Search the Community

Showing results for tags 'forex chittagong'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


  • সাধারণ ফরেক্স সহায়তা
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা, ট্রেডিং স্ট্রেটিজি, নিউজ এবং সিগন্যাল সম্পর্কিত
    • ফোরাম ও পোর্টাল সহায়তা
    • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • নিউজ, সিগনাল ও এনালাইসিস
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • ট্রেডিং স্ট্রেটিজি
    • ফরেক্স স্টাডি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার (প্লাটফর্ম-মেটা ট্রেডার)
    • টুলস, ইন্ডিকেটর
    • অটোসিস্টেম অ্যান্ড ট্রেডিং
    • মেটাট্রেডার, সি-ট্রেডার, ওয়েবট্রেডার
  • বিজ্ঞাপন
    • কমার্শিয়াল কন্টেন্ট
    • ক্রয়-বিক্রয়-এক্সচেঞ্জ
  • ফরেক্স ব্রোকার সম্পর্কিত
    • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স অফার
    • পেইমেন্ট মেথড
  • অফ-টপিক

Categories

  • সাধারণ ফরেক্স বই
  • টেকনিক্যাল এনালাইসিস
  • ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস
  • ক্যান্ডলেস্টিক এনালাইসিস
  • ইনডিকেটর

Group


ওয়েবসাইট URL


ইয়াহু(Yahoo)


স্কাইপ(Skype)


ঠিকানা


ইচ্ছা/আগ্রহ/শখ

Found 2 results

  1. Fed's Monetary Policy Statement & Nonfarm Payrolls বিগত দিনের মত বরাবরই আজকে প্রকাশিত হবে Fed's Monetary Policy Statement ও ব্যাংক সূদের হার। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শাসনামলের প্রথম Fed's Monetary Policy Statement হিসেবে আমাদের জন্য ইভেন্টসটি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ন। তবে ফেডের মনিটরি পলিসি সহ গুরুত্বপূর্ণ অন্য তিনটি ইভেন্টস রয়েছে চলতি ট্রেডিং সাপ্তাহে যথা 01) BoJ Monetary Policy Meeting Minutes 02) BoE Interest Rate Decision 03) Nonfarm Payrolls - কিন্তু মুদ্রাবাজারে এর প্রভাব কেমন পড়তে পারে সেটাই আমাদের বিবেচনা করতে হবে। কোন মুদ্রাটি কতটুকু প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সে বিষয়ে ইকোনমি জার্নাল থেকে পরিসংখ্যান ভিত্তিক কয়েকটি Economical Events নিম্নে আলোচনা করছি। গত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ সাল থেকে চলে আসা ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ফেড গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬-তে ০.৭৫% বৃদ্ধি করেছিল।পাশাপাশি ফেডের প্রধান ইয়েলেন তার প্রেস কনফারেন্সে পুনরায় ২০১৭ অর্থ বছরে তা পর্যায়ক্রমে আরো তিন ধাপে বৃদ্ধির বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে হিসেবে ২০১৭ অর্থবছরের প্রথমাংশে অর্থাৎ আজ তারা কি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে ? - এ সম্ভাব্য বিষয়টি পর্যালোচনা করতে আমরা যদি তাদের বিগত দিনের Economical ইভেন্টসের দিকে তাকায় তবে এটা পরিষ্কার যে মার্কিন অর্থনীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বিগত দিনের তুলনায়। যেমন: ADP Employment Change যা ৫ জানুয়ারি ২০১৭- তে 170K থেকে 153K তে নেমে এসেছে (bearish). অপরদিকে US manufacturing sector এর ISM ৫৩.৫ থেকে ৫৪.৭-এ উন্নীত হয়েছে (Bullish) । অর্থাৎ US manufacturing sector-এর বিভিন্ন সেক্টরে যেমন future production, new orders, inventories, employment এবং deliveries সংক্রান্ত ISM সূচকটি সার্বিক ভাবে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। সূতরাং উপরোক্ত দুটি ইভেন্টস মূল্যায়নে অনেকটাই মার্কিন ডলার স্বাভাবিক থাকবে যতক্ষণ না দুটিতেই বড় ধরনের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। - পক্ষান্তরে যদি আমরা US labor department কর্তৃক প্রকাশিত Initial Jobless Claims এর দিকে তাকায় , তবে সে সেক্টরে তারা গত ২৬ জানুয়ারী ২০১৭ ভাল সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু NFP তে আবার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।কারন এ কী ইভেন্টসে তারা পছিয়েছে যদিও তাদের বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত ছিল।যা একটি উর্ধমূখী ট্রেন্ড কে বাধা গ্রস্থ করে।এছাড়া তাদের সদ্য জিডিপিতেও তারা পিছিয়েছে। সূতরাং সার্বিক ইকোনমি মূল্যায়নে ফেড আজ কে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এড়িয়েও যেতে পারে এবং আরো একমাস তারা সার্বিক অবস্থার উন্নতির প্রতি দৃষ্টি আরোপ করতে পারে। - সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রফেসর ইলেয়েনের কাছ থেকে আজ ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি না করে বরং এর সম্ভব্যতা নিয়ে সাধারন একটি ব্রিফ করার চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। এছাড়া নবনিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন সরকার গঠন ও নির্বাচনি ব্যস্ততার ফলে চলতি ইভেন্টসে ইকোনমিতে তেমন কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কার্যত দেখা যাচ্ছে না। যদিও বিষয়টি সম্ভাব্য। - সূতরাং চলতি ইভেন্টস সমূহ মার্কেটে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে ? -/-------------------------------------------------------------------/- অবশ্যই মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে যদি ফেড ভাল কোন অর্জন দেখাতে না পারে। তাছাড়া ট্রাম্পের বিভিন্ন রাষ্ট্রনীতি ও বক্তব্য কে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলার অনেক চাপে আছে যা আমরা স্পষ্টতই ট্রেডিং মার্কেটে দেখতে পাচ্ছি। তারই প্রমান হচ্ছে ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার সময় মার্কেট যেখান থেকে পরিবর্তন হয়েছিল ক্ষমতা গ্রহনের পর আবার ধীরে-ধীরে মার্কেট সে অবস্থানেই চলে আসছে। অর্থাৎ ট্রাম্প নির্বাচিত হলে মার্কিন ডলার পতনের যে গ্লোবাল সেন্টিমেন্ট ছিল, ক্ষমতা গ্রহনের পর ঠিকই তা প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নির্বাচন পরবর্তিতে সমগ্র বিশ্বে ট্রাম্প বিরোধী যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে তা মার্কিন ডলার কে আরো বেশি দূর্বল করে দিতে সহায়তা করবে। কারন গ্লোবাল বিনিয়োগকারীরা ডলার রিজার্ভে ঝুঁকি নিতে চাইবেনা। {BoJ Monetary Policy Meeting Minutes & BoE Interest Rate Decision } চলতি সাপ্তাহে ব্যাংক অব জাপানের ব্যাংক সূদের হার ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি মনিটরি পলিসিও ছিল। তবে মনিটরি পলিসিতে তেমন কোন বিশেষত্ব পরিলক্ষিত হয়নি। সম্ভবত তারা মার্কিন ডলারের চাপে থাকাটি কি আরো কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে। যদিও বর্তমানে জাপানিস মূদ্রা অনেকটাই রিকভার করতে সক্ষম হয়েছে। অপরদিকে পাউন্ড মার্কেটও অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে হার্ড-ব্রেক্সিট পরবর্তিতে পাউন্ড মার্কেট কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিগত দিনের কিছু Economical ইভেন্টসসে ইউরো জোনের সাথে থাকা না থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সহ বিভিন্ন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সার্বিকভাবে মন্থর গতিতে এগিয়েছে। সে হিসাবে আগামীকাল পাউন্ডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্রত্যাশাটি বেশি হয়ে যাবে। এছাড়াও থেরেসা মে উন্মুক্ত বাণিজ্য করনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চলেছে। তিনি প্রত্যাশা করছেন বৃটেন একটি বনিকের দেশ হিসেবে তাদের আগের পরিচিতি ফিরে আসুক যা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে তার চোখে মুখে কিছুটা তৃপ্তির ভাব বা আত্মনির্ভর হওয়ার যে ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা কিন্তু বৃটিশ অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি পজিটিভ।যদিও এর জন্য অনেক পথ তাদের পাড়ি দিতে হবে। - চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। পাশাপাশি ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহের চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সূতরাং মার্কেট বিশ্লেষনে যারা অনভিজ্ঞ তাদের জন্য আগামী সাপ্তাহে ট্রেড করাটি অনেক বেশি নিরাপদ । কারন চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব। সূতরং যারা মার্কেট চ্যালেঞ্জে বিজয় হতে চান, তাদের জন্য ডিফেন্সিভ ওয়ে-তে অগ্রসর হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করছি। ---------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market Admin: Forex Training center in Bangladesh
  2. ব্রেক্সিট কি ? ব্রেক্সিট শব্দটির বিশ্লেষন হচ্ছে ব্রিটেন+এক্সিট = ব্রেক্সিট,অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়া কে ব্রেক্সিট বলে বুঝানো হয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হচ্ছে মূলত ২৮ জাতির জোট কিন্তু ২৩ জুন বৃহস্পতিবার ব্রেটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তরভুক্ত হয়ে থাকা না থাকা বিষয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যা পাল্টে দিতে পারে যে কোন সমীকরন৤ অর্থাৎ এই ভোটে ব্রিটেন ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয় টি নিশ্চিত হলে এটি হবে ব্রিটেনের অর্থনীতি ও সমাজ নীতির জন্যে বড় ধরনের হুমকি৤ পাশাপাশি এ সিদ্ধান্তে ইউরোপী ইউনিয়নও প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,কারন এতে করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত অন্য সব দেশও ব্রিটেনের পথে হাঁট তে পারে এবং সময়ের ব্যবধানে সমগ্র ইউরোপ ভেঙ্গে কয়েক ভাগে ভাগ হয়ে যেতে পারে৤ ঠিক এ আশংকা থেকে জি-৭ সম্মেলনে অংশ গ্রহন কারী বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ব্রিটেন কে বের না হওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন এবং সর্তকও করেন৤ কিন্তু ব্রিটেনের অধিকাংশ জনগন মনে করেন তাদের ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়া টা এখন সময়ের দাবি৤ ফরেক্স মার্কেটে এ ইভেন্টসের সম্ভাব্য প্রভাব ? ফরেক্স মার্কেটে এ ইভেন্টসের সম্ভাব্য প্রভাব আমরা কয়েক দিক থেকে মূল্যায়ন করতে পারি এক- যদি ব্রিটেন ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যায় তাহলে EUR মূদ্রা টি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, সে ক্ষেত্রে USD শক্তিশালী হবে৤ দুই- বৃটিশ পাউন্ডও চরম বিপর্যয়ে পড়তে পারে যা হয়ত মার্কিন ডলারের বিপরিতে বিগত দিনের সর্ব নিম্ম মূল্য ১.৩৮ নেমে আসতে পারে৤ তিন- ব্রিটেন ইউরোপে থেকে গেলে প্রথমিক পর্যায়ে পাউন্ড ১.৫২ পর্যন্ত উঠে আসতে পারে৤ চার- ব্রিটেন ইউরোপে থেকে গেলে ইউরো মূদ্রাটিও মার্কিন ডলারের বিপরিতে প্রাথমিক পর্যায়ে শক্তিশালী হয়ে ১.১৬ পর্যন্ত উঠে আসতে পারে৤ পাঁচ- আগামীকাল জুয়াড়ীদের প্রবেশের সম্ভাবনা থাকতে পারে যা পাল্টে দিতে পারে সকল হিষাব ও ধারনা কে৤ কিন্তু তা হবে ক্ষনস্থায়ী৤ ট্রেড শতর্কতা ও আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতটুকু সম্ভব ট্রেড এড়িয়ে চলা ভাল, কিন্তু যদি মার্কেটে চেলেঞ্জ নিতে ভালবাসেন তবে ECN একাউন্ট হুলডারগন ট্রেড থেকে বিরত থাকবেন৤ কারন এই ইভেন্টেসে আপনার চলতি ট্রেডে S/L প্রাইজ ওভার হয়ে গেলেও আপনার ট্রেড ক্লোজ হওয়ার সম্ভাবনা কম৤ লংপজিশন = লংপজিশন গ্রহনের ক্ষেত্রে দুটি প্রাইজে বাই লিমিট নেওয়া যেতে পারে যখা ১.৪৪০০ অথবা ১.৪০০০ , তবে উল্লেখ্য যে আপনার যথেষ্ট পরিমান পিপস হাতে নিয়ে ট্রেড নিতে হবে কারন এসএল ওভার হলেও যেন মার্কেটে টিকে থাকা যায় শর্ট পজিশন= শর্ট পজিশন গ্রহনের ক্ষত্রে ১.৪৯০০ প্রাইজে এস এল সেট করে ১.৪৫ রেঞ্জ থেকে সেল স্টপ নেওয়া যেতে পারে ৤ অথবা ১.৪৯৫০ থেকে সেল লিমিটও নেওয়া যেতে পারে৤ মার্কেট সেন্টিমেন্টঃ সামগ্রিক ভাবে আমি USD কে সাপোর্ট করছি, তবে যারা উপেরোক্ত এনালাইসিস টি বুঝতে সক্ষম হয়েছেন তারা মার্কেটে প্রবেশ করতে পারেন কিন্তু সামগ্রিক ভাবে প্রবেশ না করা টি খুবই যুক্তিযুক্ত৤ কারন আগামী কালের মার্কেট শুধু মাত্র প্রপেশনালদের জন্যে ইমোশনাল ও বিগেইনারদের জন্যে নয়৤ ------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Forex & CFD Market. Writer:The insider secret of global Forex Market. Phone:+880-1936236148