয়েন্ট, ভিফনাসি রিট্রেস্মেন্ট, এলিয়ট ওয়েভ সহ নানা বিষয়ের গাণিতিক ব্যাখ্যাগুলো নিয়ে রিসার্চ করছেন এবং প্রাইস মুভমেন্ট বোঝার ক্ষমতা অর্জন করছেন। তাই যদি টার্গেট থাকে এনালিস্ট হবেন তাহলে তাহলে প্রথম থেকেই নিজের ট্রেডের ফর্মুলা গুলো নোট ডাউন করে রাখুন আপডেট করুন এবং প্রত্যেকটি স্ট্রেটেজির লজিক গুলোর একটি রুপ দাড় করান এইভাবে এগুতে পারেন। আসলে আপনি কিন্তু এনালিস্ট কারন আপনার প্রত্যেকটা ট্রেডে কিন্তু এনালাইসিস দরকার হচ্ছে যেভাবে আপনি ট্রেডে ঢুকেন। তাই বিষয়টার প্রতি সব সময় জোর দিন । অনুশীলন করতে করতে এক পর্যায়ে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার টার্গেটেড এরিয়া। তবে ঐ অবস্থানে পৌছাঁতে আপনাকে ৩-৫ বছর বা তার ও বেশী সময়ের একটা মাইল ফলক অতিক্রান্ত করতে হবে নিয়মিত অধ্যায়নের সাথে । তাই স্বাভাবিক ভাবেই কয়েকবছর ট্রেড করতে থাকুন ঐ সব বিষয়গুলো’র মাধ্যমে। কিছু স্ট্রেইট কথাঃ মানলে সুফল পাবেন না মানলে দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে। ১। লোন করে ট্রেড করবেন না। ২। টার্গেট ফিল করার জন্য ফোর্স ট্রেড করবেন না। ৩। লাইভ ট্রেডে যত টাকা ইনভেস্ট করবেন ঠিক তত দিয়েই ডেমো ট্রেড করুন। ৪। Yes বা No ফাংশনে ট্রেড অর্ডার করবেন না। ৫। মাঝে মাঝে ট্রেড থেকে বিরতি নিন। ৬। কম্পিটিশন করবেন না। ৭। সবগুলো ট্রেডের রেকর্ড রাখুন, পজেটিভ এবং নেগেটিভ ট্রেড কম্পেয়ার করুন। নেগেটিভ ট্রেড পর্যালোচনা করে শুধরে নিন। ৮। পরপর দুটি ট্রেডে পজেটিভ রেসাল্ট পেয়ে ৩ নাম্বার ট্রেডে ভলিয়ম বাড়িয়ে দিবেন না। ৯। মনে না চাইলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে ট্রেড করবেন না। ১০। ট্রেড ওপেন করার আগে মিনিমাম ৫ মিনিট চার্ট এনালাইসিস করুন।
  7. অনেকই অনেকবার নয় বেশ বেশ কয়েকবার রোবট ট্রেডিং সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। মুলত আমি অটো ট্রেড করি না, তবে মুলত ফোরাম পাঠকের অনুরোধ রাখতে গিয়ে চোখ কান খোলা রাখছিলাম যে ভালো নিরাপদ এবং লং ট্রেডিং পজেটিভ হিস্টোরি আছে এমন কোন রোবট পাই তাহলে আপানদের অবশ্যই জানাবো; তাই বেশ কয়েকদিন ধরে একটি রোবট কে নজরে রাখি এবং অবসার্ভ করি এর ট্রেডিং সাকসেস সম্পর্কে। মোটামুটি ৬ মাস ধরে দেখছি স্টেবল এবং নিরাপদ মনে হচ্ছে তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। যারা রোবট সম্পর্কে আগ্রহ রাখেন তারা এই রবোটটি দেখতে পারেন। তবে অবশ্যই বলে রাখি যারা ভাবছেন যে রোবট আপনাকে অল্প দিনে কোটিপতি বানিয়ে দিবে তাহলে বলব আপনি অল্প দিনেই আপনার মুল্ধন হারাতে বসেছেন, এই চিন্তা করবেন না। এবং যে সকল রোবট এই ধরনের প্রোমট করে থাকে সাবধান। আমি মনে করি অল্প প্রফিট দিয়ে যদি আপনি নিশ্চিত ভাবে থাকতে পারেন সেটাই কাম্য; আর এই রোবট এর ক্ষেত্রে আমার এই পয়েন্টাই ভালো লেগেছে। কারন রোবটটা প্রতিমাসে আপনার মূলধনের ১৫-২০% রিটার্ন করতে সক্ষম। আমি যদি মাসে ১০% ধরি তাহলে নিশ্চয়ই খারাপ না। যেমন আপনি যদি ১০০০ ডলার দিয়ে রোবটটা সেট করেন ওদের হিসেবে আপনি প্রায় ১৫০-২০০ ডলার ইনকাম পাবেন। আর আমি ধরলাম ১০০ ডলার তাহলেও মোটেও খারাপ মনে হচ্ছে না আমার। কারন নিশ্চিতভাবে আপনার মূলধন ঠিক রেখে যদি ১০০০ ডলার এর বিপরীতে মাসে ১০০ ডলার নিশ্চিত পান তাহলে নিশ্চয়ই আপনি একমত হবেন। কারন বেশি লোভের আশায় বেসি রিটার্ন চেয়ে যদি মূলধনই অনিশ্চিত হয়ে যায় তাহলে আর বলার কিছু নাই বুঝতে পারছেন। যাহোক এতো বর্ণনা দেওয়ার কিছু নাই। যারা আগ্রহি তাদের সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। Name: Green Forex Scalp EA Price: 150$ Live Performance: t.me/gfxscalpea Contact: t.me/gfxpro Facebook: https://www.facebook.com/GfxScalpEA/ web: www.gfxscalpea.com ধন্যবাদ;
  8. হ্যাঁ এইগুলো সব সময়কার জন্য ! তবে যেকোন স্ট্রেটিজির ক্ষেত্রে আগে ডেমোতে প্রাকটিস করবেন, সম্পূর্ণটা বুঝে আসলে তারপর লাইভে জাবেন। ধন্যবাদ;
  9. বাংলাদেশ থেকে ফরেক্স ডিপোজিট সরকারি ভাবে এখনো কোন বৈধতা রাখে না। অনলাইন ভিত্তিক যেসব পেমেন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে যারা ট্রেড পরিচালনা করছেন তারা সম্পুর্ন নিজের লাইবিলিটিতে করে জাচ্ছেন করছেন।
  10. হ্যাঁ Fxtm পেমেন্ট প্রসেসিং খুব ফাস্ট। আমি কিছুদিন ট্রেড করেছি। কোন সমস্যা পাইনি।
  11. হ্যাঁ ভাই, ভালো ট্রেডের ক্ষেত্রে শুধু টেকনিক্যাল টার্মস মানলেই চলে না দরকার সমসাময়িক তথ্য বটে, যেহেতু এই মার্কেট টা ভিবিন্ন দেশের মেজর ইম্পেক্ট নির্ভর তাই প্রফিট ট্রেডের ক্ষেত্রে সবদিকেই চোখ কান খোলা রাখাটা জুরুরি। সুন্দর আলোচনার মাধ্যমে মার্কেট ওভারভিউটা পরিস্কার করার জন্য ধন্যবাদ; শুভ কামনা রইল;
  12. Version - এম.হাফিজ জয়

    3,107 downloads

    ফরেক্স বিগেনার টু প্রো’ হল বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অধ্যায় ভিত্তিক ফরেক্স শিক্ষার সেরা এবং সম্পূর্ণ একটি বই। সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় ফরেক্স নিয়ে লিখিত এই বইটি নূতন থেকে শুরু করে প্রফেশনাল ট্রেডার রুপে গড়ে উঠতে স্টেপ বাই স্টেপ ফর্মুলা অনুসারে সাজানো হয়েছে। প্রত্যেকটি অধ্যায় সাজানো হয়েছে উপযুক্ত টপিক নিয়ে, ফরেক্স সম্পর্কে যারা একেবারেই অজ্ঞ তাদের জন্য বইটি হতে পারে সেরা পছন্দ। বেসিক টার্মস, চার্ট প্যাটার্ন, টেকনিক্যাল এনালাইসিস, ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস ও ট্রেডিং টার্মস এবং প্ল্যান সহ নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বইটি আপনার ফরেক্স শিক্ষার একটি শক্তিশালী পছন্দ হবে আশা করছি। ৮০ পৃষ্ঠার সেরা এই বইটি ফরেক্স শিক্ষার জন্য একটি পুর্নাঙ্গ গাইডলাইন হবে আপনার। যে সকল মুল অধ্যায় দিয়ে সাজানো হয়েছে বইটিঃ বই সম্পর্কে আরো তথ্যঃ নামঃ ফরেক্স বিগেনার টু প্রফেশনাল ট্রেডিং লেখকঃ এম.হাফিজ জয় পৃষ্ঠাঃ ৮০ ভাষাঃ বাংলা
  13. আসলে এই ধরনের অফার গুলো ব্রোকাররা তৈরি করে কোনভাবে যেন এই ট্রেডারটাকে সে তার কোম্পানিতে আনতে পারে এই লক্ষ্য। পদ্ধতিটা মোটেও সঠিক কোন পন্থা নয়। এটার কারনে ট্রেডাররা আরো মিসগাইড হয় হতাশ হয়। কারন তারা বলে নো ডিপোজিট বোনাস, প্রফিট অংশ দিয়ে ট্রেড করে নির্দিষ্ট লট এর ভিত্তিতে প্রতি মাসে উইথড্র বলে প্রমোশন করে কিন্তু যখন ট্রেডার রা প্রফিট অংশ দিয়ে ট্রেড করতে চাই তখন বলে ডিপোজিট করতে হবে। এটা পুরাই জালিয়াতি। আমার বেক্তিগতভাবে FBS ব্রোকারটার প্রতি একটা ভালো ধারনা ছিল, কিন্তু এই ধরনের কাজ করে ব্রোকাররা নিজেদের ক্ষতি করে নিজেদের সম্মান নস্ট করে। যাহোক ট্রেডারদের বলছি ব্রোকারদের এই ধরনের অফারে সায় দিয়ে সময় নস্ট না করায় ভালো। ধন্যবাদ ekhra আপনাকে বিষয়টি ফ্রন্ট লাইন করার জন্য !
  14. আজকের আলোচনাটা খুব গুররুপুর্ন , ট্রেডিং তো কম বেশী করছেন, ভালো করছেন বা খারাপ সব মিলিয়ে ধরে নিলাম ট্রেডিং চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু মানসিক প্রস্তুতি যা ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে চরম প্রভাব ফেলে তা হয়ত না জেনেই ট্রেডিং এ প্রতিনিয়ত ভুল করছেন যা আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছেন না। হ্যাঁ আজকে আলোচনা করব সেই রকম কিছু সাইকোলজি নিয়ে যা আশা করছি আপনার ট্রেডিং এর প্রভাব আরো পজেটিভ করবে এবং ট্রেডিং হবে আরো উন্নত। ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে কেউ ই ১০০% পারফেক্ট নয়, এমন কি বিশ্বের যত নামীদামী ট্রেডার আছে তাদেরকে নিয়েই বলছি, কেউ তাদের ট্রেডকে ১০০% নিশ্চিত করতে পারে না। কারন মার্কেট বিসয়টি আপেক্ষিক। যে যত বেশী অভিজ্ঞ , যার ট্রেডিং অভিজ্ঞতা যত ভালো, যত বেশী সেই ততটা বেশী সুবিধার সাথে ট্রেড করতে পারেন, এটাই সত্যি। তাই বলছি সত্যি যদি ফরেক্স ট্রেডার হতে চান, নিয়মিত ভাবে ট্রেড করতে চান তাহলে প্লিজ অল্প বিদ্যা নিয়ে শুরু করবেন না, জানুন, বুঝুন, অনুশীলন করুন তারপর শুরু করুন। রুলস – ১ঃ ট্রেড করতে নিজেকে খুব বেশী স্মার্ট ভাবা বা খুব বেশী স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন না; আপনি অনেক জ্ঞানী কিংবা অনেক বুদ্ধিমান সম্পুর্ন কিন্তু তাই বলে ফরেক্স ট্রেডিং এ শুরু করেই আপনি পেয়ে যাবেন সফলতা এমনটি ভাবার দরকার নেই। কারন বুদ্ধিমত্তা এবং ফরেক্স ট্রেডিং এই দুটি বিষয়ের পারস্পরিক কোন সম্পর্ক নেই। একজন অসম্পূর্ণ অতিরিক্ত স্মার্ট ট্রেডার যেমন ট্রেডের ক্ষেত্রে ঝুকিপুর্ন তেমনি একজন স্বাভাবিক মানের ট্রেডার তার চেয়ে অনেক প্রগতিশীল। আপনার ফরেক্স ট্রেডিং পারফর্মেন্স এর জন্য ইন্টেলিজেন্সি’র প্রভাব সামান্য কারন ফরেক্স মার্কেট পরিচালিত হয় স্বাভাবিক দিনের মানুষের উপর ভিত্তি করে। তাই ট্রেডার যদি হতেই হয় স্বাভাবিক, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলন দিয়েই শুরু করুন। রুলস -২ঃ ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস জেনে বুঝে ট্রেড করুন; ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বলতে আপনি কি বোঝেন, ইকোনোমিক ক্যালেন্ডার ডাটা দেখে প্রাইস আপ/ডাউন পয়েন্টে ট্রেড ওপেন করা ? তাহলে আমি বলব আপনি সম্পূর্ণই ভুল। আর ইনস্ট্যান্ট পয়েন্ট পাবলিশে সত্যি ট্রেড করতে পারেন? ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসে যদি ট্রেড করতে চান তাহলে নিউজ এনালাইসিস করুন, কোন কারেন্সির নিউজ, নিউজটি কি, বর্তমান ইকোনোমিক কন্ডিশন অনুসারে এই নিউজটির প্রভাব কি হতে পারে , এইভাবে স্টাডি করে তারপর নিউজ ইফেক্ট নিজেই আগে অবগত হয়ে যান এবং সময় মত সেই অনুসারে ট্রেড ওপেন করুন, এটাই ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর সঠিক নিয়ম। রুলস -৩ঃ সব সময় নিজেকে সঠিক রাখতে জোর করবেন না; আপনি যখন ট্রেড করেন তখন সব গুলো ট্রেড আপনার টার্গেট হিট করে না, আপনি তো সময় নিয়ে, সঠিকভাবে এনালাইসিস করেই ট্রেড ওপেন করেছেন যেখানে আপনার সবগুলো ট্রেড পজেটিভ হওয়ার কথা ছিল আপনার সাইকোলজি অনুসারে। ঠিক তখন মনে মার্কেট আপনার সাথে বেঈমানি করেছে, এমনটি তো হওয়ার কথা ছিল না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে একটা টেকনিক এপ্লাই করতে পারেন, কখনো নির্দিষ্ট একটি ট্রেডকে এক্সট্রা জোর দিবেন না, যেমন একটি ট্রেডকে হাই সাইজে ওপেন করে অনেক বেশী কনফিডেন্ট থেকে নির্দিষ্টভাবে একটি ট্রেডকে গাইড করা ইত্যাদি। বরং সবগুলো ট্রেডকে এভারেজ সেইম ভলিয়মে রেখে ট্রেড চালিয়ে যাওয়া এতে করে আপনার এভারেজ ট্রেড পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। রুলস – ৪ঃ ট্রেডিং এর জন্য মুল লার্নিং পিরিয়ডেই দক্ষতা অর্জন করে নিন; বেশীরভাগ ট্রেডার ট্রেড শুরু করে, তারপর লার্ন করে। বুঝতে পারে না যে ট্রেড শুরু করার আগে যে দক্ষতা দরকার তা ট্রেড শুরু করার পর ক্ষতি ছাড়া আসে না। লার্নিং এর ক্ষেত্রে যখন দু’তিনটি টুলস এর মাধ্যমে বায়/সেল সিগন্যাল পেয়ে যায় তখন ই লার্নিং বন্ধ করে দেয়। বডি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যেমন , মাসল, শোল্ডার, চেস্ট, থাই সব নানা অঙ্গের সঠিক অনুশীলন জরুরি, মাসল বড় করতে কার্লিং মারার সময় উভয় হাতের ব্যাল্যান্স যেমন জরুরি নচেৎ একটা মাসল বড় আরেকটা ছোট হয়ে যাবে, এবং ব্যায়ামটাই অনর্থক মনে হবে। ঠিক তেমনি ট্রেডিং লার্নিং এর সময় মৌলিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা নিয়েই ট্রেড শুরু করতে হবে; রুলস – ৫ঃ যেকোন কিছুই ঘটতে পারে সবসময় এই মানসিক প্রস্তুতি রাখা। যেহেতু এটা একটা বর্ডারলেস মার্কেট, এখানেই বৃত্তই দেখবেন সীমারেখা দেখবেন না। অর্থাৎ মার্কেটটি যেহেতু সম্পূর্ণ এনালাইসিস এবং অর্থনৈতিক নির্ভর তাই এইখানে মুদ্রার প্রভাবে অনেক সময় অনেক কিছুই ঘটতে পারে। তাই ট্রেডের ক্ষেত্রে সব সময় নিজের লিমিট/রিস্ক ঠিক রেখে ট্রেড করুন। আপনার ক্ষমতার বাইরে থেকে কিছুই চিন্তা করবেন না বা করবেন না। রুলস -৬ঃ দৌড়ানোর আগে হাটার অভ্যাস করুন; হেডলাইন দেখেই অনেক কিছু বুঝে নিয়েছেন আসা করছি, হ্যাঁ আমি তাই বলছি শুরুতেই কখনো এক লাফে গাছের গোড়া থেকে আগায় উঠতে চেষ্টা করবেন না। আস্তে আস্তে ছোট ছোট ট্রেড থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের ট্রেডিং স্ট্রেটিজি সফলতা, অভিজ্ঞতা কে এক সুতোই বেঁধে আস্তে আস্তে সব গুলো সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকুন। এতে করে আপনার কিছু বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবে না, আর যার সুফল আপনি এখনকার চেয়ে পরে আরো ভালো পাবেন। উপরের পয়েন্টস গুলো খুব কার্যকরীভাবে নিজের ভেতর চিন্তা করুন এবং যদি মনে হয় যে আপানার মাঝে এমন কিছু আছে তাহলে ভুল থেকে শিখে সঠিক নিয়মে এগুতে থাকুন অবশ্যই সফল হবেন।
  15. ধন্যবাদ আপানার মূল্যবান পোস্টের জন্য; অনুগ্রহ করে পোস্টের কন্টেন্ট আরো রিচ এবং তথ্যবহুল করার জন্য অনুরোধ করা গেল।
  16. আশা করছি সিগ্রই আমরা একটি নিরাপদ, লাভজনক ফরেক্স রোবট এর সন্ধান দিতে পারবো। ধন্যবাদ;
  17. যারা সিগন্যাল নির্ভর ট্রেড করেন কিংবা নিজে ভালো ট্রেড করতে পারেন না। নির্ভরযোগ্য কোন সিগন্যাল খুঁজছেন যা ম্যাক্সিমাম ট্রেডে প্রফিট এনে দিতে পারে। হ্যাঁ আপনাদেরকে বলছি ৯৫% প্রফিট এই সিগন্যালটি ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। তাদের টেকনিক্যাল এনালাইসিস এতো স্ট্রং যে আপনি প্রতি মাসে ২৫০০ পিপস এর বেশি প্রফিট অর্জন করতে সক্ষম হবেন, এই সিগন্যালটি আপনি ব্যাবহার করতে পারেন কারন এটি ১ মাসের জন্য আপনাকে ফ্রী দিবে কারন তাদের সিস্টেম হচ্ছে যেহেতু তারা বলছে তাদের সিগন্যালটি ৯৫% একুরেট তাই ফ্রী ব্যাবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে আপনাকে নিশ্চিত করবে যে তাদের সিগন্যালটি সেরা। যেহেতু সিগনালটি আপনি ১ মাসের জন্য ফ্রীতে পাচ্ছেন তাই টেস্ট করতে তো দোষ নেই, প্রয়োজনে ডেমো একাউন্টে অথবা লাইভ একাউণ্টে সর্বনিম্ন লটে এপ্লাই করে এর কার্যকারিতা যাচাই করে দেখতে পারেন। যদি আপনি ১ মাস ফ্রী ব্যাবহার করে সন্তুষ্ট থাকেন তাহলে তারপর সাবস্ক্রইব করে নিয়মিত ব্যাবহার করতে পারেন। ৩০ দিনের ফ্রী সিগন্যালটি পেতে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে রিকোয়েস্ট করতে হবে এই ক্ষেত্রে আপনাকে মোটামুটি কিছু তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনার তথ্য যাচাই করার পর একাউন্ট এক্সেস দেওয়া হবে যেখানে আপনি ফ্রী সিগন্যাল সহ সব কিছু পেয়ে থাকবেন। কারন অনেকে দেখা যাবে ভিন্ন আইডি দিয়ে হয়ত ১ মাস পর আবার ফ্রী রিকোয়েস্ট করতে পারে। রেজিস্ট্রেশন বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ ৯৫% সঠিক সিগন্যাল প্রফিট সঠিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট হেজিং ট্রেডীং আরবিট্রেজ ট্রেডিং বাইনারি অপশন ট্রেডিং
  18. ফরেক্স মার্কেটে যত ধরনের স্ট্র্যাটেজী আছে, তার মাঝে বুলিঙ্গার ব্যান্ড অন্যতম নির্ভরশীল এক স্ট্র্যাটেজীর মাধ্যম। অত্যন্ত কার্যকরী এই ইন্ডিকেটর দিয়ে অনেক ধরনেরই স্ট্র্যাটেজী বানানো যায়। আমার নিজেরই প্রায় কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজী আছে এই বুলিঙ্গার ব্যান্ড নিয়ে। সে যাই হোক, আপনাকে ফরেক্স মার্কেটে ভালো কিছু করতে হলে, সবার আগে আপনার ধৈর্য্য নিয়ে মনোঃ সংযোগ তৈরী করতে হবে। আমি আমার আগের পোস্টগুলোর ফিডব্যাকে অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমি দেখেছি সবাই কেমন যেন অস্থির একটা ভাব নিয়ে থাকেন। ফরেক্স আপনার অস্থিরতাকে কানা কড়িও মুল্য দেয়না। সুতরাং আপনাকে ফরেক্স এর ভাব বুঝে নিয়ে ট্রেড করতে হবে। আজ আমি আপনাদের অত্যন্ত কার্যকরী একটা স্ট্র্যাটেজী শিখাতে যাচ্ছি, আশা করছি যারা নতুন আছেন, বা অনেক দিন ধরে ট্রেড করছেন কিন্তু ভালো প্রফিট করতে পারছেন না, তারা খুব ভালো উপকার পাবেন। তবে একটা কথা আগেই বলে রাখি, সকল স্ট্র্যাটেজীই ভালো, এটা আপনি যত নিজের মতো করে ভালোভাবে আয়ত্ব করতে পারবেন। ফরেক্স ততোই আপনার কথা শুনবে। আপনার ঝুলিতে এসে জমা হবে ফরেক্স সাফল্য। এবার স্ট্র্যাটেজীর কথায় আসিঃ বুলিঙ্গার ব্যান্ডের সেট আপঃ প্রথমে আপনার MT4 চার্ট হতে ইন্ডিকেটর অপশনে যেয়ে বুলিঙ্গার ব্যান্ড খুজে বের করুন। ডেভিয়েশানঃ ২ পিরিয়ডঃ ২০ দিবেন, তবে ১৪ তেও মোটামুটি ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়। স্ট্র্যাটেজী ফলো করবার নিয়মঃ যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইনের নিচে থাকে তবে মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে আছে বুঝতে হবে। যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইনের উপরে থাকে তবে মার্কেট আপ ট্রেন্ডে আছে বুঝতে হবে। যদি মার্কেট প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইন টাচ করে তবে ট্রেড নেবার পজিশান এসে গেছে বুঝতে হবে। এবার অপেক্ষা শুধু পারফেক্ট সেট আপ নেবার। কখন সেল নিবেনঃ যখন মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে থাকবে আর প্রাইস বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝের লাইন টাচ করবে নিচে থেকে, তখন আপনি রেডী হয়ে যাবেন এন্ট্রী নেবার জন্য। মাঝের লাইন টাচ করার সঙ্গে সঙ্গে আপনি টাচ করা ক্যান্ডেলের ৩-৫ পিপ্স নিচে একটা সেল স্টপ দিয়ে রাখুন, অথবা অপেক্ষা করুন মারকেট প্রাইসের রিভার্স করা ক্যান্ডেলের জন্য যা আগের ক্যান্ডেলের ৩-৫ পিপ্স নিচে ঘুরে নামবে। তখন একটা সেল এন্ট্রি নিন।বুলিঙ্গার ব্যান্ডের মাঝ লাইন টাচ করা ক্যান্ডেলের ৫-১০ পিপ্স উপরে স্টপ লস দিয়ে রাখুন। আর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে বুলিঙ্গার ব্যান্ডের নিচের লাইন বরাবর দিয়ে রাখুন। নিচের ছবিটা দেখে নিন। কখন বাই এন্ট্রি নিবেনঃ বাই এন্ট্রি সেল এন্ট্রির ঠিক উল্টোটা হবে। এখানে মারকেট উপর থেকে নিচে নেমে মাঝের লাইন টাচ করবে। আর একই ভাবে স্টপ লস আর টেক প্রফিট ব্যবহার করবেন। আর এ সংক্রান্ত এনালাইসিস দিয়ে ট্রেড করতে বা পুরোপুরি বুঝতে কারও কোন সমস্যা হলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনঃ ফেসবুকে আমিঃ https://www.facebook.com/otonu.shagor স্কাইপীতে আমিঃ otonu.shagor আমার নিজস্ব এনালাইটিক্যাল পেজঃ https://www.facebook.com/bestforexxm সবাই ভালো থাকুন, সবাই ভালো ট্রেড করুন। আর পরিশেষে আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয। View the full article
  19. MACD মুভিং এভারেজ ডাইভারজন্স অ্যান্ড কনভারজন্স MACD কিঃ হল Moving Average Convergence Divergence। এটি টেকনিক্যাল এনালাইসিসের খুবই জনপ্রিয় এবং স্ট্রুং একটি ইনডিকেটর। সারা পৃথিবী জুড়ে বিপুল পরিমানে ফরেক্স ট্রেডারদের অন্যতম জনপ্রিয় একটি টুল। MACD হল মূলত Exponential Moving Average 12 এবং 26 পিরিয়ড এর মধ্যকার পার্থক্য। এই ক্ষেত্রে MACD 12EMA থেকে 26EMAমাইনাস করে যা পায় তাই হল মেইন MACD লাইন। MACD এর সাথে আরো একটি সিগনাল লাইন থাকে যা বায় এবং সেল সিগনাল দেয়। MACD কেন? মার্কেট ট্রেন্ড সনাক্ত করার জন্য এই ইনডিকেটরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকে ভালো ট্রেড করি কিন্তু শুধুমাত্র সঠিক ট্রেন্ডে ট্রেড করতে না পারার কারনে ট্রেন্ড চেইঞ্জ এর কারনে অনেকে আবার বিরাট লসে পড়ে যায়। এই দিক থেকে MACD আপনাকে রাইট ট্রেন্ডে থাকতে সাহায্য করবে। MACD হল মুভিং এভারেজ SMA এবং EMA এর সাথে সম্পৃক্ত একটি ইনডিকেটর। তবে অনেক ট্রেডাররা শুধুমাত্র EMA (Exponential Moving Average) মেথ ব্যাবহারের মাধ্যমে ট্রেড করতে পছন্দ করে এবং সেই ক্ষেত্রে SMA SIGNAL LINE ভেলু নাল করে ট্রেড করতে হয়। যাদের SMA (Simple Moving Average) এবং EMA (Exponential Moving Average) ডেপিরিয়ড সম্পর্কে ধারণা নাই তারা ভালো হয় আগে SMA এবং EMA বুঝে নিলে। MACD পরিচিতি এবং প্রস্তুতিঃ MACD কে MAC-D (ম্যাক-ডি ) বলে থাকে অনেকে। এই ইনডিকেটর এর মূল কম্পোনেন্ট হল MACD Main Line এবং MACD Signal Line. তবে মেইন লাইনটি সরাসরি লাইন হিসেবে না থেকে (হিস্টোগ্রাম) অর্থাৎ বার গ্রাফ হিসেবে একটি হরাইজেন্টাল লাইন এর উপরে এবং নিচে করে বায় অ্যান্ড সিগনাল ট্রেন্ড হিসেবে থাকে। MACD 26 Day Period এবং 12 Day Period এর মধ্যকার পার্থক্য বুঝতে হলে Insert>Indicators > Trend > Moving Average 26 Period EMA এবং 12 Period EMA সেট করে আপনার ট্রেডিং চার্টে নিয়ে আসুন। চিত্রটি লক্ষ্য করুন, চার্ট এর নিচের অংশে UP এবং DOWN বার জুড়ে যে লাল রেখাটি দেখা যাচ্ছে তা হল সিগনাল লাইন এবং বার বা হিস্টোগ্রাম মিলিয়ে হল MACD। ডিফল্টভাবে MACD Parameter 12 For Fast or Shorter EMA and 26 For Slow or Longer EMA হিসেবে সেট করা থাকে। এবং সিগনাল লাইন ভেলু SMA 9 Period সেট করা থাকে। কারণ MACD Formula ই হলঃ MACD Formula: MACD = shorter term moving average - longer term moving average. অর্থাৎঃ MACD = EMA for 12 periods – EMA of 26 periods. আর অনেক EA প্রোগ্রামাররা নিজেদের মত করে MACD এডিট করে নানা রকম সাজসজ্জয় রুপ দিয়ে বিভিন্ন রকম Parameters সেট করে থাকে। কিন্তু MACD যেমন সাজে দেখতে পাননা কেন মূল কনসেপ্ট এটাই। MACD Buy and Sell Signal: সাধারণভাবে মুভিং এভারেজ ক্রস ওভারেই বায় বা সেল সিগনাল পাওয়া যায়। যদি MACD লাইন 0 level এর উপরে থেকে 12 Period Faster EMA লাইন 26 Period Slower EMA কে ক্রস করে মার্কেট তখন বুলিশ। বিপরীতভাবে যদি MACD লাইন 0 Level এর নিচে থেকে 26 Period Slower EMA লাইন 12 Period Faster EMA ক্রস করে মার্কেট তখন বেয়ারিশ। এটা সাধারণ ফরমুলা যা অন্য ইনডিকেটর দিয়ে ও বুঝতে পারা যায়। তাহলে MACD কেন ব্যাবহার করবো? হ্যাঁ মজাটা এখানেই , পর্বেই বলেছিলাম MACD আপনাকে ট্রেডে মজবুত থাকতে সাহায্য করবে। আসুন কিভাবে দেখি... নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন......... মার্কেট আপ ট্রেন্ড এবং নিখুঁত সাপোর্ট লাইন দেখা যাচ্ছে আপনি হয়ত অপেক্ষা করছেন যে কখন সাপোর্ট লাইন ব্রেক করবে এবং আপনি শর্ট অর্ডার করবেন। কিন্তু আবার ভয় ও আছে ব্রেক হওয়ার পরে যদি আবার সাপোর্ট লাইনকে টাচ করে তাহলে ট্রেন্ড বাউন্স হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেল ট্রেন্ড নিশ্চিত হওয়ার জন্য দেখবেন ট্রেন্ড ব্রেক হওয়ার আগেই MACD কয়েকটা রিভারসেল বার তৈরি করে ফেলেছে। যখন ক্যান্ডেলস্টিক সাপোর্ট লাইন এর নিচে ক্লোজ হয় ঠিক একই সময়ে MACD লাইন নিচের দিকে নামতে থাকে। যদিও MACD এখনো 0 লেভেলের উপরে কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তে আপনি সেল অর্ডার দিতে পারেন এবং প্রফিট নিবেন পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল পর্যন্ত। MACD ডাইভারজন্স: হল একটি আপট্রেন্ড মার্কেট এর শক্তিশালী ব্রেক পয়েন্ট ধরে ট্রেড করে নেওয়ার জনপ্রিয় একটি টেকনিক্যাল স্ট্রেটিজি। ট্রেন্ড ব্রেক আউট ট্রেন্ডে ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশি প্রফিট করে থাকে। আপনিও এই পদ্ধতিতে অনেক প্রফিট নিতে পারেন যদি সঠিক সময়ে ট্রেডে প্রবেশ করতে পারেন এবং ট্রেন্ড ব্রেক নিশ্চিত হতে পারেন। আর এই ট্রেন্ড ব্রেকঅউট নিশ্চিত হওয়ার জন্য একেক ট্রেডার একেক ধরণের স্ট্রেটিজি ব্যাবহার করে থাকে, তবে অনেক ট্রেডারদের কাছে MACD Divergance ট্রেড ব্রেকঅউট স্ট্রেটিজিটি খুবি জনপ্রিয় কারণ এর ট্রেন্ড সিগনাল অনেক বেশি কার্যকর। এটি MACD বারের সমন্বয়ে তৈরি একটি জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ট্রেন্ড সিগনাল। যা আমরা MACD Divergance নামে জানি। চিত্রটি লক্ষ্য করুন ... আপ মার্কেট যখন ট্রেন্ড উঁচু থেকে উচ্চতর (Higher High) ব্যাবধান করেছে ঠিক সেসময়ে MACD বার নিম্ন উচ্চতর (Lower High) বারের মাধ্যমে নিচে নামতে শুরু করে রিভার্সেল ট্রেন্ডের সিগনাল দিচ্ছে। এখন ট্রেন্ড নিশ্চিত হওয়ার পালা, যখন MACD বার নিম্নমুখী এবং ট্রেন্ড লাস্ট সাপোর্টকে ক্রস করল, এই মুহূর্তে মার্কেট রিভারসেল ট্রেন্ড নিশ্চিত হয়ে MACD Divergance ফর্ম ধরে নিশ্চিত সেল ট্রেড করা হয়। অর্থাৎ MACD Divargance স্ট্রেটিজিতে থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে বর্তমান আপট্রেন্ড মার্কেট এখনকার মত এখানেই শেষ সুতরাং আপনি বর্তমান ট্রেন্ডের ফ্রেন্ড হয়ে রিভার্সেল অর্ডার (সেল) ট্রেড করে ভালো প্রফিট করে নিতে পারেন। MACD কনভারজন্স: MACD কনভারজন্স হল ডাউনট্রেন্ড মার্কেটে এর ব্রেক পয়েন্ট ধরে ট্রেন্ডে চেঞ্জে রিভার্সেল অর্থাৎ বায় ট্রেড করা। এই ক্ষেত্রে MACD বার উপরের দিকে তৈরি হতে শুরু করে ট্রেন্ড চেঞ্জ করতে থাকবে। এটা আর বিস্তারিত না-ই বললাম। MACD Divergance অনুসারে বিপরীত মুখী ট্রেন্ড ধরে আশা করি বুঝে নিতে পারবেন। MACD Divergance এর বিপরীত ফর্মুলা ধরে স্ট্রেটিজিটা নিজেরাই বুঝে নিন। আশা করি পারবেন।
  20. ১৯টি দেশের একক কারেন্সি হওয়াই EUR/USD বিশ্বের বহুল জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং কারেন্সি। দীর্ঘদিনের ইউরো ঋণ সংকটের কারনে ইউরো জোনের বেশ কিছু মাথাউঁচু দেশ যেমন গ্রিস, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, এবং স্পেন হেলে পড়েছিল এই ক্রাইসিস কোনভাবেই ইউরো’র পিছু ছাড়ছিল না। অবশেষে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং প্রেসিডেন্ট মারিও Draghi এর নেতৃত্বের সঙ্কটে পড়া দেশ গুলোর একটি যুগান্তকারি পদক্ষেপ মানিটারি ইউনিয়ন এর সাথে সংযুক্ত হওয়ায় আবার যেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে যার ফলাফল সরুপ গত সম্পুর্ন জুলাই মাস ধরে EUR ক্রমাগতিক ঊর্ধ্বগতি তা বলে দেয়। বর্তমানে জার্মানির অতিরিক্ত ট্রেডিং উৎসই বলে দেয় যে গোটা EUR এখন আর্থিক শক্তিশালী ; বর্তমানে যেহেতু নতুন কোন অবশিষ্টতা নেই তাই EUR ট্রেডিং আর অন্তপ্রবাহ বলে যে সাধারন কারেন্সির ঊর্ধ্বগতি এখন তুঙ্গে। ব্রেক্সিট এর পরে সমস্ত ইউরোপিয়ন এর মধ্য একটি ভয় কাজ করছিল যে পরবর্তীতে না জানি অন্য কোন দেশ জোন থেকে বের হয়ে যায়, এক দিকে ফ্রান্স অন্য দিকে ECB বন্ড ক্রয় থেকে সরে এসেছিল , সব মিলিয়ে কঠিন হুমকির মুখে ছিল গোটা ইউরোপিয়ান জোন, এতো কিছুর পর ও ইউরো যে তার হারানো অবস্থান ফেরাতে সক্ষম হয়েছে তার জোর করে বলার সময় এখনো হয়নি; যাহোক এই পর্বে দেখা আসা যাক টেকনিকেল এনালাইসিস Pathway তে আগামি এক সপ্তাহের EUR/USD সম্ভব্য টেডিং লাইন ; Weekly Closing Price: 1.1749 Weekly Resistance: 1.1759 EUR/USD 0.63% পজেটিভ পয়েন্টে ইউরো’র জন্য একটি সফল উইক ছিল; যা এই কারেন্সির জন্য সফলতম তৃতীয় সপ্তাহ; ২০+ দিনের ক্রমাগতিক উর্ধগতি কারেন্সিটি বর্তমান রেসিস্টেন্স ১.১৭৫৯ এ নিয়ে আসে; ক্রমাগত এই রেসিস্টেন্স এর ব্রেকিং EUR/USD কে ১.২০ তে নিয়ে যাওয়ার সংকেত দেয়। আর কারেক্টিভ ওয়ে উক্ত কারেন্সিকে ১.১৫৫০-৮০ পর্যন্ত একটা মাইনর রিভার্স এর সম্ভাবনা তৈরি করে; তাই এই কারেন্সিতে ট্রেডারদের জন্য সাজেশন হল এই মুহুরতে বড় কোন সিদ্ধান্তে না যাওয়া, EUR/USD একটা এক্সেসিভ রিভার্স পর্যন্ত চিন্তাভাবনা ঢালটা মুজবুত রাখবেন; Happy Trading ----
  21. Commercial content is a special feature for whom have forex indicators, EA, analysis and signal and business with it. Respectable broker/company's authenticate one can regularly post their tools performance and details about it for attracting clients. This feature is rather free unlike other forum post. You should subscribe extra for that . for details about the policy please communicate forum admin at: http://www.bdforexpro.com/contact/ As soon as you contact for the policy you will promptly response and get the details about posting commercial content.. Regards, Bdforexpro.com - Largest Forex Professional Community in Bangladesh.
  22. হ্যাঁ ট্রেন্ড লাইন তো তাই বলছে, তবে ছোট খাটো কারেকশন এর মাধ্যমে ইউরো ১.২০ তে টাচ করার সম্ভাবনা মুখ্য।