Jump to content

Bdforexpro - ফরেক্স সংক্রান্ত আলোচনা,ফরেক্স শিক্ষা, ফরেক্স ট্রেডিং এবং এনালাইসিসের উন্মক্ত এবং অনন্য স্থান। এই ফোরামে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ ফ্রী। পোস্ট এর পূর্বে অনুগ্রহ করে ফোরাম নিতিমালা গুলো পড়ে, বুঝে পোস্ট করুন। ধন্যবাদ;

EURUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ২৮ থেকে আগস্ট ০১ পর্যন্ত।


Recommended Posts

EURUSD মার্কেট আউটলুক জুলাই ২৮ থেকে আগস্ট ০১ পর্যন্ত

 

বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট গত সপ্তাহে ১.৩৪২৭ মুল্যে ক্লোজ করে এবং দৈনিক চার্টে এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটি গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে তার দৈনিক চার্টের ১.৩৫০২ সাপোর্ট ক্রস করেছে এবং বর্তমানে বেশীরভাগ ইন্ডিকেটর ও পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ড সেল দেখাচ্ছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ভিউ থেকে বলা যায় পেয়ারটি এ সপ্তাহে আরো সেলে যাবে। এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সাপোর্ট ধরা যায় ১.৩৩২৫ ও ১.৩২৯৫ এবং রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.৩৪৯৪ ও ১.৩৫৮৬।         

 

যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে বাই এ মোড় নেওয়ার জন্য ১.৩৫০২ রেসিস্টেন্স এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.৩৩৯৯ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করতে হবে, যদিও দৈনিক চার্টে পেয়ারটির ট্রেন্ড বর্তমানে ১.৩৫২৭ মুল্যে সেল এর দিকে তবে সেটা অতটা স্ট্রং নয়। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটির ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতির ভাগ্য নির্ভর করবে EUR এর German Prelim CPI m/m, CPI Flash Estimate y/y এবং USD এর যাবতীয় নিউজগুলোর উপর আর যদি উক্ত পেয়ারটির USD কারেন্সির বেশীরভাগ নিউজ পজিটিভ হয় তাহলে এ সপ্তাহেও পেয়ারটি নিশ্চিত সেল এ-ই থাকবে। তবে সেটা অধিকাংশ নির্ভর করবে USD এর FOMC Statement নিউজটির উপর।  

 

আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম।

 

দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ

 

post-1088-0-11406900-1406483893_thumb.pn

 

সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ

 

post-1088-0-61581500-1406483907_thumb.pn

 

 

পিভট পয়েন্টঃ ১.৩৪৩২

রেসিসটেন্স সমুহঃ .৩৪৫০, .৩৪৯৪, ১.৩৫৪৮, .৩৫৮৬, ১.৩৬৫০  স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.৩৭৩৮

সাপোর্ট সমুহঃ .৩৩৯৯, .৩৩৫৮, .৩৩২৫, .৩২৯৫, .৩২৫৫ স্ট্রং সাপোর্ট .৩২৩০

 

এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ

 

২৮ই জুলাই সোমবার – মার্কেট ওপেনের এই দিনে USD এর একটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ ছাড়া তেমন কোনো নিউজ নেই। সুতারাং এ দিন উক্ত পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা আছে। তবে এ দিন সন্ধ্যার আগে বিশেষ করে USD এর নিউজটি পাবলিশ হওয়ার আগে উক্ত পেয়ারে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।  

 

রাত ৮.০০মিনিট           USD   Pending Home Sales m/m

 

২৯ই জুলাই মঙ্গলবার –  মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও শুধুমাত্র USD কারেন্সির একমাত্র নিউজটিই উক্ত পেয়ারের মার্কেট মুবমেন্টের একমাত্র ভরসা।

 

রাত ৮.০০মিনিট            USD   Existing CB Consumer Confidence  

 

৩০ই জুলাই বুধবারএ দিন হয়তো এ পেয়ারটির মার্কেট ভালো মুবমেন্ট করতে পারে। কারণ এ দিন USDEUR দুটি কারেন্সিতে হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। এতে EURUSD পেয়ারটি এ দিন ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা বেশী এবং এ দিন পেয়ারটির মার্কেটে ভালো স্ক্যাল্পিংও করা যেতে পারে।

 

দুপুর ১২.০০মিনিট         EUR   German Prelim CPI m/m

সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট           USD   ADP Non-Farm Employment Change

সন্ধ্যা ৬.১৫মিনিট           USD   Advance GDP q/q

 

৩১ই জুলাই বৃহস্পতিবার –  সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির দুটি কারেন্সিতেই হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আছে। তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল থাকার সম্ভাবনা খুব বেশী। বিশেষ করে USD এর FOMC Statement নিউজটি যদি মার্কেট বান্ধব হয় তাহলে পেয়ারটি ভালো মুবমেন্ট ঘটাতে পারে।

 

রাত ১২.০০মিনিট( AM) USD   FOMC Statement

দুপুর ৩.০০মিনিট           EUR   CPI Flash Estimate y/y

সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট           USD   Unemployment Claims

 

০১লা আগস্ট শুক্রবার মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে USD এর নিউজগুলো EURUSD পেয়ারটিকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে, যেহেতু এ দিন EUR এর কোনো নিউজ নেই তাই USD কারেন্সির নিউজগুলো পজেটিভ হলে এ দিন পেয়ারটি সেল এ থাকাটা স্বাভাবিক।

 

সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট           USD   Non-Farm Employment Change

সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিট           USD   Unemployment Rate

রাত ৮.০০মিনিট            USD   ISM Manufacturing PMI

 

যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে EUR এর থেকে USD কারেন্সির নিউজের পরিমান বেশী এবং পেয়ারটির মার্কেট ট্রেন্ডও বর্তমানে সেল এ, তাহলে আমরা ন্যাচারেলি ধরে নিতে পারি যে উক্ত পেয়ারটির মার্কেট এ সপ্তাহে সেল এ থাকার সম্ভাবনা আছে, তবে সে জন্য USD কারেন্সির নিউজগুলো অবশ্যই পজিটিভ হতে হবে। যাইহোক এ সপ্তাহে পেয়ারটির ভাগ্য বেশীরভাগ নির্ভর করবে USD কারেন্সির নিউজগুলোর উপর।

 

এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ (১)মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.৩৪২০ আসলে সেল ট্রেড করুন স্টপ লস ১.৩৪৫২ আর টেক প্রফিট দিন ৫০-৮০ পিপ্স। (২) পেয়ারটির মার্কেট মূল্য  ১.৩৪৭০-১.৩৪৯৫ র মধ্যে সেল ট্রেড করুন এবং স্টপ লস ১.৩৫৩০ টেক প্রফিট ৮০-১৩০পিপ্স দিন।  (৩) ১.৩৩৪০-১.৩৩৭০ এর মধ্যে বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দিন, এ ক্ষেত্রে স্টপ লস ১.৩৩২০ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১২০ পিপ্স।      

যদি আপনার একটি ট্রেড মার্কেটে থাকে তাহলে ওই ট্রেডটি ক্লোজ না করে আরেকটি ট্রেড ওপেন করবেন না যদি করে থাকেন তাহলে ট্রেড ভলিউম কমিয়ে/মানি ম্যানেজমেন্ট করে করুন।  আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে ট্রেন্ড ও নিউজ বান্ধব স্ক্যাল্পিং করুন, না হয় আপনি লসের সম্মুখীন হতে পারেন এবং এ সপ্তাহের ৩১ই জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ১২.০০মিনিট( AM) USD এর FOMC Statement নিউটির উপর অবশ্যই নজর রাখবেন। আরেকটি কথা সবাই মনে রাখবেন, এ সপ্তাহে যেহেতু পবিত্র ঈদ-উল ফিতর তাই সবাই সাবধানে ট্রেড করবেন।

 

ধন্যবাদ

 

বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না

 

Link to comment
Share on other sites

প্রথম ট্রেড এর প্রথম টেক প্রফিট ৫০পিপ্স সফল। ধন্যবাদ।

Link to comment
Share on other sites

টপিকটিতে মন্তব্য করতে সাইন ইন করুন অথবা নতুন একাউন্ট করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই মেম্বার হতে হবে

একাউন্ট করুন

খুব সহজে একাউন্ট করুন

নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

সাইন ইন

ইতিমধ্যে একাউন্ট করেছেন ? সাইন ইন করুন

এখনি সাইন ইন করুন
 Share

  • Similar Content

    • By A H Royal
      বন্ধুরা, স্ক্যাল্পিং সম্পর্কে সবাই কম বেশী জানেন, তারপর ও আর একটু ধারনা দিই- স্বল্প সময়ে একাধিক বার স্বল্প পিপস প্রফিট/লস এ ট্রেড করার মানেই হল স্ক্যাল্পিং। স্ক্যাল্পিং ট্রেড এ প্রফিট/লস খুব কম হলেও এটা সারা বিশ্ব জুড়েই জনপ্রিয় এবং এজন্যই বিশ্বের অনেক ট্রেডারই স্ক্যাল্পিং করতে ভালোবাসেন। তবে অনেক নতুন ট্রেডার অভিজ্ঞতার অভাবে স্ক্যাল্পিং করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়। তাই আজকে আপনাদের সাথে স্ক্যাল্পিং ট্রেড নিয়ে কিছু আলোচনা শেয়ার করবো।
       
      স্ক্যাল্পিং এর সুবিধাসমূহঃ
      স্বল্প টাইম ফ্রেম এ প্রত্যেক ক্যান্ডেল পর পর ট্রেড ওপেন করে প্রফিট নেয়া যায়।   স্বল্প সময়ে লাভ/লস নির্ধারণ হয় বলে লাভ/লস এর জন্য অধিক সময় বা দিন অপেক্ষা করতে হয়না। মার্কেট এ বিশাল মুবমেন্ট না থাকলেও একাধিক বার স্ক্যাল্পিং করে দৈনিক মোটামুটি ভালো পিপস লাভ করা যায়। একাধিক বার ট্রেড করে লাভ শূন্যতে (ব্রোকার স্প্রেড দিয়ে) আসলে ট্রেড ক্লোজ করে নিজের এ্যাপিলিয়েট এ ভাল কমিশন নেয়া যায়। নরমাল ট্রেডিং স্টাইল এ যা সম্ভব নয়। উদাহরণস্বরূপ-আপনি আপনার ১০০০$ এর একাউন্ট এ নরমালি দৈনিক ১-৩ভলিউম ট্রেড ওপেন এবং ক্লোজ করেন আর যদি স্ক্যাল্পিং করেন তাহলে ১০-২০ভলিউম করতে পারবেন কারণ আপনি যখন স্ক্যাল্পিং করবেন তখন আপনি ৩-৫পিপস এর বেশী লাভের চিন্তা করবেন না। স্ক্যাল্পিং করলে আপনাকে সারাদিন ট্রেড এ সময় দিতে হবে না। এ রকম আরো সুবিধা আছে যা এখন হয়তো আমার নলেজ এ আসছে না।
       
      স্ক্যাল্পিং এর অসুবিধাঃ
      আমার দেখামতে, স্ক্যাল্পিং এর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল-স্টফ লস ছাড়া যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা হুট করে বিশাল লস এর সম্মুখীন হন। দু-একটি ট্রেড এ প্রফিট নেয়ার পর ট্রেড এর প্রতি ওভার-কনফিডেন্স চলে আসা। যা একাধিক ট্রেডার এর ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। যার ফলাফল পরবর্তীতে খারাপ হয়। নিজের এ্যাপিলিয়েট এ কমিশন নেয়ার জন্য একসাথে অনেক বড় ভলিউম এ ট্রেড ওপেন করে নিজের একাউন্টকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাওয়া। উপরের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো পড়ে এতক্ষণে অবশ্যই বুঝতে আপনার কষ্ট হয়নি যে, স্ক্যাল্পিং এ অসুবিধাগুলো আমরা নিজেরাই তৈরি করি যা আমাদের করা উচিৎ নয়। তাহলে বুঝতেই পারছেন যে স্ক্যাল্পিং এ সুবিধাই বেশী।
       
      যেহেতু স্ক্যাল্পিং এ সুবিধা বেশী সেহেতু আপনারা কিভাবে স্ক্যাল্পিং করবেন আমার এ ছোট্ট অভিজ্ঞতা থেকে তাই বলিঃ
      ১৫/৩০ মিনিট টাইম ফ্রেম বাঁচাই করুন। বা আরো স্বল্প ও নির্দিষ্ট একটি টাইম ফ্রেম বাছাই করুন যে টাইম ফ্রেম এ আপনি সহজেই এনালাইসিস করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।   ব্রোকার স্প্রেড কম এমন যেকোনো একটি (মেজর) পেয়ার বাঁচাই করুন। পেয়ারটিতে যেন সারাদিনে গড়ে অন্তত ৩০পিপস মুভমেন্ট থাকে। যেমনঃ EURUSD, GBPUSD. চার্ট পরিস্কার রাখুন, যেন সব কিছু পরিস্কার দেখতে পান। তবে এজন্য আপনি ফ্রেক্টাল, প্যারাবলিক এ ধরনের ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে পারেন। তবে সব সময় আগে নিজের এনালাইসিসকে গুরুত্ব দিন। আপনার বাছাইকৃত টাইম ফ্রেম এ একটি ক্যান্ডেল শেষ হলেই ট্রেড এর সিদ্ধান্ত নিন। ট্রেড ওপেন করার আগে লক্ষ রাখবেন যে বিগত ক্যান্ডেল্-টির আঁকার যেন নুন্যতম ৫পিপস হয়। টেক-প্রফিটঃ ৩-১০ পিপস টেক প্রফিট দিন। বা আপনি আপনার এনালাইসিস মতে দিন।  তবে আমার মতে, স্ক্যাল্পিং এর ক্ষেত্রে ৩-৫পিপস প্রফিট আসলে আরো প্রফিট এর অপেক্ষা না করাই ভালো। স্টফ লসঃ আপনি যে ক্যান্ডেল এ ট্রেড ওপেন করেছেন বাই এর ক্ষেত্রে তার আগের ক্যান্ডেল লো এর ৩পিপস নিচে ও সেল এর ক্ষেত্রে  আগের ক্যান্ডেল হাই এর ৩পিপস উপরে দিন। আর যদি কেউ স্টফ লস ছাড়া স্ক্যাল্পিং ট্রেড করে থাকেন তাহলে ট্রেন্ড লাইন কে বেশী গুরুত্ব দিয়ে ট্রেড ওপেন করবেন। নতুবা দুর্ভাগ্যবশতঃ একাউন্ট এর অকাল মৃত্যুই আপনার প্রাপ্য হতে পারে। যেকোনো নিউজ পাবলিশ আওয়ার এ স্ক্যাল্পিং ট্রেড থেকে বিরত থাকা ভালো। আর অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট করে স্ক্যাল্পিং ট্রেড করবেন তা না হলে  ৫টি ট্রেড করে যা আয় করবেন ১ট্রেডেই হয়তো তার বেশী লস দিবেন। স্ক্যাল্পিং ট্রেড এর একটি চিত্র দেওয়া হলঃ
       

       
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, স্ক্যাল্পিং সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি চেষ্টা করেছি আপনাদের সাথে ভালোভাবে ততটুকু শেয়ার করার, তবে হয়তো ভালো করে গুচিয়ে বলতে পারিনি। ভুল হলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন শুধরাবার চেষ্টা করবো আর স্ক্যাল্পিং ট্রেড সম্পর্কে আপনার আইডিয়া গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। মনে রাখবেন আপনার ছোট্ট আইডিয়া থেকে হয়তো কারো অনেক বড় উপকার হতে পারে।
       
      ধন্যবাদ সবাইকে।
    • By A H Royal
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আজকে আপনাদের সাথে ফরেক্স ট্রেড এর যে পদ্ধতিটি নিয়ে আলোচনা করবো তা হয়তো আপনাদের অনেকেরই জানা। কিন্তু কখনো চেষ্টা করে দেখেননি বা মাথায় আসেনি, যাই হোক আমি শুধুই আমার জানা অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, তার মানে এই নয় যে আমি আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি, কারণ পৃথিবীতে এমন কোনো ট্রেড পদ্ধতি নেই যাতে শতভাগ লাভ করা সম্ভব তবে আপনি আমার ট্রেড পদ্ধতিগুলো লাইভ একাউন্ট এ করার আগে প্রয়োজনে নুন্যতম এক সপ্তাহ ডেমো একাউন্ট এ প্র্যাকটিস করুন এবং ফলাফল বিবরণী দেখে তারপর লাইভ একাউন্ট এ করুন। আমি পদ্ধটিতে ভালো ফলাফল পেয়েছি বলেই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

      দৈনিক ৯৫পিপস লাভের এই পেন্ডিং পদ্ধতিটি আপনি প্রত্যেক দিনই করতে পারেন, যখন মার্কেট ডে ক্যান্ডেল শুরু হয়। যা সত্যিই লাভজনক একটি পদ্ধতি। আর এ পদ্ধতিটি সারা জীবন-ই কার্যকর থাকবে।

      আসুন পদ্ধতিটি জেনে নেইঃ
      এই ট্রেডিং পদ্ধতিটি ট্রেড করার সহজ ও লাভজনক একটি পদ্ধতি, এর জন্য কোনো ট্রেডিং এনালাইসিস এর প্রয়োজন হয়না, আপনি শুধুমাত্র আপনার মেটা ট্রেডারটি খুলুন আর এস এল ও টি পি সহ অর্ডার দিয়ে মেটা ট্রেডার বন্ধ করে দিন। এই পদ্ধতিটি শুধুমাত্র প্রতিদিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার পর পরই করতে হয়। এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি অবলম্বন করবেন কেননা আপনি যে রকম লাভজনক পদ্ধতিতেই ট্রেড করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়ম মেনে ট্রেড করতে হবে। এ পদ্ধতিতে আপনি ৩০পিপস স্টপলস ব্যবহার করবেন এবং সপ্তাহের সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এ পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।

      যে ভাবে ট্রেড করবোঃ
      আমি আগেই বলেছি এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি অনেক সহজ – বিগত দিনের ডে ক্যান্ডল এর উপরের/হাই প্রাইজ এর ৫পিপস উপরে এবং ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ এর ৫পিপস নিচে এ পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে হয়। আসলেই এটি অনেক সহজ আর দৈনিক ব্রেকআউট একটি পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে সিক্রেট বলে কিছু নেই। শুধুমাত্র মানি ম্যানেজমেন্ট এর কথাটি মনে রাখবেন যেটা আমি আগেও বলেছি। এ পদ্ধতিতে আপনি দৈনিক ৫০পিপস উপরে বা নিচে গেলেই ৯৫পিপস নিতে পারবেন। চিন্তা করবেন না আমি পদ্ধতিটি দেখিয়ে দিচ্ছি।

      কখন এবং কিভাবে পেন্ডিং অর্ডারগুলো দিবেনঃ
      প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে যে কখন আপনার ব্রোকার এর দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়, কারণ বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল শেষ হবার পর পরই আপনাকে এই পেন্ডিং ট্রেড পদ্ধতিটি প্রয়োগ করতে হবে এবং প্রতিদিন একই সময়ে এই পদ্ধতিতে অবলম্বন করবেন।
      বিগত দিনের দৈনিক ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শেষ/ক্লোজ হয়ে নতুন দিনের ক্যান্ডেল (ডে ক্যান্ডল) শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ৬টি পেন্ডিং অর্ডার দিতে হবে। ৩টি বাইস্টপ এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং।

      ৩টি বাইস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ
      [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ দাম/হাই প্রাইজ+ ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। এবং ৩টি সেলস্টপ পেন্ডিং অর্ডার যেভাবে দিবেন তা নিম্নরূপঃ
      [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=১৫পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৩০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস। [*]এন্ট্রি= বিগত দিনের ডে ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন/লো প্রাইজ - ৫পিপস। টেক প্রফিট=৫০পিপস, স্টপলস=৩০পিপস।
      এভাবেই আপনি প্রতিদিন এই ছয়টি পেন্ডিং অর্ডার দিয়ে নিশিন্তে আপনার কাজ করতে পারেন। কারণ এই পদ্ধতিতে ট্রেড করলে মনিটরিং এর প্রয়োজন হয়না।


      এ পদ্ধতিতে ট্রেড করলে আপনার ট্রেড এর ফলাফল হবে নিম্নরুপঃ
      [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৫০পিপস মুব করে ৩টি-ই টেক প্রফিট এ ক্লোজ হয় তাহলে আপনার ৯৫পিপস লাভ হবে। [*]যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলো যে কোনো একদিকের ট্রেড নিয়ে ৩টির মধ্যে ২টি টি পি (১৫+৩০) হিট করে এবং একটি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফলঃ ৪৫পিপস প্রফিট - ৩০পিপস লস =১৫পিপস লাভ। [*]আর যদি আপনার পেন্ডিং অর্ডারগুলোর ১টি টি পি হিট করে আর বাকী ২টি স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার ফলাফল – ১ম টি পি ১৫পিপস আর ২টির স্টপলস ৬০পিপস= মোট ৪৫পিপস লস। [*]  [*]আর যদি ৩টি ট্রেড ই স্টপলস হিট করে তাহলে আপনার লস ৯০পিপস। এ পদ্ধতিতে মার্কেট যখন বিগত দিনের ক্যান্ডেল কে ছাড়িয়ে বাই/সেল এর দিকে মুব করে তখনই ফলাফল আসে।
      তবে এ পদ্ধিতিতে যখন আপনার যে কোনো এক দিকের ট্রেড ওপেন হবে তখন যদি লাভ/টি পি হিট করে তাহলে তো খুবই ভালো আর যদি স্টপলস এর দিকে যায় সে সময়ে আপনি ট্রেড এ উপস্থিত থাকলে স্টপলস হিট করার আগেই ট্রেড ক্লোজ করতে পারবেন। এতে করে আপনার লস অনেক কম হবে।

      এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার কিছু নিয়ম নিম্নরূপঃ
      [*]এ পদ্ধতিতে ট্রেড করার সময় আপনার ট্রেড এমাউন্ট এর ৩% এর বেশী ব্যবহার করবেন না। [*]প্রতিটি ট্রেডই সমান ভলিউম এ করবেন। তবে আপনি চাইলে ১ম ট্রেড এর ভলিউম বেশী করে টি পি কমিয়ে দিতে পারেন তবে এস এল প্রত্যেকটি ট্রেড এর ৩০পিপস ই রাখবেন। এভাবে ১ম ট্রেড থেকে ২য় ট্রেড এর ভলিউম আরেকটু কমিয়ে টি পি বাড়িয়ে অর্থাৎ ৩০পিপস দিবেন। আর ৩য় ট্রেড এ ভলিউম আরো কমিয়ে দিতে পারেন। আপনি চাইলে এ পদ্ধতিটাকে আপনার মতো সাজিয়ে ও করতে পারেন তবে স্টপলস ৩০পিপস এর কম দিবেন না।
      সবার জন্য শুভ কামনা রইলো। ধন্যবাদ।
       
       
       
    • By A H Royal
      প্রিয় ট্রেডার বন্ধুর, আপনারা লক্ষ করেছেন যে ফরেক্স মার্কেট এ বেশীর ভাগ দিনেই ৩০-৬০পিপিস এর বেশী মুভমেন্ট হয়না, এতে করে অনেক ট্রেডারই ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা। তাই আমি অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে আপনাদের সাথে (আমার পরীক্ষিত) এমন একটি ট্রেড স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনারা প্রতিদিনই ট্রেড করে সফল হতে পারবেন।
       
      আজকের ট্রেড স্ট্যাটিজির কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বোকা বলতে/ভাবতে পারেন। কারণ, আজকে আমি আপনাদের সাথে পাঁচ মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড করার একটা স্ট্যাটিজি শেয়ার করবো, যার দ্বারা আপনার হয়তো অনেক লাভ হবেনা কিন্তু  মার্কেট যখন মুভমেন্ট কম থাকবে তখনও আপনি ট্রেড করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
       
      এটা হলো একধরনের স্কেল্পিং ট্রেড স্ট্যাটিজি, মার্কেটের মুভমেন্ট যখন কম থাকে আমি নিজেও এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করি এবং ৭৫-৮০% সফলতা পেয়ে থাকি।  
       
      নিম্নে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলঃ
       

       
      আপনারা উপরে যে  চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন তা হলো ৫মিনিট এর একটি ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র।
       
      আসুন ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর নিয়মগুলো জেনে নেইঃ
       
      পাঁচ মিনিটের ক্যান্ডেলস্টিক চিত্র ব্যবহার করুন। এবং লক্ষ করুন যে পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) কিনা। আর হলে ক্যান্ডেলগুলো নুন্যতম ৫-৭পিপস এর কিনা।  তাহলেই আপনি ৫মিনিট এর টাইমফ্রেমে ট্রেড ওপেন করতে পারেন।
       
      কিভাবে ট্রেড ওপেন করবেনঃ
       
      যখন দেখবেন পর পর তিনটি ক্যান্ডেল এর গন্তব্য একদিকে (বাই/সেল) গিয়ে তৃতীয় ক্যান্ডেলটি শেষ হবে এবং চতুর্থ ক্যান্ডেলটি শুরু হয়ে ২-৪পিপস অফোসিট দিকে যাবে তখনই আপনি আপনার ট্রেডটি  (তিনটি ক্যান্ডেল যে দিকে ছিল সে দিকে) ওপেন করুন। এবং ১০পিপস টেক প্রফিট ও ১৫পিপস স্টপ লস ব্যবহার করুন। যদিও টেক প্রফিট এর চেয়ে স্টপ লস বেশী তাতে কি ৭৫-৮০% সময়ই তো আপনার  টেক প্রফিট এ ট্রেড ক্লোজ হচ্ছে।
       
      ৫মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেড এর সতর্কতাঃ
      মার্কেট ট্রেন্ড (১ঘন্টায়) যে দিকে বিশেষ করে সে দিকে ট্রেড করার চেষ্টা করবেন। নিউজ আওয়ার এ ধরনের ট্রেড করবেন না। মার্কেট ওপেনিং ও ক্লোজিং টাইম এ ধরনের ট্রেড করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে  কোন কোন পেয়ার এ ট্রেড করবেনঃ
      এক কথায় যে পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট ভালো সেগুলোতে যেমনঃ GBP/USD, GBP/JPY, EUR/USD, EUR/JPY, USD/CHF ও USD/CAD ।
      এই স্ট্যাটিজিতে ট্রেড করার জন্য কখনো স্লো মুভমেন্টের এবং মেজর ক্রস পেয়ার বাচাই করবেন না। এই স্ট্যাটিজিতে  ট্রেড করার আগে প্রয়োজনে ডেমোতে ট্রাই করুন, ডেমোতে ট্রাই করার পর আপনি যদি মনে করেন যে এ পদ্ধতিতে ভাল লাভ করা সম্ভব তখন আপনি মিনি ও মাইক্রো লাইভ একাউন্ট এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। ধন্যবাদ।
    • By A H Royal
      Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে প্রফিটেবল ট্রেডিং স্ট্রেটেজি।  
       
      ট্রেডপ্রিয় বন্ধুরা, আমি যখনই আমার মনের মত সফল কোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়ে থাকি তখনই চেষ্টা করি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। হ্যাঁ আজও ঠিক তাই – কিছুদিন আগে একজন ভাল ট্রেডারের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত একটি ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পেয়েছি, যার দ্বারা ওই ট্রেডার ৭০-৯০ভাগ সময়ই প্রফিট করে থাকেন আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম এটা শুনে যে ওই ট্রেডার নাকি প্রায় তিন বছর ধরে এই নরমাল স্ট্রেটেজি দিয়েই ট্রেড করে যাচ্ছেন এবং সফলভাবেই ট্রেড করছেন। তাই আমি তার স্ট্রেটেজিটা কিছুদিন আগে থেকে ডেমো-তে ট্রাই করা শুরু করি, দেখলাম যে তার কথা মিথ্যা নয়, তাই ভাবলাম স্ট্রেটেজিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি যদি আপনাদের উপকারে আসে।
       
      তাহলে আসুন জেনে নেই সহজ সেই স্ট্রেটেজিটিঃ    
      এই সহজ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার জন্য আপনাকে মুলত Winner নামের একটি কাস্টম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে আর এই ইন্ডিকেটরটি-ই হল এই স্ট্রেটেজির মূল কান্ডারি এবং তার সাথে Stochastic Oscillator ইন্ডিকেটরটিও রাখতে হবে, এজন্য Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০ ও ৮০ ব্যবহার করুন। এই Winner ইন্ডিকেটর দিয়ে যেকোনো টাইমফ্রেমে যেকোনো পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমার মতে মিনিমাম ১ঘন্টা টাইম ফ্রেম ব্যবহার করলে অনেক বেশী সফলতা পাওয়া যায় যা পরীক্ষিত।   
       
      Winner ও Stochastic Oscillator দ্বারা ট্রেড চিত্রঃ
       

       
      ট্রেডে এন্ট্রি দেওয়ার নিয়মঃ
      বাই এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর সবুজ লাইন লাল লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ২০এ বা তার নিচে থাকবে তখনই বাই ট্রেড করুন।
       
      সেল এন্ট্রি - যখন Winner ইন্ডিকেটর এর লাল লাইন সবুজ লাইন-কে ক্রস করে উপরে যাবে/থাকবে এবং Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০এ বা তার উপরে থাকবে তখন শুধুই সেল ট্রেড করুন।
       
      স্টপলস ও টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ আমি মনে করি যেকোনো ট্রেডিং স্ট্রেটেজির স্টপলস ও টেক প্রফিটের জন্য নিজের মস্তিস্ক/ট্রেডিংজ্ঞান ব্যবহার করাই শ্রেয়। তারপরও আপনি চাইলে এই স্ট্রেটেজির ক্ষেত্রে-  
       
      টেকপ্রফিট – এই স্ট্রেটেজিতে বাই ট্রেড এর টেক প্রফিটের ক্ষেত্রে মার্কেট কন্ডিশন Stochastic Oscillator এর লেভেল ৮০ বা তার উপরে/কাছাকছি আর সেল এর ক্ষেত্রে Stochastic Oscillator লেভেল ২০ বা তার নিচে/কাছাকাছি গেলে আপনার ট্রেড যাই প্রফিটে থাকুক ক্লোজ করে দিন।
      অন্যথায়ঃ ১৫/৩০মিনিটের টাইম ফ্রেমে ঃ ২০-৪০পিপ্স টেক প্রফিট দিন আর অন্যান্য টাইমফ্রেমের ক্ষেত্রে দৈনিক পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করুন।  
       
      স্টপলস - এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড এর স্টপলস এর ক্ষেত্রে আপনি যে টাইমফ্রেমে ট্রেডটি ওপেন করেছেন সে টাইম্ফ্রেমের বিগত হাই/লো রেট এর ৫পিপ্স উপরে/নিচে দিন। বা এ্যনালাইসিস করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে আপনি আপনার মত করে দিন।   
       
      সতর্কতা ঃ এ স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করার সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবলম্বন করুন-
      যখন Winner ও Stochastic Oscillator দুটি ইনডিকেটর-ই ট্রেড করার ডিরেকশন দিবে শুধুমাত্র তখনই ট্রেড করুন, যদি দুটির একটি ইন্ডিকেটর আপনাকে ট্রেড করার সঠিক সিদ্ধান্ত না দেয় তাহলে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন।  হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ নিউজ পাবলিশ হওয়ার আগে এই স্ট্রেটেজিতে ট্রেড করবেন না। মানি ম্যানেজমেন্ট করে ট্রেড করুন। আগে ডেমোতে ট্রাই করুন, যদি আপনি মনে করেন এ স্ট্রেটেজি দ্বারা আপনি সফল তাহলে লাইভ একাউন্টে প্রয়োগ করুন।     
      কি ভাবছেন? 
      Winner ইন্ডিকেটরটি কোথায় পাবেন? চিন্তার কিছু নেই নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোডগত কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন।
      winner.zip
       
      যদিও এই Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি দ্বারা সকল পেয়ারে ট্রেড করা যাবে, তবে আমি শুধু মেজর পেয়ারগুলোতে ট্রাই করেছি এবং মোটামুটি সফলতাও পেয়েছি। তাই আপনি আগে ডেমোতে আপনার প্রিয় ট্রেডিং পেয়ারে যাচাই করে দেখুন। আশা করি Winner ইন্ডিকেটর স্ট্রেটেজি আপনাকে নিরাস করবে না।
       
      ধন্যবাদ।
       
      winner.zip

    • By A H Royal
      EURUSD মার্কেট আউটলুক ০৬ই অক্টোবর থেকে ১০ই অক্টোবর পর্যন্ত।
       
      বন্ধুরা, পেয়ারটির মার্কেট বিগত তিন মাস ধরে একচেটিয়া সেলে ক্রমাগত ধাবিত হচ্ছে বিগত সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম হয়নি, বিগত সপ্তাহে পেয়ারটি ১৮০পিপ্স এর মত সেলে গিয়ে ১.২১১৫ মুল্যে মার্কেট ক্লোজ করে। বর্তমানে সবধরনের চার্টে পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে। যেহেতু পেয়ারটির মার্কেট এখনো সেল ইন্ডিকেট করছে তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসের দিকে ফলো করে ধারনা করা যে পেয়ারটি এ সপ্তাহেও সেলে-ই থাকবে তবে সেটা বেশীরভাগ নির্ভর করবে উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট এর উপর যেহেতু এ সপ্তাহে পেয়ারটির উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি নিউজ রয়েছে, তাই টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস দেখে বলা যায়, পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাই এ কিছুটা কারেকশন করে আবার সেল এর দিকেই ধাবিত হবে যদি পেয়ারটির নিউজগুলোর এ্যকচুয়্যাল রিপোর্ট USD কারেন্সির ফেবার এ থাকে। তবে আমার মতে এ সপ্তাহে নিউজ এর দিন  পেয়ারটি হুট করে যে কোনো দিকে বিশাল একটা মুবমেন্ট ঘটাতে পারে।      
      এ সপ্তাহের জন্য পেয়ারটির সর্বনিম্ন সাপোর্ট হিসেবে ধরা যায় যথাক্রমে ১.২৪৪৩ ও ১.২৩৩৬ এবং সরবোচ্চ রেসিস্টেন্স হিসেবে ১.২৬২৫ ও ১.২৭৪৫।         
      যাইহোক, মার্কেট এ পরিস্থিতি থেকে এ সপ্তাহে বাই গেলে ১.২৬৬০-১.২৭৪৫ পর্যন্ত এবং সেল এ যাওয়ার জন্য ১.২৪৯৬ সাপোর্ট মুল্য ক্রস করলে ১.২৪০০-১.২৩৪০ পর্যন্ত যেতে পারে। যদি উক্ত পেয়ারটির বিগত বছরগুলোর সাপোর্টমুল্য বিবেচনা করেন তাহলে পেয়ারটি সেলে যাওয়াটা টেকনিক্যালি স্বাভাবিক।
       
      আপনাদের যাতে এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে ট্রেড করতে সুবিধা হয় সেজন্য চিত্রের সাহায্যে পেয়ারটির সাপোর্ট, রেসিস্টেন্স, মার্কেট ট্রেন্ড ও ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করলাম।
       
      দৈনিক চার্টে মার্কেট ট্রেন্ডঃ
       

       
      সাপোর্ট রেসিসটেন্স ও ট্রেড আইডিয়া চিত্রঃ
       

       
      উপরোক্ত চিত্রেঃ সম্পূর্ণ চার্ট আয়ত্তে না আসায় সকল সাপোর্টসমূহ গ্রাফের সাহায্যে দেখানো সম্ভব হয়নি।
       
      পিভট পয়েন্টঃ ১.২৫৬৩।
       
      রেসিসটেন্স সমুহঃ  ১.২৫৬৬, ১.২৬২৪, ১.২৬৬০, ১.২৭০০, ১.২৭৪৫ ও  স্ট্রং রেসিসটেন্স ১.২৯১০।
       
      সাপোর্ট সমুহঃ ১.২৪৯৬, ১.২৪৪৩, ১.২৪০৭, ১.২৩৩৬, ১.২২৮৫ ও স্ট্রং সাপোর্ট ১.২২৪০।
       
      এ সপ্তাহে উক্ত পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্ট যে নিউজগুলো আছে তা নিম্নরুপঃ
       
      ০৬ই অক্টোবর সোমবার – মার্কেট ওপেনের প্রথম দিনে পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন।
       
       
      ০৭ই অক্টোবর মঙ্গলবার – মার্কেট ওপেনের দ্বিতীয় দিনেও পেয়ারটিতে হাই ইমপ্যাক্ট এর কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন।
       
       
      ০৮ই অক্টোবর বুধবার – সপ্তাহের এ দিনটিতেও পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন।
       
      ০৯ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার – সপ্তাহের এই দিনটিতে পেয়ারটির মেজর কারেন্সি USD তে দুটি ও EUR কারেন্সিতে ১টি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে এবং এ তিনটি নিউজই উক্ত পেয়ারটির এ সপ্তাহের নিউজ, এছাড়া এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে আর কোনো হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ নেই, তাই এ দিন পেয়ারটি ট্রেডেবল হয়ে উঠবে কারণ এ দিন USD এর FOMC Meeting Minutes ও EUR এর ECB President Draghi Speaks দুটি রয়েছে তাই এ সপ্তাহের এ দিনে পেয়ারটি যে কোনো দিকে বিশাল মুবমেন্ট ঘটাতে পারে। তাই এ দিন উক্ত পেয়ারটিতে নিউজ বুঝে সাবধানে ট্রেড করুন।   
       
      রাত ১২.০০মিনিট        USD  FOMC Meeting Minutes
      সন্ধ্যা ৬.০০মিনিট        USD   Unemployment Claims
      রাত ৯.০০মিনিট         EUR   ECB President Draghi Speaks
       
      ১০ই অক্টোবর শুক্রবার –  মার্কেট ক্লোজিং এর এ দিনে পেয়ারটিতে হাই ইম্প্যাক্টের কোনো নিউজ নেই, তাই এ দিনও পেয়ারটিতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস ফলো করে ট্রেড করুন।
       
      বন্ধুরা, উপরোক্ত নিউজগুলো দেখেই এতক্ষণে বুঝতে পারছেন যে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি উভয় কারেন্সিতে শুধুমাত্র তিনটি হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ রয়েছে, তাই আশা করি এ সপ্তাহে পেয়ারটির মার্কেট নিউজ পাবলিশ এর দিন ছাড়া অন্য দিনগুলোতে টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিসমতে চলবে, এবং উক্ত নিউজগুলো পাবলিশ এর দিন পেয়ারটি যেকোনো দিকে ভালো একটি মুবমেন্ট ঘটাবে। তাই এ সপ্তাহে পেয়ারটিতে ট্রেড করার জন্য টেকনিক্যাল এ্যনালাইসিস এর উপর গুরুত্ব দিন শুধুমাত্র নিউজ পাবলিশ এর দিন নিউজ ফলো করুন।   
       
      এ সপ্তাহে আপনি উক্ত পেয়ারটিতে যেভাবে ট্রেড করবেনঃ
      সাধারন নিয়মে পেয়ারটির মার্কেট মূল্য ১.২৫৬৬ ক্রস করলে বাই ট্রেড করুন স্টপ লস ১.২৫১০ আর টেক প্রফিট দিন ৭০-১০০ পিপ্স এবং পেয়ারটির মার্কেট মুল্য যদি প্রথম সাপোর্ট ১.২৪৯৬ ক্রস করে তাহলে সেল ট্রেড করুন আর এক্ষেত্রে টেক প্রফিট ৮০-১২০পিপ্স দিন এবং স্টপ লস দিন ১.২৫৬৫।
      আর যদি মার্কেট ওপেন হওয়ার পর পেয়ারটি বাই এ যায় তাহলে ১.২৬০০-১.২৬৩০ এর মধ্যে সেল ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৬৭০ এবং টেক প্রফিট দিন ৭০-৯০পিপ্স। আর পেয়ারটির মার্কেট মূল্য যদি সেল এ যায় তাহলে ১.২৪১০-১.২৩৮০ এর মধ্যে বাই ট্রেড করুন এক্ষেত্রে স্টপ লস দিন ১.২৩৫০ এবং টেক প্রফিট দিন ৮০-১১০পিপ্স।
          
      উপরোক্ত ট্রেডগুলোর টেক প্রফিট ও স্টপলস আপনি চাইলে আপনার মত করে দিতে পারেন। তবে স্টপলস এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স দেখে দিন।  
      উপরোক্ত যে কোনো অর্ডার মেক করার পর যদি দেখেন যে আপনার ট্রেড প্রফিটে আছে কিন্তু নিউজ আপনার ট্রেড এর বিপরীতে তাহলে ঐই ট্রেডটি ক্লোজ করে দিবেন। ট্রেড এ উপস্থিত না থাকলে একটির বেশী পেন্ডিং অর্ডার দিবেন না। যদি আপনার একটি অর্ডার নিয়ে নেয় তাহলে সে অর্ডারটি ক্লোজ না করে আরেকটি অর্ডার দিবেন না। বিশেষ করে বাই সেল করে ট্রেড লক করবেন না। আর যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা আশা করি পেয়ারটিতে এ সপ্তাহে ভালো করতে পারবেন তবে এজন্য উভয় কারেন্সির নিউজগুলোর উপর অবশ্যই চোখ রাখবেন আর অবশ্যই ট্রেন্ড ফলো করবেন। হাই ইমপ্যাক্ট নিউজ আওয়ার এ দেখে ও বুঝে ট্রেড করবেন। এই এ্যনালাইসিস সাপ্তাহিক ট্রেডাররা ফলো  করলে ভালো, তবে ডেইলি ট্রেডাররা লট সাইজ আনুপাতিক হারে কমিয়ে করতে পারেন।
       
      ধন্যবাদ।
       
      বিঃ দ্রঃ ফরেন এক্সচেঞ্জ একটি হাই রিস্ক লেভেল ট্রেডিং মার্কেট যা সকল ইনভেস্টর বা ট্রেডারদের জন্য যথাযোগ্য নয়। কারেন্সি ট্রেডিং এ ট্রেডারদের ট্রেড এর যে কোনরূপ পরিবর্তন ট্রেডাররা নিজ দায়িত্বে বহন করবে। সে জন্য বিডিফরেক্সপ্রো কোনো প্রকার দায়ী থাকিবে না।


×
×
  • Create New...