Mhafiz™

বলিঙ্গার বেন্ড (Bollinger Band) A-Z ফরেক্স এক্সপার্ট ট্রেডিং – ( পোস্ট পর্ব - ১ )

5 posts in this topic

বলিঙ্গার বেন্ড (Bolinger Band) A-Z ফরেক্স এক্সপার্ট ট্রেডিং – ( পোস্ট পর্ব - ১ )

ফরেক্স ট্রেডিং জগতে টেকনিক্যাল এনালাইসিস টুলস হিসেবে বলিঙ্গার বেন্ড (Bolinger Band) কতটা গুরুত্তপুর্ন এবং জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং টুলস তা নতুন করে হয়ত বলার অপেক্ষা রাখে না, তারপরও নতুন ট্রেডারদের উদ্দেশে বলছি এবং যারা জানেন না তাদের বলছি এই টুলসটি যদি আপনি ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় মনে করেন বা এখনো ব্যাবহার না করে থাকেন তাহলে আপনি বলব আপনি আপনার ট্রেডকে এখনো অনেক খানি পিছিয়ে রেখেছেন। আমি বেক্তিগত ভাবে সব সময় এই টুলসটি ব্যাবহার করে থাকি , কারন এই টুলসটির বহুমুখী ব্যাবহার এবং ট্রেডিং স্ট্রেটিজি যা ছাড়া ট্রেডিং অসম্পূর্ণই মনে হয়।

তাই এইবার এই টুলসটি নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট করবো A-Z ,আশা করি নিয়মিত এই টূলসটির ট্রেডিং স্ট্রেটিজি দিয়ে ট্রেডিং প্রফিট এবং ট্রেডকে অনেক পজেটিভ করে সাফল্যর সাথে ট্রেড পরিচালনা করতে পারবেন। আমি বলিঙ্গার বেন্ড নিয়ে আগে ও অনেক খন্ড খন্ড পোস্ট করেছি তবে এই সিরিজ পোস্টে একদম প্রাইমারি লেভেল থেকে আলোচনা শুরু করে চেষ্টা করবো আপনাদের বলিঙ্গার এক্সপার্ট হিসেবে তৈরি করে দিতে।

 বলিঙ্গার বেন্ড কিঃ

হল ফরেক্স মার্কেট এর পাশাপাশি যে কোন অর্থ বাজারের জন্য জনপ্রিয় এবং গুরুত্তপুর্ন একটি টেকনিক্যাল এনালাইসিস টুলস।  একটি অর্থ বাজারের প্রাইস ভলাটিলিটি তথা মার্কেট একশন ফোরকাস্ট এর জন্য জন বলিঙ্গার নামক এক ব্যাক্তি ১৯৮০র দিকে এই টুলস এর সুচনা করেন।

বলিঙ্গার বেন্ড পরিচিতিঃ

Bollinger_Bands_by_bdforexpro.thumb.png.

লক্ষ্য করুন , বলিঙ্গার বেন্ড মার্কেট প্রাইস এর সাথে সম্পর্কিত টানা তিনটি লাইন দ্বারা গঠিত একটি সেট যা মার্কেট ওভারবট/ overbought এবং ওভারসল্ড/ oversold লেভেল নির্ধারণের জনপ্রিয় একটি টূলস। এই ক্ষেত্রে মাঝখানের লাইনটি কে বলা হয় মিডল বলিঙ্গার (middle Bollinger) উপরের লাইনকে আপার(upper Bollinger) বলিঙ্গার এবং নিচের লাইনকে লাওয়ার (lower Bollinger)বলিঙ্গার বলা হয়ে থাকে। মিডল বলিঙ্গার ২০ পিরিয়ড মুভিং এভারেজে দুটি স্ট্যান্ডার্ড ডিভিয়েশনে আপার এবং লাওয়ার বলিঙ্গারকে কেন্দ্র করে ডিফল্টভাবে থাকে।

মুভিং এভারেজ / Moving Average

সহজভাবে, নির্দিষ্ট একটি সময়ের একটি কারেন্সির এভারেজ প্রাইস হল মুভিং এভারেজ। যেমন, ১০ দিনের কোন কারন্সির ক্লোজিং প্রাইস কে যদি ১০ দিয়ে ভাগ করেন তাহলে প্রতিদিনের একটি এভারেজ প্রাইস পেয়ে যাবেন এটাই হল সিম্পল মুভিং এভারেজ SMA. মুভিং এভারেজ প্রয়োজন হয় সঠিক এবং স্বচ্ছভাবে কোন একটি কারেন্সির সঠিক প্রাইস নির্ধারণ করে ঐ কারেন্সির ট্রেন্ড বুঝতে পারা।

স্ট্যান্ডার্ড ডিভিয়েশন/Standard deviation:

হল একটি পরিসংখ্যান পরিমাপের মাধ্যমে মার্কেট প্রাইস ভলাটিলিটির ভালো একটি প্রতিফলন তথা মার্কেট বিহেবিয়ার অথবা মার্কেট ইন্টারেস্ট বের করার একটি পদ্ধতি।

বলিঙ্গার বেন্ডের ধারাবাহিক এই আলোচনায় বলিঙ্গার বেন্ড দিয়ে কমন এবং সহজ স্ট্রেটিজি থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে এডভান্স বলিঙ্গার স্ট্রেজির দিকে এগুবো। তাই বিডিফরেক্সপোর সঙ্ঘেই থাকুন এবং হয়ে উঠুন একজন ফরেক্স বলিঙ্গার এক্সপার্ট।

নিয়মিত আলোচনার মধ্যে কোন কিছু না বুঝলে মন্তব্যের মাধ্যমে জানান,  চেষ্টা করবো পরিষ্কারভাবে বুঝিতে দিতে। খুব সিগ্রই পরবর্তী পর্ব নিয়ে হাজির হব।

ধন্যবাদ;

Abu Monsur and Sapno Bari like this

Share this post


Link to post
Share on other sites

Bolinger Band Default the value or customize which one Good working...???

Share this post


Link to post
Share on other sites

Bolinger Band Default the value or customize which one Good working...???

​বিষয়টি নির্ভর করবে আপনার স্ট্রেটিজির উপর। ডিফল্টভাবে যে ভেলু থাকে তা যদি আপানার স্ট্রেটিজির সাথে ম্যাচ করে তাহলে চেঞ্জ করার দরকার নাই, আর আপনার স্ট্রেটিজি যদি কাস্টম ভেলুর দরকার হয় তাহলে চেঞ্জ করে স্ট্রেটিজি সেট করতে পারেন।

রিয়াদ likes this

Share this post


Link to post
Share on other sites

টপিকটিতে মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন অথবা নতুন একাউন্ট করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই মেম্বার হতে হবে

একাউন্ট করুন

খুব সহজে একাউন্ট করুন


নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

সাইন ইন

ইতিমধ্যে একাউন্ট করেছেন ? সাইন ইন করুন


এখনি সাইন ইন করুন

  • Similar Content

    • By nk557
                                                                                                                                                                                                                                                                         May 19, 2017 03:21 PM
      প্রিয় ট্রেডারগন,
      কেবলমাত্র 2 টি ধরণের মানুষ আছে: যারা মৌলিক বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলির সাথে ট্রেড করেন তাদের পছন্দ করে।প্রতিটি পদ্ধতির নিজস্ব যোগ্যতা রয়েছে কিন্তু আজ আমরা আপনাকে বাইনারি অপশনে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রযুক্তিগত সূচকগুলির একটি বলতে চাই।
      বাজার মূল্য কীভাবে চলে যায় তা বোঝা খুব কঠিন হতে পারে, তবে এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা এই প্রক্রিয়ার জন্য আপনার কাছে সহজতর হতে পারে।সুতরাং, মুভিং এভারেজ নামক একমাত্র ইন্ডিকেটরের সাহায্যে আপনি বুঝতে পারেন যে পরবর্তীতে ট্রেন্ড কোথায় যাবে।এটা বেশ ভালো, তাই না?
      এই সূচকের প্রধান লক্ষ্য ট্রেডারকে বর্তমান বাজার ট্র্যাক এবং  জয়ী হতে সাহায্য করা।চার্টে সরাসরি প্রদর্শিত নির্দেশক চেক করা হলে,নির্দেশনার দিকটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং আপনি আপনার পরবর্তী ট্রেডগুলিতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।আপনার সেরা ট্রেডিং স্ট্রেটিজির সাথে মিশে,এটা আপনাকে অনেক ভাল ফলাফল এনে দিতে পারে।
      আপনার পছন্দগুলির উপর নির্ভরকরে,  2ধরনের মুভিং এভারেজ সফলভাবে আপনার স্ট্রেটেজিতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।প্রথম এবং সবচেয়ে সহজতম হল সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA), যা মূলত নির্বাচিত সংখ্যা দিনের জন্য ক্লোজিং প্রাইজ কভার করে এবং এটি উঁচুতে ওঠা এবং গোলমালকে গড়ে ফিল্টার করে।যদিও এসএমএ সেরা এবং সহজ সূচকগুলির মধ্যে একটি, তবে অনেক ট্রাডারই তার উন্নত সংস্করণে এক্সপোনেনশিয়াল মুভিং এভারেজ (বা EMA) এর সাথে ট্রেড করতে পছন্দ করেন।প্রধান পার্থক্য এবং ইএমএএর কিছুটা উন্নতি হল যে এটি সাম্প্রতিক দামে বেশি ওজন করে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন তথ্যকে আরও প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে, এর ফলে এটি খুব নমনীয়।
      উভয় সূচক খুব সহজেই কাস্টমাইজড এবং কম্বাইন্ড করা যেতে পারে অন্যগুলোর সাথে যা আপনি পুরো ছপবিতে দেখতে চান তার উপর নির্ভর করে।আইরেক্সের ট্রেডারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সমন্বয় হচ্ছে EMA3 এবং EMA9 একত্রিত করা।
      আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের সর্বশেষ সংস্করণে মুভিং এভারেজস এবং বোলিঞ্জার ব্যান্ড ব্যবহার করে আপনার ট্রেডিং দক্ষতা পুরোপুরি নতুন স্তরে নিয়ে যান!
       

       
      শুভেচ্ছান্তে,
      আয়রেক্স টিম
       
       
          
    • By A H Royal
      মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত (শেষ অংশ)।
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত এর প্রথম অংশে এর উপর মোটামুটি আইডিয়া পেয়ে গেলেন, আজকে মভিং এভারেজ ট্রেড বিস্তারিত এর শেষ অংশে কিভাবে মভিং এভারেজ দিয়ে ট্রেড করবেন এবং এর অসুবিধা ইত্যাদি সম্পর্কে বলবো। তাহলে আসুন আর দেরী না করে আজকের পর্বে আশা যাক।
       
      ট্রেডিং স্ট্রেটেজি – ক্রসওভারঃ
      মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজিগুলোর মধ্যে ক্রসওভার হলো প্রধান/অন্যতম স্ট্রেটেজি। এটার প্রথম ধরন হলো প্রাইচ ক্রসওভার বা মুল্য সমন্বয়। এটা প্রথম অংশেও একটু করে বলা হয়েছে যে, মার্কেট মুল্য/মার্কেট যখন মভিং এভারেজ এর উপরে বা নিচে দেখা যায় তখন এর মানে হলো মার্কেট ট্রেন্ড পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া।
       
      প্রাইচ ক্রসওভার বা মুল্য সমন্বয় চিত্রঃ
       

       
      চার্টে মভিং এভারেজ দিয়ে আরেকটি স্ট্রেটেজিও অনুসরণ করা যায়, সেটা হলো – একটা লং ও একটা শর্ট মভিং এভারেজ ব্যবহার। যেমন- লং MA ১০০ পিরিয়ড হলে শর্ট ২৫/৩০ MA।  যখন শর্ট MA লং MA কে ক্রস করে উপরে যাবে তখন বাই সিগন্যাল এবং মার্কেট বাই ট্রেন্ড এ আছে, এটিকে আবার “গোল্ডেন ক্রস” বলা হয়ে থাকে। আর যখন শর্ট MA লং MA কে ক্রস করে নিচের দিকে যাবে তখন সেল সিগন্যাল এবং মার্কেট ট্রেন্ড সেল। এটি  “মৃত / মৃত্যুর ক্রস” নামে পরিচিত।
       
      গোল্ডেন ক্রস ও “মৃত / মৃত্যুর ক্রস” চিত্রঃ 
       

       
      মভিং এভারেজ এর অসুবিধাঃ
      এতক্ষণ আমারা মভিং এভারেজ এর অনেক গুনাগুন ও সুফলের কথা শুনেছি, এর যেমন সুফল আছে তেমন কিছুটা অসুবিধা বা কুফল ও আছে। মভিং এভাজের হিস্টোরিক্যাল ডাটার উপর ভিত্তি করে তার হিসাব করে থাকে, হিসেব করে বা প্রাকৃতিকভাবে কোনো ভবিষ্যৎবাণী দেয় না। অতএব, মভিং এভারেজ ব্যবহারের ফলাফল র‍্যন্ডম হতে পারে – সময়ে সময়ে মভিং এভারেজ খুব ভাল সাপোর্ট রেসিস্টেন্স ও ট্রেড সিগন্যাল দেয় আবার অনেক সময় এগুলোর কোনোটিকেই যথাযথ সম্মান করে না।
      ট্রেড এ একটা বড় সমস্যা হলো যদি মার্কেট মুল্য/প্রাইচ এ্যকশান অস্থির আচরন করে এবং মার্কেট মুল্য সুইং করে তাহলে মার্কেট রিভার্স ট্রেড সিগন্যাল দেয়।
       
      তার মানে মভিং এভারেজ এর দুটি লিখাতে যা শিখলেন তা বেকার! ভয় পাবেন না, সমস্যা ও সমাধান পাশাপাশি বসবাস করে, শুধু সমাধানটা নিজেকে বের করে নিতে হয়। এ ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য মভিং এভারেজ এর সাথে আপনি আপনার পছন্দসই আরেকটি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করুন।
      মভিং এভারেজ শক্তিশালী ট্রেন্ড এ ভালো ফলাফল দেয়। কিন্তু অনেক সময়ই দুর্বল, অস্থির ও ছোট অবস্থায় থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ টাইমফ্রেম মিলিয়ে নিলে মভিং এভারেজ সাময়িকভাবে সাহায্য করতে পারে।
       
      মভিং এভারেজ ইতিকথাঃ
      একটি মবিং এভারেজ গড় মুল্যের মাধ্যমে সহজভাবে একটি বহমান লাইন দ্বারা মার্কেটের বর্তমান অবস্থার রূপ দেখায়। এই সহজ প্রবণতা পৃথকরূপেও সনাক্ত করা যায়। ব্যাখ্যামূলক মভিং এভারেজ প্রাইচ পরিবর্তনের সময় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তারপর নরমাল হয়ে যায়। ২০দিনের মভিং এভারেজ এ আপনি যদি স্ট্রং বাই ট্রেন্ড দেখেন, ১০০বা২০০ দিনের মভিং এভারেজ এ তা না দেখারই কথা। আবার অনেক সময় মার্কেটের দ্রুত পরিবর্তনে মভিং এভারেজ আপনাকে মিথ্যা ব্রেকআউট দেখাতে পারে এ জন্য আপনি অন্য ইন্ডিকেটর বা মভিং এভারেজের পিরিয়ড বাড়িয়ে মার্কেটের প্রকৃত ট্রেন্ড দেখে নিন, যাতে ট্রেড এ ভুল সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজির মধ্যে ক্রসওভার স্ট্রেটেজিটি বাই/সেল ও ট্রেড ক্লোজ এর জন্য অধিক জনপ্রিয় এবং মভিং এভারেজ সম্ভাব্য সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সগুলোও হাইলাইট করে তুলে ধরে, যারফলে ট্রেড এ সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সুবিধা হয়।   
       
      ধন্যবাদ সবাইকে।
    • By A H Royal
       
      বন্ধুরা, মভিং এভারেজ (MA) সম্পর্কে আশা করি সবাই জানেন, এবং অনেকে ব্যবহারও করে থাকেন। যারা ব্যবহার করে থাকেন তারা এটা ব্যবহারের নিয়ম আর সুফল আশা করি অবশ্যই জানেন। আর যারা মভিং এভারেজ সম্পর্কে তেমন একটা ভালো জানেন না বা ভুলে গেছেন আজকের এই লিখা তাদের জন্য।
       
      মভিং এভারেজ হল একটি সহজ প্রযুক্তিগত বিশ্লেষন ইন্ডিকেটর, যা মসৃণভাবে প্রতি মুহূর্তের  দামের তথ্য দ্বারা একটি ক্রমাগত গড়মুল্যের আপডেট তৈরি করে থাকে। এটি ট্রেডারের পছন্দমত যে কোনো টাইমফ্রেমে (যেমনঃ ৩০মিনিট, ১০দিন, ৩০সপ্তাহ) ব্যবহার করা যায়। ট্রেডিং এ মভিং এভারেজ ব্যবহারের সুফল অবশ্যই আছে, তবে সেটা নির্ভর করবে আপনার মূলধনের পরিমানের সাথে ব্যবহৃত টাইম ফ্রেম সামঞ্জস্যতার উপর বা আপনি কি ধরনের মভিং এভারেজ ব্যবহার করছেন। মভিং এভারেজ স্ট্রেটেজি সব সময়ই জনপ্রিয় এবং এটা যে কোনো টাইমফ্রেমে সেট করা যায়, সেজন্যই মভিং এভারেজ দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারী এবং স্বল্পমেয়াদী ব্যবসায়ীদের উভয়ের সাথেই মানায়। লং টাইম ট্রেডাররা ৫০দিন থেকে ২০০দিন বা তার বেশী আর শর্ট টাইম ট্রেডাররা ৪ঘন্টা থেকে ১সপ্তাহ টাইমফ্রেম পছন্দ করেন।
       
      কেন মভিং এভারেজ ব্যবহার করবেন :
      মভিং এভারেজ প্রাইস চার্টের “গোলমাল” মুল্য চিত্র বাদ দিয়ে চার্ট দেখাতে সাহায্য করতে পারে। এক্ষণই মভিং এভারেজ এর ডিরেকশনের দিকে তাকিয়ে দেখুন তাহলেই বেসিক আইডিয়াটি পেয়ে যাবেন যে মার্কেট মুল্য কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। কি দেখলেন! প্রাইচ ও উপরের দিকে আর মভিং এভারেজ ও উপরের দিকে বা এর আগে উপরের দিকে ছিল। মভিং এভারেজ যদি নিচের দিকে দেখায় তাহলে মার্কেট প্রাইসও নিচের দিকে নামবে আর মভিং এভারেজ যদি সাইডওয়েতে থাকে/চলে তাহলে মার্কেট মুল্য এখন একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আছে।
      মভিং এভারেজ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স এর কাজও করে থাকে তবে সেটা লং টাইমের ট্রেডাররা বেশী বুঝবেন, যেমন একটি ঊর্ধ্বমুখী চিত্রে ৫০, ১০০, ২০০দিন এর চার্টে নিচের যে সাপোর্ট দামগুলো দেখা যায় এটা মভিং এভারেজ এর সাপোর্টের চিত্র। তেমনি নিম্নমুখী মার্কেট এ দেখা যাবে রেসিস্টেন্স চিত্র।
       

       
      মার্কেট মুল্য মবিং এভারেজকে উক্ত চিত্রের ন্যায় সবসময় সম্মান করে না অর্থাৎ মার্কেট মুল্য মাঝে মাঝে সাইডওয়ে বা রিভার্স করে থাকে।
      মভিং এভারেজ এর সাধারন গাইডলাইন মতে, মার্কেট মুল্য যদি মভিং এভারেজ এর উপরে থাকে তাহলে বর্তমানে মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী আর মার্কেট মুল্য যদি মভিং এভারেজ কে ক্রস করে বা নিচের দিকে থাকে তাহলে বর্তমানে মার্কেট নিম্নমুখী। মভিং এভারেজ  বিভিন্ন টাইম ফ্রেমে বিভিন্ন রকম দেখায়, যেমন ৪ঘন্টার চার্টে আপনি মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী দেখলে ৫০দিনের চার্টে নিম্নমুখী দেখতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যত সময়ের চার্ট তার কাছে দেখতে চাইবেন সে ঐই সময়ের চার্টের মুবমেন্টই আপনাকে দেখাবে।
       
      মভিং এভারেজ এর ধরণ :
      একটি মভিং এভারেজ বিভিন্ন উপায়ে হিসেব করতে পারে। ৫দিনের একটি (SMA) Simple Moving Average  পাঁচটি সাম্প্রতিক দৈনিক ক্লোজিং দামকে পাঁচ দ্বারা ভাগ করে প্রতিদিনের নতুন এভারেজ মুল্য বের করে থাকে। একবচন বহমান দ্বারা তৈরিতে প্রতিটি গড় পরের দামের সাথে আবার সংযুক্ত করা হয়।
       

       
      মভিং এভারেজ এর আরেকটি জনপ্রিয় ইন্ডিকেটর হলঃ Exponential Moving Average(EMA)। এটির হিসাব আরেকটু জটিল কিন্তু এটাও মুলত সাম্প্রতিক মুল্য দ্বারাই প্রভাবিত হয়। ধরুন- আপনি একটি চার্টে ৫০দিনের SMA ও EMA আনলেন, তখন দেখবেন যে SMA থেকে EMA অনেক দ্রুত আপনাকে রিপ্লাই দেবে বা রিয়েক্ট করবে।
       
      মুভিং এভারেজ লেন্থ :  
      মভিং এভারেজ এর ক্ষেত্রে কমন কিছু লেন্থ হলো ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ২০০। এই লেন্থগুলো যেকোনো চার্টের টাইম ফ্রেমে প্রযোজ্য। তবে এ সব নির্ভর করে ট্রেডারের ট্রেড দিগন্তের উপর। আপনি যে টাইম ফ্রেম বা লেন্থ সিলেক্ট করেছেন, এটাকে এক কথায় পিছনে ফিরে দেখা বলা যেতে পারে এবং এটার চিত্রের ফলাফল দেখেই আপনি আপনার কার্যকারী ট্রেড সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।
      একটি মভিং এভারেজ এ কম সময়ের টাইমফ্রেমে দামের উঠা-নামা হলে খুব তাড়াতাড়ি রিয়েক্ট করে যা আপনি সাথে সাথে অধিক সময়ের টাইমফ্রেম ব্যবহার করলেই বুঝবেন। ২০দিনের মভিং এভারেজ থেকে ১০০দিনের মুভিং এভারেজ অনেক ভালো।
       

       
      শর্ট টাইম ট্রেডারদের জন্য ২০দিনের মভিং এভারেজ বেনিফিট দিবে। তবে যারা লং টাইম ট্রেড করে থাকেন তারা ৫০-২০০ দিনের টাইমফ্রেম ব্যবহার করে থাকে। যখন মার্কেটের গড় মুল্য মভিং এভারেজ এর উপরে থাকে তখন ট্রেন্ড আপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় আর যখন মার্কেটের গড় মুল্য মভিং এভারেজ এর নিচে দেখা যায় তখন ট্রেন্ড নিচের দিকে বলে বিবেচিত হয়। একটি ২০দিনের মভিং এভারেজ ১০০দিনের মভিং এভারেজ থেকে বেশী পরিমানে সিভারসেল দেখায়। একটি মভিং এভারেজ ১৫, ২৮, ৮৯ ইত্যাদি দৈর্ঘ্যের হতে পারে। আপনি আপনার মত করে অর্থাৎ আপনার ট্রেডের চাহিদার উপর নির্ভর করে মভিং এভারেজ এর লেন্থ সেটিং করুন যাতে এটি ভবিষ্যতে আপনাকে সঠিক ট্রেড সিগনাল দিতে সাহায্য করে।                                                            
       
      ধন্যবাদ।
    • By Mhafiz™
      ১ # ট্রেন্ড পর্যবেক্ষণ ইন্ডিকেটরঃ
      ফরেক্স ট্রেড ওপেন করার পূর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনি সঠিক ট্রেন্ডে আছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া। অনেকে আমরা ট্রেড ওপেন করার পরে অনুভব করি যে আমার ট্রেডটি মনে হয় পজেটিভ ট্রেন্ডে নাই কিন্তু ততক্ষনে আর কিছু করার থাকে না। এই ক্ষেত্রে আপনি সিম্পল মুভিং এভারেজ এর ক্রসওভার দিয়ে প্রাথমিক ভাবে ট্রেন্ডটি নিশ্চিত হতে পারেন। আপনার ট্রেডের সময়সীমা অনুসারে আপনি নির্দিষ্ট SMA তে দেখে নিন যে বর্তমান ট্রেন্ডটি এখন কোথায় আছে সেই অনুসারে অর্ডার করুন।



      ক্রসওভারে ট্রেন্ড কনফার্ম এর উপায় হল Short SMA যদি Long SMA কে নিচ দিয়ে ক্রস করে তাহলে ডাউনট্রেন্ড এবং Short SMA যদি Long SMA কে উপর দিয়ে ক্রস করে তাহলে আপট্রেন্ড।

      ২# ট্রেন্ড কনফার্ম ইন্ডিকেটরঃ
      প্রাথমিকভাবে ট্রেন্ড দেখে নেওয়ার পরে কাজ হচ্ছে ট্রেন্ডটি সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া। SMA দিয়ে আপনি যে ট্রেন্ডটি চিন্তা করেছেন এখন সময় হল তা নিশ্চিত হওয়া। একটি কথা মনে রাখবেন ১০০% নিশ্চিত ট্রেন্ড আপনি কখনোই কোন ইন্ডিকেটরে পাবেন না, হ্যাঁ তবে আমরা যেসব স্ট্রেটিজি দেখবো সেগুলোতে আপনার প্রাকটিস আপনাকে সঠিক ট্রেন্ডটি ধরতে অনেক সাহায্য করবে। ট্রেন্ড কনফার্ম এর জন্য শক্তিশালী একটু টুল হচ্ছে MACD. MACD এর ডাইভারজন্সে সেল ট্রেন্ড এবং কনভারজন্সে বায় ট্রেন্ড কে শক্তিশালি ধরে ট্রেন্ড নিশ্চিত হউন। (MACD বোঝার জন্য আমার পড়ে নিতে পারেন।)

      ৩# ওভারবট এবং ওভারসল্ড ইন্ডিকেটরঃ
      বায় কিংবা সেল যে ট্রেডে থাকেন না কেন যখন মার্কেট কিছুদুর ট্রেন্ডে থাকার পর একটু ব্যাকে যায় এবং তা পরবর্তীতে পুল করবে কিনা এই ধরণের সংশয় দেখা দেয় ট্রেডের মাঝখানে, সেই ক্ষেত্রে দরকার হয় অতিরিক্ত বায় বা অতিরিক্তও সেল ইনডিকেটর এর মাধ্যমে বর্তমান ট্রেন্ডটির প্রতি অবিচল থাকা। তেমনি একটি ইন্ডিকেটর হল Relative Strength Index (RSI). ট্রেন্ড অনুযায়ী ট্রেড চালিয়ে জাওয়ার জন্য এই ইনডিকেটরটির কিছু বাহাদুরি আছে।



      ছবিটি খেয়াল করুন আপনার ট্রেন্ড এখন কোন পজিশনে আছে, বুঝতে পারবেন।

      ৪# প্রফিট ইনডিকেটরঃ
      শেষ এই টুলটি আসলে নতুন কিছু নয় যা আপনার লাগবে প্রফিট নিয়ে মার্কেট থেকে বের হয়ে যেতে। এই ক্ষেত্রে আপনি RSI ও ব্যাবহার করতে পারেন। ৮০ লেভেল এর উপরে গিয়ে থাকলে আপনি তখনকার মত বায় থেকে বের হয়ে যেতে পারেন আবার ২০ লেভেল এর নিচে গেলে সেল থেকে বের হয়ে যেতে পারেন। অন্যভাবে বলিঞ্জার বেন্ড দিয়ে ও তা করতে পারেন, আপনার বায় ট্রেডে বলিঞ্জার সেল ব্রেকআউটে ট্রেড থেকে বের হতে পারেন আবার সেল ট্রেডে বলিঞ্জার বায় ব্রেকআউটে ট্রেড থেকে বের হতে পারেন।